/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানঃ  ৩ জনকে অর্থ দন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানঃ ৩ জনকে অর্থ দন্ড

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে, শহরের  পাঁচআনি বাজার ও ছয়আনি বাজার এলাকায় , টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খাইরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারনে , পাঁচআনি বাজারে এক মিষ্টি ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা  ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় ছয়আনি বাজারে এক দোকানিকে ৫ হাজার টাকা এবং ছয়আনি বাজারে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে মাস্ক ব্যবহার না করার , একজনকে ২ শত টাকা সহ সর্বমোট ১৫২০০( পনেরো হাজার দুইশত)  টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর য সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

এ প্রসঙ্গে  সহকারী কমিশনার( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খাইরুল ইসলাম  জানায়, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য লকডাউন পরিস্থিতিতে ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৩৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহতঃ আটক ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহতঃ আটক ২

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার  পৌর এলাকার কাচারী পাড়ায় মহল্লাবাসির মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে আইয়ুব আলী (৭০) নামক এক বৃদ্ধ খুন হয়েছেন। পুলিশ খুনের সাথে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করেছে।

এ প্রসঙ্গে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত বুধবার (১৪ এপ্রিল) ওই মহল্লার আইয়ুব আলীর স্বজনদের সঙ্গে পড়শি সোহেলদের সাথে মারামারি হয়। এতে তিনজন আহত হয়। সন্ধ্যায় কাচারী পাড়া মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে প্রতিপক্ষ সোহেল ও আলাদিনের নেতৃত্বে ৪/৫ জন আইয়ুব আলীকে মসজিদের ভিতর বেদম পেটায়। গুরুতর আহত আইয়ুবকে প্রথমে গোপালপুর হাসপাতাল এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

নিহত আইয়ুব আলীর পুত্র মোজাম্মেল হক জানান, বৃদ্ধ মানুষটিকে অমানুষিকভাবে পেটানো হয়। চিকিৎসার ত্রুটি ছিলনা।  শুক্রবার(১৬ এপ্রিল) দুপুরে তার পিতা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এদিকে তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আইয়ুব হত্যার বিচারের দাবিতে মহল্লাবাসি শহরের নন্দনপুর এলাকায় প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে স্থানীয় প্রশাসন খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয় হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৪৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মেয়ে সেজে যুবকের সঙ্গে বিয়ে, অতঃপর গণধোলাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মেয়ে সেজে যুবকের সঙ্গে বিয়ে, অতঃপর গণধোলাই

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এক ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নিজেকে নারী সাজিয়ে এক যুবককে বিয়ে করে এলাকায় তুলকালাম সৃষ্টি করেছেন। পরে স্থানীয়রা তাকে গণধোলাই দিয়ে এলাকা ছাড়া করে।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার দাড়িয়াপুর ফালু চাঁনের মাজারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে বর জুবায়ের হোসেন (২৫) বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিনমাস আগে ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আলতাফ আলী (৩৫) নিজেকে কবিরাজ পরিচয় দিয়ে দাড়িয়াপুর মাজারপাড় এলাকায় আসে। ওই কবিরাজ মাঝেমধ্যে শাড়ী পরেও এলাকায় ঘুরাফেরা করত। সে সন্তানহীন মহিলাদের সন্তান দানের ঝাড়ফুঁক দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন বাড়িতে গত তিনমাস ধরে অবস্থান করছে। এরই মধ্যে ওই এলাকার কৃষক রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে জুবায়ের হোসেনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। জুবায়ের ও তার পরিবারকে কবিরাজ আলতাফ আলী টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বলেন- ‘আমি রাত ১২টার পর মেয়ে মানুষে রূপান্তরিত হবো, আমাকে বিয়ে করলে প্রচুর সম্পত্তির মালিক হবেন’।

গত ১৩ এপ্রিল রাতে জুবায়ের ও কবিরাজ আলতাফের সম্মতিতেই তাদের বিয়ের প্রস্তুতি চলে। এতে লোভে পড়ে জুবায়েরের পরিবারেরও সম্মতি ছিল বলে জানা গেছে। বুধবার সকালে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে ওই কবিরাজকে ধরে এনে পড়নের শাড়ী-ব্লাউজ খুলে গণধোলাই দিতে থাকে।

পরে দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার আলী আসিফ, সাবেক চেয়ারম্যান শাইফুল ইসলাম শামীম, সানোয়ার হোসেন মাস্টার ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কবিরাজকে গণধোলাই থেকে রক্ষা করেন।

স্থানীয়রা দাবি করেন, দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের কাজী মাসুদ রানা একলাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে পড়িয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে কাজী মাসুদ রানার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একটি বিয়ের রেজিস্ট্রি করতে হবে বলে আমাকে ওই এলাকায় যেতে বলা হয়েছিল। ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়ের (পাত্রীর) জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে বলি। পরিচয়পত্র দিতে না পারায় আমি সঙ্গে সঙ্গে ফিরে এসেছি। রেজিস্ট্রি বা বিয়ে পড়ানোর তো কোনো প্রশ্নই উঠেনা। কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।

সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওসমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর স্থানীয়রা ওই কবিরাজকে হিজরা দাবি করেন। পরে স্থানীয়দের অনুরোধেই তাকে ওই এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

কবিরাজ আলতাফের পরিবারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ভাতিজা ইয়ামিন ফোন ধরেন। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আলতাফ আলী আমাদের এলাকায়ও (ঘাটাইল) কবিরাজি করত। কিন্তু সে একটি ছেলেকে বিয়ে করবে এটা মেনে নিতে পারছিনা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. এপ্রিল ২০২১ ০৪:৫৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নদীর পাড় থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রির দায়ে তিন মাটি ব্যবসায়ীকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার (১২ এপ্রিল)  ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের হোসেন উপজেলার চাঁনপুর এলাকায় অভিযানকালে এই জরিমানা করেন।

জানা যায়, উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের চাঁনপুর নদীর পাড় থেকে দীর্ঘদিন ধরে মাটি কেটে বিক্রি করে আসছিল কয়েকজন অসাধু মাটি কারবারি। খবর পেয়ে সকালে ওই এলাকায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। অভিযানকালে চাাঁনপুর গ্রামের রইজ উদ্দিনের ছেলে মিলন দেওয়ান, বেলতৈল গ্রামের তোতা শিকদারের ছেলে আলহাজ্ব শিকদার ও গোড়াই গ্রামের তারিফ মিয়ার ছেলে মোস্তফার ট্রাক আটক করেন বিচারক। পরে প্রত্যেককের কাছ থেকে ১ লাখ করে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক জুবায়ের হোসেন জানান, জনস্বার্থ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. এপ্রিল ২০২১ ০৩:০২:এএম ৫ বছর আগে
বেগুনের বস্তায়  ৩৫৫ বোতল ফেন্সিডিল পাচারের চেষ্টাঃঃ দুই যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

বেগুনের বস্তায় ৩৫৫ বোতল ফেন্সিডিল পাচারের চেষ্টাঃঃ দুই যুবক গ্রেপ্তার

একতার কন্ঠ ডেস্কঃ বেগুনের বস্তায় ভরে ৩৫৫ বোতল নিষিদ্ধ ঘোষিত ভারতীয় ফেন্সিডিল পাচার কালে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২। রবিবার(১১এপ্রিল)সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকা থেকে একটি পিকআপ সহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরাহলো, রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী গ্রামের মৃত দুলা মিঞার ছেলে মোঃ নাজমুল ইসলাম (২২) এবং দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার মালদাই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সিরাজুল ইসলাম(২৫)।

এ প্রসঙ্গে র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি টহল দল বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকায়  রংপুর থেকে ঢাকাগামী একটি সবজি বোঝাই পিকআপ (ঢাকা মেট্র-ছ ১২-০৩৬৮) আটক করে। পরে তল্লাশী চালিয়ে পিকআপে থাকা চারটি বেগুনের বস্তা থেকে ৩৫৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার এবং ট্রাকের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

ফেন্সিডিল বহনকারী ট্রাকটিকেও জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২১ ০৯:৩৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৪৪০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারী  গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৪৪০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৪৪০ পিস  ইয়াবা সহ তাছলিমা বেগম (৩৬) নামে এক  নারী মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।
শনিবার (১০ এপ্রিল) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি দল মধুপুরের  বোয়ালী আদালত পাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ওই নারীকে আটক করে। এসময় ৪৪০ পিস ইয়াবাসহ (যার আনুমানিক মূল্য ১,৩২,০০০ টাকা) তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় ।
 র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তাছলিমা বেগম মধুপুর উপজেলার বোয়ালী আদালতপাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী।
 এ প্রসঙ্গে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান  জানান, আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য ইয়াবা অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানাসহ অন্যান্য থানা এলাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে আসছেন।
 তিনি আরো জানান ,আটককৃত আসামী টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানা এলাকাসহ আশেপাশের থানা এলাকাগুলোতেও বিভিন্ন মাদক সেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী মাদক দ্রব্য ইয়াবা সরবরাহ এবং যুবকদের মাদক সেবনে উদ্বুদ্ধ করে আসছেন।
 আসামীর বিরুদ্ধে  মধুপুর থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২১ ১১:৫৫:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফাঁসি নিয়ে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফাঁসি নিয়ে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় ফাঁসি নিয়ে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার(৯ এপ্রিল)দিবাগত রাতের কোন এক সময় করটিয়া শীলপাড়া ভবতোষ মাঝির পরিত্যক্ত ঘরে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

পরে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের নাম মল্লিকা বেগম (৩০)। সে সদর উপজেলার গোসাইবাড়ী কুমল্লি গ্রামের মো. মিন্টু মিয়ার মেয়ে।

জানা গেছে, আট বছর পুর্বে মির্জাপুর উপজেলার হাট ফতেপুর এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে বাদল মিয়ার সাথে পারিবারিক ভাবে মল্লিকার বিবাহ হয়। তাদের ঘরে মোস্তাকিন (৬) ও মুজাহিদ (৪) নামের দু’টি পুত্র সন্তান রয়েছে। স্বামী বাদল মিয়া অটোরিক্সা চালক। শুক্রবার রাত থেকে মল্লিকার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

নিহতের বাবা মিন্টু মিয়া জানান, শনিবার সকালে শীলপাড়া এলাকার ভোজন শীল ফোনে তাকে জানায়, শীল পাড়ায় তার মেয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শাহিনকে ঘটনাটি জানান। পরে শাহীন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্বার করে।

এ বিষয়ে করটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন,যেহেতু ফাঁসির ঘটনা, ময়না তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না ।
টাঙ্গাইল মডেল থানার সহকারী পরিদর্শক(এস আই) মো. ওয়াজেদ আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই । নিহতের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নিহতের বাম হাতে একাধিক ক্ষত চিহ্নের দাগ পাওয়া গেছে।সম্ভবত ব্লেড দিয়ে কাটার ফলে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতকে কেউ আত্মহত্যার প্ররোচনা দিয়ে থাকতে পারে। তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

প্রকাশ, এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে ভোজন শীলের সাথে নিহত মল্লিকার সর্ম্পক ছিল। মনমালিন্যের কারনে মল্লিকা আতœহত্যার পথ বেছে নিতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২১ ১০:৫৪:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির দুই মোটর সাইকেল সংঘর্ষে  নিহত ১ আহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির দুই মোটর সাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ২

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বেপরোয়া গতির দুই মোটর সাইকেল সংঘর্ষে একজন নিহত ও দুই জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে  টাঙ্গাইল-নাগরপুর আঞ্চলিক সড়কের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানি এলাকায়  এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই মোটর সাইকেল চালক হচ্ছেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বরুহা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে নাজিম মিয়া (২৫)।
আহতরা হচ্ছেন, বরুহা এলাকার গোলাপ মিঞার ছেলে সোহেল রানা (২২) ও  টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আশেকপুরের তারেকের ছেলে তন্ময় (২৬)।

এ প্রসঙ্গে  দেলদুয়ার থানার এসআই এম এ আলমগীর জানান, দুই মোটরসাইকেলে দুই দিক থেকে তিন জন যুবক বেপরোয়া গতিতে  তাদের গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুইমোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনজন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. এপ্রিল ২০২১ ১০:৪৩:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১০০ লিটার চোলাই মদ সহ চার বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার  করেছে র‌্যাব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১০০ লিটার চোলাই মদ সহ চার বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৬ নং  ওয়ার্ডের কান্দাপাড়া কলোনীর পাশের রাস্তা থেকে বুধবার ( ৭ এপ্রিল) সকালে ১০০  লিটার চোলাই মদ সহ চার মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১২)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- শহরের কান্দাপাড়ার(রবিদাস পাড়া) জয়নাল রবিদাসের ছেলে কৃষ্ণ রবিদাস(৩৫), মৃত অন্তু রবিদাসের ছেলে কৈলাস রবিদাস(৩৩), মৃত শিবু রবিদাসের ছেলেতুলসী রবিদাস(৪২) ও শহরের পাড়দিঘুলিয়ার মো. আব্দুল লতিফ মন্ডলের ছেলে মো. এহসানুল হক মিলন(২৬)।

র‌্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব সদস্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের কান্দাপাড়া কলোনীর পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে ১০০লিটার চোলাই মদ সহ উল্লেখিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে।পরে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের পূর্বক তাদেরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২১ ০২:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুরে অপহরণের ৭ দিনেও সন্ধান মেলেনি আদিবাসী সৃষ্টি বর্মনের - Ekotar Kantho

মধুপুরে অপহরণের ৭ দিনেও সন্ধান মেলেনি আদিবাসী সৃষ্টি বর্মনের

 একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ মধুুপুরে আদিবাসী কোচ সম্প্রদায়ের  সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত এক কিশোরীকে অপহরণের ৭ দিন অতিবাহিত হলেও তার কোন সন্ধান মেলেনি। অপহৃতা সৃষ্টি বর্মন’র বাবা রাম চন্দ্র বর্মন বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, গত ৩১ মার্চ রাতে সুবকচনা গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে আবদুল মান্নান (২১) সৃষ্টি বর্মনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে অপহৃতা কিশোরীর বাবা থানায় গিয়ে আবদুল মান্নান সহ ৫ জনকে আসামী করে মধুপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।

রহস্যজনক কারণে পুলিশ ঘটনার ৪ দিন পর রোববার (৪ এপ্রিল) রাতে মামলাটি রেকর্ড করেন। সাতদিনেও সৃষ্টি বর্মন উদ্ধার না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে মেয়েটির পরিবার।

স্থানীয় পীরগাছা সেন্ট পৌলস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওই কিশোরীকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্যক্ত করত মান্নান।  এছাড়া অপহরণের হুমকিও দিত । এ বিষয়ে মেয়েটি নিজেই মধুপুর থানায় দুই মাস আগে একটি সাধারন ডাইরী করেছিল। বুধবার রাতে মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার পর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা মান্নানের বাড়ি যান। তবে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি।

মধুপুর কোচ আদিবাসী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গৌরাঙ্গ বর্মণ অনতিবিলম্বে অপহৃতা কিশোরীকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। টাঙ্গাইল জেলা কোচ আদিবাসী ইউনিয়নের সভাপতি রতন কুমার বর্মণ বলেন, অপহরণের এ ঘটনা দুঃখজনক। মেয়েটিকে দ্রুত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।

ফুলবাগচালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বেনু জানান, ওই যুবক আগে থেকেই মেয়েটিকে উত্যক্ত করত। দুই মাস আগে  থানায় আমার উপস্থিতিতে ভূক্তভোগি ওই কিশোরী জিডি করেছিল।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিক কামাল বলেন,  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্ত মান্নানকে গ্রেফতার ও অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২১ ০৯:২৯:পিএম ৫ বছর আগে
বিক্রয়ের উদ্দেশ্যেই ছিনতাই করা হয় শিশু জুনায়েতকে - Ekotar Kantho

বিক্রয়ের উদ্দেশ্যেই ছিনতাই করা হয় শিশু জুনায়েতকে

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গভীর রাতে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে মাকে বেঁধে রেখে ছিনতাই করা শিশু জুনায়েদকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভোরে দেলদুয়ার উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রাম থেকে পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও সখীপুর থানার পুলিশ যৌথ অভিযানে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পিবিআই টাঙ্গাইলের এসআই মেহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিশুটি বর্তমানে পিবিআই টাঙ্গাইলের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এসআই মেহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, সখীপুর থানা পুলিশ ও পিবিআই যৌথ উদ্যোগে সোমবার (৫ এপ্রিল) রাত ১০টা থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভোরে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুকে বিক্রি করার জন্য তারা জাঙ্গালিয়া গ্রামে নিয়ে রেখেছিলো। বিক্রির আগেই  উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের  প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় কালিহাতীর হাবলা গ্রামের পরান ডাকাত ও তার স্ত্রীসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে।

প্রকাশ, গত বুধবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা এলাকার ট্রাকচালক আছর উদ্দিনের ঘরে সিঁধ কেটে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার স্ত্রী কল্পনা আক্তারের মুখ বেঁধে আড়াই মাসের শিশু জোনায়েদকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) শিশুর মা কল্পনা আক্তার বাদি হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২১ ০৮:৩৫:পিএম ৫ বছর আগে
ভাসানী পরিষদ স্মরণ করল মওলানা ভাসানীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার দিন - Ekotar Kantho

ভাসানী পরিষদ স্মরণ করল মওলানা ভাসানীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার দিন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি স্মরণ করলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক মওলানা ভাসানীর সন্তোষের বসতবাড়ি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদী ও দরবার হল পুড়িয়ে দেয়া দিন। এ উপলক্ষে রবিবারস (৪ এপ্রিল) বিকাল ৫ টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে ঐতিহাসিক দরবার হলে একটি পাঠচক্রের আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব এবং বিভিষিকাময় সেই দিনের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করেন মোহাম্মদ হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আজাদ খান ভাসানী। আরো উপস্থিত ছিলেন প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

দিবসটি স্মরণে ভাসানী পরিষদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ হোসেন শুরুতেই মওলানা ভাসানীর সেই সময়কার বসত-ভিটা চিহ্নিত করেন এবং উপস্থিত সকলে তা সংরক্ষণের জন্য জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত্রি দ্বিপ্রহরে পাকিস্তানি হানাদাররা সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর। আক্রমণ করে আধাসামরিক বাহিনীর দপ্তর পিলখানা, পুলিশ সদর দপ্তর রাজারবাগ আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে। এর মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা আসে আর ২৬ মার্চ শুরু হয় প্রতিরোধ ও স্বাধীনতা যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ইয়াহিয়া-টিক্কা বাহিনীর একটি প্রধান আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিল টাঙ্গাইল, বিশেষত সন্তোষ। ৩ এপ্রিল তারা টাঙ্গাইলে এবং ৪ এপ্রিল মওলানা ভাসানীর খোঁজে সন্তোষে প্রবেশ করে। সেখানে তাঁকে না পেয়ে তারা তাঁর বসতবাড়ি এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহুর্তেই ছাঁই হয়ে যায় তাঁর স্বপ্নের ক্যাম্পাস, বসতবাড়ি। পুড়ে যায় স¤্রাট আওরঙ্গজেবের হাতে লিখা কোরআন শরীফসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল-দস্তাবেজ। এরপর তারা পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তাঁর প্রিয় সন্তোষ দরবার হলে। কিন্তু অলৌকিকভাবে কিছুক্ষণের মধ্যে তা নিভে যায়। অতপরঃ সন্তোষে ভাসানীকে না পেয়ে ৬ এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার বর্বর হানাদাররা মাইল দু’য়েক পশ্চিমে বিন্যাফৈর গ্রামে প্রবেশ করে। হানাদাররা গ্রামটিকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে এলোপাথাড়ি গোলাগুলি শুরু করলে গ্রামবাসী দিক-বিদিক ছুটে পালাচ্ছিল। মওলানা ভাসানী হানাদার বাহিনীর বিন্যাফৈর উপস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে প্রথমে বাড়ির উত্তর দিকের পুকুর পাড়ে অবস্থান নেন এবং পরবর্তীতে গান-পয়েন্টে এগিয়ে আসা হানাদারদের পাশ দিয়েই চাঁদর মুড়ি দিয়ে হাটুরে জনতার সাথে মিশে পশ্চিম দিকে চলে যান। এক সময়ে স্ট্রেচার বুলেট দিয়ে দূর থেকেই আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় তাঁর এই বাড়িতে। এতটুকু ঘটাতে সাকুল্যে পাঁচ মিনিটের মতো লেগেছিল; কিন্তু কার্যত একটা একতরফা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। মওলানা ভাসানী আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং প্রত্যুৎপন্নমতিত্বে ছদ্মবেশে তা মোকাবেলা করে যমুনার চরের দিকে চলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে নৌকাযোগে ধলেশ্বরী-যমুনা হয়ে রৌমারীর নামাজের চর সীমান্ত দিয়ে তিনি ১৫-১৬ এপ্রিল ভারতে প্রবেশ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৯:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।