/ হোম / সদর
টাঙ্গাইলে সাদপন্থিদের ইজতেমা শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাদপন্থিদের ইজতেমা শুরু

একতার কণ্ঠঃ সাদপন্থিদের টাঙ্গাইলে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা শুরু হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এ ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর মাওলানা সৈয়দ আনিসুজ্জামানের আমবয়ানের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী তাবলিগ জামাতের জেলা ইজতেমা শুরু হয়।

জুমার নামাজে ইমামতি করেন টাঙ্গাইলের মহেড়া পিটিসি মসজিদের মুফতি নিজাম উদ্দিন বকশি। জুমার নামাজ শেষে কাকরাইল মসজিদের মুরব্বি মাওলানা আরিফুর রহমান বয়ান করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়াম মাঠজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল বানানো হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা কয়েক হাজার মুসল্লি সেখানে অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার জন্য সেখানে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

মুসল্লি রাসেল আহমেদ বলেন, এবারের ইজতেমাটা অনেক ভালো হবে। অনেক বড় জামাত হয়েছে। একসঙ্গে হাজারো মানুষ নামাজ আদায় করেছে। আমিও এই জায়গায় ভাগিদার হতে এসেছি। আমরা কোনো গ্রুপিং চাই না। সবাই মিলে দিনের কাজ করতে চাই।
আরেক মুসল্লি জাহিদ মিয়া বলেন, শুক্রবার ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শুরু হয়েছে। এক দিন আগেই আমরা ময়দানে চলে এসেছি। ময়দানে এসে খুবই ভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজেকে।

ইজতেমা পরিচালনা কমিটির সদস্য শামীমুল ইসলাম জানান, ইজতেমায় তাবলিগের মূল শিক্ষা, দাওয়াত ও তওবার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। জেলার ১২ উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসল্লিরা এসেছেন।

এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে নয়জনের একটি দল ইজতেমায় অংশ নিয়েছে। জুমার নামাজে প্রায় ১৫ হাজার মুসুল্লি অংশ নেন। আগামী রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শেষ হবে।

এদিকে সাদপন্থিদের ইজতেমাকে পণ্ড করার জন্য শুক্রবার বিকেলে শহরের নিরালা মোড় এলাকায় যোবায়েরপন্থির অনুসারীরা সমবেত হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ বলেন, জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে তাদের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তার জন্য কোনো পুলিশ সদস্যও মোতায়েন করা হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২৪ ০৪:৩৩:এএম ২ বছর আগে
বসতভিটায় হামাগুড়ি দিয়ে যাতায়াত; ২৮ বছর ধরে দুর্ভোগে অর্ধশত পরিবার - Ekotar Kantho

বসতভিটায় হামাগুড়ি দিয়ে যাতায়াত; ২৮ বছর ধরে দুর্ভোগে অর্ধশত পরিবার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে হামাগুড়ি দিয়ে নিজ বসতভিটায় পৌঁছাতে হচ্ছে অর্ধশত পরিবারের সদস্যদের। এমন অমানবিক কষ্ট দীর্ঘ ২৮ বছর যাবত পোহাতে হচ্ছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আওতাধীন করটিয়া ইউনিয়নের নগর জলফৈ গ্রামের উপজেলা সংলগ্ন প্রায় অর্ধশত পরিবারের।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এখানকার মানুষের বাপ-দাদার বসতভিটেতে মন চাইলেই মাথা উচু করে যাতায়াত করার কোন উপায় নাই। বাড়িতে চলাচলের একমাত্র উপায় হচ্ছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পরিষদের বাউন্ডারি ওয়ালের নীচ দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে। দীর্ঘ ২৮ বছরেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারেনি উপজেলা প্রশাসন এবং ইউনিয়ন পরিষদ।

দীর্ঘদিনের এ দূর্ভোগ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আব্দুল বাতেন খান মনা বলেন, আমরা দীর্ঘ ২৮ বছর যাবত এ ধরনের অমানবিক এবং মানবেতর জীবনযাপন করে আসছি। সদর উপজেলার বাউন্ডারির নীচের মাটি একটু সরিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে বাড়িতে যেতে হচ্ছেএখানে বসবাসরত নারী পুরুষ সকলের।

তিনি আরও বলেন, এখানে আমরা প্রায় ৫০ টি পরিবার রয়েছি। এখানে আমাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি। বাড়িতে যাতায়াত করার একটি ছোট রাস্তাও না থাকাতে আমাদের সীমাহীন কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই। বিশেষ করে পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের জন্য উপজেলার বাউন্ডারি জন্য নিচু হয়ে পাড়াপাড় হওয়া কষ্ট সাধ্য হয়ে যায়। আমরা দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

এ বিষয়ে আরেক ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য অরিন খান বলেন, আমাদের এই দূর্ভোগ দেখার কেউ নাই। বিগত বছর গুলোতে কয়েক দফা টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে রাস্তাটির সমস্যা লাঘবের জন্য লিখিত আবেদন দিয়েও কোন কাজ হয়নি। বিগত দিনে উনারা বহুবার আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সমাধান করে দিবেন রাস্তার কাজের একটু অগ্রগতিও হয়েছে কিন্তু কোন এক অজানা কারনে বারবার কাজ থেমে যায়। আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান মজনুকে বার বার অবহিত করার পরেও কোন প্রতিকার পাইনি। আমাদের এই দূর্ভোগ দেখার কেউ নাই। এখানে বসবাসরত পরিবারগুলোর কোনো সদস্য মারা গেলেও মৃত দেহটিও উপজেলার বাউন্ডারির নীচ দিয়ে হামাগুড়ি দিয়েই বের করতে হয়। এর চাইতে বেদনাদায়ক আর কি হতে পারে বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা প্রশাসনের কাছে রাস্তা নির্মানের জন্য উপজেলা কর্তৃক বরাদ্দকৃত জায়গা পুনরায় পরিমাপ করে বুঝিয়ে দিয়ে আমাদের রাস্তা নির্মানে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু বলেন, আমার পক্ষ থেকে আমি রাস্তা দেয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি। এখনো যদি আমাকে এ বিষয়ে প্রয়োজন হয় আমি অবশ্যই ভুক্তভোগীদের পাশে থাকবো।

এদিকে সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন শরীফ বলেন, আমি এখন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব পালন করছি। যতটুকু শুনতে পারলাম বিষয়টি দু:ক্ষজনক। সদর উপজেলায় নতুন ইউএনও খুব শীগ্রই বসবেন। আশা করি, উনি এর সমাধান করবেন। আমার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ন্যায়সঙ্গতভাবে কিছু করার থাকলে আমি অবশ্যই করবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২৪ ০২:৪৭:এএম ২ বছর আগে
আমাদের সবার উচিত পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা:পরিবেশ উপদেষ্টা - Ekotar Kantho

আমাদের সবার উচিত পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা:পরিবেশ উপদেষ্টা

একতার কণ্ঠঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্রাকৃতিক বনে কিসের সামাজিক বনায়ন, প্রাকৃতিক বনে বন থাকবে। আপনি যদি সামাজিক বনায়ন করেন, তাহলে চুক্তি স্বাক্ষর করেন উপকারভোগীদের সঙ্গে। এরপর সামাজিক বনায়নের গাছগুলো কেটে উপকারভোগীদের মধ্যে টাকা পয়সা বিতরণ করে দেন। বনবিভাগের প্রাথমিক দায়িত্ব টাকা পয়সা বিতরণ করা না। তাদের দায়িত্ব হচ্ছে প্রাকৃতিক বনকে রক্ষা করা। প্রাকৃতিক বনে আর কোনও সামাজিক বনায়ন হবে না।

বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরে ব্যুরো বাংলাদেশ মিলনায়তনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিদ্যুৎ অপচয় রোধে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন দিনের বেলায় সব লাইট বন্ধ করে দিয়েছি। এই বিদ্যুৎ কোথা থেকে উৎপাদন হয়, কীভাবে হয় তা জানতে হবে। আমরা কেন দিনের বেলায় বিদ্যুৎ অপচয় করব। প্রাকৃতিক আলো থাকার পরেও কেন দিনের বেলায় লাইট জ্বালিয়ে প্রোগ্রাম করব।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আরো বলেন, ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী উদ্ধার করা যাচ্ছে না। নদীর নিচে তিন থেকে চার স্তরের পলিথিন পড়ে আছে। এ কারণে সেখানে ড্রেজিং করা সম্ভব না। তাই আমাদের সবার উচিত পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা।

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা করা সবাই দায়িত্ব, কারো একার নয়। ক্ষতিকর প্লাষ্টিক বর্জনের পাশাপাশি প্লাস্ট্রিকের উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। নতুন করে কেউ যেন প্লাস্টিক তৈরি ব্যবস্থাপনায় না যায় সে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্লাস্ট্রিকের জীবাশ্ম পুড়িয়ে রোধ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ইটভাটার মাটি কোথা থেকে আসে তার সঠিক তথ্য জানানো এবং পোড়ানো ইট নতুন করে পোড়ানো যাবে না। এক্ষেত্রে অনিয়মকারীদের নিবন্ধন বাতিল করা হবে।

ব্যুরো বাংলাদেশের এইচআরডি অ্যান্ড আইসিটি ডিরেক্টর অপারেশনস ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ফারমিনা হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শহীদুল হক, আসপাড়া পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক লায়ন এম এ রশীদ, রিভারাইন পিপলের মহাসচিব শেখ রোকন, সবুজ পৃথিবীর নির্বাহী পরিচালক সহিদ মাহমুদ প্রমুখ।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. নভেম্বর ২০২৪ ০৩:৫০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্বামী উজ্জ্বল হোসেন ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

উজ্জ্বল হোসেনকে সাত বছরে কারাদণ্ড এবং সেলিনা আক্তারকে পাঁচ বছরে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।এছাড়া উভয়কে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাসহ অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ মো. নাজিমুদৌলা এই রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আগবেথৈর গ্রামের নাজিমুদ্দিনের ছেলে মো. উজ্জ্বল হোসেন (৩৭) ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (২৭)।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আগবেথৈর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা বিক্রির সময় উজ্জ্বল ও তার স্ত্রী সেলিনাকে গ্রেপ্তার করে।
এসময় উজ্জলের দেহ তল্লাশি করে ২০০ এবং সেলিনার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ হয়। পরদিন টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হামজা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে ৭ মার্চ উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার মোল্লা তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বুধবার এ রায় দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে উজ্জ্বল হোসেন কারাগারে থাকলেও স্ত্রী সেলিনা জামিনে বের হয়ে পলাতক রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. নভেম্বর ২০২৪ ১২:৫৩:এএম ২ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট।

সোমবার(৫ নভেম্বর )বিকেলে শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে এ খেলার আয়োজন করা হয়।

শুরুতেই বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে খেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল আজীম আখন্দ।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মো: মাহফুজ রেজার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: ইকবাল মাহমুদ প্রমুখ।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডিনবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী খেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং দল ও কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং দল অংশগ্রহণ করেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা খেলাটি উপভোগ করেন।

উল্লেখ্য, এ টুর্নামেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে, যা তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব ও ক্রীড়াসম্মত দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. নভেম্বর ২০২৪ ০১:১৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ২ নারীসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ২ নারীসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ: বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশন এলাকা থেকে সোমবার (৪ নভেম্বর) ভোরে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা মূল্যের বিক্রি নিষিদ্ধ ফেনসিডিলসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)।

এছাড়া, টাঙ্গাইল শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজপাড়ায় রবিবার (৩ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ দুই নারী বিক্রেতাকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৪) সিপিসি-৩

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) একটি দল বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সেতুপূর্ব রেল স্টেশন এলাকায় সোমবার ভোর ৪টার দিকে অভিযান চালায়। অভিযানে একটি কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৩৫০ বোতল বিক্রি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে। এসময় গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ফরহাদ মোল্লার ছেলে মো. চঞ্চল মোল্লা (২৭) ও একই উপজেলার অশ্বীনি কান্ত রায়ের ছেলে খিতিশ চন্দ্র রায়(৩৭)। দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন- লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার রহিম (৪২) ও রংপুর জেলার শামীম (৪৫)।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) অফিসার ইনচার্জ(ওসি )এবিএমএস দোহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনির হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের সেতুপূর্ব রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় কাভার্ডভ্যানে মাদকদ্রব্য পরিবহণকালে ৩৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ উল্লিখিত দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান,অন্য দুজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় মাদকদ্রব্য। নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অপরদিকে, টাঙ্গাইল শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজপাড়ায় রবিবার (৩ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ দুই বিক্রেতাকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৪)। র‌্যাব-১৪ সোমবার দুপুরে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আটক হেরোইন বিক্রেতারা হচ্ছেন- টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দুল্লা গ্রামের মো. ফরহাদ মিয়ার স্ত্রী শাহিদা আক্তার (৩৬) ও একই এলাকার মো. লিটন মিয়ার স্ত্রী রিতা বেগম ওরফে বানু (৩৮)।

র‌্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই চৌধুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একদল র‌্যাব শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়ার জনৈক রফিক ওসির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ উল্লিখিত দুই নারী বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরও জানান, অভিযানকালে তাদের কাছে থাকা নগদ দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা, তিনটি অ্যান্ড্রয়েড ও চারটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করে। গ্রেপ্তারকৃতদের টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. নভেম্বর ২০২৪ ০১:৪৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার:৬ ব্যবসায়িকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার:৬ ব্যবসায়িকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষ বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার করায় ৬ ব্যবসায়িকে ১৬ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা ও ৪৪ কেজি পলিথিন জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (৩ নভেম্বর)দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার ও মোহাইমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক তুহিন আলম, সদর উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর ও খাদ্য পরিদর্শক সাহেদা বেগমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার জানান, নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার ও মূল্য তালিকা না থাকায় ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে মনোরঞ্জন ও মো. আলমগীরকে ৫ হাজার টাকা করে, মো. আলিম, দীপক ও মো. রানাকে ২ হাজার টাকা করে এবং দীপককে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ভোক্তাঅধিকার ও পরিবেশ আইনে এদের জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান,অন্য ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের সতর্ক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২৪ ১২:০১:এএম ২ বছর আগে
আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর সাবেক মেয়র মুক্তি আটক - Ekotar Kantho

আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর সাবেক মেয়র মুক্তি আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খানকে (মুক্তি) আটক করেছে পুলিশ। আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর)বিকেলে তাঁকে আটক করা হয়।

বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সহিদুর রহমান খানকে টাঙ্গাইল সদর থানায় নেওয়া হয়।

পরে এবছর ১ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের সন্তোষে ভিপি নূরের উপর হামলার ঘটনায় দায়ের কৃত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় মেয়র মুক্তিকে। টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মদ বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সহিদুর রহমান খান টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খানের ভাই।

আদালত সূত্র জানায়, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সহিদুর রহমান গত ২২ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত থেকে জামিন পান। পরে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আজ মামলার ধার্য তারিখে তিনি অ্যাম্বুলেন্সে আদালতে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, হাজিরা শেষে দুপুর ১২টার দিকে হুইলচেয়ারে করে আদালত কক্ষ থেকে তাঁকে বের করা হয়। এ সময় আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়। পুলিশ আগেই সহিদুরকে বহন করে আনা অ্যাম্বুলেন্সটি আদালত ভবনের সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। পরে সহিদুর আবার আদালতকক্ষে ফিরে যান। বেলা সোয়া তিনটার দিকে তিনি আবার হুইলচেয়ারে আদালতকক্ষ থেকে বের হন। আদালত চত্বর থেকে বাইরে আসার পর সদর থানা-পুলিশের একটি দল ঘিরে ধরে পুলিশের আনামাইক্রোবাসে উঠতে বলে। সহিদুর গ্রেপ্তার করা হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে পুলিশ তাঁকে আটকের কথা জানায়। কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে জিজ্ঞাসা করলে ওসি তানভীর তাঁকে বলেন, ‘আমাদের সাথে চলেন, সব জানানো হবে।’

অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, মামলাটির শুধু তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। অন্য সব সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো: সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, সাবেক মেয়র সহিদুর রহমানের নামে বিভিন্ন ধরনে মামলা রয়েছে।সে কারনেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।আইনি প্রক্রিয়া শেষে আপনাদের সকল কিছু জানানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২৪ ০৪:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পাখির নিরাপত্তা আশ্রয় তৈরিতে গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি স্থাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পাখির নিরাপত্তা আশ্রয় তৈরিতে গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি স্থাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় তৈরিতে ‘গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি’ স্থাপন নামে এক ব্যতিক্রমী কর্মসূচি পালন করেছে শহরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার’।

‘পাখি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, এদের রক্ষায় এগিয়ে আসুন’ প্রতিপাদ্যে বৃহস্পতিবার(৩১ অক্টোবর) দিনব্যাপী ওই সংগঠনের ব্যানারে টাঙ্গাইল শহরের পৌর উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছে অর্ধশতাধিক মাটির হাঁড়ি স্থাপন করা হয়।

বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের’ প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে পাঠাগারের সদস্য শামীম আল মামুন, মনসুর হেলাল, সাজ্জাদ হোসেন, জাহিদ হাসান, রাকিব হোসেন, শহীদ ইসলাম এবং স্থানীয় শামীম-শাহীন নামক বিজ্ঞান একাডেমীর শিক্ষার্থীরা হাড়ি স্থাপনে অংশগ্রহণ করেন।

পাঠাগারের স্থায়ী সদস্য জাহিদ হাসান জানান, পাখিরা আমাদের পরিবেশের অপরিহার্য অংশ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখিদের নিরাপদ ঘর ও বসবাস নিশ্চিত করা সকলের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। পাখিরা প্রকৃতির অপরিহার্য সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্যের একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিনিধিত্ব করে থাকে। সবাই মিলে পাখির ঘর গড়ে তুলি, প্রকৃতির সুন্দর মায়ায় আপলোকিত হই- এটাই তাদের প্রত্যাশা।

বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান জানান, তারা বইপাঠ কার্যক্রমের পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের সুরক্ষায় প্রতিবছর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে থাকেন। এবছর থেকে পাখিদের জন্য গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এসব মাটির হাঁড়ি ঝড়-বৃষ্টি ও শীত থেকে সুরক্ষিত থাকার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রজননে পাখিদের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এ উদ্যোগ ধীরে ধীরে জেলা-উপজেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। এ উদ্যোগ অন্যান্য পাখিপ্রেমীদের উৎসাহিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ‘এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি’ স্লোগানে বিগত ২০১০ সালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌরাকররা গ্রামে গড়ে ওঠে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি গ্রামের মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস তৈরি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সেলুন, বাসস্ট্যান্ড ও স্টেশন অণুপাঠাগার স্থাপনসহ শিক্ষামূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) দিনব্যাপী টাঙ্গাইলে পাখির নিরাপত্তা আশ্রয় তৈরিতে গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি স্থাপন কর্মসূচি পালন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২৪ ০১:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শীতকালীন আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শীতকালীন আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক।চলতি বছরে অতি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগাম সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন তারা।

ফলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে তাদের উৎপাদিত সবজি বাজারে চলে যাবে এবং শীতকালীন সবজি বিক্রি করে অধিক লাভবান হওয়ার আশা করছেন তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, প্রতিবছর এ জেলায় উৎপাদিত সবজি জেলার চাহিদা পূরণ করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার চাহিদা পূরণ করে থাকে।

জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলায় সব ধরনের শীত কালীন সবজি চাষ হয়ে থাকে। যমুনা, ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদী বিধৌত এই জেলার ভুমি বিন্যাস উর্বর হাওয়ায় বিশেষ করে জেলার চরাঞ্চল ও সমতল উপজেলায় প্রচুর শীত কালীন শাক-সবজি চাষ হয়ে থাকে।
এ ছাড়া জেলার পাহাড়ি তিনটি উপজেলায় প্রচুর পরিমাণে শীতের সবজি চাষ হয়ে থাকে।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, এ বছর জেলার ১১ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সবজির ভালো ফলনের জন্য কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
চলতি বছর বন্যা ও অতি বৃষ্টির কারণে সবজি চাষে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। নষ্ট হয়ে যায় বীজ ও চারা। এর বিরূপ প্রভাব পড়ে জেলার বাজারগুলোতে। হঠাৎ বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম বেড়ে যায়। বর্ষা মৌসুম কেটে যাওয়ায় কৃষকরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শুরু করেছেন শীতকালীন সবজি চাষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চাষ করা সবজির মধ্যে রয়েছে ফুলকপি, পাতাকপি, মুলা, টমেটো, শিম, লাউ, পালংশাক, লালশাক সহ হরেক রকমের সবজি। কৃষকদের মধ্যে কেউ জমি তৈরি করছেন, কেউ জমিতে বীজ বা চারা রোপণ করছেন। কেউ আবার জমিতে গজিয়ে ওঠা সবজির চারা গাছের পরিচর্যা করছেন। সব মিলিয়ে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। জেলার ক্ষেতের পর ক্ষেত যেদিকে চোখ যায় শুধু শীতের সবজি চাষাবাদের দৃশ্য। সবজি ক্ষেত নিংড়ানো, আগাছা পরিষ্কার ও পানি দিতে ব্যস্ত কৃষক ও কৃষাণিরা। অনাগত ফসলের দিকে তাকিয়ে তাদের মুখে তৃপ্তির হাসি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের গালার চরের রহিম বাদশা বলেন, অন্য ফসলের চেয়ে আমাদের এলাকায় প্রতি বছরই বাড়ছে শীতকালীন সবজি চাষের জমির পরিমাণ। এই অঞ্চলে এক সময় ধানের চাষ হতো। এখন সে জায়গায় নতুন নতুন বসতি হওয়াতে চাষের জমিগুলো সংকুচিত হয়ে পড়েছে। সেই ধান চাষের পরিবর্তে এখন এ এলাকায় হচ্ছে সবজির আবাদ।

সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বাগুনটাল গ্রামের কৃষক মজিদ মন্ডল বলেন, অন্যান্য ফসলের চেয়ে শীতকালীন সবজি আবাদ করে বেশি লাভবান হওয়া যায়। এ কারণে আমি প্রতি বছরই সবজি চাষ করি। তাতে বাজারে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদাও থাকে, আবার লাভবান হওয়া যায়।

জেলার ঘাটাইল উপজেলার কৃষক আলাউদ্দিন বলেন, আমাদের এই আগাম সবজি বাজারে উঠার পরই কমে যাবে সবজির দাম। একই সঙ্গে বাজারে সবজির সংকটও কেটে যাবে। আশা করছি, এ বছর সবজি চাষে লাভবান হবো।

টাঙ্গাইলের কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সিনিয়র কর্মকর্তা ফারজানা খান জানান ,এ জেলা সবধরনের সবজি চাষের জন্য বিখ্যাত। প্রতি বছর জেলায় বিপুল পরিমাণ সবজির চাষ হয়। তাতে জেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব সবজি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।এদিকে সব ধরনের সবজির দামও ভালো পাওয়া যায়। সে জন্যই এ বছর কৃষকরা বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে শীতকালীন সবজি আবাদে।

টাঙ্গাইলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. দুলাল উদ্দিন জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও টাঙ্গাইলে সবজির বাম্পার ফলন হবে। এর ফলে বাজারে সবজির সংকট কেটে যাবে, একই সঙ্গে দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে চলে আসবে বলে মনে করছেন তিনি।

শীতের আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক। ছবি সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের রাবনা এলাকা থেকে তোলা

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২৪ ০১:৫১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিশেষ টাস্কফোর্সের বাজার তদারকি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিশেষ টাস্কফোর্সের বাজার তদারকি

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযানে তিনটি দোকানে সাড়ে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদেরকে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ অক্টোবর)সকালে সদর উপজেলার করটিয়া বাজারের পাইকারী ও খুচরা দোকানে পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়ার সহকারী কমিশনার মাহমুদুল হাসান।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্য ব্রদ্ধি রোধ, পণ্যের অবৈধ মজুদ প্রতিরোধ এবং বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হতে গঠিত জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে কয়েকটি দোকানের অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রী এবং পণ্য বিক্রির মূল্য তালিকা টানানো না থাকার অপরাধে তিনটি দোকানে সাড়ে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও কয়েকটি দোকানের মালিকদের সর্তক করা হয়।

অভিযানে টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও বিশেষ টাস্ক ফোসের সদস্য সচিব শাহীনুর আলম, কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলাা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বিশেষ টাস্ক ফোর্সের সদস্য আবু জুবায়ের উজ্জলসহ ছাত্র প্রতিনিধি, কৃষি বিপনীন ও মৎস অদিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:৪৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মানব পাচার মামলার বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধিকতা দূরীকরণ শীর্ষক কর্মশালা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মানব পাচার মামলার বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধিকতা দূরীকরণ শীর্ষক কর্মশালা

একতার কন্ঠঃ বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্যা ইনফোর্সমেন্ট অব হিউম্যান রাইটস এর উদ্যোগে “মানব পাচার মামলার বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধিকতা দূরীকরণের উপায়” বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউএসএইড এর অর্থায়নে উইনরক ইন্টারন্যাশনাল এর সার্বিক সহযোগিতায় সোমবার ( ২৮ অক্টোবর )বিকেলে শহরের এসএসএস রেস্ট হাউজের কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক (জেলা জজ) কাউসার আহমেদ।

সরকারি সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, আইনজীবী ও সাংবাদিক আতাউর রহমান আজাদ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ,জেলা বার সমিতির সভাপতি এ কে এম শামীমুল আক্তার, সাধারণ সম্পাদক শাহানশাহ সিদ্দিকী মিন্টু, টাঙ্গাইল ল কলেজের অধ্যক্ষ খান মোহাম্মদ খালেদ, জেলা শ্রম ও কর্মসংস্থান অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: আনোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন পযার্য়ের সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী ও সাংবাদিকরা।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্যতা, বেকারত্ব, কর্মসংস্থানের অভাব আর উন্নত জীবনের হাতছানি -এ সব কারনেই নারী-পুরুষ ও শিশু পাচার ক্রমশ বেড়ে চলেছে। প্রেম, বিয়ে কিংবা বিদেশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এধরণের ঘটনা গুলো ঘটে। সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র নারীদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে। পাচারের কাজে শুরু থেকে শেষ পর্ষন্ত বিভিন্ন পযার্য়ে একাধিক ব্যক্তি এই কাজের সাথে জড়িত থাকে। জেলায় বর্তমানে ১৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর থেকে মুক্তি পেতে হলে অবৈধ পথে মানুষকে বিদেশে চাকুরীর জন্য যাওয়ার প্রবনতা ঠেকাতে হবে। সেই সাথে আইন শৃঙ্খলার আরো উন্নতি ঘটিয়ে নিশ্চিত জীবন যাপনের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এছাড়া মানব পাচার মামলায় ভিকটিমরা কিভাবে সঠিক ও ন্যায় বিচার পাবে এবং এ মামলা গুলোতে যে সকল প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় তা থেকে কিভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যায় সে বিষয়গুলোর উপর আলোচনা করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:১৮:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।