একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে প্রেমিকের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া নুসরাত জাহান তোয়া (১৩) নামের এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় এ দুর্ঘনাটি ঘটে।
নিহত নুসরাত জাহান নাসির উদ্দিন ও শায়লা বেগম দম্পতির বড় মেয়ে। তারা এলেঙ্গা শামসুল হক কলেজের সামনে একটি ভাড়া বাসায় দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্কুল ড্রেস পড়া একটি মেয়ে ও একটি ছেলে রিক্সায় এসে ধলেটেঙ্গর এলাকায় রেললাইনে বসে থাকতে দেখা যায়। সকাল ৯ টা ১০ মিনিটের দিকে উত্তরবঙ্গগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে মেয়েটি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় ছেলেটি লাইনের পাশে থাকায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। পরে মেয়েটিকে রেখে ছেলেটি পালিয়ে যান।
নুসরাতের মোবাইল চেক করে দেখে যায়, সোহাগ আল হাসান জয় নামের একটি ছেলের সাথে সকালে ফেসবুক মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করে দেখা করার জন্য বের হয়।
নুসরাতের মা শায়লা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে একটু আগেই বের হয় নুসরাত। এজন্য আমি আর আমার ছোট মেয়ে খানিকটা পথ এগিয়েও দিয়ে আসি। বান্ধবীর বাসায় থেকে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার কথা। কিন্তু তোয়া রেললাইনে কিভাবে গেল বুজতে পারছি না।
এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল করিম জানান, নুসরাত জাহান তোয়া আমার স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সকালে পুলিশ এবং সাংবাদিকদের মাধ্যমে খবর পাই সে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছে। মঙ্গলবার তার গণিত পরীক্ষা ছিল।
ঘারিন্দা রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই আব্দুস সবুর জানান, সকাল ৯.১০ মিনিটে নীল সাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে নুসরাত জাহান তোয়া নামে এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল ১৩০ টাকায় পুলিশের চাকরি পেলো ৭৫ জন।তাদের মধ্যে ছেলে ৬৪ জন ও মেয়ে ১১ জন। জেলায় পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে আবেদন করেছিলো ৩ হাজার জন। ঘুষ-তদবির ছাড়াই বিভিন্ন ধাপের পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয় ৭৫ জন। এরা ১৩০ টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছে।
শুক্রবার(২৬ নভেম্বর) রাতে সকল পরীক্ষা শেষে উত্তীর্ণ দের তালিকা প্রকাশের পর জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে আবেগ ঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
পুলিশের চাকরি পাওয়া গোপালপুর উপজেলার নান্দুটিয়ান গ্রামের কৃষক শফি ইসলামের মেয়ে তানিয়া ইসলাম বলেন, আমি ১৩০ টাকায় চাকরি পাবো কখনো কল্পনাও করতে পারিনি।চাকরি পেয়ে আমার পরিবারের অনেক উপকার হয়েছে।এখন আমি পরিবারের পাশে দাড়াতে পারবো বাবাকে আর কষ্ট করতে হবেনা।
ভুয়াপুর উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের আব্দুল বাছেদের ছেলে সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। চাকরি পেয়ে অনেক আনন্দিত।
জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, কনস্টেবল নিয়োগ পক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে সব প্রস্ততি নিয়েছি এবং সততার সাথে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্ন্ন করেছি। পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের উদ্যোগে সম্পূর্ণ নতুন নিয়মে কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষাটি সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে কথা দিয়েছিলাম একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নিয়োগ উপহার দেওয়ার, আমরা আমাদের কথা রেখেছি। বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষা-২০২১ এর টাঙ্গাইল জেলার প্রাথমিক ভাবে যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছে।
এ সময় নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সহ টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সকল পর্যায়ের পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন চারজন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের পাইকাল গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়েছে।
নাগরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত ই জাহান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত তোতা শেখ (৪০) দপ্তিয়র ইউনিয়নের পাইকাইল গ্রামের আক্কেল মেম্বারের ছেলে। আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ রফিক শেখ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগের সমর্থক। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছিলাম। হঠাৎ করেই দপ্তিয়র ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুদ্দীন আমাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনে কাজ না করার অভিযোগ আনেন। এ বিষয়ে শুক্রবার বিকেলে আমাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। সন্ধ্যায় সাইফুদ্দীন, সুমন, খাজা ও জাহাঙ্গীর এবং তাদের সহযোগীরা অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে আমরা হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। আমার পায়ে গুলি লাগে। পাইকাল গ্রামের মিনহাজ মন্ডলের ছেলে বাচ্চু মন্ডল, সুমন, কবীর ও আমার ভাই তোতা শেখ গুরুতর আহত হন। পরে লোকজন আমাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর হসপিটালে নিয়ে আসলে আমার ভাই তোতা শেখ মারা যান।’
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আমি সেখানে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।’
নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত ই জাহান জানিয়েছেন, এ ঘটনার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ শেষ মুহূর্তে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দু’টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পরিবর্তন করা হয়েছে। ইউনিয়ন দু’টি হচ্ছে ঘারিন্দা ও দাইন্যা।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দলের কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড।
এতে ঘারিন্দা ইউনিয়নে হোসাইন ছাদাব অন্তুকে এবং দাইন্যা ইউনিয়নে সোলায়মান হোসেন মিন্টুকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
দলীয় মনোনয়নের চিঠি পেয়ে তারা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে বুধবার (২৪ নভেম্বর) শেষ মুহূর্তে দলের মনোনয়ন বোর্ড এ দুই ইউনিয়নের মনোনয়ন পরিবর্তন করা হয়।
ঘারিন্দা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ এবং দাইন্যা ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আফজাল হোসেনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়।
বিকেলেই নতুন মনোনয়ন পাওয়া দু’জন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দলীয় মনোনয়নের চিঠি জমা দেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে খাবার হোটেলে দাম বেশি রাখায় এবং অপরিচ্ছন্নভাবে খাবার তৈরি করায় পাঁচ হোটেল মালিককে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের নেতৃত্বে শহরের নিরালা মোড়, মিষ্টিপট্টি ও নতুন বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই জরিমানা আদায় করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন জানান, শহরের হোটেল গুলোতে অপরিচ্ছন্নভাবে খাবার তৈরি ও খাবারের দামের বিষয়ে অভিযোগ আসছিলো। তারই প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।এ সময় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিকার আইন ২০০৯ ধারা অনুযায়ী শহরের ‘কিছুক্ষণ’ হোটেলকে পাঁচ হাজার, পিয়াসী হোটেলকে দুই হাজার, টিপটপ হোটেলকে পাঁচ হাজার, ফাইলার হোটেল ও সুরুতী হোটেলকে তিন হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
তিনি আরো বলেন, এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত জেলা শ্রমিক লীগ নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা(৩৮) বুধবার(২৪ নভেম্বর) বিকেলে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. সজিব মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত রেজা শহরের দেওলা এলাকার মো. আজাদ আলমগীরের ছেলে। শ্রমিক লীগের রাজনীতিতে আসার পূর্বে রেজা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
প্রসঙ্গত, রবিবার(২১ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে শহরের নতুন বাস টার্মিনাল এলাকায় রেজাউল ইসলামের উপর একদল সন্ত্রাসী হামলা চালায়। তারা রেজাউলের হাত, পা, মেরুদন্ডসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারে অবস্থিত এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তার অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
রেজাউলের মৃত্যুর খবরে তার এলাকায় শোকের পবিবেশ বিরাজ করছে।
রেজাউলের খালাতো ভাই জুয়েল রানা বলেন, রাতে লাশ টাঙ্গাইলে আনা হবে। বৃহস্পতিবার দাফন ও আইনগত ব্যবস্থায় যাবেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন এ ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ মামলা করে নি। তবে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে ।

রেজাউলের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারন সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা তার খুনিকে অবিলম্বে আইনের আওয়াতায় এনে বিচারের দাবী জানান।
একতার কণ্ঠঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সু-চিকিৎসার দাবীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে শহরের জেলা সদরে অবস্থিত সৌখিন মৎস্যশিকারী সমিতির সামনে থেকে জেলা বিএনপি নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি’র কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
স্মারকলিপি প্রদানের সময় নেতাকর্মীরা দাবী জানিয়ে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নানাবিধ রোগ তাঁর জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে। তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডও তাকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুপারিশ করেছে। তার সুচিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে দেশের প্রচলিত আইনে কোন বাধা নেই বলে আইন বিশেজ্ঞরা অভিমত দিয়েছেন। কিন্তু কর্তৃত্ববাদী দুর্বিনীত অমানবিক সিদ্ধান্তে জীবন-মরনের সন্ধিক্ষনে থাকা বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে সুচিকিৎসার সুযোগ না দেয়া তার মৌলিক অধিকার হরণ করা। তাই আমাদের দাবী তাকে সুচিকিসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিন, ফরহাদ ইকবাল, শফিকুল ইসলাম, অমল ব্যানার্জীসহ জেলা বিএনপির ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে কিস্তি আদায় করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মিরা খাতুন (৩২) নামে এনজিও কর্মীর খোঁজ মেলেনি পাঁচ দিনেও। এদিকে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল ওহাব মিয়া জানান, ‘নিখোঁজ এনজিও কর্মীর খোঁজ পেতে দেশের সব থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে।
নিখোঁজ মিরা বেসরকারি সংস্থা সোসাইটি ফর সোস্যাল সার্ভিস (এসএসএস)-এর ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা শাখার সিনিয়র মাঠ সংগঠক। তিনি কালিহাতী উপজেলার সালেঙ্গা এলাকার রাজিব মিয়ার স্ত্রী।
সূত্র জানায়, গত শনিবার (২০ নভেম্বর) ফলদা এসএসএস অফিস থেকে মিরা উপজেলার ঝনঝনিয়া ও মাইজবাড়ি গ্রামে কিস্তি আদায় করতে যান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। ওই দিনই এনজিও কর্তৃপক্ষ মিরার সন্ধানে থানায় সাধারণ ডায়েরি করে।
এসএসএসের ফলদা শাখার ব্যবস্থাপক বন্যা আক্তার বলেন, ‘দেড় বছর ধরে মিরা ফলদা শাখায় মাঠ সংগঠক হিসেবে চাকরি করছেন। নিখোঁজের দিন মিরা এই শাখার অধীন ঝনঝনিয়া ও মাইজবাড়ি গ্রামে কিস্তি আদায় করতে যান। সেখান থেকে তার ফলদা শাখায় ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু দুই কেন্দ্রে কাজ শেষ করার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।’
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল ওহাব মিয়া বলেন, ‘নিখোঁজ এনজিও কর্মীর খোঁজ পেতে দেশের সব থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তার সন্ধান অব্যাহত আছে।’
তিনি আরো বলেন, আশা করি খুব দ্রুতই মিরা খাতুনের খোঁজ পাওয়া যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যার দায়ে আবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হারুনর রশিদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ আহমদ হিরো। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ আহমদ হিরো।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই বাসাইল উপজেলার সোনালিয়া গ্রামের আবুল হোসেন ব্যবসা করার কথা বলে তার স্ত্রী খোদেজা বেগমকে বাবার বাড়ি থেকে ১০ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। পরে খোদেজা বেগম স্বামীর কথা মতো তার বাবার বাড়ি করটিয়া কলেজ পাড়ায় যান এবং তার গরিব বাবার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা সংগ্রহ করে এনে দেন।
এতে আবুল হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী জালানি বেগম মিলে খোদেজাকে বেদম মারধর করেন। মারধরের একপর্যায়ে খোদেজা বেগম মারা যান। পরে এ ঘটনায় নিহত খোদেজার চাচা শহিদুল ইসলাম শহিদ বাদী হয়ে বাসাইল থানা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ আবুল হোসেন ও জালানি বেগমকে গ্রেফতার করে।
এ মামলার বিচার শেষে ২০১৬ সালে ৯ মে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ উদ্দিন আহমেদ রায় দেন। রায়ে আবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে জালানি বেগমকে খালাস দেন।
রপর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের নথি) হাইকোর্টে আসে। আর আসামি আপিল ও জেল আপিল করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নির্মাণাধীন একটি দ্বিতল ভবনের নিচতলায় একটি রিমোট কন্ট্রোল বোমা রেখে খামে ভরে একটি চিঠি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সাথে ১০ টাকার একটি নোটও দেয়া হয়েছে। বুধবার(২৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার নন্দনপুর এলাকার প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক বাসায় ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ওই চিঠি দেয়া হয়। গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. মাসুম ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত। তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম প্রথম চিঠিটি দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসাটি ঘিরে রেখেছে।
চিঠিতে লেখা রয়েছে, এক লাখ টাকা নিয়ে রাস্তায় হেঁটে কিছু দূর গিয়ে একটি চালতা গাছের নিচে চিপসের হলুদ প্যাকেটে রাত দশটার মধ্যে রাখতে বলা হয়েছে। তা না হলে রাত সাড়ে দশটায় ভবনে রাখা রিমোট কন্ট্রোল বোমাটি ফাটিয়ে দেয়া হবে।
চিঠিতে আরো লেখা রয়েছে রিমোট কন্ট্রোল বোমাটিতে হাত না দিতে এবং পুলিশকে না জানাতে। পুলিশকে জানালে তার ছেলে এবং মেয়ে কে গুলি করে মেরে ফেলা হবে।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. মাসুম ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বোমা সাদৃশ্য একটি বস্তু দেখেছি। বাড়িটি পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে বোম ডিসপোজাল ইউনিট আসলে বোমার মতো সাদৃশ্য বস্তুটি আসলে কি তা বলতে পারা যাবে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সংরক্ষিত বন এলাকায় স্থাপিত ২০টি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ করেছে বনবিভাগ। সোমবার (২২ নভেম্বর) সারাদিন ঘাটাইল উপজেলার বন বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওইসব করাতকল উচ্ছেদ করা হয়।
ধলাপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইল বন বিভাগের সহকারি বন সংরক্ষন কর্মকর্তা জামাল হোসেন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম সোমবার দিনভর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় সাগরদিঘী, জোড়দিঘী, গারোবাজার, শহরগোপিনপুর, ছনখোলা, নলমা, বগা, দেওজানা বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২০টি করাতকল উচ্ছেদ করা হয়। ধলাপাড়া ও সাগরদিঘী রেঞ্জের সকল কর্মকর্তা বিশেষ টিমকে সহায়তা প্রদান করেন।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আনাচেকানাচে অসংখ্য লাইসেন্সবিহীন করাতকল গড়ে উঠেছিল। সংরক্ষিত বন এলাকায় প্রভাবশালীরা প্রায় দেড় শতাধিক অবৈধ করাতকল স্থাপন করে বনের গাছ নিধন করে আসছিল।
সহকারি বন সংরক্ষন কর্মকর্তা জামাল হোসেন তালুকদার জানান, সংরক্ষিত বন এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপিত করাতকল উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের বর্ধিত সভা সোমবার(২২ নভেম্বর) সকালে উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন।
দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক এস.এম. এহসানুল হক সুমনের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি রেজাউর রহমান চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মানিক, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক, সহ-সভাপতি এস প্রতাপ মুকুল প্রমুখ।
বর্ধিত সভায় দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।