/ হোম / আমাদের
টাঙ্গাইলে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ মতবিনিময় সভার অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শামীম আরা রিনি, সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) নাফিসা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আইরিন আক্তার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌর মেয়রবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বনের ভেতরে গাছে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বনের ভেতরে গাছে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বনের ভেতর আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় নাসিমা খাতুন (৬২) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের মহানন্দপুর এলাকা থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত বৃদ্ধা ওই এলাকার আবুল হোসেনের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, বুধবার সকালে বাড়ির পাশে বনের ভেতর একটি আম গাছে নাসিমা খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। স্থানীয়দের খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিনের অসুস্থতা ও পারিবারিক কলহের কারণে ওই বৃদ্ধা আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, এ ঘটনায় সখীপুর থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৩২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক-মিনি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোবাহান মিয়া বহিরাগতদের নিয়ে বর্তমান সভাপতি- সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যাকরী পরিষদের সদস্যদের উপর হামলা ও অফিস ভাঙচুরের প্রতিবাদে বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের নগরজালফৈ নিজস্ব কার্যালয়ে এ জরুরী মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. বালা মিয়া।

সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মাহতাবের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,জেলা ট্রাক শমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সদস্য মো. আমিনুর রহমান, সহ-সভাপতি মো. ফরহাদ আলী,মো. ইকবাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান ছানি, সহ-সম্পাদক জামাল হোসেন ভুয়াপুরী,শহিদুল ইসলাম আনন্দ, কোষাদক্ষ মাহবুব আলম তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুর রউফসহ উপজেলা পর্যায়ের সংগঠনের সকল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগন।

সভায় বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মাহতাব একদিনে গড়ে উঠেনি। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে এবং কাঠখড় পুড়িয়ে তারা আজ এ পর্যায়ে এসেছেন। এছাড়াও নির্বাচনের মাধ্যমে তারা বারবার সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। শ্রমিকদের ভালোবাসা আছে বিধায় তারা বারবার নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের উপর বর্বরোচিত এ ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বক্তারা।

বক্তারা আরও বলেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোবাহান মিয়া সংগঠনের ৬০ লাখ টাকা হিসাব-নিকাশ না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এব্যাপারে আদালতে মামলাও হয়েছেন।

বক্তব্য শেষে সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য পদ থেকে অভিযুক্ত সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোবাহান মিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

এর আগে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ট্রাক-শ্রমিক সংগঠন থেকে খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে ৫ শতাধিক শ্রমিক মত বিনিময় সভায় অংশ নেয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার(১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার করটিয়া চরপাড়া হাটবাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের কান্দিলা গ্রামের আব্দুল খলিল দেওয়ানের ছেলে ইয়াছিন দেওয়ান (৩৮), শহরের কোদালিয়া এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে মো. রনি আহমেদ (৩৯) ও ভূঞাপুর উপজেলার টেপিবাড়ি গ্রামের আব্দুল আজিজ ফনির ছেলে মো. শুভ মিয়া (২৯)।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, গ্রেপ্তারকৃত ইয়াছিন দেওয়ানের বিরুদ্ধে চুরি ও ছিনতাইসহ মোট তিনটি, রনি আহমেদের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও মাদকসহ পাঁচটি এবং মো. শুভ মিয়ার বিরুদ্ধে একটি ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা রয়েছে।

তিনি আরও জানান,মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৪১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলসহ ৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলসহ ৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেলসহ তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে টাঙ্গাইল শহরের মুসলিম পাড়া (আবহাওয়া অফিস) থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, টাঙ্গাইল শহরের পার দিঘুলীয়া এলাকার কালাচান মিয়ার ছেলে রাসেল গোপা (৩৫), আকুরটাকুর পাড়া এলাকার শামছুল হকের ছেলে জনি (২৩) ও দক্ষিণ কলেজপাড়া এলাকার মৃত স্বপন মিয়ার ছেলে ফেরদৌস হাসান পাপ্পু (২০)।

পুলিশ জানায়, শহরের বেড়াডোমা এলাকার ভাড়াটিয়া জুয়েল মিয়ার কাছ থেকে গত ২৩ আগস্ট সন্ধ্যায় প্যাড়াডাইসপাড়া এলাকার ব্রীজের পাশ থেকে তার মোটরসাইকেলটি তিন ছিনতাইকারীরা দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ছিনতাই করে। পরে সোমবার জুয়েলের মা জবেদা বেগম বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে সোমবার দিবাগত রাতে শহরের আবহাওয়া অফিসের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, মামলার পর পরই আসামীদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রাসেল গোপার বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, চুরি ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এছাড়াও জনির বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, চুরিসহ দুইটি এবং ফেরদৌস হাসান পাপ্পুর বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:০১:এএম ৩ বছর আগে
বঙ্গবন্ধুকে যারা খুন করেছে, তারা এখন আমার বোনের পেছনে: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধুকে যারা খুন করেছে, তারা এখন আমার বোনের পেছনে: কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি কী করব। বঙ্গবন্ধুকে যারা খুন করেছে, এখন তারা আমার বোনের পেছনে, কী করার আছে আমার। এ জন্য কিছু করতে পারি না, কিন্তু তাই বলে আমার এলাকায় রাস্তাঘাটে শিশুকে মেরে ফেলবে, আর পুলিশ এভাবে ভুঁড়ি ভাসিয়ে হাঁটবে, তাহলে তাদের দরকার কী।’ এ সময় তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ পুলিশকে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়ে বলেন, ‘আমি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

মঙ্গলবার(১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিহত শিশুর সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশের সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির বাবা পুলিশকে চারজনের নাম বলেছেন, অথচ ঘটনার আট দিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি তারা। এই রকম গা ভাসানো পেটে চর্বিযুক্ত পুলিশ দিয়ে কী হবে।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় সবাই যখন পালিয়ে গিয়েছিল, তখন আমার ২৫ বছর বয়সে মনে হয়েছিল, যদি মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা করতে না পারি, মানুষকে নিরাপত্তা দিতে না পারি; তাহলে বেঁচে থাকার চাইতে মরে যাওয়া অনেক ভালো। আমি সে জন্য যুদ্ধ করেছি, কিন্তু যুদ্ধের পরে দেখেছি, ওই সময় যারা পালিয়ে গিয়েছিল, ভয়ে নদীতে হাবুডুবু খেয়েছে, এখন আমার চাইতে তাদেরই দাম বেশি।’

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘এভাবে দেশ চলতে পারে না, আমি এই দেশ চাই নাই। আমি সেই দেশ চেয়েছি, যে দেশে একজন সাধারণ মানুষের সন্তানও নিরাপদে থাকবে, রাজা-বাদশার মতো মানুষের মাথার ওপরে পা দিয়ে কেউ যেতে পারবে না।’

প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি আমার চাইতে পাঁচ মাসের ছোট, তারপরও আমি তাঁকে মায়ের মতো মনে করি। আর আমার মা কোনো রাস্তাঘাটের মানুষ নন। মায়ের প্রতি আমার সম্মানবোধ অনেক বেশি।’

সানোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীরপ্রতীক, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব, নিহত শিশু সামিয়ার বাবা রঞ্জু মিয়া, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতা আশিক জাহাঙ্গীর, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

প্রকাশ,গত বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়াকে (৯) অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। ওই দিনই তারা পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে শিশুর বাবার মুঠোফোনে অডিও বার্তা পাঠায়। দুই দিন পর শুক্রবার বাড়ির কাছে ঝোপঝাড়ের মধ্যে শিশুটির ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে রুবেল মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের হামিদপুর উত্তর পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম।

নিহত রুবেল উপজেলার সালেংকা গ্রামের সাইদুর রহমান কালুর ছেলে। দীর্ঘদিন যাবত তারা হামিদপুর বসবাস করেন।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, রুবেল বাড়ির পাশেই তাদের নিজস্ব রাইস মিলের গুদাম ঘরে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য একটি অটো গাড়ির গ্যারেজ তৈরি করেন। সোমবার দুপুরের দিকে গ্যারেজে বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। এ সময় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্বজনদের আবেদনের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে মারা গেলেন বড় ভাইও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে মারা গেলেন বড় ভাইও

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর শহীদ জিয়া মহিলা কলেজের শিক্ষক নূরুল আমিন (৫৮) রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে বড় ভাই আবুল হোসেন (৭০) সন্ধ্যায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি সরিষাবাড়ীর তারাকান্দি যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানির কর্মকর্তা ছিলেন।

শহীদ জিয়া মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মো. আবু সাদত বিপলু বলেন, জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূরুল আমিন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিকের জীববিজ্ঞান পরীক্ষার প্রধান পরীক্ষক নিযুক্ত হন। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সপরিবারে তিনি ঢাকা যান। রাতে বড় ভাই আবুল হোসেনের বাসায় ছিলেন। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ার পথে গুলশান-২ এলাকায় স্ট্রোক করেন। পরে পথচারীরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে তাঁর বড় ভাই আবুল হোসেন অসুস্থ থাকায় মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়নি। পরে সন্ধ্যায় ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনে তিনিও স্ট্রোক করেন। পরে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেও মৃত ঘোষণা করেন।

দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবার, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। রবিবার এশার নামাজের পর নূরুল আমিনকে এবং সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় তাঁর বড় ভাই আবুল হোসেনকে ভূঞাপুরের চর নিকলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে নিজ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:০৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শ্যালিকাদের নিয়ে পুকুরে গোসলে নেমে লাশ হলেন নতুন জামাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শ্যালিকাদের নিয়ে পুকুরে গোসলে নেমে লাশ হলেন নতুন জামাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিয়ের দুই দিনের মাথায় শ্যালিকাদের নিয়ে শ্বশুর বাড়ির পুকুরে গোসল করতে নেমে জাহাঙ্গীর হোসেন(২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর)দুপুরে মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের চাতারবাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত জাহাঙ্গীর ওই ইউনিয়নের আতেক্কার চালা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্ব) দুপুরে মহিষমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার জাহঙ্গীরের সঙ্গে চাতারবাইদ গ্রামের সেলিম উদ্দিনের মেয়ের বিয়ে হয়। এরপর রবিবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ‘ফিরানী’ তে যান জাহাঙ্গীর। মেজবানি শেষে ওইদিন বিকেলেই আবার বাড়ি ফেরার কথা ছিল জাহঙ্গীরের। দুপুরে শ্বশুরবাড়ির পাশের পুকুরে শ্যালক-শ্যালিকাদের সঙ্গে গোসলে নামেন জাহাঙ্গীর। হঠাৎ পুকুরে ডুবে যান তিনি। এরপর ভেসে না উঠায় ডাকাডাকি শুরু করে শ্যালক-শ্যালিকারা। এ সময় আশপাশের সবাই এগিয়ে এসে পানিতে নেমে তাকে খুঁজতে শুরু করেন। প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টার পর জাহাঙ্গীরের নিথর দেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। এ সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, পুকুরে ডুবে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়। ধারনা করা হচ্ছে সাঁতার না জানায় মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটতে পারে।

তিনি আরও জানান,মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:০৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইঁদুর মারার বিষ পানে ২ শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইঁদুর মারার বিষ পানে ২ শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ ঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ পান করে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুই শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শালিয়াবহ গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

মৃত দুই শিশু হলেন, ওই গ্রামের শাহ-আলম মিয়ার ছেলে তাওহীদ মিয়া (৪) ও মেয়ে তানজিলা আক্তার (২)।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে পারিবারিক কাজে শাহ-আলমের স্ত্রী ব্যস্ত ছিলেন। এমন সময় ঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ পান করে ফেলে তাওহীদ ও তানজিলা। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় পেঁচারআটা বাজারে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহ-আলম বলেন, আমি কাজে বাড়ির বাইরে ছিলাম। এসময় তাওহীদের মা পারিবারিককাজে ব্যস্ত ছিল। এর ফাঁকে ছেলে-মেয়েরা ঘরে রাখা ঈদুরের বিষ খেয়ে ফেলে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাহবুব উল হক মাছুদ বলেন, ঘরে থাকা বিষ খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। তারা তদন্ত করছে।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, শিশু দুটি কৃষক পরিবারের সন্তান। তাদের মা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত ছিলনে। ধারণা করা হচ্ছে ঘরে রাখা কলা পাকানোর রাসায়নিক বা ইঁদুরের বিষ পান করে ফেলে শিশুরা। এক পর্যায়ে তাদের মৃত্যু হয়। বর্তমানে লাশ দুটি তাদের বাড়িতে রয়েছে।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মারুফ বলেন, মৃত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল। মৃত অবস্থায় আনার কারণে প্রাথমিকভাবে বিষের নমুনা পাওয়া যায়নি। তবে পরিবারের লোকজন বলছিল ইঁদুরের বিষ খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১৭ দিনের ব্যবধানে দুই সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় রঞ্জু-রুপা দম্পতি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১৭ দিনের ব্যবধানে দুই সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় রঞ্জু-রুপা দম্পতি

একতার কণ্ঠঃ সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের রঞ্জু মিয়া ও রুপা আক্তারের দুই সন্তানকে ১৭ দিনের ব্যবধানে হারিয়ে পাগলপ্রায় এই দম্পতি। ১৭ দিন আগে তাদের ৫ মাস বয়সী ছেলে রিদওয়ান নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই অপহরণের শিকার হয় তাদের বড় মেয়ে সামিয়া (৯)। দুর্বৃত্তরা ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অডিও বার্তা পাঠানোর দুই দিন পর সামিয়ার গলাকাটা লাশ বাড়ির পাশেই মাটি খুঁড়ে পাওয়া যায়। শোকের ছায়া নেমে এসেছে সারা গ্রাম জুড়েই।

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দাড়িয়াপুর গ্রামের এক বনের পাশের নালা থেকে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা সামিয়া দাড়িয়াপুর (উত্তর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

সরেজমিনে দেখা যায়, রঞ্জু মিয়ার বাড়িতে অসংখ্য মানুষ ভিড় জমিয়েছে। গ্রামের বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ তাদের প্রতি সমবেদনা জানাতে এসেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার আগে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গ থেকে সামিয়ার লাশ বাড়িতে আনার পর লোকজনের ভিড় আরও বেড়ে যায়।

রঞ্জু মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সবাই আমাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে। কিন্তু আমি তো সান্ত্বনা নিতে পারছি না। আমি তো শান্ত হতে পারছি না। আমার কোলে তো আর তারা ফিরে আসবে না। কারা সামিয়াকে অপহরণ করে হত্যা করতে পারে, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এলাকায় মাদকসেবী বেড়ে গেছে। আমার ধারণা, মাদকসেবীরাই আমার মেয়েকে বনের ভেতর ধরে নিয়ে খুন করেছে। যারা আমার মেয়েকে খুন করেছে, তাদের আমি শাস্তি চাই।

দাড়িয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক মোজাম্মেল হক বলেন, এমন ঘটনায় এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সবার এক কথা, এলাকার মাদকসেবীরাই এমন ন্যক্কারজনক ও লোমহর্ষক ঘটনা ঘটিয়েছে। দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া এলাকায় পাকা রাস্তা নেই। কাঁচা রাস্তায় কাদা থাকায় এ গ্রামে পুলিশ আসতে পারে না। চারপাশে বনজঙ্গল। এ পাড়া যেন মাদকসেবীদের অভয়ারণ্য।

সামিয়ার মা-বাবাকে সান্ত্বনা জানাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের এমপি) শনিবার সন্ধ্যায় ২০-২৫ জন নেতা-কর্মী নিয়ে দাড়িয়াপুরের খোলাঘাটায় আসেন। সেখান থেকে সামিয়াদের বাড়ি পর্যন্ত আধা কিলোমিটার রাস্তায় কাঁদা থাকায় সংসদ সদস্য আর যেতে পারেননি। পরে নিহত সামিয়ার বাবা-মাকে খোলাঘাটায় ডেকে এনে সেখানে তাদেরকে সমবেদনা জানান সংসদ সদস্য। তিনি সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করার সময় বেঁধে দেন।

এর আগে দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলমও সামিয়ার বাড়িতে গিয়ে রঞ্জু-রুপা দম্পতিকে সমবেদনা জানান বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, রঞ্জু মিয়া এক যুগেরও বেশি সময় কুয়েতে প্রবাসজীবন কাটিয়ে করোনার সময় দেশে ফেরেন। চার ছেলেমেয়েকে নিয়ে তার ছিল সুখের সংসার। গত বুধবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সামিয়া বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে প্রাইভেট পড়তে যায়। পড়া শেষে সহপাঠীদের সঙ্গে সে বাড়ি ফিরছিল। পথে একটি দোকানে সহপাঠীরা কেনাকাটা করতে দাঁড়ালে সামিয়া একাই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। এদিকে বাড়ি ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় মা রুপা আক্তার শিক্ষককে ফোন দিয়ে জানতে পারেন, তার মেয়ে অনেক আগেই বাড়ি চলে গেছে।

পরে মেয়েকে খুঁজতে বের হলে বাড়ির কাছাকাছি একটি স্থানে মেয়ের ব্যবহৃত জুতা পড়ে থাকতে দেখেন রুপা আক্তার। এর কিছুক্ষণ পর রঞ্জু মিয়ার মুঠোফোনে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে ইমোতে একটি অডিও বার্তা দেয় দুর্বৃত্তরা। ওই অডিও বার্তা পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পর পুলিশ বাড়ির ৪০০ গজ দূর থেকে একটি গহীন বনের পাশে মাটি খুঁড়ে সামিয়ার লাশ উদ্ধার করে।

দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সোহেল রানা বলেন, এই ওয়ার্ডে চিহ্নিত ৫০ জন মাদকসেবী রয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন মাদক ব্যবসায়ী। তাদের একটি তালিকা পুলিশকে আগেই দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পরও পুলিশকে ১০ থেকে ১২ জন মাদকসেবীর নাম দেওয়া হয়েছে। শনিবার বিকেলে পুলিশ ইনভেস্টিগেশন অব ব্যুরো (পিবিআই) তদন্তে এসে তিনজন মাদকসেবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে টাঙ্গাইল নিয়ে গেছে।

সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সালাউদ্দিন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মেয়েটিকে হত্যা করার পর বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে একটি অডিও বার্তা দেয়। এত অল্প সময়ে লাশ এমনভাবে পচে যাওয়ার কথা নয়। উদ্ধার হওয়া গলাকাটা, এক চোখ উপড়ে ফেলা লাশের ধরন দেখে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবছে। মাদকসেবীদের নজরে রেখে তদন্ত চলছে। অপরাধীরা শিগগিরই ধরা পড়বে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৩২:এএম ৩ বছর আগে
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ উপহার পেলেন এক হাজার ভাঙন কবলিত পরিবার - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ উপহার পেলেন এক হাজার ভাঙন কবলিত পরিবার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর ভাঙন কবলিত মানুষের পাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ত্রাণ নিয়ে দাঁড়িয়েছেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির।

রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার গোবিন্দাসী ও নিকরাইল ইউনিয়নের নদী ভাঙন এলাকার মানুষের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার তুলে দেন এমপি। এসময় এক হাজার দুস্থ ও ভাঙন কবিলতদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেল্লাল হোসেন, ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ্, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম তোতা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দুলাল চকদারসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।

খাদ্য সামগ্রী চাল পেয়ে খুশি পাটিতাপাড়া গ্রামের কুলসুম বেগম বলেন, বাড়িতে কিছুদিন আগে বন্যার পানি উঠেছে। কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। পানিবন্দি অবস্থায় ঘরে খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছিল। আমাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। হাতে খুব একটা টাকা-পয়সাও নাই। রবিবার এমপি আমাদের চাল উপহার দিলেন। চাল উপহার পেয়ে তাও কিছুদিন চলে যাবে। বন্যার সময় চাল পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল-২ গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির জানান, উপজেলার গোবিন্দাসী ও নিকরাইল ইউনিয়নের চরাঞ্চলের অসংখ্য পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই তাদের খোঁজ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার আরও যেসব ইউনিয়নে নদী ভাঙন এলাকা আছে তাদের পাশে দাঁড়ানো হবে। এ সময় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরে চরাঞ্চলবাসীর কাছে নৌকায় ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।