একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয়েছে।
‘পানি ও স্যানিটেশন সংকট সমাধানে ত্বরান্বিত পরিবর্তন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বুধবার (২২ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে গ্রীণ ক্লাবের আয়োজনে একটি র্যালী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।
এতে সার্বিক সহযোগিতা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।
র্যালীতে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আল মামুন, প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মোঃ মোজাম্মেল হক, প্রফেসর ড. রোকসানা হক রিমি, ড. শিমুল রায়, গ্রীণ ক্লাবের আহবায়ক মানিক শীলসহ এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ অংশগ্রহণ করেন।
র্যালী শেষে ক্যাম্পাসে পানি বিষয়ক সচেতনতায় পোস্টারিং ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়নের লক্ষে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম দেখতে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. বেলাল হোসেন।
মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দিনব্যাপি উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে বের হন তিনি। পরিদর্শনের শুরুতে সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নিকলা দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।
এসময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ, বঙ্গবন্ধু কর্ণার, শেখ রাসেল কর্ণার, লাইব্রেরী, শিক্ষা উপকরণ ও বিদ্যালয় আঙিনায় ফুলের বাগান পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তারপর পাশের নিকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শনের এক পর্যায়ে নবম ও দশম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে উচ্চতর গণিত বিষয়ের ত্রিকোনমিতির উপর ক্লাস নেন ইউএনও বেলাল হোসেন।
এসময় ইউএনওকে দেখে শিক্ষার্থীরা আনন্দে মেতে উঠে এবং ইউএনওর বক্তব্য ছাত্র-ছাত্রীরা শুনেন।
শিক্ষার্থী জ্যোতি, সাইমা, রায়হান ও হাসান আলী জানান, স্কুলের স্যার আমাদের গণিত ক্লাস নিচ্ছিলেন। এসময় হঠাৎ করেই ইউএনও স্যার ক্লাসে প্রবেশ করেন। পরে স্যার আমাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে উচ্চতর গণিত বিষয়ের ত্রিকোনমিতির বিষয়ের উপর ক্লাস নেন। স্যার সুন্দরভাবে ক্লাস নিয়েছেন। আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি।

এরপর দুপুরে ইউএনও বেলাল হোসেন উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোবিন্দাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং শিক্ষা ও পড়াশোনা মান-উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এর আগে মাটিকাটা স্কুলের পাশে গড়ে ওঠা দোকানপাটে যাতে বখাটে যুবকরা আড্ডা না দিতে পারে সে ব্যাপারেও দোকানীদের কঠোর নির্দেশ দেন তিনি।
এসময় বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এম.জি মাহমুদ ইজদানী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহবুবুর রহমান ও রেজাউল ইসলাম, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, অর্থ সম্পাদক কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ফরমান শেখ প্রমূখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বেলাল হোসেন জানান, সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার স্যারের নির্দেশনায় সকলকে নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ নিয়মিত পরিদর্শন করে যাচ্ছি।
তিনি আরো জানান, পরিদর্শনকালে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষাদান কার্যক্রম, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সকলকে অনুপ্রাণিত করার মাধ্যমে উপজেলার শিক্ষাক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসার লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক বন দিবস উপলক্ষে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) এমএম রকীব-উর-রাজা, ডেপুটি সিভিল সার্জন ফারজানা তাহের মুনমুন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শাহআলম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাত।
এ সময় বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার কাঠুরী ও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ধারী চার ব্যক্তিকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব।
মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-১৪ জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা রাঙাচিরা গ্রামের দুলাল মন্ডলের ছেলে সাগর মন্ডলকে সোমবার (২০ মার্চ) রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ধারী চার ব্যক্তি অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার চালিত মাইক্রোবাস (হায়েচ) নিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে মানিকগঞ্জের দিকে রওয়ানা দেয়।
মাইক্রোবাসের চালক সাগর মন্ডলের কাছ থেকে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়েরের নেতৃত্বে র্যাবের একটি চৌকষ দল নাগরপুর উপজেলার কাঠুরী ও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু, সুইচ গিয়ার চাকু, ডিবি পুলিশ পরিচয়ের ভুয়া ভিজিটিং কার্ড, টর্চ লাইট, নগদ এক হাজার টাকা ও পাঁচটি মোবাইল ফোন সহ চার ব্যক্তিকে আটক করে।
আটককৃতরা হচ্ছেন- মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা গ্রামের মৃত রহমুদ্দিনের ছেলে শেখ মো. সোনা মিয়া (৩৩), একই এলাকার মো. ভাষা মিয়ার ছেলে মো. ঠান্ডু মিয়া(২৫), টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হরিপুর গ্রামের মো. খাদেমুল ইসলামের ছেলে মো. মোশারফ হোসেন (৩৫) ও বাসাইল উপজেলার কাশিল গ্রামের মো. রবিন মিয়ার ছেলে মো. আকাশ মিয়া (৩৪)।
র্যাব-১৪ আরও জানায়, আটককৃতদের সঙ্গে আরও দুইজন যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও র্যাবের উপস্থিতি জানতে পেরে তারা পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে নাগরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদুল-ফিতরে ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে টাঙ্গাইল অংশে যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা রোধে সাংবাদিকদের সাথে ট্রাফিক পুলিশের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা ট্রাফিক পুলিশ বক্সে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ট্রাফিক ইন্সেপেক্টর (প্রশাসন, টাঙ্গাইল উত্তর) মো. রফিকুল ইসলাম সরকার,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রাফিক ইন্সেপেক্টর হারুণ অর রশীদ, সার্জেন্ট জামিউল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ট্রাফিক ইন্সেপেক্টর (প্রশাসন, টাঙ্গাইল উত্তর) মো. রফিকুল ইসলাম সরকার বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরে নাড়ীর টানে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে টাঙ্গাইল পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ এখন থেকেই সক্রিয় রয়েছে। এলেঙ্গা উত্তর বঙ্গের প্রবেশদ্বার হওয়ায় প্রতিবছর ঈদে ঘরমুখো মানুষের ব্যবহিত যানবাহনের প্রচন্ড চাপ থাকে। এবছর গোড়াই থেকে এলেঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড পর্যন্ত ৬৫ কি.মি. ফোরলেনের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় যানজট তুলনামুলকভাবে কম হবে বলে আশা করছি।
তিনি আরো বলেন, টাঙ্গাইলের মাননীয় পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের নির্দেশনায় টাঙ্গাইল ট্রাফিক বিভাগ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে যানজট নিরসনে কাজ শুরু করেছেন। দুরপাল্লার যানবাহন যেন অযথা পুলিশের হয়রানীর শিকার না হয় সে লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। যাত্রা পথে যেন দুর পাল্লার যানবাহন চাদাঁবাজির শিকার না হন সে লক্ষেও কাজ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মহাসড়কে ধীরগতির যানবাহন (অটোরিক্সা-সিএনজি) কোনভাবেই যেন প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে এখন থেকেই মনিটরিং করা হচ্ছে। মহাসড়কে হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেল কোনভাবেই চলাচল করতে দেওয়া হবেনা। এ ছাড়াও তিনি মহাসড়ক পারাপারের ক্ষেত্রে স্থানীয় ফুটওভারব্রিজ ব্যবহারের জন্য পথচারিদের নির্দেশনা প্রদান করেন। ঈদের পুর্বেই এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে পথচারি পারাপারের জন্য মহাসড়কে জেব্রাক্রসিং করে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দিনের বেলায় টিউবওয়েলের পানিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দুই পরিবারের চারজন শিশুসহ নয়জনকে অচেতন করে দুই বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল রাতে সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বলে জানা গেছে।
রবিবার (১৯ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামের হাতেম আলী খানের দুই ছেলের বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।
জানা গেছে, রবিবার দুপুর ১২টার দিকে ভিক্ষুক বেশে দুইজন মহিলা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। হাত-মুখ ধোয়ার কথা বলে ওই দুই মহিলা বাড়ির দুইটি টিউবওয়েল ব্যবহার করেন। এই সুযোগে তারা টিউবওয়েল দুটিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য ছেড়ে দেন। বাড়ির লোকজন প্রতিদিনের ন্যায় ওই টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করে দুপুরের খাবার রান্না করেন।
দুপুরে খাবার খাওয়ার পর বিকেলে মো. মিলন খান (৪৫), মোমিন খান (৩৫), জিসান (১৩), মেহেদী (৬), নিলুফা (৪০), ঝুমা (৪০), লিমা (৩৫), মিথিলা (১৩) ও মিনা (৮) অচেতন হয়ে পড়ে।
রাতে চোরের দল সিঁধ কেটে দুই ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, জামা কাপড়, চাল, ফ্রিজের মাছ, মাংস ও শাকসবজি নিয়ে যায় বলে বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেন।
প্রতিবেশী আমান উল্লাহ জানান, তিনি রাত দুইটার সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে জেগে সিঁধ কাটা দেখতে পান। পরে বাতি জ্বালিয়ে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো দেখতে পান। সোমবার (২০ মার্চ) সকালে দুই পরিবারের অসুস্থ লোকদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, ওই ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের লোকজন বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করেননি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক সাজায় জনতা ব্যাংকের গ্রাহক আব্দুল মালেক।
অভিযোগ রয়েছে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলণ করে সিঁড়ি দিয়ে নিচতলায় নামার সময় ১০ লাখ টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে ভূঞাপুর জনতা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা উত্তোলণ করে টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করে পুলিশে অভিযোগ দেন ঘাটাইল উপজেলার মনোহারা গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে আব্দুল মালেক।
তার অভিযোগের পর পুলিশ ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধারে অভিযান চালায়। তবে টাকার মালিক আব্দুল মালেকের কথাবার্তায় অসংগতি ও ছিনতাইস্থল ভূঞাপুর মৌরিন সুপার মাকের্টে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে পুলিশ এর কোন সত্যতা পায়নি। পরে পুলিশ মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনাটি সাজানো বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে।
পুলিশ মালেকের দেয়া তথ্যমতে ওইদিন রাতে ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দির গনেশ মোড় এলাকায় তার মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে। এরপর সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে উদ্ধার হওয়া ১০ লাখ টাকা গ্রাহক আব্দুল মালেকের হিসাব নম্বরে জমা করা হয়।
জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার লুৎফর রহমান জানান, ব্যাংকের সিড়ির নিচ থেকে টাকা ছিনতাই ছিল সাজানো নাটক। ওই গ্রাহক তার প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য এমন ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। এতে ব্যাংকের সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন তিনি।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘাটাইল উপজেলার আথাইলশিমুল এলাকার শাহআলম নামের একজনকে ফাঁসাতে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক আব্দুল মালেক ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক করেছিলেন। তবে বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়ার ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত না হওয়ায় টাকার মালিক আব্দুল মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মালেক ছিনতাইয়ের ঘটনাটি সাজানো নাটক বলে স্বীকার করেন। পরে মালেকের দেয়া তথ্যেমতে তারই মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে জনতা ব্যাংক ভূঞাপুর শাখায় জমা করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, মিথ্যাতথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তিন দালালকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এদের মধ্যে একজনকে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও দুই জনকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান নুরেনের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন, শহরের পৌর এলাকার সাবালিয়ার বাদশা মিয়ার ছেলে মো. আসলাম (১৯) ও নাজমুল হক বিপুলের ছেলে মো. মিরাজ (২২) ও কালিহাতী উপজেলার তুকা গ্রামের মো. শহীদ আলীর ছেলে মো. শাহেদ (২৬)।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান নুরেন জানান, জেলারেল হাসপাতালে দালালির মাধ্যমে রোগি ও রোগির স্বজনদের হয়রানির অভিযোগে ১৮৬০ সালের ২৯১ ধারায় মো. আসলামকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং মিরাজ ও শাহেদকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট দশ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ জনতা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তুলে ১৫-২০ মিনিট পর সিঁড়ি দিয়ে ব্যাংকের নিচে নামতেই আব্দুল মালেক নামের এক ব্যক্তির মুখে চেতনানাশক স্প্রে ও হাতে আঘাত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার পর আব্দুল মালেক কান্নায় ভেঙে পড়েন।
রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌর শহরের জনতা ব্যাংকের নিচতলার সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
টাকা ছিনতাইয়ের শিকার আব্দুল মালেক জেলার ঘাটাইল উপজেলার মনোহারা গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে।
জানা যায়, রবিবার দুপুরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভূঞাপুর জনতা ব্যাংকে টাকা তুলতে আসেন মালেক। ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তুলে নিচতলায় নামতেই ছিনতাইকারীর একটি চক্র তার মুখে স্প্রে ও হাতে আঘাত করে টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।
আব্দুল মালেক জানান, প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো টাকা নিজ একাউন্ট থেকে দুপুরে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ব্যাংকের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতেই ৬ ছিনতাইকারী ঘেরাও করে এবং মুহুর্তেই মুখে স্প্রে ও হাতে আঘাত করে। পরে টাকাগুলো ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জনতা ব্যাংকের ভূঞাপুর শাখার ম্যানেজার লুৎফর রহমান জানান, মালেক ও তার স্ত্রী ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। টাকা উত্তোলের প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর ব্যাংক থেকে বের হন। এরপর ব্যাংক থেকে নিচের সিঁড়িতে নামতেই ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। ব্যাংকের নিচে এমন ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, আব্দুল মালেক নামে এক ব্যক্তির ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তদন্ত পূর্বক টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টায় কাজ করছে পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত। স্বামীকে ওই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে নানাভাবে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ক্ষুব্ধ গৃহবধূ বিষপান করেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রাতে বিষপান করার পর রবিবার (১৯ মার্চ) সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। উপজেলার কালমেঘার ইন্দ্রাচালা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
ওই গৃহবধূর নাম নুরুন্নাহার (২৮)। তিনি ওই এলাকার আকাশ মিয়ার স্ত্রী। তাঁর দুটি সন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও গৃহবধূর প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বামী আকাশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নুরুন্নাহারের কলহ চলছিল। বিশেষ করে স্বামীর পরকীয়ায় আসক্তি নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। এসব নিয়ে কলহের একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নুরুন্নাহার বিষপান করেন। তাঁকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু রোববার হঠাৎ ওই গৃহবধূর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
ওই গৃহবধূর ভাই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আফজাল হোসেন জানান, স্বামীর সঙ্গে তার বোনের পারিবারিক কলহ চলছিল। তার স্বামীর পরকীয়ার বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। কিন্তু এসব বিষয়ে প্রমাণ ছাড়া তো কিছু বলা যায় না।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে গৃহবধূর স্বামী আকাশের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ জানান, গৃহবধূ নুরুন্নাহারের লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আপাতত অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন পরিচয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে মানিক মনি দাস (২১) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৯ মার্চ) সকালে পৌর শহরের কোনাবাড়ী বাজারের তামাক পট্রি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
সে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চর ধোপাকান্দি গ্রামের শ্রী অনিল মনি দাসের ছেলে।
পুলিশ জানায়, পৌর শহরের তামাক পট্রি এলাকায় একটি ব্যাংকের সামনে সেনাবাহিনীর লোগো সম্বলিত টি শার্ট পড়ে মানিক মনি দাস নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পরিচয় দিচ্ছে।
মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য সে মোবাইলে রাখা সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি দেখিয়ে প্রতারণার উদ্দেশে কতিপয় লোকজনের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করিতেছে। তার কথা বার্তা ও আচার-আচরণ লোকজনের নিকট সন্দেহ সৃষ্টি হলে তারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, আসামি নিজেকে ভুয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসার (ক্যাপ্টেন) পরিচয়, অসৎ উদ্দেশে সেনাবাহিনীর চিহ্ন বহন ও প্রতারণাপূর্বক অর্থ আত্মসাৎ করে অপরাধ করেছে। এজন্য তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ দেশবরেণ্য ও আন্তজার্তিকভাবে স্বীকৃত অনুসন্ধানী সাংবাদিক হায়দার আলীর বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন সংবলিত গ্রন্থ ‘আমার অনুসন্ধান’-এর প্রথম খণ্ড পাঠ উন্মোচিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নিউজটোয়েন্টিফোর মিলনায়তনে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন বসুন্ধরা গ্রুপ ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর।
প্রধান অতিথি সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, হায়দার আলী আন্তজার্তিকভাবে স্বীকৃত একজন তুখোড় অনুসন্ধানী সাংবাদিক। তিনি কালের কণ্ঠে একের পর এক সাড়া জাগানো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছেন। আমরা সবসময় হয়দার আলীর দুর্নীতি, অনিয়ম, অবব্যস্থাপনা নিয়ে করা অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পক্ষে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। বইটি তাঁকে উৎসর্গ করায় তিনি লেখককে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এর আগে তিনি কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন এবং বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কালের কণ্ঠ’র প্রধান সম্পাদক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, প্রায় ১৪ বছর ধরে হায়দার আলী দারুণ সব অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে চলেছে। ‘বিরল ভালোবাসা’ শিরোনামে তার দেশকাঁপানো মানবিক প্রতিবেদনটির কথা আলাদা করে বলতেই হয়। কেননা, ওই প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে হায়দার আলী সাংবাদিকতার অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। মালয়েশিয়ায় শ্রমিকদের দাসত্বের জীবন নিয়ে আন্তর্জাতিক অনুসন্ধানের মতো দুঃসাহসিক কাজও করেছেন হায়দার, যা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের উৎসাহিত করবে।
প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে হায়দার আলী বলেন, আমার সাংবাদিকতার যৌবন পার করেছি কালের কণ্ঠে। পত্রিকাটিতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতে গিয়ে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ও সহযোগিতা পেয়েছি বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছ থেকে। এই দুজন মানুষের সহযোগিতা, উৎসাহ, ভালোবাসা না পেলে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে এমপি-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা সম্ভব হতো না। আমি উনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠ সম্পাদক শাহেদ মোহাম্মদ আলী, ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সান সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোরডটকম সম্পাদক জুয়েল মাজাহার, ডেইলি সানের নির্বাহী সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের নির্বাহী সম্পাদক রাহুল রাহা, বাংলাদেশ প্রতিদিনের অনলাইন ইনচার্জ শামসুল হক রাসেল, নির্বাহী সম্পাদক আবু তাহের, কালের কণ্ঠের সিটি এডিটর কাজী হাফিজ, নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের ডেপুটি সিএনই আশিকুর রহমান শ্রাবণ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজনেস এডিটর রুহুল আমিন রাসেল, চিফ রিপোর্টার মঞ্জুরুল ইসলাম প্রমুখ।
হায়দার আলী বর্তমানে কালের কণ্ঠ’র উপ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ সালে প্রথমসারির জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো’য় নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। কাজ করেছেন দৈনিক সমকালেও। তবে পেশাগত জীবনের দীর্ঘ সময় কাটছে দৈনিক কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায়। ২০০৯ সালে নির্মাণপর্বেই যুক্ত হন পত্রিকাটির সঙ্গে। স্টাফ রিপোর্টার থেকে সিনিয়র রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি হয়ে বর্তমানে তিনি পত্রিকাটির উপ-সম্পাদক। একইসঙ্গে তিনি দৈনিকটির দুর্নীতি বিরোধী অনুসন্ধানী সেলের প্রধান এবং এর পাঠক সংগঠন শুভসংঘ-এর উপদেষ্টা।
জট খোলা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ লাভ করেন ইউনেস্কো-বাংলাদেশ জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ড। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের দাসত্বের জীবন নিয়ে আলোচিত আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান করে পান মালয়েশীয় প্রেস ইনস্টিটিউটের বিশেষ পুরস্কার।
‘আমার অনুসন্ধান’ বইটিতে পাঠকরা পাবেন এই অনুসন্ধানী সাংবাদিকের দুর্দান্ত সব অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। যা পড়ে দেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা নিজেদেরকে আরো সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে পরবেন। সেই সঙ্গে এই বইটি নতুন প্রজন্মকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা শেখাতে ও চর্চা করতে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করবে।
‘আমার অনুসন্ধান’ বইতে পাঠকরা পাবেন জুলুমবাজ-অর্থলোভী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আমলা, ব্যাংক লুটেরা, প্রতারক, সন্ত্রাসী, গডফাদার, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, এমনকি এমপি-মন্ত্রীদের অপকর্ম নিয়ে একের পর এক দুঃসাহসিক সব অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। মানবিক সাংবাদিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে স্বীকৃতপ্রাপ্ত হায়দার আলীর সাড়া জাগানো ‘বিরল ভালোবাসা’ প্রতিবেদনও রয়েছে এই গ্রন্থে। রাজপথেই এক নাটকীয় ঘটনার সূত্র ধরে অনুসন্ধান করে হায়দার আলী দারুণ হৃদয়স্পর্শী এই প্রতিবেদনটি করেন। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে ভিখারি রমিজা পান নতুন জীবনের সন্ধান আর রিপোর্টার হায়দার আলী পান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে বিরল পুরস্কার, স্বীকৃতি আর একটি একান্ত সাক্ষাৎকার।
হায়দার আলী ১৯৭৬ সালের ২৩ মে ঢাকার শ্যামলীতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা প্রয়াত সামসুদ্দিন মিয়া, মা সালমা বেগম।