আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি পিলারের সাথে ধাক্কা লেগে দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার টেলকি সাইনবোর্ড রসুলপুর মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী নিহত হন।
নিহতরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার পশ্চিম পাকুটিয়া গ্রামের মোখলেছুর রহমান মুকুলের ছেলে মো. ইয়াসিন হোসেন (২৭) এবং বরিশাল জেলার চর ফ্যাশন উপজেলার মো. রাকিব (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যার পর মোটরসাইকেলটি মধুপুর বনাঞ্চলের টেলকি রসুলপুর মোড় এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি পিলারের সাথে জোরে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহীর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমরানুল কবির বলেন, মোটরসাইকেলটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারনেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। নিহতদের মরদেহ অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরবর্তীতে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরমান কবীরঃ: টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাসচাপায় জিহাদ (২২) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা একই পরিবহণের আরেকটি বাসে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাতে উপজেলার গোলাবাড়ীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জিহাদ উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের লোকদের গ্রামের জাকের আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জিহাদ তার অসুস্থ মামাকে দেখতে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল যোগে মধুপুর হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয়। পথিমধ্যে গোলাবাড়ি এলাকায় পৌঁছলে ঢাকা থেকে আসা ধনবাড়ীগামী বিনিময় পরিবহণের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়।
পরে খবর পেয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা সড়কে নেমে পড়েন। পরবর্তীতে একই পরিবহণের বিনিময় বাসে বিক্ষুব্ধ জনতা আগুন দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ব্যাপারে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমরানুল কবির বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।’
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় সিএনজির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে এক যাত্রী দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের তারাবাড়ী এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, এলেঙ্গা-ভূঞাপুর আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে একই দিক থেকে একটি মাইক্রোবাস ও সিএনজি চলছিল। পথিমধ্যে তারাবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে মাইক্রোবাসটি পেছন দিক থেকে সিএনজিকে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার পরপরই সিএনজির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে সিএনজিতে আগুন ধরে যায়। এতে সিএনজিতে থাকা এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই পুড়ে মারা যান এবং চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহত চালককে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার আমজাদ হোসেন জানান, আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি এবং পুড়ে যাওয়া অজ্ঞাত মরদেহটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি।
এ প্রসঙ্গে কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, “দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে মাইক্রোবাস ও এর চালককে আটক করা হয়েছে, গাড়িটি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষে চালকসহ দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের ঘারিন্দা আন্ডারপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আকুয়া এলাকার কাছিম উদ্দিনের ছেলে সিএনজি চালক সাহেব আলী (৪৫) এবং একই উপজেলার ভুক্তা এলাকার নূর মোহাম্মদ শেখের ছেলে সিএনজি যাত্রী আব্দুল আলীম (৬০)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোররাতে ঢাকাগামী সার্ভিস লেনে চলন্ত একটি অজ্ঞাত ট্রাক সিএনজিটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই সিএনজি যাত্রী আব্দুল আলীম মারা যান। গুরুতর আহত চালক সাহেব আলীকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পথে তিনিও মারা যান।
এলেঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান বলেন, নিহতদের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১২ জন।
বুধবার(১৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে জেলার বাসাইল উপজেলার বাঐখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হতাহতরা সবাই বাসযাত্রী। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জালাল উদ্দিন দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জামালপুরের তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ নামের যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। সেটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাঐখোলা এলাকায় পৌছালে ঢাকাগামী একটি ট্রাককে অতিক্রম করার চেষ্টা করে। এ সময় ঢাকাগামী রড ভর্তি অন্য একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে বাসের এক নারী যাত্রী নিহত হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ১৪ জনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও ২ জনকে মৃত ঘোষণা করে।
এ বিষয়ে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জালাল উদ্দিন বলেন, ‘নিহত ওই তিন বাসযাত্রীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলায় চারাবাড়ি এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর উপর নির্মিত ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধসে গিয়ে পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ব্রিজের পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার চরাঞ্চলের কাতুলী, হুগড়া, কাকুয়া, মাহমুদ নগর ও নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ সড়কে ধলেশ্বরী নদীর ওপর চারাবাড়িঘাটে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিগত ২০০৬ সালে ১৭০.৬৪২ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রিজটি নির্মাণ করে। নির্মাণের পর থেকেই কয়েকবার পূর্ব ও পশ্চিম তীরের অ্যাপ্রোচ সড়ক ধসে যায়। সর্বশেষ গত বছরের ১০ জুলাইও ব্রিজের পশ্চিম পাশে অ্যাপ্রোচ ভেঙে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, গুরুত্বপূর্ণ এ ব্রিজ দিয়ে চরাঞ্চলের পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। এছাড়া মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন অফিস আদালতে যাতায়াতেও ব্যাঘাত ঘটছে।
এদিকে চরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, তাঁত শিল্পের কাঁচামাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য আনা-নেওয়া করতে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক, অটোভ্যান, অটোরিকশা, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল করে থাকে এই ব্রিজের উপর দিয়ে।
সিএনজি চালিত অটো রিকশার চালক আব্দুল হাই ও খোরশেদ আলম বলেন, মঙ্গলবার ভোরে যাত্রী নিয়ে এসে দেখলাম ভেঙে গেছে। পরে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ভাঙনের দৃশ্য দেখতেছি। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা না নিলে আমরা গাড়ি চালাতে পারব না।
কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান বলেন, নদীর পানির চাপ বেড়ে পশ্চিম পাশের অ্যাপ্রোচসহ সংযোগ সড়ক ও কয়েকটি বাড়িতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ব্রিজ ভেঙে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে।
সদর উপজেলার এলজিইডি কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি, সদর উপজেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আজকের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধসে পড়ায় বৃহত্তর চরাঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষ সাময়িক ভোগান্তির শিকার হলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান করে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সবাইকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। যে কোন ভাবেই হোক অ্যাপ্রোচের মাটি দ্রুত ভরাট করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চরাঞ্চল বাসীর দুর্ভোগ সমাধান করে দেয়া হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কুড়া বোঝাই ট্রাক ও ঢালাইয়ের মিক্সার মেশিন বহনকারী পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই নির্মাণশ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার বাংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, কালিহাতী উপজেলার কোনাবাড়ী এলাকার জহের আলী (৪৫) ও বানিয়াফৈর এলাকার মুক্তার আলী (৪২)।
প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিক কালাম মিয়া জানান, আমরা ঘুনি সালেংকা এলাকায় ঢালাইয়ের কাজ শেষ করে পিকআপ ভ্যানে করে এলেঙ্গার দিকে ফিরছিলাম। হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কুড়া বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপের ডানপাশে থাকা শ্রমিকরা ছিটকে সড়কে পড়ে গুরুতর আহত হয়।
তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন মৃত্যুবরণ করেন। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এএসআই আলমগীর হোসেন বলেন, নিহত দুই শ্রমিকের মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় চারাবাড়ীতে শনিবার ধলেশ্বরী নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ তিন বোনের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ ও সান্ত্বনা দিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫(সদর ) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
রবিবার (৫ অক্টোবর) সকালে তিনি চারাবাড়ির ধলেশ্বরী নদীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং তিনজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সান্তনা দেন।
এ সময় জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবুসহ উপজেলা ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদের দ্বিতীয় দিনের মত ধলেশ্বরী নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার অপর খালাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসে নিখোঁজ ওই তিন কিশোরী। পরে শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে তারা পরিবারকে দোকানে যাওয়ার কথা বলে ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে নামে। গোসলের এক পর্যায়ে তারা নদীর স্রোতে ডুবে যায়।
তারা হলেন,মনিরা (১১) উপজেলার মাহমুদ নগরের মনিরুল ইসলামের মেয়ে। নিখোঁজ অপর দুই শিশু হলো- একই এলাকার বোরহানের মেয়ে আছিয়া (১২) ও মাফিয়া (০৯)। তারা সম্পর্কে খালাতো বোন।
পরে শনিবার (৪ অক্টোবর) সন্ধায় টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল মনিরার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন।
নিখোঁজ আপন দুই বোন আছিয়া আক্তার (১২) ও মাফিয়া আক্তার (১০) কে উদ্ধারের জন্য ডুবুরি দল দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ধলেশ্বরী নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে তিন শিশু নিখোঁজ হয়েছে। যাদের মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার চারাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ।
নিহত মনিরা (১১) উপজেলার মাহমুদ নগরের মনিরুল ইসলামের মেয়ে। নিখোঁজ দুই শিশু হলো- একই এলাকার বোরহানের মেয়ে আছিয়া (১২) ও মাফিয়া (০৯)। তারা সম্পর্কে খালাতো বোন।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা হুমায়ুন কার্ণায়েন বলেন, শনিবার দুপুরের দিকে মনিরা তার দুই খালাতো বোন আছিয়া ও মাফিয়াকে নিয়ে ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে নামে। এক পর্যায়ে তারা স্রোতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে উদ্ধারকাজ শুরু করে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে সন্ধ্যায় মনিরার লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে আছিয়া ও মাফিয়ার সন্ধান মেলেনি। রাত হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল থেকে আবার উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ জানান, শুক্রবার তারা খালার বাড়ি আসেন বিয়ের দাওয়াত খেতে। শনিবার সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে অদুরে ধলেশ্বরী নদীতে যায় গোসল করতে। কিন্তু নদীতে স্রোত থাকায় এবং তারা সাতার না জানায় পানিতে তলিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং বাকি দুইজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত করা হবে না।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সাঁতার শিখতে গিয়ে পানিতে ডুবে সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে মনোনীত হৃদ (১৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হৃদয় কালিহাতী বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের পাঁচ জোয়াইর গ্রামের মো. আবুল হোসেনের ছেলে। তারা কালিহাতী শহরের সাতুটিয়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হৃদয় সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে মনোনীত হওয়ার সুবাদে মঙ্গলবার সকালে তার মায়ের সঙ্গে উপজেলার পুকুরে সাঁতার শিখতে যান। গাড়ির চাকার টিউব দিয়ে সাঁতার শেখার এক পর্যায়ে তিনি পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করে।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন বলেও জনান তিনি।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নে নদীতে পড়ে দুই বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউনিয়নের ভরবাড়ী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সাফাই নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভরবাড়ী গ্রামের মারুফ হোসেনের ছেলে আলিফ হোসেন (২) বাড়ির পাশে খেলছিল। এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে সাফাই নদীতে পড়ে যায়। পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এবিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, শিশুর মৃত্যুর বিষয় আমাকে কেউ অবগত করেনি। বিষয়টি জেনে আপনাদের জানাতে পারবো।
এদিকে শিশু আলিফের অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় অনিক হাসান (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।এ ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী আবীর (১৫) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কালিহাতী পৌর এলাকার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চাটিপাড়া সেতু সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত অনিক টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের ছোট বিন্যাফৈর গ্রামের অটোচালক নিশান মিয়ার ছেলে। আহত আবীরের বাড়িও একই এলাকায়। অনিক সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় টেকনিক্যাল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।
নিহতের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনিক কালিহাতী পৌরসভার সিলিমপুর এলাকায় চাচাতো বোনের শ্বশুরবাড়িতে দাওয়াত খেতে আসেন। বৃহস্পতিবার সকালে কালিহাতী পেট্রোল পাম্প থেকে তেল নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে সিলিমপুর যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল- ময়মনসিংহ মহাসড়কের চাটিপাড়া সেতু এলাকায় পৌঁছলে পেছন থেকে আসা অজ্ঞাত একটি বাস তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে অনিক মহাসড়কে পড়ে গেলে বাসের চাকা তার শরীরের ওপর দিয়ে চলে যায় এবং এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরণ করে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের এসআই মাহবুব হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার এবং মোটরসাইকেলটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।