/ হোম / দুর্ঘটনা
টাঙ্গাইলে মোবাইল না পেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোবাইল না পেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মায়ের কাছে মুঠোফোন না পেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর)সকালে সখীপুর উপজেলার ঘোনারচালা গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোর আশিক আহমেদ (১৩) মালয়েশিয়া প্রবাসী আলী আকবর ও ছালমা বেগমের ছেলে। সে ঘোনারচালা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। ছালমা বেগম দুই সন্তানকে নিয়ে ঘোনারচালা গ্রামে থাকেন।
ছালমা বেগম জানান, আশিক বেশির ভাগ সময় তাঁর মুঠোফোন নিয়ে গেমস খেলত। মঙ্গলবার সকালে মেয়েকে পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় আশিক মায়ের মুঠোফোনটি বাসায় রেখে যাওয়ার জন্য বায়না ধরে। কিন্তু তিনি ফোন নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে চলে যান। তিনি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় আশিককে কান্না করতে দেখেছিলেন। কিছুক্ষণ পর আশিকের দাদি ঘরে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় আশিকের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে ছালমা বেগম বাড়িতে আসেন। পরে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

আশিকের স্বজনদের ধারণা, মায়ের কাছে মুঠোফোন না পেয়ে আশিক ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মজিবর রহমান জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই আশিকের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মুঠোফোন না দেওয়ায় ওই স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের সদস্যরা ধারণা করছেন। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

এ বিষয়ে কালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান বলেন, অল্প বয়সী ছেলে-মেয়েদের জন্য মুঠোফোন ও গেমস এক ধরনের নেশা। মুঠোফোনের নেশায় আসক্ত হয়ে অনেক কিশোর কিশোরীরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. নভেম্বর ২০২১ ০৪:২৬:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবা ছেলে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) ভোর চার টার দিকে উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের গোসাইজোয়াইর গ্রামে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ।

নিহতরা হলেন, ওই গ্রামের মৃত মাইন উদ্দিনের ছেলে মো. আইনউদ্দিন (৬৫) ও তার ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৩)। আইনউদ্দিন কৃষি কাজ করতেন ও আনোয়ার ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালক ছিলেন।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ জানান, আনোয়ার হোসেন গতকাল(১৫ নভেম্বর) নতুন একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা কিনেন। রাতে তার বাড়িতেই চার্জ দিয়ে রাখেন। ভোর চারটায় ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার চার্জ খুলতে গেলে আনোয়ার হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় তার ডাকচিৎকারে বাবা আইন উদ্দিন গিয়ে তাকে স্পর্শ করলে তিনিও বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হন। বিদ্যুৎপৃষ্ট দুজনের ডাকচিৎকারে আনোয়ার হোসেনের মা গিয়ে বিদ্যুতে মেইন লাইন বন্ধ করে দেন। পরে তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান,কয়েক মাস আগেও ওই লিকেইজ তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিলো।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাদ যোহর তাদের নামাজে জানাযা শেষে দাফন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. নভেম্বর ২০২১ ০৮:১৫:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাসচাপায় অটোভ্যানের দুই যাত্রী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসচাপায় অটোভ্যানের দুই যাত্রী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ১নং দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পাকুটিয়া বটতলী নামক স্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছেন আরও দুইজন। রবিবার (১৪ নভেম্বর) গভীর রাতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।সোমবার (১৫ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার।

এ ঘটনায় নিহতরা হলেন রক্তিপাড়া নয়াবাড়ি গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে সাইদুর রহমান (৪৫) এবং গাংগাইর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর মেয়ে নাছিমা বেগম (৪৫)।

মারাত্মক আহত দুইজন হলেন গাংগাইর বেকারকোনা গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে ভ্যান চালক আব্দুল মালেক (৩০) এবং গাংগাইর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আমান আলীর ছেলে মোঃ রুবেল মিয়া (৩৫)।

স্থানীয়রা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ধনবাড়িগামী বিনিময় পরিবহনের দুটিবাস নিয়ন্ত্রনহীন গতিতে যাচ্ছিল। গাড়ি দুটি পাকুটিয়া বাজার সংলগ্ন বটতলীতে পৌছালে একটি যাত্রীবাহী বাস ব্যাটারিচালিত অটো ভ্যানকে চাপা দেয়। এসময় ভ্যানের যাত্রীরা রাস্তার পাশে পড়ে গেলে হাত, পা ও শরীরের উপর দিয়েই গাড়িটি চালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।

আহতদের স্বজনরা জানান, নিহতদের এক আত্মীয় মধুপুর ইব্রাহীমের দোকান থেকে ২৭ লাখ দশ হাজার টাকা চুরি হয়। ওই টাকা উদ্ধারের উপায় খুঁজতে ঘাটাইল উপজেলার কোন এক কবিরাজের কাছে যায়। সেখান থেকে গভীর রাতে অটোভ্যান যোগে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় আহত ভ্যানচালক মালেক মিয়াকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রুবেল মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। দু’জনের মধ্যে ভ্যানচালক আব্দুল মালেকের দুটি পা শরীর থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং রুবেলের একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শিরা।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, সংবাদ পেয়ে আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে । দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি আটকের চেষ্টা চলছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২১ ১০:৩৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন বন্ধু নিহত হয়েছে। শুক্রবার (১২ নভেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার রুহুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, চিতুলিয়াপাড়া গ্রামের বাছেদের ছেলে মকবুল (২০) মাটিকাটা গ্রামের রশিদের ছেলে আসাদুল (১৭) একই গ্রামের ইলিয়াসের ছেলে রাকিব (১৬)। এরা তিনজনই পেশায় ভেকু চালক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ দেড়টার দিকে তিন বন্ধু মিলে নতুন মোটরসাইকেল নিয়ে রহুলীর দিকে মহরা দিতে যান। এ সসময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দেয়ালের সাথে ধাক্কা লাগলে সাথে সাথেই চালক মকবুল ও আসাদুল মারা যায়। পরে রাকিবকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাতে বাবা বাছেদকে আত্মহত্যার ভয় দেখিয়ে নিহত মকবুল ভূঞাপুর থেকে দুই লক্ষ টাকা দিয়ে মোটরসাইকেলটি ক্রয় করে ।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল ওহাব ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে জানান, আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তাস্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. নভেম্বর ২০২১ ০৩:২২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন স্কুলছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন স্কুলছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহী তিন স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। সোমবার (০৮ নভেম্বর) ধলাপাড়া চেয়ারম্যান বাড়ি মোড় এলাকায় ওই ঘটনাটি ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এজাহারুল ইসলাম ভূইয়া।

নিহতরা হলেন, উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের ঝাইপাটা গ্রামের মৃত. সমির উদ্দিনের ছেলে শরীফ, একই গ্রামের শাহজালালের ছেলে আবু বক্কর ও মৃত. রমজান আলীর ছেলে শাহীন। এরা তিনজন ধলাপাড়া এস.ইউপি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।

ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এজাহারুল ইসলাম ভূইয়া জানান, ওই তিন শিক্ষার্থী একটি আরটিআর মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়েছিল। তাদের মোটরসাইকেলটি অভার স্পীডের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়েছে। এসময় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুছড়ে গেছে। পরে নিহতদের স্বজনরা এসে তাদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০৭:১৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে রকি (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন।বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল-নাগরপুর-আরিচা আঞ্চলিক সড়কের সদর উপজেলার অলোয়া তারিনী বটতলা এলাকায়  ওই দুর্ঘটনা ঘটে।আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত রকি টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা এলাকার বায়োজিদ মিঞার ছেলে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রকি ও তার বন্ধু সোলায়মান মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল থেকে নাগরপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাদের মোটরসাইকেলটি টাঙ্গাইল-নাগরপুর-আরিচা আঞ্চলিক সড়কের অলোয়া তারিনী বটতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা উভয় মোটরসাইকেলের তিনজনকে আহতবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নবীন জানান, দুর্ঘটনায় রকি নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা  হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২১ ০২:৫০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় আহত হয়েছে আরো একজন। বুধবার(২৭ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এবং সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে খালেদ হাসান (২৫)। সে মির্জাপুর কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী ছিল। অপরজন নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার আলাউদ্দিন আহমেদের ছেলে রবিউল ইসলাম (২১)।

মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজিজুল হক জানান, বুধবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এলাকায় রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় ঢাকাগামী সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ট্রাকটি আটক করলেও চালক পালিয়ে যায়।

অপরদিকে, সকালে মহাসড়কের সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় মোটরসাইল আরোহী খালেদ হাসান নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়। এ ঘটনায় তার বড় ভাই বিপ্লব খান (৩৫) গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই নবীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২১ ০৮:৩২:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত, আহত বাবা-ছেলে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত, আহত বাবা-ছেলে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দাওয়াত খেয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় মা ও ছেলে নিহত হয়েছে। এতে বাবা ও বড় ছেলে আহত হয়েছে।শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা রেলক্রসিং এ ওই দুর্ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হতাহতরা হলেন, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ময়থা উত্তরপাড়া গ্রামের আজগর আলীর স্ত্রী সানসিয়া সুলতানা সারা (২৫) ও তার ছোট ছেলে রাইয়ান ( আড়াই বছর)। আহত হয়েছে নিহতের স্বামী আজগর আলী (৩০) ও বড় ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৫)।

সানসিয়া সুলতানা সারার ভাই জামিলুর রহমান বলেন, হাতিলা গ্রামে আজগর আলী তার মামার বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে স্ত্রী ও দুই ছেলেকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। হাতিলা রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় তারা ছিটকে পড়ে যায়। এতে মা ও ছেলের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। আহত বাবা ও বড় ছেলেকে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাজিব পাল চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে দুইজনকে আনা হয়। তবে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘারিন্দা রেল স্টেশন মাস্টার সোহেল রানা জানান, আজগর আলী স্ত্রী ও দুই সন্তানকে মোটরসাইকেলে নিয়ে রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তার মোটরসাইকেল পাশের খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই দুই জনের মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অক্টোবর ২০২১ ০৫:৩২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু ও শ্যালক-দুলাভাইসহ ৪ জন নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু ও শ্যালক-দুলাভাইসহ ৪ জন নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোটরসাইকেলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু ও শ্যালক-দুলাভাইসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।বুধবার(২০অক্টোবর) রাত ৮ টায় ও বৃহস্পতিবার(২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীর এলেঙ্গার পাথালকান্দি ও চর ভাবলাএলাকায় ওই দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবারের  দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, কালিহাতী উপজেলা এলেঙ্গা পৌরসভার হায়েতপুর গ্রামের মৃত হেলাল মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৩) ও কুঁড়িঘড়িয়া গ্রামের আছর উদ্দিনের ছেলে সোহেল রানা (২০)। তারা সম্পর্কে বন্ধু ছিলেন।

বুধবার রাতের দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, পাবনা সদর উপজেলার হান্নান মোল্লার ছেলে স্বাধীন (২৪) ও মোস্তাক হোসেন (২৮)।  তারা সম্পর্কে শালা-দুলাভাই।

স্বজনরা জানান, নিহত রফিকুল ইসলাম ও সোহেল রানা পাড়াপড়শি বন্ধু।বৃহস্পতিবার দুই বন্ধু বেড়াতে যমুনায় উদ্দেশে মোটরসাইকেলে রওনা হন। পথে পাথারকান্দি  এলাকায় গাড়ি চাপায় রফিকুল ঘটনাস্থলেই মারা যায় ও সোহেল রানাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, স্বাধীন ও তার বোনজামাই মুস্তাক দুজনেই ঢাকার একটি কোম্পানিতে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ছুটি শেষে বুধবার বিকেলে পাবনা থেকে  ঢাকার উদ্দেশে মোটরসাইকেলে রওনা হন। পথিমধ্যে মহাসড়কের চরভাবলা নামকস্থানে এসে পৌঁছালে অজ্ঞাত বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয় ।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২১ ০২:৫১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস খাদে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস খাদে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে এক বৃদ্ধা নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন।বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার গুণগ্রাম এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত বৃদ্ধার নাম স্নেহালতা (৯৫)। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল গ্রামে।

ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেন জানান, টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী প্রান্তিক সুপার সার্ভিসের (বগুরা-জ-১১-০১৭০) একটি বাস ঘাটাইল উপজেলার গুণগ্রাম ব্রিজের উত্তরপাশে এসে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে বাসটি সড়ক থেকে প্রায় ২০ ফুট নিচে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়।

তিনি আরো জানান, পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস বাসের যাত্রীদের উদ্ধার করে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে স্নেহালতা নামে এক বৃদ্ধাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মধুপুরে আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে যাচ্ছিলেন। চিকিৎসার জন্য গুরুতর আহত কয়েকজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২১ ০১:১৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পানিতে ডুবে রিফাত হাসান (৮) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে সখীপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে  ওই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত রিফাত উপজেলার কচুয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মোঃ সাইফুল ইসলামের ছেলে । সে স্থানীয় কিন্ডারগার্টেনের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই শিশুর মা ঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। বৃষ্টির সময় শিশু রিফাত ঘরের বাহিরে বল খেলছিল। কিছুক্ষণ পর সন্তানকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন মা। কোথাও না পেয়ে বাড়ির পাশের একটি গর্তে রিফাতকে ভাসতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক  রিফাতকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার  অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) একে সাইদুল হক ভূইয়া জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অক্টোবর ২০২১ ০২:০৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রবাসীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রবাসীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে শরিফুল ইসলাম (২৮) নামে এক সিঙ্গাপুর প্রবাসী আত্মহত্যা করেছেন।শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার সোনালিয়া রেলক্রসিং এলাকায় বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।বাসাইল থানার এসআই মজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শরিফুল ইসলাম সখীপুর উপজেলার দেউবাড়ী গ্রামের আলাল মিয়ার ছেলে।

নিহতের বাবা আলাল মিয়া জানান, গত ৬ মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে ছুটিতে বাড়িতে আসে শরিফুল। তিন মাস আগে বাসাইল উপজেলার নাইকানবাড়ী গ্রামে বিয়ে করে শফিকুল। শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) সে শ্বশুরবাড়িতে যায়। এরপর এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, বিকেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বনলতা একপ্রেস ট্রেনটি রাজশাহী যাওয়ার পথে সোনালিয়া রেলক্রসিং এলাকায় আসলে শরিফুল ইসলাম ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ খবর শোনার পর তার স্ত্রী আমেনা বেগম বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন।

এসআই মজিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে মরদেহ রেলওয়ে পুলিশ নিয়ে গেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেতে পারেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২১ ০২:৫১:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।