/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে ‘প্রেমিকের হাতে’ প্রবাসীর স্ত্রী খুনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘প্রেমিকের হাতে’ প্রবাসীর স্ত্রী খুনের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে লিমা আক্তার (৩০) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নথখোলা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এই অভিযোগের তীর উঠেছে প্রতিবেশী ট্রাক চালক পরকীয়া প্রেমিক ওয়াসিমের (৩৮) দিকে। বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত লিমা আক্তার ওই গ্রামের সৌদিপ্রবাসী জাহিদ হোসেনের (ময়নাল) স্ত্রী। অভিযুক্ত ওয়াসিম প্রতিবেশী মৃত ফজল মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিমার স্বামী জাহিদ হোসেন (ময়নাল) দীর্ঘদিন সৌদি আরব প্রবাসী। এ জন্য লিমা তার চার বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে একাই ঘরে থাকতেন। প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে লিমা নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। মধ্যরাতে লিমার আত্ম চিৎকারে শ্বশুর জোয়াহের মিয়া এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত ওয়াসিম ঘর থেকে দ্রুত বের হয়ে যান। এ সময় লিমা রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় কাতরাচ্ছিলেন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিমাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

লিমার শ্বশুর জোয়াহের মিয়া বলেন, ‘ঘরে ঢুকে ওয়াসিম আমার ছেলের বউকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছে। এ সময় তার মাথায় আঘাত করা ইটটি পাশেই পড়ে ছিল। আমি লিমা হত্যার বিচার চাই।’

বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর শ্বশুর বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওয়াসিমকে আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। হত্যার পেছনে পরকীয়া প্রেম নাকি অন্য কিছু রয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, আমরা এ মামলার সকল আলামত সংগ্রহ করেছি। আশা করি খুব দ্রুতই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. এপ্রিল ২০২২ ০২:০০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সন্ধ্যায় নিখোঁজ, সকালে রেললাইনের পাশে মিললো লাশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সন্ধ্যায় নিখোঁজ, সকালে রেললাইনের পাশে মিললো লাশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নগরবাড়ী গ্রামের গোবিন্দ চন্দ্র আর্য্য (৪২) সোমবার (১১ এপ্রিল)  সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। রাতে আর খোঁজ না মিললেও সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু রেললাইনের পাশে তার মরদেহ পাওয়া যায় । মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু রেল সড়কের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত গোবিন্দ চন্দ্র আর্য্য নগরবাড়ি গ্রামের সুভাষ চন্দ্র আর্য্যর ছেলে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় বাড়িতে মুঠোফোন চার্জে দিয়ে বের হন। রাতে বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। সকালে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু রেল লাইনের পাশে ধলাটেংগুর এলাকায় একটি লাশ পড়ে থাকার খবর পান স্বজনরা। পরে তারা সেখানে গিয়ে গোবিন্দের লাশ শনাক্ত করেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ঝড়ে ঘরের নিচে চাপা পড়ে নিহত ১

রেলওয়ে পুলিশের টাঙ্গাইল ফাঁড়ির উপসহকারি পরিদর্শক (এএসআই) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. এপ্রিল ২০২২ ০৯:৩৬:পিএম ৪ বছর আগে
যমুনায় চায়না জালে জাটকা নিধন, ১০ জেলেকে জরিমানা - Ekotar Kantho

যমুনায় চায়না জালে জাটকা নিধন, ১০ জেলেকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টির পানিতে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে, অসাধু কিছু জেলে যমুনা নদীতে অবৈধ চায়না (আপা) জাল ব্যবহার করে জাটকা নিধন শুরু করেছেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ঝড়ে ঘরের নিচে চাপা পড়ে নিহত ১

এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১১ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এটিএম শামসুজ্জামান জাটকা ধরা বন্ধে নদীতে অভিযান চালায়।

এ সময় অভিযান চালিয়ে ১০ জেলেকে আটকসহ অবৈধ চায়না জাল জব্দ করা হয়। অভিযানে সহযোগিতা করেন গোবিন্দাসী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।

এরপর গোবিন্দাসী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ মো. আলাউল ইসলাম।

এ সময় আটককৃত ১০ জেলেকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া জব্দকৃত ৬টি চায়না জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ মো. আলাউল ইসলাম জানান, নদীতে অবৈধ চায়না জাল দিয়ে জাটকা নিধন বন্ধে প্রশাসন তৎপর। জাটকা ধরা বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. এপ্রিল ২০২২ ০৩:৫৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ঝড়ে ঘরের নিচে চাপা পড়ে নিহত ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঝড়ে ঘরের নিচে চাপা পড়ে নিহত ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঝড়ের সময় ঘরের নিচে চাপা পড়ে আছাতন নেছা নামের এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে।রবিবার (১০ এপ্রিল) ইফতারের পর বয়ে যাওয়া মাঝারি ঝড়ে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে ওই ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ নিহত ৩

নিহত আছাতন নেছা উপজেলার কালিয়া ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ কিসমত আলীর মাতা।

জানা যায়, ঝড়ের সময় বাতাসে ঘরের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়লে ঘরের নিচে চাপা পড়ে তিনি মারা যান।এ সময় ঘরে তিনি একাই ছিলেন। তার স্বামী শাহাবুদ্দিন মুদি দোকানদার ঝড়ের সময় বাজারের দোকানে ছিলেন।

পরিবার সুত্রে জানা যায়, সোমবার (১১ এপ্রিল) সকালে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. এপ্রিল ২০২২ ০৩:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ নিহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ নিহত ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১এপ্রিল) দুপর দেড়টার দিকে উপজেলার হাতিয়া এলাকায় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের টিম লিডার মোস্তাফিজুর রহমান।

আরো পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু

নিহতরা হচ্ছে, ঘাটাইলের গারট্ট গ্রামের মো. হামিদ মিয়া ছেলে মো. তায়েবুল হোসেন (৪৩), তার মেয়ে তাহমিনা বেগম (২৪) ও নাতি মো. তাওহীদ (৮ মাস)।

এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের টিম লিডার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নিজের ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা নিয়ে তায়েবুল হোসেন কালিহাতীর হাতিয়া মেয়ের শ্বশুরবাড়ী থেকে তার মেয়ে ও নাতিকে নিয়ে নিজ বাড়ি ঘাটাইল উপজেলার গারট্ট গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। হাতিয়া রেল ক্রসিং এলাকায় পৌছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুর এক্সপ্রেসের ধাক্কায় তার ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সাটি দুুমরে মুচরে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই তায়েবুল ও শিশু তাওহীদের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাহমিনাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশের ইন-চার্জ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ গুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২২ ০৯:৪৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বজ্রপাতে মঈন উদ্দিন (৫০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এসময় তার সঙ্গে থাকা দুটি গরুও মারা গেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

রোববার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার গোলাবাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন কাইতকাইত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

গোলাবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা খান বলেন, ‘মঈন উদ্দিন সন্ধ‌্যায় মাঠে গরু আনতে যায়। বাড়ি ফেরার সময় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। এসময় তার সঙ্গে থাকা একটি গাভী ও বকনা বাছুরও বজ্রপাতে মারা যায়।’

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২২ ০৪:৩৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে শো-রুম পুড়ে ছাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে শো-রুম পুড়ে ছাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের নামদার কুমল্লি খান পাড়া গ্রামে ”মেসার্স জিহাদ মটর’স নামে একটি শো-রুম বৃহস্পতিবার(৭ এপ্রিল) রাতে দুর্বত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের ঘটনাটি পুর্বপরিকল্পিত এবং এতে শো-রুমের দুইটি সিএনজি , কাগজ পত্র ও নগদ টাকাসহ ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি শো-রুমের মালিক মো. ইব্রাহীম খাঁন অনিকের।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইল কারাগারে নারী হাজতির মৃত্যু

জানাগেছে, প্রতিদিনের ন্যায় মেসার্স জিহাদ শোরুমের মালিকের শ্বশুর মো. মনির হোসেন খান(৬৫) আছরের আযান দেওয়ার পর শো-রুম বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। রাত সাড়ে দশটার দিকে শোরুমে আগুন দেখেন আশেপাশের লোকজন। এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণের আনার চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু তার আগেই জিহাদ মটরসে বিক্রয়ের জন্য রাখা দুইটি নতুন সিএনজি (বাজাজ), গুরুত্বপূর্ন কাগজ-পত্রসহ ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত অনিকের পিতা, মো. সোরহাব আলী খান বলেন, তিনি পয়ত্রিশ বছর সৌদি আরবে থেকে তার সারাজীবনের অর্জিত টাকা দিয়ে ছেলেকে শোরুম করে দিয়েছিলেন।

তিনি আরো বলেন, পুর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তার ছেলের শোরুমে আগুন দেওয়া হয়েছে। এতে ত্রিশ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২২ ০৩:৩৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল কারাগারে নারী হাজতির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল কারাগারে নারী হাজতির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কারাগারে নাদিরা জাহান শেলী (৪০) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ( ৯ এপ্রিল) ভোর রাতে কারাগারে তাঁর মৃত্যু হয়।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

তিনি সখীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মিনহাজের স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

জেল সুপার জানান, ‘গত সোমবার ৪২০ ধারায় প্রতারণা মামলায় সখীপুর থানা থেকে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।  শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত শেলী সুস্থ ছিলেন। রাত ৩টার সময় সবাই সাহরি খাওয়ার সময় ঘুম থেকে উঠলে তাঁর আশপাশের লোকজন শেলীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাঁকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’

জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও জানান, ‘ধারণা করা হচ্ছে-শেলী ঘুমের মধ্যে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২২ ০৯:১৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার দাপনাজোড় রেল ক্রসিং এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

নিহত কলেজছাত্র অন্তর খান (১৮) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার টি-ভাতকুড়া এলাকার মো. নজরুল খানের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল সৃষ্টি কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে অন্তর খান মোটরসাইকেল নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে তিনি বাসাইল উপজেলার দাপনাজোড় এলাকার রেল ক্রসিং এলাকায় ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে কাটা পড়েন।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলটি পাশেই পার্কিং করা ছিল। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশের ঘারিন্দা ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা লাশটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। পরে শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

ঘারিন্দা রেলের স্টেশন মাস্টার সোহেল খান বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২২ ০২:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝে চাওয়ায় ভাতিজার বিরুদ্ধে মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝে চাওয়ায় ভাতিজার বিরুদ্ধে মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝে চাওয়ায় ভাতিজার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এর প্রতিবাদে ভাতিজা হিমেল রহমান নামের এক ব্যবসায়ী শনিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলন করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হিমেল রহমান জানান, তার বাবার মৃত্যুর পরে তাদের গ্রামের বাড়ি ও জমি ভাগ বন্টন করা হয়। তার চাচা লুৎফর রহমান সবকিছুর সিদ্ধান্ত নেয়। তার সকল সিদ্ধান্তই ছিলো আইন বহির্ভূত ছিল। ওই সময় তারা দুই ভাই থাকায় জমি-জমা সম্পর্কে তেমন ধারণা ছিলো না। বর্তমানেও জমির কাগজপত্র তেমন বুঝে না। চাচা লুৎফর রহমান সরলতার সুযোগ নিয়ে নিম্নমানের জমিগুলো তাদেরকে দিয়ে এবং চাচা ভালো মানের জমিগুলো নিয়েছে। ঠিক তেমনভাবে তাদের শহরের বাসায় রাস্তার সাথের দামি জমি লুৎফর রহমান নিয়েছে এবং তাদেরকে পেছনের জমি দিয়েছে।

তিনি আরো জানান, সেই জমির পরিমানও কম ছিলো। শহরের পূর্ব আদালত পাড়াই তাদের বাসায় তিনিসহ তার তিন চাচার জমি। সাড়ে ১৭ শতাংশ জমিতে ডেভোলাপারের কাছে বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণের জন্য দেয়া হয়। সেখানে তার জমি রয়েছে সারে ৪ শতাংশ। আর বাকি জমি লুৎফর রহমানসহ তার তিন চাচার। ডেভোলাপার কাজ শুরু করলে তার চাচা বিভিন্ন সময় ডেভোলাপারের সাথে খারাপ আচরণ করত। তার এই খারাপ আচরণের কারণে ডেভোলাপার কাজ বন্ধ করে চলে যায়। এই ভবন নির্মাণের কাজ বিভিন্ন কারণে শুরুতেই ৪ বছর বন্ধ থাকে। এদিকে তারা অনেকবার ডেভোলাপারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বেশ কয়েকজন কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেন।

তিনি আরও জানান, তার চাচা তাদেরকে জানান কোন ডেভোলাপারকে কাজ দেয়া যাবে না। তিনি নিজেই কাজ করবেন। তখন তিনিসহ তার আরও দুই চাচা লুৎফর রহমানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। লুৎফর রহমান ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের চীপ ইঞ্জিনিয়ার। তিনি এই বিল্ডিংয়ের কাজ শুরু করার পর বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে তালবাহানা করতে থাকেন। চারটি ছাদ করার পর হঠাৎ একদিন তাদের চাচা জানান, তার পক্ষে এই ভবনের আর কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। পরে তিনি ছেলে ও মেয়ের সাথে আমেরিকায় চলে যান। এই ভবনের ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ার লুৎফর রহমানের কাছে টাকা পাওনা রয়েছে। পরে তিনি ৮০ লাখ টাকা দেনা পরিশোধ করে। তারপর পুনরায় ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে পর্যায়ক্রমে ১০ তলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাই শেষ করে। দুই বছর পর ২০২০ সালে চাচা দেশে চলে আসে। দেশে এসে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তার চাচা মাঝে মধ্যে এসে তার কাছ হতে ফ্লাট বিক্রি করার টাকা ধাপে ধাপে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই ভবনের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নানান কৌশল অবলম্বন করে চাচা। এক পর্যায়ে তিনি ভবন নির্মাণের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে ভবন নির্মাণের যাবতীয় টাকা দাবি করলে টাকা ও ফ্লাটও রেডি কওে হিমেলকে দেয়া হয়নি।

হিমেল জানান, বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর কামরুল ইসলাম মামুনকে জানানো হলে ২০২১ সালে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরের মাধ্যমে শালিসী বৈঠক করা হয়। সর্বশেষ চলতি বছরের ৪ শালিসী বৈঠকে ৩ মাসের মধ্যে ৬টি ফ্লাট তাকে বুঝিয়ে দিতে বলা হয়। কোনভাবেই তার চাচা মানতে রাজি হয়নি। প্রতিবাদ করলে তার চাচা ও চাচীর নির্দেশে ৬ তলার আমার ফ্লাটটি ভেঙে দেয়া হয়। বিষয়টি তার চাচার কাছে জানতে চাইলে হুমকি দেয় হিমেলকে। গত ১৪ মার্চ তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় দুই কোটির টাকার মামলা দেয়া হয়। তার চাচা প্রভাবশালী ও বিত্তশালী হওয়ার কারণে কোন প্রকার তদন্ত ছাড়া তাকে ধরার জন্য পুলিশ মরিয়া হয়ে উঠে। তিনি আইনজীবীদের পরামর্শে হাইকোর্ট থেকে জামিনে আসেন। সরকার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র‌্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সহযোগিতা কামনা করেন হিমেল।

অভিযোগ প্রসঙ্গে চাচা লুৎফর রহমান বলেন, আমরা আমেরিকায় চলে যাওয়ার পরে হিমেলকে এ ভবনটি দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তখন সে বেশ কয়েকটি ফ্লাটও বিক্রি করেছে। আমি হিমেলকে কোন প্রকার ভয়ভীতি দেখায়নি। উল্টো হিমেল আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়েছে। পরে আমি টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দিয়েছি। অপরদিকে হিমেলও আমার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২২ ০৪:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে মহাষ্টমীর স্নানে পুণ্যার্থীদের ঢল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে মহাষ্টমীর স্নানে পুণ্যার্থীদের ঢল

একতার কণ্ঠঃ পাপ-শাপ মোচনে ভোরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে মহাষ্টমীতে স্নান করতে পূণ্যার্থীদের ঢল নেমেছে। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে দেশবাসীর জন্য শান্তি কামনায় প্রার্থনা করেছেন সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ ভক্ত ও পূণ্যার্থীরা।

আরো পড়ুনঃ ইউএনওর বিরুদ্ধে ক‌লেজছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগ

করোনার ভয়াবহতা কাটিয়ে শনিবার (৯ এপ্রিল) সকালে প্রতিবারের মতো এবারো যমুনা নদীর পাড়ে ৩০০ বছরের পুরোনো শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে পূণ্যস্নান উৎসব এবং মেলার আয়োজন করেছেন উপজেলার খানুরবাড়ী, কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া ও গোবিন্দাসী গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

মেলায় মিষ্টি জাতীয় খাবার, বাশঁ-বেতের আসবাবপত্র, মাটির তৈরি খেলনা, পুতুল, ঘোড়া, ট্রাক গাড়ি, হাড়ি-পাতিল, মাছের দোকান, চিড়া-মুড়ি, দইসহ দোকানিরা তাদের পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই পূণ্যস্নানে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ছাড়াও গোপালপুর, কালিহাতী, ঘাটাইলসহ সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার নানা বয়সী হাজারো ভক্ত ও পূণ্যার্থীরা যমুনা নদীর পাড়ে আসছেন।

এ সময় তারা সৃষ্টিকর্তার কাছে বিভিন্ন মানত ও দেশবাসীর জন্য শান্তি কামনায় প্রার্থনা করেন। সব মিলিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

স্নান করতে আসা ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের সাবেক প্রভাষক সুহাষ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘যমুনায় স্নান তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে। এখানে পুণ্যার্থীরা স্নান করছে তাদের মনবাসনা পুরণের জন্য।’

সাধন দাস, রঞ্জিত কর্মকর্তা, সুবীরসহ অনেকেই জানান, নদীর পাড়ে নতুন জলে পূণ্যস্নান করেছি ও পূজা দিয়েছেন। মহাষ্টমীতে এখানে স্থানীয় লোকজনসহ দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ মেলা দেখতে আসেন।

পূণ্যস্নান ও মেলার আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ ঘোষ বলেন, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পাপ মোচনের আশায় যমুনা নদীতে স্নান করতে এসেছেন। প্রশাসনের সহযোগিতায় স্নান উৎসব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২২ ০১:২১:এএম ৪ বছর আগে
ইউএনওর বিরুদ্ধে ক‌লেজছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগ - Ekotar Kantho

ইউএনওর বিরুদ্ধে ক‌লেজছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপু‌রের এক ক‌লেজছাত্রী‌কে বি‌য়ের প্রলোভন দে‌খি‌য়ে ধর্ষণের অভি‌যোগ উঠেছে বাসাইলের সা‌বেক উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হো‌সে‌নের বিরু‌দ্ধে। এ ঘটনায় ওই ক‌লেজছাত্রী সং‌শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গত ৩ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বালুরঘাটে ট্রাক কেড় নিল কিশোর হেলপারের প্রাণ

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) টাঙ্গাইলের অতি‌রিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ) সোহানা নাস‌রিনের অফিস কক্ষে ডেকে ওই ক‌লেজছাত্রীর কাছে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত মো. মনজুর হোসেন বর্তমানে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, ২০২১ সালে তৎকালীন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হোসেনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবু‌কে পরিচয় হয় ওই কলেজছাত্রীর। একপর্যা‌য়ে তা‌দের ম‌ধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গ‌ড়ে ওঠে। প্রথমে ইউএনও সরকা‌রি বাসভব‌নে নি‌য়ে ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শা‌রীরিক সম্পর্ক স্থাপন ক‌রেন। এরপর ওই ক‌লেজছাত্রীর অন‌্যত্র বি‌য়ে ঠিক হ‌লে মনজুর সেই বি‌য়ে বন্ধ ক‌রে তাকে বা‌ড়ি থে‌কে চ‌লে আস‌তে ব‌লেন। এরপর ওই ছাত্রীকে নি‌য়ে ইউএনও টাঙ্গাইল কুমুদিনী সরকা‌রি কলেজ সংলগ্ন পাওয়ার হাউস এলাকায় প‌রিচয় গোপন ক‌রে স্বামী-স্ত্রী প‌রিচয় দি‌য়ে সেখা‌নে এক‌টি বাসা ভাড়া নি‌য়ে বসবাস শুরু ক‌রেন।

সেখানে তারা দুই মাস সংসার করেন। প‌রে ওই ছাত্রী বিয়ে করার জন‌্য চাপ প্রয়োগ করেন। ইউএনও মনজুর হো‌সেন ভার‌তে গি‌য়ে তা‌কে বি‌য়ে কর‌বে ব‌লে জানান। এরপর জোবা‌য়েত না‌মে এক ব‌্যক্তির মাধ‌্যমে ওই ছাত্রীর ভার‌তে যাওয়ার জন্য মে‌ডি‌কেল ভিসা করা‌নো হয়‌। এরপর গত ২৪ সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ১০টার দিকে বাসাইলের সহকা‌রী ক‌মিশনারের (ভূমি ) সরকা‌রি গাড়িতে জোবায়েত হোসেন ও চালক বুলবুল হোসেনসহ দুইজন আনসার সদস‌্য মি‌লে বেনাপোল গি‌য়ে সেখানকার বর্ডার পার হ‌য়ে কলকাতা এয়ার‌পোর্ট হ‌য়ে হায়দরাবা‌দ বিমানবন্দ‌রে না‌মেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে গৃহবধুকে গণধর্ষণের অভিযোগ

বিমানবন্দ‌রের কা‌ছে একটা বাসা ভাড়া নি‌য়ে সেখা‌নে দুইজন বসবাস ক‌রে চি‌কিৎসা নি‌তে থা‌কেন। একপর্যা‌য়ে ওই ছাত্রী ইউএনওর মোবাইলের মাধ‌্যমে বি‌য়ে হওয়া ও তার ঘ‌রে সন্তান থাকার ‌বিষয়‌টি জান‌তে পা‌রেন। প‌রে বাংলা‌দেশে আসার পর জোবায়েত ওই ছাত্রীর মোবাইল জোরপূর্বক নি‌য়ে অন্তরঙ্গ ভিডিও ও চ্যাটিং মেসেজ ডিলিট করে দেন। ইউএনও ঘটনাগু‌লো কাউকে না বল‌তে ওই ছাত্রী‌কে অনু‌রোধ ক‌রেন, অন‌্যথায় তা‌কে মে‌রে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এরপরও পরবর্তীতে ওই ছাত্রীর সঙ্গে ঢাকার ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে দেখা করে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করার কথা বলেন ইউএনও।

এদিকে প্রতারণা ক‌রে ধর্ষণ এবং স্ত্রীর মর্যাদা না দেওয়ায় ইউএনও মনজুর হোসেনের শা‌স্তি চে‌য়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ওই কলেজছাত্রী।

ওই কলেজছাত্রী বলেন, ইউএনও মনজুর হোসেনের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ‌্যমে পরিচয় হয়। প‌রে তিনি বি‌য়ের প্রলোভনে একা‌ধিকবার শা‌রীরিক সম্পর্ক করেন। তিনি শুধু আমাকে ব্যবহারই করেছেন, সামাজিকভাবে স্ত্রীর মর্যাদা দেননি। বিষয়‌টি নি‌য়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণাল‌য়ে লি‌খিত অভিযোগ দি‌য়ে‌ছি।

বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, সা‌বেক ইউএনও মনজুর হোসেন মোবাইলে ওই মে‌য়ে‌টির বিষয়ে জানান। মে‌য়ে‌টি না‌কি তার বিরু‌দ্ধে জনপ্রশাস‌নে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দি‌য়েছে। প‌রে মে‌য়ে‌টি‌র সঙ্গে একজন চেয়ারম‌্যা‌নের মাধ‌্যমে কথা ব‌লি। তখন মে‌য়ে‌টি বিষয়‌টি আইনগতভা‌বে লড়‌ছেন ব‌লে জানায়।

অভিযোগ অস্বীকার ক‌রে কি‌শোরগ‌ঞ্জের ক‌রিমগঞ্জ উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনজুর হো‌সেন ব‌লেন, অভি‌যো‌গটি সম্পন্ন ভি‌ত্তিহীন। এ ধর‌নের কোনো ঘটনা ঘ‌টে‌নি।

টাঙ্গাইলের অতি‌রিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ) সোহানা নাস‌রিন জানান, ওই ইউএনওর বিষয়‌টি নি‌য়ে তদন্ত চল‌ছে। তদন্ত শে‌ষে আগামী সাত কর্মদিব‌সের ম‌ধ্যে প্রতি‌বেদন জমা দেওয়া হ‌বে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২২ ০৩:১৮:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।