/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঐন্দ্রিলা কর্মকার(১৪) নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার(৮ নভেম্বর) ভোরে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কালিদাস রোডের পল্টনপাড় নামক এলাকায় ওই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। ঐন্দ্রিলা  একই এলাকার ডা:গোপাল কর্মকারের মেয়ে।

পুলিশ ও পারিবারিকসূত্রে জানা যায়,ঐন্দ্রিলা কর্মকার সখীপুর পি এম পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পরিবারের সাথে রাতের খাবার শেষ করে সে তার নিজ রুমে ঘুমাতে যায়।

সোমবার ভোরে নিহতের মা তার খোঁজ খবর নিতে রুমে গিয়ে ঐন্দ্রিলাকে গলায় গামছা বাধাঁ অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সখীপুর থানার পরিদর্শক(এসআই) মো.মেহেদী হাসান জানান,হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক সুরতহাল করা হয়। পরিবারের লোকজনের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২১ ০১:১১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন স্কুলছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন স্কুলছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহী তিন স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। সোমবার (০৮ নভেম্বর) ধলাপাড়া চেয়ারম্যান বাড়ি মোড় এলাকায় ওই ঘটনাটি ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এজাহারুল ইসলাম ভূইয়া।

নিহতরা হলেন, উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের ঝাইপাটা গ্রামের মৃত. সমির উদ্দিনের ছেলে শরীফ, একই গ্রামের শাহজালালের ছেলে আবু বক্কর ও মৃত. রমজান আলীর ছেলে শাহীন। এরা তিনজন ধলাপাড়া এস.ইউপি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।

ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এজাহারুল ইসলাম ভূইয়া জানান, ওই তিন শিক্ষার্থী একটি আরটিআর মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়েছিল। তাদের মোটরসাইকেলটি অভার স্পীডের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়েছে। এসময় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুছড়ে গেছে। পরে নিহতদের স্বজনরা এসে তাদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০৭:১৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া’র হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া’র হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় স্কুলছাত্রী সুমাইয়া হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।রবিবার(৭ নভেম্বর) দুপুরে এলেঙ্গা কলেজ মোড়ে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে স্থানীয় পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ  গ্রহন করে।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মোল্লা, সরকারি শামসুল হক কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল কবীর, লুৎফর রহমান মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, এলেঙ্গা বিএম কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল করিম তালুকদার, জিতেন্দ্রবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, নিহত সুমাইয়ার চাচা ফিরোজ মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, এলেঙ্গায় কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাত বহুগুনে বেড়েছে। ওরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। পুলিশ ও অভিভাবকসহ সবাইকে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

বক্তারা সুমাইয়ার হত্যাকারী সহ সকল অপরাধী ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

প্রকাশ, গত ২৭ অক্টোবর এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তারের(১৫) গলাকাটা লাশ শামসুল হক কলেজের পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। স্কুলছাত্রী সুমাইয়া কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা গ্রামের ফেরদৌস রহমানের মেয়ে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০২:০৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপির ৭ই নভেম্বেরের অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির ৭ই নভেম্বেরের অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোল

একতার কণ্ঠঃ ৭ই নভেম্বরের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের সৃস্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ওই ছবি তুলতে গেলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাতে বাঁধা প্রদান  করেন।টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নব গঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু অনুষ্ঠানে হট্টগোলের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

রবিবার( ৭ নভেম্বর) দুপুরে শহরের জেলা সদর রোড় সংলগ্ন সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওই হট্টগোল ও  বাঁধা দেওযার ঘটনাটি ঘটে।

অনুষ্ঠানে আলোচনা চলাকালীন সময় স্লোগান দেওয়ায় বিএনপির টাঙ্গাইল জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড.ফরহাদ ইকবাল ও জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলীর সমর্থকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেন্দ্রিয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এসময় বিশৃঙ্খলার চিত্র ধারন করতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেন বিএনপির কর্মী সমর্থকরা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল বলেন, অনুষ্ঠানে বক্তব্য চলাকালিন সময়ে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃস্টি হলেও তা তাৎক্ষনিক ভাবে সমাধান করা হয়েছে।

জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলী বলেন, স্লোগান কোন ভাইয়ের নামে হবেনা। স্লোগান হবে নেতাদের নামে। তবে যতটুকু বিশৃঙ্খলা হয়েছিলো তা ওই সময়েই মিমাংসা করা হয়েছে।

আলোচনা সভায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহবায়ক আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিন ও এড. ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।

এসময় জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, মহিলাদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০২:০৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

একতার কণ্ঠঃ আগামী তিন মাসের জন্য টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক ও মাহমুদুল হককে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রেজভী ৪৬ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জি, দেওয়ান সফিকুল ইসলাম, সদস্য বেনজির আহমেদ টিটু, শ্যামল হোড়, আলী ইমান তপন, সাইদুল হক সাদু, ফাইজুর রহমান, সফিকুল ইসলাম রিপন, আব্দুল আজিজ চাঁন খা, শাহজাহান সাজু, আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, এম এ সালাম, মোয়াজ্জেম হোসেন, আতাউর রহমান জিন্নাহ, সরকার শহীদ, জি এস বাবুল, আলমগীর হোসেন, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সিরাজুল হক সানা, গোলাম মোস্তফা, জাকির হোসেন, এনামুল করিম অটল, আবুল কাশেম, আব্দুল কাদের, সৈয়দ শাহিন, আশরাফ পাহেলী, খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, তারিকুল ইসলাম ঝলক, সফিকুল ইসলাম সফিক, রফিকুল ইসলাম স্বপন, শাহিন আকন্দ, ইজাজুল হক সবুজ, নুরে আলম সাদেক, রক্সি মেহেদী, শামসুল আলম, শামীম হাসান স্বপন, দীপু হায়দার খান, খ. আ. মোকাদ্দেস, আনিস চৌধুরী, মনিরুল ইসলাম মনির ও শহিদুল করিম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০১:০৩:এএম ৫ বছর আগে
আবারও বাড়লো বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলের হার - Ekotar Kantho

আবারও বাড়লো বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলের হার

একতার কণ্ঠঃ দেশের বৃহৎ বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিতীয় দফায় বেড়েছে যানবাহন থেকে টোল আদায়ের হার। এর আগে ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর ২০১১ সালে টোল বৃদ্ধি করা হয়। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বৃদ্ধি নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (উন্নয়ন) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের এর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন জারি হলেও বুধবার ৩ (নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু সেতুতে পারাপার হওয়া যানবাহন থেকে পূর্বে ধার্যকৃত রেটে টোল আদায় করছে কর্তৃপক্ষ। তবে বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকেই চালকদের অবহিত করতে তাদের হাতে টোল বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বিলি করছেন।

বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সেতু বিভাগের আওতাধীন বঙ্গবন্ধু সেতুর জন্য অনুমোদিত যানবাহনের শ্রেনীবিন্যাস এবং টোল হার ধরা হয়েছে যথাক্রমে মোটরসাইকেল ৫০ টাকা, হাল্কা যানবাহনের মধ্যে কার/জিপ ৫৫০, মাইক্রো, পিকআপ ৬০০, ছোট বাস (৩১ আসন বা এর কম) ৭৫০, বড় বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) ১০০০, ছোট ট্রাক (৫ টন) ১০০০, মাঝারি ট্রাক (৫ টন থেকে ৮ টন) ১২৫০, মাঝারি ট্রাক (৮ টন থেকে ১১ টন) ১৬০০ টাকা, ট্রাক (৩ এক্সেল) ২০০০, ট্রেইলার (৪ এক্সেল) ৩০০০, ট্রেইলার (৪ এক্সেলের অধিক) ৪০০০ টাকা এবং সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন চলাচলের জন্য প্রতিবছর ১ কোটি টাকা টোল আদায় করা হবে।

বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, টোল বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। অতিদ্রুতই নতুন রেটে সেতুতে টোল আদায় শুরু হবে। টোল বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন চালকদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ব্যাপক প্রচারের জন্য সেতু কর্তৃপক্ষ আলাদাভাবে এই সংক্রান্ত লিফলেট ছাপানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেতু টোল বৃদ্ধি নিয়ে চালকদের মাঝে কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২১ ০১:২৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জেলহত্যা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জেলহত্যা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বুধবার(৩ নভেম্বর) সকালে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ।

জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, সহ-সভাপতি ছানোয়ার হোসেন এমপি।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভির হোসেন ছোট মনির এমপি, সহ-সভাপতি শামসুল হক ও আনিসুর রহমান আনিস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর,  সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা ও জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

পরে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা লীগসহ অন্যান্য সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।

এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা হত্যা দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২১ ০১:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার(২ নভেম্বর) থেকে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরআগে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গত ২৫ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল সমূহ খুলে দেওয়া হয়।

করোনা মহামারীর কারণে বন্ধ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ায় মঙ্গলবার সকালে শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান ফটকের সামনে পৌছলে শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ফুল ও মাস্ক দিয়ে বরণ করা হয়। পরে তাদেরকে মিষ্টিমুখ করানো হয়।

শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল হক, প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন- শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. এএসএম সাইফুল্লাহ।
এসময় ডিন, অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৪৭তম (জরুরি) সভার সুপারিশের ভিত্তিতে একই দিন অনুষ্ঠিত ২২৩তম (জরুরি) রিজেণ্ট বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০৩:১৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আবদুল লতিফ (৪০) নামের এক কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার হামিদপুর এলাকা থেকে  রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। লতিফ ওই এলাকার বাসিন্দা। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ের রয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, লতিফ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কবিরাজি চিকিৎসা করতেন। কিছুদিন আগে থেকে তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। রবিবার সকালের খাবার খেয়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে বেলা ১১টার দিকে উক্ত এলাকার একটি আম গাছে তাঁর লাশ  ঝুলতে দেখা যায়। কয়েকজন তাঁর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জয়নাল আবেদীন জানান, ‘প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় সুরতহাল তদন্তের পর লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০২:০৭:এএম ৫ বছর আগে
উপ-নির্বাচনে জহুরুল ইসলাম আজাদ কাউন্সিলর নির্বাচিত - Ekotar Kantho

উপ-নির্বাচনে জহুরুল ইসলাম আজাদ কাউন্সিলর নির্বাচিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনে ২ হাজার ২৬৬ ভোট পেয়ে জহুরুল ইসলাম আজাদ (পানির বোতল) বেসরকারিভাবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মোশারফ হোসেন (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৯২৮ ভোট।মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচমএম কামরুল হাসান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে দুটি কেন্দ্র দুই ম্যাজিষ্ট্রেট সহ পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, ৭ হাজার  ২৭৬ জন ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৯৩৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

এর মধ্যে জহুরুল ইসলাম আজাদ (পানির বোতল) পেয়েছেন ২ হাজার ২৬৬ ভোট, মোশারফ হোসেন (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৯২৮ ভোট, মীর মঈনুল হক লিটন (উটপাখি) পেয়েছেন ৭২৫ ভোট, হাবিবুল হাসান কনক (পাঞ্জাবি) পেয়েছেন ১০ ভোট ও আমির হোসেন (টেবিল ল্যাম্প) পেয়েছেন ৬ ভোট। এছাড়াও ৩১ টি ভোট বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকা মৃত্যুবরণ করেন। তারপর থেকে এই ওয়ার্ডটি শূন্য ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০১:৪০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুক্তিযোদ্ধা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুক্তিযোদ্ধা

একতার কন্ঠঃ রবিবার(৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার আমতৈল পূর্বপাড়া গ্রামে ২নং বহেড়াতৈল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের নৌকা মার্কার পথসভা চলছিল। পথসভায় সভাপতিত্ব করছিলেন ওই এলাকারই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক (মেলেটারী)।সভাপতির নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন আবদুল মালেক। বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই তিনি বসে পড়লেন। ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে।

ওই পথসভায় উপস্থিত একাধিক কর্মী সমর্থক জানান, বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক দ্রুত বসে পড়েন।বসে পড়ার পাঁঁচ মিনিটের মধ্যেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। পরে সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাঁকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকও তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেকের এমন মৃত্যুতে পরিবার, এলাকা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেকের ছেলে কাদের হাসান জানান, বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আজন্ম বঙ্গবন্ধুর ভক্ত ছিলেন তিনি।জয় বাংলা এবং বঙ্গবন্ধুর স্লোগান দিতে দিতেই তাঁর মৃত্যু হলো।

আবেগে আপ্লুত কাদের হাসান আরও বলেন, স্বপ্নেও ভাবিনি বাবার মুখে এটাই ছিলো আমাদের শোনানোর মতো শেষ কথা!
ওই পথসভায় উপস্থিত উপজেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নজরুল ইসলাম নবু বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তেও তিনি যে বক্তব্য রেখে গেছেন, তা অবশ্যই আমাদের জন্য অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ( ১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক মেলেটারীর লাশ দাফন করা হবে।
৬০০

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২১ ১১:২২:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের খামারপাড়া এলাকার সৌদি প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বাড়ি থেকে শনিবার(৩০ অক্টোবর) দুই নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ।

তাৎক্ষণিক তদন্ত ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শনিবার বিকালে টাঙ্গাইলের নবাগত পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ‘ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় আমরা রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি আক্তার ও তার শাশুড়ি জমেলা বেগমকে হত্যার পর পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।’

ওই সময় কাশতলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বসতঘর থেকে তার স্ত্রী সুমি আক্তার(২৫), জয়েন উদ্দিনের মা জমেলা বেগম(৫৫) এবং পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল ইসলাম সোহাগের(৩০) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

মুমূর্ষু অবস্থায় জয়েন উদ্দিনের চার বছরের ছেলে সাফিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সুমি আক্তারের পরকীয়া প্রেমিক শাহ জালালের বাড়ি কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়া এলাকায়। তিনি সাতুটিয়ার সোহরাব আলীর ছেলে।

গৃহবধূ সুমি আক্তার ঘাটাইলের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া সুতার বাড়ির জিন্নত আলীর মেয়ে। সুমি ও শাহ জালালের লাশ প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বসত ঘরের বিছানার ওপর এবং জমেলা বেগমের লাশটি ঘরের মেঝেতে পড়েছিল। তিন জনের লাশ উদ্ধার হওয়া বসত ঘরের দেয়ালে নিহতদের রক্ত দিয়ে বার্তা লেখা ছিল- ‘এমনটা হত না যদি আমার সুমী আমার কাছে থাকত, এই সবকিছুর জন্য সুমীর বাবা দায়ী’।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জের ধরে সুমি ও শাহজালাল পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। প্রায় পাঁচ মাস তারা ঘর-সংসার করে। এরপর সুমির বাবা জিন্নত আলী তাদের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে সুমিকে বাড়িতে রেখে দেয়। ওই সময় সুমি অন্তঃসত্তা ছিল।

পরে তার গর্ভে থাকা সন্তান নষ্ট করার শর্তে সুমির আগের স্বামী জয়েন উদ্দিন বিদেশ থেকে দেশে ফিরে সুমিকে আবার তার কাছে ফেরত নেন। এর কিছুদিন পর জয়েন উদ্দিন আবার বিদেশে চলে যান। সন্তান নষ্ট করায় সুমির সাবেক স্বামী অর্থাৎ পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।’

তিনি বলেন, ‘সুমির স্বামী জয়েন উদ্দিন বাড়িতে না থাকায় শাহজালাল মাঝে মধ্যেই সুমির শশুরবাড়িতে আসত। ঘরের বারান্দার লোহার গ্রিলের চাবিও ছিল শাহজালালের কাছে। পরে শুক্রবার(২৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে শাহজালাল সুমির ঘরে প্রবেশ করে।

একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে তার সাবেক স্ত্রী সুমি ও সুমির শাশুড়িকে হত্যা করে। এসময় সুমির শিশু সন্তানকে সাফিকেও হত্যার চেষ্টা করে। এরপর শাহজালাল নিজেই আত্মহত্যা করে।’

তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত ছুরি সহ বিভিন্ন আলামত ঘেটে আমরা বিষয়টির রহস্য উদ্ঘাটন করতে পেরেছি। তারপরও ঘটনাটির অধিকতর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২১ ০৯:১৯:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।