একতার কন্ঠঃ সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ১১ জন জেলেকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দিনব্যাপী জেলার সদর উপজেলা ও কালিহাতি উপজেলায় যমুনা নদীতে ইলিশ মাছ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের এ কারাদণ্ড আদেশ দেওয়া হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার লোকমান মোল্লার ছেলে শফিকুল ইসলাম, আক্তার হোসেনের ছেলে বাদশা, রফিকুলের ছেলে হোসেন ও সোহাগ, আবু সাইদের ছেলে আসলাম, মাজম শেখের ছেলে আশরাফ।
এ ছাড়াও সিরাজগঞ্জের আবু সামার ছেলে আলিম, তুফানের ছেলে গোলাম, ছকেরের মোল্লার ছেলে লতিফ, শাহা আলমের ছেলে আসাদুল ইসলাম ও বোরহান মণ্ডলের ছেলে আসাদুল।
টাঙ্গাইলের মৎস কর্মকর্তা মো. আইয়ুব আলী জানান, অভিযানে জেলেদেরকে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং মা ইলিশসহ হাতেনাতে ধরা হয়েছে। উদ্ধার করা জালের দৈর্ঘ্য প্রায় দশ হাজার মিটার। যার আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ টাকা।
তিনি আরও জানান, মা ইলিশ মাছ সংরক্ষণের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, আটক করা জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। ইলিশ মাছগুলো স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। আর অভিযানে আটকৃত ১১ জেলেকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
অভিযানে কালিহাতি মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্যদের মধ্যে যারা শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন তাদের আগামী ৭ দিনের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় কেউ যদি জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন এমন প্রমাণিত হয় তাহলে তার/ তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
শুক্রবার(২৫ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারার সংশোধন কল্পে আয়োজিত এক বিশেষ সাধারন সভায় এই আহ্বান জানানো হয়।
প্রেসক্লাবের বিশেষ সাধারণ সভায় এই সময়সীমা বেঁধে দেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জৈষ্ঠ্য সাংবাদিক খান মোহাম্মদ খালেদ।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বিধান নূন্যতম গ্র্যাজুয়েট না হলে সদস্য হওয়া যাবেনা। তারপরেও অনেকে গ্র্যাজুয়েট না হয়েও সদস্যপদ চান বা সদস্যপদ লাভ করেছেন। অনেকে জাল সার্টিফিকেটে সদস্য হয়েছেন। এর চাইতে দুর্ভাগ্যজনক আর কিছু হতে পারেনা।
তিনি আরো বলেন, জাল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে যারা সদস্য হয়েছেন তারা নিজের নৈতিকতা বিসর্জন দিয়েছেন। যারা প্রেসক্লাবকে ভুল বুঝিয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দিয়ে সদস্যপদ নিয়েছেন যার যার সম্মান নিয়ে আগামী ৭দিনের মধ্যে সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭৪ জন। এর মধ্যে দুইজন মৃত্যু বরণ করেছেন।বাকি ৭২ জন সদস্যের মধ্যে অন্তত ১১ জন রয়েছেন যারা শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন।
এসব সদস্যরা দেশের প্রথম সারির বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিশেষ প্রতিনিধি ,জেলা প্রতিনিধি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব জাল সনদধারীদের সদস্যপদ বাতিলের জন্যে নানা সময়ে দাবি উঠলেও অজ্ঞাত কারনে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নির্যাতিত ও বঞ্চিত সাংবাদিকসহ জেলায় কর্মরত বিক্ষুদ্ধ সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
এ সময় সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রেসক্লাব এবং প্রেসক্লাবকে সাংবাদিক বান্ধব করতে গঠনতন্ত্রের পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে নানা কর্মসুচি পালন ও আল্টিমেটাম দেয়।
এরই প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের জৈষ্ঠ্য সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র সংস্কারসহ নানা উদ্যোগ গ্রহন করেন। পরে প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদ বিশেষ সাধারন সভা আহবান করা হয়।
এর আগে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান খান আজাদকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, প্রেসক্লাব সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর এবং প্রেসক্লাবের সদস্য ও ডেইলি স্টারের সাংবাদিক মির্জা শাকিল।
গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্যদিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৬ নেতার সদস্যপদ পদ বাতিল করা হয়।
এছাড়াও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থানীয় পত্রিকার দুই সম্পাদকের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার ফলে তাদের মনোনীত আরো দুইজনের সদস্যপদও বাতিল হয়ে যায়।
প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদ্যপ্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ছানোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি খান আহমেদ শুভ ও কার্যকরী সদস্য সুজয় দেব এবং শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি।
এছাড়াও, দৈনিক দেশবাসী পত্রিকার কোটায় সদস্যপদ পাওয়া নিলুফা ইয়াসমিন স্নিগ্ধা, দৈনিক টাঙ্গাইল সময় পত্রিকার মোজাম্মেল হক ও সাপ্তাহিক মৌ বাজার পত্রিকার আশিকুর রহমান পলাশ।
শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় এই বিশেষ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ।
সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক বিমান বিহারী দাস, খান মোহাম্মদ খালেদ, আতাউর রহমান আজাদ, শামসাদুল আখতার শামীম, মাহমুদ কামাল, আবু রায়হান খান, কামনাশীষ শেখর, মির্জা শাকিল, মহব্বত হোসেন, সোহেল তালুকদার প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ অবশেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্যদিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৬ নেতার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর)সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ সাধারন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারার সংশোধন করা হয়।
এছাড়াও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থানীয় পত্রিকার দুই সম্পাদকের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার ফলে তাদের মনোনীত আরো দুইজনের সদস্যপদও বাতিল হয়ে যায়।
এদিকে, সাপ্তাহিক মৌবাজার পত্রিকার সম্পাদক সাত্তার উকিল প্রায় তিন বছর আগে মুত্যুবরণ করায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এ পত্রিকার কোঠায় সদস্যপদ লাভ করা আরো একজনের সদস্যপদ বাতিল হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদ্যপ্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ছানোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি খান আহমেদ শুভ ও কার্যকরী সদস্য সুজয় দেব এবং শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি।
এছাড়াও, দৈনিক দেশবাসী পত্রিকার কোটায় সদস্যপদ পাওয়া নিলুফা ইয়াসমিন স্নিগ্ধা, দৈনিক টাঙ্গাইল সময় পত্রিকার মোজাম্মেল হক ও সাপ্তাহিক মৌ বাজার পত্রিকার আশিকুর রহমান পলাশ।
এই সংশোধনের ফলে প্রেসক্লাব রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠনে পরিনত হবে বলে ধারনা করছেন জেলায় কর্মরত সাংবাদিক ও সচেতনমহল।
জানা গেছে, ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের গত ১৬ বছর ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবকে কার্যত জেলা আওয়ামী লীগের বিকল্প কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ওই সময়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তিন এমপিসহ শীর্ষ ৬ নেতা সদস্যপদ লাভ করেন। সে সময় জেলার টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বানিজ্য, মনোনয়ন বানিজ্য, দলীয় পদ বানিজ্যসহ সকল ধরনের অপকর্মের আস্তানায় পরিনত হয় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব।
গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন এসব অপকর্মের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের নির্যাতিত ও বঞ্চিত সাংবাদিকসহ জেলায় কর্মরত বিক্ষুদ্ধ সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
এ সময় সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রেসক্লাব এবং প্রেসক্লাবকে সাংবাদিক বান্ধব করতে গঠনতন্ত্রের পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে নানা কর্মসুচি পালন ও আল্টিমেটাম দেয়।
এরই প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের জৈষ্ঠ্য সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র সংস্কারসহ নানা উদ্যোগ গ্রহন করেন। পরে প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদ বিশেষ সাধারন সভা আহবান করে।
এর আগে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান খান আজাদকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, প্রেসক্লাব সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর এবং প্রেসক্লাবের সদস্য ও ডেইলি স্টারের সাংবাদিক মির্জা শাকিল।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় এই বিশেষ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন- টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ।
সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক বিমান বিহরী দাস, খান মোহাম্মদ খালেদ, আতাউর রহমান আজাদ, শামসাদুল আখতার শামীম, মাহমুদ কামাল, আবু রায়হান খান, কামনাশীষ শেখর, মির্জা শাকিল, মহব্বত হোসেন, সোহেল তালুকদার প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি রোধ, পণ্যের অবৈধ মজুদ প্রতিরোধ এবং বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অধিনে গঠিত জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে পৌর শহরের সবচেয়ে বড় পাইকার বাজার পার্ক বাজারের পাইকারি ও খুচরা দোকানে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আক্তার।
অভিযানে কয়েকটি দোকানের অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং পণ্য বিক্রির মূল্য তালিকা টানানোর অপরাধে আর্থিক জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও কয়েকটি দোকানের মালিকদের মৌখিক ভাবে সতর্ক করা হয়।
অভিযানে সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার মো. মোহাইমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও বিশেষ টাস্ক ফোর্সের সদস্য সচিব শাহীনুর আলমসহ ছাত্র প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ আগামী ২ নভেম্বর(শনিবার )ঐতিহ্যবাহী পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারন ব্যবসায়ী মালিক সমিতি নির্বাচনে সাধারন সম্পাদক পদে এগিয়ে রয়েছেন বটগাছ প্রতীকে মোঃ মতিয়ার রহমান মতি। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে সাধারন ভোটাদের মাঝে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন।
এবারের নির্বাচনে পরির্বতন প্রত্যাশী এই বাজারের সাধারন ব্যবসায়ীরা আস্থা রাখতে চান ৪০ বছর ধরে ব্যবসা করা এই বাজারের পুরাতন ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান মতির উপর। ফলে নির্বাচনী প্রচারনায় আগ্রহের কেন্দ্রবৃন্দু হয়ে উঠছেন মতি। প্রচার প্রচারনায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন তিনি সাধারন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।
জানাগেছে, আগামী ২ নভেম্বর টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারন ব্যবসায়ী মালিক সমিতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষ্যে গত ১৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।পরে ১৫ নভেম্বর চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।এই নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৯৬৮জন। নির্দলীয় দুটি প্যানেলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন মোট ৫০জন সাধারন ব্যবসায়ী।
এদের মধ্যে মিজান-আকবার-মতি পরিষদের নির্বাচন করছেন মোট ২৫জন। এই প্যানেলে সভাপতি পদে চেয়ার মার্কায় দাড়িয়েছেন আলহাজ মিজানুর রহমান,গরুর গাড়ী মার্কায় সহ-সভাপতি আকবর আলী ও বটগাছ মার্কায় সাধারন সম্পাদক পদে মোঃ মতিয়ার রহমান মতি। তাদের প্রতিদ্বন্দী প্যানেল হচ্ছেন আলম-জাহিদ-আছু পরিষদ।
পাঁচআনী-ছয়আনী বাজারের বেশ কয়েক জন ব্যবসায়ী জানান, প্রতি দুই বছর পরপর নির্বাচন আসে, নির্বাচন চলে যায়। নির্বাচনের আগে প্রতিটি প্রার্থী গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দেয় । নির্বাচিত হওয়ার পর তারা সেই প্রতিশ্রুতি বেমালুম ভূলে যায়।তাই এবার তারা বিগত নির্বাচনে বার বার সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত মোঃ মতিয়ার রহমান মতিকে বটগাছ প্রতীকে সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত করতে চান।
তারা আরো জানান, সাধারন ব্যবসায়ীদের কল্যানে বিগত বছর গুলোতে তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।এছাড়া ছয়আনী বাজারের মূল ভবনটি ১৯৭৮ সালে নির্মানের পর আর কোন ধরনের সংস্কার করা হয়নি।বর্তমান ভবনটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে ঝুকিপুর্ন হয়ে পড়েছে।এছাড়া এই বাজারে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরে। বিগত নির্বাচিত কমিটি গুলো এসব সমস্যা নিয়ে কাজ করেনি।
আমরা আশাবাদী, সাধারন সম্পাদক পদে মোঃ মতিয়ার রহমান মতি নির্বাচিত হলে এই সকল সমস্যা সমাধানের উদ্দ্যোগ গ্রহন করবেন।
এ প্রসঙ্গে মিজান-আকবার-মতি পরিষদের সাধারন সম্পাদক পদ প্রার্থী মোঃ মতিয়ার রহমান মতি জানান, তিনি ৪০ বছর যাবত এই বাজারে ব্যবসা করছেন। তিনি ইতিপুর্বে বারবার সহ-সভাপতি নির্বাতিন হলেও বাজার উন্নয়নে কাজ করতে পারেন নাই। তাই এবার সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচনে দাড়িয়েছি।
আমি নির্বাচিত হলে ছয়আনী বাজারের দশতালা ভবন নির্মান করতে কাজ করবো।সেই ভবনের পাঁচ তলায় সমিতির সভা কক্ষ ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মানের ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহন করবো।
তিনি আরো জানান, সমিতির সাধারন ব্যবসায়ীদের মাঝে জবাবদিহিতা ও সচ্ছতা বজায় রেখে সমিতির কার্যক্রম করবো।বাজারে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যার সমাধন করবো। সমিতির সদস্যদের কল্যান তহবিল গঠনের উদ্যোগ গ্রহন করবো ।
সাধারন মানুষের উদ্দেশ্য জানান,বাজারে প্রতিটি দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে ব্যবস্থা নিবো।
উল্লেখ্য, আগামী ২ নভেম্বর শনিবার টাঙ্গাইল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা হতে বিরতিহীন ভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নগরজফৈ বাইপাস এলাকায় বাস চাপায় দুই মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২১ অক্টোবর)বিকেল সোয়া ৫ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, সোমবার বিকেলে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নগরজফৈ বাইপাস এলাকায় মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী একতা পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন এবং ঢাকায় নেওয়ার পথে আরেকজনের মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান,বাসটি আটক করলেও এর চালক ও সহকারি পলাতক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকের দাফন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় শহরের বেবীস্টান্ড গোরস্থান মসজিদে জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজা নামাজে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন অংশ নিলেও নিজ দলের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।
এর আগে বিকেল সাড়ে তিনটায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকে কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সাধারণ ভাবে দাফনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থতির স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেন।
শনিবার সকালে ফারুকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার বাড়িতে জেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ সমবেদনা জানাতে জড়ো হলেও তার ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ ও নিজ দলের নেতাকর্মীদের দেখা যায়নি। প্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক ও তার ছেলে খান আহমেদ শুভ সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি।
ফারুকের পারিপারিক সূত্র জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ফারুক শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফজলুর রহমান ফারুক ১৯৪৪ সালের ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ওয়ার্শী ইউনিয়নের কহেলা গ্রামে জন্ম নেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ফজলুর রহমান খান ফারুক সাবেক গণপরিষদ সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
১৯৬০ সালে ফারুক ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৬২ সালে টাঙ্গাইল মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৮৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক কালবেলার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা, কেক কাটা মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
সকালে দৈনিক কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান রাসেল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জল।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজামিল শাহীন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, বিএনপি নেতা শাহীন আকন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।
বক্তারা বলেন, দৈনিক কালবেলা পত্রিকা দ্বিতীয় বছর পার করে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করছে। এই অল্প সময়ে পত্রিকাটি মানুষের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বক্তারা নতুন বাংলাদেশে তারুণ্যের স্বপ্নপূরনে দৈনিক কালবেলার পত্রিকার সঙ্গে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি )তানবীর আহম্মেদ সহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থি ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় আইয়ুব আলী (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকালে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আইয়ুব আলী সদর উপজেলার ভবানীপুর পাতুলী এলাকার মৃত নছিম মিয়ার ছেলে। তিনি বিভিন্ন স্থানে নারী সেজে যাত্রাপালায় অভিনয় করতেন বলে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানায়।
পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে নতুন বাসস্ট্যান্ডে এলাকার মাইক্রোবাস্ট্যান্ডের পেছনের পরিত্যক্ত ঘর থেকে গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। ধারনা করা হচ্ছে,রাতে কোনো এক সময় তাকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়।
নিহতের ছেলে অনিক মিয়া বলেন, ‘আমার বাবা শনিবার সন্ধ্যায় কাজের কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। রবিবার সকালে আমার বাবার মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে হাসপাতালে আসি।’
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, ‘নিহতের মুখে আঙ্গুলের ছাপ ছিল। গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যা করার পর তার মরদেহ ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের ১ নং ওয়ার্ডের জেলা সদর লেক থেকে শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে মিজানুর রহমান (৩৪) নামে এক যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত মিজানুর রহমান টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাগমারা এলাকার বাহেজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)তানবীর আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান,শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে জেলা সদরে অবস্থিত টাঙ্গাইল জেলা সৌখিন মৎস শিকারী সমিতির পাশে জেলা সদর লেকে ভাসমান মরদেহ দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশে খবর দেয়।
পরে মাছ শিকারের জন্য ব্যবহৃত কাঠের পাটাতনের গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় থাকা মরদেহটি পুলিশ উদ্ধার করে। এ সময় মরদেহের সাথে থাকা একটি ব্যাগে আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের সঙ্গে যুবকের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ আরো জানান, মিজানুর রহমান (৩৪) নামের ওই যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান,নিহত মিজানুর রহমান টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাগমারা এলাকার বাহেজ উদ্দিনের ছেলে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ওসি আরোও জানান,খবর পেয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টাঙ্গাইল সদর সার্কেল) সোহেল রানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইনা ইউনিয়নের ‘জয় মা’ ক্লাবের উদ্যোগে সার্বজনীন দুর্গোৎসব উদযাপন করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) দুর্গোৎসবের মহা অষ্টমী তিথিতে জয় মা’ ক্লাবের পূজা মণ্ডপে ‘দেবী দুর্গার মর্ত্যে আরোহন, অশূর বধ ও মাতৃধামে ফিরে যাওয়া নিয়ে নাটক মঞ্চস্থ হয়। জয় মা ক্লাবের সদস্যরা এই নাটকে অভিনয় করেন।

এ ছাড়া মন্ডপে চলে পূজা-অর্চনা। ভক্তগণ এসে দেবী দুর্গাকে অর্চনা নিবেদন করেন। ভক্তদের ভিড়ে মুখরিত ছিল পূজা মন্ডপ।
‘জয় মা’ ক্লাবের সভাপতি রামপ্রসাদ সাহার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পলাশ সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দাইনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবু।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ গুণ ঝন্টু, দাইনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, মহিলা সদস্য বিলকিস বেগম , ক্লাবের
কার্যকরী সভাপতি শুভ সাহা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জনি সাহা, সহ-সাধারণ সম্পাদক তাপস সাহা, আকাশ সাহা, স্বাধীন সাহা, কোষাধ্যক্ষ, আবির সাহা, সদস্য অন্তত সাহা,অনিক সাহা,নীবির সাহা প্রমূখ।
উল্লেখ্য,বুধবার ২ অক্টোবর মহালয়ার শুরুর মধ্যে দিয়ে হিন্দু ধর্মালম্বীদের মনে পূজোর ভাব চলে আসছে। দেবী দূর্গা এবার দোলায় চড়ে আগমন করেছেন এবং প্রস্থানও করবেন ঘোটকে চড়ে। আগমন শুভ এবং প্রস্থান এবার অশুভ।
এবার পূজায় প্রার্থনা থাকবে পৃথিবী ও দেশ থাকুক শান্তিময়। ৯ অক্টোবর ষষ্ঠীতে দেবীর দুর্গার বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। আগামী ১৩ অক্টোবর বিজয় দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন ও বিজয়া শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে শেষ হবে এই বর্ণিল উৎসব।
একতার কণ্ঠঃ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য স্থিতিশীল রাখা ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেনে টাঙ্গাইলে বাজার পরিদর্শন করছে জেলা প্রশাসনের দ্রব্যমুল্য পর্যালোচনা তদারকির বিশেষ টাস্কফোর্স টিম।
শুক্রবার (১১অক্টোবর) সকালে শহরের সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার পার্ক বাজারে এই তদারকি শুরু করা হয়।
এসময় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে চাল, ডাল, ডিম, মাছ, মাংস ও মুরগীর বাজার তদারকি করা হয়।এতে মুরগী, ডিম ও মাছের ‘বাজার মুল্যে’ তালিকা টানানো সহ পণ্যের ক্রয়ের রশিদ খতিয়া দেখা হয়।
বাজার তদারকিতে নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও দ্রব্যমুল্য পর্যালোচনা তদারকির বিশেষ টাস্কফোর্সের আহবায়ক মো.জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন টাঙ্গাইল এর সহকারী পরিচালক ও বিশেষ টাস্কফোর্সের সদস্য সচিব সিকদার শাহীনুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও বিশেষ টিমের সদস্য মো.সোহেল রানা, কৃষি কর্মকর্তা ও সদস্য ফারজানা, ক্যাবের জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ও সদস্য মো.আবু জুবায়ের উজ্জল, উপজেলা প্রানী সম্পাদ কর্মকর্তা ও সদস্য মো.মেহেদী হাসান, উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা মো.আইয়ুব আলী, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ মো.মুসা প্রমুখ ।
এছাড়াও ছাত্র প্রতিনিধি ও বিশেষ টাস্কফোর্সের সদস্য মনিরুল ইসলাম ও মো.আল আমিন বাজার পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন।