একতার কণ্ঠঃ কুরতুবী মাদরাসার টাঙ্গাইল সিটি ক্যাম্পাস এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে শহরের আকুর টাকুর পাড়াস্থ কুরতুবী মাদরাসার টাঙ্গাইল সিটি ক্যাম্পাস এর উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম. সিরাজুল হক আলমগীর।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দেলদুয়ার সরকারী সৈয়দ মহব্বত আলী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো, নূরুজ্জাহিদ কচি, বেড়াডোমা ইসলামবাগ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা রাশেদুল ইসলাম, মগড়া গার্লস ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস. এম শফিকুল ইসলাম শফি, টাঙ্গাইল পুরাতন কোর্ট মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ আমজাদ হোসেন।
কুরতুবী মাদরাসার টাঙ্গাইলের চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অভিভাবক, মাদরাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এর সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।
রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে অবস্থিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলামকে সাথে নিয়ে প্রথমে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করেন।পরে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে দোয়া ও মোনাজাত করেন।
এরপর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের আয়োজনে ‘ফোরথ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ইন ট্রেন্ডস কম্পিটিউশনাল কগনিটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং (টিসিসিই-২০২২)’ শীর্ষক কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরে নারীসহ প্রতারক চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়া হাউজিং এলাকা থেকে প্রতারক চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় মো. জুলহাস আলী (৪০) বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া গ্রামের মৃত কাদেরের মেয়ে শিরিনা (৩৪), সদর উপজেলার কান্দিলা এলাকার আ. বাছেদের মেয়ে ফরিদা (২৪)। এছাড়া সদর উপজেলার পৌর এলাকার পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়ার মুকুল আকন্দের ছেলে মো. রাসেল (৩১), আলমগীরের ছেলে আলামিন (২০), মৃত আ. সামাদ ফকিরের ছেলে আ. রাকিব (৩২) ও আব্দুল জব্বার আকন্দের ছেলে মো. রাজা আকন্দ (৩৩)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) জুলহাস আলী জমির পর্চা তোলার জন্য টাঙ্গাইল শহরে তার শ্যালকের নিকট যাওয়ার পথে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড পৌঁছে সিএনজিতে উঠেন। সিএনজিতে একজন মহিলা ও পুরুষ যাত্রী ছিল। টাঙ্গাইল আসার পথে শিরিনা বাদীর নাম ঠিকানা জিজ্ঞাসা করেন। বাদী তার নাম ঠিকানা বললে সে বলে তার বাড়িও কালিহাতী, টাঙ্গাইল শহরের বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। কথার এক পর্যায়ে বাদিকে অশালীন অঙ্গভঙ্গি দেখিয়ে বাসায় যাওয়ার অনুরোধ করেন আসামী। পরে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড পৌঁছালে ফরিদা উপস্থিত হয়ে বাদিকে অটোরিকশাযোগে দুপুরে পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়া হাউজিং মাঠের পশ্চিম পাশে সোলায়মান এর বাসার ভাড়াটিয়া রাসেলের ঘরে নিয়ে যান।
আরো জানা যায়, বাসায় যাবার পর ফরিদা বাদীকে বলেন শিরিনা তার বোন হয় এখন তার সাথে আপনার যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। বাদী অস্বীকার করলে তাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শণ করেন। এক পর্যায়ে বাদী ঘর থেকে বের হতে চাইলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রাসেল, আলামিন, রাকিব ও রাজা ঘরে প্রবেশ করে বাদিকে খারাপ কাজ করতে এসেছে বলে গালিগালাজ ও মারধর করে। বাদী আসামীদের হাত পা ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করলেও তারা কোন কর্ণপাত না করে খারাপ কাজ করতে এসে ধরা খেয়েছেন এগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া হবে বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা ঘটনাটি জানতে পেরে পুলিশকে জানান। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ভূক্তভোগী ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে প্রতারক চক্রের দুই নারীসহ ছয় জনকে আটক করা হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া পিপিএম জানান, গ্রেপ্তারকৃত ২০১২ সালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ১২/১৩/১৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে এই ধরণের অপকর্মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ২১ বার তোপধ্বনি ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
দিনের শুরুতে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, উপজেলা পরিষদের পক্ষে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাংগাইল প্রেসক্লাবের পক্ষে সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।
এরপর শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায় রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের জনসাধারণ।
শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী, বীরমুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত ও দেশের কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ ছাড়াও সকাল ৮টায় টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শরীর চর্চা প্রদর্শন করা হয়।
পরে ১১টায় শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। বাদ জুমা সকল মসজিদ ও মন্দিরে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) মামার বিয়ে। রাতে বাসর ঘর সাজানোর দায়িত্ব ছিল তার।
তাই মামার বাসর ঘরের ফুল আনতে টাঙ্গাইল শহরে যান ভাগনে। ফুল নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে মহাসড়কে গাড়িচাপায় লাশ হয়ে বাড়ি ফিরেন তিনি। ভাগনের আর হলো না মামার বাসর সাজানো।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের মাদারজানি (হাট বাইপাস) এলাকায় গাড়িচাপায় ওই যুবক নিহত হন।
নিহত ওই যুবক টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের আগ ছাওয়ালী গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে ফয়সাল হোসেন (২০)। তার স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ফয়সালের চাচা রতন হোসেন জানান, তার চাচাতো মামার বন্ধুর সঙ্গে ফয়সাল বিয়ের ফুল আনতে সকালে টাঙ্গাইল শহরে যান। সেখান থেকে বাসর ঘরের ফুল নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে মাদারজানি এলাকায় পৌঁছলে অজ্ঞাত গাড়ি তাদের চাপা দেয়।
তিনি আরো জানান, এতে ঘটনাস্থলে ফয়সাল নিহত হয়। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক তার মামার বন্ধু সজীব আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ফয়সালের স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
গোড়াই হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোল্লা টুটুল জানান, লাশ উদ্ধার করে ফাঁড়িতে আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। আইনি পক্রিয়া শেষে তার লাশ হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ৮৫০ গ্রাম হেরোইনসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল।
বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পে র্যাব-১৪ অধিনায়ক মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান এ বিষয়টি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিশ্চিত করেন।
র্যাব-১৪ অধিনায়ক মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান সংবাদ সম্মেলনে জানান, বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে ১জন মাদক ব্যবসায়ী টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য হেরোইনসহ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার সিধুলী গ্রামের জাকির শাহের ছেলে সাকিবুল হাসানকে (৩৪) আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত সাকিবুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে আত্মজেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সদস্য এবং তার মাদক ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে সে প্রতিনিয়ত অভিনব কৌশল অবলম্বন করত। সে রাজশাহী জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করে।
তিনি আরো জানান, এ সকল মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে মাদক মুক্ত দেশ গড়তে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি জানান, আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ মোতাবেক টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের যথাযথ মর্যাদা ও ভাব গাম্ভীরদের সাথে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসটি পালনে কার্যক্রম শুরু করা হয়।
শুরুতে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার শ্রদ্ধা জানান। এরপর জেলা সদরে অবস্থিত পানির ট্যাংক সংলগ্ন বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, উপজেলা পরিষদের পক্ষে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন ,হাউজিং প্রোপার্টি গ্রুপের পক্ষে জাফর আহমেদ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।
সকাল ৭টা ১১ মিনিটে শহরের ‘শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান’ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করাসহ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়। পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও দেশের কল্যাণে মোনাজাত করা হয়। এতে অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সমাজের নানা শ্রণি পেশার মানুষ।
পরে বেলা ১১টায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন দিন ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৫শ’ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি (দক্ষিণ)।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার শামসুল হক তোরণ (ডিস্ট্রিক্ট গেইট) এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো, সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের মৃত জামাল বেপারীর ছেলে মো. ছবুর (৬১) ও ঘাটাইল উপজেলার শিমলাকান্দি গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মাহফুজ রহমান ওরফে রনি (৩২)।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি (দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ডিবির একটি টিম পৌর এলাকার শামসুল হক তোরণ (ডিস্ট্রিক্ট গেইট) এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে ৫শ’ পিস ইয়াবসহ তাদের আটক করে।
তিনি আরো জানান ,আটককৃতদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ সোমবার (১২ ডিসেম্বর)মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪২তম জন্মবার্ষিকী । ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে তার জন্ম। তিনি জীবনের বড় অংশই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে।
এ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এরপর মওলানা ভাসানী স্মৃতিসৌধ ব্যবস্থাপনা কমিটি, মওলানা ভাসানীর পরিবার, ভক্ত ও অনুসারীবৃন্দ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ ভাসানী), বাংলা ভাষা শিশু সংগঠন, ভাসানী পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও পৃথক পৃথকভাবে পুস্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করা হয়।
পরে ভাসানী পরিষদের আয়োজনে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মাঝে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক দরবার হলে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
প্রতিটি কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিকও সংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ইতিপূর্বে বিএনপি ছাড়াও সংসদ পরিচালিত হয়েছে। সংসদে বিএনপি বিরোধী দলীয় নেতা নয়, জাতীয় পার্টি বিরোধী দলীয় নেতা। কাজেই তারা সংসদে আসলো কি গেলা তাতে কিছু যায় আসে না। সাত এমপি না থাকলে এক বছরে দেশ ভেঙে পড়বে না। দেশ এইভাবে এগিয়ে যাবে। এমনি উপনির্বাচনেও তারা আসে না। তাহলে আমরা তাদের কিভাবে সহযোগিতা করবো। ২০১৮ সালের আগে তারা সংসদে ছিলো না। এটা খুবই দুঃখ জনক।
রবিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, একটি দেশের রাজনীতিতে বিরোধী দল খুবই গুরত্বপূর্ণ। যেমন কেচির দুটি বাহু থাকে। হাটতে দুটো পা লাগে। তেমনি সংসদেও দুটি দল লাগে। তাই বিরোধী দল থাকা দরকার। সেখানে কেউ যদি না থাকে তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। তার পরেও সংসদে জাতীয় পার্টি রয়েছে। ওয়াকার্স পার্টি রয়েছে। বর্তমানে জাতীয় পার্টি বিরোধী দলের ভূমিকায় রয়েছে। বিরোধী দল নেতারা তো বিএনপির নেতারা নয়। তাদের ৫/৭ জনের একটা গ্রুপ ছিলো। সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। উপনেতা হচ্ছেন জিএম কাদের। তাতেই কোন সমস্যা হওয়ার সুযোগ নেই।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতা কর্মীরা বিভিন্ন সময় আন্দোলনের হুমকি দিলেও তা আর বাস্তবায়ন করতে পারেন না। এক সময় বলেন, ঈদের পর আন্দোলন করবেন, আবার বলেন, পূজার পর আন্দোলন করবেন? মুল কথা তারা কখন আন্দোলন করবেন তা তারা নিজেরাও জানেন না। বিএনপি কি চাইলো, কি চাইলো না, সেই অনুযায়ী দেশ চলবে না। দেশ চলবে পবিত্র সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানের বাইরে যাওয়ার জননেত্রী শেখ হাসিনারও কোন সুযোগ বা ক্ষমতা নেই।
তিনি বলেন, তারা আন্দোলনের নামে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারে। রেল লাইন উপড়ে ফেলে। আন্দোলনের নামে সাধারণ মানুষকে হত্যা করে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোটের মাধ্যমে তার জবাব দিবে। আওয়ামী লীগের শক্তি দেশের সাধারণ জনগণ। সাধারণ মানুষই আওয়ামী লীগের মুল হাতিয়ার।
তিনি আও বলেন, ১১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের মানুষের জন্য খুব আনন্দের ও গৌরবের। কারণ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ২৬ মার্চ আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি। দীর্ঘদিন যুদ্ধের পর ১১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল হানাদারমুক্ত হয়। ১৬ ডিসেম্বর দেশ শত্রু ও হানাদার মুক্ত হয়ে বিজয় আসে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরন প্রমুখ।
পরে সন্ধায় কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক জেলা আওয়ামী লীগ ও পৌরসভার উদ্যোগে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে আয়োজিত টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি
হিসেবে বক্তব্যে রাখেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর।
এর আগে টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবসের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পড়ার পাশাপাশি সোনামণিদের হাতে সুন্দর অক্ষর গড়ে দেয়ার একমাত্র প্রতিষ্ঠান হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুলের মেধা রৌপ্য পদক পেল ১৪ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থী।
রবিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় অবস্থিত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পদক প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
পদক প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- তাসনিম জাইফা, মির্জা আরাফ হোসেন বিজয়, ছায়মুনা ইসরাত মানা, আব্দুর রহমান সাদ, ওয়াহিদ খান আবিদ, জান্নাত আরা জুঁই, রাইসা রোজ, মাহমুদুল হক রিহান, আরবি খান, প্রকৃতি ইসলাম, মুয়াজ ইবনে টুটুল, মুসকুরা মাহবুব, সামিউল হক আবদুল্লাহ ও রাফিয়া। প্রতি বছরের মত এবারও এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন হাতেখড়ি স্কুলের চেয়ারম্যান নওশাদ রানা সানভী, প্রশাসনিক প্রধান ফরিদা আক্তার, সিনিয়র শিক্ষিকা তাসলিমা আক্তার ও মিম আক্তার,সঙ্গীত শিক্ষক বিপ্লব কুমার দে, সহকারী শিক্ষিকা রিফা ও রুমা প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নবাগত জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দরের সাথে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা ইউনিট এর নেতৃবৃন্দের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে নবাগত জেলা প্রশাসক বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা টাঙ্গাইল একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা। অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্ম এই টাঙ্গাইলে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও টাঙ্গাইল জেলার উন্নয়নে আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই।
তিনি আরো বলেন, আশাকরি, আমার সকল ভালো কাজগুলোর সাথে আপনারা পাশে থাকবেন। এবং আমার ভুল ও খারাপ দিকগুলো ধরিয়ে দিবেন।’
জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কার্যালয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানার্থে সংরক্ষিত চেয়ারের ব্যবস্থা রাখায় টাঙ্গাইলের বীরের সন্তানদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা ইউনিট এর সভাপতি হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ নবাগত জেলা প্রশাসককে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দসহ এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি সোহেল সোহরাওয়ার্দী, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খন্দকার সজিব রহমান, শাহরিয়ার রাজিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান তাপস, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়লা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস আরা ডায়না, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ আমিনুল ইসলাম মিল্টন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মামুন মিয়া, বাসাইল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শামীমা খান সীমা, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আব্দুল আলীম, যুগ্মআহ্বায়ক হুমায়ূন কবির, সদস্য সচিব রিফাত খান, সদস্য শরিফুল আলম, টাঙ্গাইল শহর শাখার যুগ্মআহ্বায়ক কাজী নুসরাত ইয়াসমিন, সদস্য-সচিব তানিয়া চৌধুরী, সদস্য শিউলি খান সনি, সাদ্দাম হোসেন, হাসান, ইমরুল সরকার প্রমূখ।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের পূর্বে নবাগত জেলা প্রশাসককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপস্থিত টাঙ্গাইল জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানবৃন্দ।