একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ১৩ ঘন্টার ব্যবধানে একই স্থানে বাসের ধাক্কায় অটোরিক্সার চালকসহ দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ছয় জন।
শুক্রবার(১১ অক্টোবর ) সন্ধ্যায় মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার সল্লা এলাকায় অরিণ ট্রাভেলস্ পরিবহনের দ্রুত গতির একটি বাসের ধাক্কায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- অটোরিক্সার চালক জেলার ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের চেংটাপাড়া এলাকার চান্দু মন্ডলের ছেলে সওকত মন্ডল ও অটোরিক্সার যাত্রী ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকার নয়ন চন্দ্র দাস। নয়ন পূজা উপলক্ষে তার শ্বশুরবাড়ি সল্লা বেড়াতে এসেছিলেন।
এর আগে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকায় ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, নিহত ও আহতরা শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার দেউপুর পূজা মণ্ডপ থেকে অটোরিক্সা যোগে সল্লা ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মহাসড়ক পার হবার সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী অরিন ট্রাভেলস্ এর একটি বাস অটোরিক্সাটিকে ধাক্কা দেয়৷ এতে অটোরিক্সায় থাকা শিশুসহ আটজন যাত্রী ৎগুরুতর আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে নয়নের মৃত্যু হয়। অন্য আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে অটোরিক্সার চালক সওকত মন্ডলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হলে ঢাকা নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবিদ হোসেন খান জানান, বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অটোরিকশা উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তবে বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার পালিয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাকের চালক ও হেলপার নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন কাভার্ডভ্যানের চালক।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর)ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সল্লা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এর ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে অন্তত ১৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়।
নিহত ট্রাকের চালক ঠাকুরগাঁও জেলার মহেষপুর এলাকার আজহার আলীর ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম। বাকি হতাহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আতাউর রহমান ও বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এসআই শাহাদত হোসেন জানান, ‘ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রাকটি উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। এসময় উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কাভার্ডভ্যানটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই গাড়িতে থাকা তিনজন আটকা পড়ে।’
তারা আরও জানান,পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস খবর পেয়ে আধাঘন্টা চেষ্টার পর আটকেপড়া তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। এসময় ট্রাকে আটকাপড়া চালক ও হেলপার ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নিহত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
অন্যদিকে, দুর্ঘটনার ফলে মহাসড়কে কিছুটা যানজট রয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে জানায় পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন।
শুক্রবার(৪ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সড়কের উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া রোডে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এদের মধ্যে দুইজনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে,তারা হলেন, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উজেলার ঘাগড়া গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান (৩৩) ও জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার মহিষবায়ান গ্রামের মরহুম আব্দুর ওয়াজেদের ছেলে জিয়াউল হক (৩৪)। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নান্নু খান জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী একটি বাসের সাথে কালিহাতী থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আহত অপর দু’জনের মৃত্যু হয়।
এদিকে মহাসড়কে বৃষ্টি ও ছোটখাটো দুর্ঘটনার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাথার ওপর গাছ পড়ে শাওন আহমেদ (২১) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া কানু মার্কেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শাওন উপজেলার চতলবাইদ পশ্চিম পাড়া গ্রামের রুবেল মিয়ার ছেলে। সে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও মৃত শাওনের স্বজনেরা জানান, ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করার পর কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পেরে রোজগারের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন শাওন। এর মধ্যে তিনি গাছ কাটার শ্রমিক হিসেবেও কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে শাওন আহমেদ নলুয়া কানু কার্কেট এলাকায় আকাশমণির বাগানে গাছ কাটতে যান। কুড়াল দিয়ে গাছ কাটার সময় আকস্মিক ভাবে গাছটি শাওনের মাথার ওপর ভেঙে পড়ে।
স্থানীয়রা গাছের নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নাজমুল হাসান (২০) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমুল হাসান উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামের গোলাম মোস্তফা ফকিরের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির পাশে ডিজিটাল স্কেল মেশিনের ঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হন নাজমুল। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় গারোবাজার নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি) পরিক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে।
নিহত নাজমুলের বন্ধু আল আমিন জানান, মধুপুর শহীদ স্মৃতি স্কুল থেকে ২০২১ সালে এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয় সে। পরে বিএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে অনার্সে এডমিশন নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো নাজমুল। এমতাবস্থায় তার বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নাজমুল ইসলাম জামাল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সন্ধ্যার পরে ওদের নিজস্ব ডিজিটাল স্কেল মেশিনের ঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত হন নাজমুল। নাজমুলের অকাল মৃত্যুতে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তিনি।
ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৃথক স্থান থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘাটাইল উপজেলার কাইতকাই এলাকায় একটি বাড়ির পাশের ধানখেত থেকে কিশোর শামীম (১৪) ও কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া এলাকা থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত শামীম উপজেলার ভানিকাত্রা গ্রামের ভ্যানচালক করিমের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘাটাইল উপজেলার কাইতকাই এলাকায় ধানখেতের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। শামীম ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট-সংলগ্ন ঝড়কা বাজারের একটি মুরগির দোকানে কাজ করত। মাঝে মধ্যে মানুষের বাড়ির গাছগুলোর ফলমূল চুরি করত সে। যে বাড়ির পাশে তার মরদেহ উদ্ধার হয়েছে সেই বাড়িতে কেউ ছিল না। তার মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
এদিকে একই সময়ে কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে তার মৃত্যু ট্রেনে কাটা পড়ে নাকি অন্যকিছু হয়েছে সেটা জানা যায়নি।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে কেউ হত্যার পর সেখানে ফেলে গেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল ফারুক জানান, রেললাইনের পাশে পড়েছিল ওই বৃদ্ধের মরদেহ। যেহেতু মরদেহটি রেললাইনের পাশে পড়েছিল সেহেতু বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়। পরে তারা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস-পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ ভ্যানের চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৫ জন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার সল্লা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে কিছু সময়ের জন্য যানজটের সৃষ্টি হয়।
নিহত পিকআপ ভ্যান চালক আব্দুল জলিল রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ইমাদপুর গ্রামের শফিউল শেখের ছেলে ।
যমুনা সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল হামিদ জানান, সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের একটি বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপ ভ্যানের চালক নিহত হন
তিনি আরও জানান, মরদেহ থানায় রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের শুভুল্যা ও গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা এলাকাতে দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেলেও অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের শুভুল্যা নামক স্থানে রাস্তা পারাপারের সময় অজ্ঞাত (৬৫) এক ব্যক্তি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যায়।
এদিকে, সকাল পৌনে ১১টার দিকে একই মহাসড়কের গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা নামক স্থানে রাস্তা পারাপারের সময় সোনামুদ্দিন (৭০) নামে এক ব্যক্তি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যান। সোনামুদ্দিনের বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কোটবহুরিয়া গ্রামে।
এ ব্যাপারে গোড়াই হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুজ্জামান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পুকুরে গোসলে নেমে সোলেমান (১৮) নামে এক বাস হেলপারের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের পুকুরে গোসল করতে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাস হেলপার সোলেমান দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার বাসদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় সে বাস শ্রমিক ছিল।
সহকর্মীরা জানায়, সে বাসের হেলপার ছিল। শুক্রবার দুপুরের পরে ঢাকা থেকে এসে তার সহকর্মীদের সাথে ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের পুকুরে গোসল করতে নেমে ডুবে যায়। তার সাথে থাকা অন্যান্যরা তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। পরে খবর পেয়ে ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ প্রসঙ্গে ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা খাদেমুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে ট্রাক চাপায় এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জোকারচর এলাকার ১৮নম্বর ব্রিজের উপর এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ মরদেহ ও দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেলটি ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিলে যান-চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
নিহত ওই মোটরসাইকেল চালকের নাম সাজেদুল ইসলাম (৪৫)। সে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার শাহাপুর এলাকার আতাতুল্লাহ ফকিরের ছেলে। তিনি গাজীপুরের ভাওয়াল গড়ে চাকরি করতেন।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, সোমবার সকালে সাজেদুল মোটরসাইকেল যোগে গাজীপুর থেকে ঈশ্বরদী যাচ্ছিলেন। এসময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিলে মোটরসাইকেলটি ব্রিজের উপর পরে যায়। পরে পেছনে থাকা একটি ট্রাক মোটরসাইকেলটির উপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাজেদুলের মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে মরদেহ ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় নিয়ে রাখা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ-ঘটনায় বাস ও ট্রাকটিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আঁখ খেতে পেতে রাখা শিয়াল মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের হামকুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সজল খান।
নিহতরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের হামকুড়া (আমতলা) গ্রামের মৃত নঈম উদ্দিনের ছেলে কৃষক মো. আরশেদ আলী (৬৫) ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম (৫২)।
রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাহবুবুল হক মাসুদ জানান, কৃষক আরশেদ তার বাড়ির পাশেই আঁখ চাষ করতেন। খেত থেকে যেন কেউ আঁখ চুরি ও শিয়াল এসে আঁখ নষ্ট করতে না পারে সেজন্য তিনি খেতের চারপাশে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখেন। ঘটনার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ না করেই অসাবধানতাবশত খেতে গেলে প্রথমে রহিমা বেগম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এসময় স্বামী আরশেদ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে পুলিশ এসে লাশ দুটি উদ্ধার করে।
ঘাটাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সজল খান বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রী মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজের ১৮ ঘণ্টা পর মোস্তাকিম (১০) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।
মোস্তাকিম ভূঞাপুর পৌর শহরের বামনহাটা পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকাল ৩ টার দিকে বাড়ির পাশের লৌহজং নদীতে গোসলে নামে মোস্তাকিম। শিশুটি সাঁতার না জানায় পানিতে ডুবে যায়। পরে স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। শনিবার সকালে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, শুক্রবার বিকালে ভূঞাপুরের লৌহজং নদীতে গোসলে নেমে এক শিশু নিখোঁজ হয়। পরে শনিবার সকালে খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।