একতার কণ্ঠঃ আজকের পত্রিকার বাসাইল প্রতিনিধি এম শহিদুল ইসলাকে সভাপতি ও দৈনিক নয়াদিগন্তের বাসাইল সংবাদদাতা মাহমুদুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে বাসাইল প্রেসক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারন সভায় ওই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি খায়রুল ইসলাম তালহা (সাপ্তাহিক যুগধারা ), যুগ্ম-সম্পাদক এনায়েত করিম বিজয় ( বাংলা ট্রিবিউন), কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা (এশিয়ান টিভি ), প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ ( খোলা কাগজ), সাহিত্য সম্পাদক শাহনাজ খানম রেখা (সাপ্তাহিক পাপিয়া)।
কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন- রাশেদা সুলতানা রুবি (দৈনিক লোককথা), আবুল কাশেম (দৈনিক যায় যায়দিন), এম কে ভূইয়া সোহেল (দৈনিক মানব জমিন) ও মো. রুবেল মিয়া (বাংলা টিভি)।
সকালে প্রথম পর্বে খাইরুল ইসলাম তালহার সভাপতিত্বে বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান ও কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা।
বিকেলে দ্বিতীয় পর্বে প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে নতুন কমিটি ঘোষনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান শাহাদৎ হোসেন, পৌর মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ, বাসাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্য আশিকুর রহমান পলাশ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল করিম অটল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আশিকুর রহমান পলাশকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে নয়টায় উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার কাছ খেকে ডাকাতির সরঞ্জামসহ তিনটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বুধবার(২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানা (৪০) উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার বানিয়াবাড়ি এলাকার আবু তাহেরের ছেলে ও এলেঙ্গা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল আজিজের আপন ভাগ্নে।
কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক রাজু আহমেদ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও মোটরসাকেল ছিনতাইয়ের একাধিক মামলা রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজির ১১২ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নগদা শিমলা বাজারের চাল ব্যবসায়ী বিপ্লব হোসেনের বাড়ি ও আয়নাল হকের দোকান থেকে বস্তাগুলো উদ্ধার করেন।
জানা যায়, চাল ব্যবসায়ী বিপ্লব হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে ৩০ কেজি ওজনের ৭০ বস্তা ও ৫০ কেজি ওজনের ১৬ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। পরে একই বাজারের আরেক চাল ব্যবসায়ী আয়নাল হোসেনের দোকানে অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি ওজনের আরও ২৬ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া ইসলাম সীমা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিপুল পরিমাণ চাল জব্দ করেছি। নিয়মিত মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিচালিত উদ্ধার অভিযানে পুলিশ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ হাইকোর্টের অন্তবর্তীকালীন আদেশ পুনঃ বিবেচনা ও লাইসেন্সসহ ৮ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে সমাবেশ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে অটোরিক্সা চালকরা। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা অটো রিক্সা, মেট্রো রিক্সা, ট্যাক্সি ও অটো টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, রিক্সা, ব্যাটারি রিক্সা ও ইজি বাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন, জেলা অটো রিক্সা, ট্যাক্সি ও অটো ট্যাম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক আ. লতিফ মিয়া, সদস্য সচিব লুৎফুল কবির, যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন উল্লাস প্রমুখ।
সমাবেশ বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সহশ্রাধিক রিক্সা শ্রমিক অংশ নেয়। পরে পৌর উদ্যান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয় শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, অটো রিক্সা, মেট্রো রিক্সা বন্ধে হাইকোর্টের অন্তবর্তীকালীন আদেশ গরীবের পেটে লাথি মারা ব্যতিত কিছু নয়। এ আদেশ বাস্তবায়নে বৃদ্ধি পাবে বেকার সমস্যা। এতে চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন এ পেশায় লিপ্ত শ্রমিকরা। এছাড়াও এ ধরণের পরিবহনে চলাচলরত সাধারণ মানুষের বৃদ্ধি পাবে ব্যায়। সমস্যা লাঘবে হাইকোর্টের অন্তবর্তীকালীন আদেশ পুনঃ বিবেচনা ও লাইসেন্সসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছেন তারা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে এক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা ইয়াসমিন, পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান,টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা,দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ,ঘাটাইল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হায়দার রহমান, অধ্যাপক খলিলুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এনামুল হক প্রমুখ।
সাধারন সভা শেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের প্রতিনিধিরা সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন (আজকের প্রত্রিকা) ও মাসুম মিয়াকে (দৈনিক সমকাল) সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করেন। প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান মিয়া অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
কার্যকরি কমিটির অন্যান্যরা হলেন- সহ-সভাপতি সাইয়্যিফ মোহাম্মদ হামিদুল্লাহ (দৈনিক দিনকাল),আতা খন্দকার (ডেইলি সান), যুগ্ম সম্পাদক বিষ্ঞু প্রিয় দ্বীপ, (দৈনিক ভোরের পাতা) এবিএম আতিকুর রহমান (দৈনিক মানবজমিন), কোষাধ্যক্ষ রেজাউল করিম খান রাজু (ঢাকা টাইমস ও মজলুমের কন্ঠ), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন সোহেল ( দৈনিক জনতা), দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা (প্রতিদিনের সংবাদ)।
কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন, মো.নজরুল ইসলাম (দৈনিক কালের কন্ঠ), মো.নুরুজ্জামান মিঞা (দৈনিক ইত্তেফাক), আনোয়ার হোসেন বকুল (দৈনিক ভোরের ডাক)।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর পাড়ার তালতলা এলাকা থেকে আনোয়ার তালুকদার (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত বৃদ্ধ ওই এলাকার মৃত আতোয়ার তালুকদারের ছেলে।
টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই বেল্লাল হোসেন জানান, আনোয়ার তালুকদারের ছেলে-মেয়ে ঢাকায় থেকে পড়াশুনা করে। তার স্ত্রী মাঝে মধ্যেই ছেলে-মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে যেতেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২১ ডিসেম্বর ঢাকায় যান তিনি। এরপর থেকেই বাসায় একাই থাকতেন আনোয়ার।
তিনি আরো জানান, সর্বশেষ গত ২৩ ডিসেম্বর স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন আনোয়ার। এরপর থেকে পরিবারের লোকজন একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাচ্ছিলেন না। পরবর্তীকে তাদের এক ভাগ্নে বাসায় এসে ডাকাডাকি করলেও ঘরের ভিতর থেকে কোনো সাড়া পায়নি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘরের তালা ভেঙে বিছানা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, লাশটি অর্ধগলিত ছিলো। ৩ থেকে ৪ দিন আগেও মারা যাওয়ায় লাশটিতে পচন ধরেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘুমের মধ্যেই স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ হাজার বিনামূল্যের পাঠ্যবই গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পহেলা জানুয়ারি ‘বই উৎসব’ থেকে বঞ্চিত হবেন বলে শিক্ষকরা মনে করছেন।
পাঠ্যপুস্তক গায়েব হওয়ার অভিযোগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে গত ২৩ ডিসেম্বর শো’কজ করেন টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল আজিজ।
জানা যায়, উপজেলার ৬১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেনি পর্যন্ত ৩৫ হাজার পাঠ্যবইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়। গত ৮ ডিসেম্বর পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানা গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে চালানমূলে ওই সব বই বুঝিয়ে দেন। কিন্তু শিক্ষা অফিসার গ্রহনকৃত বই উপজেলা পরিষদের স্টোর রুমে না রেখে নিজ দায়িত্বে স্থানীয় সূতি সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে রেখে দেন।
সেখানে রাতের বেলা কোনো পাহারার ব্যবস্থা ছিলনা। গত ২২ ডিসেম্বর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বই বুঝিয়ে দেওয়ার সময় বই গায়েব হওয়ার ঘটনাটি ধরা পড়ে। দেখা যায় পঞ্চম শ্রেনির প্রাথমিক বিজ্ঞান ৪ হাজার ৯৫০ কপি এবং ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৫ হাজার ৫০ সহ মোট ১০ হাজার কপি বই গায়েব হয়ে গেছে।
গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল করিম জানান, সকল পাঠ্যবই চালানমূলে ঠিকাদারের কাছ থেকে বুঝে নেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন। বই সংরক্ষণ রাখার কক্ষের চাবিও ছিল তার নিকট। তাহলে এসব পাঠ্য বই কিভাবে হাওয়া হয়ে গেলো তা নিয়ে তিনি এখন ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছেন। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ এমনকি থানা পুলিশকেও জানানো হয়নি।
পাঠ্যসপুস্তক গায়েব হওয়া নিয়ে পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানাজানান, চালানে স্বাক্ষর নিয়ে সকল পাঠ্যবই উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজেরা বই গায়েব করে এখন তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন জানান, ঠিকাদার বই কম দিয়েছে। অতগুলো বই এক সঙ্গে গুণে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিলনা। চালান বুঝে নেওয়ার সময় তিনি তড়িঘড়ি দস্তখত করেছেন। জানতেন না ঠিকাদার ফাঁকি দিচ্ছেন। এখন বিকল্পভাবে নানাস্থান থেকে এসব বই সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছেন ।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, বই গায়েব হওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা অফিস তাদের কিছুই জানায়নি। পুলিশ নিজ উদ্যোগে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ মল্লিক জানান, বই গায়েব হওয়ার খবরটি তিনি সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) শুনেছেন। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ ভ্রমণ সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য সংশপ্তক সাহিত্য পুরষ্কার পেলেন উদয় হাকিম। রবিবার (২৬ ডিসেম্বর, ২০২১) দুপুরে তার হাতে ওই পুরষ্কার তুলে দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি নূরুল হুদা।
বিজয়ের সুর্বণ জয়ন্তী এবং সংশপ্তক-এর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদয় হাকিমের হাতে পুরষ্কারের ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি নূরুল হুদা। সংশপ্তক-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুশতাক আহমেদ লিটন, বর্তমান সভাপতি মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক সুজয় মন্ডল ও রাইজিংবিডির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এম এম কায়সার প্রমুখ।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ভ্রমণ শাখায় শক্তিশালী লেখক উদয় হাকিম। এ পর্যন্ত তিনি ভ্রমণ বিষয়ে তিনটি বই লিখেছেন। যার সবগুলোই ব্যাপক পাঠকপ্রিয় হয়েছে। ভ্রমণ সাহিত্যে তিনি আধুনিক ধারার সূচনা করেছেন। যা পাঠককূলের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। উদয় হাকিমের মোট বইয়ের সংখ্যা ১০টি। তার লেখা সবগুলো বই পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে।
তার উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘দার্জিলিঙে বৃষ্টি কালিম্পঙে রোদ’; ‘রহস্যময় আদম পাহাড়’; ‘সুন্দরী জেলেকন্যা ও রহস্যময় গুহা’; ‘হেলিচেয়ার’; ‘ভূতের মহাসমাবেশ’ ইত্যাদি।
দেশের যেকোনো লাইব্রেরি থেকে এসব বই কেনা যাবে। এছাড়া রকমারি (https://www.rokomari.com/book) ওয়েবসাইট থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।
উদয় হাকিম বর্তমানে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল রাইজিংবিডি ডটকম এর উপদেষ্টা সম্পাদক এবং ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কর্মরত। তিনি ‘ত্রিবেণী’ নামে জনপ্রিয় একটি মিউজিক প্রোগ্রামের উপস্থাপক। গান এবং আবৃত্তি তাকে ভীষণভাবে টানে।
নানা গুণে গুণান্বিত উদয় হাকিম এর আগে ‘রহস্যময় আদম পাহাড়’ বইটির জন্য সমরেশ বসু সাহিত্য পুরষ্কার পেয়েছেন।
আপাদমস্তক ভ্রমণ পিপাসু উদয় হাকিমের জন্ম টাঙ্গাইলেi দেলদুযার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের পাথরাইল গ্রামে। মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করেন টাঙ্গাইল থেকেই। ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। এর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছেন তিনি।
১৯৯৯ সালে প্রথম আলো’য় সাংবাদিকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। এরপর চ্যানেল আই, দেশের প্রথম ২৪ ঘণ্টা খবরের চ্যানেল সিএসবি নিউজ এবং কালের কণ্ঠে কাজ করেন। কর্পোরেট জগতে প্রবেশ করেন ২০১০ সালে। প্রতিটি অঙ্গনেই কৃতিত্বের ছাপ রেখেছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ রবিবার(২৬ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের ৯ নং ওর্য়াডে মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন হাবেল তালুকদার।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে বেসরকারি ফলাফলে জানা যায়, গালা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডটি গালার চর গ্রাম নিয়ে গঠিত। গালার চর কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২৫৬০ জন। এদের মধ্যে ২০৬৯ ভোটার রবিার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
প্রদত্ত ভোটের মধ্যে হাবেল তালুকদার ‘তালা’ প্রতীক নিয়ে ১৩৭৬ ভোট পান । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী মোঃ মাজম আলী ‘মোরগমাকার্’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৯৩ ভোট।হাবেল তালুকদার তার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীর চেয়ে ৬৯২ ভোট বেশি পেয়ে মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে হাবেল তালুকদার বলেন, গালা ইউনিয়নের ৯নং ওর্য়াডের গালা চরের সকল গ্রামবাসীকে আমাকে নির্বাচিত করার জন্য ধন্যবাদ। আমি গালার চরের উন্নয়নে নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখতে চাই।
প্রসঙ্গত, বেসরকারি ফলাফলে গালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যানপদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম খান ‘মোটরসাইকেল’ মার্কা নিয়ে ১১০০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন রাজকুমার সরকার। রাজকুমার সরকার ‘নৌক’া প্রতীক নিয়ে ৬৩৫০ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ র্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বেসরকারি টেলিভিশন বৈশাখী টিভির ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
সোমবার(২৭ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের এমপি। বৈশাখী টিভির জেলা প্রতিনিধি ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান আজাদ প্রমুখ।
এ সময় টাঙ্গাইলে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে বৈশাখী টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগের প্রার্থীর চেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর চেয়ারম্যান বেশি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০টি ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ৯জন ও ১১জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফলাফল ঘোষনা করেন।
এদিকে, একটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত হওয়ায় ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়নের ফলাফল স্থগিত রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আফজাল হোসেন, বাঘিল ইউনিয়নে এসএম মতিয়ার রহমান মন্টু, ঘারিন্দা ইউনিয়নে তোফায়েল আহম্মেদ,
করটিয়া ইউনিয়নে খালেকুজ্জামান মজনু; স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে হুগড়া ইউনিয়নে নুর-ই আলম তুহিন, পোড়াবাড়ি ইউনিয়নে শাহাদত হোসেন, গালা ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম খান ও মগড়া ইউনিয়নে মোতালেব হোসেন চেয়ারম্যান হয়েছেন।
ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দিদারুল আলম খান মাহবুব, ফলদা ইউনিয়নে সাইদুল ইসলাম তালুকদার, গোবিন্দাসী ইউনিয়নে দুলাল হোসেন চকদার; স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে গাবসারা ইউনিয়নে শাহ আলম ও নিকরাইল ইউনিয়নে মাসুদুল হক মাসুদ নির্বাচিত হয়েছেন।
ঘাটাইল উপজেলার দেওলাবাড়ি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সুজাত আলী খান, আনেহলা ইউনিয়নে তালুকদার শাজাহান; স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে ঘাটাইল সদর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান হীরা, লোকেরপাড়া ইউনিয়নে সহিদুল হক মিলন, দিগলকান্দি ইউনিয়নে রেজাউল করিম মটু, দিঘর ইউনিয়নে ফারুক হোসেন ফনি ও দেওপাড়া ইউনিয়নে রুহল আমীন হেপলু।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল ইমলাম জানান, স্থগিত কেন্দ্র ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের আকালু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ’র মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
রোববার(২৬ ডিসেম্বর) বিকালে আপিল শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে সকল নির্বাচন কমিশনের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ’র মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
একজনের খেলাপি ঋণের জামিনদার(গ্যারাণ্টার) থাকার কারণে গত ২০ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপ নির্বাচনের রিটার্টিং অফিসার ময়মনসিংহের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাহিদুল নবী চৌধুরী আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ’র মনোনয়ন বাতিল করেন।
মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে রোববার শুনানী শেষে শুভ’র মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এতে নির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ’র আর কোন বাঁধা রইল না।
মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পর খান আহমেদ শুভ প্রতিক্রিয়ায় জানান, তিনি নিজে কোন ঋণ গ্রহণ করেননি ও ঋণ খেলাপি ছিলেন না। এক ব্যক্তির ঋণের গ্যারাণ্টার থাকার কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। আপিলে তিনি ন্যায় বিচার পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা একাব্বর হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। পরে এই আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
আগামি ১৬ জানুয়ারি এ আসনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ প্রার্থী খান আহমেদ শুভ ছাড়াও জাতীয় পার্টিসহ আরও চারজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।