একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের নবগঠিত কমিটির সাথে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিনের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু কর্নারে এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় কালে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন উপস্থিত সংস্থার সদস্যদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। পরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নবগঠিত জেলা ইউনিটের পক্ষথেকে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
মতবিনিময়ের সময় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব হলো টাঙ্গাইলে কর্মরত সকল সাংবাদিকদের মাদার সংগঠন। জেলায় কর্মরত অন্যান্য সাংবাদিকদের মতো জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার জেলা ইউনিটের সকল সদস্য টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাথে সকল বিষয়ে সমন্বয় করে সাংবাদিকতা করবে বলে আমি আশা করি। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের নবগঠিত কমিটির সদস্যদের টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা রইল।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ বলেন, সাংবাদিকদের পেশার প্রতি সৎ ও নিষ্ঠাবান হতে হয়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের প্রতিটি সদস্য নিষ্ঠার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে ও তাদের পেশার প্রতি সৎ থাকবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্য কবি শামসুজ্জামানসহ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি মাছুদুর রহমান মিলন, সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম টুটুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরমান কবীর (সৈকত), তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক উজ্জ্বল মিয়া, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক সাহান হাসান, মো. সাগর আহমেদ, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শুভ সাহা, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. মুক্তার হোসেন, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমিন প্রমূখ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা ইউনিটের কার্যনির্বাহী সদস্য, মো. কামরুজ্জামান, হাবিবুল্লাহ বাহার, সজীব মিয়া, রেজাউল করিম, নাজমুল সাহান প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর আসনে টানা তিনবার বিজয়ী হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন। তিনি ঈগল প্রতীক নিয়ে ৭২ হাজার ২৭৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মামুন-অর-রশিদ নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৬৭ ভোট। বিজয়ী ছানোয়ার হোসেন ৬ হাজার ৪’শত ৯ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছানোয়ার হোসেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তিনি ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। একজন সজ্জন মানুষ হিসেবে তিনি এলাকায় সুপরিচিত।
নির্বাচিত হয়ে ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমি টাঙ্গাইলের মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শেখ হাসিনার একজন কর্মী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আসনটি উপহার দিলাম। টাঙ্গাইলের জনগণের সঙ্গে ছিলাম আছি থাকব।
একতার কণ্ঠঃ নির্বাচন পরবর্তী হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সদ্য নির্বাচিত এমপি ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। এ সময় মহাসড়কের প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে জনগণের চরম ভোগান্তি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে মহাসড়ক অবরোধ ও থানার সামনে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।
পরে কাদের সিদ্দিকীর মধ্যস্থতায় পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে এ ঘটনায় কালিহাতী উপজেলা জুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
লতিফ সিদ্দিকীর কর্মীরা হলেন, বাংড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হাসরত আলী, ঘুনী গ্রামের পিন্টু, কস্তুরিপাাড়ার খোকা, সাতুটিয়া গ্রামের হৃদয়, রতনগঞ্জ গ্রামের লাট মিয়া ও মনির সওদাগর। ৪ জন বাদে এজাহারভূক্ত লাট মিয়া ও মনির সওদাগরকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, রবিবার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচনের দিন কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম বিপ্লবের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জানুয়ারি) থানায় মামলা দায়ের করেন বিপ্লব। সোমবার রাতে এ মামলার এজাহারভুক্ত দু’জনসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। তাঁরা সবাই লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী ও সমর্থক।
আটককৃত অনুসারীদের মুক্তির দাবিতে লতিফ সিদ্দিকী প্রায় হাজার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে কালিহাতী থানার সামনে আসেন। এ সময় তিনি আটককৃত কর্মীদের ছেড়ে দিতে বলেন। পুলিশ তাঁদের ছেড়ে না দেওয়ায় লতিফ সিদ্দিকী ও তার কমী সমর্থকরা থানার সামনে মহাসড়কে বসে অবরোধ শুরু করেন। এ সময় উপজেলার বিভিন্নস্থান থেকে তাঁর কর্মীসমর্থকরা এসে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন।
লতিফ সিদ্দিকী ও তার কর্মী সমর্থকরা মহাসড়কে বসে প্রতিবাদ জানান এবং গ্রেপ্তারকৃতদের দ্রুত মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কালিহাতী থানা পুলিশ ও টাঙ্গাইল পুলিস লাইন থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিনসহ পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা নবনির্বাচিত এমপি লতিফ সিদ্দিকীকে অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। জবাবে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘যে পর্যন্ত আমার আটককৃত কর্মীদের মুক্তি না দেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এ অবরোধ চলবেই।’
নবনির্বাচিত এমপি লতিফ সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘আমার কর্মীদের বিনা অপরাধে থানায় আটক করে রাখা হয়েছে। তাদের বিনাশর্তে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত এখানে থেকে যাবো না।’
লতিফ সিদ্দিকীর কালিহাতী থানা ঘেরাও ও মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ছোট ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী। এরপর কাদের সিদ্দিকী থানার ভিতরে প্রবেশ করে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনায় বসেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যাদের এই মামলার এজাহারে নাম না থাকা আটক ৪ জন কর্মীকে তাৎক্ষণিক মুক্তি এবং এজাহারে নাম থাকা দুইজন কর্মীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হবে।’
এ সিদ্ধান্ত শুনে কাদের সিদ্দিকীর অনুরোধে লতিফ সিদ্দিকী তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে কালিহাতী থানা ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ ঘটনার খবর পেয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত পরাজিত প্রার্থী মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার তার নেতাকর্মীদের নিয়ে থানার দিকে যেতে থাকেন। সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ দুই পক্ষের মধ্যে অবস্থান নিয়ে তাদেরকে অন্যত্র সরিয়ে দেয়।
নৌকার প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকেই লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী সমর্থকরা আওয়ামী লীগের লোকজনের ওপর হামলা-ভাঙচুর করছে ও হুমকি-ধামকি দিতেছে। বীরবাসিন্দায় মারধর ও কোকডহরায় আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। সেইসাথে পুলিশ প্রশাসনের উপর আমাদের আস্থা আছে। আশা করি কালিহাতীর শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন। এ ধরনের হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড চললে জনগণকে সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগ উপযুক্ত জবাব দিবে।’
লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ও ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব আলী জানান, নির্বাচনে জয়লাভ করার পর থেকে লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালাচ্ছে। হাট-বাজারে বের হলেই কর্মীদের মারপিট করা হচ্ছে। এসব কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে করা হলেও তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না। তার কথা মতো কালিহাতীতে এসব হচ্ছে।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক বলেন, ‘রবিবার নির্বাচনের দিন কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুমের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অন্য ৪ জনকে আটক করা হয়নি। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।’
উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। স্বতন্ত্র (ট্রাক) প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তিনি ৭০ হাজার ৯৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৭৫ ভোট।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভোটকেন্দ্র থেকে ভোটের পেপারসহ ব্যালট বাক্সে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ৫ রাউন্ড গুলি করেন। এই ঘটনায় দুইজন আনসার সদস্য আহত হয়েছে।
রবিবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের কাহেতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ভোট বর্জন করেছেন।
কাহেতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মাজহারুল হক বলেন, দুর্বৃত্তরা আতর্কিতভাবে কেন্দ্রে প্রবেশ করে পুরুষ ওয়ার্ডের তিন নম্বর কক্ষ থেকে একটি ভোটের পেপার ভর্তি ব্যালট পেপার বাইরে নিয়ে তাৎক্ষনিক আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ব্যালট বাক্স পুড়ে গেছে। ব্যালট বাক্সে প্রায় তিনশ ভোটের পেপার ছিল। পরে সেখানে থাকা আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা সদস্যরা ব্যালট উদ্ধারে ৫ রাউন্ড গুলি করেন। এ ঘটনায় দুইজন আনসার সদস্য আহত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনার পর কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করার পর কেন্দ্রের বাকি বালটবাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে দায়িত্বরতরা কেন্দ্র ত্যাগ করে।
গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব বলেন, ঘটনা নিয়স্ত্রণে ৫ রাউন্ড গুলি করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুইজন আনসার সদস্য আহত হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে নৌকার প্রার্থী সংসদস সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পদত্যাগকারী গোপালপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু। এ আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন গণফ্রন্টের গোলাম সরোয়ার (মাছ), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ রেজাউল করিম (ডাব), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সাইফুল ইসলাম (আম) ও জাতীয় পার্টির হুমায়ুন কবীর তালুকদার (লাঙ্গল)।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, নৌকার বাইরে ট্রাক, ছাতি, ঈগল এগুলো কোন মার্কা না। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে নৌকা ছাড়া অন্য কোন মার্কার অস্তিৃত্ব নেই। ঐতিহ্যবাহী কালিহাতীর মানুষ সারা জীবন আওয়ামী লীগ, নৌকা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল। আসন্ন নির্বাচনেও তারা বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করবে। শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রগতি অব্যাহত রাখবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার এলেঙ্গা সরকারি শামসুল হক কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি একথা বলেন। জনসভায়প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ কানায় কানায় ভরে উঠে।
মন্ত্রী আরো বলেন, এই নৌকা মাওলানা ভাসানীর নৌকা, বঙ্গবন্ধুর নৌকা, শেখ হাসিনার নৌকা, উন্নয়নের নৌকা। কোন ষড়যন্ত্রের দিকে না তাকিয়ে নৌকাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে দেখেছি, অনেক সূর্য ও নক্ষত্রের পতন হয়েছে। আমরা দেখেছি অনেক বড় বড় নেতা মশাল নিয়ে আলোকিত করতে চেয়েছে , কেউ কেউ নীতি আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ধানের শীষ নিয়েও নির্বাচন করেছেন। কিন্তু তারা কেউই জনগণের মন জয় করতে পারে নাই। দেশের শান্তি ও উন্নয়ন চাইলে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই মিলে শান্তিতে থাকতে হলে নৌকার কোন বিকল্প নাই। আবার যদি জামায়াত-শিবির তাদের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নৌকাকে পরাজিত করতে পারে, তাহলে দেশের মানুষের ভাগ্যে আবার দুর্দশা নেমে আসবে।
ড. রাজ্জাক জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা হাত তুলে শপথ নিন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদারকে এমপি নির্বাচিত করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন।
এলেঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তুলার সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান স্মৃতি ও আনিসুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সাহা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, কালিহাতী পৌর মেয়র নুরন্নবী সরকার, দশকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ভূইয়া, গোহালিয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ, সল্লা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম, নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার, দুর্গাপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন প্রামাণিক, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহআলম মোল্লা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ মোল্লা ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির প্রমূখ।
একতার কন্ঠঃ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের নতুন কমিটির অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের জেলা প্রতিনিধি মাছুদুর রহমান মিলনকে সভাপতি ও স্থানীয় দৈনিক কালের বার্তার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক তাইজুল ইসলাম টুটুলকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্যের পূনাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটির
সভাপতি মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন।
এ সময় কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আবুল বাশার মজুমদার ও মহাসচিব মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
জেলা কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আবুল কালাম সিদ্দিকী নিপু (দৈনিক জনতার কথা),শহিদুল ইসলাম খান রুমি, মির্জা মাসুদ রুবেল (মাইটিভি), আলামিন শোভন (আনন্দ টিভি)।
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরমান কবীর সৈকত (দৈনিক আমাদের নতুন সময়), রাইসুল ইসলাম লিটন (দৈনিক আমার সংবাদ), মাজহারুল ইসলাম শিপলু (দৈনিক আমাদের অর্থনীতি) সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হোসেন (দৈনিক একুশের বানী)।
যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর শামসুদ্দিন সায়েম (দৈনিক ভোরের সময় ), জাহাঙ্গীর আলম (দৈনিক আমার বার্তা) সবুজ সরকার (দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন), অর্থ সম্পাদক মোত্তালেব হোসেন (দৈনিক অপরাধ কন্ঠ), সহ অর্থ সম্পাদক রুহুল আমিন (দৈনিক বর্তমান কথা)।
দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল খান আরিফ (সাপ্তাহিক লোকধারা), সহ-দপ্তর সম্পাদক সাগর আহম্মেদ (সাপ্তাহিক মৌবাজার), প্রচার সম্পাদক বিভাষ কৃষ্ণ চৌধুরী (দৈনিক নওরোজ), সহ প্রচার সম্পাদক মুক্তার হোসেন (দৈনিক যুগধারা), ক্রীড়া সম্পাদক শামীম আল মামুন (সাপ্তাহিক মৌবাজার) সহ-ক্রীড়া সম্পাদক সাহান হাসান (একতার কণ্ঠ)।
সাহিত্য ও জনকল্যাণ সম্পাদক বোরহান তালুকদার (দৈনিক আজকের টেলিগ্রাম) শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল আমিন খান (সাপ্তাহিক গণ-বিপ্লব), তথ্য ও প্রয়ুক্তি সম্পাদক মোস্তফা কামাল (দৈনিক জনতার কথা), সহ তথ্য ও প্রয়ুক্তি সম্পাদক জাহিদ (ডেইলি অবজারভার), আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শামসুল আলম, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রমজান আলী, মানবাধিকার সম্পাদক মোঃ উজ্জল মিয়া, (দৈনিক স্বাধীন সংবাদ । ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম (মৌবাজার) সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শুভ সাহা।
কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন, মোশাররফ হোসেন ঝিন্টু সিদ্দিকী (সাপ্তাহিক গণবিপ্লব),সেলিম তরফদার (সাপ্তাহিক পাপিয়া) রশিদ আহাম্মদ আব্বাসী (এশিয়ান টিভি ও বাংলাদেশ সময়) এনামুল হক দীনা (সাপ্তাহিক লোকধারা), সাজ্জাত হোসেন লিংকন (ডেইলি অবজারভার), আব্দুস সাত্তার (দৈনিক ভোরের পাতা), খন্দকার খায়রুল ইসলাম (দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ) রেজাউল করিম (দৈনিক বাংলাভূমি), মাসুম ( দৈনিক দেশ বার্তা), বাবুল রানা (বাংলাদেশ সমাচার) আনোয়ার হোসেন ( দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন), আতোয়ার রহমান খান (দৈনিক কালের বার্তা) কামরুজ্জামান (দৈনিক বর্তমান কথা), হাবিবুল্লাহ বাহার (দৈনিক কালের বার্তা), মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ (একতার কণ্ঠ), মজনু মিয়া (দৈনিক যুগধারা), এম এ করিম (দৈনিক কালের বার্তা), নোমান (দৈনিক মজলুমের কন্ঠ) মাহদী মাসুদ (দৈনিক কালের বার্তা), নজরুল ইসলাম (মৌবাজার), মজিবর রহমান (দৈনিক কালের বার্তা), , মোঃ সজিব (দৈনিক কালের স্রোত)।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, এই নির্বাচন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন নিয়ে প্রতিযোগিতা রয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্রই এই নির্বাচনে আঘাত করতে পারবে না। জনগণই মোকাবেলা করবে এবং জনগণই প্রতিরোধ করবে। অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ৩ জানুয়ারি ভাচ্যুয়ালি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টাঙ্গাইলের পৌর উদ্যানে জনসভায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি কার্যক্রম শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে পরিদর্শনকালে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, এবার বাংলাদেশের মানুষ হরতাল অবরোধ ভুলে গেছে। ২০১৪ ও ২৩ সালের মধ্যে অনেক অনেক পার্থক্য রয়েছে। এবার তারা নির্বাচনের দিন কোন সন্ত্রাস করতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন কমিশনের অনেক নির্দেশনা রয়েছে। সকল মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচন সুষ্ঠু এবং সুন্দর হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলে ৮টি আসনই নৌকা জয়যুক্ত হবে। টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী মামুন অর রশিদ, টাঙ্গাইল-৩ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী ডা. কামরুল হাসান খান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দিয়ে, এডওয়ার্ড এম কেনেডি (EMK) সেন্টার নির্বাচনী দায়িত্বপালনকালে নিরাপত্তা বিষয়ক একটি কর্মশালার আয়োজনে বাংলাদেশী জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার (BJIM) সাথে অংশীদারিত্ব করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) EMK সেন্টারের কেনেডি হলে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় ৫০ জনের বেশি স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিককে সম্ভাব্য সংকটপূর্ণ পরিস্থিতি পার করার প্রয়োজনীয় তথ্য এবং কৌশল সরবরাহ করা হয়।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি কাউন্সেলর স্টিফেন এফ. ইবেলি বলেন, আপনারা এক মহান পেশায় নিয়োজিত আছেন, এবং সারা বিশ্বে ক্রমবর্ধমানভাবে এটি কঠিনতর এবং আরও বিপজ্জনক পেশা হয়ে উঠছে।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা সর্বত্র তথ্য, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিবেদনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ভূমিকা এখন আগের চেয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ।
কর্মশালাটি সাংবাদিকদের প্রতিকূল পরিবেশ এবং আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্বপালনকালে উদ্ভূত সংকট পার করার জন্য বাস্তব জ্ঞান এবং কৌশল সরবরাহ করে। অংশগ্রহণকারীরা ঝুঁকি মূল্যায়ন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডিজিটাল নিরাপত্তা, এবং যোগাযোগ কৌশলের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
BJIM বিশেষজ্ঞদের পরিচালিত অংশগ্রহণমূলক সেশনগুলো প্রাঞ্জল হয়ে ওঠে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার গতিশীল এবং তথ্যপূর্ণ বিনিময়ে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আমেরিকান স্পেস হিসাবে, EMK সেন্টার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং এর স্থানীয় অংশীদারদের মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতার প্রমাণ হয়ে উঠেছে, যা একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপকে উন্নীত করার জন্য এক অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী মিছিলে আওয়ামী লীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকের গুলিতে যুবলীগ নেতাসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, কর্মী সিয়াম ও রোকন মিয়া। তাদের মধ্যে রোকনুজ্জামানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ওই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মামুনুর রশিদ জানান, রাতে বাঘিলে নৌকার পক্ষে তার সমর্থকরা মিছিল বের করে। এসময় বর্তমান এমপি ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকরা মিছিলে অতর্কিত গুলি চালায়। এতে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন জানান, রাত ১১টি ৩০ মিনিটে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কেন মিছিল করা হয়েছে? নৌকার পক্ষের লোকজন ঈগলের অফিস ভাংচুর করে এই নাটক সাজিয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় যারা আহত হয়েছে, তারা কেউ যুগনি এলাকার লোক নয়। এরা সবাই বহিরাগত। ঈগলের অফিস রাতে ভাঙচুর করার সাথে সাথেই সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আশা করি, সুষ্ঠ তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে টাঙ্গাইল-৫ আসনে এমপি নির্বাচিত হন ছানোয়ার হোসেন। তবে এবার তাকে সরিয়ে ওই আসনে মামুনুর রশিদকে নৌকার মাঝি করেছে আওয়ামী লীগ।
একতার কণ্ঠঃ আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সেনাবাহিনীতে কর্মরত সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল শহীদ সালাহউদ্দিন সেনানিবাসের আর্মি মেডিকেল কোর সেন্টার এন্ড স্কুলের প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫টি ইউনিটের রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনা প্রধান বক্তব্যের শুরুতে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ৩০ লাখ বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সার্বক্ষণিক দিক নির্দেশনা ও সকল প্রকার সহায়তার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর একটি সম্মিলিত চৌকস দল মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ প্রদর্শন এবং সেনাবাহিনী প্রধানকে অভিবাদন প্রদান করেন।
কালার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে, সেনাবাহিনী প্রধান শহীদ সালাহউদ্দিন সেনানিবাসের জেসিও ও অন্যান্য পদবির সৈনিকদের জন্য ১২০টি ফ্ল্যাট বিশিষ্ট নবনির্মিত ‘সেনানীড়’ এর উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি ১৯ পদাতিক ডিভিশন এবং ঘাটাইল এরিয়ার সকল সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন।
১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার নকিব আহমদ চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, অন্যান্য অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা। নির্বাচনে অংশ নেওয়া জাতীয়পার্টি, স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা এ সংশয় প্রকাশ করেছেন।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিনব্যাপি টাঙ্গাইল পৌরসভা মিলনায়তনে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটর্স ওয়ার্ল্ড (সম্মিলিত মানবাধিকার বিশ্ব) টাঙ্গাইল জেলা ইউনিট আয়োজিত পরিচিতি ও এক মঞ্চে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থীদের ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভায় এ সংশয় প্রকাশ করেন তাঁরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র ও সংগঠণের উপদেষ্টা এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। উদ্বোধক ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সংগঠণের উপদেষ্টা এডভোকেট জাফর আহমেদ।
কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটর্স ওয়ার্ল্ড (সম্মিলিত মানবাধিকার বিশ্ব) টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠণের কার্যকরী সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ উর রহমান টগর।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে অংশ নেওয়া জাতীয়পার্টি, স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বাঁধা, কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলাসহ অফিস ভেঙে ফেলার তীব্র সমালোচনা করেন। জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বরাবর দফায় দফায় অভিযোগের পরও এক পেশে নির্বাচনী পদ্ধতির কোন উন্নতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রতিশ্রুতির ভোটারদের সম্পৃক্ততা ও অবাধ সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা।
এ সময় জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, কেটলী প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এড্ভোকেট খন্দকার আহসান হাবীব, মাথাল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী, পাটের আঁশ প্রতীকের তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব মো. শরিফুজ্জামান খান মহব্বত, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি মনোনীত একতারা প্রতীকের প্রার্থী মো. হাসরত খান ভাসানী, আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ নির্বাচনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেনের পক্ষে বিদ্যুৎ ও বিএনএম মনোনীত নোঙর প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অবঃ) তৌহিদ চাকলাদারের পক্ষে ছোট ভাই মো. তৌসিফুর রহমান চাকলাদার উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটর্স ওয়ার্ল্ড (সম্মিলিত মানবাধিকার বিশ্ব) নবগঠিত টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রিক ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পবিত্র কোরআন তেলওয়াত, গীতাপাঠ ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ণিল অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা। ফুল দিয়ে বরণ করাসহ শেষে নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের স্ব স্ব প্রতীকের ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি চাচ্ছে আগামী নির্বাচন যাতে ভালো ভাবে না হয়। দেশে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। তাই তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। আমরা গোপালগঞ্জের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অতীতেও ভোট দিয়েছি, আগামী দিনেও ভোটর উপস্থিতি দেখিয়েও প্রমাণ করব।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুরে উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত কর্মী সমাবেশে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, অতীতে গোপালগঞ্জের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মধুপুরে নৌকায় ভোট দেওয়া হয়েছিল। এবারও গোপালগঞ্জের মত নৌকায় ভোট দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এই মধুপুর শেখ হাসিনার মধুপুর, এই মধুপুর আওয়ামী লীগের মধুপুর, এই মধুপুর বঙ্গবন্ধুর মধুপুর।
তিনি আরও বলেন, যত ষড়যন্ত্রই হোক, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে মধুপুরের জনগণ আবারও দেখাবে এখানে আওয়ামী লীগ কত শক্তিশালী।
উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাপ্পু সিদ্দিকী, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, যুগ্ম সম্পাদক ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, সাদিকুল ইসলাম সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমদ নাসির, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার আলমগীর হোসেন শিমুল প্রমুখ।