একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৭ মে) ভোরে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের ট্রেনলাইনের জোড়বাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের গড়াশিন মধ্যপাড়া গ্রামের আবুল মিয়ার ছেলে হাবিল মিয়া (১৭) ও একই উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের মৈশানন্দনাল গ্রামের মনজুরুল ইসলামের মেয়ে রিতা আক্তার (১৫)।
তারা দুজনেই ভাতকুড়া এলাকায় আলাউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডে শ্রমিকের কাজ করতো।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাবিল ও রিতা আলাউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডে একত্রে শ্রমিকের কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্য প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয়। পারিবারিকভাবে তাদের প্রেমের সম্পর্কটি মেনে না নেওয়ায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে তারা দুজনে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। তাদের প্রেমের সম্পর্কটি মেনে না নেওয়ায় অভিমান করে তারা বাসাইল জোড়বাড়ী এলাকায় গিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়। পরে সকালে স্থানীয়রা তাদের লাশ দেখতে পেয়ে রেলওয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে। এসময় প্রেমিক হাবিলের পরিবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
জোড়বাড়ী লেভেলক্রসিংয়ে গেট কিপার সুলতান মাহমুদ বলেন, ভোর ৪টার দিকে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। পরে রেলওয়ে পুলিশ এসে নিহতদের লাশ নিয়ে গেছে।
ঘারিন্দা রেলওয়ে পুলিশের এএসআই ফজলুল হক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে প্রেমঘঠিত কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরকে কারাগার থেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে অসুস্থতা জনিত কারণে জেলা কারাগার থেকে তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বর্তমানে গোলাম কিবরিয়া বড় মনির টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ৩য় তলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এক কিশোরীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক মাহমুদুল মহসীন জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গোলাম কিবরিয়া বড় মনির টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই এবং জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মকলেছুর রহমানের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। কিছুক্ষণ পর আবার যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সাদিকুর রহমান জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনিরকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তার শরীরের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। কোন সমস্যার কারণে তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে পরে বিস্তারিত জানা যাবে।
প্রসঙ্গত, গত ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়েছে। এদিকে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা বলে প্রমাণ পেয়েছে মেডিকেল বোর্ড। এছাড়াও ওই কিশোরী গত ৬ এপ্রিল দুপুরে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পা বাধাঁ ও গলায় রশি ঝুলানো অবস্থায় মো. ইফসুব মিয়া (৬০) নামের এক চা কফি ও জুতা ব্যবসায়ীর লাশ উদ্বার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ মে) সকালে উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের পংবাইজোড়া বাজারের একটু অদুরে পুষ্টকামরি সালামের শ্যালো মেশিন ঘরের পাশে লাউ গাছের মাচা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন।
সে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের ইদ্দিস মিয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১১ মে) দুপুর দুইটার দিকে বাড়ী থেকে বের হয় ইউসুব। সারা দিন পংবাইজোড়া বাজারে তার নিজ দোকানে বেচাকেনা করেন। বিকেল পর্যন্ত দোকানে তাকে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন আশ পাশের দোকানীরা। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে তার লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে শত শত নারী পুরুষ ভীড় জমায় ঘটনাস্থলে। এ সময় সালামের শ্যালো মেশিন ঘরের হাউজের উপরে লাউ গাছের মাচার খুটির সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত ও পা বাঁধা অবস্থায় তাকে দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
নিহতের ছোট ভাই নূরুজ্জামান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে বাড়ী থেকে বের হয় তার ভাই ইউসুব। চারটার দিকে পংবাইজোড়া বাজারে তার সাথে ভাই ইউসুবের দেখা ও কথা হয়। এর পর আর বাড়ি ফিরেনি সে। শুক্রবার সকালে ভাইয়ের মূত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে সালামের শ্যালো মেশিন ঘরের পাশে লাউয়ের মাচার খুটির সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত ও পা বাঁধা অবস্থায় তাকে দেখতে পান।
স্বামীর মত্যু শোকে কাতর থাকায় তার স্ত্রীর সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা । কিন্তু লাশের পা বাঁধা থাকার অবস্থা দেখে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে । থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের চকতৈল গ্রামে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। বৃহস্পতিবার(১১ মে) সকালে শাহেদ টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ।
তানভীর আহম্মেদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দেলদুয়ার থানা পুলিশ রিমান্ড দাবী করেন। রিমান্ড চাইতে বিলম্ব হওয়ায় টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতের বিচারক আরিফুল ইসলাম শাহেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশদেন।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, গত শনিবার বিকেলে মা ও দুই ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনিরার মা আবেদা বেগম বাদী হয়ে মনিরার স্বামী শাহেদকে প্রধান আসমী করে তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত তিন চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ শাহেদকে গ্রেপ্তার করতে মাঠে নামে। শাহেদ আত্মগোপন করায় পুলিশ চেষ্টা করেও শাহেদকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার শাহেদ স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। দেলদুয়ার থানা পুলিশ রিমান্ড দাবী করেছে। কিন্তু আদালত শাহেদকে কারাগারে পাঠিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের চকতৈল গ্রামে শাহেদের থাকার ঘর থেকে স্ত্রী মনিরা বেগম ও দুই শিশু সন্তান মুশফিক (৮) এবং দুই বছর বয়সী মাশরাফির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মনিরা বেগম একই গ্রামের পার্শ্ববর্তী মৃত মকবুল হোসেন খান ও আবেদা বেগমের মেয়ে। হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ সাবেক পুলিশ সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য ফজলু মিয়ার ছেলে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর গ্রামের মৃত মুছিরাম রাজবংশীর স্ত্রী মরনী রাজবংশীর ৯৪ বছর বয়সেও কপালে জুটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড। তার আক্ষেপ আর কত বছর বয়স হলে মিলবে বয়স্ক ভাতার কার্ড।
কান্নাজড়িত কন্ঠে মরনী রাজবংশী বলেন, এখন আর চোখে তেমন দেখতে পাই না, বয়স তো আর কম হলো না। শরীর আর চলতেই চায়না। শুয়ে বসেই দিন কাটে। কখন যেনো মৃত্যুর ডাক এসে যায়। শুনেছি প্রধানমন্ত্রী নাকি বয়স্কদের ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু আমারতো অনেক বয়স হয়েছে, এখন পর্যন্ত কোন ভাতার কার্ড পাইনি। কত জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে গেছি আমাকে কার্ড করে দেয়নি। আশপাশের অনেকেই ভাতার টাকা পাইছে। কিন্তু আমি পাই নাই! বৃদ্ধা মরনী রাজবংশীর প্রশ্ন ‘আর কত বয়স হলে ভাতার কার্ড পাব আমি’ ?
বয়সের ভারে নুয়ে পড়া মরনী ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। চোখের দৃষ্টিও ঝাঁপসা হয়ে গেছে। দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে বিছানায় শুয়ে। স্বামী বেঁচে থাকা অবস্থায় কোনো মতে চলতো তাদের টানাটানির সংসার। স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানরাও অভাবের তাড়নায় মায়ের খোঁজখবর নিতে পারেনা।
সপ্তাহে মাত্র ৩’শ টাকা দরকার তার ঔষুধ কেনার জন্য। সেটাও জোটাতে পারেন না তিনি। ফলে প্রয়োজনীয় ঔষুধ না খেয়েই বেঁচে থাকতে হচ্ছে তাকে।একটু সচ্ছলতার জন্য বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য বেশ কয়েক বছর ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও কেবলই মিলেছে শুধুই আশ্বাস।
সরেজমিনে মিরিকপুর গিয়ে দেখা যায়, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী, ১৯২৯ সালে ১০ আগস্ট জন্ম মরনী রাজবংশীর। এতে তার বয়স এখন ৯৪ বছর। তার তিন ছেলে ও তিন মেয়ে সন্তানের মধ্যে সবার বিয়ে হয়ে গেছে। দুই ছেলের মৃত্যু হয়েছে অনেক আগেই। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জায়গার ওপর টিনের ছাপড়া ঘরে বসবাস করেন মরনী রাজবংশী ।
কান্নাজড়িত কন্ঠে মরনী রাজবংশী বলেন, এখন আর চোখে তেমন দেখতে পাই না, বয়স তো আর কম হলো না। শরীর আর চলতেই চায়না। শুয়ে বসেই দিন কাটে। কখন যেনো মৃত্যুর ডাক এসে যায়। শুনেছি প্রধানমন্ত্রী নাকি বয়স্কদের ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু আমারতো অনেক বয়স হয়েছে, এখন পর্যন্ত কোন ভাতার কার্ড পাইনি। কত জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে গেছি আমাকে কার্ড করে দেয়নি। আশপাশের অনেকেই ভাতার টাকা পাইছে। কিন্তু আমি পাই নাই! বৃদ্ধা মরনী রাজবংশীর প্রশ্ন ‘আর কত বয়স হলে ভাতার কার্ড পাব আমি’ ?
এ প্রসঙ্গে,বাসাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহেল জানান, বাসাইল সদর ইউনিয়নটি নবগঠিত। গত বছরের ২৪ জুলাই আমি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেছি। দায়িত্ব গ্রহনের পর এই ইউনিয়নে বয়স্কদের জন্য কোন বয়স্ক ভাতার কার্ড বরাদ্দ হয়নি। তবে মরনী রাজবংশীকে ভিজিএফ’র চাল বরাদ্দসহ ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন সহযোগিতা করা হচ্ছে। ইউনিয়নের বয়স্কদের জন্য বরাদ্দ এলেই প্রথমে তাকে দেওয়া হবে।
বাসাইল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরে-ই-লায়লা জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। দ্রুতই মরনী রাজবংশীর খোঁজ-খবর নিয়ে তার কার্ড করে দেওয়া হবে।
বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) পাপিয়া আক্তার জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিলোনা। যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে তাকে বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে বসতবাড়িসহ বোরো ধান, ব্রি ২৯ ধান, আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার (১০ মে) উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের উপর দিয়ে বিকেলে হালকা ঝড়ো হাওয়া ও পরে প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে বড় বড় শিলা বৃষ্টি পড়ে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে বয়ে যাওয়া ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ঘর বাড়িসহ গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ।
দপ্তিয়র ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. কাউছার মিয়া জানান, ঝড়ে আমার বসত বাড়ির ঘরসহ আশপাশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টি ঘর উড়ে গেছে। ভেঙ্গে গেছে বহু গাছপালা।
দপ্তিয়র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম ফিরোজ সিদ্দিকী জানান, বিকেলের দিকে আমার ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে শিলা বৃষ্টিসহ কাল বৈশাখী ঝড় হানা দেয়। ঝড়ে ঘর বাড়ি ও গাছপালাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্ধ রয়েছে গোটা ইউনিয়নের বিদ্যুৎ সংযোগ। ঝড়ে ইউনিয়নের মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের বটতলায় নির্মানাধীন চায়না প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক জহির আহমেদ জমাদার পিন্টু সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
চায়না প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক জহির আহমেদ জমাদার পিন্টু অভিযোগ করে বলেন, জেলা ও উপজেলার কোন নেতা বা জনপ্রতিনিধিদ্বয় চায়না প্রজেক্টের বিরুদ্ধে কথা বলেননি। চায়না প্রজেক্টের দায়িত্ব বাদল এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. বাদল মিয়া নেওয়ার পর থেকেই উপজেলা চেয়ারম্যান বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করে আসছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন অযুহাতে তিনি ১৫ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি নতুন করে পুনরায় ৩০ লক্ষ টাকা দাবি করছেন। এ জন্য তিনি চায়না প্রজেক্টের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কাশিল লেক ভিও নিয়েও মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
নির্মানাধীন প্রকল্পটি সম্পূর্নরূপে চালু হলে অন্তত ৫ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। যারা এমন একটি শিল্পকে ব্যহত করতে চায়, আমি তাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আগামী দিনে যদি কেউ এ প্রকল্প থেকে চাঁদা দাবি করেন, তাদেরকে শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খান বাহাদুর, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো.আরিফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো.আতিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলমগীর হোসেন, আওয়ামী যুবলীগের নেতা মহসিন মিয়া ,মো.শাহ আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. উজ্জ্বল মিয়া, কাশিল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শুভ জমাদারসহ স্থানীয় শতাধিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম জানান, আমি কোন শিল্পের বিরুদ্ধে নই। আমি শুধু তিন ফসলী জমি থেকে মাটি কাটার প্রতিবাদ করেছি। এছাড়া তিনি কারো নিকট কোন প্রকার চাদা দাবি করেননি বলেও জানান।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভাগ্নে (নোনাশের ছেলে ) শাকিব হাসানের (২০) হাত ধরে দুই সন্তানের জননী মামী রত্না বেগম (৩০) পালিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ মে) সকালে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ছাড়া রত্না বেগমের স্বামী কাচামাল ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ সন্তানদের নিয়ে লোক-লজ্জার ভয়ে বাড়ীর বাইরে বেরোনো বন্ধ করে দিয়েছেন। ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ জয়েন উদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের আবদুল লতিফের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী রত্না বেগমের সাথে ভাগ্নে (আপন নোনাশের ছেলে) একই এলাকার মৃত সহিদ মিয়ার ছেলে প্রবাসী শাকিব হাসানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় তিন মাস আগে ভাগ্নে শাকিব দেশে ফিরলে তাদের সম্পর্কটা আরো গভীর হয়ে ওঠে। মঙ্গলবার সকালে ছোটবেলা থেকে সন্তানের মতো লালন-পালন করা ভাগ্নে শাকিবের সঙ্গে মামী রত্না বেগম তার সন্তানদের রেখে পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে লাঙ্গুলিয়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন ফন্নু এই ঘটনায় সমাজ ও গ্রামের মান ক্ষুন্ন হয়েছে দাবি করে ভাগ্নে শাকিব ও মামী রত্না বেগমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ শ্রমিক সংকট নিরসন ও খুব কম সময়ে কৃষকের পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার লক্ষ্যে আধুনিক যন্ত্র হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটলেন টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য ছোট মনির।
সোমবার (১ মে) বিকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের বাস্তবায়িত বোরো ধান প্রদর্শনীর নমুনা শস্য কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবসে কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের মাদারিয়া এলাকায় সন্ধ্যার দিকে কৃষক মজিবর রহমানের ক্ষেতের ধান কেটে ধান কাটার উদ্বোধন করেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে আধুনিক যন্ত্র হারভেস্টার মেশিন দিয়ে পাকা ধান কাটা (কর্তনের) উদ্বোধন করলাম। এ বছর কৃষকের বোরো ধানের চাষ ও ফলন ভালো হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোছা. নার্গিস আক্তার, ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলিফ নূর মিনি, কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ড. হুমায়ূন কবীর, ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ্ আলম প্রামাণিক, সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, ফলদা ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদু প্রমুখ।
সম্পাদনা-আরমান কবীর
আরমান কবীরঃ: এবার এপ্রিল জুড়ে ছিল ঈদের আমেজ। এ মাসের শুরু থেকেই ঈদ ঘিরে অনেকে পরিবার-পরিজন আগেভাগে গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দেন। দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পুরোদমে শুরু হয় ঈদযাত্রা। গত ২২ এপ্রিল দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। এরপর আবার কর্মস্থলে যোগ দিতে গ্রাম ছেড়ে শহরে ফেরেন কর্মজীবী মানুষ।
এ ঈদযাত্রায় ছোট-বড় মিলিয়ে সড়কে ২ হাজার ৫০৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছে ৪৫১ জন। আহত হয়েছে অন্তত ২ হাজার ৫২৭ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটেছে বাস দুর্ঘটনা। বাস দুর্ঘটনায় নিহতও সবচেয়ে বেশি ২৮২ জন। তবে মার্চের তুলনায় এপ্রিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ৫৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি কমেছে। নিহত-আহতের সংখ্যাও আগের মাসের তুলনায় অর্ধেকে নেমেছে। সেভ দ্য রোডের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থার মহাসচিব শান্তা ফারজানার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশের ২২টি জাতীয় দৈনিক, ২০টি টেলিভিশন চ্যানেল, ৮৮টি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ এবং স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সংস্থার স্বেচ্ছাসেবীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন করেছে সেভ দ্য রোড। এজন্য তিনি সেভ দ্য রোডের প্রতিবেদন সচেতনতামূলক কর্মসূচির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রশাসনের সক্রিয়তায় চালক পথচারী ও যাত্রী সাধারণের মধ্যে সচেতনতা-সাবধানতা অবলম্বন করার বিষয়টিকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমকে কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৩১টি। এতে নিহত হয়েছে ৩৪ জন এবং আহত হয়েছে ৪৩৫ জন। ৬৪৫টি ট্রাক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৪৩ জন এবং আহত ৩৬৮ জন। সবচেয়ে বেশি ৮০৮টি বাস দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২৮২ জন এবং আহত হয়েছে ৯৪৩ জন। এছাড়া নসিমন-করিমনসহ অন্য তিন চাকার বিভিন্ন যানবাহনের ৬২২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছে ৭৮১ জন এবং নিহত হয়েছে ৮৯ জন। এতে চালকদের নির্ধারিত গতিসীমা না মানা, বিশ্রাম না নিয়ে টানা ১২-২০ ঘণ্টা গাড়ি চালানোসহ বিভিন্ন অনিয়মকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সেভ দ্য রোড। এছাড়া প্রশাসনের দায়িত্বে অবহেলা, পুলিশ ও প্রশাসনের দুর্নীতিকেও দায়ী করেছে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা সংস্থাটি।
সেভ দ্য রোডের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, এবার বিভিন্ন স্থানে পরিবহন ভাড়া দুই থেকে তিনগুণ বেশি আদায় করার কারণে যাত্রীরা চরম ভোগান্তির কবলে পড়লেও বিআরটিএ বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কোনো মনিটরিং টিম ছিল না। বগুড়া, বরিশাল, নওগাঁ, ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লাসহ দেশের অধিকাংশ সড়ক পরিবহন মালিক কর্তৃপক্ষই ভাড়া নৈরাজ্য করে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির মুখে ঠেলে দিয়েছে। সেভ দ্য রোডের চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনাম, প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী, ভাইস চেয়ারম্যান বিকাশ রায়, জিয়াউর রহমান জিয়া, আইয়ুব রানা ও লায়ন ইমাম হোসেনের তত্ত্বাবধানে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
সেভ দ্য রোডের অঙ্গীকার ‘পথ দুর্ঘটনা থাকবে না আর’ স্লোগান সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে ২০০৭ সালে পথচলা শুরু করে এ সংস্থাটি। এরপর থেকে সড়ক, রেল, নৌ, আকাশপথ দুর্ঘটনামুক্ত করতে সচেতনতা, গবেষণা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে কাজ করছে তারা।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের সম্মেলন উপলক্ষে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল আহমেদ। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল)বিকেলে শহরের আইনজীবী সহকারি সমিতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। কামাল আহমেদ বর্তমানে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
মত বিনিময়কালে কামাল আহমেদ বলেন, আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। সেই ১৯৯৩ সালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে যোগদান করি। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। ১৯৯৯ সালে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রলীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদের (বাকাছাপ) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। ২০০০ সালে সততার সাথে দিঘলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহŸায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। ২০০১ সালে ঘাটাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলাম। ২০০৬ সালে ঘাটাইল উপজেলা যুবলীগের সদস্য ছিলাম। এছাড়া গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে কালিহাতী আসনে সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করে অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হই।
ইঞ্জিনিয়ার কামাল আরও বলেন, ছোট বেলায় ছাত্রলীগ করলেও পরবর্তীতে যুবলীগের দায়িত্ব পালন করেছি। সেই থেকে যুবলীগের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। যুবলীগকে ভালবেসে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপির হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছি। যুবলীগের শহর থেকে তৃণমুল পর্যালের সকল কাউন্সিলর ও ডেলিগেটেরদের সাথে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। আমি যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হতে পারলে উপজেলা, শহর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবলীগের পুর্ণাঙ্গ কমিটি করা হবে। আর এসব কমিটি প্রবীণ ও ত্যাগীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। অপর দিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিটি আসনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দিন-রাত জনগনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরবো।
তিনি বলেন, যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে সকলকে সাথে নিয়ে বর্তমান যে যুবলীগের কমিটি রয়েছে তার চেয়ে গ্রহণযোগ্য গতিশীল কমিটি করে টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে উপহার দেবো। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চেয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট চান তিনি।
ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল আহমেদ টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তিনি কালিহাতীর পৌরসভা সালেঙ্কা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে ২০০১ সালে ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছে। কামাল আহমেদ বর্তমানে ঠিকাদারি ও একাধিক ব্যবসার সাথে জড়িত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে তৃণমূলের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, ইউপি সদস্য ও দরিদ্রদের মাঝে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান শামিমা আক্তারের নিজস্ব অর্থায়নে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
এরই অংশ হিসেবে রবিবার ( ১৬ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন তিনি। পরে দুপুরে একই ইউনিয়নের গোসাইজোয়াইর বাজারে ৫ শতাধিক দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন।
নেতাকর্মীদের ঈদ উপহারের মধ্যে ছিলো পুরুষদের জন্য পাঞ্জাবি ও মহিলাদের জন্য শাড়ী।
দরিদ্রদের জন্য ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিলো ৫ কেজি চাউল, ১কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, এক প্যাকেট সেমাই ও ১ কেজি মুড়ি।
জানা গেছে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যদের মাঝে পাঞ্জাবি ও শাড়ি উপহার দিচ্ছেন তিনি ।
এ ছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে ৫ শতাধিক দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে আসছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার।
ইতোমধ্যে সদর উপজেলার হুগড়া, ঘারিন্দা, গালা , দাইন্যা ও বাঘিল ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের জন্য পাঞ্জাবি ও শাড়ি এবং দরিদ্রদের জন্য ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
গোসাইজোয়াইর বাজারে কথা হয় ঈদ সামগ্রী উপহার পাওয়া রহিমা বেগম, করিমন বেওয়া, ফজল আলীসহ বেশ কয়েক জনের সাথে। তারা জানায়, প্রতি বছর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাদের জন্য উপহার হিসেবে ঈদ সামগ্রী দিয়ে থাকেন। এ বছর এই ঈদ সামগ্রী পেয়ে তারা খুব খুশি।
এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আমি তৃণমূল কর্মীদের মাঝে যাচ্ছি। কারণ তৃণমূলের কর্মীরাই আওয়ামীলীগের প্রাণ। প্রধানমন্ত্রী আমাদের বলার মতো দেশব্যাপী উন্নয়নমুলক কাজ করেছেন। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে এই উন্নয়নের চিত্র সাধারণ মানুষের মাঝে তুলে ধরা। এই কাজটাই তৃণমূলের কর্মীদের, তাই আমি ঈদকে সামনে রেখে তৃণমূলের কর্মীদের দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছি।
তিনি আরো জানান, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে নৌকাকে জয়যুক্ত করতে হলে সকল ধরনের ভেদাভেদ ভুলে আওয়ামী লীগকে একযোগে কাজ করতে হবে।