একতার কণ্ঠঃ ১০ ডিসেম্বর ঢাকার গণসমাবেশ সফল করা লক্ষে আয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা শেষে ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার( ২১ নভেম্বর) রাতে মামলা দায়ের করাসহ মঙ্গলবার(২২ নভেম্বর) গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ধনবাড়ী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, নাগরপুর উপজেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ফরিদ আহমেদ, টাঙ্গাইল পৌর বিএনপির ১ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক ও শহর বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শাহীন চৌধুরী, জেলা যুবদল নেতা হেলাল, জেলা ছাত্র দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ, বাসাইলের আমিনুরসহ ৯ নেতাকর্মী।
সোমবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে শহরের বড় কালিবাড়ী রোড়ে অবস্থিত ফুলি কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় এ সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ি কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এড.আহমেদ আযম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির।
জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবালের সঞ্চালনায় এ সময় জেলা বিএনপির ২৩ টি ইউনিট এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, যুবদল, ছাত্রদলসহ এর বিভিন্ন অঙ্গসহযোগি সংগঠণের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রেফতার বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, ১০ ডিসেম্বরের ঢাকার গণসমাবেশ বানচাল করতে সরকারের মদদে এই গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। এ কারণে শান্তিপূর্ণ প্রস্তুতি সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক।
তিনি আরো জানান, এরই জের ধরে নাগরপুর ও কালিহাতীর নেতাকর্মীদেরও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢাকার গণসমাবেশে যাওয়া ফিরিয়ে রাখা যাবে না। টাঙ্গাইল থেকে কমপক্ষে পচিশ হাজার নেতাকর্মী ঢাকার গণসমাবেশে যাবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সোমবার রাতে টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেহানুল ইসলাম বাদি হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেফতারকৃতদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বেড়াডোমা সেতু নির্মাণ কাজে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীসহ তিন প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ওই সেতু নির্মাণে অনিয়ম হচ্ছে এমনটা জানার পরও আইনগত প্রদক্ষেপ না নেওয়ায় টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়রকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
রবিবার (২০ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ পৌর-১ শাখার উপসচিব আব্দুর রহমান স্বাক্ষরিত এসব চিঠি মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে দেওয়া হয়েছে।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী, সহকারী প্রকৌশলী রাজীব গুহ ও উপসহকারী প্রকৌশলী জিন্নাতুল হক।
এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ নামা পাওয়ার ১০ কার্য দিবসের মধ্যে তাদের লিখিতভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগকে জানানোর জন্য বলা হয়েছে।
জানা গেছে, বেড়াডোমা এলাকায় লৌহজং নদীর উপর নির্মাণাধীন সেতু দেবে যায়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীন টাঙ্গাইল পৌরসভা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। আট মিটার প্রস্ত ও ৪০ মিটার দৈর্ঘ সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তবে স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘ব্রিকস্ অ্যান্ড বিল্ডিং লিমিটেড’এবং ‘দ্যা নির্মিতি কে (জেভি)’ নামক দুটি প্রতিষ্ঠান সেতুটি নির্মাণ কাজ পেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় কয়েকজন নেতা।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক জানান, তারা মন্ত্রানালয়ের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চিঠির জবাব দিবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলর মগড়া ইউনিয়নের বাহির শিমুল গ্রামের ধানক্ষেত থেকে এক নারীর মস্তকবিহীন লাশের খন্ডিত কয়েক টুকরো উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার(১৮ নভেম্বর) বিকেল চারটা থেকে শনিবার(১৯ নভেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত একটি হাত, দুইটি পা, বুকের কিছু অংশ এবং পরনের কাপড় উদ্ধার করা হয়। লাশের মাথা ও একটি হাত উদ্ধারের জন্য পুলিশ এখনো ওই এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকেলে খবর পেয়ে ওই এলাকায় ধানক্ষেত থেকে প্রথমে দুটি পা ও একটি হাত উদ্ধার করা হয়। এরপর শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দেহের খন্ডিত বিভিন্ন টুকরা উদ্ধার করা হয়। দেহের বাকি অংশ উদ্ধারে এলাকার ধানক্ষেতগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা অজ্ঞাত ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। এরপর লাশ গুম করার জন্য টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বিএনপির প্রতিটি সমাবেশ প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে সরকার। আগামী ১০ ডিসেম্বর প্রতিহত করার নামে তারা যদি রাস্তায় নামে যে ভাষায় তারা কথা বলবে আমাদের জবাবটাও হবে সেই ভাষায়।
তিনি বলেন, সরকার যার নিয়ত ঠিক নাই, চোরের মন পুলিশ পুলিশ, সে আগে থেকেই খারাপ কিছু ভাবনা মাথায় নিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। পুলিশ বাহিনী, প্রশাসনকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে দলের পক্ষ থেকে তার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এর আগে ছয়টি গণসমাবেশ করেছি। বিএনপি কি ধরনের সমাবেশ করবে শান্তিপূর্ণ কি অশান্তিপূর্ণ সেটা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। এই প্রতিটি সমাবেশে একটি থেকে আরেকটিতে বাধা বিপত্তি চেকপোস্টের পুলিশের হয়রানি গ্রেফতার লাঠিপেটা করা হয়েছে। সর্বশেষ বরিশালে হোটেলেও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আগামী যেসব সমাবেশ হবে তারই সর্বশেষটা হচ্ছে ঢাকায় ১০ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ। এই সমাবেশ অন্যান্য সমাবেশের মতো একটি বিস্ময়কর সমাবেশ হিসেবে হিসেবে আমরা চিহ্নিত করবো এ প্রচেষ্টা আছে।
তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশে নির্বাচন বলতে যেটা বোঝায় সেটা নেই। ২০০৮ সালের নির্বাচন ছিলো সাজানো গোছানো নির্বাচন। ১৪ সালের নির্বাচন কোন নির্বাচন নয়। অপ্রতিদ্বন্দ্বিতার নামে ১৫৩টি আসনে জোর করে তারা ক্ষমতা দখল করে নেয়। ১৮ সালে মধ্যরাতে তারা ক্ষমতা দখল করে।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, জাপানি রাষ্ট্রদূতসহ সারাবিশ্ব এখন বর্তমান সরকার প্রধান, আওয়ামী লীগ তাদের যে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দেশ বিরোধী কর্মকাণ্ড, ভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান সেটা স্পষ্টভাবে তারা বুঝতে পারছে। দেশ এবং বিদেশে একটিই দাবি, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, পাল্টামেন্ট ভেঙে দেওয়া এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশনের অধিনে অবাধ সুষ্ঠ ও স্বচ্ছ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান। সেটি যদি করা সম্ভব হয় তাহলে বাংলাদেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। দুর্নীতিমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
এর আগে, শামসুজ্জামান দুদু বিএনপির পক্ষ থেকে মওলানা ভাসানীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন উপদেষ্টা কবি আব্দুল হাই সিকদার, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ নেতারা।
একতার কণ্ঠঃ বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকে মওলানা ভাসানীর ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে তার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সংস্কৃতিক সংগঠন সহ সর্বস্তরের জনগণ।

এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আগামী নির্বাচন ৫৪ ও ৭০ মতো না হলে দেশের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। আমরা যে চিন্তা নিয়ে, যে ভালবাসা নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম আজকে তার কিছুই নাই। মানুষের স্বাধীনতা এটাকে বলে না। শুধু কথা ও যা কিছু তা বলতে পারলেই স্বাধীনতা নয়। মানুষের স্বাধীনতা হচ্ছে মানুষের মর্যাদাবোধ, মানবিকবোধ ভালবাসা। সবার কাছে আহ্বান জানাবো মানুষকে ভালবাসতে ও সম্মান জানাতে হবে। নাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মান দিতে পারবো না। খুব কষ্ট হয়, যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে তখন জাতির পিতা বঙ্গন্ধু, বিএনপি ক্ষমতায় এলে জাতির পিতা জিয়াউর রহমান, আবার কখনও জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে জাতির পিতা হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদও হতে পারে। আমাদের চিন্তা ভাবনা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
এসময় আগামী ১০ ডিসেম্বর সম্মেলন কে ঘিরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু সাংবাদিকদের বলেন, আগামী যে সব সমাবেশ হবে তারই সর্বশেষ হচ্ছে ঢাকার সমাবেশ। এই সমাবেশ অন্যান সমাবেশের মতোই একটি বিষ্ময়কর সমাবেশ হিসাবে আমরা চিহ্নিত করবো সেই প্রচেষ্টা আছে। যেগুলো বাকী আছে সেগুলো শেষ করার পরে, ভাবার কোন কারণ নেই সরকার,যার নিয়ত ঠিক নাই, চোরের মন পুলিশ পুলিশ, সে আগে থেকেই খারাপ কিছু ভাবনা মাথার ভিতরে নিয়ে দেশ বাসীকে বিভ্রান্তি করছে,প্রশাসনকে বিভ্রান্তি কার চেষ্টা করছে,সেই হিসাবে ১০ তারিখ হচ্ছে আমাদের এই সরকারের বিরুদ্ধে সর্বশেষ গণসমাবেশ,ইতিহাসের বিরল একটি সমাবেশ হিসাবে আমরা সেটা অনুষ্ঠিত করতে চাই।
এসময় সরকারের সমালোচনা করে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী বলেন, আজকে বাংলাদেশের জন্য অত্যান্ত একটা অসম্মান জনক অবস্থা, যখন বিদেশীরা বলেন,এ দেশে রাতের বেলা ব্যালট বক্স পুলিশ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তারা ব্যালট ভর্তি করে ফেলে। এইটা পৃথিবীর অন্য কোন দেশে শুনেন নাই,বাংলাদেশে এটা শুনেছে। এটা কী আমরা অস্বীকার করতে পারি, জাপানের রাষ্ট্রদূত যা শুনেছেন এটা আমরা কেউ শুনি নাই অথবা দেখি নাই? আমরা যারা নির্বাচন করেছি আমরা এটা দেখেছি আমরা শুনেছি যে বাংলাদেশে কিভাবে ২০১৮ সালে ৩০শে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়ার কথা সেই নির্বাচন ২৯ তারিখ রাতে প্রায় প্রত্যেকটি কেন্দ্রে ৫০ ভাগের কাছাকাছি কোথাও কোথাও বেশি ব্যালট স্টাফিন করে বাক্সে ভরে রাখা হয়েছিলো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মওলানা ভাসানীর চেতনা ও বিশ্বাস’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার(১৫ নভেম্বর) সকালে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুস্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডক্টর মো. আক্তারুজ্জামান।
মওলানা ভাসানী রিসার্স সেণ্টারের পরিচালক অধ্যাপক ডক্টর মো. আজিজুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী স্টাডিজের কোর্স টিচার সৈয়দ ইরফানুল বারী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডক্টর মোহা. তৌহিদুল ইসলাম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সেমিনার আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব ডক্টর মো. ইশতিয়াক আহমেদ তালুকদার।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডক্টর মো. মাহবুবুল হক, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডক্টর মো. আনিসুর রহমান, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোছা. নুরজাহান খাতুন প্রমুখ।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে মাদক পাচারের দায়ে চার ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ে দণ্ডিতদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (০৯ নভেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সুরুজ সরকার এ আদেশ দেন।
দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন- ঢাকা মহানগরীর ছোট দিয়াবাড়ী এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে মাহমুদুল হাসান ওরফে পিয়াস, সাভারের বেগুনবাড়ী এলাকার আমজাত আলীর ছেলে খোরশেদ আলম, পাবনা সদর উপজেলার শিবপুর গ্রামের মোশারফ শেখের ছেলে ইকবাল শেখ ও মনোহোরপুর গাছপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম শেখের ছেলে হারুন অর রশিদ শেখ।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম খান জানান, ২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) একটি দল টাঙ্গাইল শহরের বাইপাসের রাবনা মোড়ে দুটি ট্রাকে তল্লাশি চালায়। এ সময় একটি ট্রাক থেকে ৯৮৬ বোতল এবং অপর একটি ট্রাক থেকে ৯৫৭ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
পরে দুই ট্রাকে থাকা চার জনকে আটক করা হয়।
এরপর জিজ্ঞাসাবাদে দণ্ডিত মাহমুদুল হাসান র্যাবকে জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সীমান্ত থেকে তারা এসব ফেনসিডিল সংগ্রহ করেন। পরে দুই ভাগে ভাগ করে দুইটি ট্রাকে লুকিয়ে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।
এ ঘটনায় র্যাবের অতিরিক্ত সহকারি পরিচালক শাহিনুল আলম মিয়া বাদি হয়ে ওই দিনই টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত চার জনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর আব্দুস ছোবাহান (৪২) নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা রেলস্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের সদর উপজেলায় রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের সুপারিন্টেনডেন্ট (চলতি দায়িত্ব) অমল চন্দ্র সরকার।
ঘারিন্দা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার নাজমুল হুদা বকুল জানান, মঙ্গলবার দুপুরে আব্দুস ছোবাহান সদর উপজেলার ঘারিন্দা রেলস্টেশনের বসে ছিলেন।সেখান থেকে উঠে চলে যাওয়ার সময় ঢাকাগামী সিল্ক সিটি ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।
গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আজ জনগণকে সরকার পতনের উস্কানি দিচ্ছে। বিএনপি নেতারা ১৩ বছরে ১৩ মিনিটও আন্দোলন করতে পারেনি। শেখ হাসিনার উদারতায় বেগম জিয়া আজ মুক্ত। আপনারা পারেননি বেগম জিয়ার জন্য একটা মিছিলও করতে।
সোমবার(৭ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে জেলা স্টেডিয়ামে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ১৩ বছরে পারেনি, এখন সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন করবে, বিজয় মিছিল করবে। খালেদা জিয়াকে নিয়ে ১০ ডিসেম্বর নাকি বিজয় মিছিল করবে। তারেক রহমানকে নাকি বিপ্লবের মাধ্যমে হঠাৎ ঢাকায় নিয়ে আসবে। এয়ারপোর্টে দাওয়াত দিচ্ছে। তারেক রহমান মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল আর রাজনীতি করবে না। হারানো ক্ষমতা ফিরে পেতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন চলছে। আসলে কী, হারানো হাওয়া ভবন ফিরে পেতে আজকে আন্দোলন চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা ১০ ডিসেম্বর ডাক দিয়েছে। ঢাকা শহরে যদি আমরা ডাক দেই, বাইরের লোক লাগবে না। শেখ হাসিনা ডাক দিলে লাখ লাখ মানুষ হাজির হবে। আপনি দশ লাখ বলছেন, দশ লাখ করার ক্ষমতা আপনাদের নেই, চট্টগ্রামে প্রমাণ হয়ে গেছে। আমরাই লাখ লাখ লোকের জমায়েত করতে পারব। ঢাকা সিটির অলি-গলিও খালি থাকবে না।’
‘আমরা যদি রাজপথে অবস্থান নেই, ঢাকা শহরে বিএনপি পালাবার পথ পাবে? পালানোর দল আওয়ামী লীগ নয়। পালানোর দল হচ্ছে বিএনপি। খেলার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। বাঁশের লাঠিতে পতাকা বেঁধে রাস্তায় নামবেন, খবর আছে। জাতীয় পতাকা বাঁশের লাঠিতে লাগাবেন, এটা আমরা হতে দেব না,’ তিনি যোগ করেন।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আব্দুস সোবাহান গোলাপ, মির্জা আজম, শামছুন্নাহার চাপা।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেবার ফজলুর রহমান খান ফারুক এবং জোয়াহেরুল ইসলামকে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এবারও সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে তাদের বহাল রাখা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগধারা পত্রিকা’র প্রতিনিধি সম্মেলন ও আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার(৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া ফুডজোন এন্ড পার্টি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
যুগধারা পত্রিকা’র সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি,টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আলোক হেলথ কেয়ার এন্ড ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ লোকমান হোসেন, এফবিসিসিআই পরিচালক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ আবু নাসের, আলোকিত কালিহাতী’র সভাপতি ও দৈনিক যুগধারা পত্রিকা’র নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল আলিম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৈনিক যুগধারা পত্রিকা’র সম্পাদক ও প্রকাশক সরকার হাবিব।
প্রতিনিধি সম্মেলনে সাংবাদিক রশিদ আহাম্মদ আব্বাসী, বার্তা সম্পাদক আরমান কবীর, যুগধারা পত্রিকা’র স্টাফ রিপোর্টার,উপজেলার প্রতিনিধিগণ তাদের নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন।
দুপুরে প্রতিনিধিদের মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘বিএনপি যতোই আন্দোলনের কথা বলুক, আমার দৃঢ় বিশ্বাস বিএনপি একটা পর্যায়ে গিয়ে নির্বাচনে আসবে। সেই পরিস্থিতি আমরা সৃষ্টি করবো ইনশাআল্লাহ।’
শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সকালে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন স্থল টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন কালে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। সোমবার (৭ নভেম্বর) এই স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা বারবার বলছি বাংলাদেশের সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে লেখা আছে যে সরকার ক্ষমতায় থাকবে, সেই সরকারই নির্বাচনের সময় দায়িত্বে থাকবে। আসলে নির্বাচন পরিচালনা করা সরকারের কোন দায়িত্ব নাই, এটির দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। একটা নির্বাচন সুষ্ঠু সুন্দর করার জন্য সংবিধানের ১২৬ এ নির্দেশ দেয়া আছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আইজিপি, সেনাবাহিনীর প্রধান, মন্ত্রী, সচিব সবার দায়িত্ব হবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী চলা। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী দেশ চলবে। কাজেই আওয়ামী লীগ এখানে কোনো বিষয় নয়। একটা আইনের আওতায় নির্বাচন কমিশন করা হয়েছে। বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু সুন্দর ভাবে অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন খুব গুরত্বপূর্ণ। নেতাকর্মীদের মাঝে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে তাতে আমি মনে করি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বটি একটি মহাসমাবেশে পরিণত হবে। এই সম্মেলনটি সারা বাংলাদেশে একটি নতুন উদাহারণ সৃষ্টি করবে।’
এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ফারুক, সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, আহসানুল ইসলাম টিটু, তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক নাহার আহমেদ, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ চাকরি স্থায়ীকরণসহ ১৪ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা।
বুধবার (০৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৯টা থেকে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত উপচার্য অবরুদ্ধ রয়েছেন।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি এসএম মাহফুজুর রহমান জানান, তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারী তিন বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করছেন।
সম্প্রতি ১৫টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ১৫টি পদের বিপরীতে এডহক ভিত্তিতে নিয়োজিত ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হোক।
কিন্তু উপাচার্য এ দাবি মানছেন না। তাই তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে বুধবার সকাল সোয়া ৯টা থেকে ভিসির কার্যালয়ের সামনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
ভিসি প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন জানান, ২০১৯ সালে তৎকালীন ভিসি তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারীকে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে দুই দফায় ১৫টি পদের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ওই ১৫ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এসময় কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তারা ১৫ পদের বিপরীতে ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি তুলেছেন। তারা কোনো লিখিত পরীক্ষা ছাড়া শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের চাকরি স্থায়ী করার দাবিও করছেন। এ দাবিতে বুধবার সকাল থেকে তাকে (ভিসি) অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে কয়েক দফা কথা বলেছেন। কিন্তু তারা তাদের দাবিতে অনড়।
তিনি আরও জানান, আরও সাতটি পদ বাড়াতে তিনি ইউজিসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি পদ বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
তালাবদ্ধ করে রেখে উপচার্যের ব্যক্তিস্বাধীনতা হনন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।