একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলীতে নির্মাণাধীন রাস্তায় বালুবাহী ট্রাক ও অন্যান্য ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন করেছে পৌলী ও স্বরূপপুর গ্রামের জনসাধারণ।
বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌলী (উত্তর) ঘোষপাড়া এলাকায় স্থানীয়রা এ মানবনন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধনে পৌলী-স্বরূপপুর-বড় বাশালিয়া গ্রামের ৩ শতাধিক জনসাধারণ অংশ নেয়।
মানবন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন- এলেঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও পৌলী মন্দির কমিটির সভাপতি সুকুমার ঘোষ, মন্দির কমিটির উপদেষ্টা রবীন্দ্র সূত্রধর, ক্ষিতিশ ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল ঘোষ, পৌলী মসজিদ কমিটির দাতা সদস্য জামাল মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আ: বাছেদ, বড় বাশালিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, পৌলী গ্রামের শফিক, নাজিম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলী-স্বরূপপুর রাস্তাটি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তাটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। একটি প্রভাবশালী মহল নির্মাণাধীন রাস্তার উপর দিয়ে ট্রাকে বালু ভর্তি করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে। এতে নির্মাণাধীন রাস্তাটি বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ কারণে এলাকাবাসী রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বালুবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধের দাবী জানান।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স হালিম ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী আব্দুল হালিম সরকার বলেন, রাস্তায় সবেমাত্র সাববেইস কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ রাস্তার উপর দিয়ে কোনভাবেই বালুবাহী ট্রাক বা ভারী যানবাহন চললে চলমান কাজের ক্ষতি হবে।
এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নূর-এ-আলম সিদ্দিকী জানান, নির্মাণাধীন রাস্তায় বালুবাহী ট্রাক ও ভারী যানবাহন চলাচল করলে রাস্তার ক্ষতি হবে। ফলে পৌরসভার পক্ষ থেকে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বালুবাহী ট্রাক ও ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধ দেওয়া হয়েছে।
কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজমুল হুসেইন জানান, নির্মাণাধীন রাস্তার উপর দিয়ে বালুবাহী ট্রাক চলাচলে রাস্তার ক্ষতি হলে নিলামকৃত বালু বিকল্প রাস্তা দিয়ে অপসারণ করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কর্মরত র্যাব সদস্যরা মো. হাফিজুর রহমান (৪৫) নামে মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার(১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঢাকা মহানগরের নয়াপল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত হাফিজুর রহমান টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পোড়াবাড়ি(নাগবাড়ি) গ্রামের আ. ছাত্তারের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র্যাব-১৪ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
র্যাব-১৪ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়েরের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মহানগরের নয়াপল্টন এলাকায় অভিযান চালায়।
অভিযানে ৮টি পাসপোর্ট, দুইটি চেক বই, একটি ডেবিট কার্ড ও নগদ ১০ হাজার ১৬০ টাকা সহ লিবিয়ায় মানবপাচার চক্রের সদস্য মো. হাফিজুর রহমানকে আটক করে।
র্যাব আরও জানায়, মো. হাফিজুর রহমান তার গ্রামের লিটন নামে এক যুবককে ভালো বেতন ও থাকা-খাওয়ার সুবিধার নিশ্চয়তায় লিবিয়ায় পাঠায়। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর অজ্ঞাত কয়েক ব্যক্তি লিটনকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে তার বাবার কাছে তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা দাবি করে। লিটনের বাবা আ. ছাত্তার ছেলের কথা ভেবে মো. হাফিজুর রহমানকে তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি আ. ছাত্তারের ইমু নম্বরে লিটনকে মারপিটের ভিডিও পাঠায় এবং আরও ১৩ লাখ টাকা দিতে বলেন। অন্যথায় লিটনকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় লিটনের বাবা আ. ছাত্তার ঘাটাইল থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে টাঙ্গাইলে কর্মরত র্যাব সদস্যরা অত্যধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অবস্থা শনাক্ত করে ঢাকা মহানগরের নয়াপল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. হাফিজুর রহমানকে আটক করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বেড়ি বাইদ ইউনিয়নের শালবন থেকে অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার শালবনের বড় বাইদ এতিমখানার পাশের উত্তর জাঙ্গালিয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশ।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশের এলাকায় স্থানীয় লোকজন কাজে গেলে মরদেহটি দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দেয়।
অরুণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে অন্যস্থান থেকে এনে মরদেহটি এখানে ফেলে রেখে গেছে। উদ্ধারকৃত নারীর মুখ বিকৃত হয়ে গেছে। মরদেহে পচন ধরেছে। টাঙ্গাইল থেকে সিআইডি টিম এসে তদন্ত করবে।
তিনি আরো জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যদি পরিচয় পাওয়া যায়, তাহলে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ( ১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা সদরের ঘিওরকোল গ্রামে ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। প্রবাসীর স্ত্রীর মৃত্য নিয়ে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন।
নিহতের নাম হালিমা আক্তার (২৬)। তিনি উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের কোনড়া গ্রামের প্রবাসী মামুন মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে উপজেলা সদরের ঘিওরকোল গ্রামের নজরুল ইসলামের বাসায় স্ত্রী নিয়ে প্রবাসী মামুন ভাড়া থাকেন। সোমবার দুপুরে স্ত্রীকে বাসায় রেখে চলে যান ওই প্রবাসী। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে হালিমা রুমের দরজা আটকে দেন। পাশে রুমেই কাজ করছিলেন হালিমার মা ও মেয়ে। দরজা আটকানো দেখে হালিমার মা তার খালাতো ভাই শরিফুলকে মুঠোফোনে ফোন করে ডেকে আনেন। পরে শরিফুল আসলে রুমের দরজা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে রাত ৯টার দিকে সিএনজি যোগে গ্রামের বাড়ি কোনড়া নিয়ে যান। পুলিশ খবর পেয়ে ওই রাতেই প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত হালিমার কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, তারা দরজা ভাঙ্গার শব্দ শুনে হালিমার বাড়ির গেটের সামনে আসলে মেয়ের মা ও তার খালাতো ভাই শরিফুল বাসার ভিতর ঢুকতে দেয়নি তাদের। পাশের আরেক ভাড়াটিয়াও জানেন না কি হয়েছে সোমবার বিকেলে। শুধু তারা তাদের বললো সে হার্ট এ্যাটাক করছে।
প্রবাসী মামুন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি কল কেটে দেন।
নিহত হালিমার মা কমলা বেগম জানান, তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি আর কিছু বলতে পারবেন না।
নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, খবর পেয়ে সোমবার রাতেই লাশ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এ র্যাগিং এ জড়িত থাকার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১৩ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্ষদ রিজেন্ট বোর্ডের ২৩ জানুয়ারির ২২৯তম সভায় কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০১৯- ২০২০ শিক্ষাবর্ষের নাফিসুজ্জামানকে (শিক্ষার্থী আইডি -সিই ২০০৩৮) পরবর্তী ৪ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়া মিসাইল হোসেন আসিফকে (শিক্ষার্থী আইডি সিই- ২০০৩৯) ২ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। মো. ফাহিম আল হাসানকে (শিক্ষার্থী আইডি সিই -২০০৩০) ১ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার, রাফিয়া জামান মুক্তিকে (আইডি সিই ২০০১৭) ১ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার, মাহবুবা আক্তারকে (শিক্ষার্থী আইডি সিই ২০০১১) ১ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার, রূপা রানীকে (শিক্ষার্থী আইডি-সিই ২০০২৫) ১ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
উপরোক্ত ছয়জনের বাইরেও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের আরো সাত শিক্ষার্থীকে মুচলেকা দিতে বলা হয়েছে। তারা হলেন, আশিকুর রহমান আকিব (সিই-২০০০৯), হুসনে বানু বৃষ্টি (সিই- ২০০১৪), সৈয়দ মাহিদ ফয়সাল (সিই-২০০০৫), সিফাইত সারোয়ার (সিই-২০০৪২), নাইমুর রহমান (সিই-২০০০৬), ওয়াসিফ বিন জহির (সিই ২০০২২) ও মনির হোসাইন (সিই-২০০০২)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্ষদ রিজেন্ট বোর্ড থেকে উপরোক্ত সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, শাস্তিপ্রাপ্ত ১৩ জন শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০১৯- ২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায় এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার(৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই শিক্ষার্থী আল আমিন (২০) উপজেলার বেতুয়া মধ্যপাড়া গ্রামের শামছুল আলম ছেলে।
এ ঘটনায় ওই হাফেজিয়া মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলার অভিযোগে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
হাফেজিয়া মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মত আল-আমিন সবার সাথে রাতে খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ে। সকালে সবাই ঘুম থেকে জেগে উঠলেও আল- আমিন ওঠেনি। ওই মাদ্রাসায় কর্মরত হাফেজ শিক্ষক খোঁজ নিয়ে দেখেন আল আমিন অসুস্থ। পরে অভিভাবকে মোবাইল ফোনে জানান। অভিভাবকেরা এসে ওই শিক্ষার্থীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
কালিয়ান হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সভাপতি মো.আনোয়ার হোসেন জানান,আল আমিনের মৃগী রোগ ছিলো, ভোর রাতে আল আমিন অবস্থা গুরুতর জেনে ওর মাকে ডেকে এনে মাদরাসার তিনজন ছাত্রসহ সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেই। এমন গুরুতর অবস্থায় আল আমিনকে হাসাপাতালে পাঠানোর সময় শিক্ষক বা সচেতন কাউকে সাথে না পাঠানোর কারণ জানতে চাইলে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি।
নিহতের বড় ভাই মিনহাজ উদ্দিন জানান, আমার ভাই কোন অসুস্থ ছিলো না। হাফেজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি মিথ্যা বলেছে। আমার ভাই সুস্থ ছিলো।মৃত্যুর পর আমার ভাইয়ের নাকের দুই ছিদ্রে রক্ত লেগে ছিলো।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও বহেড়াতৈল ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. উজ্জ্বল মিয়া জানান, পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের জন্য সম্মতি দিয়েছি।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ফতেপুরের হাতকুড়া জামে মসজিদের ইমাম মুফতি সাইফুল ইসলামকে মারধরের ঘটনায় দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার হরতকীতলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন-উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হাতকুড়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের দুই ছেলে আসাদুজ্জামান আসাদ (৩৫) ও আশরাফুল ইসলাম কদম আলী (৩০)।
জানা গেছে, হাতকুড়া জামে মসজিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কমিটির সঙ্গে বিরোধের জেরে ১৮ জানুয়ারি ওই দুই ভাই মসজিদের ইমাম মুফতি সাইফুল ইসলামের ওপর চড়াও হয়। স্থানীয় লোকজন এর প্রতিবাদ করলে তাদের ওপরও ক্ষিপ্ত হয় তারা। একপর্যায় ইমাম বাড়ি চলে যান। আসাদ ও কদম আলী গালিগালাজ করতে করতে ইমামের বাড়ি গিয়ে তাকে মারপিট করে এবং দাড়ি টেনে ছিঁড়ে ফেলে। এরপর ২০ জানুয়ারি মির্জাপুর থানায় মামলা করেন ভোক্তভুগি মুফতি সাইফুল ইসলাম।
এদিকে মামলা হওয়ার ১৫ দিনেও আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় কওমি ওলামা পরিষদ টাঙ্গাইল ও মির্জাপুর শাখার উদ্যোগে শনিবার (৪ জানুয়ারি) উপজেলার কুরনী জালাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশ করেন। সমাবেশে দুই ভাইকে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।
মির্জাপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এস এম মনসুর মুসা জানান, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে রোববার দিনগত রাতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার হরতকীতলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার সালিস বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় হান্নান (২৬) নামের এক যুবক মারা গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় হান্নানের বড়ভাই আবু হানিফাও গুরুতর জখম হয়েছেন।
শনিবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের আশ্রা দক্ষিণপাড়া মাস্টারবাড়ি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আশ্রা গ্রামের আমজাদ হোসেন ও ইদ্রিস আলীর সঙ্গে প্রতিবেশী হাতেম আলীর জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয়। শনিবার বিকেলেও মাস্টারবাড়ি মোড়ে এ নিয়ে সালিস বৈঠক চলছিল। বৈঠক চলাকালেই হাতাহাতি ও মারামারি হয়। এর একপর্যায়ে বড়ভাই আবু হানিফার ওপর আক্রমণকারীরা চরাও হলে ছোট ভাই হান্নান ফেরাতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হন। তখন হান্নান আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে গিয়ে নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে গিয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
স্থানীয় চিকিৎসক আব্দুল কাদের তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হেলাল উদ্দিন জানান, ‘হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই রাস্তায় আহত রোগীর মৃত্যু হয়েছে।’
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন জানান, ‘জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মহিষমারা ইউপির এক নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সরাফত আলী ও তিন নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জুয়েল রানাকে লাউফুলা পুলিশ ফাঁড়িতে ডেকে আনা হয়েছে। এ নিয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে খলিলুর রহমান (৬০) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে একমাত্র আসামীকে টাঙ্গাইল জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের ভাদুরীরচর গ্রামের মৃত মসলিম উদ্দিনের ছেলে ও ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।
জানা যায়, শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) খলিলুর রহমান মাদরাসার গেট থেকে ওই ছাত্রীকে ডেকে নেন। তারপর চকলেট দেওয়ার কথা বলে কৌশলে পাশের পুকুর পাড়ের নির্জন ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে আসামি দৌঁড়ে পালিয়ে যান।
গোপালপুর থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, ওই শিশুটির মা বাদি হয়ে শনিবার রাত, ১১ টায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি আরো জানান, মামলার একমাত্র আসামী খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে রবিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতির সংবাদ প্রচার করায় সময় টিভির বার্তাপ্রধান মুজতাবা দানিশের বিরুদ্ধে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে করা মামলা ও পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঘণ্টাব্যাপী জেলায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা পালন করেন এ কর্মসূচি।
এ সময় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুগান্তর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার জাফর আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক ও আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার কাজী জাকেরুল মাওলা, বাংলা ভিশনের জেলা প্রতিনিধি আতাউর রহমান আজাদ, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখরসহ জেলায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত হয়ে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সমাবেশে সাংবাদিকরা জানান, ডিজিটাল অ্যাক্ট আইন করে প্রতিনিয়তই সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতির সংবাদ প্রচার করায় সময় টিভির বার্তাপ্রধান মুজতাবা দানিশ ও রংপুর ব্যুরোপ্রধান রতন সরকারের নামে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে মামলা করে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই সাংবাদিক সমাজ মেনে নিতে পারে না।
সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, সম্প্রতি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে সাংবাদিকদের কোনো সমস্যা হবে না বলে জানান। তারপরও এই আইনেই সাংবাদিকরাই হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। তাই অনতিবিলম্বে সময় টিভির বার্তাপ্রধান ও সাংবাদিক রতন সরকারের নামে দায়ের করা ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে করা মামলা প্রত্যাহারসহ দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা মামলা প্রত্যাহার ও পুলিশি হয়রানি বন্ধ না হলে অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ।
উল্লেখ্য, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের তোয়াক্কা না করে ফল প্রকাশ, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীকে পাস করানোসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি ধরা পড়লেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সামসুল হক। বিতর্কিত সাবেক ভিসি ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর সময়কালে সংঘঠিত এসব অপকর্মের বিচার চাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ চক্রের প্রভাবশালী সামসুল হক। সময় টিভিতে এসব সংবাদ প্রচারের অভিযোগে সময় টিভির বার্তাপ্রধান ও রংপুর ব্যুরোপ্রধানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ নদী-চর-খাল-বিল গজারির বন, টাঙ্গাইল শাড়ী তার গরবের ধন। টাঙ্গাইলের ফুসফুস খ্যাত মধুপুরের শাল গজারির বন নব্বইয়ের দশক থেকে পর্যায়ক্রমে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলদারিত্বের কারণে বিলীন হওয়ার পথে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, একসময় ৪৫ হাজার ৫৬৫.৩৮ একর এলাকা জুড়ে মধুপুরের শালবন বিস্তৃত ছিল। দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় প্রভাবশালীদের জবর দখলের কারণে শালবনের বিস্তৃতি এসে দাড়িয়েছে ৯ হাজার একরে। এ হিসেবে মধুপুর বনাঞ্চলের পাঁচ ভাগের চার ভাগই এখন জবর দখলকারীদের নিয়ন্ত্রণে।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতিক ও বনাঞ্চলের নিকটবর্তী বিভিন্ন উপজেলা থেকে বহিরাগত প্রভাবশালীরা স্থানীয় নৃ-জনগোষ্ঠীদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার একর বনভূমি উজাড় করে নিচ্ছে। সম্প্রতি দোখলা রেঞ্জ অফিসের প্রায় ৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব পার্শ্বের গহীন শালবনের মাগিচোরাচালা এলাকায় গজারি, সিদা, আজুগিসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩ শতাধিক গাছ কেটে নিয়ে গেছে স্থানীয় একটি চক্র।

সরেজমিনে, মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা রেঞ্জের আওতাধীন মাগিচোরাচালা এলাকায় গিয়ে দেখা যায় বনখেকো একটি চক্র বনাঞ্চলের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে গেছে। শুধু ডালপালাগুলো ওইখানে অযাচিতভাবে পড়ে আছে। উজারকৃত বনের পাশেই রয়েছে কয়েকটি উডলট বাগান। জয়নাগাছা গ্রামের দক্ষিণপার্শ্বে ওইসব উডলট বাগানের মালিক সেলিম মিয়া, রনজিত মেম্বার ও দেলু ফকির। তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানান, পার্শ্ববর্তী হরিনধরা গ্রামের তোতা মিয়া বন বিভাগকে ম্যানেজ করে প্রাকৃতিক বাগানের গাছ কেটে প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে আনারস রোপনের পায়তারা করছে।
তারা আরো জানান, দোখলা রেঞ্জ অফিসার হামিদুল ইসলাম তোতা মিয়ার চাচা শ্বশুর হওয়ার সুবাদে অর্থের বিনিময়ে তাকে ম্যানেজ করে গাছ কেটে আনারস বাগান করার পায়তারা করছে।

তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই বন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে স্থানীয় প্রভাবশালীরা নতুন নতুন বনভূমির গাছ কেটে প্রথমে জমিটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে ওই জমিতে আনারস কলাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করেন। এভাবেই পর্যায়ক্রমে মধুপুর গড়ের হাজার হাজার একর বনভূমি প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে।
তোতা মিয়া জানান, তিনি কখনো কোন বনের জায়গা জবর দখল করেননি। তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিতে আনারস কলাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে থাকেন। এছাড়া অন্যের কলা বাগান কিনেও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলা বিক্রি করে থাকেন। রেঞ্জ অফিসার হামিদুল হক তার চাচা শ্বশুর নন।
মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা রেঞ্জের দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম জানান, তিনি গত মাসে এই রেঞ্জে দায়িত্ব নিয়েছেন। দীর্ঘদিনের গাছকাটা এবং বনের জায়গা জবর-দখলের প্রচলন থাকলেও তিনি এসে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় জবর-দখলকারীরাই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুৎসা রটাচ্ছেন।
টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান জানান, বনের গাছ চুরি ও ভূমি জবর-দখলের বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক মসজিদ ও মাদরাসার পেশ ইমাম মুফতি সাইফুল ইসলামের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে স্থানীয় আমরা মির্জাপুরবাসী নামে একটি সংগঠন। এসময় তারা আসামীদের গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ঘোষণা দেন।
শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কুরনী জালাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মুফতি আব্দুর রহমান, মুফতি এরশাদুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ, হাফেজ মাওলানা আব্দুর মামুন, জাকির হোসেন, মোহাম্মদ আলী, আব্দুর রহীম ও হাবিুল্লাহ প্রমুখ।
স্থানীয়রা জানান, সমজিদ ও মাদরাসার জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পেম ইমামের উপর হামলা করা হয়।
হামলায় অভিযুক্তরা হলেন যুবলীগ নেতা ও হাতকুড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ আলীর ছেলে আসাদুল্লাহ আসাদ ও তার ভাই কদম আলী।
আয়োজকরা জানান, হাতকুড়া গ্রামের সামাজিক মসজিদ ও মাদরাসার জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জানুয়ারি যুবলীগ নেতা আসাদ ও তার ভাই কদম আলীসহ কতিপয় সন্ত্রাসী মসজিদ ও মাদরাসার পেশ ইমাম মুফতি সাইফুল ইসলামের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এসময় তারা ইমামের মুখের দাড়ি কেটে নেয়।
জানা গেছে, এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা হলেও ঘটনার ১৫ দিন পার হলেও আসামিরা গ্রেপ্তার হয়নি। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার আমরা মির্জাপুরবাসী নামে একটি সংগঠন এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।
প্রতিবাদ সমাবেশে আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার না করা হলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন আয়োজকরা।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার সেকেন্ড অফিসার মো. মোশারফ হোসেন জানান, মামলার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেছে। আসামিদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।