/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে চাঞ্চল্যকর তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার(৩০ অক্টোবর) রাতে নিহত জামেলা বেগমের বড় ছেলের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় ওই মামলা দায়ের করেন। তবে এখনো পর্যন্ত মামলার কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে নিহত জামেলা বেগমের বড় ছেলের বউ শাহনাজ বেগম বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আলোচিত হত্যাকান্ডের দ্রুত রহস্য উন্মোচন করা হবে।

উল্লেখ্য,শনিবার সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে একটি বাসা থেকে দুই নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাটাইল উপজেলার দিঘর ইউনিয়নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলো-ওই গ্রামের জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি (৩০) জয়েনের মা জমেলা বেগম (৬৫) ও কালিহাতী উপজেলার সহবতপুর গ্রামের শাহজালাল (২৫)। এ ঘটনায় নিহত সুমির পাঁচ বছরের ছেলে শাফিকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২১ ০৮:০৩:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরকীয়ার জেরে তিন খুন! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরকীয়ার জেরে তিন খুন!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পরকীয়ার জেরে তিন খুন হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছে র‌্যাব। এ ছাড়া তিনজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার কারণ হিসেবে পুরোনো প্রেমকে দায়ী করছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বরত কর্মকর্তাসহ স্থানীয়রা।

টাঙ্গাইলের র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জমেলা, সুমি ও শাহজালাল নামের তিনজনের লাশ বসতঘর থেকে পাওয়া গেছে। এসময় সুমির শিশু সন্তানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লাশের পাশে ছুরি ও হাতুড়ি পাওয়া গেছে। এছাড়া যে ঘরে লাশ পাওয়া গেছে তার দেওয়ালে লেখা আছে, ‘এমনটা হতো না যদি আমার সুমি আমার কাছে থাকতো। এই সব কিছুর জন‌্য সুমির বাবা দায়ী।’ তাই পরকীয়ার জেরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, স্কুলজীবন থেকে শাহজালালের সঙ্গে সুমির প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ৫ বছর আগে সুমির সঙ্গে জয়েনুদ্দিনের বিয়ে হয়। কিছুদিন সংসার করার পর জয়েনুদ্দিন বিদেশ চলে যায়। এ সুযোগে সুমি আবার শাহজালালের সঙ্গে সম্পর্ক শুরু করে। গত ৬ মাস আগে শাহজালালের সঙ্গে সুমি চলে যায়। শাহজালালের সঙ্গে প্রায় দুই মাসের মতো সংসার করে। পরে জয়নুদ্দিন প্রায় তিন মাস আগে দেশে ফিরলে সুমিকে নিয়ে পুনরায় সংসার শুরু করে। আড়াই মাস আগে জয়েনুদ্দিন সৌদি চলে যায়। গতরাতে আবার শাহজালাল সুমির সঙ্গে দেখা করতে আসে। সকালে শুনি জয়নুদ্দিনের ঘরে তিন জনের লাশ পরে আছে।

দিঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন জানান, ‘শাহজালালের সঙ্গে সুমি অবৈধ সম্পর্ক ছিল। প্রায় ৬ মাস আগে শাহজালালের সঙ্গে সুমি পালিয়ে গিয়েছিল। শুনেছি তারা বিয়েও করেছিল। পরে সুমির স্বামী বিদেশ থেকে ফিরে আবার তাকে বাড়িতে এনেছিল।’

উল্লেখ্য, শ‌নিবার (৩০ অ‌ক্টোবর) সকা‌ল ১০টায় উপ‌জেলার দিঘর ইউ‌নিয়‌নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকার নিজ বা‌ড়ি থে‌কে
মৃত হয়রত আলী স্ত্রী জমেলা বেগম (৬৫), তার প্রবাসী ছেলে জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি বেগম (২৬) ও কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া পূর্বপাড়া এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে শাহজালাল ইসলাম সোহাগের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২১ ০১:০২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাসা থেকে শ্বাশুড়ি-বউসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসা থেকে শ্বাশুড়ি-বউসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে একটি বাসা থেকে দুই নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার( ৩০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দিঘর ইউনিয়নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলো- ওই গ্রামের জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি বেগম (৩০) জয়েনের মা জমেলা বেগম (৬৫) এবং কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া বাজার এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে শাহজালাল (২৫)।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, হামিদপুরের খামারপাড়া গ্রামে সৌদি আরব প্রবাসী জয়েনের বাড়ি থেকে তার মা, স্ত্রী ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের ভেতরে লাশগুলো পরে ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এক শিশুকে (৫) আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। শিশুটির অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটা এখনো পুলিশ নিশ্চিত নয়। তদন্ত করে এর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২১ ০৭:১৪:পিএম ৫ বছর আগে
সখীপুরে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় পাঁচজনকে আ.লীগ থেকে বহিষ্কার - Ekotar Kantho

সখীপুরে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় পাঁচজনকে আ.লীগ থেকে বহিষ্কার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় পাঁচজনকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ডাকবাংলোতে অনুষ্ঠিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুতুব উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত শিকদার দুপুর ১২টায় সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা হলেনঃ- উপজেলার কাঁকড়াজান ইউপিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য মো. দুলাল হোসেন, বহেড়াতৈল ইউপিতে বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম ফেরদৌস, যাদবপুর ইউপিতে সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ খন্দকার বজলুর রহমান, বহুরিয়া ইউপিতে আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নম্বর সদস্য নুরে আলম এবং একই ইউপির প্রার্থী আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য নিরাঞ্জন বিশ্বাস।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশে উপজেলার সব বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কারের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের বলা হয়েছে। এ কারণেই আজকের সভায় বিদ্রোহীদের দল থেকে বহিষ্কারের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজই(বৃহস্পতিবার) তাঁদের দল থেকে বহিষ্কারের চিঠি পৌঁছে দেওয়া হবে।

বহুরিয়া ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নিরাঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘আমি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা। আমি আওয়ামী লীগ সমর্থন করি। তবে উপজেলায় বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোথাও আমার নাম নেই। আমাকে বহিষ্কার করলেই কী আর না করলেই কী। আমি তো দলেই নেই।’

বহেড়াতৈল ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম ফেরদৌস বলেন, ‘আমি দলীয় মনোনয়ন চাইনি। আমি বিদ্রোহী নই। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাই আমার বহিষ্কার কার্যকর হবে না।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২১ ০২:৪২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে রকি (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন।বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল-নাগরপুর-আরিচা আঞ্চলিক সড়কের সদর উপজেলার অলোয়া তারিনী বটতলা এলাকায়  ওই দুর্ঘটনা ঘটে।আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত রকি টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা এলাকার বায়োজিদ মিঞার ছেলে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রকি ও তার বন্ধু সোলায়মান মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল থেকে নাগরপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাদের মোটরসাইকেলটি টাঙ্গাইল-নাগরপুর-আরিচা আঞ্চলিক সড়কের অলোয়া তারিনী বটতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা উভয় মোটরসাইকেলের তিনজনকে আহতবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নবীন জানান, দুর্ঘটনায় রকি নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা  হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২১ ০২:৫০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রেমিকার গলাকাটার পর আহত প্রেমিকেরও মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমিকার গলাকাটার পর আহত প্রেমিকেরও মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার শামছুল হক ডিগ্রি কলেজের পাশে স্থানীয় খোকন ড্রাইভারের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়িতে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া আক্তারের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের রহস্য ছায়া তদন্তের মাধ্যমে উদ্ঘাটন করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র‌্যাব-১২)। র‌্যাবের তদন্তে প্রেমিক মনিরকে ছেড়ে অন্য এক ছেলের সাথে প্রেমে জড়ানোর কারণে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া আক্তারকে গলাকেটে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে উল্লেখ করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত প্রেমিক মনির হোসেনকে বুধবার(২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে গ্রেপ্তার দেখায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহত প্রেমিক মনির হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার(২৮ অক্টোবর) ভোরে মৃত্যুবরণ করেছে।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-১২ জানায়, ঘটনার আকস্মিকতা ও চাঞ্চল্য বিবেচনায় র‌্যাবের সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের একটি চৌকষ টিম স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করে।

নিহত স্কুলছাত্রী সুমাইয়া আক্তার(১৫) কালিহাতী উপজেলার পালিমা গ্রামের ফেরদৌস রহমানের মেয়ে ও এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা এলেঙ্গা পৌরসভার মসিন্দা এলাকায় ভাড়া বাসায় পরিবারসহ বসবাস করতেন। গুরুতর আহত মনির হোসেন(১৭) এলেঙ্গা পৌরসভার মশাজান এলাকার মেহের আলীর ছেলে। তিনি ট্রাক চালকের সহকারী ছিলেন।

র‌্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে গঠিত একটি চৌকষ টিম র‌্যাবের গোয়েন্দা টিমের সহযোগিতায় ঘটনার ১০ ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্রী নিহতের রহস্য উন্মোচন করেছে।

র‌্যাব-১২ আরও জানায়, ভিকটিম সুমাইয়া আক্তারের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশী ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং বিভিন্ন লোকজনের সাথে প্রকাশ্য ও গোপনে কথা বলে র‌্যাবের টিম। তারা জানতে পারে ভিকটিম সুমাইয়ার সাথে ট্রাকের হেলপার মনির হোসেনের দীর্ঘ দুই বছর যাবত প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

সম্প্রতি মনির তার প্রেমিকা সুমাইয়ার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য একাধিকবার প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় মনির মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। মাদকাসক্ত অবস্থায় ইতোপূর্বে কয়েক দফায় সুমাইয়ার উপর শারীরিক নির্যাতনও করেছে। প্রায় দুই মাস আগে সুমাইয়া তার সাথে সম্পর্ক চ্ছেদ করে অন্য একটি ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এতে মনির অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়। ৫-৭ দিন আগেও ভিকটিম সুমাইয়াকে মনির রাস্তায় একা পেয়ে মারপিট করায় সুমাইয়া আহত হয়ে চিকিৎসা করায়।

ওই চড় থাপ্পরের দৃশ্য মনির ভিডিও করে রেখে তার বন্ধুদের দেখায়। ২৬ অক্টোবর রাতে মনির তার কয়েক বন্ধুকে নিয়ে এলেঙ্গা সামসুল হক কলেজের মাঠে বসে মিটিং করে এবং সুমাইয়া ও তার নতুন প্রেমিকের উপর প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে। এ সময় বন্ধুরা তাকে সুমাইয়ার পথ থেকে সরে যেতে পরামর্শ দেয়। এরপর থেকে মনির পাগলের মত আচরণ করতে থাকে এবং ২০-২৫ মিনিট পর সবাই বাড়ি চলে যায়।

র‌্যাব জানায়, সংশ্লিষ্ট বিবেচনায় একটি ভিডিও বিশ্লেষন করে দেখা যায়- ট্রাক হেলপার মনির একটি সুইচ গিয়ার সংগ্রহ করে এবং লাইকির জন্য ভিডিও তৈরি করে। বিভিন্ন স্টাইলে মনির ওই সুইচ গিয়ার ছুরির ব্যবহার করার ভিডিও করে। ওই সুইচ গিয়ারটিই ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ জব্দ করে। প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হয়ে র‌্যাবের তদন্ত টিম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত মনির হোসেনকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার দেখায়। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন মনিরের মৃত্যু হয়।

এলেঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র সুকুমার ঘোষ জানান, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোর রাতে মনির হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার বিকালে মরদেহ মশাজান গ্রামে আনা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অক্টোবর ২০২১ ০৭:২৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় আহত হয়েছে আরো একজন। বুধবার(২৭ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এবং সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে খালেদ হাসান (২৫)। সে মির্জাপুর কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী ছিল। অপরজন নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার আলাউদ্দিন আহমেদের ছেলে রবিউল ইসলাম (২১)।

মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজিজুল হক জানান, বুধবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এলাকায় রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় ঢাকাগামী সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ট্রাকটি আটক করলেও চালক পালিয়ে যায়।

অপরদিকে, সকালে মহাসড়কের সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় মোটরসাইল আরোহী খালেদ হাসান নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়। এ ঘটনায় তার বড় ভাই বিপ্লব খান (৩৫) গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই নবীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২১ ০৮:৩২:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় এক কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া একই স্থান থেকে গলাকাটা অবস্থায় আহত এক কিশোরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকালে এলেঙ্গা পৌর এলাকার শামসুল হক কলেজের সামনে ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোরীর নাম ছুমাইয়া আক্তার (১৬)।সে কালিহাতী উপজেলার নারন্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা গ্রামের ফেরদৌসুর রহমানের মেয়ে। নিহতের পরিবার এলেঙ্গা পৌরসভার রিসোর্ট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ছুমাইয়া স্থানীয় এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ছিল।

আহত কিশোরের নাম মনির হোসেন (১৭)। সে এলেঙ্গা পৌর সভার মশাজান এলাকার মেহের আলীর ছেলে। সে বাস চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করতো।

নিহত কিশোরীর বাবা ফেরদৌসুর রহমান জানান, বুধবার সকাল ৬টায় তার মেয়ে স্থানীয় প্রাইম একাডেমিতে প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। সকাল ৮ টায় স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পান যে তার মেয়েকে (ছুমাইয়া) কে বা কারা জবাই করে হত্যা করে শামসুল হক কলেজের সামনে লাশ ফেলে রেখেছে। তবে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা ছেলেটিকে তিনি চেনেন না বলে জানান।

আহত মনিরের খালা রোজিনা বেগম জানান, মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) রাতে বাড়ি থেকে মনির বের হয়ে যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে স্থানীয় লোকজনদের কাছে খবর পেয়ে মনিরকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে তার সঙ্গে যে মেয়েটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে তাকে তিনি চেনেন না।

হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, সকালে স্থানীয় লোকজন শামসুল হক কলেজের সামনে গলাকাটা এক কিশোরী ও এক কিশোরকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় ওই কিশোর জীবিত ছিল। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত ওই কিশোরের ঘাড়সহ বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
তিনি আরো জানান, প্রেমঘটিত কোনো কারণে ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২১ ০৮:৩৫:পিএম ৫ বছর আগে
যোগাযোগ বন্ধ করায় টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে কোপাল প্রেমিক - Ekotar Kantho

যোগাযোগ বন্ধ করায় টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে কোপাল প্রেমিক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রেমিকের অবাধ্য হওয়ায় প্রেমিকাকে কুপিয়ে আহত করেছে হৃদয় (১৮) নামে এক প্রেমিক। শনিবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঘাটাইল উপজেলার ছয়আনী বকশিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে, ওই প্রেমিকা আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানায় নির্যাতিতার নানা বাদী হয়ে রবিবার রাতেই বখাটে হৃদয়কে একমাত্র আসামি করে নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে। রবিবার রাতেই বখাটে প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।

আহত স্কুল ছাত্রী জানায়, গত দুই বছর পূর্বে বকশিয়া এলাকার টেক্কা মিয়ার ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিন তাদের সম্পর্ক চলমান থাকার এক পর্যায়ে গত দুই মাস পূর্বে বিষয়টি পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়।

পরে স্থানীয়ভাবে দু’পক্ষ মিলে সমঝোতায় পৌঁছায়। এবং সিদ্ধান্ত হয় আগামী দুই বছর পর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে দু’পক্ষের অভিভাবকই স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে সমঝোতা করেন।

এদিকে প্রেমিক হৃদয় কিছুদিন যেতে না যেতেই প্রেমিকাকে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে বলে এবং তার অনুমতি ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু প্রেমিকা তার কথায় কর্ণপাত না করে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়াসহ স্বাধীনভাবেই চলাচল করতে থাকে। এতে হৃদয় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে কথা না শুনলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

এরপর থেকেই ওই প্রেমিকা হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয় প্রেমিক। গত শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ প্রেমিকার বাসায় গিয়ে হাজির হয় হৃদয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রেমিকার ঘরে গিয়ে তাকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এসে হৃদয় সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় প্রেমিকাকে প্রথমে ভুঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার করে। বর্তমানে ওই স্কুলছাত্রী আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।

এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজাহারুল ইসলাম সরকার জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। রবিবার ওই বখাটের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলা হওয়ার পরেই আসামিকে গ্রেপ্তার করে সোমবার(২৫ অক্টোবর) সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২১ ০১:২০:এএম ৫ বছর আগে
সাবেক মেয়র মুক্তি’র জামিন আবেদন ফের নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

সাবেক মেয়র মুক্তি’র জামিন আবেদন ফের নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন না মঞ্জুর হয়েছে।সোমবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে এ বিষয়ে শুনানি শেষে এমন আদেশ দিলেন আদালত।এ নিয়ে মোট ১৬ বার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হল।

সহিদুর টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার ভাই এবং ওই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে। প্রায় ১১ মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি মনিরুল ইসলাম জানান, প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মুক্তির আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন করেছিলেন। সোমবার (২৫ অক্টোবর) এই আবেদনের শুনানিতে তারা যে কোনো শর্তে সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে বিচারক মাসুদ পারভেজ তাদের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। তারপর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারা হেফাজতে আছেন।

গত ১৮ আগস্ট সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে তাকে আবার টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজ পাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতে এ দু’জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পন করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২১ ১২:২০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত, আহত বাবা-ছেলে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত, আহত বাবা-ছেলে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দাওয়াত খেয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় মা ও ছেলে নিহত হয়েছে। এতে বাবা ও বড় ছেলে আহত হয়েছে।শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা রেলক্রসিং এ ওই দুর্ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হতাহতরা হলেন, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ময়থা উত্তরপাড়া গ্রামের আজগর আলীর স্ত্রী সানসিয়া সুলতানা সারা (২৫) ও তার ছোট ছেলে রাইয়ান ( আড়াই বছর)। আহত হয়েছে নিহতের স্বামী আজগর আলী (৩০) ও বড় ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৫)।

সানসিয়া সুলতানা সারার ভাই জামিলুর রহমান বলেন, হাতিলা গ্রামে আজগর আলী তার মামার বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে স্ত্রী ও দুই ছেলেকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। হাতিলা রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় তারা ছিটকে পড়ে যায়। এতে মা ও ছেলের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। আহত বাবা ও বড় ছেলেকে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাজিব পাল চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে দুইজনকে আনা হয়। তবে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘারিন্দা রেল স্টেশন মাস্টার সোহেল রানা জানান, আজগর আলী স্ত্রী ও দুই সন্তানকে মোটরসাইকেলে নিয়ে রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তার মোটরসাইকেল পাশের খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই দুই জনের মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অক্টোবর ২০২১ ০৫:৩২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিনী জাহানারা কাঞ্চনের শাহাদৎ বার্ষিকীতে আলোচনা সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিনী জাহানারা কাঞ্চনের শাহাদৎ বার্ষিকীতে আলোচনা সভা

একতার কণ্ঠঃ চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিনী জাহানারা কাঞ্চনের ২৮ তম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(২২অক্টোবর) বিকেলে নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার উদ্যোগে টাঙ্গাইল পৌরসভার মিলনায়তনে  ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক। নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ঝান্ডা চাকলাদারের সঞ্চালনায় আলোচক ছিলেন নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার সহ-সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বাচ্চু ও সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ প্রমুখ।

আলোচনা শেষে জাহানারা কাঞ্চনের  আত্নার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখা অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অক্টোবর ২০২১ ০২:২৯:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।