/ হোম / নাগরপুর
টাঙ্গাইলে শ্রমিক লীগ নেতা রেজা হত্যা মামলায় আরও পাঁচ আসামি রিমান্ডে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শ্রমিক লীগ নেতা রেজা হত্যা মামলায় আরও পাঁচ আসামি রিমান্ডে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম ওরফে রেজা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার( ৬ ডিসেম্বর) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল আলম ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে রোববার(৫ ডিসেম্বর) ভোরে ঢাকার মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মামলার এজাহারভুক্ত আসামি টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুরপাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে রবিন মিয়া ও কোদালিয়া এলাকার আবদুল হামিদের ছেলে পাভেল।

এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সাবালিয়া এলাকার মঞ্জুর হোসেনের ছেলে মাজাহার হোসেন, আকুরটাকুরপাড়ার রকিবের ছেলে রোবায়েদ আল শিবলী ও নাগরপুরের ধলাই গ্রামের মুকুল মিয়ার ছেলে আবদুল খালেককে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আহসানুজ্জামান জানান, রবিবার রাতে গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনকে  আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। তবে আদালত প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

এর আগে রেজাউল করিম হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ফিরোজ হোসেন ও শাকিল খানকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আহসানুজ্জামান আরো জানান, ফিরোজ ও শাকিলকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর রিমান্ড আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।

প্রসঙ্গত ,গত ২১ নভেম্বর রাতে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাস টার্মিনাল এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন রেজাউল করিম। এ সময় তাঁর হাত–পা, মেরুদণ্ডসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরদিন বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পরে ২৬ নভেম্বর রাতে নিহতের ভাই রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২১ ০১:৫৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন চারজন।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের পাইকাল গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়েছে।

নাগরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত ই জাহান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত তোতা শেখ (৪০) দপ্তিয়র ইউনিয়নের পাইকাইল গ্রামের আক্কেল মেম্বারের ছেলে। আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ রফিক শেখ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগের সমর্থক। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছিলাম। হঠাৎ করেই দপ্তিয়র ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুদ্দীন আমাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনে কাজ না করার অভিযোগ আনেন। এ বিষয়ে শুক্রবার বিকেলে আমাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। সন্ধ্যায় সাইফুদ্দীন, সুমন, খাজা ও জাহাঙ্গীর এবং তাদের সহযোগীরা অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে আমরা হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। আমার পায়ে গুলি লাগে। পাইকাল গ্রামের মিনহাজ মন্ডলের ছেলে বাচ্চু মন্ডল, সুমন, কবীর ও আমার ভাই তোতা শেখ গুরুতর আহত হন। পরে লোকজন আমাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর হসপিটালে নিয়ে আসলে আমার ভাই তোতা শেখ মারা যান।’

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আমি সেখানে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।’

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত ই জাহান জানিয়েছেন, এ ঘটনার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. নভেম্বর ২০২১ ০৫:১০:এএম ৫ বছর আগে
আঞ্চলিক মহাসড়কে পরিনত হচ্ছে “টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-মানিকগঞ্জ-ঢাকা সড়ক” - Ekotar Kantho

আঞ্চলিক মহাসড়কে পরিনত হচ্ছে “টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-মানিকগঞ্জ-ঢাকা সড়ক”

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগরপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সঙ্গে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার। আর তাই প্রায় ১৪শ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার ।মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত চলতি অর্থ বছরের ৫ম একনেক সভায়  টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালিয়া-কালামপুর সড়কটিকে আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত করতে ১ হাজার ৪৩৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

একনেক চেয়ারপার্সন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত চলতি অর্থ বছরের ৫ম একনেক সভায় এই প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি সভায় যোগ দেন। নগরীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিবর্গ, প্রতিমন্ত্রীগণ, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবর্গ ও সচিবগণ সভায় যোগ দেন।

সড়ক পরিবহন এবং মহাসড়ক বিভাগের অধীন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্প কাজ সম্পন্ন হলে,টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালিয়া-কালামপুর সড়কে যান চলাচল নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন হবে এবং এতে সময়ও কম লাগবে।সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। 

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, আজকের সভায় ৬ হাজার ৫৫১ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট নয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।অনুমোদিত ৯টি প্রকল্পের মধ্যে চারটি প্রকল্প নতুন এবং ৫টি প্রকল্প সংশোধিত।

মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৩ হাজার ৭৪২ কোটি ২৯ লাখ টাকা সরকারের পক্ষ থেকে, ২৬ কোটি ২২ লাখ টাকা সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিল থেকে এবং বাকি ২ হাজার ৭৮২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা প্রকল্প সহায়তা হিসাবে পাওয়া যাবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী আরও বলেন, সড়ক পরিবহন এবং মহাসড়ক বিভাগের অধীন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্প কাজ সম্পন্ন হলে,টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লোহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালিয়া-কালামপুর সড়কে যান চলাচল নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন হবে এবং এতে সময়ও কম লাগবে।সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।

বাকি প্রকল্পগুলো হচ্ছে- ৭৩.৪৪ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ৫টি পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ, পেভমেন্ট প্রশস্তকরণ ও জোরদারকরণ, এক গ্রেড পৃথক ইন্টারসেকশন এবং একটি ইউলুপ অথবা আন্ডারপাস নির্মাণ, ৩১টি আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ, ১৩.২৬ লাখ কিউবিক মিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও ড্রেন নির্মাণ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অক্টোবর ২০২১ ০১:২৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যমুনা ও ধলেশ্বরীর ভাঙন পরিদর্শনে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যমুনা ও ধলেশ্বরীর ভাঙন পরিদর্শনে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব

একতার কণ্ঠঃ যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে  নাগরপুরের বিভিন্ন ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় প্রকল্প গ্রহনে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব কবির-বিন-আনোয়ার। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিনভর তিনি স্পিডবোর্ড যোগে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের জাতীয় সাংসদ আহসানুল ইসলাম টিটুকে সাথে নিয়ে যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।

দুপুরে তিনি  উপজেলার খাষঘুনিপাড়া এলাকার ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলেন। এসময় ভাঙনরোধে পাউবোর চলমান প্রকল্পেরও খোজ খবর নেন। এদিকে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব পরিদর্শনে এসেছেন এমন খবর  ছড়িয়ে পড়লে নদী পাড়ের হাজারো অসহায় পরিবার সেখানে  উপস্থিত হয়। তারা ভাঙন কবলিত এলাকায় তীর সংরক্ষন বাঁধ নির্মানে ব্যবস্থা গ্রহনে জোর দাবি জানায় ।

পরে সাংবাদিকদের সিনিয়র সচিব কবির-বিন-আনোয়ার জানান, যমুনার পশ্চিম পাড় মোটামুটি বাঁধের আওতায় আসলেও পূর্ব পাড়ের বেশিরভাগ অঞ্চল এখনও অরক্ষিত রয়েছে।  প্রধানমন্ত্রী ১০০ বছরের ডেল্টা প্লান হাতে নিয়েছেন, তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে নদীর এ পাড়ও বাঁধের আওতায় আসবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ সার্কেলের তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহজাহান সিরাজ, টাঙ্গাইল পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমদাদুল হক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, সোলাইমান ভূইয়া, আবু ইউসুফ, নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত-ই-জাহান প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অধিকাংশ নদীতে বাড়ছে পানি, প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অধিকাংশ নদীতে বাড়ছে পানি, প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলায় বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলের কাঁচা-পাকা রাস্তা ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেকে পাহাড়িয়া এলাকায় আত্মীয়ের বাড়ি ও উঁচু সড়কের পাশে আশ্রয় নিয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অধিকাংশ এলাকায় পানীয় জল ও শুকনো খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার্তদের জন্য জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় মাত্র ৪০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দিয়েছে।

সরেজমিনে জানা যায়, জেলার ভূঞাপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন, কালিহাতী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের ৭টি, নাগরপুর উপজেলার ৯টি, বাসাইল পৌরসভা সহ সবকটি(৬টি) ইউনিয়ন, মির্জাপুর ৪টি ও দেলদুয়ার উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে খাল, বিল, নদী ও বাড়ির আঙিনা পানিতে থই থই করছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধের উত্তর-পূর্বাংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাছ বেথইর এলাকায় বাঁধের ১০০মিটারে ভাঙনের কবলে পড়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। ওই এলাকা দিয়ে পানি প্রবেশ করলে টাঙ্গাইল শহরে পানি ঢুকে পড়বে। এছাড়া যমুনায় ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর ও নাগরপুর অংশে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে।

বন্যার পানিতে টাঙ্গাইল-পটলবাজার, টাঙ্গাইল-কাকুয়া, এলেঙ্গা-মগড়া, ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী বাজার থেকে ভালকুটিয়া পর্যন্ত পাকা সড়ক, বাসাইল পৌরসভার একটি ব্রিজ ও কাঞ্চনপুরের গ্রোথ সেণ্টার-কাজিরাপাড়া সড়কে কালভার্ট প্রবল স্রোতে ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এসব এলাকার কাঁচা-পাকা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গ্রামীণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওইসব এলাকায় এখনও লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এবার ৮৯ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ করা হয়। এরমধ্যে ৭৯০ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

এদিকে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকলেও ধলেশ্বরী, ঝিনাই সহ অভ্যন্তরীণ সব নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৭ সেণ্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৭৮ সেণ্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৯২ সেণ্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার সাহা জানান, জেলার ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর ও নাগরপুর এ চারটি উপজেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য ৪০ মে.টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনের জন্য প্রতিটি উপজেলায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে যথাস্থানে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার জানান, চলতি বন্যার পানি এক সপ্তাহের মধ্যে নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত ৭৯০ হেক্টর জমির রোপাআমনের ৫০-৬০ ভাগ ধান রক্ষা পেতে পারে। তিনি জানান, পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে নাভি জাতের আমন রোপনের জন্য তারা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রণোদনার পাশাপাশি আগাম রবিশস্য চাষে সহায়তা দিয়ে তারা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, বন্যায় পানি বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জেলার ৮০ কিলোমিটার নদী এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পানি কমে গেলে স্থায়ীভাবে নদী তীর সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:২৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দাদীর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দাদীর

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দাদীর। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (২৯ আগস্ট) বিকালে উপজেলা সদরের পাইশানা গ্রামে। নিহতের নাম অজিফা বেগম (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত মাহে আলমের স্ত্রী।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকালে ৫টার দিকে দাদী অজিফা বেগম ছয় বছরের নাতি আরিয়ানকে নিয়ে বাড়ীর পাশে তুর্কি বিলে গোছল করতে যায়। দাদীর গোছলের ফাঁকে নাতি আরিয়ান পানিতে ডুবে
যায়। নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে গভীর পানিতে ঝাঁপ দেয় দাদী।

এসময় আশপাশের লোকজন নাতিকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে দাদীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে দায়ীত্বরত চিকিৎসক ডা:কাবেরি রানী দাস তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৩২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে

একতার কণ্ঠঃ উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে টাঙ্গাইলের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার(২৬ আগস্ট) সকালে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার ধলেশ্বরীতে ৪ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৩ সেণ্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ৯ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) জানায়, গত দুই দিন যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকার পর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের করণে জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। ফলে জেলার চরাঞ্চল, নিম্নাঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদী তীরবর্তী এলাকার ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, কালিহাতী, বাসাইল, ভূঞাপুর, মির্জাপুর, বাসাইল ও নাগরপুর উপজেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। কোথাও কোথাও নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

টাঙ্গাইল পাউবো ও কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়লেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পানি বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীসহ জেলার সব নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নদীর পানি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২১ ০২:১৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে রাস্তা কেটে ফেলায় বেশ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে রাস্তা কেটে ফেলায় বেশ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

একতার কন্ঠঃ  টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নে রাতের আঁধারে একটি সরকারি রাস্তা কেটে ফেলায় ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেই সাথে  প্রবল পানির স্রোতে   ভাঙ্গনের শংকায়  পড়েছে  অন্তত ২০ টি পরিবার।

জানা যায়, উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা-টেপরি রাস্তার (পাতিলা পাড়া-বাদ বেহালী) সীমানায় পাতিলা পাড়া মসজিদ সংলগ্ন স্থানে কে বা কারা রাতের আঁধারে রাস্তাটি কেটে দেওয়ায় শেওলাইদ, বাদবেহালী, পাতিলা পাড়াসহ কয়েকেটি গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাঙ্গনের হুমকিতে পড়েছে।

গ্রামবাসী জানায়, রবিবার (২২ আগস্ট) ভোরের দিকে একদল দুষ্কৃতিকারী সরকারি রাস্তাটি কেটে দিয়েছে। তারা ভোর রাতের দিকে অবৈধভাবে সরকারি রাস্তা কেটে দিয়ে পানির প্রবাহের গতিপথ পরিবর্তনের অপচেষ্টা চালিয়েছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ স্থানীয় এক ইউপি সদস্যর দিকে।স্থানীয়রা আরও দা‌বি ক‌রে, ওই  ইউ‌পি সদস‌্য ক‌য়েক মাস পূ‌র্বে খাল আট‌কে এক‌টি বাধ নির্মাণ ক‌রে, সেই বাধকে রক্ষা কর‌তে এই রাস্তা রাতের আঁধারে কেটে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ভাদ্রা ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, গতরাতে তিনি বাড়িতেই ছিলেন না। এ ঘটনাটি শুনেছেন, তবে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি তিনি।

ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব জানায়, রাতের আঁধারে কে বা কারা সরকারী রাস্তাটি কেটে ফেলেছে তাদেরকে সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে । এখন যেহেতু বর্ষাকাল চলছে তাই পানি নেমে না যাওয়া পর্যন্ত রাস্তটি মেরামত করা যাচ্ছে না। পানি নেমে গেলে খুব দ্রুতই রাস্তাটি মেরামত করা হবে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২১ ০২:৫২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের লাঙলের ফলায় আটকে কিশোরের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের লাঙলের ফলায় আটকে কিশোরের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইলের নাগরপুরে ট্রাক্টরের লাঙলের ফলায় আটকে সোহেল (১৬) নামে এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার আগত গয়হাটা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।সোহেল ওই গ্রামের মুক্তার ফকিরের ছেলে।নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল-মামুন মৃত্যুর বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে দেওআকুটিয়া গ্রামের হাশেম মিয়ার ছেলে নবীন ট্রাক্টর নিয়ে আগত গয়হাটার চাঁন মিয়ার জমিতে হাল চাষ করতে যান। এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে হালচাষ দেখছিল সোহেল। ট্রাক্টরচালক নবীন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সোহেলকে ডাক দেন। সোহেল চলন্ত ট্রাক্টরে উঠতে গিয়ে লাঙলের ফলায় আটকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, ঘটনাস্থল থেকে সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করে  ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে একদিনে পৃথক স্থানে চার জনের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে একদিনে পৃথক স্থানে চার জনের মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর, সখীপুর ও নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) এক শিশু সহ চার জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্ব স্ব স্থানীয়রা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজের অফিস সহায়ক আমিনুল ইসলাম(৩৪) ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কলেজের টিনসেড ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি পাশের গড়াসিন গ্রামের বাসিন্দা।

নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের বাড়িগ্রামের মৃত কাদেরের ছেলে মিয়া চাঁন (৬৫) সেচ পাম্প চালাতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

এছাড়া উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের লক্ষীদিয়া এলাকায় যমুনার শাখা নদী নোয়াই থেকে মধ্য বয়সী এক অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে।

অপরদিকে, সখীপুর উপজেলার কালিদাস গ্রামের নমপাড়ায় মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) সকালে ঘরের পেছনে খেলতে গিয়ে বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে স্মৃতি রাণী সরকার(৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি ওই এলাকার রতন কুমার সরকারের মেয়ে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২১ ০২:২৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে মঙ্গলবার (৩ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই।

মৃত্যুবরণকারী দুই ভাই হচ্ছে- চরডাঙ্গা গ্রামের রাসেল মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান(৭) ও জাহিদ মিয়ার ছেলে তালহাজ(৭)।

জানা যায়, দুই চাচাতো ভাই আব্দুর রহমান ও তালহাজ এবং পাশের বাড়ির রবিউলের ছেলে রাফি(৬) মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশে খেলা করতে যায়। খেলার সময় সকলের অগোচরে রহমান ও তালহাজ পাশের পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। তখন রাফি দৌঁড়ে গিয়ে রহমান ও তালহাজের বাড়িতে খবর দেয়।

এসময় পরিবারের সদস্য সহ স্থানীয় কবির, শওকত, সাগর ও জহিরুলসহ অনেকেই পুকুরের পানিতে নেমে তাদেরকে খোঁজাখুজি করে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তাদেরকে উদ্ধার করে দ্রুত নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. প্রিয়া মন্ডল দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন। ডা. প্রিয়া মন্ডল জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২১ ০৩:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
নাগরপুরে ডাকাত আতঙ্কে গ্রামের মসজিদে মসজিদে মাইকিং - Ekotar Kantho

নাগরপুরে ডাকাত আতঙ্কে গ্রামের মসজিদে মসজিদে মাইকিং

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নে ডাকাত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় রোববার(১ আগস্ট) দিনগত রাত নির্ঘুম কাটায় এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাড়ীগ্রামে ডাকাত পড়েছে বলে এক ইউপি সদস্য প্রথমে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে এলাকাবাসীকে সতর্ক করেন। এ খবরটি মুহুর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সেল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার মসজিদে মসজিদে সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়। এতে জনমনে ডাকাত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ডাকাত আতঙ্কে জান-মাল রক্ষায় এলাকাবাসী রাত জেগে পাহারা দেয়। রাতে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় জনগণের সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। খবর পেয়ে নাগরপুর থানা পুলিশ বাড়ীগ্রাম সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল জোরদার করে।

মামুদনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন জানান, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ থেকে ৫-৬ জন অপরিচিত লোক বাড়ীগ্রামের ত্রি-রাস্তার মোড়ে আসেন। সেখানে তারা চা পানের ফাঁকে ফোনে কথা বলতে থাকেন। তাদের ফোনালাপ ও গতিবিধি স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহের সৃষ্টি করে। পরে তাদেরকে সেখানে আর দেখতে না পেয়ে তিনি মসজিদে মাইকিংয়ের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে সতর্ক করেন।

মামুদনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন জানান, তার ইউনিয়নের বাড়ীগ্রামে ডাকাত পড়েছে এ খবরটি ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রথমে মসজিদের মাইকে ঘোষণা করেন। পর্যায়ক্রমে কলমাইদ, শুনসী, বেলতৈল, মেঘনা, চারাবাগ, পংবাইজোড়া ও বেটুয়াজানী গ্রামের মানুষকে সতর্ক করার জন্য মসজিদে মসজিদে মাইকিং করা হয়। এরপর নাগরপুর সদর সহ পুরো উপজেলা জুড়ে ডাকাতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমনটা প্রচারে মাইকিং করা হয়।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ডাকাতের খবরটি নিছক গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়। রোববার রাতে খবর পেয়ে ৪-৫টি টিম ভোর ৫টা পর্যন্ত টহলে ছিল। কোথাও কোন ডাতাতির ঘটনা ঘটেনি। এক শ্রেণির মানুষ গুজবটি মাইকিং করে জনগণের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অগাস্ট ২০২১ ০৪:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।