একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে রাতে পলিথিন বোঝাই কাভার্ডভ্যান জব্দ করার পর টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৫ মার্চ) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকা থেকে নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন। পরে কতিপয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেনদরবার শেষে মঙ্গলবার দুপুরে জব্দ করা কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরিবেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি নিষিদ্ধ পলিথিন আটকের পর অবৈধ সুবিধা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা। আর সচেতন মহলের মধ্যে বইছে সমালোচনার ঝড়। এ কাজে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে তিন গণমাধ্যম কর্মীর বিরুদ্ধেও। এসআই ট্রাক জব্দের বিষয়টি স্বীকার করলেও অন্য সকল অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা পুলিশের সদস্যরা জানান, সোমবার দিবারগত রাতে মধুপুর ট্রান্সপোর্টের নামের নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ডভ্যান ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের তারটিয়া এলাকায় পৌঁছলে টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মো. বেল্লাল হোসেনের টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কাভার্ডভ্যানটি আটক করে। পরে কাভার্ড ভ্যানে নিষিদ্ধ পলিথিন থাকায় তা জব্দ করে ভোর রাতেই থানায় নিয়ে আসে। এরপর থেকেই শুরু হয় তদবির। এ কাজে যোগ দেন দুই মিশ্র টেলিভিশনের প্রতিনিধিসহ তিন গণমাধ্যমকর্মী।তিনি জানান, শহরের ছয়আনী বাজারের আনোয়ার হোসেন পলিথিন ব্যবসায়ী এবং কালিহাতীর দুই সংবাদকর্মী ও টাঙ্গাইলের এক গণমাধ্যমকর্মী নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যানটির মালামালসহ ছাড়িয়ে নিতে ভোর রাতেই থানায় উপস্থিত হন। পরে দেনদরবার শেষে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তা মালামালসহ মঙ্গলবার দুপুরে ছাড়িয়ে নিতে সক্ষম হন।জানা গেছে, এ ঘটনায় পুলিশ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেয়। বাকি ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে জেলার এক মিশ্র টেলিভিশনের গণমাধ্যমকর্মী ঢাকার অফিসের টিমের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। অন্য দুইজন পেয়েছে বাকী টাকা। টাকার এই অসম ভাগাভাগি নিয়েও মনোমালিন্য হয় তাদের মধ্যে।
এদিকে ট্রাকটি ছাড়িয়ে নেওয়ার পর থানা পুলিশের ভেতর থেকেই ঘটনাটি জানাজানি হয় সর্বত্র। জানাজানির পর বইতে থাকে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড়।
পরিবেশবাদী সংগঠন বেলার সাবেক কর্মকর্তা ও পরিবেশ কর্মী সোমনাথ লাহিড়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিবেশের জন্য মরণঘাতী এ পলিথিন উচ্চ আদালতে উৎপাদন, পরিবহন ও বাজারজাত করণ এবং ব্যবহারে নিষিদ্ধ পণ্য। নিষিদ্ধ পণ্য জব্দের পর তা ধ্বংস না করে ছেড়ে দেয়া অতীব গর্হিত কাজ। এ কাজের মাধ্যমে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চরমভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাই।
এ বিষয়ে মধুপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার মো. কায়ছার বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে আমাদের গাড়িতে এ ধরনের মালামাল বহন করা হয় না।
তিনজন গণমাধ্যম কর্মীর একজন বলেন, ভোর রাতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে প্রাইভেটকারযোগে মহাসড়কে চা খেতে গিয়েছিলাম। তখন ট্রাক জব্দের কথা জানতে পেরে এসআই বেলালকে অবহিত করলে তিনি অস্বীকার করেন। যে তিন লাখ টাকা লেনদেনের কথা হচ্ছে, আমি এ বিষয়সহ কোন কিছুই জানি না।
সদর থানার উপপরির্দশ (এসআই) মো. বেল্লাল হোসেন জানান, পলিথিনের ট্রাকটি আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। পরে আর কিছু জানি না। সব জানে ওসি স্যার। ওসির সাথে আপনারা কথা বলেন। এটা নিয়ে খুবই প্যারায় আছি।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, এধরণের কোন ট্রাক আটক বা জব্দ করা হয়নি। তবে রাতে মাটিবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়েছিল। থানায় চর্তুদিকে সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। থানায় আনার পর সেই ট্রাক ছাড়ার সুযোগ নেই। হয়ত ভুলভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, সুর্নিদিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের অবৈতনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডশিপ স্কুলে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশের আয়োজনে শিশুদের সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাঙ্কন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শিশুদের চেতনায় স্বাধীনতা” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) টাঙ্গাইল জেলা শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এ ইভেন্টটি টাঙ্গাইল জেলা সদর হাউজিং ব্রিজ সংলগ্ন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অবৈতনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডশিপ স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সুবিধাবঞ্চিত ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাঙ্কন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক মো. রাশেদ খান মেনন (রাসেল), ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি এস. এম. সালমান, সংগঠনের ভলান্টিয়ারগণ, শিক্ষক মন্ডলী’সহ স্কুলের শিক্ষার্থীগণ।
অনুষ্ঠানটি বুধবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০ টায় শুরু হয়। এরপর প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
আয়োজকগণ জানান, শিশুদের স্বাধীনতার চেতনায় উদ্ভূদ্ধ করতে ও শিশুমনের সৃজনশীলতাকে ফুটিয়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন কার্যকরী বলে আমরা আশাবাদী। আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ ৩১ বার তোপধ্বনি, পুষ্পস্তবক অর্পন, শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংঙ্গীত পরিবেশনসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
২৬ মার্চ (মঙ্গলবার) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনি ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
রাষ্ট্রের পক্ষে প্রথমে শহিদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম। এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ, পৌরসভার পক্ষে মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, উপজেলা পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পক্ষে এডভোকেট জাফর আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়।
এরপর শহরের শহিদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পন ও শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। সকাল সাড়ে ৮ টায় টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সমাবেশ, আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংঙ্গীত পরিবেশিত হয়। এছাড়াও বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বিএনসিসি সমন্বয়ে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০ টায় শহিদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জহিরুল হক ডিপটি, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান বিন মোহাম্মদ আলী।
দিবসটি উপলক্ষে বাদ যোহর ও সুবিধাজনক সময়ে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া হাসপাতাল, জেলখানা, সরকারি শিশু পরিবার, ভবঘুরে প্রতিষ্ঠান ও শিশু দিবা যত্ম কেন্দ্র সমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের মির্জাপুরে ছিনতাইকালে দুই কনস্টেবলকে গ্রেপ্তারের পর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে তাদের আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এরআগে সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই তাদের দুজনকেই সাময়িক বহিষ্কার করে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।
গ্রেপ্তারকৃত দুই পুলিশ কনস্টেবল হলেন, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার কোদালিয়ার ময়নাল হকের ছেলে মো. মোহসীন মিয়া এবং টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মিরিকপুর গ্রামের কৈলা রাজবংশীর ছেলে রিপন রাজবংশী। এই দুই কনস্টেবল মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানায় কর্মরত আছেন। ইতোমধ্যে তাদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া ফ্লাইওভার ব্রিজের দক্ষিণ পাশে একটি পিকআপকে থামার সিগন্যাল দেয় তারা। এ সময় চালক ও হেলপারকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাশেই দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে চালক ও হেল্পারদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যদের ধরে ফেলে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার ২১০ টাকা, একটি মোটরসাইকেল, একটি হ্যান্ডকাফ, পুলিশের পোশাক ও বেল্ট উদ্ধার করা হয়।
ওই রাতেই মধুপুর উপজেলার পিকআপ চালক রানা বাদী হয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, এই ঘটনায় পিকআপ চালক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তাদেরকে আদালতে পাঠানোর পর দুই দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৪মার্চ) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া ঈদগাহ্ মাঠে প্রায় পাঁচ শতাধিকের বেশি রোজাদারদের উপস্থিতিতে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাদ্যমে নেতাকর্মীদের উদ্যেশ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবালের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহম্মেদ টিটো, বিএনপি’র ঢাকা বিভাগীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিলে বিএনপি’র চেয়ারপারসন সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে এবং তারেক রহমানসহ দলীয় নেতাকর্মীদের দীর্ঘায়ু কামনা করে ও নিহত সকল নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এসময় বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসহযোগী সংগঠণের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ ২৫শে মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস স্বীকৃতির দাবিতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (২৫ মার্চ) বিকাল ৪ টা ৩০ মিনিটে প্রত্যয়’ ৭১ এর সামনে কালো ব্যাজ ধারণের পর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ও ওয়ান বাংলাদেশের আয়োজনে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, ওয়ান বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া রাত ১০ টায় ২৫শে মার্চ কালোরাত্রি উপলক্ষে ব্ল্যাক আউট কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরের বহুল আলোচিত কিশোরগ্যাং “বেজী গ্রুপের” প্রধান ও মাদক ব্যবসায়ী মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে (৩২) ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। রবিবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের বটতলা মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত বুলেট উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের আগত গয়হাটা গ্রামের মৃত. ইসমাইল হোসেন মন্টু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাহাত হোসেন বুলেট দীর্ঘদিন ধরে গোপনে নাগরপুর উপজেলাসহ আশপাশের উপজেলায় ইয়াবা ও গাজাঁসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রি করে আসছিল। সে কিশোরদের দিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় মাদকের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সন্ধ্যায় এসআই আ. আলিম ও এসআই মো. মামুন মিয়া অভিযান চালিয়ে উপজেলা সদরের বটতলা মোড় এলাকার বাবুল মিয়ার দোকানের সামনে থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় বুলেটের সাথে থাকা সুমন নামে এক কিশোর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) এইচ এম জসিম উদ্দিন জানান, কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই আ. আলিম ও এসআই মো. মামুন মিয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইলে বিজ্ঞ আদালতে মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে প্রেরণ করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ বধ্যভূমিতে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে।
সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে পৌর শহরের জেলা সদর পানির ট্যাংকের পাশে অবস্থিত বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ, সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়াসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শিহাব রায়হান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউল রহমান চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, মুক্তি যোদ্ধা সংসদ টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সাবেক ডেপুটি জেলা কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ (বীরবিক্রম), টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও সোস্যাল ডেভেলপমেণ্ট সংসদের
(এসডিএস) জমিতে মাটি কাটার অভিযোগে একটি ভেকু ও ৫টি মাটি কাটার ট্রাক জব্দ করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৪ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ি ঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে ভেকু ও ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসেন জানান, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে মাটি কেটে আসছিল। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি ভেকু ও ৫টি মাটি কাটার ট্রাক জব্দ করে।
এ বিষয়ে জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, আমি মাটি কেটে সামনের রাস্তার ভরাট করছিলাম। যাতে করে ওই স্থানে কোন কারখানা গড়ে তুলতে পারি। পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।
উল্লেখ্য, ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট ও এসডিএসের ৭১২ শতাংশ জমিতে দীর্ঘদিন ধরে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করে আসছিল। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের যুগ্ম-জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছেন প্রতিষ্ঠান দুটির চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজী। এছাড়া থানায়ও অভিযোগও দেওয়া হয়।
সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ও গদুরগাতি মৌজার ৭১২ শতাংশ ভূমি ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও সোস্যাল ডেভেলপমেণ্ট সংসদ (এসডিএস) এর মালিকানাধীন। জমিগুলো ব্যাংকে মর্টগেজ রেখে ঋণ নেওয়া হয়। নানাবিধ কারণে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান দুটির সভাপতি ও চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজী ২০০২ সালে গ্রেপ্তার হন। ওই সময় দুটি প্রতিষ্ঠানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের উপর টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ১০ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মার্চ) রাতে উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর সাতবিলের মাঝখানে হিজলতলা থেকে তাদের আটক করা হয়। রবিবার (২৪ মার্চ) দুপুরে আটককৃত জুয়াড়িদের আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, উপজেলার কালোহা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত রবি মিয়ার ছেলে ইউনুস আলী (৪৮),কোকডোহরা পশ্চিম পাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া (৩৫), হাসড়া মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন (৩৯), উতরাইল দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত আঃ মান্নানের ছেলে মোঃ রমজান মিয়া (৪৫), রামপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে মো: আজিবর রহমান (৪২),কাজিবাড়ি মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে আরফান মিয়া (৪৫), কুকরাইল গ্রামের শামছুল আলমের ছেলে শাহ আলম (২৮), রামপুর মালিপাড়া গ্রামের মৃত কিতাব আলীর ছেলে মোঃ হাসেম (৫০), বানকিনা পশ্চিম পাড়া গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে লোকমান মিয়া (৩০) ও রামপুর গ্রামের মৃত নজির হোসেনের ছেলে কবির হোসেন (৪২)।
এলাকাবাসী জানায়, এরা প্রতিদিন বল্লা ইউনিয়নের রামপুর সাতবিলের মাঝখানে হিজলতলা এলাকায় হাজার হাজার টাকার জুয়ার আসর বসায়। এলাকার কতিপয় অর্থলোভী প্রভাবশালী লোকদের ম্যানেজ করে জুয়াড়ুরা সারা বছর লাখ লাখ টাকার জুয়া খেলে থাকে।
কালিহাতী থানার এসআই আলামিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর সাতবিলের মাঝখানে হিজলতলায় বসে প্রকাশ্যে তাসের মাধ্যমে টাকা দিয়ে জুয়া খেলা চলছিল। পরে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান স্যারের নির্দেশে সেখানে অভিযান চালিয়ে ১০ জুয়াড়ুকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, এসময় তাঁদের কাছ থেকে তাস ও নগদ ১৭ হাজার ১৫০ টাকা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়েছে। রবিবার আটককৃত জুয়াড়িদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট ও এসডিএসের ৭শত ১২ শতাংশ ভূমি নকল দলিল সৃষ্টি করে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের যুগ্ম-জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছেন প্রতিষ্ঠান দুটির চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী।
জানা গেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ও গদুরগাতি মৌজার ৫১৪ ও ১৯৮ শতাংশ মোট ৭১২ শতাংশ ভূমি ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট(আইআরআই) ও সোস্যাল ডেভেলপমেণ্ট সংসদ(এসডিএস) এর মালিকানাধীন। জমিগুলো ব্যাংকে মর্টগেজ রেখে ঋণ নেওয়া হয়। নানাবিধ কারণে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান দুটির সভাপতি ও চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী ২০০২ সালে গ্রেপ্তার হন। ওই সময় দু’টি প্রতিষ্ঠানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের উপর টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
চেয়ারম্যান হাজতে থাকার সুযোগে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলামের যোগসাজসে সত্য গোপন করে টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক নিজ নামে উল্লেখিত ৭১২ শতাংশ ভূমির দলিল রেজিস্ট্রি করে নেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সম্প্রতি ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট ও এসডিএসের ৭১২ শতাংশ ভূমির মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। ভেকু মেশিন(খননযন্ত্র) দিয়ে দিনরাত মাটি কাটা হচ্ছে এবং ড্রামট্রাক ও মাহেন্দ্র ট্রাক দিয়ে সেই মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে। দিনরাত ট্রাক দিয়ে মাটি আনা-নেওয়া করায় স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠছে।
আইআরআই ও এসডিএসের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজী অভিযোগ করে জানান, আইআরআই ও এসডিএসের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরে জেলা প্রশাসকের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও তার প্রতিষ্ঠানের অসাধু কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম নিজে দাতা সেজে জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হককে জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। ওই জমি নিজের দাবি করে হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক মাটি কেটে বিক্রি করে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের পাশাপাশি অবৈধভাবে দখল করছেন।
এ বিষয়ে জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, এসডিএসের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজীর নামে সারাদেশে ১৩৫টি মামলা দায়ের হলে ২০০২ সালে তিনি গ্রেপ্তার হন। ওইসব মামলার মধ্যে তিনটিতে তার সাজা হয়। ফলে এসডিএসের ৪২জন কর্মকর্তা রেজুলেশন করে মো. নুরুল ইসলামকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। নুরুল ইসলাম ২০১৫ ও ২০১৭ সালে তাকে জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। এ সময় ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রতিষ্ঠানের কেউ না হয়েও তার কাছ থেকে জমি বিক্রি বাবদ টাকা গ্রহণ করেন। পরে তিনি টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে তিনি ইসমাইল হোসেন সিরাজীকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।
একতার কণ্ঠঃ আগামী ৩ দিনের মধ্যে ট্রেনে ভারতীয় পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।
শনিবার (২৩ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রতিমন্ত্রী ও এমপিদের সংবর্ধনা এবং প্রেসক্লাবের কার্যকরী সদস্যদের পরিচিতি সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আজ কিংবা আগামীকাল ট্রেনে উঠবে। আগামী ৩ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে ভারতীয় পেঁয়াজ। ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা নিয়ে কোনো রকম সমস্যা আছে বলে আমার জানা নেই।
তিনি বলেন, বাজার তার আপন গতিতেই চলবে। ৫-১০ টাকা বাড়লে সেটা নিয়ে কিছু না করা হলেও কেউ যদি মজুতদারি করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাজারে স্বাভাবিক বেচাকেনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো রকম পুলিশি তৎপরতা বা ম্যাজিস্ট্রেটি তৎপরতার প্রয়োজন নেই। বাজারে যথেষ্ট পরিমাণ পণ্যের সরবরাহ আছে এবং দামও যৌক্তিক পর্যায়ে আছে।
আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, চাল খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। এ কারণে আরেক মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে কোনো কিছু বলা ঠিক হবে না।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।