/ হোম / নাগরপুর
টাঙ্গাইলে ব্রিজের পাটাতন ভেঙে যান চলাচল বন্ধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্রিজের পাটাতন ভেঙে যান চলাচল বন্ধ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়কের নাগরপুর উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের ভালকুটিয়া গ্রামে নয়নদী শাখা খালের ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজের পাটাতন ভেঙে সরিষাভর্তি একটি ট্রাক আটকে গেছে।

মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা।

অটোরিকশাচালক রফিক, সুলতানসহ পথচারীদের অভিযোগ, ব্রিজের স্টিলের তৈরি পাটাতন ক্ষয়ে গেছে। মোটরসাইকেলসহ হালকা যানবাহন চলার সময় প্রায়ই চাকা পিছলে দুর্ঘটনার শিকার হয়। ভারী যানবাহন উঠলে ব্রিজটি কাঁপতে থাকে। ভারী যানবাহন চলাচল নিষেধ থাকলেও তা উপেক্ষা করে প্রতিদিন কয়েকশ যানবাহন চলাচল করছে।

তারা আরও জানান, চলতি বছর কয়েকবার বেইলি ব্রিজটি মেরামত করা হয়েছে। কিন্তু কাজের মান ভালো না হওয়ায় প্রায়ই ব্রিজে দুর্ঘটনা ঘটছে। মানুষ উপায় না পেয়ে ব্রিজটি ব্যবহার করছে।

ধুবুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আলতাফ হোসেন জানান, ‘বেকড়া ও ধুবুরিয়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্রিজটি নির্মিত হয়েছে। আমারই পাশের গ্রাম ওটি। আজ সকালে সরিষাভর্তি একটি ট্রাক পারাপারের সময় ব্রিজের পাটাতন ভেঙে যায়। এতে ট্রাকটি আটকে গেছে এবং যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। মেরামতের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজন এসেছেন।’

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদুজ্জামান জানান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে মেরামতের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। সাময়িকভাবে মানুষ চলাচলের উপযোগী করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করেও টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলিউল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২২ ০১:১২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিয়ের ২৩ দিনের মাথায় ২০ বছরের এক যুবতী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

রবিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কোনাবাড়ি এলাকায় বাবার বাড়িতে ঘরের ধর্নার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

নিহত গৃহবধূ আশা আক্তার (২০) ওই গ্রামের আরশেদ আলীর মেয়ে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ দিন আগে উপজেলা সদরের দুয়াজানি গ্রামের মো. সজীব আহাম্মেদের সাথে বিয়ে হয়েছিল আশা আক্তারের । সম্প্রতি আশা তার বাবার বাড়িতে আসেন।

রবিবার দুপুরে আশার ভাই তাকে খাওয়ার জন্য ডাকতে গেলে আশার ঘরটি ভিতর থেকে বন্ধ পায়। ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পেয়ে এক পর্যায়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ধর্নার সাথে আশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয় নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর(ইউপি) মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২২ ০২:২৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর কলেজ ছাত্র আরিফ মিয়ার (২১) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ব্রিজের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন।

আরিফ নাগরপুর সদর ইউনিয়নের নঙ্গিনাবাড়ী গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. হোসেন মিয়ার ছেলে। সে টাংগাইল কাগমারীর সরকারি এমএম আলী কলেজের বিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানায় নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর (১০ আগস্ট) নিহতের চাচা মো. হাসান মিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।

এ প্রসঙ্গে, নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, গত ৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আরিফ নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বাড়ি থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে বের হয়ে যান। ওই দিন বিকেলে জাহাঙ্গীর একা বাড়ি ফিরে আসেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা

তিনি আরো জানান, এসময় বাড়ির লোকজন জাহাঙ্গীরের কাছে আরিফের কথা জানতে চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করে একেক সময় একেক তথ্য দিয়ে পরিবারকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। অবশেষে দুই দিন পেরিয়ে গেলেও আরিফের কোনো সন্ধান না পেয়ে ১০ আগস্ট নাগরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়। বিকেলে মানিকগঞ্জ থানা পুলিশ আরিফের মরদেহ উদ্ধার করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২২ ০৩:০৬:এএম ৪ বছর আগে
নাগরপুরে শেখ কামালের জন্মদিন উদযাপিত - Ekotar Kantho

নাগরপুরে শেখ কামালের জন্মদিন উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ নানা আয়োজনে নাগরপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ ছেলে ক্রীড়া সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের ৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলা চত্বরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও ওয়াহিদুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি ) মো.ইকবাল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মোঃ রোকনুজ্জামান খান, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বিশ্বাস প্রমূখ।

দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগ সকালে  আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মিলাত দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অগাস্ট ২০২২ ০২:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বরশিতে ধরা পড়ল ১০০ কেজি ওজনের সামদ্রিক শুশুক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বরশিতে ধরা পড়ল ১০০ কেজি ওজনের সামদ্রিক শুশুক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরের ধলেশ্বরী নদীতে বরশিতে ধরা পড়েছে ১০০ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির সামদ্রিক শুশুক। সমুদ্রের দুর্লভ জলজ প্রাণীটি নদীতে ভেসে লোকালয়ে আসায় স্থানীয় লোকজনের মাঝে ব্যাপক কৌতুহল দেখা দিয়েছে। এক নজর শুশুকটিকে দেখতে হাজার হাজার উৎসুক জনতা ভিড় করছে।

রবিবার (৩১ জুলাই) ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু নামের এক যুবকের বরশিতে ধরা পড়ে এ শুশুকটি।

সেন্টু উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, রবিবার ভোরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে সেন্টু বোয়াল মাছ ধরার বরশি (জিয়ালা বরশি) ফেলে আসে। বরশি ফেলার পর ছোট একটি বোয়াল মাছ বরশিতে আটকে গেলে ওই যুবক মাছটি খুলে আনার জন্য উদ্যত হয়। এ সময় আকস্মিকভাবে বিশাল আকৃতির শুশুকটি বরশিতে আটকে যাওয়া বোয়াল মাছকে গিলতে গিয়ে আটকে যায়। পরে সেন্টু প্রাণীটি দেখে ভয় পেয়ে চিৎকার করতে থাকে। এ সময় তার চিৎকার শুনে নদী পাড়ের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে শুশুকটি ডাঙ্গায় তুলে আনে। এরপর সামুদ্রিক শুশুকটি স্থানীয় জাঙ্গালীয় বাজারে নেয়া হয়। মুহূর্তের মধ্যে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজনসহ দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো মানুষ শুশুকটিকে দেখতে সেখানে ভিড় জমায়।

এদিকে স্থানীয় ইসমাইল মিয়া জানান, প্রাণীটি ১৫ হাজার টাকায় সেন্টুর কাছ থেকে কিনে নিয়েছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাছুম বিল্লা বলেন, প্রাণীটি বিলুপ্তির পথে। এটি সংরক্ষিত প্রাণী। যদি জীবিত থাকতো তাহলে আমরা উদ্বার করে অবমুক্ত করতাম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জুলাই ২০২২ ০৮:৫৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণকারী গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণকারী গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ১০ বছরের শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু কন্যাকে ধর্ষণকারী কৃষ্ণ চন্দ্র দাসকে(৫৫) গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (২৫ জুলাই) বিকেলে দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা।

অভিযুক্ত কৃষ্ণ চন্দ্র দাস নাগরপুর উপজেলার বেকরা ইউনিয়নের ভোর বাজার গ্রামের মৃত জিতেন্দ্র চন্দ্র দাস এর ছেলে।

শুক্রবার (২২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের ভোর বাজারে এ ধর্ষনের ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। তার বাবা চা বিক্রি করে কোন রকম সংসার চালায়। প্রতিদিন দুপুরে মেয়েকে দোকানে বসিয়ে রেখে বাড়ীতে খাবার খেতে যায়। শুক্রবার মেয়েকে রেখে জুমার নামাজ আদায় করতে যান তিনি। পরে নামাজ আদায় করতে গেলে কৃষ্ণ দাস নিজ দোকান থেকে বের হয়ে ওই চা দোকানে আসে।নামাজের সময় বাজারে লোকজন না থাকায় কৃষ্ণ দাস শিশু মেয়েটিকে ডেকে তার দোকানের ভিতর নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে সুকৌশলে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, শিশুটিকে ধর্ষণকারী আসামি কৃষ্ণ চন্দ্র দাসকে সোমবার দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান,প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে আসামি কৃষ্ণ চন্দ্র দাস শিশুটিকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে। আসামিকে আদালতে মাধ্যমে মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) টাংগাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রকাশ, ঘটনার পর ধর্ষককে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. জুলাই ২০২২ ০৮:৫৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের শিশু ধর্ষণ মামলার একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের শিশু ধর্ষণ মামলার একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী ১০ বছরের শিশুকে বড়ই খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ মামলার রায়ে এক জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন সোমবার(২৫ জুলাই) দুপুরে এই রায় ঘোষনা করেন।

সেই সাথে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

দন্ডিত ব্যক্তি নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের মৃত নয়ান আলীর ছেলে লিয়াকত আলী (৫৮)।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, ২০১৫ সালের ২১ মার্চ বিকেল ৩ টার দিকে চেচুয়াজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী ১০ বছরের ওই শিশু বাড়ির পাশে খেলা করছিল। পরে একই গ্রামের দন্ডিত আসামী লিয়াকত আলী বড়ই খাওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজ বসত ঘরে নিয়ে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার কথা কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে ভিকটিমকে ঘর থেকে বের করে দেয়। পরদিন ভিকটিম বাড়ীর লোকদের ঘটনার বিষয় জানায়। ধর্ষিত শিশুর পিতা প্রতিবন্ধি হওয়ায় পরে তার দাদা ২০১৫ সনের ২ এপ্রিল নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই মো: আব্দুল হক তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আসামী লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ মোট ৮ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

আসামীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুলাই ২০২২ ০৯:৩১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইউএনওর নামে ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা: যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইউএনওর নামে ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা: যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি খুলে টাকা দাবি করা যুবককে আটক করেছে সদর থানার পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্রবার(২২ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইল থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন ইউএনওর অফিসের জারীকারক মো. চাঁন মামুদ । পরে সদর থানার পুলিশ টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার ভারড়া গ্রামের রকমত আলীর ছেলে বিজয় খানকে মির্জাপুর থেকে গ্রেপ্তার করে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ইশরাত জাহান সিনথিয়া নামের ফেসবুক আইডি তৈরী করে তাতে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের ছবি ব্যবহার করে প্রতারক বিজয় খান আইডিটি ব্যবহার করে আসছিল। ফেসবুকের তালিকায় থানা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিমানের অর্থ দাবিপূর্বক আদায করে আসছিলেন তিনি। বিষটি ইউএনও জানতে পেরে নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে তার নাম ব্যবহারকারী কারো সাথে অবৈধ অর্থ লেনদেন করতে নিষেধ করে পোষ্ট করেন। এক পর্যায়ে ইশরাত জাহান সিনথিয়া নামীয় ফেসবুক আইডি বন্ধু তালিকা থাকা কয়েক জনের নিকট টাকা দাবি করেন ওই প্রতারক যুবক। বিষটি পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুলাই ২০২২ ০৯:৫৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শারীরিক সম্পর্কে সন্তুষ্ট করতে না পারায় পরকীয়া প্রেমিককে খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শারীরিক সম্পর্কে সন্তুষ্ট করতে না পারায় পরকীয়া প্রেমিককে খুন

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে পরকীয়া প্রেমিকাকে সন্তুষ্ট করতে না পারায় ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে খুন করা হয় প্রেমিক শফিকুল ইসলামকে। পরে তার মরদেহ বস্তায় ভরে পাশের ব্রিজের নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পরকীয়া প্রেমিকা মোরশেদা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানান।

মোরশেদা আক্তার (৩৩) নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবুল হোসেনের স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোরশেদার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্বীকারোক্তিতে মোরশেদা জানান, প্রতিবেশি মৃত সমেশ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫) নানা রোগে জর্জরিত। তার স্বামী বাবুল হোসেন ১ বছর ধরে সিঙ্গাপুরে চাকুরি করছেন।

সম্প্রতি শফিকুল সুসম্পর্কের (পরকীয়ার) জের ধরে তার সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরকীয়ার সম্পর্ক থাকাকালে অসুস্থতার কারণে শফিকুল কখনোই মোরশেদাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি।

সোমবার (১৮ জুলাই) বিকালে শফিকুল আবারও মোরশেদা আক্তারের বাড়িতে যান। ওই সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শফিকুল ইসলাম তার পরকীয়া প্রেমিকা মোরশেদা আক্তারের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়।

এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। বাড়ির টিউবওয়েলের কাছে ধস্তাধস্তির সময় মোরশেদা তার পড়নের ওড়না দিয়ে শফিকুলের মুখ চেপে ধরেন।

এ সময় শফিকুল টিউবওয়েলের পাকা মেঝেতে পড়ে গুরুতর আহত হন। ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে রাখায় শফিকুলের মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ পাশের টয়লেটে লুকিয়ে রাখে। পরে মোরশেদা বিষয়টি তার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে জানায়।

এরপর তারা মরদেহ লুকানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ওইদিনই রাত প্রায় ১২ টার দিকে মরদেহটি চটের বস্তায় ভরে বারেকের অটোরিকশায় উঠিয়ে গ্রামের ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে চলে যায়।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকালে নাগরপুর উপজেলার মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের ব্রিজের নিচ থেকে পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি শফিকুল ইসলামের বলে তার স্ত্রী মোছা. রাহেলা বেগম সনাক্ত করেন এবং নিজে বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশনায় এসআই মনোয়ার হোসেন ওই ঘটনার তদন্ত করেন। উন্নত তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও সনাতন পদ্ধতির পুলিশি কৌশল ব্যবহার করে এসআই মনোয়ার হোসেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন। একই সাথে বাকি অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুলাই ২০২২ ০২:২১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিজ্রের নিচ থেকে লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিজ্রের নিচ থেকে লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (১৯ জুলাই ) সকালে উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া এলাকায় বিজ্রের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নাগরপুর থানার এস আই জাহাঙ্গীর আলম তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম শফিকুল ইসলাম (৪৫)। সে উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের মৃত সমেশ আলী ওরফে শুম্ভুর ছেলে।

নাগরপুর থানার এস আই জাহাঙ্গীর আলম
জানান, সকালে উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া বিজ্রের নিচে লাশটি দেখতে পায় এলাকাবাসী। এরপর থানায় খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধকরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারের পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তবে এ বিষয়ে থানায় এখনও কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুলাই ২০২২ ০৯:২৪:পিএম ৪ বছর আগে
নাগরপুরে প্রয়াত সাবেক প্রতিমন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী’র শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

নাগরপুরে প্রয়াত সাবেক প্রতিমন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী’র শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, বিএনপি কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী’র আদ্য শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সোমবার (৬ জুন) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠান নাগরপুর উপজেলা সদর চৌধুরী বাড়ি এলাকায় অবস্থিত প্রয়াতের নিজ বাড়িতে নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আয়োজন করা হয়েছে। এসময় প্রয়াতের স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও আত্মীয়-স্বজন সহ শুভানূধ্যায়ীরা উপস্থিত থেকে পরলোকের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, নির্বাহী কমিটি সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপ-কমিটি সদস্য তারেক শামস খান হিমু শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রয়াত এই কেন্দ্রীয় নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

এছাড়াও সাবেক মন্ত্রী নূর মোহাম্মদ খান, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আহ্বায়ক আহমেদ আযম খান, সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম আহ্বায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল, সদস্য আলী ইমাম তপন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আওয়াল লাভলু, নাগরপুর উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান হবি, সদস্য শরিফ উদ্দিন আরজু, সহবতপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ মোল্লা সহ জেলা-উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা তার আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এড. গৌতম চক্রবর্তী গত ২৭ মে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। গৌতম চক্রবর্তী ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১, ২০০৬ মেয়াদ কালে তিনি পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ২০০৮ ও ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ সংসদীয় আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। দীর্ঘ সংসার জীবনে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তান সহ অসংখ্য রাজনৈতিক সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুন ২০২২ ০১:০১:এএম ৪ বছর আগে
সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তীর শেষকৃত্য সম্পন্ন - Ekotar Kantho

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তীর শেষকৃত্য সম্পন্ন

একতার কন্ঠ: নিজ জন্মস্থান টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা এ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (২৮ মে) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় শ্মশানে বরেণ্য এই রাজনীতিবিদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। সকালে নাগরপুর সরকারি কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নেতার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে বিএনপি জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা প্রিয় এই নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কেন্দ্রীয় শ্মশানে নিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। এসময় নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

নাগরপুর উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব মো: হাবিবুর রহমান হবি বলেন, আমরা আমাদের প্রাণের স্পন্দন ও নাগরপুর-দেলদুয়ারের গণ মানুষের প্রিয় নেতাকে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদায় শেষ বিদায় জানিয়েছি। তার মৃত্যুতে আমাদের এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আমরা নাগরপুরবাসী এক মহান নেতাকে হারালাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সাবেক মন্ত্রী নূর মোহাম্মদ খান, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম আহ্বায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল, সম্মানিত সদস্য আলী ইমাম তপন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আওয়াল লাভলু, নাগরপুর উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান হবি, যুগ্ম আহ্বায়ক আহাম্মেদ আলী রানা, ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল ইসলাম রেজা, সম্মানিত সদস্য শরিফ উদ্দিন আরজু, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো: কুদরত আলী, উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সুজায়েত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিদ্দিকুর রহমান সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, গতকাল (২৭মে) শুক্রবার সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, বিএনপি কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি এড. গৌতম চক্রবর্তী দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিকেলে বিএনপি নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় অফিস প্রাঙ্গণে বিএনপি পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাতেই মরদেহ নাগরপুরে তার নিজ বাসভবনে নেয়া হয়। নাগরপুর-দেলদুয়ার উপজেলার জনপ্রিয় এই নেতাকে দেখতে রাত থেকেই ভিড় করেন স্থানীয় জনসাধারণ।

আমারসংবাদ/কেএস

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মে ২০২২ ১০:১৭:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।