/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের হামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুই সদস্য আহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের হামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুই সদস্য আহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত শামছুল হক সেতুর আশপাশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দেলদুয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি)’র দুই সহযোগী নিরাপত্তা কর্মী রাজু আহম্মেদ ও এলাসিন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) শাহাদত হোসেন।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার উদ্যোগ নিলে এ হামলা চালান অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা।

দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করে দিচ্ছে একটি প্রভাবশালী একটি চক্র। এ ব্যাপারে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রশাসন। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই মাটি উত্তোলনকারীরা টের পেয়ে তাদের সরঞ্জাম নিয়ে চলে যায়। ফলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার দুপুরে মাটি কাটা বন্ধ করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার উদ্যোগ নেয় উপজেলা প্রশাসন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সূচি রানী সাহা তার টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে রওনা দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই শামছুল হক সেতুর টোল প্লাজার উত্তর পাশের সড়কে মাটি উত্তোলনকারীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) সূচি রানি সাহা অক্ষত থাকলেও তার দুই সহযোগী নিরাপত্তা কর্মী রাজু আহম্মেদ ও এলাসিন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) শাহাদত হোসেন গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা কাঠের চলা ও লাঠি দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটায়। এক পর্যায়ে তারা অজ্ঞান হয়ে পড়লে হামলাকারীরা চলে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা আলী বলেন, ঘটনা জানার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি বহনের কাজে নিয়োজিত ২টি ট্রাক আটক করা হয়েছে। এ সময় ট্রাকের চালকরা পালিয়ে যাওয়ায় থানা পুলিশের সহায়তায় রেকারের মাধ্যমে ট্রাক ২টিকে প্রশাসনের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জানুয়ারী ২০২৩ ০৩:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মেয়ের খুনি বাবা, জানা গেল ৭ বছর পর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মেয়ের খুনি বাবা, জানা গেল ৭ বছর পর

একতার কণ্ঠঃ নিজের পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করেছিলেন টাঙ্গাইলের কালিহাতীর পারুল আক্তার। তাঁর বাবা সেই বিয়ে মেনে নেননি। ঢাকা জেলার আশুলিয়া এলাকায় এসে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন পারুল ও তাঁর স্বামী নাছির উদ্দিন ওরফে বাবু। দুজন যা বেতন পেতেন, তা দিয়ে তাঁদের সংসার খুব ভালোভাবে চলত না। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া হতো। বিয়ের তিন বছর পর ঝগড়া করে স্ত্রীকে বাসায় রেখে বেরিয়ে যান নাছির। পারুল তাঁর বাবাকে ফোন করে পারিবারিক অশান্তির কথা বলেন।

মেয়ের প্রতি ক্ষুব্ধ বাবা মেয়েকে বাড়ি ফিরতে বলেন। বাবার কথায় স্বামীর সংসার ছেড়ে গ্রামে চলে যান পারুল। এবার ক্ষুব্ধ বাবা নিজের ও পরিবারের অসম্মান করায় মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পারুলের বাবা আ. কুদ্দুস খাঁ মেয়েকে ভালো ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে টাঙ্গাইল থেকে জয়পুরহাটে নিয়ে যান। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুদ্দুসের সঙ্গে তাঁর বন্ধু মোকাদ্দেছ ওরফে মোকা মণ্ডলও যান।

সেখানে যাওয়ার পর জয়পুরহাটের পাঁচবিবি এলাকায় একটি নদীর পাশে নির্জন জায়গায় রাতের অন্ধকারে পারুলকে তাঁর বাবা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। পরে মোকাদ্দেছের সহযোগিতায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেন।

২০ জানুয়ারি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মেয়ে হত্যার এমন লোমহর্ষক, বর্বরোচিত বিবরণ তুলে ধরেন আ. কুদ্দুছ খাঁ। তিনি এখন কারাগারে। তাঁর দেওয়া জবানবন্দি আজ রোববার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। এ সংবাদ সম্মেলন হয় ধানমন্ডিতে পিবিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার বলেন, পারুল সব ভাইবোনের মধ্যে মেধাবী ছিলেন। স্কুলে তাঁর রোল নম্বর ছিল ২। দেখতেও ছিলেন সুন্দরী। বাবা কুদ্দুসের স্বপ্ন ছিল মেয়েকে শিক্ষিত করবেন। কিন্তু নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় পালিয়ে বিয়ে করায় বাবা ক্ষুব্ধ হন।

বনজ মজুমদার বলেন, তখন থেকেই কুদ্দুসের পরিকল্পনা ছিল মেয়ে তাঁকে যে অসম্মান করেছে, তাতে তার বেঁচে থাকার অধিকার নেই। মেয়ের বিয়ের তিন বছর পর সেই সুযোগ পেয়ে তিনি তাঁর বন্ধুর সহযোগিতায় মেয়েকে হত্যা করেন। কুদ্দুসের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোকাদ্দেছকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে বনজ কুমার মজুমদার বলেন, মেয়েকে হত্যার পর কুদ্দুসের মধ্যে আরেকটা বিষয় কাজ করছিল যে তাঁর মেয়ের এই পরিণতির জন্য নাছির দায়ী। তাঁকেও শাস্তি দিতে হবে। তাই মেয়ের জামাইকে ফাঁসাতে একের পর এক মামলা করেছেন তিনি। রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারায় থানা–পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই পুলিশ প্রতিবেদন দেন। মেয়ের বাবাও বারবার নারাজি দেন।

পিবিআই জানায়, পারুলের বাবা শুরুতে অপহরণ ও গুমের মামলা করলেও সর্বশেষ তিনি আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। সেই মামলার তদন্ত আবার পিবিআইকে দেওয়া হয়। তদন্তে নেমে ২০১২ সালে মেয়ের বাবার করা সাধারণ ডায়রিতে দেওয়া একটি ফোন নম্বরের সূত্র ধরে এ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়।

পিবিআই জানায়, মেয়েকে হত্যার পর নাছিরকে শাস্তি দিতে দীর্ঘ সাত বছর ধরে তিনি মামলা চালিয়েছেন। এর জন্য তিনি নিজের জমিও বিক্রি করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:৪৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী জহিরুল ইসলাম (৬৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

সোমবার(২৩ জানুয়ারি) ভোর রাতে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি ২ বছর ধরে পলাতক ছিলেন।

জহিরুল ইসলাম নাগরপুর উপজেলার মীর কুটিয়া গ্রামের মৃত জলিল মিয়ার ছেলে।

এ প্রসঙ্গে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, ২০১৩ সালের টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এলাকায় আউয়াল নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। ওই বছরের ১ আগস্ট মির্জাপুর থানার এসআই শ্যামল কুমার দত্ত বাদি হয়ে হত্যা মামলায় জহিরুল ইসলামকে প্রধান আসামী করে চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক জহিরুল ইসলামকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেন। মামলা চলাকালে জহিরুল ইসলাম পালিয়ে যান।

তিনি আরো জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া এলাকা থেকে জহিরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার সকালে জহিরুলকে মির্জাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:২৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্যাংকে রামদা নিয়ে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে যুবক আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্যাংকে রামদা নিয়ে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে যুবক আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকে রামদা নিয়ে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে স্থানীয় জনতা এক যুবককে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এসময় তার কাছ থেকে একটি রামদা, হাতুড় উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত যুবকের নাম মেহেদি হাসান। সে সখিপুর উপজেলার গোহাইলবাড়ী গ্রামের মৃত নাজমুল হাসানের ছেলে।

ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের এলেঙ্গা শাখার দায়িত্বে থাকা মনিরুল ইসলাম রনি জানান, আমি ক্যাশে বসে দায়িত্ব পালন করছিলাম। হুট করে দেখি মুখোশ পড়া এক যুবক প্রবেশ করে বড় রামদা নিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। তখন আমি ক্যাশের ড্রয়ার বের করে আত্মরক্ষার চেষ্টা করি এবং ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে জনতা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সহকারী পুলিশ সুপার (কালিহাতী সার্কেল) শরীফুল হক জানান, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক ডাকাতি প্রস্তুতিকারী যুবককে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে । আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জানুয়ারী ২০২৩ ১২:৫৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পর্ণগ্রাফী তৈরির অভিযোগে ৮ যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পর্ণগ্রাফী তৈরির অভিযোগে ৮ যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌরসভার আভুঙ্গী চরপাড়ার জনৈক কামরুল ইসলামের বাড়িতে পর্ণগ্রাফি ভিডিও ও ছবি তৈরিকালে অভিযান চালিয়ে ৮ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে পর্ণগ্রাফি ভিডিও ও ছবি প্রস্তুতের কাজে ব্যবহৃত ৮টি ল্যাপটপ ও কম্পিউটার জব্ধ করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালপুর থানা পুলিশ বুধবার(১৮ জানুয়ারি) রাতে ওই অভিযান চালায়। অভিযানের সময় অজ্ঞাত আরও ১০-১৫জন পালিয়ে যায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- আভুঙ্গী চরপাড়া গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে রনি মিয়া(২৭), শামছুল হকের ছেলে নাজমুল ইসলাম(১৯), মুসলিম উদ্দিনের ছেলে শাহিন মিয়া(২৭), হাকিম মিয়ার নাতি আমিরুল ইসলাম(২৪), মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে সানি মিয়া(১৯), গোলাম হোসেনের ছেলে সাকিব হোসেন(২৩), মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. আলম(২৫), বাখুরিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত মুসলিম উদ্দিনের ছেলে ফজলুল হক(৪০)। এ ঘটনায় পর্ণগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করার পর তাদেরকে আদালতে মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, জব্ধকৃত ল্যাপটপ ও কম্পিউটার থেকে বিপুল পরিমাণ অশ্লীল ভিডিও ও ছবি পাওয়া গেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে এসব অশ্লীল কণ্টেণ্ট দিয়ে অসাধু উপায়ে টাকা উপার্জন করছিল।

গোপালপুর বাজারের ব্যবসায়ী এনামুল হক, তারা মিয়া, আরিফুল ইসলাম সহ স্থানীয়রা জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তারা জানতেন। এই পরিচয়ের আড়ালে তারা এসব অপকর্ম করতেন তা জানা ছিলনা। গ্রেপ্তারের পর এখন শোনা যাচ্ছে- পাশের মধুপুর পৌরসভার কোন এক জায়গায় তাদের প্রধান কর্যালয় রয়েছে। সেখান থেকে তারা অবৈধ কাজের প্রশিক্ষণ নিয়েছে।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, পুলিশ একটি সাধারণ ডায়েরির তদন্ত করতে গিয়ে এই চক্রের সন্ধান পায়। গ্রেপ্তারকৃতদের জবানবন্দি অনুযায়ী এই চক্রের অন্য সদস্যদের খোঁজা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জানুয়ারী ২০২৩ ০৮:৩০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ এক তরূণ গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ এক তরূণ গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ লাবিব বিন বিল্লালকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। গ্রেপ্তার হওয়া লাবিব বিন বিল্লাল ইয়াবা ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার জেলখানা মোড়ের কুঁড়েঘর কফি হাউজ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। লাবিব উপজেলার অবিভক্ত কালিয়া ইউনিয়নের (আড়াইপাড়া গ্রাম) ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর নয় সদস্যসের একটি বিশেষ দল সখীপুর উপজেলা থেকে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই চক্রের আরও একজন সুমন মিয়া (৩০) পালিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, লাবিব দীর্ঘদিন ধরে সখীপুর উপজেলাসহ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে ইয়াবা বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীর নামে থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জানুয়ারী ২০২৩ ০৭:০৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ‘শাশুড়ির পিটুনিতে’ জামাতার মৃত্যুর অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘শাশুড়ির পিটুনিতে’ জামাতার মৃত্যুর অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পারিবারিক কলহের জেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পৌলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম আবুল মাজম (৫০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত আক্কেল আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, ওই গ্রামের আজাহার মিয়ার ছেলে বাবুল মন্ডলের সাথে পাশ্ববর্তী স্বরপপুর গ্রামের আব্দুল বারেকের মেয়ের বিয়ে হয়। বুধবার রাতে বাবুলের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে বাবুলের শ্বশুর আব্দুল বারেক, শ্বাশুরী আনোয়ারা বেগম ও মামা শ্বশুর আফসার আলী বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে তাদের বাড়িতে যান।

এ সময় বাবুল ঘরে বসে খাবার খাচ্ছিল। পেছন থেকে তার শ্বাশুরী আনোয়ারা বেগম তাকে লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে। বাবুলের আত্মচিৎকার তার চাচাতো ভাই আবুল মাজম এগিয়ে আসলে তাকেও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে মাজম মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার সময় তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা আনোয়ারা বেগম, বারেক ও আফসারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

স্থানীয় কাউন্সিলর শুকুমার ঘোষ জানান, পারিবারিক কলহের জেরে বাবুলকে পেটানো হয়। মাজম এগিয়ে গেলে তাকে পেটানো হলে তিনি নিহত হন।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসার জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:৫৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আরছব আলী (৬৬) নামে এক বৃদ্ধা ফাঁসিতে ঝুলে রহস্যেজন মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার শালগ্রামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি সদস‍্য মো. দুলাল হোসেন ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধার আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্র জানা যায়, নিহত আরসব আলী দীর্ঘদিন কোমর ও বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। অসহ্য ব্যথার যন্ত্রণায় মাঝে মধ্যেই রশি নিয়ে আত্মহত্যা করতে ছোটাছুটি করতেন। পূর্বের ঘটনার মত সোমবার সকালে ব্যথা ওঠার কারণে রশি নিয়ে ফাঁসি দিতে যান। পরে প্রতিবেশীরা দুপুরে বাড়ির আঙিনায় গাছের সাথে বৃদ্ধের লাশ ঝুলতে দেখতে পান।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, কারো পক্ষ থেকে কোন প্রকার সন্দেহ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে লাশ ওই বৃদ্ধার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২৩ ০৩:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে শামছুল হক (৬৫) নামে একবৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের কোনাবাড়ি (দানিবাড়ি) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শামছুল হক ঐ গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে। ধলাপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মাইনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী জানায়, নিহত শামছুল হক তার ১ম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর বিজলঙ্গী গ্রামের মিন্টু মিয়ার মেয়ে মিনা খাতুনকে বিবাহ করেন। ২য় স্ত্রী মিনা খাতুনের ঘরে শামছুল হকের ২ ছেলে এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। তাদের সংসারে প্রায়ই কলহ লেগেই থাকতো। দীর্ঘদিন যাবত স্ত্রীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে নিজেই বিষপান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। পারিবারিক কলহের জেরেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান প্রতিবেশিরা।

এ প্রসঙ্গে ধলাপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মাইনুল ইসলাম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:২৮:এএম ৪ বছর আগে
৩৩ বছর পলাতক থাকার পর ‌’আগুন পাগলা’ গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

৩৩ বছর পলাতক থাকার পর ‌’আগুন পাগলা’ গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার গিলাবাড়ি গ্রামের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি শফিকুল ইসলাম পাকুল ওরফে আগুন পাগলাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

বাসাইল থানার একটি মামলায় ৩৩ বছর পলাতক থাকার পর শুক্রবার(৬ জানুয়ারি) পূর্বরাতে নারায়নগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকা থেকে তাকে র‌্যাবের একটি চৌকশ দল গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল ইসলাম পাকুল ওরফে আগুন পাগলা বাসাইল উপজেলার গিলাবাড়ি গ্রামের মুকছেদ আলীর ছেলে।

শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে র‌্যাব-১৪ এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ১৯৮৪ সালে বাসাইল থানার একটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলায়(নং-৪, তাং-২৯/০৯/১৯৮৪ইং, ধারা-দ.বি. ৩৯৫/৩৯৭) ১৯৮৯ সালে আদালত কর্তৃক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে শফিকুল ইসলাম পাকুল ওরফে আগুন পাগলা ফেরারী হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা নামে বসবাস করতে থাকেন।

এক পর্যায়ে এনআইডি পরিবর্তন করে মিথ্যা নাম-পরিচয়ে ৩২৯৮৭০০১৪১ নং জাতীয় পরিচয়পত্র(গ্রাম-দেলুটিয়া, ডাকঘর-ভাবনদত্ত-১৯৭০, থানা-ঘাটাইল, জেলা-টাঙ্গাইল) বহন করা শুরু করেন। তিনি বিভিন্ন মাজারে নিজেকে ‘আগুন পাগলা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভক্তিমূলক গানে নিয়মিত অংশ গ্রহন করতেন।

র‌্যাব-১৪ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়েরের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি চৌকশ দল তথ্যপ্রযুক্তি ও ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জপুল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শফিকুল ইসলাম পাকুল ওরফে আগুন পাগলা স্বীয় অপরাধ স্বীকার করেছে। পরে তাকে বাসাইল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জানুয়ারী ২০২৩ ১১:৪৫:পিএম ৪ বছর আগে
আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘি ইউনিয়ন পরিষদের আলোচিত চেয়ারম্যান ও যুবদল নেতা মালেক হত্যা মামলার আসামি হেকমত সিকদারের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মালেকের স্ত্রী মর্জিনা বেগম, বোন রোমেছা খাতুন, মামা বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ, এলাকাবাসী রফিকুল ইসলাম, মো. শামসুদ্দিন প্রমুখ।

এই মানববন্ধনে প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে প্রায় তিন শতাধিক এলাকাবাসী অংশ গ্রহণ করে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ ঘাটাইলের সাগরদিঘি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাত ৩টায় গুলিতে আব্দুল মালেক (৪৫) নামে এক স্থানীয় যুবদল নেতা নিহত হন। পরদিন ২৯ মার্চ গুপ্তবৃন্দাবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

স্থানীয়রা জানায়, সাগরদিঘী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হেকমত সিকদারের লোকজন ব্যালট পেপারে সিল মারছে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুল্লাহ বাহারের সমর্থকসহ এলাকাবাসী সেখানে হামলা চালায়। এ সময় স্কুলঘরের ভেতর থেকে হামলাকারীদের প্রতি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশও গুলি চালায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আব্দুল মালেক নিহত হন।

তিনি গুপ্তবৃন্দাবন গ্রামের বাসিন্দা নেছার উদ্দিনের ছেলে। পরে ২ এপ্রিল আব্দুল মালেকের স্ত্রী মর্জিনা বেগম বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি একাধিক তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের পর সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল সিআইডির পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান আকন্দ জানান, তারা সরেজমিনে ঘটনার পূর্বাপর তদন্ত শেষে রোববার (১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে হেকমত সিকদারকে গ্রেপ্তারের পর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সোমবার তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৩ ১১:৩৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা নিহতের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার(৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের বানিয়াজান দক্ষিণপাড়া বাবুল বাজারের এক চায়ের দোকানের পাশে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

নিহত চাচা মো. শরিফ উদ্দিন (৩৫) ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

এই ঘটনায় ভাতিজা মো. ইদ্রিস আলীকে (৫০) উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের বানিয়াজান দক্ষিণপাড়া নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ভাতিজা ইদ্রিস আলী একই গ্রামের মৃত করিম উদ্দিনের ছেলে । সে বানিয়াজান ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্তমান সভাপতি।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী চায়ের দোকানদার হায়দার আলীসহ স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দোকানের পাশে প্রস্রাব করতে বসে শরিফ। হঠাৎ করে ইদ্রিস ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথায় কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়ারা তাঁকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের মা হাজেরা বেগম জানান, ‘রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপালের নেয়ার পথে মধুপুরে মারা যায় শরিফ। পূর্ব শত্রুতার জেরে ইদ্রিস শরিফকে খুন করেছে। আমরা এর বিচার চাই। শরীফ ও ইদ্রিস সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।

শরিফ উদ্দিনের স্ত্রী আফরোজা বেগম জানান ‘আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে আমার অবুঝ মেয়াটার এখন কি হবে। সে আর বাবা বলে ডাকতে পারবে না বলে কাঁদতে কাঁদতে মুর্ছা যান তিনি।

এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিচার দাবি করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন জবান , ‘এই ঘাতকের কঠোর বিচার হওয়া দরকার।’

এদিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ইদ্রিস আলীর স্ত্রী খালেদা বেগম জানান ‘রাতে পুলিশ এসে তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম জসিম জানান, ‘ঘটনার সংবাদ পেয়ে রাতেই ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৪ জানুয়ারি সকালে)আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান,নিহতের বড় ভাই বাবুল হোসেন বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৩ ১০:৩৬:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।