/ হোম / আমাদের
এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় জেলায় তৃতীয় হলেন আদ্রিকা - Ekotar Kantho

এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় জেলায় তৃতীয় হলেন আদ্রিকা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাণিজ্যিক এলাকা করটিয়ার আবেদা খানম গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের মুখ উজ্জল করলেন শাফিহা ইয়াসফিন আদ্রিকা (১৬)। সে এ বছর এসএসসি হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ।এছাড়া এসএসসি পরীক্ষায় টাঙ্গাইল জেলায় মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান।

শাফিহা ইয়াসফিন আদ্রিকা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া চৌধুরী পাড়া এলাকার সোয়েব হোসেন লাভলু চৌধুরী জৈষ্ঠ্য কন্যা এবং করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনুর নাতনী।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান জানান,এ বছর করটিয়া আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেন শাফিহা ইয়াসফিন আদ্রিকা। তার রোল নং ৫৫০৪৯৪, শাখা বানিজ্য। পরীক্ষায় সে জিপিএ -৫ পেয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর) রেজাল্ট সিট পাওয়ার পর নিশ্চিত হয় সে টাঙ্গাইল জেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় বানিজ্য শাখা থেকে তৃতীয়স্থান অধিকার করেছেন। এমন খবরে তার পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে খুশি ও আনন্দের জোয়ার বইছে।

জেলায় তৃতীয় স্থান অধিকারী আদ্রিকা তার অনুভুতি ব্যক্ত করে জানান, আমার ফলাফল ধারাবাহিকভাবে ভাল করতে চাই। আমার ইচ্ছা আছে বড় হয়ে একজন ভালো ব্যাংকার হতে চাই।

আদ্রিকার বাবা সোয়েব হোসেন লাভলু জানান, আদ্রিকার সাফল্য শুধু তার মেয়ের একার সাফল্য নয়,এই ফলাফল তার বিদ্যালয় ও জেলার সুনাম বয়ে এনেছে। আপনারা দোয়া করবেন আমার মেয়ে যেন ভবিষ্যতে আরও ভাল ফলাফল করে সবার মুখ উজ্জল করতে পারে।
আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান জানান, আদ্রিকা আমাদের স্কুলের অত্যান্ত মেধাবী একজন ছাত্রী। আমাদের আশা ছিল, এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় আদ্রিকা ভাল ফলাফল করবে। সে ভাল ফলাফল করে আমাদের স্কুলের মুখ সুনাম বৃদ্ধি করেছে। আশাকরি, এইচএসসি পরীক্ষায়ও সে ভাল ফলাফল করবে।

করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান,আদ্রিকার এই ফলাফলে আমি অত্যান্ত গর্বিত ও আনন্দিত। আমি তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অক্টোবর ২০২৩ ০১:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আলোচিত শিশু সামিয়া হত্যাকান্ডের মূল আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আলোচিত শিশু সামিয়া হত্যাকান্ডের মূল আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আলোচিত শিশু শিক্ষার্থী সামিয়া (৯) হত্যাকান্ডের ২২ দিন পর মূল আসামি সাব্বির হোসেনকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর)রাতে সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর)বিকেলে সখীপুর থানা কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। টাঙ্গাইল ডিবি পুলিশ ও সখীপুর থানা পুলিশের সমন্বয়ে যৌথদল এ অভিযান পরিচালনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তার সাব্বির হোসেনের উদ্ধৃতি দিয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ঋণের টাকার পরিশোধ করতে সাব্বির মুক্তিপণের পরিকল্পনা করেছিল। সে ছিল ঋণগ্রস্ত। পাওনাদার তাকে ঋণ পরিশোধে চাপ দিচ্ছিল। পাওনাদারদের কথায় অপমানও বোধ করে সে ৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিদ্ধান্ত নেয়, এমন কাউকে সে ‘অপহরণ’ করবে, যার বাবার কাছে নগদ অর্থ আছে এবং নগদ অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সে ‘মুক্তিপণ’ হিসেবে নিতে পারবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী শিশু সামিয়ার পরিবারের কাছে নগদ অর্থ আছে। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে (সামিয়া) অপহরণের সিদ্ধান্ত নেয় সাব্বির।

তিনি আরও জানান, সে পরিকল্পনা অনুযায়ী সে ঘটনার দিন (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে সামিয়া বিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলে সাব্বির তার নিজের মুদির দোকান থেকে নেমে সামিয়ার পিছু ছুটে। সামিয়া তার বাড়ির ২০০ গজ মধ্যে পৌঁছালে হঠাৎ করে পেছন থেকে তার (সামিয়া) গলার মধ্যে চেপে ধরে পাশের বাঁশ ঝাড়ের দিকে নিয়ে যায়। বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে গেলে সামিয়া বাঁচার জন্য আকুতি-মিনতি করে বলে পুলিশ সুপারকে জানায় গ্রেপ্তার সাব্বির। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলেও জানায় সাব্বির।

পুলিশ সুপারকে আরও জানায়, মুক্তিপণের জন্য সিদ্ধান্ত নিলেও, যখন সামিয়া সাব্বিরকে চিনে ফেলেছে এবং ছেড়ে দিলে তার মহাবিপদ হবে, ভেবে সে সামিয়াকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ বঁাশের পাতা দিয়ে ঢেকে রাখে।সাব্বির পুলিশ সুপারকে আরও জানায়, সকাল নয়টার মধ্যে সামিয়াকে হত্যার পর সকাল ১০টা ২৩ মিনিটে ‘ইমু’ আইডি থেকে অডিও বার্তায় ৫ লাখ টাকা ‘মুক্তিপণ’ দাবি করে সামিয়ার বাবার মোবাইলে পাঠায়।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, সাব্বির জানায় ‘সে একাই সামিয়াকে খুন করেছে’। মুক্তিপণই ছিল তার মূল পরিকল্পনা।

গ্রেফতারকৃত সাব্বির উপজেলার দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। গ্রেপ্তার সাব্বির হোসেন ও সামিয়ার বাবা প্রতিবেশী।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস)। খুনের রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারে টাঙ্গাইল ডিবি পুলিশ ও সখীপুর থানা পুলিশের সমন্বয়ে যৌথদল কাজ করছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা জানান, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। খুনের মূল ও একমাত্র আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অধিকতর তদন্ত চলছে। ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আসামি সাব্বিরকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৪১:এএম ৩ বছর আগে
এবার বাতিঘরের উদ্যোগে টাঙ্গাইল রেলস্টেশনে অণু-পাঠাগার - Ekotar Kantho

এবার বাতিঘরের উদ্যোগে টাঙ্গাইল রেলস্টেশনে অণু-পাঠাগার

একতার কণ্ঠঃ এবার বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে টাঙ্গাইলে যাত্রা শুরু করেছে স্টেশন অণু-পাঠাগার।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেলস্টেশনে এই অণু-পাঠাগার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

এই স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের বই পড়ার সুযোগ করে দিতে অর্ধ-শতাধিক বিভিন্ন ধরনের বই নিয়ে এ অণু-পাঠাগারের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

অণু-পাঠাগার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ কামাল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমুদিনী সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক, সম্মিলিত পাঠাগার আন্দোলনের সভাপতি আব্দুস ছাত্তার খান, সহ-সভাপতি ডাঃ রাজেন্দ্র দেবনাথ, কর পরিদর্শক খন্দকার মিজানুর রহমান, টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার রকিবুল হাসান, বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান প্রমুখ।

টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামী সিল্কসিটি ট্রেনের অপেক্ষমাণ যাত্রী আলতাফ হোসেন বলেন, ‘এটি খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। ট্রেনের জন্য বিভিন্ন সময় স্টেশনে অপেক্ষা করতে হয়। তখন মোবাইলে সময় অপচয় করি। অপেক্ষার এ সময়টুকু এখন আমরা বই পড়ে আনন্দের মধ্যে কাটাতে পারবো, খুবই ভালো লাগছে।

বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান জানান, যাতায়াতের পথে ট্রেনের জন্য স্টেশনে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়। এ সময় যাত্রীরা গল্পগুজব করে অলস সময় পার করেন। স্টেশনে বই পড়ার সুযোগ থাকলে যাত্রীরা বই পড়ে আনন্দে সময় কাটানোর মধ্যদিয়ে মনোজগতকে পরিশুদ্ধ করতে পারবেন। বই পড়ার এ কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। ইতোমধ্যে জেলার বেশ কয়েকটি বাজারে সেলুন অণু-পাঠাগার ও বাসস্ট্যান্ড অণু-পাঠাগার চালু করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ‘এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি’ স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌরাকররা গ্রামে ২০১০ সালে গড়ে ওঠে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস তৈরি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সেলুন, বাসস্ট্যান্ড ও স্টেশন অণু-পাঠাগার স্থাপনসহ শিক্ষামূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:২২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী’র জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী’র জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পবিত্র মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহ আলায়হি ওয়াসাল্লাম ও জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভা ও জশনে জুলুছে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন।বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল হাই।

সম্মানিত মেহমান ছিলেন বাংলাদেশ ডেন্টাল কলেজ ঢাকা সাবেক প্রিন্সিপাল শাহ্ সুফি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আমীরুল ইসলাম (পি.এইচ.ডি), আহমাদাবাদ শরীফ করটিয়ার পীর সাহেব শাহ্ সুফি সাইফুল্লাহিল ক্বাতেয়ী, আহমাদাবাদ দরবার শরীফ বুহুলী টাঙ্গাইলের পীর সাহেব শাহ্ সুিফ ক্বারী মাওলানা হাবিবুল্লাহ আল আহমাদি।

বিশেষ মেহমান ছিলেন টাঙ্গাইল সরকারি এম এম আলী কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর খন্দকার আরিফ মাহমুদ, সরকারি সা’দত কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. ছাইফুল মালেক আনসারী, পিচুরিয়া দরবার শরীফের পীর সাহেব শাহ সুফি আহমাদ আলী, দেলদুয়ার মৌলভীপাড়া শাহীবাগ দরবার শরীফের পীর সাহেব শাহ্ হারুন-অর-রশিদ।

জেলা ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির সভাপতি ও হাজিবাগ দরবার শরীফের খাদেম অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল কদ্দুস খসরু সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর আল কাদেরী, দেলদুয়ার আলালপুর ফাজিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা শাহ সুফি আব্দুল ওহাব সিরাজী।

সরকারি এম এম আলী কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগি অধ্যাপক আলী আশরাফ খান আর গাউছিয়া কমিটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোর্শেদ আলম মাসুদের সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিম প্রমুখ।

মহানবীর জন্মদিনের আলোচনা শেষে পৌর উদ্যান থেকে বেলা ১২টায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে জশনে জুলুছের একটি বিশাল র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূনরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর খাদিজা হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর খাদিজা হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ খাদিজা আক্তার (২৩) হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার কথিত স্বামী রাশেদকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৪)।

বৃহস্পতিবার( ২৮ সেপ্টেম্বর)ভোরে ঢাকার সাভারের আমতলীর মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত রাশেদুল ইসলাম (৩৫) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের নলখোলা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানি অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৪ ও র‌্যাব-১ এর যৌথ একটি দল অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ খাদিজা হত্যা মামলার প্রধান আসামি রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যা কান্ডের পর থেকে রাশেদ পলাতক ছিল।

তিনি আরও জানান,খাদিজা আক্তার ও রাশেদ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে টাঙ্গাইল শহরের বটতলা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। হত্যাকাণ্ডের পর তাদের বিয়ের বিষয়টি খাদিজা আক্তারের পরিবারের লোকজন জানতে পারেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর খাদিজা আক্তারের কোন খোঁজ খবর না পেয়ে পরিবারের লোকজন বাসায় গিয়ে রুমের দরজা তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পরিবারের লোকজন ও বাসার মালিকসহ তালা ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। ঘরে ঢুকে তারা খাদিজা আক্তারকে খাটের উপরে পড়ে থাকতে দেখতে পান।

এসময় খাদিজার পায়ের গোড়ালীর পিছনের রগ কাটা ছিল। ঘটনার পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর খাদিজা আক্তারের বড় ভাই ইমান আলী (২৫) বাদী হয়ে রাশেদুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাশেদুল ইসলাম জানায়, মুন্নি আক্তার নামে তার স্ত্রী ও ৩ সন্তান রয়েছে। খাদিজা আক্তারের সম্পর্কের কথা এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্বের স্ত্রীর সাথে তার মনোমালিন্য ছিল। খাদিজাকে নিয়ে সংসার করা অবস্থায় খাদিজা আক্তারও রাশেদের কাছে টাকা দাবি করেন।বারবার টাকা দাবি করায় এক পর্যায়ে রাশেদ উত্তেজিত হয়ে খাদিজাকে হত্যা করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:৪৪:এএম ৩ বছর আগে
বিশেষ বর্ধিত সভায় আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল মধুপুর আওয়ামী লীগের বিভক্তি - Ekotar Kantho

বিশেষ বর্ধিত সভায় আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল মধুপুর আওয়ামী লীগের বিভক্তি

একতার কণ্ঠঃ বিশেষ বর্ধিত সভার মধ্য দিয়ে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল টাঙ্গাইলের মধুপুর আওয়ামী লীগের বিভক্তি। উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে অনুষ্ঠিত হয় ‘বিশেষ বর্ধিত সভা’। কিন্তু তাতে উপস্থিত ছিলেন না দলটির উপজেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অনেক নেতা।

মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান ওরফে আবু খাঁ টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে ঘোষণা দেন। গত মে মাসে এ ঘোষণা দেওয়ার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভক্তি প্রকাশ হতে থাকে। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। তাঁর অনুসারীরা সরোয়ার আলম খানের প্রার্থিতাকে ভালোভাবে নেননি। এ নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগে বিভক্তি বাড়তে থাকে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি ও সরোয়ার আলম খান গত ২৩ জুন সমাবেশের আয়োজন করেন। ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারীদের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। এর পর থেকে দুই পক্ষের ‘মুখ দেখাদেখি’ বন্ধ হয়ে যায়।

আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইয়াকুব আলী, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর ফরহাদুল ইসলাম ও সাদিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গতকালের বিশেষ বর্ধিত সভা ডাকা হয়।

মধুপুর অডিটরিয়ামে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তাঁদের অনুসারীরা অংশ নেননি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের নামে বিশেষ বর্ধিত সভা ডাকা হয়েছে। কিন্তু আমরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কিছুই জানি না। যাঁরা এই সভা ডেকেছেন, তাঁরা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের জানানো হবে।’

সভা সূত্র জানায়, বিশেষ বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইয়াকুব আলী।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইয়াকুব আলী গণমাধ্যমকে বলেছেন, বিশেষ বর্ধিত সভা সফল হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এবং ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দু-একজন অনুসারী ছাড়া সব নেতা-কর্মী আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল।

তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান বলেছেন, অনেক নেতাদের ভয় ও লোভ দেখিয়ে বর্ধিত সভায় নেওয়া হয়েছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আলোচনা করে খুব শিগগিরই উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ডাকবেন।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা বলেছেন, মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-১ আসনে ২০০১ সালে আব্দুর রাজ্জাক দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে তিনি সংসদ সদস্য হন। দুবার তিনি মন্ত্রীও হয়েছেন। মধুপুরে দলীয় ও সরকারি বিভিন্ন বিষয়ে আব্দুর রাজ্জাক দায়িত্ব দিয়ে রাখতেন সরোয়ার আলম খানকে। একসময় সরোয়ার দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে মে মাসে ঘোষণা দেন। গণমাধ্যমে কৃষিমন্ত্রীকে কটুক্তি করে বক্তব্য দেন। এর পর থেকেই দলীয় কোন্দল প্রকাশ পায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৫২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকের চাপায় মনিরা আক্তার(১৭) নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কুশারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মনিরা আক্তার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের সরাবাড়ী কাজলা গ্রামের মান্নান মিয়ার মেয়ে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৪জন।হতাহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিল।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, মনিরা ও তার তিন বান্ধবী ধলাপাড়া পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা শেষে অটোরিকশা যোগে করে বাড়ি ফিরছিল।

তিনি আরও জানান,পথে ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের সন্ধানপুর ইউনিয়নের কুশারিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের বহনকারী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মনিরা আক্তার নিহত হন।আহত হয় তার তিন বান্ধবীসহ অটোরিকশার চালক।

তিনি জানান,স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৪১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে হাত বেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে হাত বেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ওড়না দিয়ে হাত বেঁধে ও মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক শফিকুল ইমলামকে (৩০) গ্রেফতার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল ইসলাম উপজেলার যমুনার চরাঞ্চলের গাবসারা ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে। সে দুই সন্তানের জনক।

এরআগে সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ওড়না দিয়ে হাত বেঁধে ও মুখ চেপে ধরে শফিকুল জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং হাত বেঁধে রেখে পালিয়ে যায়। এসময় ডাক-চিৎকারে তার মা ও বড় বোন এসে ওড়না দিয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে।

এ বিষয়টি পরে কিশোরী তার বাবাকে জানালে মা ও বড় বোনকে সাথে নিয়ে শফিকুলের বাড়িতে গিয়ে ঘটনা বললে শফিকুলের পরিবারের লোকজন রাতে শফিকুলকে সাথে নিয়ে তাদের বাড়িতে এসে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং উপর্যুক্ত বিচার করে দেবে বলে আশ্বাস দেয়। পরে বিচারের কথা বলে তালবাহানা করতে থাকে তারা।

এ প্রসঙ্গে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি )মো. আহসান উল্লাহ্ জানান, প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা সোমবার রাতে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে রাতেই ধর্ষক শফিকুলকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে সে। মঙ্গলবার তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:১৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাঁচাবাজারে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা; প্রতিবাদে দোকান বন্ধ করে মিছিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাঁচাবাজারে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা; প্রতিবাদে দোকান বন্ধ করে মিছিল

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কাঁচাবাজারে সরকার নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত দামে আলু ও পেঁয়াজ বিক্রির অপরাধে ৫ ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা সদরের কাঁচাবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই জরিমানা করা হয়।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও )শাকিলা বিনতে মতিন মির্জাপুর কাঁচাবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে আলু ও পেঁয়াজ বিক্রি করায় ব্যবসায়ী মামুন মিয়াকে ৫ হাজার, মোছলেম মিয়াকে ৩ হাজার, মাজম আলীকে ২ হাজার, আব্দুল মান্নানকে ২ হাজার ও মোঃ হোসনকে ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

পরে ব্যবসায়ী মামুন মিয়া, তার ভাই মনজু মিয়া ও মোছলেম মিয়া মিলে কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ করার নির্দেশ দেন এবং প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেওয়ার জন্য হুমকি দেন বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন। এ অবস্থায় কাঁচাবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এতে বাজারে গিয়ে বিপাকে পড়েন ক্রেতারা। প্রয়োজনীয় কাঁচামাল কিনতে না পেরে অনেকেই ফিরে যান।

পরে বাজারের ইজারাদার কমিটির সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক বাজারে যান এবং সব ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে পুনরায় দোকানপাট চালু করেন।

মির্জাপুর বাজার ইজারাদার কমিটির সভাপতি রাঙ্গা শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন জানান, বাজারের ব্যবসায়ী মামুন মিয়াসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে আলু বিক্রি করছিলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন। বাজারের পরিবেশ নষ্ট করতে মামুন মিয়াসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী বিভিন্ন অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। সাধারণ ব্যবসায়ীদের মামুন মিয়া ও তার ভাইসহ তাদের লোকজন হুমকি দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করান বলে ব্যবসায়ীরা তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে।

এছাড়া তাৎক্ষণিক ইজারাদার কমিটির সদস্যরা বাজারে গিয়ে ব্যবসায়ীদের আতঙ্কিত না হয়ে পুনরায় দোকানপাট খোলার নির্দেশ দিয়েছেন বলে তারা জানান।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক শাকিলা বিনতে মতিন বলেন, ইতিপূর্বে তাদের সতর্ক করা হয়েছিল। অতিরিক্ত দামে আলু ও পেঁয়াজ বিক্রির অপরাধে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:১২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল পুলিশের ৭২ ঘন্টার টানা অভিযান; সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল পুলিশের ৭২ ঘন্টার টানা অভিযান; সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানা পুলিশের টানা ৭২ ঘন্টার বিশেষ অভিযানে শরিফুজ্জামান সোহাগ (৪০) নামে দেড়কোটি টাকা অর্থদণ্ড প্রাপ্ত এক পলাতক আসামীকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত শরিফুজ্জামান সোহাগ কালিহাতী উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের সল্লা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে।

পুলিশ জানায়,টানা ৭২ ঘন্টা অভিযানের পর সোমবার(২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এসআই আল আমিনের নেতৃত্বে এএসআই মনিরুজ্জামান ও এএসআই আশিকুজ্জামান বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা এলাকা হতে ৫ টি সিআর সাজা ও ৩ টি সিআর গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ দেড় কোটি টাকা অর্থদণ্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামী শরিফুজ্জামান সোহাগকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ফারুক জানান, আসামী শরিফুজ্জামানের সোহাগ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও অর্থদণ্ড জারির পর দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। পরে টানা ৭২ ঘন্টা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা এলাকা হতে সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে মঙ্গলবার(২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আদালতের সোপর্দ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
বিএনপি নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়ছে- কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বিএনপি নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়ছে- কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, বিএনপি নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়ছে। আপনারা যে কবরে পা দিয়েছিলেন, সেখান থেকে এখনও উঠতে পারেন নাই। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে আন্দোলন করছেন। হরতাল, সন্ত্রাসসহ দেশকে অস্থিতিশীল করছেন। আপনাদের আন্দোলন সংগ্রামে এ দেশের জনগণ নাই। আওয়ামী লীগ উন্নয়ন করেছে, জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় রাখবেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের আরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিএনপি-জামায়াতের সংগ্রাম লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। বিএনপি যে ভয় দেখাচ্ছে এই ভয় জানি আমাদের আক্রমণ ও গ্রাস না করতে পারে। আমরা তাদের রাজপথে থেকেই মোকাবেলা করবো। অতীতেও করেছি রাজপথে থেকে আগামীতেও তাদের প্রতিহত করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের শান্তি দিয়েছে, জীবনের নিরাপত্তা দিয়েছে, ব্যবসা বাণ্যিজের নিশ্চয়তা দিয়েছি।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা অডিটরিয়ামে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা জাতীয় নির্বাচনের জন্য কর্মীরা প্রস্তুত থাকবো। পাশাপাশি আন্দোলনের জন্যও রাজপথে থাকবো। এভাবেই নির্বাচনের প্রস্তুতিও চলবে। নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে তুলে ধরা হবে। জনগণকে বুঝাবো আওয়ামী লীগ সরকারের প্রয়োজনীয়তা। উন্নয়নের গল্প কাহিনী সারা পৃথিবীর মানুষ জানে। সেগুলো আমরা দেশবাসীর মাঝে তুলে ধরবো। সাথে সাথে বিএনপির ষড়যন্ত্র, হুমকি বিদেশীদের দিয়ে ষড়যন্ত্র সব কিছুতে মোকাবেলা করবো। আওয়ামী লীগের শক্তি এদেশের জনগণ। যুক্তরাষ্ট্র, আমেরিকা, লন্ডন আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস না। আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস তৃণমূলের সাধারণ কর্মীরা। আওয়ামী লীগের ক্ষমতা কোন বাহিনী নয়, আওয়ামী লীগ কখনও ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসে নাই। আমাদের জনগণই শক্তি, এই শক্তিকে নিয়ে পৃথিবীর যে কোন শক্তিকে নিয়ে আমরা মোকাবেলা করার যোগ্যতা রাখি।

মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বাপ্পু সিদ্দিকী, পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সাদিক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ নাসির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খন্দকার আব্দুল গফুর মন্টু, ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি প্রমূখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১২:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
ঘাটাইলে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতিসহ ৪জন কারাগারে - Ekotar Kantho

ঘাটাইলে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতিসহ ৪জন কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সরকারি কাজে বাধা ও সরকারি কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগে দেওপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতিসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।টা

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, আসামীদের ঘাটাইল-বাসাইল আমলী আদালতে উপস্থিত করে জামিন চাওয়া হয়। পরে আদালতের বিচারক ইসমত আরা তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাদের ঘাটাইল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানা যায়, টাঙ্গাইল চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জারিকারক মোশারফ হোসেন রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়ার শামসুল হকের স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের সমন জারী করার জন্য যাচ্ছিলেন। দেওপাড়া ভাঙা ব্রিজের কাছে পৌঁছলে অভিযুক্তরা মোশারফ হোসেনের পথরোধ করে। মোশারফের কাছে ১০০ টাকা দাবি করলে তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে মোশারফ হোসেনকে মারধর করে অভিযুক্তরা। সেখান থেকে রক্ষা পেয়ে বিষয়টি তিনি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে অবগত করেন। পরে ঘাটাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উজ্জল সিকদার, মো. আলম ও নাজমুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পরবর্তীতে আব্দুল মতিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মোশারফ হোসেন বাদি হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ঘাটাইল থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, আসামীদের ঘাটাইল-বাসাইল আমলী আদালতে উপস্থিত করে জামিন চাওয়া হয়। পরে আদালতের বিচারক ইসমত আরা তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৭:৪৮:পিএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।