একতার কণ্ঠ: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কমিটির পল্লী উন্নয়ন-সমবায় বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী আর নেই।
শুক্রবার (২৭ মে) দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রথমে অসুস্থ হওয়ার পর তাকে ধানমন্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।
এছাড়া, তার মৃত্যুতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র আহবায়ক অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু শোক জানিয়েছেন।
প্রকাশ,গৌতম চক্রবর্তী টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিক্ষাজীবনে এলএলবি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন।
তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে দু’বার আওয়ামী লীগের প্রার্থী খোন্দকার আবদুল বাতেনকে পরাজিত করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ট্রাক্টর (টলি ট্রাক্টর) ও সিএনজি অটোরিক্সার সংঘর্ষে আনোয়ারা (৫০) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এঘটনায় আরো চারজন আহত হয়েছেন। রোববার (৩ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়কে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাইলাবাড়ির মোড়ে ওই দূর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আনোয়ারা (৫০) টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ডাক্তার কাদেরের স্ত্রী বলে জানাগেছে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বড় ভাইয়ের মূত্যুর খবর শুনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চৌহালী উপজেলার পাথরাইল গ্রামে যাবার পথে নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাইলাবাড়ির মোড় নামক স্থানে আসলে অপর দিক থেকে রফিক মোল্লার টলি ট্রাক্টরটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সিএনজিটিকে চাপা দিলে ড্রাইভার সহ ৫ জন গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়দের সহযোগীতায় নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তাদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। টাঙ্গাইল হাসপাতালে নেবার পথে আনোয়ারা মৃত্যুবরণ করেন।
পরিবারের আহত তিনজন সদস্য হচ্ছেন, নিহতের ভাই আ. সামাদ ও তার স্ত্রী এবং ছেলে ফয়জুল্লাহ। আহতদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, দূর্ঘটনায় একজন নারী নিহত হয়েছে বলে সংবাদ পেয়েছি। গাড়ি দুটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।ঘাতক গাড়ি ও তার চালক কাউকে আটক করা যায়নি।
তিনি আরো জানান, নিহতের পরিবার থেকে কোন অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নুরভানু (৫৮) নামে এক বৃদ্ধা নারীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার(১২ফেব্রয়ারি) সকালে উপজেলার দুয়াজানী গ্রামে ওই হত্যার ঘটনা ঘটে। নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত নুরভানু নাগরপুর সদর উপজেলার দুয়াজানী গ্রামের বাবুল মিয়ার স্ত্রী।
এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুয়াজানী গ্রামের আব্দুল মিয়া তিন ছেলে সন্তান রেখে প্রায় ১২ বছর আগে মারা যান। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী নুরভানু পুনরায় পাশের ভঙ্গবকুটিয়া গ্রামের তিন সন্তানের জনক বাবুল মিয়াকে বিয়ে করে দুয়াজানীর নিজ বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। শনিবার বাবুল মিয়া সকালে কৃষি জমিতে কাজ করতে যান। এসময় তার স্ত্রী নুরভানু বাড়িতে সকালের রান্নার কাজ কাজ করছিলেন। কে বা কারা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে রান্নার চুলার পাশেই ফেলে রেখে চলে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে।
নিহত নুরভানুর স্বামী বাবুল মিয়া বলেন, সকালে জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য সার নিয়ে চলে যাই। স্ত্রীর হত্যার খবর পেয়ে বাড়িতে এসে রান্না ঘরের সামনে আমার স্ত্রীর রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে থাকতে দেখি।
নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে। এছাড়াও লাশের ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ওই পরিবারের ছেলে ও ছেলের বৌ এবং নিহতের স্বামীসহ কয়েক জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে
একতার কণ্ঠঃ বৃহস্পতিবার(১০ ফেব্রয়ারি) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ী নাগরপুর উপজেলায়। এই মৃত্যু নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সর্বমোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬৩ জন।বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে আরো জানা গেছে, জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৪৬ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ২৯৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ৪৬ জনের করোনা সনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ১৫ দশমিক ৬৯ ভাগ।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪৬৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ১৭ হাজার ২০৭ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ১৮ জন, দেলদুয়ারে ৪ জন, সখীপুরে ৩ জন, মির্জাপুরে ৪ জন, বাসাইলে ২ জন, কালিহাতীতে ১ জন, ঘাটাইলে ২ জন, ভুঞাপুরে ১ জন, ও গোপালপুর উপজেলায় ১১ জন সহ মোট ৪৬ জন।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান সকলকে করোনা প্রতিরোধে সরকারকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। স্বাস্থ্য বিধি মেনে পথচারীদের মাস্ক পরে চলাচলের আহ্বানও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ও বেকড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্লাস্টিকের হস্তশিল্প তৈরির পল্লী গড়ে উঠেছে। আর এর মাধ্যমে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। দেশের টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিলের পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় ওয়ানটাইম বেল্ট থেকে এ হস্তশিল্পের তৈরি হয়েছে। গড়ে উঠেছে বিভিন্ন মালিকানাধীন কারখানা।
এ সকল কারখানার মালিকরা শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানা থেকে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট কিনে নিয়ে আসেন, এই প্লাস্টিক দিয়ে গ্রামীণ নারী-পুরুষ মিলে তৈরি করেন- সিলিং, ডোল কিংবা বেড়া।
এ সকল পণ্যের চাহিদা রয়েছে সারাদেশেই, স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও কারখানা থেকে তাদের তৈরি পণ্য ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন গ্রাহকরা। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে এ ডোল বেড় এর চাহিদা একটু বেশি। সারা বছর তৈরি করা পন্যর চাহিদা হলেও বছরে অন্যান্য সময়ে কারখানা পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট দিয়ে কারিগররা তৈরি করেন, ঘরের সিলিং, বেড়াসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র।
প্লাস্টিকের তৈরি হলেও এ আসবাবপত্রগুলো দেখতে বাঁশ ও বেতের তৈরীর মতোই মনে হয়, টেকসই ও মজবুত হওয়ায় এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। গ্রামীণ জনপদের নারী-পুরুষ সামান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে তৈরি করছেন এমন পণ্য। তাদের তৈরি এ পণ্য স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়, এতে করে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে এ শিল্পকে ঘিরে।ফলে সংসারে অভাব-অনটন অনেকটাই লাঘব করতে সক্ষম হচ্ছেন নারীরা, এই শিল্পের মাধ্যমে পাল্টে যাচ্ছে তাদের পারিবারিক চিত্র।
বারাপুষা গ্রামের ইসহাক মেম্বার জানান, তার কারখানায় মোট ৮০ জন শ্রমিক কাজ করছে। তবে প্রায় কর্মীরা তাদের নিজ নিজ বাড়িতেই এ কাজগুলো করে নিয়ে আসে, কারখানায় এসকল কর্মীরা গড়ে ১৫/২০ পিস করে চেগার(আকার ভেদে) ও একজন কারিগর একটি করে ডোল বানাতে পারে।
তিনি আরও জানান, সিলিং প্রতি কেজি ১৩০ টাকা, চেগার বিক্রি করেন ১১০ টাকা কেজি ধরে।
এ শিল্প কাজের সাথে জড়িত কয়েক জনের সাথে কথা বললে জানা যায়, তাদের উৎপাদিত পণ্য বেশ চাহিদা থাকলেও অর্থের অভাবে সরবরাহ করতে পারছেন না ক্রেতার চাহিদা মতো পণ্য। তবে ব্যাংক কিংবা কোন এনজিও প্রতিষ্ঠান সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করলে হয়তো এ শিল্প-কারখানা আরো প্রসারিত করা সম্ভব হতো বলে জানিয়েছেন কারিগররা।
টাঙ্গাইল বিসিকের কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আল ফারুক জানান, এ শিল্পের সাথে জড়িত কারিগররা চাইলে বিসিক এর পক্ষ থেকে এ শিল্প উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) সিফাত-ই-জাহান জানান, এ শিল্পের সম্প্রসারণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ টি ইট ভাটায় অভিযান চালিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। অভিযানে ৩ টি ইটভাটার মালিককে ১৩ লাখ টাকা জরিমানা এবং ২ টি ইটভাটার বিভিন্ন অবকাঠামো ভেঙ্গে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থাপিত ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেছা আক্তার।
অভিযানে উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নে এস কে এস ব্রিকসকে ৩ লাখ, সহবতপুর ইউনিয়নের আমিন ব্রিকসকে ৫ লাখ আর মেসার্স প্যাসিফিক ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকাসহ মোট ১৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়াও গয়হাটা ইউনিয়নের মেসার্স তাজ ব্রিকস আর সহবতপুর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিকস ইটভাটার বিভিন্ন অবকাঠামো ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেছা আক্তার বলেন, ইটভাটায় যে মাটি ব্যবহার করা হবে সেটার জন্য জেলা প্রশাসকের অনুমিত নিতে হয়। এছাড়াও ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী ইটভাটার মালিকদের জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে প্রসিকিউটির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর। এ সময় জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তাপস চন্দ্র পালসহ পুলিশ ও নাগরপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর নবজাতক শিশু হত্যা মামলায় মা-মেয়ে কে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ।রবিবার(৩০ জানুয়ারি) দিনভর অভিযান চালিয়ে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ওই গ্রামের ছনির মোল্লার স্ত্রী হাফিজা (৩৮) ও মেয়ে সোনিয়া (১৮)। তাদের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় শিশু হত্যা মামলা রুজু করে টাঙ্গাইল বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,স্বাস্ব্য কমপ্লেক্সের ড্রেন থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধারের পর সোনিয়াসহ তার পরিবারের লোকজনদের নবজাত শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মা-মেয়ে ঘটনার সত্যতা শিকার করায় তাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দিয়ে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের বেকড়া উত্তরপাড়া গ্রামের ছনির মোল্লার কুমারী মেয়ে (১৮)। শনিবার রাত সাড়ে দশটায় দিকে পেট ব্যাথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। ভোর রাতে ওই মেয়ে ও তার মা কমপ্লেক্সে টয়লেটে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে একটি কন্যা সন্তান জম্ম দেন। এ সময় হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীরা টয়লেটে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। প্রায় দুই ঘন্টা পর মা ও মেয়ে বের হয়ে সিটে আসে। রবিবার সকালে ডাক্তার নিয়মিত রোগী পরিদর্শন শেষে ওই মেয়েকে ছাড়পত্র দেন ডা.কাজল পোদ্দার।
একই দিন সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে দুজন পথ শিশু হাসপাতালের ড্রেনে নবজাতক শিশুটি দেখে লোকজন ডাকে। পরে হাসপাতাল কতৃপক্ষসহ আশ পাশের লোকজন জড়ো হয়ে নাগরপুর থানায় খবর দিলে পুলিশ নবজাত শিশুটির লাশ উদ্বার করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় সদ্য ভূমিষ্ঠ এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের ড্রেন থেকে গলাকাটা অবস্থায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাগরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোয়ার হোসেন জানান, সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের ড্রেন থেকে গলাকাটা অবস্থায় ১২ ঘণ্টা বয়সী এক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে রাতের কোনো এক সময় হাসপাতালেই শিশুটির জন্ম হয়েছে।
নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান খান জানান, শনিবার (২৯ জানুয়ারী) রাতে এক তরুণী হাসপাতালে পেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হন। ভোরের দিকে ওই তরুণী বাথরুমে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটান। এরপর বাথরুম থেকে বের হওয়ার পর ওই তরুণীর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধার হওয়া মৃত শিশুটি ওই তরুণীর।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে উপজেলা পরিচালনা ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি) এর ই-নামজারী ও ভূমি সেবা বিষয়ক বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের ৩দিন ব্যাপী প্রশিক্ষন শুরু হয়েছে। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি এর কার্যালয়ের কারিগরি তত্ত্বাবধানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে উপজেলা পরিষদ ওই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অনলাইনে ই-নামজারি ও ভূমি সেবা বিষয়ে অবহিতকরন কর্মশালার প্রথম দিনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর , এলজিডি অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত তরুন কুমার সাহা, ভূমি অফিসের প্রধান সহকারি প্রদিপ কুমার সাহা, সার্ভেয়ার আইয়ুব আলীসহ ভূমি অফিসের সকল কর্মচারিবৃন্দ।
উক্ত প্রশিক্ষণে স্থানীয় সাংবাদিক, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, ইউপি সদস্য ও ছাত্র-ছাত্রী সহ মোট ৪৫ জন অংশ গ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ৪ কেজি গাঁজা সহ মো. জহুরুল ইসলাম (৪০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার(২১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়া নিজ বাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জহুরুল ওই ইউনিয়নের মো. জব্বার মিয়ার ছেলে। এ বিষয়ে নাগরপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগরপুর থানা পুলিশ উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়াস্থ জহুরুলের বাড়ীতে অভিযান চালায়। তার বসত ঘর তল্লাশি করে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় জহুরুল পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়া থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী জহুরুল নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাগরপুর থানায় তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, শনিবার(২২ জানুয়ারি) সকালে গ্রেপ্তারকৃত জহিরুলকে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লোগো ব্যবহার করে প্রাইভেটকারে ফেন্সিডিল নিয়ে যাওয়ার সময় দুইজনকে আটক ও দুটি প্রাইভেটকার জব্দ করেছে র্যাব।
সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১ টার দিকে নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি র্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হচ্ছেন, যশোরের বেনাপোল উপজেলার ভবেরবেড় গ্রামের মো. বাবুল হোসেনের ছেলে মো. সোহেল রানা (২৮) ও একই উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত মমতাজ আলীর ছেলে মো. রিয়াজুল ইসলাম (৪৪)।
আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ‘একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লোগো ব্যবহার করে এবং ভুয়া সাংবাদিকের পরিচয়ে যশোরের বেনাপোল থেকে ৬০২ বোতল ফেন্সিডিল টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে গোপন সূত্রে জানতে পারি। পরে অভিযান চালিয়ে নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর গ্রাম থেকে দুইজনকে আটক ও দুটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করতেন।’
তিনি আরো জানান, ‘আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ১৪ (গ) ধারায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে তৃতীয় ধাপে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত আসনের সদস্য সহ সাধারণ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নব নির্বাচিত ১১ চেয়ারম্যানকে শপথ বাক্যপাঠ করান টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি।
এ ছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৩৩ সদস্য এবং ৯৯ জন সাধারণ সদস্য নাগরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শপথ করান উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত-ই-জাহান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন, প্রোগ্রাম অফিসার মো. হাবিবুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু বক্কর, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সালমা বেগমসহ প্রমুখ।
প্রকাশ, গত ২৮ নভেম্বর নাগরপুর উপজেলায় ১১ টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ৫ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৬ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।