/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে প্রয়াত সাংবাদিক দীনার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রয়াত সাংবাদিক দীনার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য ও সাপ্তাহিক লোকধারা পত্রিকার সম্পাদক প্রয়াত এনামুল হক দীনার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের লাইব্রেরী কক্ষে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদের মহাসচিব ও মজলুমের কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক জাফর আহমেদ, বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ও সাপ্তাহিক প্রযুক্তি পত্রিকার সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সহ-সভাপতি ও আজকের টেলিগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মানিক, বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগধারা’র সম্পাদক সরকার হাবিব, কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক টাঙ্গাইল প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক মো. মোস্তাক হোসেন, সদস্য ও আজকের দেশবাসী পত্রিকার সম্পাদক অরন্য ইমতিয়াজ, সাপ্তাহিক ইন্তিজার এর সম্পাদক এবি এম আব্দুল হাই, সময় তরঙ্গ এর সম্পাদক কাজী হেমায়েত হোসেন হিমু,সদস্য ও সাপ্তাহিক সমাজচিত্রের সম্পাদক মো: মামুনুর রহমান মামুন, সদস্য ও প্রগতির আলো পত্রিকার সম্পাদক আনোয়ার সাদাৎ ইমরান, সদস্য ও সাপ্তাহিক কালেরস্বর এর সম্পাদক কবি শামছুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া মাহফিলে বক্তারা মরহুম এনামুল হক দীনার সাংবাদিকতা জীবনের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন নীতি-নিষ্ঠ, নির্ভীক ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক। তার মৃত্যুতে টাঙ্গাইলের সাংবাদিক সমাজ অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

দোয়া মাহফিল শেষে মাসিক মিটিং , নতুন সদস্য ভর্তি ও নৌকা ভ্রমন নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুন শনিবার বিকেলে কক্সবাজারে অবস্থানকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এনামুল হক দীনা ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)। পরদিন রবিবার তার মরদেহ টাঙ্গাইলে আনা হলে জন্মস্থান কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামে নামাজে জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:৪৬:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে অটোরিক্সা চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবক নিহত  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অটোরিক্সা চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবক নিহত 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা চুরির অভিযোগে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার(১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কাঁকড়াজান ইউনিয়নের পা-ধুয়া চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবকের নাম মো. জহিরুল ইসলাম (৩১)। তিনি জেলার গোপালপুর পৌরসভা রামদেব বাড়ি এলাকার আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে। নিহতের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ।

পুলিশ জহিরুলের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সখীপুর উপজেলার কাঁকড়াজান ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে চুরির ঘটনা ঘটছে। এতে স্থানীয় লোকজন ক্ষিপ্ত ছিল। এরই মধ্যে শুক্রবার সকালে শ্রীপুর রাজনীতির মোড় গ্রামের বাবুল মিয়ার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরি করে পালানোর চেষ্টা করেন জহিরুল। অটোরিকশা নিয়ে পা-ধুয়া চালা গ্রামে গেলে উত্তেজিত জনতা ধাওয়া করে তাঁকে ধরে পিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সে মৃত্যুবরণ করে।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা জানান ‘এলাকাবাসীর সংঘবদ্ধ পিটুনিতে নিহত যুবকের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:১৩:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে জমি বরাদ্দ পেলেও নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি আধুনিক বাস টার্মিনালের, জনদুর্ভোগ চরমে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জমি বরাদ্দ পেলেও নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি আধুনিক বাস টার্মিনালের, জনদুর্ভোগ চরমে

আরমান কবীরঃ ১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার টাঙ্গাইল জেলার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে ২ কিলোমিটার দূরে বর্তমান নতুন বাস টার্মিনালটি উদ্বোধন করেন। তখন এই টার্মিনাল থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও জামালপুরে বাস চলাচল করতো। ফলে আশির দশকের জন্য টার্মিনালটি যথেষ্ট ছিল। বর্তমানে টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গের ২৩টি জেলার যানবাহন চলাচল করে, যা এটিকে দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে। এ ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতে টাঙ্গাইল থেকে সরাসরি বাস চলাচল করছে।

এক যুগ আগে পৌরসভার মেয়র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বাস টার্মিনালের ভবন ও যাত্রী ছাউনি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। সেই পরিত্যক্ত ভবনে এখনও চলছে টার্মিনালের সমস্ত কার্যক্রম। ভবনটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

গত তিন বছর আগে আধুনিক বাস টার্মিনালের জন্য শহরের রাবনা বাইপাস এলাকায় প্রায় পাঁচ একর সরকারি জমি বরাদ্দ পায় টাঙ্গাইল পৌরসভা। বরাদ্দ পেলেও এখনো টার্মিনালের ‌নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারেনি পৌর কতৃপক্ষ। বর্তমানে টাঙ্গাইল নতুন বাস টার্মিনালে যানবাহনের সংখ্যা অনেক, যায়গা সংকটের কারনে যানবাহনের চাপে রাস্তা বন্ধ হয়ে প্রতিনিয়ত যানযটের সৃষ্টি হয়। এই যানযটের কারনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় চলাচলকারী বড় সংখ্যক পথচারীদের। এছাড়া টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হওয়ায় হাসপাতালে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী জেলা টাঙ্গাইল। আয়তনের দিক থেকে ঢাকা বিভাগের সর্ববৃহৎ জেলা এবং জনসংখ্যার দিক থেকে ঢাকা বিভাগের ২য় সর্ববৃহৎ জেলা টাঙ্গাইল। এর আয়তন প্রায় ৩,৪১৪.৩৫ বর্গ কিলোমিটার।

টাঙ্গাইলকে ‘উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার’ বলা হয়, বর্তমানে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার যানবাহন দেশের অন্যান্য অংশের সাথে যুক্ত হয়। টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গের ২৩টি জেলার যানবাহন চলাচল করে, যা এটিকে দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে।

কিন্তু টাঙ্গাইলে নেই কোনো আধুনিক বাস টার্মিনাল। নতুন বাস টার্মিনাল হিসেবে পরিচিত টাঙ্গাইল পৌরসভার দেওলা ও কোদালিয়া এলাকায় বাস টার্মিনাল নির্মিত হয়েছে ৮০ দশকে। সময়ের ব্যবধানে যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। হাজার হাজার মানুষ তাদের গন্তব্যে রওয়ানা দেয় এই বাস টার্মিনাল থেকে। বর্তমানে এই নতুন বাস টার্মিনালের অবস্থা খুবই নাজেহাল। প্রয়োজনের তুলনায় যায়গা সংকট থাকার কারনে সব সময় যানযট লেগেই থাকে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোকজন কর্মের উদ্দেশ্যে আসে এই জেলা শহরে।

টাঙ্গাইল নতুন বাস টার্মিনালের পাশেই রয়েছে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এবং টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে বড় সংখ্যক মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে এখানে। নতুন বাস টার্মিনালে প্রতিনিয়ত যানযট লেগে থাকার কারনে রোগী ও তাদের স্বজনদের যাতায়াত করতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এছাড়া জরুরি বিভাগে ভর্তি হতে আসা মুমূর্ষ রোগিদের ঘন্টার পর ঘন্টা নতুন বাস স্ট্যান্ডের যানজটে অপেক্ষা করতে হয়। অনেকে রাস্তায় মৃত্যুবরণ করেন।

গত ২০২২ সালের জুলাই মাসের ৪ তারিখে ১ লক্ষ ১ টাকা মুল্যের দলিল মুলে টাঙ্গাইল পৌরসভা ৩০ বছর মেয়াদী ৪.৯৪ একর সরকারি জমি লিজচুক্তি বন্দোবস্ত পায় আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মাণ করার জন্য। যায়গাটি রাবনা বাইপাসের পাশেই অবস্থিত। দীর্ঘ সময় পার হলেও নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি এই আধুনিক বাস টার্মিনালের।

টাঙ্গাইল জেলা বাস-কোচ-মিনিবাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেনের কাছ থেকে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলা বাস-কোচ-মিনিবাস মালিক সমিতির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ৮০০টি গাড়ি। প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ৪০০টি গাড়ি চলে জেলা শহরের বাস টার্মিনাল থেকে, বাকি ৪০০ গাড়ি চলে বিভিন্ন উপজেলা বাস টার্মিনাল থেকে। এছাড়াও ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ব্যটারী চালিত ইজিবাইকের আলাদা স্ট্যান্ড না থাকায় বাস টার্মিনালেই এসব যানবাহনের স্ট্যান্ড হিসেবেও রুপ নিয়েছে। ফলে দিন দিন যায়গা সংকটটি প্রকট আকার ধারণ করছে।

টাঙ্গাইল জেলা বাস-কোচ-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম লাভলু জানান, গত ১০ বছর আগে পৌরসভা থেকে এই বাস টার্মিনাল পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়। এরপর বাস টার্মিনালের মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন এবং যাত্রী ছাউনি হিসেবে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত ভবনটি সংস্কার করা হয়নি। জেলার যানবাহনের সাথে সম্পৃক্ত মালিক, শ্রমিক সবারই কাম্য আধুনিক বাস টার্মিনাল।

মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ইউসুফ আলী মিয়া (তরুন ইউসুফ) জানান, তার বাসা টাঙ্গাইল নতুন বাস টার্মিনালের পাশেই, প্রতিদিন কলেজে যাওয়া আসার সময় বাস টার্মিনালের রাস্তায় যানজটের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় তাকে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় ৪০ মিনিট সময় বেশি লাগে কলেজে পৌঁছাতে। এছাড়াও বাস টার্মিনালের কাছে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল এবং টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরও চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় বাস টার্মিনালের এই যানজটের কারণে।

তিনি আরোও জানান, যানজটের কারণে ডেলিভারি রোগী বাস টার্মিনালেই বাচ্চা প্রসব করার ঘটনাও ঘটেছে। বাস টার্মিনালের আশেপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদেরও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ নিতে যাওয়ার সময়ও চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এই যানযটের কারনে। আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মাণ করে পরিকল্পিতভাবে যানবাহন চলাচল করলে এই যানজটের নিরসন হবে এবং পথচারীদের ভোগান্তি লাঘব হবে বলে মনে করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পথচারী জানান, বাস টার্মিনালে এমনিতেই জায়গা সংকট, এখানে বাস রাখার পাশাপাশি ট্রাক, সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও ব্যাটারী চালিত ইজিবাইককের অলিখিত স্ট্যান্ডও রয়েছে। এছাড়াও বাস টার্মিনালের উত্তর পাশে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে কাঁচা বাজার। এই বাজারের দোকানগুলো প্রায় রাস্তার উপরেই বসেছে, যে কারণে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণহানি হতে পারে মানুষের। অতি দ্রুত অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এই কাঁচা বাজার অপসারণ করা দরকার বলে দাবি করেন প্রশাসনের কাছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক মো: শিহাব রায়হান জানান, আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মাণ করার জন্য টাঙ্গাইল পৌরসভার অনুকূলে সরকারি বরাদ্দ পাওয়া জমিতে মাটি ভরাট করার জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হলেই দ্রুতই মাটি ভরাট করে বাস টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৩:১৮:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতার স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতার স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার(১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার কুইজবাড়ী গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম লিলি আক্তার (৪৫)। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আনিছুর রহমানের (উত্তম) স্ত্রী। এ দম্পতির এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, লিলি আক্তারের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

আনিসুর রহমানের ভাতিজা মেহেদী হাসান বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সদর উপজেলার কুইজবাড়ী বাজারের কাছে লিলি আক্তার তাঁদের মালিকানাধীন লিওন বেকারিতে যান। তিনি বেকারির কারিগরদের সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন সন্ত্রাসী প্রবেশ করে। তারা লিলি আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে চলে যায়। সন্ত্রাসীদের মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত লিলি আক্তারকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আনিসুর রহমানের বড় ভাইয়ের স্ত্রী হাসিনুর বেগম বলেন, লিলি আক্তার প্রতিদিন রাতে বেকারিতে কাজ তদারকির জন্য যেতেন। মঙ্গলবার বেকারিতে যাওয়ার পরেই তাঁর ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা করে।

নিহতের স্বামী আনিছুর রহমান জানান, তিনি হামলাকারীদের চিনতে পারেননি এবং তাদের পরিচয় সম্পর্কে কিছুই নিশ্চিত নন।

তিনি দাবি করেন, তারা মূলত তাকে খুঁজছিলেন। কিন্তু তাকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে হত্যা করেন।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ধরার চেষ্টা চলছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিহতের স্বজনদের ভিড়

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৬:৪৮:পিএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে যৌনপল্লি থেকে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যৌনপল্লি থেকে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইল যৌনপল্লি থেকে শহর যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে শহরে কান্দাপাড়ার যৌনপল্লি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শাহ জনি টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর পাড়ার মো. ইসরাফিলের ছেলে। তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলার মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দিনগত রাতে শহরের যৌনপল্লি থেকে শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, এর আগে গত বছরের ২ অক্টোবর রাতে টাঙ্গাইল শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের বটতলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় কালিহাতীর চিনামুরা গ্রামের লাল মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। পরে লাল মিয়া বাদী হয়ে জেলা আওয়ামী লীগের (এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। শাহ জনি ওই মামলার ৪১ নম্বর আসামি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:০৫:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে আব্দুল জলিল (৮০) এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ৩৭ আপ ময়মনসিংহ মেইল ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল জলিলের বাড়ি উপজেলার টেঁপিবাড়ি গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকাল ১০ টার দিকে আব্দুল জলিল ধান ক্ষেতে সার দিতে যাচ্ছিলেন। এসময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ভূঞাপুরগামী ৩৭ আপ ময়মনসিংহ মেইল ট্রেনটি টেঁপিবাড়ি এলাকায় পৌঁছলে তার নিচে কাটা পড়ে সে। এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুল জলিলের মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ বাড়িতে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আব্দুল কাদের জানান, শনিবার সকালে ট্রেনে কাটা পড়ে এক বৃদ্ধের নিহত হওয়ার খবর শুনেছি। তবে কেউ কোন অভিযোগ করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:৪১:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে নবগঠিত ট্রাক মালিক সমিতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নবগঠিত ট্রাক মালিক সমিতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির মালিকবিহীন নতুন কমিটির প্রতিবাদে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম রেজা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৪ এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরে জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির ও অচল হয়ে পড়ে। ওই অবস্থায় ট্রাক মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রহমান আমির ও সেলিম রেজার নেতৃত্বে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে প্রকৃত ট্রাক মালিকরা সমন্বিতভাবে সমিতি পরিচালনা করতে থাকে। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি শহরের মেইন রোডে অবস্থিত জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কার্যালয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রকৃত ট্রাক মালিকবিহীন একটি পকেট কমিটিও ঘোষণা করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, কাজী শফিকুর রহমান লিটনকে সভাপতি এবং আশরাফ পাহেলীকে সাধারণ সম্পাদক করে ৬৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। যদিও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ব্যতিত অন্য কোন কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। আমরা জানতে পেরেছি সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে এই কমিটি আনা হয়েছে। যা ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল জেলার প্রকৃত ট্রাক মালিকরা কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের অনেক সুবিধাভোগীরা এই কমিটিতে স্থান পেয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছি। যা আমাদের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয়। তাছাড়া এই কমিটি বিদ্যমান থাকলে জেলা ট্রাক মালি সমিতি মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্ত এমনকি ধ্বংস হওয়ার আশংকা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা ট্রাক মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রহমান আমির, সহ- সভাপতি হানিফ উদ্দিন, নুরুল ইসলাম রবিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম রেজা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান সুমন, প্রচার সম্পাদক আশরাফউজ্জামান আশরাফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি কাজী শফিকুর রহমান লিটন বলেন, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে টাঙ্গাইল জেলার ট্রাক মালিকদের নিয়ে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে যিনি নিজেকে টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন সে পূর্বের কমিটি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। বিগত ১৫ বছর সে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী কমিটির সাথেও সংগ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আজকে আমরা ১০০ জন ট্রাক মালিকদের নিয়ে বৈঠক করেছি। ভবিষ্যতে টাঙ্গাইল জেলার সকল ট্রাক মালিকদের নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:৩৫:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপি’র মনোনয়নপ্রত্যাশী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম ওরফে আজাদকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বহিষ্কারপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের ডামি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়া’, ‘আয়নাঘরের মাস্টারমাইন্ড ও হাজারো গুম-খুনের নায়ক বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের ব্যবসায়িক অংশীদার হওয়া’ এবং ‘দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের’ অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে আসাদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামের বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম সেনাবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে ব্যবসায় যুক্ত হন। গত বছরের ৫ আগস্টের পর এলাকায় এসে তিনি রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করেন। নিয়মিত সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন এবং তাঁর অনুসারীও তৈরি হন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারণা শুরু হয়। সেখানে তাঁকে মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ও তাঁর স্ত্রীর ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে অভিযোগ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল বলেন, আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা অভিযোগ আসছিল। বিগত সরকারের ডামি নির্বাচনে ঢাকায় তিনি একজন প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নেন। পাশাপাশি আয়নাঘরের মাস্টারমাইন্ড জিয়াউল আহসানের সঙ্গে ব্যবসায় জড়িত থাকার প্রমাণও পাওয়া গেছে। দফায় দফায় তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা মেলায় দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:১৭:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে অটো চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অটো চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চোর সন্দেহে আব্দুল মুমিন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ।

নিহতের লাশ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত মুমিন পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের হলুদিয়া গ্রামে কয়েকদিন ধরে চুরির ঘটনা ঘটছিল। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে মুমিন ও আরও দুই ব্যক্তি ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিল। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা তাদের নজরদারিতে রাখে। এক পর্যায়ে মুমিন হলুদিয়া গ্রামের জসীম উদ্দিনের ছেলে দুখু মিয়ার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। দুখু মিয়ার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে মুমিনকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।

এ সময় মুমিনের সঙ্গে থাকা অপর দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায়। উত্তেজিত জনতা মুমিনকে গণপিটুনি দেয়। এক পর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় মুমিন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে সকালে স্থানীয়রা লাশ উদ্ধার করে।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমরানুল কবির জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:৪৫:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা হযরত আলী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা হযরত আলী গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মেদ।

গ্রেপ্তারকৃত হযরত আলী, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের ধুলবাড়ী গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে।

ওসি জানান, সোমবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলীকে শহরের ৩নং ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম ব্রিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, হযরত আলী গত বছরের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে ছাত্র-জনতার উপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি।

তিনি জানান, এবছরের ১৫ মার্চ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৭। হযরত আলীর বিরুদ্ধে আরও কোন মামলা রয়েছে কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৪:৫৬:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক, ভয়াবহ ঝুঁকিতে জেলার যুবসমাজ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক, ভয়াবহ ঝুঁকিতে জেলার যুবসমাজ

আরমান কবীরঃ দেশের মধ্যাঞ্চলে টাঙ্গাইল জেলার অবস্থান হওয়ায় এবং সড়ক, নদীপথ ও রেলপথের সাথে সারাদেশের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক থাকায় মাদক চোরা চালানের নিরাপদ রুট হিসেবে মাদক ব্যবসায়ীরা বেছে নিয়েছে এই জেলাকে। ফলে জেলায় প্রতিনিয়ত নদী, রেল ও সড়ক পথে আসছে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য। এই জেলায় জালের মতো ছড়িয়ে আছে নদী। এইসব নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে উঠেছে মাদকের হট-স্পট।

জেলার নাগরপুর, ভূঞাপুর, কালিহাতী ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নদী সংশ্লিষ্ট এলাকা এবং শহরের কান্দাপাড়া যৌনপল্লী, রাবনা বাইপাস ও আশেকুর বাইপাসকে বেছে নিয়েছে মাদক কারবারিরা। সুযোগ বুঝে মাদক পাচারের জন্য সড়ক পথকে ব্যবহার করছে এইসব মাদক ব্যবসায়ীরা। মাদক পাচারের রুট হিসেবে এই জেলাকে ব্যবহারের কারণে জেলায় বেড়েছে ব্যাপক মাদকের সরবরাহ। বিশেষ করে উঠতি বয়সের কিশোর-যুবকদের টার্গেট করা হচ্ছে মাদক বিক্রির জন্য। শহরে এখন হাত বাড়ালেই মিলছে গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল ও হিরোইনসহ বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য।

জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলাগুলো থেকে মাদক ঢুকছে টাঙ্গাইলের প্রবেশদ্বার খ্যাত এলেঙ্গা, টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস ও আশেকুর এলাকায়। এরপর এই স্থান গুলো থেকেই ঢাকা, গাজীপুরসহ টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিনব পদ্ধতিতে মাদক ছড়িয়ে পরছে । শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় রাতের আধারে অলিগলিতে বিক্রয় হচ্ছে সর্বনাশা এইসব মাদক। আবার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক পৌঁছে যাচ্ছে হাতেহাতে। এমনকি বিশেষ ক্ষেত্রে বাড়িতেও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে মাদক।

বর্তমানে টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া, বেড়াডোমা, কাগমারা, সাহাপাড়া, শান্তিকুঞ্জ মোড়, মাঝিপাড়া, হাজেরাঘাট, দক্ষিণ কলেজপাড়া (মহিষ খোলা), ধুলেরচর, বইল্লা এলাকায় প্রকাশ্যে মাদকের কেনা-বেচা চলে বলে জানা গেছে। এইসব এলাকায় মাদকের ছড়াছড়ি।

জানা গেছে, মাদকদ্রব্য পরিবহনে নিরাপদ রুট হিসাবে সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলা হয়ে নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র, চর সলিমাবাদ, আটাপাড়া, শাহাজানি চরাঞ্চল, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি, কাকুয়া, হুগড়া, ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল, গোবিন্দাসী, অর্জুনা, গাবসারা, কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি যমুনা নদীর চরাঞ্চল মাদক পাচারের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক নির্মূলে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও র‍‍্যাব পৃথকভাবে কাজ করছে। গত সাত মাসে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ ২’শত ৮ কেজি গাঁজা, ৫৭ হাজার ২’শত ৬৫ পিস ইয়াবা, ৭২৫.১০ গ্রাম হেরোইন, ১০৮৫.৩৬ লিটার দেশি-বিদেশি মদ ও ৫৯৫ বোতল ফেনসিডিল জাতীয় মাদক উদ্ধার করেছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।

এসব মাদকের বেশিরভাগ বড় বড় চালান উদ্ধার ও মাদক কারবারিদের আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। উদ্ধার অভিযানে গত সাত মাসে ৪৭৩ জন মাদক কারবারির নামে ৩৩৮ টি মামলা রজ্জু করেছে জেলা পুলিশ ।

অপরদিকে, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত সাত মাসে ৩৮ কেজি গাঁজা, ৫ হাজার ৭’শত ৭৪ পিস ইয়াবা, ৮৫.৫ গ্রাম হেরোইন, ৪১.২৫ লিটার মদ, ১০ বোতল ফেনসিডিল, টাপেন্টাডল ৩ হাজার ৪ শত ৮৮ টি ট্যাবলেট, ১০ হাজার লিটার ওয়াশ জাতীয় মাদক উদ্ধার করেছে।অভিযানে মাদক কারবারিদের থেকে নগদ ১৪ লক্ষ ৩১ হাজার টাকাসহ উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজার মূল্য ৪৭ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা। উদ্ধার অভিযানে গত সাত মাসে ১৯৭ জন মাদক কারবারির নামে ১৯৬ টি মামলা রজ্জু করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এদিকে র‍‍্যাব ১৪, সিপিসি- ৩ সূত্রে জানা গেছে, গত সাত মাসে ৮২ কেজি গাঁজা, ৪৭৪৯ পিস ইয়াবা, ১৬৭ গ্রাম হেরোইন, ৯৮ লিটার দেশি মদ ও ৪৩১ বোতল ফেনসিডিল জাতীয় মাদক উদ্ধার করেছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা। উদ্ধার অভিযানে এই সাত মাসে ৭ জন মাদক কারবারির নামে ৩ টি মামলা রজ্জু করতে সহায়তা করেছে র‍‍্যাব।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই ত্রিমুখী অভিযানে বড় বড় মাদকের চালান উদ্ধার ও মাদক কারবারিদের আটকের পরেও থামছেনা জেলায় মাদকের ভয়াল থাবা। আইনের ফাঁকফোকড়ে আবারো বেরিয়ে আসছে মাদক কারবারিরা। আবার নতুন উদ্যেমে ভিন্নতর কৌশলে শুরু করছে মাদক ব্যবসা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, টাঙ্গাইলবাসীর জন-জীবনের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি মাদক নির্মূলে প্রতিনিয়ত কাজ করছে জেলা পুলিশ। সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। ধর্মীয় উপাসনালয় মসজিদ-মন্দিরে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে আলোচনা করতে হবে।

তিনি আরও জানান, মাদক ব্যবসায়িদের চিহ্নিত করে সমাজ থেকে বিতাড়িত করতে হবে । আবার তাদেরকে সুযোগও দিতে হবে সুপথে ফেরার। মাদক ব্যবসায়ির তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করতে হবে। সন্তান কার সাথে মিশে তা খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। পুলিশের একার পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। পুলিশের পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরের মানুষকে মাদক নির্মূলে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই মাদক নির্মূল হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৩:৪২:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উদযাপিত

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উদযাপন করা হয়েছে।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন সকাল ৭টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ ও নাতে রাসুল পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হয়। পরে আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ করা হয়। পবিত্র ধর্ম ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর জীবন ও কর্মের উপর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আলেম ও পীরমাশায়েখরা আলোচনায় অংশ নেন। অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

হাজীবাগ দরবার শরীফের পীরে তরিকত আলহাজ্ব প্রফেসর আব্দুল কুদ্দুস খসরুর সভাপতিত্বে দিবসের উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হাই। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, করটিয়া আহমাদাবাদ শরীফের বিশিষ্ট খলিফা মোহাম্মদ শাহজালাল।

অন্যদের মধ্যে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, আলালপুর ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব শাহ সুফি মাওলানা আব্দুল ওহাব সিরাজি, করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. সাইফুল মালেক আনসারী, ঘাটাইলের আমুয়াবইদ মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা হারুন অর রশিদ, ময়মনসিংহ দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা মুফতি সৈয়দ মাহবুব আল হুসাইন, টাঙ্গাইল কাদেরিয়া তৈয়বিয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জালালী প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, টাঙ্গাইল জেলা তাহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদের আহ্বায়ক ডা. মোহাম্মদ মোরশেদ আলম মাসুদ।

এরআগে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। পরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং তাবারক বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:৫৩:এএম ৭ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।