আরমান কবীরঃ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির কৃষক উইং এর প্রধান সমন্বয়কারী ও মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি আজাদ খান ভাসানী।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর )রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।তিনি জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা ও মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক আদর্শের পক্ষাবলম্বনই আমার কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের হাত ধরে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে আমি যুক্ত হয়েছিলাম। শুরু থেকেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে মহান মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত লড়াইয়ের এক ধারাবাহিক অধ্যায় হিসেবে আত্মস্থ করেছি। তেপ্পান্ন বছরের পুঞ্জীভূত বৈষম্য, শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সংগ্রামে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখাই ছিল আমার সেই পথচলার প্রেরণা।’
তিনি আরও বলেন, ‘মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দেখানো গণমানুষনির্ভর, আধিপত্যবাদ-সাম্রাজ্যবাদ ও বৈষম্যবিরোধী পালনবাদী রাজনীতির স্বপ্ন থেকেই প্রথমে জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সঙ্গে যুক্ত হই। সেই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় দলের কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্বও গ্রহণ করি।’
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, বাস্তব অভিজ্ঞতায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা, গণমানুষের প্রতি দরদ ও ত্যাগের যে গভীরতা প্রয়োজন এখানে তার স্পষ্ট ঘাটতি আমি অনুভব করেছি। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও প্রত্যাশিত সাফল্য দেখা যায়নি।’
মওলানা ভাসানীর নাতি বলেন, ‘এই বাস্তবতায় বেশ কিছুদিন ধরে সরাসরি সক্রিয় না থেকেও দলটির সঠিক রাজনীতি ও সাফল্য কামনা করে গেছি। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা ও মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক আদর্শের পক্ষাবলম্বনই আমার কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই দায় ও আদর্শের প্রতি অবিচল থাকতেই আজ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সঙ্গে আমার আনুষ্ঠানিক সম্পর্কচ্ছেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছি।’
তিনি বলেন, ‘এনসিপির সঙ্গে আমার এই স্বল্পকালীন পথচলায় কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। তারুণ্যের অভিযাত্রী দলটির প্রতি রইলো আন্তরিক শুভকামনা। গণমানুষের রাষ্ট্র বিনির্মাণের সংগ্রামে তারা যেন সঠিক পথ খুঁজে পায় এই প্রত্যাশাই থাকলো।’
এর আগে এ বছরের গত ৬ সেপ্টেম্বর এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর অনুমোদনক্রমে কৃষক উইংয়ের প্রস্তুতি কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে প্রধান সমন্বয়কারী করা হয়েছিল আজাদ খান ভাসানীকে।
আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমানে কার্য্যক্রম স্থগিত থাকা রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের কালিহাতী সদরের তার নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
এ সময় আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে আমি দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ছিলাম-নির্বাচনে অংশ নেবো কি নেবো না। আমি সবসময় জনগণের মতামত ও জনরায়কে প্রাধান্য দিয়ে রাজনীতি করি। আমার কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও অনুরোধের প্রতি সম্মান জানিয়েই আমি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দিবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে গণসংযোগ ও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি। ঘোষণার সময় তার শুভানুধ্যায়ী ও কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে কালিহাতী আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
আরমান কবীরঃ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির খুনিদের ফাঁসির দাবিতে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ এবং বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঢাকা
-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নগরজলফৈ বাইপাসে গিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে।
পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জুমআ’র নামাজ শেষে টাঙ্গাইল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে অবস্থান নেয়।
পরে বেশ কিছুক্ষণ যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে ছাত্রজনতা। এ সময় মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধ তুলে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাবেশ করা হয়।
সমাবেশে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতারা অবিলম্বে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবি জানান।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী গ্রামে বসতভিটার সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা ও প্রাণনাশের হুমকিতে বাদী পরিবার বর্তমানে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ডিসেম্বর( বুধবার) বিকেলে কুইজবাড়ী গ্রামের বাদীর বাড়িতে তাদের শরিক অভিযুক্ত জাহিদ, শহিদ, তাদের পিতা হামেদ আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩–৪ জন সংঘবদ্ধ হয়ে বাদীর মা অনামিকা বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এ সময় অনামিকা বেগম প্রতিবাদ করলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে তাড়া করে বসতঘরে ঢুকে জোরপূর্বক টেনে-হেঁচড়ে বাড়ির উঠানে নিয়ে আসে এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও তলপেটে লাথি মারতে থাকে।
একপর্যায়ে অভিযুক্ত জাহিদ অনামিকা বেগমের তলপেটে সজোরে লাথি দিলে তার পূর্বের সিজারিয়ান অপারেশনের সেলাই ছিঁড়ে গুরুতর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় বিবাদীরা তার পরনের কাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটায়।
অনামিকা বেগমের চিৎকারে তার স্বামী জাহিদুর রহমান এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। অভিযুক্ত জাহিদ ও শহিদ তার ডান চোখে আঘাত করে চোখ নষ্ট করার চেষ্টা করলে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। চার দিন চিকিৎসা শেষে আহতদের ছেলে রাব্বি বাদী টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ দায়েরের পর বিবাদীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বাদী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে বাদী পরিবার, ঘরবাড়ি ছেড়ে কালিহাতী উপজেলার চিনামুড়া এলাকায় আশ্রয় নেয়।
আহত জাহিদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, হামলার একপর্যায়ে অভিযুক্ত জাহিদ বসতঘরে ঢুকে ট্রাংক ভেঙে নগদ ৮০ হাজার টাকা লুট করে এবং অভিযুক্ত শহিদ তার স্ত্রীর গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
অনামিকা বেগম বলেন, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও বিবাদীরা আমাদের ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তারা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা বর্তমানে বাড়িছাড়া।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি অবগত আছেন এবং গ্রাম্য শালিসে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে বাদী পরিবার এলাকা ছাড়া রয়েছে এবং তাদের নিরাপদে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (উপপরিদর্শক) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমীন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরমান কবীরঃ একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
মঙ্গলবার(১৬ ডিসেম্বর )সকাল সাড়ে ৯টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে আয়োজিত বিজয় র্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে জেলা বিএনপি এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সেখান থেকে একটি বিজয় র্যালি বের করা হয়, যা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর উদ্যানে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত এবং ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে।
টুকু অভিযোগ করেন, আজ আমরা দেখছি একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। গতকাল বিভিন্ন জায়গায় তারাই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। যারা ঘাতক, তারাই আবার আলোচনা করে।
আগামী দিনের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান যে স্লোগান দিয়েছেন ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই চেতনাকে বুকে ধারণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান বীরের বেশে দেশে ফিরবেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশের মানুষ আগামী বিজয় দিবস উদযাপন করবে।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে টুকু বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি গুলিবিদ্ধ হাদি ও এরশাদ উল্লাহর ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, যারা গুপ্ত সংগঠন, তারাই এই কাজগুলো করে যাচ্ছে। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং সকল মতভেদ ভুলে গিয়ে ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবালসহ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল জেলা সদরে জনসেবা চত্বরের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়েই আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাদের আদর্শ ধারণ করেই গণতন্ত্র, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, সহ-সভাপতি রঞ্জন কৃষ্ণ পণ্ডিত ও আরমান কবীর সৈকত, সাধারণ সম্পাদক আবু জোবায়ের উজ্জ্বল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান মোস্তফা ও আব্দুস সাত্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল হাসান বাবু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও সুলতান কবীর, কার্যকরী সদস্য নাহার চাকলাদার ও মো. কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে দুপুরে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে আলোচনায় সভা ও মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়।
আরমান কবীরঃ রাজধানীতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে একটি বিক্ষোভ বের হয়। বিক্ষোভ মিছিলে জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়।
কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিক্ষোভ মিছিলটি নেতৃত্বে দেন।
মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন,বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
এ সময় টুকু বলেন, যারা এদেশে মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব চায় না, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য করে নির্বাচনকে বানচাল করতে চায় তারাই শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলি চালিয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আমাদের এ ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াতে হবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র একমাত্র বিএনপির কাছে নিরাপদ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিএনপির সাথে রয়েছে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বে দিয়ে ফ্যাসিবাদের বিদায় করেছেন। আজ সমগ্র বাংলাদেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে স্বৈরাচার ও দোসরদের বিরুদ্ধে। আমরা শত শহীদের বিনিময়ে অর্জিত এই গণতন্ত্র যে কোনো মূল্যে রক্ষা করবো ইনশাল্লাহ।
আরমান কবীরঃ “মানবাধিকার আমাদের প্রতিদিনের জন্য অপরিহার্য” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইলে ৭৭তম আন্তর্জাতিক বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (১০ডিসেম্বর) সকালে মানবাধিকার সংগঠন “ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস অব বাংলাদেশ” টাঙ্গাইল জেলা শাখা আলোচনা সভা ও মানববন্ধন ও বর্ণাঢ্য র্যালি বের করে।
এ দিন সকালে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানবাধিকারকর্মীরা শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে সমবেত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে মানববন্ধনে মিলিত হয়।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদরে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস অব বাংলাদেশ টাঙ্গাইলের উপদেষ্টা মনোয়ার হোসেন, বুলবুল আহমেদ, সংগঠনের সদস্য সচিব মামুনুর রহমান মামুন, অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জুয়েল।
মানববন্ধন শেষে একটি বিশাল র্যালি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়। এই র্যালিতে বিপুল সংখ্যক মানবাধিকার কর্মী অংশগ্রহণ করে।
এ ছাড়া টাঙ্গাইলের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।
উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়েছিল, তার স্মরণে প্রতি বছর এই দিনে দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।
এই বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় “মানবাধিকার আমাদের প্রতিদিনের জন্য অপরিহার্য”।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করেছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট ফরহাদ ইকবালের কর্মী-সমর্থকরা
সোমবার(৮ ডিসেম্বর )দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে মৌন মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়।
এর আগে,শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খন্ড-খন্ড মিছিল এসে পৌর উদ্যানে সমবেত হয়। পরে বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের পূর্বে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, টাঙ্গাইল সদর আসনটি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি’র দখলে রয়েছে। এবার বহিরাগত প্রার্থী দেওয়ায় আসনটি হাত ছাড়া হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিএনপি’র হাই কমান্ডকে অনুরোধ করবো এখানে সদরের ছেলেকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। এছাড়া তিনি আরও বলেন, বিএনপির হাই কমান্ড যে সিন্ধান্ত নেবে আমরা সেটাই মেনে নিবো।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন,শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলিম, সাধারণ সম্পাদক এজাজুল হক সবুজ, সদর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ, সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল, সহ-সভাপতি মামুন সরকার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম ঝলক, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু প্রমূখ।
আরমান কবীরঃ বিএনপি’র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ও টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল হকের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শামসুল হক স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
শামসুল হক স্মৃতি পরিষদের সভাপতি বাবু শ্যামল হোড়ের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদর আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী, জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পহেলী প্রমুখ।
দোয়া মাহফিল শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা এবং মরহুম শামছুল হকের রুহের মাগফিরাত প্রার্থনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার(২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বেতুয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা ।
মৃত জিহাদ(১০) ওই এলাকার প্রবাসী আনিস মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
মৃতের চাচাত ভাই জনি বলেন, “সন্ধ্যার পর বাড়িতে একই বয়সের চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে জিহাদের ঝগড়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জিহাদের মা তাকে বকাঝকা করেন। এরপর সে দৌড়ে নিজের ঘরে চলে যায়।
“রাত ৮টার দিকে ওই ঘরে ঢুকে জিহাদকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”
স্থানীয় আরিফুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি মর্মান্তিক, তবে বর্তমান সময়ে যারা বাবা-মা আছেন তাদের জন্য শিক্ষণীয়। শিশুর প্রতি কেমন আচরণ করতে হবে, এ বিষয়ে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।”
সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে প্রথমে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে পরিবারের দাবিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কাগুজিপাড়া বাজারে একটি খোলা পেট্রোল বিক্রির দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।এই ঘটনায় দোকান মালিক বৃদ্ধ গফুর আলী (৬০) দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডে বাজারের আরো দুইটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কালিহাতী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাসেল মিয়া অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কাগুজিপাড়া বাজার কমিটির সভাপতি মো. ফজলু তালুকদার জানান, সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে হঠাৎ গফুরের তেলের দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখি। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে আমরা পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সময় গফুর ভাই দোকান থেকে বের হতে না পারায় আগুনের তাপে ও ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করে।
তিনি আরও জানান, আগুন গফুরের দোকান থেকে পাশের আরও দুইটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। তিনটি দোকানে মিলিয়ে মোট ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
কালিহাতী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাসেল মিয়া বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরই আমরা ঘটনাস্থলে যাই ।বাজারের গফুর আলীর খোলা পেট্রোলের দোকানেই মূলত আগুন লাগে। পরে ১০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দোকান মালিক গফুর ভেতরে আটকে পড়ায় দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন ।নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আগুন লাগতে পারে। গফুরের দোকানে আনুমানিক ২ থেকে আড়াই লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”