একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় মুজিব বর্ষে দ্বিতীয় ধাপে এক হাজার ১৩০টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবার সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় কবুলিয়ত দলিলসহ নব-নির্মিত বাসগৃহ পেয়েছেন। রবিবার (২০ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই বাসগৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে উপকারভোগীদের হাতে বাসগৃহের কবুলিয়ত দলিল তুলে দেন সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
এ সময় জেলার বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা, জেলা-উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। জেলার ১২টি উপজেলায় স্ব স্ব আসনের সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা বাসগৃহের কবুলিয়ত দলিল উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেন।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল জেলায় এক হাজার ১৩০টি ঘরের মধ্যে ৭৪৮টি ইতোমধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে, বাকি ৩৮২টি ঘরের নির্মাণ কাজ আগামি ৩০ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।
একতার কন্ঠঃ আগামীকাল সোমবার(২১ জুন) থেকে সারাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। রবিবার (২০ জুন) সচিবালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাস টার্মিনাল ছাড়া কোনো জায়গা থেকে চাঁদা আদায় করা যাবে না। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যেই কমিটির ১১১টি সুপারিশ ছিল। পরে এ বিষয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। বেশ কিছু সুপারিশ বাস্তবায়নে পথে, অল্প কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করবো, আমরা সেই বিষয়ে কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি।
’আজকে সভার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি সারাদেশে রিকশা-ভ্যানের মধ্যে মোটর লাগিয়ে রাস্তায় চলছে। শুধু সামনের চাকায় ব্রেক, পিছনের চাকায় কোনো ব্রেক নেই বা ব্যবস্থা থাকলেও তা অপ্রতুল। সেগুলো যখন ব্রেক করে যাত্রীসহ গাড়ি উল্টে যায়। এই ধরনের দৃশ্য আমরা দেখেছি।’‘আমরা দেখেছি হাইওয়েগুলোতেও এই রিকশা চলে আসছে।
এ জন্য সারাদেশের প্যাডেল চালিত রিকশার বিষয়ে আমরা বলছি না। প্যাডেল চালিত রিকশাকে যারা ইঞ্জিন দিয়ে রূপান্তর করেছেন, সেই সব রিকশা-ভ্যান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আজকের সভায় নেয়া হয়েছে।’ইজিবাইক, নছিমন, করিমনের জন্য দুর্ঘটনা ঘটছে। এগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নছিমন, করিমন, ভটভটি বিভিন্ন শহরে অটোরিকশা চলছে। আমরা সব জায়গায় যানবাহনের ব্যবস্থা করতে পারিনি। গ্রাম-গ্রামান্তরে সুন্দর রাস্তা হয়ে গেছে। হাঁটা কিংবা সাইকেল, মোটরসাইকেল, রিকশা ছাড়া পর্যাপ্ত যানবাহন নেই। সেজন্য নছিমন, করিমন পণ্য পরিবহন কিংবা যানবাহনের বিকল্প হিসেবে কাজ করছে। এটা নিয়েও আলোচনা হবে। খুব শিগগিরই এটাকে পরিমিত করা এবং ফাইনালি বন্ধ করা যায় কি-না সেটা নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা সেখানেও কাজ করবো।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইজিবাইক যথেষ্ট পরিমাণ এসে গেছে। ছোট ছোট গলিতে এগুলোর চলার কথা ছিল, প্রথমে সেভাবেই আসছিল। কিন্তু এরা সর্বত্র বিচরণ করছে। কমিশনার (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার) জানিয়েছেন, ১৩ হাজার মোটরচালিত রিকশা-ভ্যান আমরা ধ্বংস করেছি।
ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, যাতে তারা তাদের নির্দিষ্ট স্থান থেকে বের হতে না পারে। হাইওয়েতে কিংবা বড় রাস্তায় না আসতে পারে। ক্রমান্বয়ে আমরা এটাও বন্ধ করে দেব।’সভায় সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খান, সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মো. মসিউর রহমান রাঙা, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, টাস্কফোর্সের অন্যান্য সদস্যরা সশরীরে ও ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক ও টাঙ্গাইল-২(ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আসাদুজ্জামানের স্ত্রী এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অপরাজিতা হকের মা কুলছুম জামান চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মরহুমার ছেলে খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকা ক্লাবের সভাপতি খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল জানান, শনিবার (১৯ জুন) ভোরে বার্ধক্যজনিত রোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মায়ের মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক মিয়া জানান, তিনি এক ছেলে ঢাকা ক্লাবের সভাপতি খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল(সিআইপি) ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অপরাজিতা হক সহ অসংখ্য গুণগাহী রেখে গেছেন।তিনি জানান, খন্দকার কুলছুম জামানের প্রথম জানাজা নামাজ গুলশান আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে ।দ্বিতীয় দফা জানাযা নামাজ তাদের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নারুচিতে বাদ মাগরিব অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তার স্বামী মরহুম খন্দকার আসাদুজ্জানের কবরের পাশে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চীনের উৎপাদিত সিনোভ্যাক্স টিকা(ভ্যাকসিন) প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কেন্দ্রে ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, তৃতীয় ধাপে জেলায় মোট ১৫ হাজার ৬০০ ডোজ চীনে তৈরি সিনোভ্যাক্স ভ্যাকসিন এসেছে। অনলাইনে নিবন্ধিত তালিকানুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে।
সিভিল সার্জন জানান, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার প্রায় ৪২ লাখ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ১২ লাখ ৮ হাজার ২৯৭ জন অনলাইনে করোনা ভাইরাসের টিকার জন্য আবেদন করেন।
এরমধ্যে ১০ লাখ এক হাজার ৫৩২জন টিকার প্রথম ডোজ এবং ৭৫ হাজার ৬৯৪জন দ্বিতীয় ডোজ গ্রহন করেছেন। এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৮৩৮জন টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাননি।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন আরো জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৯২জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার শতকরা ৩৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ।শনিবার(১৯ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ছয় হাজার ৬২ জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৫ জনের দেহে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। যা শতকরা ৪৩ দশমিক ২৮শতাংশ । এ ছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউপি চেয়্যারম্যন মৃত্যু বরণ করেছেন ।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের তথ্য মতে, আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৮২ জন, কালিহাতীতে ৩৪ জন, মির্জাপুরে ৯ জন, দেলদুয়ারে ৪ জন, ধনবাড়িতে ১৪ জন ও ভূঞাপুরে ২ জন রয়েছেন।
এ নিয়ে শুক্রবার( ১৮ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৫৯৭০ জন। আরোগ্য লাভ করেছেন ৪৩৮৬ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪৪৮ জন। মোট কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫১৬৪ জন।এ পর্যন্ত সর্বমোট মৃত্যু ৯৬ জন।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন জানান, গত একমাসে জেলায় করোনা ভাইরাসের প্রকপ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে গত এক সপ্তাহ যাবৎ ৩০ ভাগের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। আমরা কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি। আগামী রবিবার( ২০ জুন) মিটিং এর মাধ্যমে লকডাউনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এদিকে শুক্রবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলার নাটশালা নিবাসী ৬ নং দিঘলকান্দী ইউনিয়নের দুইবারের সফল বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম শুক্রবার বেলা আনুমানিক ১১টার সময় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ৬ নং দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম (৫২) করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি—-রাজেউন)। শুক্রবার (১৮ জুন) সকাল ১১টার দিকে তিনি মারা যান। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার নাটশালা গ্রামে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি তিনি করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা পজেটিভ আসে। সেখান থেকে তিনি গত বুধবার বাড়িতে চলে আসেন। বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকাকালে শুক্রবার সকালে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। তিনি দিঘলকান্দি ইউনিয়নের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি চার মেয়ে ও এক স্ত্রীসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার এক মেয়েও করোনায় আক্রান্ত। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশক্রমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার বাদ আছর নাটশালা দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি নাটশালা গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার মৃত্যুতে আওয়ামীলীগ, বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়।গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১৩টি নমুনা পরীক্ষায় ১১৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নতুন আক্রান্ত ১১৩ জনের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৫৪ জন, কালিহাতী ২০ জন, মির্জাপুরে ১০ জন, দেলদুয়ারে ছয় জন, সখীপুরেএক জন, বাসাইলে আটজন, ঘাটাইলে আট জন, মধুপুরে একজন, ভূঞাপুরে তিন জন ও গোপালপুরে দুই জন রয়েছেন। জেলায় করোনা শনাক্তের হার শতকরা ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়াল পাঁচ হাজার ৮২৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩৭১জন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ৯৬জন।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন জানান, গত একমাসে জেলায় করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে গেছে।বিশেষ করে গত এক সপ্তাহ যাবৎ ৩০ ভাগের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। জেলায় কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
আগামি শনিবার(১৯ জুন) মিটিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে লকডাউনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি জানান, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে।একই সাথে যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা তাদের বিরদ্ধে জরিমানা করা হলেও কাঙ্খিত মাত্রার ফল পাওয়া যাচ্ছেনা।
প্রতিদিনই করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তাই আগামি শনিবার ‘জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি’র সভা শেষে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জেলার অধিক সংক্রমিত টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর এই তিনটি উপজেলায় লকডাউনের পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ২৫৪টি নমুনা পরীক্ষায় জেলায় ৯৫জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ৩৭.৪০ শতাংশ। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ হাজার ৭১২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ৩৩৫ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৯৫ জন।
এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৩৬৭ জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৬২ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ৬১ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে আইসিউ বেডে ৪জন ও জেনারেল বেডে ১৮জন অন্যদিকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে পাঁচজনসহ জেলায় সর্বমোট ২৭জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গাণিতিক হারে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইলকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলায় করোনা ভাইরাস শনাক্তের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামি শনিবার(১৯ জুন) থেকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার(১৪ জুন) বিকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সোমবার বিকালে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মিঞা, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর উপজেলায় মঙ্গলবার(১৫ জুন) থেকে মাস্ক পরিধান ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি মাইকিং করে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণাসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো শুরু হয়েছে।
এদিকে, টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭১টি নমুনা পরীক্ষায় জেলায় ৮৫জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৫৬, কালিহাতীতে ১২জন, মির্জাপুর উপজেলায় চার জন, দেলদুয়ারে ছয় জন, সখীপুরে তিন জন এবং নাগরপুর, ঘাটাইল, মধুপুর ও গোপালপুর উপজেলায় এক জন করে মোট ৮৫ জন রয়েছে। মঙ্গলবার(১৫ জুন) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলা উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার ট্রানজিট পয়েণ্ট হওয়ায় এ দুই উপজেলায় করোনা শনাক্তের হার অন্য উপজেলাগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।
তিনি আরও জানান, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে, অন্যকেও সচেতন করতে হবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ হাজার ৬১৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩৩১ জন। এ পর্যন্ত জেলায় করোনাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে মোট ৯৫ জন।
একতার কণ্ঠঃ কয়েক দিন ধরে টাঙ্গাইলে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। এ জন্য টাঙ্গাইলকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই শনাক্তের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী শনিবার থেকে জেলার সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ তিন উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলাগুলো হলো টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর।
সোমবার( ১৪ জুন) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই তিন উপজেলায় মঙ্গলবার থেকে মাস্ক পরিধান ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, মাইকিং করে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সভায় সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মিঞা, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফ উদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এদিকে টাঙ্গাইলে ৭৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ২৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এ আক্রান্ত শনাক্ত হয়। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৯ জন, কালিহাতীতে ২১ জন, বাসাইলে ৫ জন, সখীপুরে ৪ জন, গোপালপুর ও ঘাটাইলে ৩ জন করে এবং মধুপুর ও দেলদুয়ারে ১ জন করে রয়েছেন। এ নিয়ে সোমবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৪ হাজার ৫৩২। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৫ জন।
সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান বলেন, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতীতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেশি। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে, অন্যকেও সচেতন করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের বিভাগীয় ক্যাডেট (এসআই) এর ১৯তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ জুন) সকালে ট্রেনিং সেন্টারের প্যারেড গ্রাউডে এ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) ময়নুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ময়নুল ইসলাম কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি ৪টি ক্যাটাগরিতে প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন।
ময়নুল ইসলাম জানান, ৮৭৭ জন প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ২২৫ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ৬৫২ জন প্রশিক্ষণার্থী চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছে। তবে যেসব প্রশিক্ষণার্থীকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে তারা পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহবুবুর রহমান, পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সালমা সৈয়দ পলি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) শেখ রাজীবুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) মারুফা আক্তার প্রমুখ। এছাড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অন্যন্য অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ, ১৯তম ব্যাচের মোট প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন ৮৭৭ জন। প্রশিক্ষণ চলাকালে বিভিন্ন কারণে ২২৫ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনা সংক্রমণের হার দিন দিন বাড়ছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের শতকরা হার ৩৩.৩৩ শতাংশ। যা গত এক মাসে সর্বোচ্চ। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৯৫ জন।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ নিয়ে সোমবার(১৪ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৩২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৪ হাজার ৩২২ জন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এ পর্যন্ত ৪১৯ জন রোগী ভর্তি হয়। হাসপাতালের করোনা ডেডিকেডেট ইউনিটে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২০ জন।কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫ হাজার ১০০ জন।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন জানান, আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৯ জন, কালিহাতীতে ২১ জন, বাসাইলে পাঁচজন, সখীপুরে চারজন, গোপালপুর ও ঘাটাইলে তিনজন করে, মধুপুর ও দেলদুয়ারে একজন করে রয়েছেন।
তিনি আরো জানান, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলা উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার ট্রানজিট পয়েন্ট হওয়ায় এ দুই উপজেলায় করোনা শনাক্তের হার অন্য উপজেলার তুলনায় অনেক বেশি। ইতোমধ্যে দুই দফায় কালিহাতী উপজেলার ৩৩টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলাকেও কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে।