/ হোম / সদর
টাঙ্গাইলে অধিক দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি: তিন ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অধিক দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি: তিন ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে এই অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল ।

আসাদুজ্জামান রুমেল জানান ,বিক্রয় রশিদ না থাকায় এবং অধিক দামে বিক্রি করার দায়ে সদর উপজেলায় করটিয়া ইউনিয়নের গড়াসিন বাজারে জামান ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার টাকা, একই ইউনিয়নের কুমুল্লি বাজারের আসমা ট্রেডার্সকে ১ লাখ টাকা এবং করটিয়া বাজারের আজাদ ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে কজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল বলেন, জেলায় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক দামে বিক্রি করছে।

ফলে ভোক্তা পর্যায়ে বাধ্য হয়ে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে তিন থেকে চারশো টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার সংগ্রহে বাধ্য হচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান অত্যন্ত সময়োপযোগী ও যোক্তিক। প্রান্তিক পর্যায়ের ভোক্তারা যেন সরকার নির্ধারিত দামে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে পারে সে ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

অভিযানে সদর উপজেলার সেনেটারি ইন্সপেক্টর সাহিদা আক্তারসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৬ ০৪:৪১:পিএম ১ মাস আগে
এবার উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণ ভোট দেবে: টুকু  - Ekotar Kantho

এবার উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণ ভোট দেবে: টুকু 

আরমান কবীরঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার দেশের মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিজের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দীর্ঘদিন পর দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। এবার উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণ ভোট দেবেন।

এখন পর্যন্ত প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবার জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা জরুরি। প্রশাসন সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে, এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে টুকু আরও বলেন, জনগণ সুযোগ দিলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও কিশোরগ্যাংমুক্ত করে একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তোলা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী, টাঙ্গাইল-২(ভূঞাপুর–গোপালপুর) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুস সালাম পিন্টু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর বিএনপি থেকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে ২১ ডিসেম্বর তিনি জেলা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন এবং ২৯ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

উল্লেখ্য, প্রথমবারের মতো টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৬ ০২:০৯:এএম ১ মাস আগে
টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে পর ২৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শনিবার ও শুক্রবার দুই দিনের যাচাই-বাছাইয়ে এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের আটটি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মোট ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ত্রুটি ও শর্ত পূরণ না করায় ২৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর মধ্যে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চারটি আসনের নয়জন এবং শনিবার (৩ জানুয়ারি) বাকি চারটি আসনের ১৯জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিভিন্ন কারণে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তারা হচ্ছেন- গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, খেলাফতে মজলিসের হাসনাত আল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির হাসরত খান ভাসানী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলমুয়ার) আসনে আসনে মোট ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী জুয়েল সরকার, রিপন মিয়া, শরিফুল ইসলাম, সাইফুর রহমান ও জাতীয় পার্টির মো. মামুনুর রহিম।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটিএম রেজাউল করীম আল রাজি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ হায়দার খান, খেলাফত মজলিসের মো. আবু তাহের।

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির আওয়াল মাহমুদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল ফজল মাহমুদুল হক, এসএম হাবিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান কামাল, আমজনতা দলের মো. আলমগীর হোসেন, খেলাফত মজলিসের মো. শহিদুল ইসলাম।

এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চারটি আসনের নয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোন্তাজ আলী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারুন অর রশীদের মনোনয়ন বাতিল হয়। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনোয়ার হোসেন সাগরের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার ও শাহজাহান মিয়া।টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিঞা ও ডা. শাহ আলম তালুকদারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, দুই দিনের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিলের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি, আয়-ব্যয়ের সত্যায়িত কপি জমা না দেওয়া, সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা এবং অবসর পরবর্তী নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হওয়া। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৬ ১২:০৬:এএম ১ মাস আগে
টাঙ্গাইল সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শরীফা হকের কাছে তার মনোনয়ন পত্র জমা দেন।

এসময় ফরহাদ ইকবালের মনোনয়ন পত্রের প্রস্তাবকারী, সমর্থনকারী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার পর ফরহাদ ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মানুষ সদর উপজেলার ছেলেকেই এমপি নির্বাচিত করতে চায়। সদর উপজেলাবাসীর চাওয়া কে শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি। আমি এখনও বিশ্বাস করি দলীয় নেতৃবৃন্দ তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে আমাকেই সমর্থন দিবে। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী টাঙ্গাইল সদরের জনগন ব্যালট বিপ্লব ঘটিয়ে আমাকে বিজয়ী করবে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

 

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. ডিসেম্বর ২০২৫ ০১:২৮:এএম ২ মাস আগে
মডেল টাঙ্গাইল গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু - Ekotar Kantho

মডেল টাঙ্গাইল গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

আরমান কবীরঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শরীফা হকের কাছে তিনি তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী।

মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত, কিশোর গ্যাংমুক্ত, নিরাপদ ও আধুনিক টাঙ্গাইল গড়ার যে অঙ্গীকার তিনি করেছেন, ইনশাআল্লাহ সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করবেন। জনগণের ভালোবাসা ও দোয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত হলে টাঙ্গাইল সদরকে উন্নয়ন ও সুশাসনের ক্ষেত্রে একটি মডেল টাঙ্গাইল হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ। আগামী দিনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধানের শীষের পক্ষে সব ভেদাভেদ ভুলে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। ব্যক্তি নয়, দল বড়- আর দলের চেয়েও দেশ বড়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই আদর্শ বুকে ধারণ করেই আমরা সামনে এগিয়ে যাব।

তিনি সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর বিএনপি থেকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে ২১ ডিসেম্বর তিনি জেলা নির্বাচন অফিস থেকে জেলা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

এদিকে,সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মনোনয়নপত্র দাখিলকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

উল্লেখ্য, প্রথমবারের মতো টাঙ্গাইল-৫ সদর আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে প্রায় ৩৫০টি হয়রানিমূলক মামলার মুখোমুখি হতে হয় এবং ১২ দফা কারাভোগ করেন। এ সময়ে তিনি মোট প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে ছিলেন এবং টানা ৪৬ দিন রিমান্ডে থাকতে হয় তাকে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:৫৬:এএম ২ মাস আগে
এনসিপি ছাড়ার ঘোষণা মওলানা ভাসানীর নাতির - Ekotar Kantho

এনসিপি ছাড়ার ঘোষণা মওলানা ভাসানীর নাতির

আরমান কবীরঃ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির কৃষক উইং এর প্রধান সমন্বয়কারী ও মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি আজাদ খান ভাসানী।

রবিবার (২৮ ডিসেম্বর )রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।তিনি জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা ও মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক আদর্শের পক্ষাবলম্বনই আমার কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের হাত ধরে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে আমি যুক্ত হয়েছিলাম। শুরু থেকেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে মহান মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত লড়াইয়ের এক ধারাবাহিক অধ্যায় হিসেবে আত্মস্থ করেছি। তেপ্পান্ন বছরের পুঞ্জীভূত বৈষম্য, শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সংগ্রামে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখাই ছিল আমার সেই পথচলার প্রেরণা।’

তিনি আরও বলেন, ‘মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দেখানো গণমানুষনির্ভর, আধিপত্যবাদ-সাম্রাজ্যবাদ ও বৈষম্যবিরোধী পালনবাদী রাজনীতির স্বপ্ন থেকেই প্রথমে জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সঙ্গে যুক্ত হই। সেই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় দলের কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্বও গ্রহণ করি।’

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, বাস্তব অভিজ্ঞতায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা, গণমানুষের প্রতি দরদ ও ত্যাগের যে গভীরতা প্রয়োজন এখানে তার স্পষ্ট ঘাটতি আমি অনুভব করেছি। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও প্রত্যাশিত সাফল্য দেখা যায়নি।’

মওলানা ভাসানীর নাতি বলেন, ‘এই বাস্তবতায় বেশ কিছুদিন ধরে সরাসরি সক্রিয় না থেকেও দলটির সঠিক রাজনীতি ও সাফল্য কামনা করে গেছি। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা ও মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক আদর্শের পক্ষাবলম্বনই আমার কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই দায় ও আদর্শের প্রতি অবিচল থাকতেই আজ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সঙ্গে আমার আনুষ্ঠানিক সম্পর্কচ্ছেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছি।’

তিনি বলেন, ‘এনসিপির সঙ্গে আমার এই স্বল্পকালীন পথচলায় কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। তারুণ্যের অভিযাত্রী দলটির প্রতি রইলো আন্তরিক শুভকামনা। গণমানুষের রাষ্ট্র বিনির্মাণের সংগ্রামে তারা যেন সঠিক পথ খুঁজে পায় এই প্রত্যাশাই থাকলো।’

এর আগে এ বছরের গত ৬ সেপ্টেম্বর এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর অনুমোদনক্রমে কৃষক উইংয়ের প্রস্তুতি কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে প্রধান সমন্বয়কারী করা হয়েছিল আজাদ খান ভাসানীকে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. ডিসেম্বর ২০২৫ ০৪:৫৫:পিএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে একসঙ্গে বিএনপি’র মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সহোদর দুই ভাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে একসঙ্গে বিএনপি’র মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সহোদর দুই ভাই

সাহান হাসানঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপি’র মনোনীত দুই এমপি পদপ্রার্থী সহোদর দুই ভাই একসঙ্গে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। টাঙ্গাইল সদরকে ঐক্যবদ্ধ করে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই তার লক্ষ্য।

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসনে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে তার ছোট ভাই কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা নিজ নিজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

এ সময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল, যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. আজগর আলী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। টাঙ্গাইল সদরকে ঐক্যবদ্ধ করে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই তার লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, আবদুস সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী এবং ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগ করেছেন।

অন্যদিকে, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবারই প্রথম টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দলীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫০টি মামলা হয়। তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে ১২ দফা কারাভোগ করেন। তিনি প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে ছিলেন। এছাড়া টানা ৪৬ দিন রিমান্ডেও থাকতে হয় তাকে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ডিসেম্বর ২০২৫ ০৯:৫৯:পিএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ওসমান হাদির খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ওসমান হাদির খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

আরমান কবীরঃ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির খুনিদের ফাঁসির দাবিতে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ এবং বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঢাকা
-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নগরজলফৈ বাইপাসে গিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে।

পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জুমআ’র নামাজ শেষে টাঙ্গাইল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে অবস্থান নেয়।

পরে বেশ কিছুক্ষণ যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে ছাত্রজনতা। এ সময় মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধ তুলে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাবেশ করা হয়।

সমাবেশে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতারা অবিলম্বে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. ডিসেম্বর ২০২৫ ০২:০১:এএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সীমানা বিরোধের জেরে মামলা,প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বাদীর পরিবার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সীমানা বিরোধের জেরে মামলা,প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বাদীর পরিবার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী গ্রামে বসতভিটার সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা ও প্রাণনাশের হুমকিতে বাদী পরিবার বর্তমানে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ডিসেম্বর( বুধবার) বিকেলে কুইজবাড়ী গ্রামের বাদীর বাড়িতে তাদের শরিক অভিযুক্ত জাহিদ, শহিদ, তাদের পিতা হামেদ আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩–৪ জন সংঘবদ্ধ হয়ে বাদীর মা অনামিকা বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এ সময় অনামিকা বেগম প্রতিবাদ করলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে তাড়া করে বসতঘরে ঢুকে জোরপূর্বক টেনে-হেঁচড়ে বাড়ির উঠানে নিয়ে আসে এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও তলপেটে লাথি মারতে থাকে।

একপর্যায়ে অভিযুক্ত জাহিদ অনামিকা বেগমের তলপেটে সজোরে লাথি দিলে তার পূর্বের সিজারিয়ান অপারেশনের সেলাই ছিঁড়ে গুরুতর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় বিবাদীরা তার পরনের কাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটায়।

অনামিকা বেগমের চিৎকারে তার স্বামী জাহিদুর রহমান এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। অভিযুক্ত জাহিদ ও শহিদ তার ডান চোখে আঘাত করে চোখ নষ্ট করার চেষ্টা করলে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। চার দিন চিকিৎসা শেষে আহতদের ছেলে রাব্বি বাদী টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ দায়েরের পর বিবাদীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বাদী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে বাদী পরিবার, ঘরবাড়ি ছেড়ে কালিহাতী উপজেলার চিনামুড়া এলাকায় আশ্রয় নেয়।

আহত জাহিদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, হামলার একপর্যায়ে অভিযুক্ত জাহিদ বসতঘরে ঢুকে ট্রাংক ভেঙে নগদ ৮০ হাজার টাকা লুট করে এবং অভিযুক্ত শহিদ তার স্ত্রীর গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।

অনামিকা বেগম বলেন, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও বিবাদীরা আমাদের ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তারা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা বর্তমানে বাড়িছাড়া।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি অবগত আছেন এবং গ্রাম্য শালিসে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে বাদী পরিবার এলাকা ছাড়া রয়েছে এবং তাদের নিরাপদে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (উপপরিদর্শক) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমীন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:০১:পিএম ২ মাস আগে
একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে: সালাউদ্দিন টুকু  - Ekotar Kantho

একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে: সালাউদ্দিন টুকু 

আরমান কবীরঃ একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

মঙ্গলবার(১৬ ডিসেম্বর )সকাল সাড়ে ৯টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে আয়োজিত বিজয় র‍্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে জেলা বিএনপি এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সেখান থেকে একটি বিজয় র‍্যালি বের করা হয়, যা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর উদ্যানে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত এবং ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে।

টুকু অভিযোগ করেন, আজ আমরা দেখছি একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। গতকাল বিভিন্ন জায়গায় তারাই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। যারা ঘাতক, তারাই আবার আলোচনা করে।

আগামী দিনের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান যে স্লোগান দিয়েছেন ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই চেতনাকে বুকে ধারণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান বীরের বেশে দেশে ফিরবেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশের মানুষ আগামী বিজয় দিবস উদযাপন করবে।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে টুকু বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি গুলিবিদ্ধ হাদি ও এরশাদ উল্লাহর ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, যারা গুপ্ত সংগঠন, তারাই এই কাজগুলো করে যাচ্ছে। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং সকল মতভেদ ভুলে গিয়ে ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

এ সময় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবালসহ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ডিসেম্বর ২০২৫ ০৯:৪২:পিএম ২ মাস আগে
বিজয় দিবসে টাঙ্গাইল প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের শ্রদ্ধা - Ekotar Kantho

বিজয় দিবসে টাঙ্গাইল প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের শ্রদ্ধা

আরমান কবীরঃ মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল জেলা সদরে জনসেবা চত্বরের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়েই আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাদের আদর্শ ধারণ করেই গণতন্ত্র, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, সহ-সভাপতি রঞ্জন কৃষ্ণ পণ্ডিত ও আরমান কবীর সৈকত, সাধারণ সম্পাদক আবু জোবায়ের উজ্জ্বল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান মোস্তফা ও আব্দুস সাত্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল হাসান বাবু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও সুলতান কবীর, কার্যকরী সদস্য নাহার চাকলাদার ও মো. কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুরে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে আলোচনায় সভা ও মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ডিসেম্বর ২০২৫ ০৮:২৪:পিএম ২ মাস আগে
ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র বিক্ষোভ সমাবেশ  - Ekotar Kantho

ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র বিক্ষোভ সমাবেশ 

আরমান কবীরঃ রাজধানীতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে একটি বিক্ষোভ বের হয়। বিক্ষোভ মিছিলে জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়।

কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিক্ষোভ মিছিলটি নেতৃত্বে দেন।

মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন,বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

এ সময় টুকু বলেন, যারা এদেশে মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব চায় না, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য করে নির্বাচনকে বানচাল করতে চায় তারাই শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলি চালিয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আমাদের এ ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াতে হবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র একমাত্র বিএনপির কাছে নিরাপদ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিএনপির সাথে রয়েছে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বে দিয়ে ফ্যাসিবাদের বিদায় করেছেন। আজ সমগ্র বাংলাদেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে স্বৈরাচার ও দোসরদের বিরুদ্ধে। আমরা শত শহীদের বিনিময়ে অর্জিত এই গণতন্ত্র যে কোনো মূল্যে রক্ষা করবো ইনশাল্লাহ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:৪৬:পিএম ২ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।