একতার কণ্ঠঃ ওয়ালটন গ্রুপের অর্থায়নে টাঙ্গাইলে জেলা সদর পানির ট্যাংকের বধ্যভূমির পাশে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইল পৌরভার মেয়র এস. এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়্যারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, এই স্মৃতি কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু ও টাঙ্গাইলের সকল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, অডিও-ভিডিও, যুদ্ধকালীন ছবি ও দেশি-বিদেশি পত্রিকা সংরক্ষণ করা হবে। এই ভবণের চতুর্থ তলায় কনফারেন্স রুম থাকবে।
তিনি আরো জানান, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৫২ এর ভাষা আন্দোলনকে সম্মান জানিয়ে চারতলা এই স্মৃতি কেন্দ্রে চারটি স্তম্ভে চার জাতীয় নেতা এবং মাঝখানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল থাকবে। বঙ্গবন্ধু ও টাঙ্গাইলের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে দেশি-বিদেশি পর্যটক ও শিক্ষার্থীরা ধারণা পাবে।
প্রকাশ, মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও ওয়ালটনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে গত ৮ মার্চ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল প্রেসক্লাব আঙ্গিনায় ফুল বাগান তৈরির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে বাসাইল প্রেসক্লাব আঙ্গিনায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজনীন আক্তার ফুলের চারা রোপনের মধ্যদিয়ে ওই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খায়রুল ইসলাম তালহা, সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপসহকারি কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন, উপজেলা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন, সাবেক সভাপতি এম শহিদুল ইসলাম, সাবেক সম্পাদক এমকে ভূইয়া সোহেল,প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল মিয়া, মিলন ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বাসাইল প্রেসক্লাবের সামনে সৌন্দর্য বর্ধণ কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ২টি কামিনী, ২০ টি গোলাপ, ৬০টি কসমস, ৬০টি সিলভিয়া, ১২০টি গাদা ফুলের চারা রোপন করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ছয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাঁচ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৮ নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে তাদের বহিষ্কার করা হয়। বিষয়টি ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম তোতা নিশ্চিত করেছেন।
বহিষ্কৃতরা হলেন, অর্জুনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী আইয়ুব আলী মোল্লা; সহ-সভাপতি মো. আব্দুর রহমান; উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী আনোয়ার হোসেন তালুকদার জিন্নাহ; গাবসারা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম আকন্দ শাপলা; আওয়ামীলীগ নেতা নজরুল ইসলাম; ছানোয়ার হোসেন তালুকদার ফিরোজ; উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী আমিনুল ইসলাম (আমিন); ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম; মো. আমিন মন্ডল; জয়নাল আবেদীন; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক; নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদ; সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান পাভেল; জুরান আলী মন্ডল; কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মো. মোন্নাফ আলী; ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম তালুকদার; বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. ফজল হক ও কার্যকরী কমিটির সদস্য মো. রফিকুল।
বহিস্কার প্রসঙ্গে তাহেরুল ইসলাম তোতা জানান, দলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া ও বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় উল্লেখিত ১৮ নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আগামী ২৬ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল যথাযথ মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা সদরে অবস্থিত “শহীদ বেদীতে” প্রথমে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
পরে জেলা সদর রোডে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাসা ভাড়া পরিশোধ করার পরও এক কলেজছাত্রীকে জিম্মি করে রেখেছিলেন বাসার মালিক কামরুল হাসান। পরে ভুক্তভোগী ওই কলেজছাত্রী জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে তাকে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করে।
সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে পৌরসভার বেতকার মুন্সিপাড়ার কামরুল হাসান ঠান্ডু বাড়তি ১০ মাসের ভাড়া দাবি করে ওই ছাত্রীকে বাসায় জিম্মি করে রাখেন
ভুক্তভোগী ওই কলেজ ছাত্রী সরকারি কুমুদিনী কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার বেতকা মুন্সিপাড়ার কাউন্সিলর মোর্শেদের বাসা সংলগ্ন এলাকার কামরুল হাসান ঠান্ডুর বাসায় গত চার মাস আগে মেস ভাড়া নেন কুমুদিনী কলেজের ওই শিক্ষার্থী। চলতি মাসের ভাড়া পরিশোধ করে বাসা ছেড়ে দেওয়ার কথা জানান মালিককে। কিন্তু একমাসের ভাড়া অতিরিক্ত দিলেও বাসার মালিক অগ্রিম আরও দশ মাসের ভাড়া অতিরিক্ত দাবি করে ওই ছাত্রীকে জিম্মি করে রাখে। বাসা ছেড়ে দিতে চাইলে তাকে হুমকি দেওয়াসহ অশ্লীল ভাষায় বকাবকি করে। পরে তাকে বাসায় জিম্মি করে রাখ।
বিপদ বুঝতে পেরে ওই শিক্ষার্থী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে। পরে টাঙ্গাইল সদর থানার এএসআই আয়নুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। এর আগে বাসার মালিকের ক্যাডার বাহিনী জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পুুলিশের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার চেষ্টা করে।
ওই কলেজছাত্রী জানান, চলতি মাসের ভাড়া পরিশোধ করে বাসা ছাড়তে চাইলে বাসার মালিক অতিরিক্ত আরও দশমাসের ভাড়া দাবি করে জিম্মি করে রাখেন আমাকে। এ ছাড়া অশ্লীল ভাষাসহ বিভিন্ন হুমকি দিতে থাকে। পরে বিপদের কথা চিন্তা করে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে উদ্ধার করে।

বাসার মালিক কামরুল হাসান ঠান্ডু বলেন, বাসা ছেড়ে দিলেও দশমাসের ভাড়া বাড়তি ভাড়া দিতে হবে। না হলে নতুন ভাড়াটিয়া খুঁজতে দেরি হবে। আইন-টাইন বুঝি না, আমাকের বাড়তি টাকা দিয়ে ওই ছাত্রীকে বাসা ছাড়তে হবে। জিম্মি ঘটনার কথা বলতেই সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের এএসআই আয়নুল ইসলাম বলেন, জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তবে বাসার মালিক কামরুল হাসান উগ্র প্রকৃতির মানুষ। ওই ছাত্রীকে জিম্মি করে বাড়তি টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছোট ভাইয়ের বউকে হত্যার দায়ে ভাসুরকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। সেই সাথে দশ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও অনাদায়ে দুই মাসের সশ্রম কারাদন্ডও দেয়া হয়।
সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন।দন্ডিত ব্যক্তি কালিহাতী উপজেলার উত্তর পৌলী গ্রামের মৃত আজমত আলীর ছেলে ফরমান আলী। সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনকারী অতিরিক্ত পিপি সিরাজুল ইসলাম।
তিনি জানান, উত্তর পৌলী এলাকায় ডিস লাইনের তার চুরির ঘটনায় এলাকায় শালিস বৈঠকে ফরমান আলীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই টাকা সংগ্রহের জন্য তার ছোট ভাই নুর ইসলামের বউ আছিয়া বেগমের কাছে যান এবং বিভিন্ন সময় টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। টাকা না দেওয়ায় ২০০৬ সালের ১ আগস্ট সকালে দন্ডিত আসামী ফরমান আলী তার ছোট ভাইয়ের বউকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে উত্তর পৌলী গ্রামে নিজ বাড়িতে হত্যা করে। পরে নিহতের শ্বশুরবাড়ীর লোকজন পালিয়ে যায়। নিহত আছিয়া বেগমের মামা মো. রজব আলী ঘটনার দিনই কালিহাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাডভোকেট মো শামীম চৌধুরী দয়াল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১তম জন্মবার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। রবিবার(১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান-এর নেতৃত্বে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেন।
এরপর মওলানা ভাসানীর পরিবার বর্গ, ভাসানী পরিষদ, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ, বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রলীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ ভাসানী), বাংলা ভাষা বিশ্ব শিশু সংগঠন, মাওলানা ভাসানী স্মৃতিসৌধ ব্যবস্থাপনা কমিটি, বিশ্ববিদ্যালয় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও পৃথক পৃথকভাবে পুস্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করা হয়।
এছাড়া সকাল ১১ টায় ক্যাম্পাসস্থ দরবার হলে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় ও মাওলানা ভাসানী স্মৃতিসৌধ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে আলোচনা সভা ও দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুরে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শহরের সাধারণ গ্রন্থাগারে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হারুন অর রশিদ, মহাসচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল সকাল পরিষদের সভাপতি নূরুল ইসলাম বাদল, নজরুল সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল রুহি প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের নেতা নুরুল ইসলাম। এসময় যুব ফাউন্ডেশন ও ছাত্র ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ট্রাকচাপায় সজিব বিশ্বাস (১৭) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।ওই ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা আরও দুইজন আহত হয়েছেন। শনিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া এলাকায় মাছরাঙ্গা ফিলিং স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি রোববার (১২ ডিসেম্বর) সকালে গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সজিব বিশ্বাস উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের গন্ধব্যপাড়া গ্রামের সুধির বিশ্বাসের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ‘তিন কিশোর মিলে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন। পরে তারা ধেরুয়া এলাকায় পৌঁছালে সড়কের মাছরাঙ্গা ফিলিং স্টেশনের সামনে তাদের মোটরসাইকেলটি ট্রাকের সঙ্গে চাপা লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাদের নিতজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সজিব বিশ্বাসকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক বলেন, ‘দুর্ঘটনায় সজিব নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। আর অনিক নামের একজন আহত হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হন্তান্তর করা হয়।’
একতার কণ্ঠঃ বাড়ি-বাড়ি পুকুর। পুকুর ভরা পাঙ্গাস মাছ। ঘরে-ঘরে পাঙ্গাস চাষী। পাঙ্গাস চাষ করে গ্রামের প্রায় সবাই এখন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী। পুকুরের মাটি ও পানির গুনগত মান এবং পুষ্টিকর খাবারে উৎপাদিত পাঙ্গাস প্রচলিত জাতের হলেও স্বাদে অতুলনীয়। ফলে ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’র আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এ সাফল্য জমিদারী আমলের আটিয়া পরগনার ‘আটিয়া’- বর্তমানে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া গ্রামের।
আটিয়া গ্রামেই অবস্থিত সুফী সাধক শাহান শাহ আদম কাশ্মিরীর মাজার শরীফ। মাজারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা প্রায় ৪’শ বছরের পুরনো মসজিদটি এখন প্রত্নতান্তিক সম্পদ। ১৯৭৮ ও ১৯৮২ সালে দেশীয় মুদ্রা সংস্করণে দশ টাকার নোটের প্রচ্ছদে স্থান পাওয়ায় আটিয়ার পরিচিতি দেশব্যাপী। বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকদের আনাগোনাও রয়েছে।
আটিয়া গ্রামের লোকসংখ্যা প্রায় ছয় হাজার। এ গ্রামের প্রায় সবাই এখন পাঙ্গাস চাষে স্বপ্ন পুরণে ব্যস্ত। স্থানীয় নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের আমিষের চাহিদা পুরণ করছে আটিয়ার পাঙ্গাস। মসজিদটির কারণে বিখ্যাত হওয়া আটিয়া গ্রামের জীবন-যাত্রায় এবার যোগ হয়েছে পাঙ্গাস চাষ। পাঙ্গাসের গ্রাম নামে নতুন পরিচয় পাচ্ছে ‘আটিয়া’। সুস্বাদু পাঙ্গাসের কারণে আটিয়া গ্রামের সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে।
সরেজমিনে জানাগেছে, ১৯৯৪ সালে ওই গ্রামের আসাদুজ্জামান আসাদ নামে এক ব্যক্তি প্রথম আটিয়াতে পাঙ্গাস মাছ চাষ শুরু করেন। আসাদুজ্জামান আসাদের কঠোর পরিশ্রম ও পুকুরের পানির গুণে পাঙ্গাসের ভালো ফলনে তিনি লাভবান হন। আসাদের সফলতায় উৎসাহিত হয়ে আটিয়ার যুবকরা পাঙ্গাস চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এখন আটিয়ার ঘরে-ঘরে পাঙ্গাস চাষী। এই গ্রামে দেড় শতাধিক পুকুরে এখন পাঙ্গাস চাষ হচ্ছে। পোনা মজুদ, পাঙ্গাস চাষ, মাছ ধরা, এমনকি বাজারে বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে গ্রামের প্রায় সবাই এখন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পাঙ্গাস চাষের সাথে যুক্ত। প্রায় দুই যুগের পাঙ্গাস চাষের ইতিহাসে গ্রামের অধিকাংশ পরিবার এখন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী। তবে গত কয়েক বছরে ধাপে-ধাপে খাবারের দাম বেড়ে দ্বিগুন হওয়ায় পাঙ্গাস চাষের আগামি দিনগুলো নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ন্বপ্নের পাঙ্গাস চাষকে সহজতর করতে খাবারের দাম কমানো, মাছ সরবরহের ব্যবস্থাসহ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি জানিয়েছে পাঙ্গাসের গ্রাম আটিয়ার চাষীরা।

প্রতিষ্ঠিত পাঙ্গাস চাষী আসাদুজ্জামান আসাদের এখন চারটি পুকুর। দুটিতে ৩০ হাজার পাঙ্গাস চাষ করেন। বাকি দুইটি পুকুরে পাঙ্গাসের পোনা মজুদ রাখেন। তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকে আটিয়ায় তিনিই প্রথম পাঙ্গাস চাষ শুরু করেন। গ্রামে এখন দেড় শতাধিক পুকুরে পাঙ্গাস চাষ হচ্ছে। তিনি অভিযোগের সুরে জানান, বর্তমানে পাঙ্গাসের খাবারের দাম দ্বিগুন। ৭-৮ শ’ টাকা মূল্যের খাবারের বস্তা হয়েছে ১৭-১৮শ’ টাকায় কিনতে হচ্ছে। সে তুলনায় মাছের দাম বাড়েনি, আগের দামেই পাঙ্গাস বিক্রি করতে হচ্ছে। পাঙ্গাস চাষে জেলা-উপজেলায় দুইবার সেরা চাষীর পুরস্কার পেলেও বর্তমানে পাঙ্গাস চাষ নিয়ে হতাশায় রয়েছেন তিনি। আসাদের পর ১৯৯৯ সালে পাঙ্গাস চাষ শুরু করেন বায়েজিদ হোসেন জুয়েল। তার চারটি পুকুরে ১৫ থেকে ২০ হাজার পাঙ্গাস চাষ করেছেন তিনি। জুয়েলও পাঙ্গাস চাষে খাবারের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ৩২-৩৪ টাকা কেজির খাবার দাম বেড়ে ৫২-৫৩ টাকা কেজি। প্রতি কেজিতে ২০-২২টাকা মূল্য বেড়েছে।
আটিয়ার ডা. লুৎফর রহমান ও জায়েদুর রহমানরা সাত ভাই মিলে ৬টি পুকুরে পাঙ্গাস চাষ করেছেন। খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় ডা. লুৎফর রহমান বিকল্প পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। খাবারের সব ধরনের কাঁচামাল কিনে কারখানা থেকে ভাঙিয়ে এনে পুকুরে দেন। ফলে মাছের খাবারের উর্ধ্বগতিতেও লাভের হিসাব আগের মতোই গুনছেন তিনি। স্থানীয় কেউ কেউ ডা. লুৎফর রহমানকে অনুসরণ করছেন আবার কেউ কেউ বাড়িতে খাবার তৈরি করতে ছোট আকারের মেশিন কিনে বাড়িতে বসিয়ে খাবার তৈরি করছেন। এতে তাদের পাঙ্গাসের খাবারের খরচ আরও কমে এসেছে।

স্থানীয় খায়রুল হোসেন বাচ্চুও চারটি পুকুরে পাঙ্গাস চাষ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে পাঙ্গাস চাষ করে অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনলেও বর্তমানে খাবারে দাম বেড়ে যাওয়ায় হোঁচট খাচ্ছেন তিনিও। স্বামী মারা যাওয়ার পর বিধবা নারী ঝরনাও শুরু করেন পাঙ্গাস চাষ। বেঁচে থাকা অবস্থায় স্বামীর কাছ খেকে শিখেছিলেন কিভাবে পাঙ্গাস চাষ করতে হয়। মাছ চাষ করেই দুই মেয়ের বিয়ের খরচ যুগিয়েছেন তিনি। বাকি দুজনের ভরণ-পোষণের জন্য মাছ চাষ ছাড়েননি তিনি। ঝরনার মতো গ্রামের অনেকেই পাঙ্গাস চাষে ঝুঁকছেন। ফলে আটিয়া গ্রামে বেকারত্ব নেই বলেই চলে। সবাই এখন স্বাবলম্বী।
আটিয়া গ্রামের চাষীরা প্রতি হাজার পাঙ্গাস চাষ করে বছরে ২৫-৩০ হাজার টাকা উপার্জন করছে। একজন চাষী ২৫ থেকে ৩৫ হাজার পাঙ্গাস চাষ করে গ্রামের অর্থনীতির চাকা বদলে দিয়েছে। একদিকে নিজেরা স্বাবলম্বী হয়েছেন, অন্যদিকে গ্রামের অর্থনীতিকে মজবুত করেছেন। মাছের বর্তমান পাইকারী বিক্রি মূল্য মন প্রতি চার থেকে চার হাজার ২০০টাকা। পাঙ্গাস চাষে খাবারের দাম দফায়-দফায় বেড়ে দ্বিগুন হলেও মাছের পাইকারী দাম কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১০৫ টাকার মধ্যেই রয়েছে। সম্প্রতি পাঙ্গাস চাষীরা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। খাবারের দাম না কমলে পাঙ্গাস চাষ থেকে অনেক চাষী ছিটকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. সিরাজুল ইসলাম মল্লিক জানান, আটিয়া একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। এ গ্রামের মানুষ মূলত কৃষি কাজের উপরই নির্ভরশীল ছিল। বর্তমানে পাঙ্গাস চাষে সাফল্য পাওয়ায় বেশিরভাগ মানুষই পাঙ্গাস চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। তিনি আরও জানান, জেলার অন্যান্য এলাকায় চাষ করা পাঙ্গাসের তুলনায় আটিয়ার পাঙ্গাস স্বাদের ভিন্নতায় অতুলনীয়। তাই এ এলাকার পাঙ্গাসের চাহিদাও বেশি।
টাঙ্গাইল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, দেলদুয়ারের আটিয়ার পাঙ্গাস প্রসিদ্ধ। পাঙ্গাস চাষ করে গ্রামের অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। তারা সাধ্যমতো পাঙ্গাস চাষীদের সহযোগিতা করছেন। জেলা-উপজেলা মৎস্য অফিসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণসহ নানা পরামর্শ দিয়ে মাছ চাষীদের পাশে রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করি, কমলা রঙের বিশ্ব গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে বেগম রোকেয়া দিবস ও আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় ১০ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মেহেরুন্নেছা মনি প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা খন্দকার নিপুণ হোসাইন। পরে বিভিন্ন ক্যাটারিতে জেলা থেকে পাঁচজন ও উপজেলা জেলা থেকে পাঁচজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি পদে একক প্রার্থী বর্তমান সভাপতি জাফর আহমেদসহ ২২ জন প্রার্থী বিভিন্ন পদে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। বুধবার( ৮ ডিসেম্বর) সন্ধায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হারুন অর রশিদের কাছে প্রার্থীরা ওই সব মনোনয়ন পত্র জমা দেন। এসময় নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট এসআকবর খান ও অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনে অংশ নিতে সহ-সভাপতি পদে এম এ ছাত্তার উকিল ও একরামুল হক খান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক পদে কাজী জাকেরুল মওলা ও মহব্বত হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন, ইফতেখারুল অনুপম, ও মহিউদ্দিন সুমন, কোষাধ্যক্ষ পদে আব্দুর রহিম ও মহিউদ্দিন সুমন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে খন্দকার মাসুদুল আলম ও মোস্তাক হোসেন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে কাজী তাজউদ্দিন রিপন ও শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক পদে অরণ্য ইমতিয়াজ, কার্যকরী সদস্য পদে ড. মো. কামরুজ্জামান, সাহাবউদ্দিন মানিক, হেমায়েত হোসেন হিমু, মো. মামুনুর রহমান মিয়া, শামীম আল মামুন, শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা ও মোস্তাক হোসেন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।
৩০ নভেম্বর টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৫ টা হতে ৬ টা পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র বিক্রয় করা হয়। বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা হতে রাত ৮ টা পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র দাখিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় মনোনয়ন পত্র বাছাই, আপত্তি গ্রহণ, নিষ্পত্তি ও খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার ও চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেল ৩ টা হতে সন্ধ্যা ৫ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে ভোট গণনা করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী পরিবহন বাসে ছাত্রীকে ইভটিজিং ও অশোভন আচরন করায় টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আদালত পাড়ার মোঃ আব্দুল কাদের খানের ছেলে মোঃ ইব্রাহিম (২৫) কে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদলত।
টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. খাইরুল ইসলাম ১৮৬০ সনের ৫০৯ ধারায় ওই আদেশ দেন। এ ছাড়া জামিল হোসেন (১৯) নামে আর এক ১০ শ্রেনীর ছাত্রের কাছ থেকে একই ঘটনায় মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে টাঙ্গাইল শহরের বটতলায় এলাকায় ওই ইভটিজিং এর ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২টি বাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বটতলা স্থানে পৌঁছালে ২ জন বখাটে প্রথম বাসে উঠে। একপর্যায়ে তাদের অসৌজন্যমূলক আচরণে সন্দেহ হলে শিক্ষার্থীরা তাদের নামিয়ে দিলে তারা দ্বিতীয় বাসে উঠে এবং কিছু দূর গিয়ে বাস থেকে নামার সময় গালাগালি করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদে জামিল হোসেন (১৯) জানায়, সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয়। সে ১০ম শ্রেনীতে পড়ে। এ সময় আরেকজন বখাটে পালিয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা জামিলকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসে।পরে পলাতক রাশেদুল ইসলাম (২১) কে হাজির করা হয়।
টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মো. খাইরুল ইসলাম উপস্থিত থেকে রাশেদুল ইসলাম (২১) কে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও জামিল হোসেন (১৯) কাছে থেকে মুলচেকা নিয়ে রাত ৮টায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ বিষয়ে মাভাবিপ্রবি প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক বলেন, বিষয়টি জানার সাথে সাথেই শিক্ষার্থীদের দ্বারা আটককৃত বখাটেকে আমার অফিসে নিয়ে আসতে বলি। এ বিষয়ে পুলিশকে জানালে তারা এসে জিজ্জাসাবাদে সে পলাতক বখাটের পরিচয় জানায় এবং বলে পলাতক রাশেদুল ইসলামের (২১) পৃষ্ঠপোষকতায় সে ওই কাজ করেছে। এরপর রাশেদুল এবং উভয়ের অভিভাবককে অভিযুক্তের পরিচয়পত্রসহ হাজির করা হয়। পরবর্তীতে ইউএনও কে জানালে, ম্যাজিস্ট্রেট এসে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।