/ হোম / সদর
৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশী ও বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের জবাব দেয়া হবে: তারেক রহমান - Ekotar Kantho

৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশী ও বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের জবাব দেয়া হবে: তারেক রহমান

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশ এবং দেশের বাইরে অনেক ষড়যন্ত্রকারী রয়েছে। যারা চায় না এদেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক, দেশ রাজনৈতিকভাবে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হোক। আমরা যদি ৩১ দফা সফল করতে পারি, যদি ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি তাহলে তাদেরকে জবাব দেয়া হবে।

বুধবার(১৮ ডিসেম্বর )বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কেন্দ্রিয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে বিএনপি’র ৩১ দফা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় তারেক রহমান আরও বলেন, আমরা তাদের কায়দায় জবাব দেবনা। আমরা আমাদের কায়দায় জবাব দিব। কি সেই কায়দা ? শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যা করতে চেয়েছিলেন সেই কাজগুলো করা। যা আমরা ৩১ দফায় বলেছি। সেই কাজগুলো সফল করার মাধ্যমেই আমরা ষড়যন্ত্রকারী এবং স্বৈরাচারকে জবাব দিতে পারবো। তার জন্যে দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে হবে। এর আগে তিনি ৩১ দফার আলোকে কর্মশালায় অংশগ্রহনকারী নেতাকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রিয় বিএনপি’র শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বিএনপি’র ঢাকা বিভাগীর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটু, বিএনপির সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোরহাব, বিএনপি’র সহ প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার রানু, বিএনপি’র কার্যনির্বাহী সদস্য ওবায়দুল হক নাসির ও বিথিকা বিনতে হোসাইন ও জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।
কর্মশালায় তৃনমুল পর্যায়ে সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহন করে। কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রিয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।পরে দেশ জাতির মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এরপর দিনের মুল কর্মসুচি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ৩১ দফার নানা দিক তুলে ধরেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহবায়ক ড. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:১৬:এএম ২ বছর আগে
অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেটে ঢাকা বিভাগ উত্তরের চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল - Ekotar Kantho

অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেটে ঢাকা বিভাগ উত্তরের চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গেইম ডেভেলপমেন্ট কমিটির আয়োজনে ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-২৫ সিজনে ঢাকা বিভাগ উত্তরের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ দল।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) টাঙ্গাইল শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দল ১১ রানের ব্যবধানে কিশোরগঞ্জ জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই খেলায় ম্যান অব দ্যা ফাইনাল হবার গৌরব অর্জন করে টাঙ্গাইল জেলা দলের বোলার মুনতাসির রহমান।

সকালে টস জয়ী টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দল প্রথমে ব্যাটিং করে ২৯ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান করে। দলের পক্ষে সামিউল আলম ৫০ বলে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করে। এছাড়া আবিদ হোসেন ২২ রান করে।

বোলিংয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রিকেট দলের রোমান ও বাদশা যথাক্রমে ১৮ ও ২৫ রান দিয়ে ৩টি করে উইকেট লাভ করে।

জবাবে কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রিকেট দল- ৪১ওভার ২ বলে ১০ উইকেটে ১২২ রান করে অলআউট হয়। ফলে টাঙ্গাইল জেলা ১১ রানে জয়লাভ করে। কিশোরগঞ্জ জেলা দলের পক্ষে তামিম ভূঁইয়া সাকিব ৭৬ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে। এছাড়া ইমরান মিয়া ও বাদশা দু’জনেই ২১ করে রান করে।

বিজয়ী টাঙ্গাইল জেলা দলের মুনতাসির রহমান ১০ ওভার বল করে ৩৪ রানে বিনিময়ে ৩টি উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়।

খেলায় আম্পায়ার ছিলেন বজলুর রহমান ও আসিফুর রহমান।সাথে স্কোরার ছিলেন ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন।

খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইলের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ শিহাব রায়হান।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ফাহিম শাহরিয়া, জেলা ক্রীড়া অফিসার আফাজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিসার মাছুদ রানা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করে,টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান। ।

উল্লেখ্য,টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার দুই ভেন্যুতে ২টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ৮টি জেলা অংশগ্রহন করেছিলো। টাঙ্গাইল ভেন্যুতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:২৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হচ্ছে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হচ্ছে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ৩১ বার তোপধ্বনী, স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়াসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।

১৬ ডিসেম্বর (সোমবার)সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে রাষ্ট্র, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক শরিফা হক। এরপর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, পৌরসভার পক্ষে প্রশাসক শিহাব রায়হানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও বিভিন্ন সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

সকাল সাড়ে ৯ টায় শহিদ স্মৃতি স্তম্ভে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন জনসেবা চত্বরে বিজয় মেলার উদ্বোধন করা হয় এবং ১০ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া বিজয় দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি’র সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ডিসেম্বর ২০২৪ ০৭:১৩:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মিলছেনা র‌্যাবিস্ ভ্যাকসিন, রোগী ভোগান্তি চরমে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মিলছেনা র‌্যাবিস্ ভ্যাকসিন, রোগী ভোগান্তি চরমে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল হাসপাতালে মিলছেনা সরকারিভাবে দেওয়া বিনামূল্যের র‌্যাবিস্ ভ্যাকসিন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীসহ স্বজনরা। কেউ কেউ একটি বা দুটি বিনামূল্যের ভ্যাকসিনের ডোজ পেলেও গত দুইদিন যাবৎ বন্ধ রয়েছে এর সরবরাহ। রোগীরা ভোগান্তির শিকার হলেও সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্যে ওই ভ্যাকসিন বিক্রির ফায়দা নিচ্ছেন ওষুধ বিক্রেতা। রোগীর চাপ বাড়ায় দায়িত্বরতরা ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকার অজুহাত দিয়ে ওষুধ বিক্রেতাদের মাধ্যমে বাড়তি সুবিধা নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

রবিবার (১৫ ডিসেম্বর)এ চিত্র দেখা গেছে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ ক্লিনিক ভবনে স্থাপনকৃত র‌্যাবিস্ ভ্যাকসিন বিতরণ কক্ষে।

দেখা গেছে, এ ভবন চত্বরে শিশু,নারী ও পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী প্রায় দুই শতাধিক রোগী ও স্বজনদের। বিনামূল্যের ভ্যাকসিন না থাকায় হতাশ আগত রোগী ও স্বজনরা। কেউ কুকুর আবার কেউ বিড়ালে কামড় বা খামচির শিকার। সরকারি বিনামূল্যের ভ্যাকসিন না থাকার সুযোগ নিয়ে বেসরকারি কোম্পানীর ভ্যাকসিন ওই ভবন চত্বরেই বিক্রির কাজ করছেন ওষুধ বিক্রেতার কয়েকজন প্রতিনিধি। চারজনের এক একটি গ্রুপ মিলিয়ে একটি র‌্যাবিস্ ভ্যাকসিন ও চারটি সিরিঞ্জ প্রকাশ্যে বিক্রি করছেন সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য সাড়ে পাঁচশ টাকায়। যদিও ভ্যাকসিনের গায়ে সর্বোচ্চ মূল্য লেখা ৫’শ টাকা আর পাঁচ টাকা মূল্যের এক একটি সিরিঞ্জের দাম নেয়া হচ্ছে ১০ টাকা।

ভুক্তভোগী ফাতেমা জানান, গত ১১ ডিসেম্বর আমার দুই বছরের বাচ্চাকে বিড়ালে খামচি দেয়। ১২ ডিসেম্বর এখান থেকে বিনামূল্যে প্রথম ডোজটি দিয়েছি। এভাবে তিনটি ডোজ দেয়ার তারিখ লিখে দেন কর্তব্যরত নার্স। রবিবার আমার বাচ্চার দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার দিন। এসে শুনি সরকারি ভ্যাকসিন নাই। বাধ্য হয়ে জনপ্রতি ১৩৫ টাকা ভাগ করে দিয়ে একটি ভ্যাকসিন কিনে আমরা চারজনের বাচ্চাকে দিয়েছি। সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যের ভ্যাকসিন নেই এটা কি বিশ্বাসযোগ্য।

রুবী আক্তার নামের এক রোগীর স্বজন জানান, দুটি ডোজ বিনামূল্যে পেয়েছি। আজকে এসে শুনি ভ্যাকসিন নেই, তাই বাধ্য হয়ে এখানে থাকা এক ওষুধ বিক্রেতার কাছ থেকে কিনে বাচ্চাকে শেষ ভ্যাকসিনটি দিতে হলো। সরকারি ভ্যাকসিন হঠাৎ উধাও হলো, নাকি বাড়তি সুবিধা নিতে দায়িত্বরতরা না থাকার এই অজুহাত সাজিয়েছেন।

দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স আমিনুল ইসলাম জানান, বরাদ্দকৃত সরকারি ভ্যাকসিন শেষ হওয়ায় রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। ভবনের বাইরে যে ভ্যাকসিন বিক্রি করছে সে আমাদের কেউ নন। তাকে এই ভবন চত্বরে ভ্যাকসিন বিক্রির অনুমতি না দেয়াসহ কোন বাড়তি সুবিধা তারা নিচ্ছেননা বলে দাবি করেছেন তিনি। দালাল আর বহিরাগত ওষুধ বিক্রেতাদের বিষয়ে আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, এরআগে কয়েক দফায় পুলিশের হাতে আটকও হয়েছে তারা।

অপর দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স রিজিয়া জানান,এ বছর রোগীর সংখ্যা অনেক বেশী হওয়ায় সরবরাহকৃত ভ্যাকসিন সময়ের আগেই শেষ হয়েছে। কর্তৃপক্ষকে ভ্যাকসিনের চাহিদা দেয়া হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সরকারি ভ্যাকসিন পেয়ে যাবো।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার(আরএমও)ডা. মো. আলমগীর হোসেন বলেন,চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় র‌্যাবিস্ ভ্যাকসিন বিতরণে সমস্যা হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে আমরা যে পরিমানের চাহিদা দিই, সেই পরিমানের ভ্যাকসিন আসেনা। সরকারি ভ্যাকসিন আসলেই এ সমস্যার সমাধান হবে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের ভিতরে দালাল বা বাইরের ওষুধ বিক্রেতাদের বিক্রির সুযোগ নেই। এরপরও যদি কেউ কেউ বিক্রি করে থাকেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ডিসেম্বর ২০২৪ ০২:১৫:এএম ২ বছর আগে
মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ১৪৪তম জন্মবার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ১৪৪তম জন্মবার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪৪তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে মওলানা ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

পুষ্পস্তবক অর্পণকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ডক্টর ফজলুল করিম, প্রক্টর প্রফেসর ডক্টর ইমাম হোসেন, লাইব্রেরিয়ান প্রফেসর ডক্টর আবু জুবাইর, রেজিস্ট্রার ডক্টর মোহা. তৌহিদুল ইসলাম, ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচিতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মওলানা ভাসানীর পরিবার, মওলানা ভাসানী স্মৃতিসৌধ ব্যবস্থাপনা কমিটি, বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, ভাসানী পরিষদ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ ভাসানী) ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পৃথক-পৃথক ভাবে অংশগ্রহন করে।

এদিন মওলানা ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গনে ভাসানী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে আলোচনা সভা এবং বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:৫০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলার আসামী সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের জামিন নামঞ্জুর করেছে আদালত।

বুধবার(১১ ডিসেম্বর )বিকালে মির্জাপুর আমলী আদালতের বিচারক সোহেল ম্রোং এ রায় দেন।

এরআগে বিকেলে সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাককে আদালত চত্বরে আনা হলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে। পরে প্রিজন ভ্যান থেকে তাকে আদালতের ভিতরে না নিয়ে কারাগারে ফেরত নেওয়া সময় শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ জানায়। এসময় প্রিজন ভ্যানে থাকা সাবেক মন্ত্রীকে লক্ষ করে ডিম ছুড়ে মারে শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে প্রিজন ভ্যানের গতিরোধ করার চেষ্টা করে শিক্ষার্থীরা। এসময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এসময়ে শিক্ষার্থীদের উপর লাঠি চার্জ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, লাঠি চার্জ করা পুলিশকে এক ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্ত না করলে বড় পরিসরে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক একাধিক মামলার আসামী। মির্জাপুরে ইমন হত্যা মামলায় তাকে বুধবার আদালতে হাজির করার তারিখ ধার্য করা ছিল। এ মামলায় তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করেন।

তিনি আরও জানান,এছাড়াও নিরাপত্তা জনিত কারণে তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। আদালত চত্বর থেকেই তাকে ফেরত নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ডিসেম্বর ২০২৪ ০৩:৫৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা দলের র‍্যালি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা দলের র‍্যালি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বিজয় র‍্যালি করেছে টাঙ্গাইল জেলা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।

বুধবার(১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২ টায় শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে বিজয় র‍্যালিটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সভাপতি এডভোকেট খালেক মন্ডলের নেতৃত্বে বিজয় র‍্যালি ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন,জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন,জেলা বিএনপি’র বর্তমান সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সহ-সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু,জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, জেলা যুবদলের আহবায়ক রাশেদুজ্জামান রাশেদ, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক দুর্জয় হোড় শুভ প্রমূখ।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিগত ১৫ বৎসরে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে দলীয় করনের মাধ্যমে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করেছে। আমরা বর্তমান সরকার কাছে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিচার এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।

এই বিজয় র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।

দিনটি উপলক্ষে জেলা বিএনপি দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. ডিসেম্বর ২০২৪ ০৭:৫৬:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর, সম্পাদক মওলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর, সম্পাদক মওলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যকরি পরিষদের নির্বাচনে এডভোকেট জাফর আহমেদ (যুগান্তর) সভাপতি ও কাজী জাকেরুল মওলা (সাপ্তাহিক প্রযুক্তি) সাধারণ সম্পাদক বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছে।

অন্যান্য নির্বাচিতরা হচ্ছেন, সহ-সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশ প্রতিদিন) ও সাহাব উদ্দিন মানিক (ফিনানসিয়াল এক্সপ্রেস)। যুগ্ম-সম্পাদক কাজী তাজউদ্দিন রিপন (একুশে টেলিভিশন) ও ইফতেখারুল অনুপম (জনকণ্ঠ)। কোষাধ্যক্ষ পদে আব্দুর রহিম (সমকাল), সাহিত্য ও সাংস্কৃতি সম্পাদক হেমায়েত হোসেন হিমু (সময় তরঙ্গ), ক্রীড়া সম্পাদক মালেক আদনান (নয়া দিগন্ত), দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ (বিজনেস পোস্ট)।

কার্যকরি সদস্য শামীম আল মামুন (যমুনা টেলিভিশন), খন্দকার মাসুদুল আলম (মজলুমের কণ্ঠ), খন্দকার হাবিবুল্লাহ কামাল (বাংলা টিভি), সোহেল তালুকদার (ডিবিসি টেলিভিশন), শামসুজ্জামান (কালের স্বর)।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান টাঙ্গাইলের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, গত ৬ ডিসেম্বর কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র বিক্রয় করা হয়। ৭ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র দাখিল করা হয়। প্রতি পদে একজন করে প্রার্থী হওয়ায় এবং মনোনয়ন বাছাই শেষে কোন প্রার্থী প্রত্যাহার না করায় সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়।

এ নির্বাচনে অন্য দুই কমিশনার হলেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম জহির ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান স্বপন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:৪৪:এএম ২ বছর আগে
স্বৈরাচারের বিদায় হলেও ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা বিরাজমান - Ekotar Kantho

স্বৈরাচারের বিদায় হলেও ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা বিরাজমান

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিএনপি’র পরিচয়েই আমরা বেঁচে থাকতে চাই। বিগত দিনে ১৭টি বছর আমরা অনেকেই নির্যাতিত, নিপীড়িত হয়েছি। আজকে সেই নির্যাতিত নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতাকালীন একটি দল থাকে, কিন্তু কর্মীরা সারাজীবন দলের সাথে সম্পৃক্ত থাকে। স্বৈরাচারের বিদায় হলেও ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা এখনো বাংলাদেশে বিরাজমান।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শামছুল হকের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে স্বৈরাচারের বিদায় হয়েছে, ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়েছে; কিন্তু সেই ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা এখনো বাংলাদেশে বিরাজমান। কাজেই তারা সুযোগ খুঁজছে আমাদের মাঝখান থেকেই ঢুকে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। অনেকেই মনে করতে পারেন, দল ভারি করার জন্য পাশে কাউকে আশ্রয় দিয়ে দল ভারি করবেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শকে বুকে ধারণ করে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল হয়ে আমরা জাতীয়তাবাদী দলের কর্মী। এটাই হচ্ছে আমাদের বড় পরিচয়। এ পরিচয় নিয়েই আমরা গর্ববোধ করি এবং পথ চলতে চাই।

সকল নেতাকর্মীকে উদ্দেশ্য করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলব আগামী দিনে। কারণ গণতন্ত্রের যে বিজয়, সেই পরিপূর্ণ বিজয় অর্জন করতে এখনো আমরা সক্ষম হইনি। একটি পথ আমরা অতিক্রম করেছি, ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে, ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নাই।

শামছুল হক স্মৃতি সংসদের সভাপতি শ্যামল হোড়ের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, মরহুম শামসুল হকের জ্যেষ্ঠপুত্র ও জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমূখ।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদুল হক সাদু, সাবেক সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী প্রমুখ।

এ সময় বিএনপিসহ এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৪ ০৩:২০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সকল ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সকল ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ সম্প্রীতির ঐকতানে গাহি সাম্যের গান’ এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে টাঙ্গাইল জেলার সকল ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে সম্প্রীতি শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা পুলিশের আয়োজনে জেলা সদর হেলিপ্যাড চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুলিশ লাইনস মাল্টিপারপাসে গিয়ে শেষ হয়।

পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিন, টাঙ্গাইল ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন, জেলা হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক রমেশ চন্দ্র সরকার, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাধন চন্দ্র চক্রবর্তী, জেলা পুজা উদযাপন কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চিত্ত রঞ্জন সরকার, সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার গুণ ঝন্টু, টাঙ্গাইল জেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জন জেৎরা, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ বোর্ডের ট্রাস্টি শ্যামল হোড় প্রমুখ।

এই সম্প্রীতি সমাবেশে জেলার বিভিন্ন ধর্মের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে সকল ধর্মের মানুষদের নিয়ে পুলিশ লাইনের ভিতরে সম্প্রতির বৃক্ষরোপণ করা হয়। শেষে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:৪৩:এএম ২ বছর আগে
ত্রিপুরায় উপ-হাইকমিশনার কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল - Ekotar Kantho

ত্রিপুরায় উপ-হাইকমিশনার কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল

একতার কণ্ঠঃ ভারতের আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনারের মৌলবাদী হিন্দুদের হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার(৩ ডিসেম্বর )সন্ধ্যায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার ব্যানারে শহরের শহীদ মিনার চত্বর থেকে মশাল মিছিলটি শুরু করা হয়। পরে এটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, ছাত্র প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম, আল আমিন, ফাতেমা রহমান বিথি, আল আমিন সিয়াম, আবু আহমেদ শেরশাহসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা‌র আয়োজন করা হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, আগরতলায় হাইকমিশনে হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আমরা ভারতের আধিপত্য মেনে নেব না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. ডিসেম্বর ২০২৪ ০৮:১৫:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রাস্তার জায়গা দখল ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রাস্তার জায়গা দখল ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কলেজ পাড়ায় চলাচলের রাস্তার জায়গা দখল চেষ্টা ও হয়রানিমুলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মইনুল রহমান জুয়েলের স্ত্রী সালমা আক্তার। তিনি বলেন, আমরা টাঙ্গাইল পৌর সভার ৬নং ওয়ার্ডের কলেজ পাড়া ও প্যাড়াডাইস পাড়ার বাসিন্দা। আমাদের বাসায় যাতায়াতের জন্য দীর্ঘ দিনের ১০ শতাংশ রাস্তাটি জেলা প্রশাসক ভূমি প্রজ্ঞাপন আকারে বরাদ্দ প্রদান করেছেন। যাহা টাঙ্গাইল পৌর সভার রেকর্ড ও নকশাকৃত। এমতাবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতিবেশী এডভোকেট আলী ইমাম তপন ও তার ভাই আলী আযম রিপন উক্ত ভূমি জোর পূর্বক দখল করতে আসলে আমার স্বামী মইনুল রহমান জুয়েল ও প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন শহীদসহ এলাকাবাসী বাধা প্রদান করে। এই কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে টাঙ্গাইল রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা এডভোকেট আলী ইমাম তপন গত ১৯ নভেম্বর রিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে মারামারি, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আমার স্বামী মইনুল রহমান জুয়েল, প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন শহীদসহ এলাকার বড় ভাই মাই টিভির জেলা প্রতিনিধি মির্জা মাসুদ রুবলকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যাহা টাঙ্গাইল সদর থানার মামলায় নং- সি আর ২৭১২/ ২৪। এই মামলায় আমার স্বামী মইনুল রহমান জুয়েল ৯নং আসামি ও প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন শহীদকে ১০নং আসামি করা হয়েছে। একই ঘটনায় রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গত ২১ নভেম্বর আরও একটি মামলা দায়ের করেন। যাহা আদালতে ৩৮৮/২৪ জি আর মোকাদ্দমা হিসেবে চলমান আছে। উক্ত রাস্তাটি পাকা করন ও ড্রেনের টেন্ডার আহ্বান করার কারনে টাঙ্গাইল পৌর সভার সাবেক মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীরকে মামলার ১নং আসামি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আমরা এই মিথ্যা মামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে আমার স্বামী মইনুল রহমান জুয়েল, প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন শহীদ ও মাই টিভির জেলা প্রতিনিধি মির্জা মাসুদ রুবল এর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মাই টিভির জেলা প্রতিনিধি মির্জা মাসুদ রুবলের স্ত্রী আশরাফুন্নাহার রোজি বলেন, রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার সময় সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আমার স্বামী। তাকে কেন এই মামলায় ২৩ নাম্বার আসামি করা হয়েছে, এটা আমার বোধগম্য নয়। আমি অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, আনোয়ার হোসেন শহীদের স্ত্রী শামসুন্নাহার আক্তার, হাবিবা আক্তার, মাহবুবা বেগম, সাজেদা বেগম, সুরাইয়া বিনতে আনোয়ার প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. ডিসেম্বর ২০২৪ ০৭:১৫:পিএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।