একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স ও মাছবাহী পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংর্ঘষে একজন নারীসহ ৫ জন নিহত হয়েছে।শনিবার(৩ জুলাই) সকালে এই দূর্ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন ।বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, অ্যাম্বুলেন্সটিতে ক্যান্সার আক্রান্ত রুগী নিয়ে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। মহাসড়কের হাতিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীতদিক থেকে আসা ঢাকাগামী মাছবাহী একটি পিকআপ ভ্যানের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমরে-মুচরে যায়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। দূর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স ও পিকআপ ভ্যানে থাকা আরও সাতজন যাত্রী আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে এক জন নারী সহ দুই জনের মৃত্যু হয়।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হতাহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।’
একতার কণ্ঠঃ কঠোর লকডাউনেও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে শুক্রবার(২ জুলাই) সকাল পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিন জন ও উপসর্গ নিয়ে চার জন সহ মোট সাত জন মৃত্যুবরণ করেছে। নতুন করে জেলায় ৫২৬টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
এদিকে কঠোর লকডাউন অমান্য করে যাতায়াতকারী যানবাহন বঙ্গবন্ধুসেতু পারাপার হতে না পারে সেজন্য টোল আদায়ে সতর্ক থাকতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে(বাসেক) অনুরোধ জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি।
টাঙ্গাইল জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায় লকডাউন অমান্য করে বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়ক ব্যবহার করে গণপরিবহন যাতে টাঙ্গাইলে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ব্যাবস্থা নিতে পাশের গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসককেও অনুরোধ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) বিকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে লকডাউন বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয় সভা শেষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি এ অনুরোধ করেন।
তিনি জানান, কঠোর লকডাউন অমান্য করে কেউ যেন টাঙ্গাইলে প্রবেশ না করতে পারে- সে লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসককে বঙ্গবন্ধুসেতুর পশ্চিমপ্রান্তে সব সময়ের জন্য মোবাইল কোর্ট রাখার অনুরোধ করা হয়েছে- যাতে বিধিনিষেধ অমান্য করে কোন গাড়ি সেতুতে উঠতে না পারে। এছাড়া টোল আদায়ে বাসেককে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একজন সদস্য(সচিব পদ মর্যাদার) জেলার করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করছেন।
জেলা প্রশাসক জানান, কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পয়েণ্টে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছে সেনা সদস্যরা। এছাড়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ১১৩টি চেকপোস্ট বসিয়ে লকডাউন কার্যকর করা হচ্ছে। জেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে ২৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর সাতটি টিম(প্রতি টিমে ৯জন সেনা সদস্য), প্রতিটিমে আট জন সদস্যের র্যাবের তিনটি পেট্রোল টিম, বিজিবি’র ২০জন সদস্য, পুলিশ এবং আনসারের আটশ’ সদস্য মাঠে রয়েছেন।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান শুক্রবার(২ জুলাই) সকালে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিন জন ও উপসর্গ নিয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিন নতুন করে জেলায় ৫২৬টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১২৬ জন, মির্জাপুরে ৩০ জন, দেলদুয়ার, কালিহাতী, ঘাটাইল ও গোপালপুরে ১২ জন করে, সখীপুরে ১০ জন, মধুপুরে সাত জন, বাসাইলে ছয় জন, ভূঞাপুর ও ধনবাড়িতে তিন জন করে এবং নাগরপুর উপজেলায় দুই জন রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে সাত করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে এবং করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও নয় জন। বৃহস্পতিবার( ১জুলাই) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সাদিকুর রহমান বলেন, ‘করোনা রোগীদের মধ্যে চার জন আইসিইউতে এবং বাকিরা করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ও আইসোলেশন সেন্টারে মারা গেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘হাসপাতালে করোনা রোগী ও সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে হাসপাতালের দুটি জেনারেল (গাইনি ও মেডিসিন) ওয়ার্ড করোনা রোগীদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
হাসপাতালে প্রযোজনীয় ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতেও হাসপাতালের চিকিৎসক ও সেবাকর্মীরা সাধ্য মতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ দিকে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন খান জানান, নতুন করে জেলায় ২৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। ৬২৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৫৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শতকরা ৪০ দশমিক ৯২ ভাগ।
তিনি আরো জানান,এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯৬৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৫জন। সর্বমোট মৃত্যুবরণ করেছেন ১১৫জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৩২০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ দিন জেলায় শনাক্তের হার ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ।গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় করোনাক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করেনি।বুধবার(৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়াল সাত হাজার ৭০৭জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছে মোট চার হাজার ৬৬২জন।করোনায় মৃত্যুবরণ করেছে ১০৮জন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২৪ জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খানের (মুক্তি) জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার (৩০ জুন) টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। সহিদুর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ভাই।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান বলেন, ফারুক হত্যা মামলায় গত বছরের ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের পর আদালত সহিদুর রহমান খানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আরও আটবার তাঁর জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেন। গত সোমবার সহিদুরের পক্ষে তাঁর আইনজীবী আবদুল বাকী ও আরফান আলী মোল্লা জামিন আবেদন করেন। আদালত বুধবার শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম খান ও বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান, তাঁর তিন ভাই তৎকালীন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সহিদুর রহমান খান, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় ৩ বছর হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তি পান। সহিদুর রহমান খান মুক্তি গত বছরের ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর অন্য দুই ভাই এখনো পলাতক রয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায়, বুধবার (৩০ জুন) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না। দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসায় চলমান ছুটি আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে ।
মঙ্গলবার (২৯ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘সারা দেশে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। লকডাউনও কার্যকর হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ছুটি ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত ।’
করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ক্লাস চলতে থাকে অনলাইনে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি ও সংসদ টিভিতে নেয়া হয় ক্লাস।
তবে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশই শিক্ষণের এই প্রক্রিয়া থেকে দূরে রয়েছে বলে নানা জরিপে উঠে এসেছে। বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় ও নিম্ন আয়ের মানুষদের সন্তানরা আদৌ পড়ালেখার মধ্যে আছে কি না, এ নিয়ে আছে প্রশ্ন। জরিপে জানা যায়, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে।
এছাড়া, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনার কারণে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা এখনও নেয়া সম্ভব হয়নি। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেয়া গেলেও এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার। পরীক্ষার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায়, শিক্ষার্থী-অভিভাবক-শিক্ষকরা পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগে আছেন।
এ পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শুরুতে জানিয়েছিলেন এ বছর অটোপাস দেওয়ার ইচ্ছা সরকারের নেই। কিছুদিন আগে মন্ত্রী জানান, পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়নের চেষ্টা করছে সরকার।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সব শিক্ষার্থীকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়ার পরই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার জন্য সরকারকে সুপারিশ করবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় নতুন করে একদিনে(২৪ ঘন্টায়) সর্বোচ্চ ১৯৩ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ দিন জেলায় শনাক্তের হার ৪৪ দশমিক ১৬ শতাংশ। জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৭ হাজার ৩৮৭ জন।মঙ্গলবার (২৯ জুন) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৪৩৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ১৯৩ জন শনাক্ত হন। এর মধ্যে রয়েছেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৭৯ জন, ঘাটাইলে ২৬ জন, কালিহাতীতে ১৮ জন, গোপালপুরে ১৬ জন, দেলদুয়ারে ১৪ জন, ভূঞাপুরে ১৪ জন, মধুপুরে ৮ জন, ধনবাড়ীতে ৬ জন, মির্জাপুরে ৬ জন, সখীপুরে ৩ জন ও নাগরপুরে ৩ জন।
এখন পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১০৮জন।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান জানান, স্বাস্থ্যবিধি না মানার ফলে গত দুই সপ্তাহ যাবত টাঙ্গাইলে করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টাঙ্গাইল, কালিহাতী ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় সপ্তাহব্যাপি লকডাউনের ফলে দুই দিন কমলেও আবার আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে পাঁচ জনের মৃত্যুবরণ করেছেন।একই সময়ে জেলায় নতুন করে আরও ১৬১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সোমবার(২৮ জুন) জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা(আরএমও) শফিকুল ইসলাম সজীব জানান, করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ২০ শয্যার আরও একটি ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। ৫০ শয্যার করোনা ওয়ার্ড গত বছর চালু করা হয়।
৭০ শয্যার দুই ওয়ার্ডে এখন ৭৭ জন রোগী ভর্তি আছেন। এরমধ্যে ২২ জন করোনায় আক্রান্ত এবং ৫৫ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন।
এদিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৬১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ২১ শতাংশ।
তাদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৯৫, কালিহাতীতে ২০, বাসাইলে ১৪, মধুপুরে আট জন, দেলদুয়ার ও ঘাটাইলে ৭ জন করে, ভূঞাপুরে পাঁচ জন, মির্জাপুরে তিন জন, সখীপুর ও নাগরপুর উপজেলায় এক জন করে রয়েছেন।
এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৭ হাজার ১৯৪। করোনায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১০৮ জন। সুস্থ হয়েছেন চার হাজার ৫৬৯ জন
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্র্রমিলা ফুটবল দল ২-১ গোলে কিশোরগঞ্জ জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। রোববার (২৭ জুন) বিকালে ঢাকা পল্টন মাঠে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আয়োজনে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
খেলার শুরুতে টাঙ্গাইল জেলা দলের রিতু আক্তার প্রথমে গোল করে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়। কিশোরগঞ্জ জেলা দল খেলায় পিছিয়ে পড়ে গোল পরিশোধের জন্য পাল্টা আক্রমন করে খেলে কিশোরগঞ্জ দলের সালমা আক্তার গোল করে (১-১) খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনে। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে টাঙ্গাইল জেলা দলের সুরমা খাতুন গোল করে দলকে (২-১) এগিয়ে নেয়। এরপর কিশোরগঞ্জ জেলা ফুটবল দল পাল্টা আক্রমন করে খেলেও কোন গোল করতে পারেনি। খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল ২-১ গোলে জয় লাভ করে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওযা গৌরব অর্জন করে ।
এছাড়া একই দিন সকাল ১০টায় সেমিফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দল ফরিদপুর জেলা দলকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের হয়ে যারা খেলছে তারা হলোঃ সাদিয়া আক্তার( অধিনায়ক), রিতু আক্তার, সেলিনা আক্তার, রুপা আক্তার, ইতি আক্তার, সুরমা আক্তার, দৃষ্টি আক্তার, লিজা খাতুন, মরিয়ম বিনতে হান্না, শায়লা শবনম তন্নী(গোল কিপার) আশা আক্তার, আলমিনা আক্তার ও ইউসা হালিম।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কামরুন নাহার খান মুন্নী ও ম্যনেজার হিসেবে আছেন জাহিদ তারেক খান জুয়েল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি জেলার মির্জাপুর উপজেলায়। জেলায় করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ১০৮জন। এছাড়া ২৯৩টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১০১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। রোবার(২৭ জুন) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে- টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ২৩ জন, ঘাটাইলে ২৩, কালিহাতীতে ১৭, গোপালপুরে ১২ জন, নাগরপুরে এক জন, দেলদুয়ারে নয় জন, সখীপুরে তিন জন, মধুপুরে নয় জন, ভূঞাপুরে চার জন রয়েছেন। জেলায় করোনায় আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৩৩ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৫৫৬জন।
সিভিল সার্জন জানান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে এ পর্যন্ত মোট ৪৪৪ জন রোগী ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১৯ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর(রেফার্ড) করা হয়েছে ৬৬ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে করোনা ডেডিকেডেট আইসিইউ বেডে পাঁচ ও জেনারেল বেডে ২৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্যদিকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে পাঁচ জন ও মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ইউনিটে তিন জনসহ জেলায় মোট ৩৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দল সেমিফাইনালে উঠেছে।শনিবার (২৬ জুন) দুপুরে ঢাকার “পল্টন মাঠে” অনুষ্ঠিত “খ” গ্রুপের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা কোয়ার্টার ফাইনালে শরিয়তপুর জেলা দলকে ৯-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারায়।
খেলায় টাঙ্গাইলে স্টাইকার রিতু আক্তার হ্যাটট্রিক করে। এছাড়া দলীয় অধিনায়ক সাদিয়া আক্তার ২টি, সেলিনা আক্তার ২টি ও রুপা আক্তার ১টি করে গোল করে।
অপরদিকে, বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবলের বালক বিভাগের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবলে টাইব্রেকারে শরিয়তপুর জেলা (অনুর্ধ্ব-১৭) বালক দলের কাছে ৫-৪ গোলে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে খেলায় ১-১ গোলে ড্র হলে খেলা টাইব্রেকারের গড়ায়।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের হয়ে যারা খেলছে তারা হলোঃ সাদিয়া আক্তার( অধিনায়ক), রিতু আক্তার, সেলিনা আক্তার, রুপা আক্তার, ইতি আক্তার, সুরমা আক্তার, দৃষ্টি আক্তার, লিজা খাতুন, মরিয়ম বিনতে হান্না, শায়লা শবনম তন্নী(গোল কিপার) আশা আক্তার, আলমিনা আক্তার ও ইউসা হালিম।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কামরুন নাহার খান মুন্নী ও ম্যনেজার হিসেবে আছেন জাহিদ তারেক খান জুয়েল।
রবিবার (২৭ জুন) সেমিফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা দল ফরিদপুর জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ দলের মোকাবেলা করবে।
একতার কণ্ঠঃ সারাদেশে সোমবার (২৮ জুন) থেকে এক সপ্তাহের জন্য কড়াকড়ি কঠোর লকডাউন দেবে সরকার। মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কাজ করবে পুলিশ, বিজিবি। একই সঙ্গে মোতায়েন থাকতে পারে সেনাবাহিনীও।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
তিনি বলেন, আগামীকাল প্রজ্ঞাপন জারি। এক সপ্তাহ পর পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।কোভিড ১৯ সংক্রমণ রোধকল্পে আগামী সোমবার ২৮ জুন ২০২১ থেকে পরবর্তী নির্র্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর লকডাউন পালন করা হবে।এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সকল সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জরুরী পন্যবাহী ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে যানবাহন শুধু চলাচল করতে পারবে।জরুরী কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না।
গণমাধ্যম এর আওতা বহির্ভূত থাকবে।
এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত আদেশ আগামীকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হবে।
সূত্রঃ- যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল