আরমান কবীরঃ বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদ আবার সুযোগ নিবে। গত বর্ধিত সভায় তারেক রহমান বলেছিলেন, সুদৃঢ় ঐক্যই রুখে দিতে পারে সকল ষড়যন্ত্র। আজকে নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের কারণে ১৪, ১৮ ও ২৪ সালে দেশের জনগণ ভোট দিতে পারেনি। কারণ তারা ভোটকে ভয় পাইতো, জনগণের শক্তিকে ভয় পাইতো। এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন চায়। নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শহর ও থানা বিএনপি’র উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ছাত্র জনতার বিজয়ের বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের বিপক্ষে যখন যে গেছে, তার পরিস্থিতি ভাল হয়নি। এরশাদ জনগণের ভোটকে লুণ্ঠন করেছিল, এরশাদ টিকতে পারেনি। খুনি শেখ হাসিনা জনগণের ভোট কেড়ে নিয়েছিল। ফ্যাসিবাদ উপাধি পেয়ে জনগণ থেকে ধিকৃত হয়ে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে।
টুকু আরও বলেন, যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে চাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে জনগণ আবার গর্জে উঠবে। আর তালবাহানা না করে জনগণের সেন্টিমেন্ট অনুযায়ী দ্রুত নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন , জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
পরে শহিদ মিনার থেকে একটি বিজয় মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন নেতাকর্মীরা।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে সম্মিলনের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে ওই সম্মিলনে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক আল-আমিন, সদস্য সচিব আবু আহমেদ শেরশাহ, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথি সহ আহত ও শহীদদের পরিবারের সদস্যরা।
আলোচনার এক পর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জুলাই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
এসময় জেলার জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারা এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও শহর বিএনপি’র আয়োজনে বিজয় র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজামিল শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. আজগর আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রউফ।
এরআগে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে জেলা-উপজেলা ও শহর বিএনপি’র বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নেতাকর্মী অংশ নেয়।

দিনটি উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মঙ্গলবার দুপুর দেড় টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
বিকাল সাড়ে ৫টায় মুক্তমঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংগীত, কবিতা ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে গণআন্দোলনের চেতনা তুলে ধরেন।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।
আরমান কবীরঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা মওলানা ভাসানীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই। কারণ তাকে ইতিহাসে স্মরণ করা হয় না। ভাসানীর মতো মহান রাজনৈতিক পুরুষ, বাংলাদেশের স্থপতি থাকা সত্ত্বেও শুধু একজনকে জাতির পিতা ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৫৪ বছরে একজন ব্যক্তিকে পূজা করা হয়েছে। কিন্ত ভাসানীরা না থাকলে শেখ মুজিব কখনো তৈরি হতে পারতেন না।
মঙ্গলবার(২৯ জুলাই )দুপুর দেড়টায় টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে এনসিপি আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “এই টাঙ্গাইলের প্রতিটি ইঞ্চি সংগ্রামের সাক্ষী। কৃষকের ঘামে গড়া এই টাঙ্গাইলেই মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে বহু ঐতিহাসিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ভাসানী শুধু বাংলাদেশের নয়, উপমহাদেশের অনন্য এক রাজনৈতিক পুরুষ। আসামের বাঙালি মুসলমান কৃষকদের জমির অধিকার আদায়ে তাঁর সংগ্রাম আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা, তৃণমূল রাজনীতির পথিকৃৎ।”
সমাবেশে তিনি আরও বলেন, “ভাসানীই প্রথম বুঝেছিলেন পাকিস্তানের সঙ্গে এক ছাদের নিচে বাঙালির টিকে থাকা অসম্ভব। কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বিদায়ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।”
ভাসানীর অবদান স্মরণ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “তাঁকে ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। শেরে বাংলা ফজলুল হক এবং মওলানা ভাসানীর মতো নেতাদের বাদ দিয়ে ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে। অথচ শেখ মুজিবুর রহমানও ভাসানীর রাজনৈতিক ধারার উত্তরসূরি।”
তিনি বলেন, “১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেপথ্য কারিগর ছিলেন মওলানা ভাসানী। আমরা তাঁর আদর্শ বুকে ধারণ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে দেশের সামনে একটি বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড় করাতে চাই।”
তিনি বলেন, এই টাঙ্গাইলের প্রতিটি ইঞ্চি সংগ্রামের সাক্ষী দেয়। কৃষকের ঘামে গড়া এই টাঙ্গাইল আমাদের বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। টাঙ্গাইল আসলেই প্রথম যার কথাটি বলতে হয় তিনি হলেন মেহনতি ও গণমানুষের নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো উপমহাদেশের একজন অনন্য রাজনৈতিক পুরুষ ছিলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী,
উত্তরাঞ্চলের যুগ্ম মূখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আজাদ খান ভাসানী, টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
এই পথ সভা শেষে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গাজীপুর জেলার উদ্দেশ্য টাঙ্গাইল ত্যাগ করে।
আরমান কবীরঃ মাওলানা ভাসানীর পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী যে মেহনতি মানুষের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, এনসিপি সেই উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
সোমবার (২৮ জুলাই) রাতে জুলাই পদযাত্রায় টাঙ্গাইলে এসে সন্তোষে মাওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী ছিলেন কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যিনি একইসঙ্গে পিণ্ডি ও দিল্লীর আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।’
মাওলানা ভাসানী ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের কারিগর ছিলেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী যে মেহনতি মানুষের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, এনসিপি সেই উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই দায়িত্বের রাজনীতি নিয়েই মাওলানা ভাসানীর পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’
এ সময় দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আজাদ খান ভাসানী, টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পদযাত্রাকে সফল করতে এরমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা নাগরিক পার্টির নেতারা। মাজার জিয়ারত শেষে তারা রাতে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের অগ্রনায়কদের পদচারণায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা সদরের শামসুল হক তোরণ থেকে পদযাত্রাটি শুরু হবে। পরে সেটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিরালামোড়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হবে।
আরমান কবীরঃ ঢাকার উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত টাঙ্গাইলের সখীপুরের মেহনাজ আফরিন হুমায়রা ও মির্জাপুরের নয়াপাড়া গ্রামের তানভীর আহমেদের কবরে বিমানবাহিনীর প্রধানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার হতেয়া কেরানিপাড়া এলাকায় হুমায়রার কবরে বিমানবাহিনীর প্রধানের পক্ষে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান বীর উত্তম সুলতান মাহমুদ বিমানঘাটির উইং কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় হুমায়রার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
পরে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন উইং কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন। পরিবারের সদস্যরা সখীপুরের বীর উত্তম সুলতান মাহমুদ বিমানবাহিনীর ঘাঁটিটি হুমায়রার নামে করার দাবি জানান।
এরপর মির্জাপুরের নয়াপাড়া গ্রামের তানভীর আহমেদের কবরে বিমানবাহিনীর প্রধানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
উইং কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিমানবাহিনী সব সময় দেশ ও জনগণের পাশে রয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, আহতদের সব ধরনের সহযোগিতার জন্য ২৪ ঘণ্টা কাজ করে যাচ্ছে। নিহত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।
হুমায়রার পরিবারের পক্ষে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘হুমায়রা অনেক মেধাবী ছিল। বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগে দুঃস্বপ্নে পরিণত হলো। সখীপুরের বিমান ঘাটিটি হুমায়রার নামে করার দাবি করছি।’
আরমান কবীরঃ গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারি জোনায়েদ সাকি বলেছেন,যিনি প্রধানমন্ত্রী হোন তার কাছে সব ক্ষমতা, আর সেই ক্ষমতা খাঁটিয়ে জনগণের প্রতি স্টিম রুলার চালিয়েছে।জনগণের সব অধিকার কেঁড়ে নিয়েছিলো।এছাড়া ভোটের অধিকারও কেঁড়ে নিয়েছিলো শেখ হাসিনা,এ জন্য ২০০৮ সালে তত্ববায়ধক সরকার গঠন করেছিলো কিন্তু শেখ হাসিনা ক্ষমতায় গিয়ে ২০১১ সালে বাতিল করে দেন।
রবিবার (২৭ জুলাই) বিকালে টাঙ্গাইল নিরালা মোড়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে টাঙ্গাইল জেলা গণসংহতি আন্দোলনের আয়োজনে জুলাই শহীদদের স্বরণে জুলাই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন,যদি আমরা একদম ফ্যাসিবাদ দূর করতে না পারি তাহলে এদেশ ঠিক হবেনা,গত ১৮ বছর যাবত দেশের মানুষ লড়াই করছে,বিগত সময়ে বিরোধীদলীয় নেতাদের উপর অত্যাচার নিপিড়ন,গুম হত্যা সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছে যার বর্ণনা দেওয়া যাবেনা। ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো,জনগণ তখনো বুঝে উঠেনি কিন্তু এবার ২৪শে মানুষের স্ফুলিঙ্গ ফুটে উঠেছিলো। যার ফলে আন্দোলন সফল হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা গণসংহতি আন্দোলনের সভাপতি মোফাখখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলার সভাপতি ফাতেমা রহমান বিথি,গণসংহতি আন্দোলনের টাঙ্গাইল পৌর কমিটির সদস্য সচিব ফারজানা জেসমিন,জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ মারুফের মা মোর্শেদা বেগম প্রমূখ।
আরমান কবীরঃ উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইলের নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে রবিবার (২৭ জুলাই) সকালে জেলার মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্শি ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের তানভীর আহমেদ (১৪) এবং সখীপুর উপজেলায় হতেয়া কেরানিপাড়া গ্রামের হুমায়রের বাড়িতে গিয়ে তারা সমবেদনা জানান। পরে নিহতদের কবর জিয়ারত করা হয়।
এসময় কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু তানভীর এবং হুমাইয়ার বাবা-মাকে সান্ত্বনা দেন। এ সময় নিহতের বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কেন্দ্রীয় বিএনপি নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ, গত ২১ তারিখ দুপুরে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইলের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। পরদিন টাঙ্গাইলের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।
সাহান হাসানঃ রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মেহেনাজ আক্তার হুমায়রা মৃত্যুবরণ করেছে।
হুমায়রা টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া কেরানীপাড়া এলাকার দেলোয়ার হোসেন রানার একমাত্র মেয়ে। হুমায়রার বাবা দেলোয়ার হোসেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক। তবে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন প্রাণে বেঁচে গেছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত হুমায়রার চাচাতো ভাই কাউসার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত হুমায়রার পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হতেয়া গ্রামের আব্দুল বাছেদ মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন রানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। শিক্ষাজীবন শেষ করে ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।
প্রায় ১০ বছর আগে বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে রাজধানীর উত্তরার একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। কলেজে শিক্ষকতার সুবাদে তাঁদের একমাত্র মেয়ে মেহেনাজ আক্তার হুমায়রা মাইলস্টোন স্কুলেই পড়ত। এবার সে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক সুজন বলেন, ছুটি পেলে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে দেলোয়ার হোসেন গ্রামের বাড়িতে আসতেন। হুমায়রার মৃত্যুর খবর শুনে এলাকার লোকজন ওই বাড়িতে ভিড় করছেন।
নিহত হুমায়রার চাচাতো ভাই কাউসার আহমেদ বলেন, অনেকেই ঢাকা গেছেন। লাশ বুঝে পেলে পারিবারিক কবরস্থানে (গ্রামের বাড়ি) হুমায়রাকে দাফন করা হবে।
আরমান কবীরঃ জামায়াতে ইসলামীর অনেক দায় বিএনপি নিয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, কথা বলে কিন্তু লাভ হবে না। বরং বিএনপির সঙ্গে যখন ছিলেন, আপনাদের অনেক দায় কিন্তু বিএনপি নিয়েছে। মানুষ বলতো বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল, স্বাধীনতা যুদ্ধে যাদের অবদান, স্বাধীনতার ঘোষকের দল- তারা কেন রাজাকারদের সঙ্গে রাখছে?
শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে শহীদ জিয়াউর রহমান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে জেলা জাসাস আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এ মানববন্ধনে টুকু বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে যে কথাটি এখন তারেক রহমান বলেন, দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা এ ভূখণ্ডে যারা অবস্থান করি সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে গড়ে তোলার জন্য তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের। যারাই আন্দোলনে অংশ নিয়েছে ও সম্পৃক্ত ছিল সবাইকে নিয়ে আগামী দিনে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে।
এ সময় তিনি জামায়াতের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা জনগণের অধিকার হরণ করেছিল, ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ দেশের ছাত্র-জনতা তাদেরকে বিতাড়িত করেছে। আপনারাও যদি জনগণের সে অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টিকারী হন, আপনাদের পরিণতিও এ রকমই হবে। বাংলাদেশের জনগণ তাদের অধিকার আদায়ে সবসময় সক্ষম হয়েছে।
মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
আরমান কবীরঃ গোপালগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা এনসিপি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেল, জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের সদস্য সচিব আবু আহমেদ শেরশাহ, জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান শাওন, সদস্য ইসরাত জাহান রুমি, ধনবাড়ীর মুখ্য সমন্বয়কারী সাইফুল ইসলাম আপন, মধুপুরের মুখ্য সমন্বয়কারী সবুজ মিয়া, ঘাটাইলের মুখ্য সমন্বয়কারী সাইফুল ইসলাম রাজন, মির্জাপুরের মুখ্য সমন্বয়কারী মাসুদ পারভেজ প্রমুখ।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে আওয়ামী লীগের বিচার ও শহিদদের হত্যার বিচারের দাবির পাশাপাশি গোপালগঞ্জে হামলার তীব্র নিন্দা জানান আন্দোলনকারীরা।
এ সময় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এনসিপির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে পুরাতন রেট সিউিল বাতিল পূর্বক ৮০ শতাংশ রেট সিডিউল বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন ও স্বারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড মিনি ঠিকাদার কল্যাণ সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড মিনি ঠিকাদার কল্যাণ সমিতি জেলা শাখার সভাপতি মো. মাছুদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আসিফ খান শেলী, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নূল আবেদীন, দপ্তর সম্পাদক সজিব চন্দ্র দে, কোষাধ্যক্ষ মো. আমিরুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তব্যরা বলেন, প্রতি বছরই কর, ভ্যাট বৃদ্ধি পাচ্ছে, কাজের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে না। এছাড়া শ্রমিকের মুজুরীও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই পুরাতন রেট সিডিউল বাতিল পূর্বক ৮০ শতাংশ রেট সিডিউল বৃদ্ধির দাবি জানানো হয় মানববন্ধন থেকে।
মানববন্ধন শেষে টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ ছানোয়ার হোসেনের বারবার একটি স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।
মানববন্ধন ও স্বারক লিপি প্রদান কর্মসূচিতে সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) টাঙ্গাইল জেলা শাখা।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এসে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম ঝলক প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভকারীরা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ও দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি কলেজ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
ড্যাব টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ডা. আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, ডা. রফিকুল ইসলাম, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হাবিবুল আলম শাতিল, জাহিদ হোসেন মালা ও জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চলমান আন্দোলনের এই সময় বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে কুৎসা রটানো হচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, বরং দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ।
সমাবেশ থেকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে ড্যাব ও ছাত্রদলের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।