একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৫৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ২৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ৫৩ জনের করোনা সনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ২১ দশমিক ২৮ ভাগ তবে ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যাননি। রবিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ১৪৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ১৬ হাজার ৬৬০ জন। সর্বমোট মারা গেছে ২৬০ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৪০ জন, দেলদুয়ার উপজেলায় ১ জন, সখীপুর ২ জন, ঘাটাইলে ৬ জন এবং ভূঞাপুর উপজেলায় ৪ জন নিয়ে মোট ৫৩ জন।
সিভিল সার্জন জানান, টাঙ্গাইলে কম সংখ্যক মানুষ করোনার পরীক্ষা করাচ্ছেন। করোনা প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরের কালিয়া ইউনিয়নে কৃষি জমি ভরাট করে এবং জোর করে জমি দখলের মাধ্যমে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। রোববার(২৩ জানুয়ারি) সকালে সখীপুর-সাগরদিঘী রোডের ঘোনার চলা এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় ।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় লিয়াকত হোসেন, কাশেম মিয়া, নূরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আব্দুল কাদের প্রমুখ।
মানববন্ধন কর্মসূচী থেকে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ দিন যাবৎ লাবিব গ্রুপ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এখানে শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ শুরু করেছে। প্রকৃত জমির মালিকদের কাছ থেকে জমি না কিনে দালালদের মাধ্যমে ভুয়া কাগজে অধিকাংশ জায়গা কিনে মাটি ভরাট করছে ফলে কয়েক বছর ধরে কৃষি চাষ করা যাচ্ছে না। তাদের অভিযোগ স্থানীয় ভুমি দালালরা নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি ঘর থেকে অনেককে উচ্ছেদের হুমকিও দিচ্ছে। এ ব্যাপারে বারবার প্রতিবাদ করে কোন ফল হচ্ছেনা। এ ব্যাপারে মানববন্ধন থেকে তারা প্রধনামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী শ্যালক-দুলাভাই নিহত হয়েছেন। শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মরফিন হাসান।
নিহতরা হলেন, কালিহাতীর পৌর এলাকার সাতুটিয়া গ্রামের মৃত মঈন উদ্দিনের ছেলে মোতালেব হোসেন (৪৫) ও একই এলাকার মৃত হারুনুর রশিদের ছেলে মাসুম (৩০)। এরা সম্পর্কে মামাতো শালা-দুলাভাই।
স্থানীয়রা জানান, মোতালেব তার শ্যালক মাসুমকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে হাতিয়া গ্রামে একটি বিয়ের দাওয়াত খেতে আসেন। দাওয়াত খাওয়া শেষে রাতে তারা মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার সময় রেলক্রসিং পার হচ্ছিলেন। এসময় ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মরফিন হাসান জানান, বিয়ের দাওয়াত শেষে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ২ ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গোপালপুরে মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনতাই করা হয়। হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও শফিকুল এবং পুলিশ সদস্য মাখন সূত্রধর। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রিপন (৩৮) চিলাবাড়ি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং মিজানুর রহমান (৪০) ভুটিয়া গ্রামের মৃত ইনতাজ আলীর ছেলে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুইজনকে টাঙ্গাইলে কোর্টে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
জানা যায়, আসামী রিপনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও অপহরণ মামলায় ওয়ারেন্ট ছিল। পরে গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও শফিকুল ও পুলিশ সদস্য মাখন আসামী ধরতে শুক্রবার রাতে ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় যান। এসময় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রিপনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই মিজানুর রহমান তার লোকজন নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশদের মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ আসামী ছিনিয়ে নেয় তারা।
পরে পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পুনরায় হ্যান্ডকাপসহ আসামী রিপনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় হামলায় নেতৃত্ব দেয়া মিজানুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিকে হামলায় আহত ৩ পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গোপালপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসার সময় মিজানুর ও তার লোকজন পুলিশের উপর হামলা চালায়। এসময় হামলায় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামী রিপন ও মিজানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিজান ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই। সে মাদকসেবী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়োজিত অনুর্দ্ধ-১৪ বিভাগীয় পর্যায়ে ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগ উত্তরের দল গঠনের জন্য ৩৮ জন ক্ষুদে ক্রিকেটারকে প্রাথমিক বাছাই ক্যাম্পে ডাকা হয়েছে।এই ক্যাম্পে ডাক পেয়েছে টাঙ্গাইলের ৭ জন ক্ষুদে ক্রিকেটার। একটি জেলা থেকে এটাই সবোর্চ্চ ক্রিকেটার ডাক পেল।
এই প্রাথমিক বাছাই ক্যাম্পে ডাক পাওয়া টাঙ্গাইলের ক্রিকেটারগণ হচ্ছেঃ টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৪ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক এহসানুল হক মাহিম,উইকেট কিপার রাকিবুল হাসান রাকিব, মহারাজ বসাক, আল-রাফি,জুনায়েদুল ইসলাম জারিফ, রায়য়ান আপন ও তানযিরুল ইসলাম।
রবিবার(২৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট কোচ জাকির হাসানের তত্বাবধানে ৪ দিনের এই প্রাথমিক সিলেকশন ক্যাম্প শুরু হবে। এই ক্যাম্প থেকে ২০ জন ক্ষুদে ক্রিকেটারকে বাছাই করা হবে। এই ক্রিকেটার বাছাই করবেন বিসিবি’র বয়স ভিত্তিক ক্রিকেট কোচ আব্দুল করিম জুয়েল।
এর পর আরো ১০ দিনের স্কিল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। এদের মধ্যে থেকে ১৪ জন ক্রিকেটার নিয়ে ঢাকা বিভাগ উত্তরের চুড়ান্ত দল গঠন করা হবে।
ঢাকা বিভাগ উত্তরের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাহমুদুল হক বাপ্পু ও সহকারী কোচ হিসেবে থাকবেন মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।
টাঙ্গাইল জেলা থেকে সবোর্চ্চ সংখ্যক ৭ জন ক্ষুদে ক্রিকেটার বিভাগীয় দলে ডাক পাওয়ায়, টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান বলেন, এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে টাঙ্গাইল থেকে ৭ জন ক্রিকেটার প্রাথমিক দলে ডাক পেল। এদের মধ্যে এহসানুল হক মাহিম, রাকিবুল হাসান রাকিব, জুনায়েদুল ইসলাম জারিফ, ও আল-রাফি অত্যন্ত প্রতিভাবান ক্রিকেটার। আশা করি, এরা চুড়ান্ত দলেও ডাক পাবে।
প্রকাশ, ঢাকা বিভাগ উত্তরের এই বিভাগীয় ক্রিকেট দলটি ৯টি জেলার ক্ষুদে ক্রিকেটার নিয়ে গঠন করা হয়। জেলা গুলো হচ্ছে, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ,নরসিংন্দি, মানিকগঞ্জ ও গাজিপুর জেলা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ৩৬ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় সর্বমোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৭ হাজার ৮৩ জনে। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) ১৩ জন, বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ২৮ জন, বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ২৯ জন দেহে করোনাভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, জেলায় বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্ত রুগীর সংখ্যা।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র আরো জানায় ,বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ভোর ৬ টা থেকে শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) ভোর ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৭জন, সখীপুর, ঘাটাইল ও বাসাইল উপজেলায় ২ জন করে, দেলদুয়ার, ভূঞাপুর ও গোপালপুর উপজেলায় ১ জন করে রয়েছেন।
এ পর্যন্ত জেলায় সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ৬৩৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় কোন রোগী মারা যায়নি। জেলায় এই যাবদ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬০ জন।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, গণপরিবহনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস বেশি ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ভ্রমণ করা ব্যক্তিরাই করোনায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, করোনা প্রতিরোধে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৯ জন। তবে এ সময় এ ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি।
বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডা. আবুল ফজল জানান, বুধবার ভোর ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ১০৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ সময় করোনা শনাক্ত হয় ২৯ জনের শরীরে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৬০ শতাংশ। তবে ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যাননি।
তিনি আরো জানান, ২০২০ সালে দেশে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত টাঙ্গাইলে ১৭ হাজার ৪৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ২৬০ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ৬২৬ জন।
সিভিল সার্জন জানান, টাঙ্গাইলে কম সংখ্যক মানুষ করোনার পরীক্ষা করাচ্ছেন। করোনা প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
সূত্রঃ রাইজিং বিডি
একতার কণ্ঠঃ একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লোগো ব্যবহার করে প্রাইভেটকারে ফেন্সিডিল নিয়ে যাওয়ার সময় দুইজনকে আটক ও দুটি প্রাইভেটকার জব্দ করেছে র্যাব।
সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১ টার দিকে নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি র্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হচ্ছেন, যশোরের বেনাপোল উপজেলার ভবেরবেড় গ্রামের মো. বাবুল হোসেনের ছেলে মো. সোহেল রানা (২৮) ও একই উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত মমতাজ আলীর ছেলে মো. রিয়াজুল ইসলাম (৪৪)।
আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ‘একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লোগো ব্যবহার করে এবং ভুয়া সাংবাদিকের পরিচয়ে যশোরের বেনাপোল থেকে ৬০২ বোতল ফেন্সিডিল টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে গোপন সূত্রে জানতে পারি। পরে অভিযান চালিয়ে নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর গ্রাম থেকে দুইজনকে আটক ও দুটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করতেন।’
তিনি আরো জানান, ‘আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ১৪ (গ) ধারায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ফেনসিডিল পাচারের দায়ে দুই মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৭ জনিুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হচ্ছেন- পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ সিকদারের ছেলে মো. দুলাল (৪০) ও একই উপজেলার দুমকি সাতানি গ্রামের মান্নান হাওলাদারের ছেলে রিপন (২৬)।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, ২০১৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়কের কান্দিলা এলাকায় উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালায়।
এসময় ওই মাইক্রোবাসের আরোহী দণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনের কাছ থেকে ৬০০ বোতল নিষিদ্ধ ফেনসিডিল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাহীনুল কবির বাদী হয়ে ওই দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।পরে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলায় নয়জন সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. দুলাল জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পর অপর আসামি রিপনকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ শেখ কামাল অনুর্দ্ধ-১৮ জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক ও বাহাতি অফ স্পিনার ইমতিয়াজ আহমেদের হ্যাট্রিক সহ ৬ ইউকেট পাওয়া অসাধারন বোলিং স্পেলে গোপালগঞ্জ জেলার দলের বিপক্ষে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ৮ উইকেটে জয় লাভ করেছে। টুর্নামেন্টে এটা ছিল টাঙ্গাইল জেলা দলের দ্বিতীয় জয়।
সোমবার(১৭জানুয়ারি) সকালে ফরিদপুর জেলার শেখ জামাল ষ্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত সেন্টাল জোনের বয়স ভিত্তিক ৫০ ওভারের এই খেলায় গোপালগঞ্জ জেলা দল টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ও আরেক স্পিনার মাইনউদ্দীনের স্পিন তোপে ৩৬ ওভারে মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হয় গোপালগঞ্জ জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল।
ইমতিয়াজ ৯ ওভার বল করে মাত্র ১৯ রান দিয়ে হ্যাট্রিক সহ ৬ টি উইকেটে দখল করে। ইমতিয়াজ এর ৯ ওভার বলের মধ্যে আবার ৪ ওভার মেডেন ছিল।
এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলা দলের অপর স্পিনার মাইনউদ্দীন ৭ ওভার বল করে ১টি মেডেন সহ ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট লাভ করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের স্পিন বোলিং জাদুতে গোপালগঞ্জ জেলা দলের তাজিম শেখ ব্যাতিত কোন ব্যাটস্ ম্যান উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেনি। তাজিম শেখ ৫৭ বল খেলে ২৩ রান করে রান আউটের শিকান হন।
৫০ ওভারে ৮৭ রানের মামুলি টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা দল মাত্র ১৯ ওভার ৩ বলে ২ উইকেটে হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। টাঙ্গাইলের ব্যাটস্ ম্যান ফেরদৌস লিমন ৪৯ বলে ৪৭ রান ও মুগ্ধ হাসান ৮ রানে অপাজিত থাকেন।
খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক ও দলের জয়ে মূল ভুমিকা রাখা বাহাতি অফ স্পিনার ইমতিয়াজ আহমেদ।
টাঙ্গাইল জেলা দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহ্ আজিজ তালুকদার বাপ্পি ও কোচ হিসেবে ছিলেন রাসেল খান।দলটির সার্বিক দায়িত্বে আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান
প্রকাশ, টাঙ্গাইল জেলা দল টুর্নামেন্টে তাদের প্রথম ম্যাচে রাজবাড়ী জেলা দলকে ৮০ রানে পরাজিত করে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আগামি বৃহস্পতিবার(২০ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল নরসিংন্দী জেলা দলের মুখোমুখি হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন এক লাখ চার হাজার ৫৯ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় প্রার্টির (লাঙল প্রতীক) জহিরুল ইসলাম জহির পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭৭৩ ভোট। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম নুরু পেয়েছেন দুই হাজার ৪৩৬ ভোট, হাতুড়ি প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির গোলাম নওজব চৌধুরী পেয়েছেন এক হাজার ৪৫ ভোট এবং ডাব প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রূপা রায় চৌধুরী পেয়েছেন ৪২৮ ভোট।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী এ ফলাফলের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে উপনির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। মির্জাপুর পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার রয়েছেন তিন লাখ ৪০ হাজার ৩৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭০ হাজার ৫০১ এবং নারী ভোটার এক লাখ ৬৯ হাজার ৮৭৭ জন।
গত বছর ১৬ নভেম্বর এ আসনে চার বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন মারা যান। এরপর নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।
এদিকে রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পর বিকেলে সাড়ে ৪টায় কারচুপির অভিযোগ এনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মো. গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সংসদের টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনে রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোট শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পর বিকেলে সাড়ে ৪টায় কারচুপির অভিযোগ এনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মো. গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
তার প্রতীক হাতুড়ি।
ভোট শেষে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকরা বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার (গোলাম নওজব) এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোটারদের ভোট দিতে বাধ্য করেছেন। এ কারণে তিনি ভোট বর্জন করলেন।
এদিকে সকাল থেকেই সব কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। এ আসনে তিনি ছাড়াও আরো চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত খান আহমেদ শুভ, জাতীয় পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম জহির (প্রতীক: লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইমরুল ইসলাম নুরু (প্রতীক: মোটরগাড়ি) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির প্রার্থী শ্রীমতি রূপা রায় চৌধুরী (প্রতীক: ডাব)।
গত বছর ১৬ নভেম্বর এ আসনে চার বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন মারা যান। এরপর নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।
মির্জাপুর একটি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসন। এ আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৪০ হাজার ৩৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭০ হাজার ৫০১ এবং নারী ভোটার এক লাখ ৬৯ হাজার ৮৭৮ জন। মোট ১২১টি কেন্দ্রের ৭৫৬ কক্ষে ভোট হয়।