/ হোম / জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর কাছে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই সনদ হস্তান্তর - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রীর কাছে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই সনদ হস্তান্তর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শাড়িসহ সদ্য নিবন্ধিত তিনটি পণ্যের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে পণ্য তিনটির সনদ হস্তান্তর করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। সকাল ১০টায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকের শুরুতেই শিল্প মন্ত্রণালয়ের নকশা ও ট্রেডমার্ক বিভাগের টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা এবং গোপালগঞ্জের রসগোল্লার জিআই সার্টিফিকেট এবং টাঙ্গাইলের শাড়ি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন শিল্পমন্ত্রী।

শিল্পমন্ত্রী ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা সনদের সঙ্গে একটি টাঙ্গাইল শাড়িও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

নতুন তিনটি পণ্যসহ বাংলাদেশের মোট ২২টি পণ্য জিআই সনদ পেল।

আগে নিবন্ধিত পণ্যগুলো হলো- জামদানি শাড়ি, বাংলাদেশের ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ, বাংলাদেশের কালোজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহীর সিল্ক, ঢাকার মসলিন, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা ও কুমিল্লার রসমালাই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৫৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাগমারী সম্মেলনের ৬৭ বছর উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাগমারী সম্মেলনের ৬৭ বছর উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের ৬৭ বছর উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব।

মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. আবু আসলাম মিন্টু, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট নেতা আবুল কাশেম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ভাসানী ফাউন্ডেশনের ছাত্র, যুব ও সাংস্কৃতিক নেতা-কর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ তাৎপর্য জাতীয় সম্মেলন। যা পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বিশেষ ইঙ্গিতবহ ভূমিকা রেখেছিল। ১৯৫৭ সালের ৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার কাগমারীতে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৩৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি মিলল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি মিলল

একতার কণ্ঠঃ সম্প্রতি টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই (জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশন) বা ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের হস্ত শিল্প দফতর। এরপরেই তা নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে।

এরইমধ্যে বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে টাঙ্গাইল শাড়িকে স্বীকৃতি দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর (ডিপিডিটি)।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ইতোমধ্যে ভারত টাঙ্গাইল শাড়িকে তাদের জিআই পণ্য ঘোষণা করায় আইনগত বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশনের মাধ্যমে (ডাব্লিউআইপিও) সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে।

এরআগে, মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেতে মন্ত্রণালয়ে ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন করেছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম।

গেল ২ জানুয়ারি ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির ভৌগলিক নির্দেশকের সত্ত্ব পেয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার ফুলিয়া। আর এটাও সত্য যে, টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি পৃথিবী বিখ্যাত এবং সবারই জানা এর ভৌগলিক অবস্থান বাংলাদেশেই।

এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ফুলিয়ার তাঁত শিল্পীরাও বিব্রত। যেমন- ২০২১ সালে তাঁত শিল্পের জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বীকৃতি পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত তাঁত শিল্পী বীরেন কুমার বসাক, যার পূর্বপুরুষের বাড়ি বাংলাদেশের টাঙ্গাইলে, তিনিও কিছুটা অবাক হয়েছেন।

তার ভাষায়, ‘বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দুই সরকারের দেখা উচিত।’ তবে তিনি যোগ করেন, ‘যেহেতু ফুলিয়া-টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়িতে জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে, তাই তারা এটা নিয়ে খুশি।’

বীরেন কুমার বসাক নিজেই স্বীকার করে বললেন, টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির উৎস বাংলাদেশের টাঙ্গাইলের জেলাতেই। আর ফুলিয়ার প্রায় সব তাঁতিই এসেছেন পূর্ববঙ্গ থেকে।

ফুলিয়া প্রগতিশীল তন্তুবায় সমিতির কর্মকর্তা অশ্বীনি কুমার বসাক জানালেন, মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন ফুলিয়াতে। এসে যুক্ত হয়েছেন তাঁত শিল্প উন্নয়নের কাজে। এই সমবায়ে প্রায় ৪০৫ জন তাঁত শিল্পী রয়েছেন। যদিও করোনার পর অনেকেই এখন এই পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির জিআই পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে খোদ টাঙ্গাইলে তার বন্ধু-স্বজনরাও ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:৩৭:এএম ২ বছর আগে
অবশেষে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বত্ব পেতে আবেদন - Ekotar Kantho

অবশেষে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বত্ব পেতে আবেদন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শাড়ির জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) স্বত্ব পেতে আবেদন করেছেন জেলা প্রশাসক।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর এ আবেদন করা হয়।

মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান জেলা প্রশাসক। দ্রুতই আবেদনটি কার্যকর করা হবে বলেও জানান তিনি।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি প্রকৃতপক্ষে যেকোনো বিচারে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবিদার। আমরা বিগত তিন মাস ধরে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভের জন্য ডকুমেন্টেশন কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। মঙ্গলবার আমরা আবেদন করেছি। মূলত শাড়িটির ইতিহাস, এর সাথে সংশ্লিষ্ট মানুনের জীবন জীবিকার তথ্যটি, আড়াইশ’ বছরের ইতিহাসের তথ্যাদি সংগ্রহ করে ডকুমেন্টেশন তৈরি করে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই টাঙ্গাইল শাড়ি নামে জিআই স্বীকৃতি পাব।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পরে ‘ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন’-এর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আপিল করব। ভারত ‘টাঙ্গাইল শাড়ি অব বেঙ্গল’ নামে যে জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে, এটি বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমরা পুরোপুরি আশাবাদী টাঙ্গাইল শাড়ি চূড়ান্ত বিচারে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি নিয়ে আসতে পারব।

প্রকাশ, বাংলাদেশের বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ির উৎস পশ্চিমবঙ্গ- সম্প্রতি এমনটা দাবি করে ভারতীয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। বিতর্কিত দাবিটি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল পেজে একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে করা হয়েছিল, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।

পোস্টে দাবি করা হয়, “টাঙ্গাইল শাড়ি, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উদ্ভূত একটি ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা মাস্টারপিস। সূক্ষ্ম উপস্থাপন, প্রাণবন্ত রং এবং জটিল বুননের জন্য শাড়িটি বিখ্যাত, এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। প্রতিটি টাঙ্গাইল শাড়ি দক্ষ কারুকার্যের প্রমাণ; এটি ঐতিহ্য এবং কমনীয়তাকে একত্রিত করে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সারাদেশের মানুষ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:৩২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। হতাহতরা সবাই প্রাইভেটকারের যাত্রী ছিল।

নিহতদের মধ্য প্রাথমিকভাবে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার সাঈদ। নিহত অপরজনের নাম পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, রবিবার রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গুল্লা এলাকায় ঢাকাগামী লেনে কলা ভর্তি একটি ট্রাক উল্টে যায়। এ সময় ট্রাকের পেছনে থাকা একটি কাভার্ডভ্যান সজোরে ব্রেক করে। তখন কাভার্ডভ্যানের পেছনে থাকা একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ডভ্যানের পেছনে সজোরে ধাক্কা দিলে প্রাইভেটকারের সামনের অংশ দুমরে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের দুই যাত্রী নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় প্রাইভেটকারের চালকসহ ৩ জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা টুটুল জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৫১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল শাড়ির স্বত্ব নিয়ে ফুসে ওঠছে জেলাবাসী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল শাড়ির স্বত্ব নিয়ে ফুসে ওঠছে জেলাবাসী

একতার কণ্ঠঃ ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়িকে ভারতের দাবি করে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি নেওয়ার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফুসে ওঠছে জেলাবাসী। দ্রুত ভারতের জিআই বাতিল করে বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’কে জিআই স্বীকৃতির দাবি করেছে জেলার ব্যবসায়ী ও সুধীজনরা।

ভারতের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) করা একটি পোস্টে বলা হয়- ‘টাঙ্গাইল শাড়ি, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উদ্ভূত, একটি ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা মাস্টারপিস। এর মিহি গঠন, বৈচিত্র্যময় রং এবং সূক্ষ্ম জামদানি মোটিফের জন্য বিখ্যাত এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। টাঙ্গাইলের প্রতিটি শাড়ি ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধ সৌন্দর্যের মেলবন্ধনে দক্ষ কারুকার্যের নিদর্শন।’

এরপর থেকে টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। জেলা সদর সহ বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের সচেতন মহল ইতোমধ্যে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। এ বিষয়ে জরুরি সভা করে মন্ত্রণালয়ে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক।

টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশি পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতির দাবিতে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’- এর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনকারীরা ‘টাঙ্গাইলের তাঁত শাড়ি, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য’, ‘নদী-চর খাল-বিল গজারির বন, টাঙ্গাইলের শাড়ি তার গরবের ধন’, ‘আমার ঐতিহ্য, আমার অহঙ্কার’, ‘টাঙ্গাইলের তাঁত শাড়ির জিআই স্বীকৃতি চাই’- ইত্যাদি লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে দাঁড়ান।

ওই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুঈদ হাসান তড়িৎ, আরিফুজ্জামান সোহেল, সমাজকর্মী নাজিউর রহমান আকাশ, মির্জা রিয়ান, আহসান খান মিলন, স্মরণ ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের বিখ্যাত শাড়ি। ভারতীয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল পেজে এই টাঙ্গাইল শাড়ি, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উদ্ভূত একটি ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা মাস্টারপিস বলা হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বর্তমান সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করি।

সরেজমিনে টাঙ্গাইল শাড়ির সঙ্গে জড়িতরা জানায়, প্রায় ২০০ বছর ধরে ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক-বাহক টাঙ্গাইলের তাঁত শাড়ি। যা নিজস্ব ঐতিহ্য বহন করে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুনাম কুড়িয়েছে। এছাড়া ‘নদী-চর খাল-বিল গজারির বন, টাঙ্গাইল শাড়ি তার গরবের ধন’ এ স্লোগানের আলোকেই টাঙ্গাইলের মানুষের জীবনাচরণ চলমান। টাঙ্গাইল শাড়ি সদর উপজেলার বাজিতপুর, কৃষ্ণপুর, দেলদুয়ারের পাথরাইল, চন্ডী, কালিহাতীর বল্লা, রামপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়। তবে দেলদুয়ারের পাথরাইল টাঙ্গাইল শাড়ির রাজধানী হিসেবে খ্যাত।

বল্লা এলাকার সুতা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তফা আশরাফী ও সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান হাসান ভারতের কড়া সমালোচনা করে জানান, প্রায় আড়াইশ’ বছরের ঐতিহ্য টাঙ্গাইল শাড়ি। এ শাড়ি টাঙ্গাইলেই অসাধারণ কারুকার্য ও সুক্ষ্ম নিপুনতায় অত্যন্ত দরদ দিয়ে তৈরি করা হয়। টাঙ্গাইল শাড়ির স্বত্ব শুধুমাত্র টাঙ্গাইলের তাঁতিদের। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার টাঙ্গাইল শাড়ির ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি দিয়ে ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়ির স্বত্ব ছিনতাই করার দুঃসাহস দেখিয়েছে।

টাঙ্গাইল শাড়ির রাজধানী খ্যাত পাথরাইলের শাড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রঘুনাথ বসাক জানান, টাঙ্গাইল শাড়ি বলতে টাঙ্গাইলকেই বোঝায়। টাঙ্গাইলের নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া টাঙ্গাইল শাড়ির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ভিন্ন মান ও ভিন্ন দক্ষতায় টাঙ্গাইল শাড়ি তৈরি হয়। এই দক্ষতায় অন্য জায়গায় শাড়ি তৈরি হলেও সেটা টাঙ্গাইল শাড়ি না। অন্যরা টাঙ্গাইল শাড়িকে নিজের দাবি করে জিআই ট্যাগ নেওয়া- এটা আমাদের জন্য দুঃখজনক। তিনি এর প্রতিবাদ জানিয়ে এর বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক কবি মাহমুদ কামাল জানান, স্বাধীন বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা টাঙ্গাইল। কয়েকশ’ বছর আগে থেকে টাঙ্গাইল শাড়ি পৃথিবী বিখ্যাত। এ শাড়ির অন্য দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি সত্য নয়। ওই দেশের জিআই স্বীকৃতি বাতিল করে বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানান তিনি।

টাঙ্গাইল সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ আর্টিজেন্স ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন লিমিটেড এবং বল্লা এলাকা তন্তুবায় সমবায় সমিতির সভাপতি মোফাখখারুল ইসলাম জানান, প্রাচীণকাল থেকে টাঙ্গাইল শাড়ি জেলার বিভিন্ন এলাকায় তাঁতিদের সুক্ষ্ম দক্ষতায় সুনিপুনভাবে তৈরি হচ্ছে। ১৯৪৭ ও ১৯৭১ সালে দেশভাগের পর টাঙ্গাইলের তাঁতিদের কেউ কেউ ভারতে গিয়ে বসতি স্থাপন করেছে। সেখানেই তারা আদি পেশা ‘তাঁত শিল্পের’ কাজ করছে। তাই বলে টাঙ্গাইল শাড়ি কখনোই সেদেশের হতে পারেনা। দীর্ঘ সময়ের প্রচেষ্টা ও অধ্যবসায়ের জোরে টাঙ্গাইল শাড়ি দেশ-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে। যারা ওই দেশে রয়েছে- তারাও শাড়ি তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছে- এটা যেমন সত্য, তেমনি টাঙ্গাইল শাড়ি টাঙ্গাইলেরই সম্পত্তি- এটাও ধ্রুব সত্য। তিনি ওই দেশের জিআই স্বীকৃতি বাতিল করে বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানান।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইল শাড়ি, মধুপুরের আনারস ও জামুর্কির সন্দেশ জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেতে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এটা যে এখানকার অর্জন, সেটার ৫০ বছরের সুদীর্ঘ ধারাবাহিকতা দিতে হয়। অথচ টাঙ্গাইলের তাঁত শাড়ি আড়াইশ’ বছরের পুরাতন। টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার অধিকার রাখে বলে তিনি মনে করেন। এছাড়া ২০১৭ সালে টাঙ্গাইল শাড়ি সরকার কর্তৃক ব্র্যান্ডিং হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভারত যে ঘটনাটা ঘটিয়েছে, তারা ডকুমেন্টেশনে উল্লেখ করেছে- পাথরাইলের বসাক পরিবারের আদি পুরুষরা সেখানে গিয়ে তাঁত শাড়ির পাড়ের ডিজাইন চেঞ্জ করে একটা ভিন্ন প্রকার উদ্ভাবন করেছে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে স্টাডি করা শুরু হয়েছে। তিনি জেলা প্রষশাসকের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভা করেছেন। মন্ত্রণালয় টু মন্ত্রণালয় কথা বলে এ বিষয়ে কীভাবে আবেদন করা যায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও আপিল করার সুযোগ থাকলে সে বিষয়েও কথা বলা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:১৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়িকে ভারতের শাড়ি দাবি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়িকে ভারতের শাড়ি দাবি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়িকে ভারতের শাড়ি হিসেবে দাবি করার প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ মানববন্ধের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মুঈদ হাসান তড়িৎ, সমাজকর্মী নাদিউর রহমান আকাশ, আহসান খান আকাশ, মির্জা রিয়ান প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি। টাঙ্গাইলের শাড়ি আমাদের অহংকার। টাঙ্গাইলের শাড়ি স্বীকৃতি ভারত কখনই পেতে পারে না। ভারতের এ দাবি অযৌক্তিক। এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। টাঙ্গাইলের শাড়ির বিশেষত্ব মানেই টাঙ্গাইলে তৈরি। টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পাওয়ার দাবিদার হচ্ছে বাংলাদেশ। আমরা বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দ্রুতই টাঙ্গাইলের শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার।

টাঙ্গাইল শাড়ি মালিক সমিতির সভাপতি রঘুনাথ বসাক বলেন, আমরা এই জিআই কখনও মানব না। সরকারকে বলবো যে কোনো মূল্যে নিজেদের নামে টাঙ্গাইলের শাড়ির জিআই করতে। অন্যথায় টাঙ্গাইলের শাড়ি ব্যবসায়ীরা কঠোর আন্দোলনে যাবে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়সারুল ইসলাম জানান, ভারত ২০২০ সালে জিআই আবেদন করে। আর টাঙ্গাইল শাড়ির ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে ২০১৭ সালে। এটি টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য। গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই তাঁত শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়। টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৫:২৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১৬ ঘণ্টায় ট্রেন-বাস-ট্রাক কেড়ে নিলো  ৬ জনের প্রাণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১৬ ঘণ্টায় ট্রেন-বাস-ট্রাক কেড়ে নিলো ৬ জনের প্রাণ

একতার কণ্ঠঃ শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহন নামে একটি বাসের ধাক্কায় অটোচালকসহ দুজন নিহতের ঘটনা ঘটেছে।

অপরদিকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সালেংকা মোড়ে শনিবার সকালে মাটিবোঝাই একটি ড্রামট্রাকের সঙ্গে একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে টিটু-খাঁ (৬০) নামে আরও একজনের নিহতের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়াও শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের পাশে রেললাইনে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে বাবা-ছেলেসহ মারা গেছেন ৩ জন। এ নিয়ে জেলায় প্রায় ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে মোট ৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

এরমধ্যে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সল্লা এলাকায় ১৩ নং ব্রিজের কাছে হানিফ পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের চালকসহ দুজন নিহত হয়।

তারা হলেন- উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের গোহালিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে আব্দুস ছাত্তার (৩৫) এবং একই ইউনিয়নের কুর্শাবেনু গ্রামের মৃত আব্দুল হকের ছেলে আব্দুল মমিন (৩৬)। এদের মধ্যে আব্দুস ছাত্তার অটোভ্যান চালক ও আব্দুল মমিন অটোভ্যানের যাত্রী ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকাগামী হানিফ পরিবহন নামে একটি বাসকে অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। এর ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হানিফ পরিবহনটি সামনে থাকা অটোভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে অটোভ্যান চালক ও তার যাত্রী মারা যায়। এ খবর পেয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাসটিকেও জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

একই দিন সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সালেংকা মোড়ে শনিবার সকালে মাটিবোঝাই একটি ড্রামট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ট-১৮-৬৩১৮) সঙ্গে একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে টিটু খাঁ নিহত ও অপর দুইজন আহত হয়।

নিহত টিটু-খাঁ ঘাটাইলের লোকের পাড়া ইউনিয়নের মৃত হিটলার খাঁর ছেলে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

অপরদিকে, শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে কালিহাতী উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের আনালিয়াবাড়ী এলাকায় রেললাইনে হাঁটতে গিয়ে চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে বাবা ও তার শিশু ছেলেসহ তিনজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বাবা-ছেলেসহ নিহতরা হলেন- নাটোর বড়াই গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে রতন (৩৫) ও তার ছেলে সানি (৬) এবং অপর ব্যক্তির নাম শরীফ (৩৪)। তিনি রাজশাহী বেল পুকুর এলাকার আলম মন্ডলের ছেলে।

স্থানীয় ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীগামী দূরপাল্লার একটি বাস আনালিয়াবাড়ী এলাকায় রাতে হঠাৎ বিকল হয়। পরে বাসটি মেরামত করার সময় কিছু যাত্রী মহাসড়কের পাশে হাঁটাহাঁটি করছিল। এ সময় নীলফামারীর চিলাহাটিগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস নামের একটি ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও এক নারী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশনের ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুজন সম্পর্কে বাবা-ছেলে। এদের মধ্যে বাবার নাম রতন ও ছেলের নাম সানি। তাদের বাড়ি নাটোরের বড়াই গ্রামে এবং অপর এক ব্যক্তির নাম শরীফ। তার বাড়ি রাজশাহীর বেল পুকুর এলাকায়। তারা নীলফামারীর চিলাহাটিগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:১৪:এএম ২ বছর আগে
পন্যের যদি সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকে তবে কেউ মজুতদারী করতে পারবেনা: বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

পন্যের যদি সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকে তবে কেউ মজুতদারী করতে পারবেনা: বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে, পণ্যের বাজার ব্যবস্থা উন্নত করা। পন্যের যদি সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকে তবে কেউ মজুতদারী করতে পারবেনা। এ বিষয়ে খাদ্য পণ্যের সরবহাহকারীদের সাথে আমাদের কথা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, রমজান মাসসহ বছরের ১২ মাস দেশের এক কোটি মানুষকে টিসিবির মাধ্যমে খাদ্য পন্য সরবরাহ করা হবে।

মন্ত্রী শনিবার (২৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ, বলরামপুর ও নিশ্চিন্তপুর এবং মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী এলাকা সমুহ যমুনা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষাকল্পে বাম তীর বরাবর ছয় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে জিওব্যাগ দ্বারা নদী তীর রক্ষা কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদ্দিচ্ছায় নদী পারের মানুষকে রক্ষাকল্পে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে ২১ লাখের উপরের জিওব্যাগ ফেলা হবে।

নদী তীর প্রতিরক্ষামুলক কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গন্যমান্য উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী যমুনা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরির্দশন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৪ ০১:৪৪:এএম ২ বছর আগে
কালিহাতীতে জাতীয় বিজ্ঞান মেলা সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে জাতীয় বিজ্ঞান মেলা সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

একতার কণ্ঠঃ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্বাবধানে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে তিনদিন ব্যাপী ৪৫তম জাতীয় বিজ্ঞান মেলা ও ৮ম অলিম্পিয়াডের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক টাঙ্গাইল-৪ ( কালিহাতী ) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হুসেইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিফাত বিন সাদেক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কবীর প্রমুখ।

এতে কলেজ পর্যায়ে আলাউদ্দিন সিদ্দিকী মহাবিদ্যালয় প্রথম স্থান, শহীদ শাহেদ হাজারী কলেজ দ্বিতীয়, বল্লা করোনেশন হাইস্কুল এন্ড কলেজ তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে নূর জাহান খসরু আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রথম, এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় দ্বিতীয় ও খিলদা উচ্চ বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড সিনিয়র গ্রুপ কলেজ পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে সরকারি শামসুল হক কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র দেবজিৎ সরকার অর্পন, একই কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র স্বর্ণদীপ সরকার দ্বিতীয় ও লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী সানজিদা আফরিন।

জুনিয়র গ্রুপ মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে কালিহাতী সরকারি আর এস পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী মারিয়া শেখ সারা প্রথম স্থান, এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র আজমী আল আপন দ্বিতীয়, সরকারি আর এস পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী রাইসা ইসলাম।

বিজ্ঞান কুইজ প্রতিযোগীতায় প্রথম হয়েছে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, দ্বিতীয় আর এস সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, তৃতীয় হয়েছে করিমুন্নেছা সিদ্দিকী উচ্চ বিদ্যালয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জানুয়ারী ২০২৪ ০৩:৪৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৯ ডিগ্রি, মঙ্গলবার স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৯ ডিগ্রি, মঙ্গলবার স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সোমবার (২২ জানুয়ারি) শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা এই মৌসুমের এটাই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

টাঙ্গাইল জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) জেলার সকল স্কুল-কলেজ একদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন।

এদিকে, বছরের শুরু থেকেই টাঙ্গাইলের তাপমাত্রার পারদ ধীরে ধীরে কমছে। এর ফলে, শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ঘন কুয়াশার চাদর। ফলে গত সপ্তাহ থেকেই কোন দিন সূর্যের দেখা মিলছে আবার কোনদিন মিলছে না। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে কেউ বের হচ্ছেন না। আকাশে সূর্য উঁকি দিলেও রোদের তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকে। প্রত্যান্ত গ্রামের মানুষ খড়ুকুটো ও গাছের গুড়িতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। সব মিলিয়ে জেলার জনজীবন এক প্রকার বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ ও ভাসমান জনগোষ্ঠী সবচেয়ে ভোগান্তির শিকার।

শীত প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল পৌরসভার পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকার মো. মাহবুব আলম উজ্জ্বল বলেন, আমি একজন মোবাইল ব্যবসায়ী। গত কয়েকদিনের প্রচন্ড শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে গ্রাহক কম আসায় মোবাইল বিক্রি অনেক কমে গেছে। ফলে শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

টাঙ্গাইল শহরের আশেকপুর এলাকার মো. এমদাদুল আহমেদ বাচ্চু বলেন, আমি একজন চাকরিজীবী। প্রতিদিন সকাল ৮টায় আমাকে অফিসে যেতে হয়। ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে সকাল বেলায় যানবাহন খুব কম থাকায় প্রায়ই অফিসে যেতে বিলম্ব হচ্ছে। এছাড়া বাসার ছোট ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যেতেও সমস্যা হচ্ছে।

শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক লুৎফর রহমান বলেন, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বাইরে আসছেন না। যাত্রী কমে গেছে অনেক। আগে প্রতিদিন ৮শত থেকে ১ হাজার টাকা আয় করতাম। এখন ৫শত টাকার বেশি আয় করা যাচ্ছে না।

টাঙ্গাইল জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন জানান, কয়েকদিন ধরে টাঙ্গাইলের তাপমাত্রা কমেছে। সোমবার টাঙ্গাইলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ বছরের মধ্যে সর্বোনিম্ন। আরো কয়েক দিন শীত থাকবে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, তাপমাত্রা সর্বনিম্ন থাকায় জেলার সকল স্কুল-কলেজ মঙ্গলবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার আবহাওয়া দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শীত নিবারনের জন্য জেলার গরিব ও ভাসমান মানুষদের মধ্যে দুই দফায় প্রায় ৮০ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জানুয়ারী ২০২৪ ০৩:১৯:এএম ২ বছর আগে
সিনিয়র তথ্য অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের মতবিনিময় - Ekotar Kantho

সিনিয়র তথ্য অফিসারের সাথে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের মতবিনিময়

একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের নবগঠিত কমিটির সাথে জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাতের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থিত জেলা তথ্য অফিসারের কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাত উপস্থিত সংস্থার সদস্যদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করেন। পরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নবগঠিত জেলা ইউনিটের পক্ষথেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি মাছুদুর রহমান মিলন, সহ-সভাপতি মির্জা মাসুদ রুবল, সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম টুটুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরমান কবীর (সৈকত), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক উজ্জ্বল মিয়া, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক সাহান হাসান, মো. সাগর আহমেদ, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শুভ সাহা, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. মুক্তার হোসেন, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমিন প্রমূখ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা ইউনিটের কার্যনির্বাহী সদস্য, মো. কামরুজ্জামান, হাবিবুল্লাহ বাহার, সজীব মিয়া, রেজাউল করিম, নাজমুল সাহান প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জানুয়ারী ২০২৪ ০৩:১৯:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।