/ হোম / বিনোদন
১ কাপ চায়ের দাম সাড়ে আট লাখ! - Ekotar Kantho

১ কাপ চায়ের দাম সাড়ে আট লাখ!

একতার কণ্ঠঃ শিরোনাম দেখে অনেকেরই চোখ কপালে উঠতে পারে। তবে অবাক হওয়ার কিছু নেই বলা হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম দামি চা ‘দা হোং পাও’য়ের কথা। যার এক কাপ চায়ের দাম সাড়ে আট লাখ টাকা! একে বলা হয় সোনার চেয়েও দামি চা। কারণ এর এক গ্রামের দাম সোনার এক গ্রামের দামের থেকে ৩০ গুণ বেশি!

চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের উয়ি পর্বতে খুব বিরল জাতের এই চা উৎপন্ন হয়। তবে এই চায়ের এতো দামের পেছনে অন্যতম কারণ হলো সারা বিশ্বের মধ্যে একমাত্র চীনেই এই চায়ের ছয়টি গাছ রয়েছে। বিরল ও উৎকৃষ্ট মানের জন্য দা হোং পাও’কে চায়ের রাজা বলা হয়। ২০০৬ সালে এই ছয়টি চা গাছের প্রায় ১১৭ কোটি টাকার বিমা করিয়েছে চীন সরকার। এক কেজি এই চায়ের দাম প্রায় ৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। তিনশো বছর ধরে চীনে এই চায়ের চাষ হচ্ছে।

এই চায়ে রয়েছে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ক্যাফেইন, থিওফিলিন, পলিফেনলস এবং ফ্ল্যাবোনয়েড। প্রতিদিন এই চা খেলে ত্বক ভাল থাকে। মাটির পাত্রে বিশুদ্ধ পানিতে এই চা বানাতে হয়। সুগন্ধের জন্যও এই চায়ের রয়েছে আলাদা কদর।

সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন নিউজ

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২১ ০৩:৪৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শুরু হল শাকিব-পূজার ‘গলুই’ চলচ্চিত্রের শুটিং - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শুরু হল শাকিব-পূজার ‘গলুই’ চলচ্চিত্রের শুটিং

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে শুরু হয়েছে সরকারি অনুদান পাওয়া চলচ্চিত্রের ‘গলুই’ এর শুটিং। বৃহস্পতিবার(২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মহেরা জমিরদারবাড়িতে একঝাঁক থিয়েটারকর্মী নিয়ে শুটিং শুরু হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ছবিটির পরিচালক এস এ হক অলিক।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গলুই’ এর ক্যামেরা ওপেন হলো, প্রথম দিনে একঝাক থিয়েটারকর্মী ও সিনিয়র কয়েকজন অভিনেতা শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন।

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ও বিস্তীর্ণ এক জনপদের মানুষের জীবন উপজীব্য করে নির্মিত হচ্ছে ‘গলুই’ সিনেমা। এতে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করবেন শাকিব খান। তার বিপরীতে রয়েছেন পূজা চেরি। কিন্তু শুটিং শুরুর প্রথম দিন তারা অংশ গ্রহণ করেননি।

পূজা আগামীকাল শুক্রবার এবং শাকিব খান ২৮ তারিখে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন পরিচালক।

পরিচালক জানান, নৌকার সঙ্গে জীবন, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক, পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থা মিলিয়ে একটা জীবন ধারা। এরমধ্যে রয়েছে প্রেম, টানাপোড়েন, বন্ধন। পুরো সিনেমায় থাকবে এটাই। সেজন্যই ছবির নাম ‘গলুই’। শুটিং শুরু হলেও শাকিব-পূজা প্রথম কয়েক দিন থাকছেন না। থাকবেন ২৮ তারিখ থেকে।

পরিচালক আরও জানান যমুনার চরে শুটিং শুরু হলেও পরে অনেকটা দুর্গম এলাকায় শুটিং হবে। যে অঞ্চলে আগে কখনই কোনো সিনেমার শুটিং হয়নি। একেবারে ‘র’ লোকেশনে আমরা শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছি। সিনেমাটির একটা বড় অংশ জুড়ে থাকবে নৌকা বাইচ। টানা শুটিংয়ের মাধ্যমে কাজ শেষের ইচ্ছে আছে।

সরকারি অনুদান পাওয়া সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন খোরশেদ আলম খসরু। মিউজিক করছেন কুমার বিশ্বজিৎ, হাবিব, শাহ আলম সরকার, ইমন সাহা প্রমুখ।

পরিচালক এস এ হক অলিক বলেন, অনেকটা দুর্গম এলাকায় শুটিং হবে। ওই অঞ্চলে আগে কখনই কোনো সিনেমার শুটিং হয়নি। একেবারে ‘র’ লোকেশনে আমরা শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছি। সিনেমাটির একটা বড় অংশ জুড়ে থাকবে নৌকা বাইচ।
সিনেমাতে নায়ককে এমন লুকে হাজির করা হবে যা তার ক্যারিয়ারে আগে কখনই দেখা যায়নি। সবমিলিয়ে চেষ্টা করছি অসাধারণ কিছু দর্শকদের উপহার দেয়ার বলে জানান তিনি।

সরকারি অনুদানের সিনেমা হলেও আয়োজনে কোনো কমতি রাখছেন না প্রযোজক খসরু। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় গ্রামাঞ্চলে উৎসব বিরাজ করেন, সেসব কিছু তুলে আনা হবে গলুইতে – বলেন এস এ হক অলিক।

তিনি বলেন, ‘গলুই’ মানে নৌকার গলুই। নৌকার সঙ্গে জীবন, জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক, পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থা মিলিয়ে একটা জীবন ধারা। এরমধ্যে প্রেম, টানাপোড়েন, বন্ধন – পুরো সিনেমার মধ্যে থাকবে। সেজন্যই এর নাম ‘গলুই’।

এস এ হক অলিক বলেন, নৌকার একপ্রান্তে থাকে মাঝির আসন, অন্যপ্রান্তের নিশানা যদি ঠিক না থাকে – তাহলে নৌকা কিন্তু এদিক সেদিক করবে। জীবনটাও কিন্তু তাই। পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে একজন যদি একটু এদিক সেদিক হয়, তাহলে সংসারটা কিন্তু ঠিকঠাক চলে না। এদিক সেদিক হয়ে যায়। গলুইয়ের দার্শনিক জায়গাটা কিন্তু এটা।

সরকারি অনুদান পাওয়া সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন খোরশেদ আলম খসরু। তিনি জানিয়েছেন, গলুই হবে ভিন্নধারার বাণিজ্যিক সিনেমা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:২৫:এএম ৫ বছর আগে
ছবির মধ্যে ছবি! খুঁজে বের করতে পারবেন? - Ekotar Kantho

ছবির মধ্যে ছবি! খুঁজে বের করতে পারবেন?

একতার কণ্ঠঃ ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি ব্যাঙ বসে আছে। এটি স্পষ্ট। কিন্তু এ ব্যাঙের মধ্য থেকে খুঁজে বের করতে হবে ঘোড়ার অবয়ব। অসম্ভবই বটে।

ছবির মধ্যে ছবি, এমন ধাঁধা হয়তো আগেও সমাধান করার চেষ্টা করেছেন। তাই আরও এক বার চ্যালেঞ্জ নেবেন নাকি?

এই ছবিই আবার বলে দেবে যে, আমরা চর্মচক্ষে যা সরাসরি দেখি, অনেক সময় সেটা ভ্রমও হতে পারে, পরিভাষায় যাকে বলে ‘অপটিক্যাল ইলিউশন’।সাদা-কালো যে ব্যাঙটির ছবি রয়েছে এখানে, সেটা শুধু ব্যাঙ নয়। একটি ঘোড়াও।

কি বুঝতে পারছেন না? তাহলে ছবিটিকে ডান থেকে বামের দিকে ৯০ ডিগ্রি কোণে ঘুরিয়ে দেখুন।

সূত্রঃ যুগান্তর নিউজ পোর্টাল

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৪:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
অদৃশ্য ট্রেনের খোঁজ মেলেনি ১১০ বছরেও - Ekotar Kantho

অদৃশ্য ট্রেনের খোঁজ মেলেনি ১১০ বছরেও

একতার কণ্ঠঃ ১১০ বছর আগে ১৯১১ সালে ধুমধাম করে একটি ট্রেনের সূচনা করেছিল ইতালির জেনেটি নামে একটি রেল সংস্থা।উদ্বোধনের দিন সব যাত্রীকে বিনা টিকিটে ঘোরানোর ব্যবস্থা করেছিল সংস্থাটি।ছয়জন রেলকর্মী এবং ১০০ যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিল ট্রেনটি। কিন্তু গন্তব্যে আর পৌঁছানো হয়নি। মাঝ পথে রহস্যজনকভাবে আস্ত ট্রেনটিই গায়েব হয়ে যায়! আজ পর্যন্ত যার কোনো খোঁজও মেলেনি।

খোঁজ পাওয়া যায়নি যাত্রীদেরও। ১১০ বছর আগের সেই দিনের কথা ভাবলে আজও গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। এতগুলো যাত্রী নিয়ে আস্ত ট্রেন কীভাবে মুহূর্তে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে তার কারণ অনুসন্ধান করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। শোনা যায়, অনেক খুঁজেও ট্রেনের কোনো চিহ্ন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

১৯১১ সালে রোমের একটি স্টেশন থেকে ১০০ যাত্রী এবং ওই ছয় কর্মী নিয়ে রওনা দিয়েছিল ট্রেনটি। যাত্রীরা সবাই খুব উপভোগ করছিলেন যাত্রা। যাত্রীদের জন্য ট্রেনে এলাহি খাবারের ব্যবস্থাও ছিল। উদ্দেশ্য ছিল ট্রেনে করে যাত্রীদের ইতালির বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখানো।যাত্রাপথে একটি সুড়ঙ্গ পড়েছিল। ট্রেন সেই সুড়ঙ্গে প্রবেশ তো করেছিল কিন্তু আর বের হয়নি। পরবর্তীকালে ট্রেনের সন্ধানে সুড়ঙ্গের মধ্যে অনেকেই গেছেন। কিন্তু তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

পাহাড়ের বুক চিরে তৈরি হওয়া ওই সুড়ঙ্গের ভেতর আর কোনো রাস্তাও ছিল না। ট্রেন দুর্ঘটনারও কোনো চিহ্ন মেলেনি।দুজনের কথার বিষয়বস্তু ছিল একই। সুড়ঙ্গে প্রবেশের মুহূর্তে সাদা ধোঁয়া গ্রাস করেছিল ট্রেনটিকে। সেই সময় নাকি কোনোক্রমে দুজন ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেন। তার পর আর কিছু মনে ছিল না তাদের।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বোমা পড়ে সুড়ঙ্গের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খোঁজও থামিয়ে দিতে হয়। এর অনেক বছর পর ট্রেনটিকে ঘিরে এমন কিছু ঘটনা বা তথ্য সামনে আসতে শুরু করে, যা জানলে আরও হতচকিত হয়ে যেতে হয়।

মেক্সিকোর এক চিকিৎসক দাবি করেন, অনেক বছর আগে মেক্সিকোর একটি হাসপাতালে নাকি ওই ১০৪ যাত্রীকে ভর্তি করা হয়েছিল। তারা প্রত্যেকেই অসংলগ্ন কথা বলছিলেন। প্রত্যেকেই কোনো একটি ট্রেনের উল্লেখ করেছিলেন। সেই ট্রেনে করেই নাকি তারা মেক্সিকো পৌঁছেছিলেন।এমনকি ইতালির বিভিন্ন প্রান্তে, জার্মানি, রোমানিয়া এবং রাশিয়াতেও নাকি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ ঠিক ওই রকমই একটি যাত্রীবোঝাই ট্রেন দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করতে শুরু করেছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ট্রেনের যে বর্ণনা দিয়েছিলেন তা হুবহু ওই অদৃশ্য হওয়া ট্রেনটির মতো ছিল। সেই সময় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ট্রেনটি নাকি ট্রাইম ট্রাভেল করে ১৮৪০ সালের মেক্সিকোয় পৌঁছে গিয়েছিল।যদিও এই সব দাবির পক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ট্রেনকে ঘিরে টাইম ট্রাভেলের যে কাহিনি ছড়িয়ে পড়ে তাতেও সিলমোহর দেওয়া যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:০৭:এএম ৫ বছর আগে
বলিউডে অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন মেহজাবিন - Ekotar Kantho

বলিউডে অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন মেহজাবিন

একতার কণ্ঠঃ বলিউডের সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী।

জানা গেছে, নেটফ্লিক্সের জন্য ‘খুফিয়া’ নামের একটি বলিউডের সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন মেহজাবিন। কিন্তু সম্প্রতি সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বলিউডের খ্যাতিমান নির্মাতা বিশাল ভরদ্বাজ অভিনেত্রীকে এই প্রস্তাব প্রস্তাব দিয়েছিলেন। প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে মেহজাবিন একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত জুলাই মাসের শুরুর দিকে আমার হোয়াটসঅ্যাপে এই সিনেমার কাস্টিং ডিরেক্টর যোগাযোগ করেন। সিনেমাটার গল্পের প্রয়োজনে বাংলাদেশি একজন অভিনয় শিল্পী লাগবে বলে যোগাযোগ করেছিলেন তারা। সেই কারণে আমার সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেছেন। আমাকে গল্পের সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছিলেন। আমার চরিত্রটি সম্পর্কেও ধারণা দেওয়া হয়।’

অভিনেত্রী বলেন, ‘গল্প শুনে সারসংক্ষেপ পড়ে আমার মনে হয়েছে সিনেমার গল্পে আমাদের দেশকে ছোট করা হয়েছে। সেই কারণেই তাদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিনেমার গল্প চিত্রনাট্যে বাংলাদেশের রাজনীতির কিছু অংশ তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটার সেই চরিত্রে অভিনয় করলে বাংলাদেশের রাজনীতিকে ভুলভাবে তুলে ধরা হতো। দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে এই সিনেমাটা করিনি। মূল বিষয় হচ্ছে আমার দেশটাকে ছোট করার কোনো ইচ্ছা আমার নেই। সেই কারণে আমি রাজী হইনি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:৪৫:পিএম ৫ বছর আগে
সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র ‘গলুই’: শুটিং এ টাঙ্গাইলে আসছেন শাকিব খান - Ekotar Kantho

সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র ‘গলুই’: শুটিং এ টাঙ্গাইলে আসছেন শাকিব খান

একতার কণ্ঠঃ কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছে প্রথমবারের মতো অনুদানের সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। খোরশেদ আলম খসরু প্রযোজিত শাকিব খানের অনুদানের সিনেমা ‘গলুই’ পরিচালনা করছেন এস এ হক অলিক। সম্প্রতি জানা গেছে সিনেমাটি নিয়ে নতুন খবর। প্রকাশিত খবরে প্রকাশ যমুনার চর থেকে শুরু হচ্ছে শাকিব খানের অনুদানের সিনেমা ‘গলুই’ এর দৃশ্যধারনের কাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো শাকিব খানের নায়িকা হয়ে পর্দায় আসছেন পূজা চেরী।

জানা গেছে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে শাকিব খানের অনুদানের সিনেমা ‘গলুই’ এর দৃশ্যধারনের কাজ। ম্যাসব্যাপী সিনেমাটির দৃশ্যধারন হবে  টাঙ্গাইল ও জামালপুরের বিভিন্ন লোকেশনে। প্রথম দিন জামালপুরের যমুনার চর এলাকায় শুরু হবে দৃশ্যধারন। আর এই লটের শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার সময়ের সবচেয়ে বড় তারকা শাকিব খান।

এ প্রসঙ্গে একটি অনলাইন পত্রিকার সাথে আলাপকালে এস এ হক অলিক বলেন, ‘আমাদের টানা শুটের পরিকল্পনা আছে জামালপুর ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন লোকেশনে। ৩৫ থেকে ৪০ দিন লাগবে সিনেমাটির শুট করতে। অভিনয় শিল্পীরা যাওয়া-আসার মধ্যে থাকবেন, যাঁর যখন শুট, তখন তিনি যোগ দেবেন।‘ তবে শাকিব খান ছাড়া সিনেমাটির অন্য শিল্পীদের নাম এখনই প্রকাশ করতে চান না এই নির্মাতা। এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘সিনেমাটিতে কারা অভিনয় করছেন, সেটি মহরত অনুষ্ঠানেই জানাতে চাই; সেটি শুট শুরুর কয়েক দিন আগে ঢাকায় করা হবে।’

ছবির নাম ‘গলুই’ রাখা হয়েছে নৌকা চালানোর জন্য যে গলুই লাগে তা থেকে। নৌকা বাইচ, একজন মাঝির জীবন জীবিকা, প্রেম, ভালোবাসার মাধ্যমে সমাজের প্রতিচ্ছবি উঠে আসবে ‘গলুই’ সিনেমায়। সিনেমাটিতে একজন মাঝির চরিত্রে অভিনয় করবেন ঢাকাই সিনেমার সময়ের সেরা নায়ক শাকিব খান। প্রযোজক সূত্রে জানা গেছে সিনেমাটি ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৬০ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছে।

প্রসঙ্গত, শাকিব খান এবং পূজা চেরী ছাড়াও সিনেমাটিতে আরো অভিনয় অভিনয় করছেন আজিজুল হাকিম ও ফজলুর রহমান বাবু। আর সিনেমাটির বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ এবং হাবিব ওয়াহিদ সহ অনেকেই।

উল্লেখ্য যে, এস এ হক অলিক একাধারে নাটক এবং সিনেমা নির্মান করে থাকেন। অলিক পরিচালিত ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’ সিনেমা দুটি দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলো। এছাড়া অলিক এর আগে সুপারস্টার শাকিব খানকে নিয়ে ‘আরো ভালোবাসব তোমায়’ নামের একটি সিনেমা নির্মান করেছিলেন। ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিলো এই সিনেমাটি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৪৫:এএম ৫ বছর আগে
মিশুক মুনীর ও তারেক মাসুদের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ - Ekotar Kantho

মিশুক মুনীর ও তারেক মাসুদের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

একতার কণ্ঠঃ খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং সাংবাদিক মিশুক মুনীরকে হারানোর ১০ বছর শুক্রবার (১৩ আগস্ট)। ২০১১ সালের এই দিনে মানিকগঞ্জের জোকায় এক ভয়াবহ সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হন তারা।

‘কাগজের ফুল’ সিনেমার শুটিং লোকেশন দেখে ঢাকায় ফেরার পথে এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় তাদের সঙ্গে মাইক্রোবাসে থাকা আরও তিনজন চলচ্চিত্রকর্মী মারা যান। ওই তিনজন হলেন গাড়ির চালক মুস্তাফিজ, তারেক মাসুদের প্রোডাকশন ম্যানেজার ওয়াসিম ও কর্মী জামাল।

তারেক মাসুদ ১৯৮২ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ থেকে ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স শেষ করে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ শুরু করেন করেন। চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানকে নিয়ে ১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘আদম সুরত’ নামের প্রামাণ্যচিত্র।

এরপর বেশ কিছু ডকুমেন্টারি, অ্যানিমেশন ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন তারেক মাসুদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ১৯৯৫ সালে তার নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘মুক্তির গান’ ও ১৯৯৬ সালে ‘মুক্তির কথা’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়।

তারেক মাসুদ ২০০২ সালে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মাটির ময়না’ নির্মাণ করেন। এটি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবসহ কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়। সিনেমাটির জন্য কানে ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট লাভ করেন এই নির্মাতা।

‘মাটির ময়না’ সিনেমাটির জন্য ২৭তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার লাভ করেন তারেক মাসুদ। এছাড়া অস্কারের বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র শাখায় নিবেদন করা দ্বিতীয় বাংলাদেশী চলচ্চিত্র এটি। এর আগে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ নামের সিনেমা অস্কারে প্রদর্শিত হয়।

তারেক মাসুদ আমৃত্যু সিনেমা দিয়ে মানুষের মধ্যে আলো ছড়িয়ে গেছেন। তার পরবর্তী সিনেমা ‘অন্তর্যাত্রা’ (২০০৬) ‘রানওয়ে’ (২০১০) সালে মুক্তি পায়।

এদিকে, ক্যামেরা ‘ডিরেক্টর’ হিসেবে কাজ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিতি পেয়েছিলেন মিশুক মুনীর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিবিসির ভিডিও গ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। তার আরেক পরিচয় তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর ছেলে। তারেক মাসুদের সিনেমা ‘রানওয়ে’র প্রধান চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করেন মিশুক মুনীর। এছাড়া তিনি ‘রিটার্ন টু কান্দাহার’, ‘ওয়ার্ডস অব ফ্রিডম’ প্রামাণ্যচিত্রগুলোতেও কাজ করেছেন।

উল্লেখ্য, নিজ নিজ কর্মে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালে তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরকে (মরণোত্তর) একুশে পদকে ভূষিত করে সরকার।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অগাস্ট ২০২১ ০১:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণ - Ekotar Kantho

আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণ

একতার কণ্ঠঃ “শেকড়ের সন্ধানে ছুটে চলা’ – এই প্রত্যয় কে ধারন করে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের এক ঝাক তরুন সাংবাদিক একত্রে হয়েছিলেন শুক্রবার(১৮ জুন) সকালে। এই দিন ছিলো আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণের প্রথম দিন। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছিল আলোচনা সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলন। একই অনুষ্ঠানে বর্ষপূর্তির কেক কাটা হয়।

চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি, আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক মুসলিম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে কালের কন্ঠের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি এবং আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের বিশেষ প্রতিবেদক অরণ্য ইমতিয়াজের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, প্রথম আলো এর স্টাফ রিপোর্টার কামনা শীষ শেখর, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তরুন ইউসুফ, একুশে টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি কাজী তাজউদ্দিন রিপন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তবে  মুসলিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সত্যের পথে আছি এবং শেখরের সন্ধানে ছুটে চলছি। তাই আমি আজকের দিনে বলতে চাই- যারা আমাদের সাথে রয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ বলেন, আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম আজ ২ য় বর্ষে পদার্পণ করেছে। আজকের এই আনন্দের দিনে আমি আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এই পোর্টালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি- এ অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকুক।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, মত প্রকাশ করা আমাদের মৌলিক অধিকার। তবে গণমাধ্যমে কর্মরতদের মনে রাখতে হবে সেই মত প্রকাশ যাতে হয় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বাহক হিসেবে কাজ করবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, পোর্টালের রির্পোট আমি পর্যবেক্ষন করে থাকি এবং আমার উপজেলায় কোনো সমস্যা থাকলে তাৎক্ষনিক সমাধানের চেষ্টা করি। টাঙ্গাইলের এবং সমাজ পরিবর্তনে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি কাজী জাকেরুল মওলা বলেন, এই পথচলাকে শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম একটি ভালো ও জনপ্রিয় পত্রিকা এবং এই জনপ্রিয়তা কে ধরে রাখতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হাবিবুল্লা শেফুল বলেন একটি পোর্টালের জন্য ১ বছর খুব বেশি সময় নয়। এই অল্প সময়ে টাঙ্গাইলের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। আপনাদের সকলের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় গণমানুষের মুখপত্র হিসেবে আগামী দিনগুলোতেও একইভাবে কাজ করে যাবে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম।

শেষ পর্বে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম এর প্রতিনিধিদের সংবাদিকতার কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন ,কামনা শীষ শেখর, অরন্য ইমতিয়াজ, তরুণ ইউসুফ এবং মুসলিম উদ্দিন আহমেদ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৩:৪০:এএম ৫ বছর আগে
‘মুখোশ’ সিনেমার শুটিংয়ে টাঙ্গাইল আসছেন পরীমণি - Ekotar Kantho

‘মুখোশ’ সিনেমার শুটিংয়ে টাঙ্গাইল আসছেন পরীমণি

একতার কণ্ঠঃ ইফতেখার শুভ পরিচালিত ‘মুখোশ’ সিনেমার শেষ লটের কাজ হতে যাচ্ছে টাঙ্গাইলে। সেখানে শুটিংয়ে অংশ নেবেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণি, চিত্রনায়ক রোশান, অভিনেতা ইরেশ জাকের এবং আজাদ আবুল কালাম।

নির্মাতা শুভ জানান, চলমান লকডাউন শেষে ২৪ মে টাঙ্গাইলে সিনেমাটির কাজ শুরু হচ্ছে। সামনে দেশের করোনা পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে।

তাই এ মাসেই শুটিং শেষ করার পরিকল্পনা আমাদের। এই লটে দু’টি গানের শুটিং শেষ করব, যাতে অংশ নিবেন অভিনেতা ইরেশ জাকের, আজাদ আবুল কালাম, পরীমণি, রোশান ও অন্য শিল্পীরা।

ছবিটিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় টিভি অভিনেতা মোশাররফ করিম। উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া সিনেমাটি পরিচালনার পাশাপাশি প্রযোজনা করছেন ইফতেখার শুভ।

সিনেমাটি তার লেখা অপ্রকাশিত একটি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে। সিনেমায় আরও অভিনয় করছেন ফারুক আহম্মেদ, মেহের আফরোজ রাফা, রাশেদ আল মামুন, রঙ্গিলা সাধু প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২১ ০৬:৩১:পিএম ৫ বছর আগে
এবার ঈদে ধারাবাহিক নাটকে জাহিদ হাসানের সাথে টাঙ্গাইলের মেয়ে আনিকা - Ekotar Kantho

এবার ঈদে ধারাবাহিক নাটকে জাহিদ হাসানের সাথে টাঙ্গাইলের মেয়ে আনিকা

একতার কণ্ঠ বিনোদনঃ ছোট বেলা থেকে নাচ এবং গানের প্রতি খুব বেশি দরদ থাকলেও বড় হতে হতে আনিকা খানের এখন ঝোঁক  নাটকে। বছরের শুরুতে পরিচালক শাহীদ-উন-নবীর “মাইন্ড করবেননা প্লিজ” নামক একটি নাটকের মধ্য দিয়ে অভিনয় শুরু এক সময় নতুন কুঁড়ি, শাপলা কুঁড়িতে অংশগ্রহণকারী সেই ছোট্র আনিকার।

এবার ঈদুল ফিতরে দেখা যাবে তাকে ঈদের ৭ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক ‘বুড়া জামাই-২’ নাটকে নতুন প্রজন্মের এ অভিনেত্রী আনিকা খানকে। গত বছর ঈদে বৈশাখী টিভিতে প্রচারিত বুড়া জামাই নাটকের সিক্যুয়েল এটি।

বুড়া জামাই নাটকের বিপুল জনপ্রিয়তার কারণেই সিক্যুয়েল বুড়া জামাই-২। টিপু আলম মিলনের গল্পে জাকির হোসেন উজ্জলের চিত্রনাট্যে নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন রোহান আহমেদ রুবেল ও হানিফ খান।

নাটকে সুরভি চরিত্রে দেখা যাবে আনিকা খানকে নাটকের গল্প থেকে জানা যায় ফরহাদের খালা  শেফালী বেগম তার মেয়ে সুরভীকে নিয়ে বেড়াতে আসেন। খালার অনেক শখ ছিল ফরহাদের সাথে সুরভীর বিয়ে দেবেন কিন্তু ফরহাদ কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলায় সে প্রচণ্ড কষ্ট পায়।

শেফালী বেগম অতি আবেগী এবং কথায় কথায় ওকে ছোট বেলা কোলে-পিঠে করে কত কষ্ট করে মানুষ করেছে বলে কান্নাজুড়ে দেন। দিয়াকে সে মোটেই দেখতে পারেন না। এই মেয়ের জন্যই সে ফরহাদের সাথে তার মেয়ের বিয়ে দিতে পারেনি। বিভিন্ন উছিলায় সে দিয়ার ভুল ধরতে চেষ্টা করেন। অপমান করেন। তার মনে এখনও ইচ্ছা কোনোভাবে দিয়াকে বিদায় করে দিতে পারলে ফরহাদের সাথে সুরভীর বিয়ে দিতে পারবেন।

এক প্রতিক্রিয়ায় আনিকা খান জানান, অনেক সুন্দর একটা নাটক। আশা করি দর্শকদের অনেক ভালো লাগবে । আমি চেষ্টা করেছি ভালো করার, অনুরোধ করবো সকলকে নাটকটা দেখার জন্য ।  সকলের দোয়া চাই। আগামীতে যেন দর্শকদের আরো ভালো ভালো নাটক উপহার দিতে পারি।

নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন, জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান,লাক্স সুন্দরী মীম মানতাশা, আরফান, সাজু খাদেম, মানসী প্রকৃতি, শিরিন আলম প্রমুখ। ঈদের  সপ্তম দিনে রাত ৯.২০ মিনিটে নাটকটি প্রচার হবে বৈশাখী টিভিতে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২১ ০৩:১০:এএম ৫ বছর আগে
এবারও  ১০ গানে ঈদ মাতাবেন ড. মাহফুজুর রহমান - Ekotar Kantho

এবারও ১০ গানে ঈদ মাতাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

একতার কণ্ঠ বিনোদনঃ  এবারের ঈদেও গান শোনাবেন বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। তাঁর একক সংগীতানুষ্ঠানের নাম ‘সুখে থাকো তুমি’। থাকছে মোট ১০টি গান। প্রচার হবে ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত সাড়ে ১০টায়।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটিএন বাংলার পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, এবারের অ্যালবামের গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ। গানের কথা লিখেছেন নাজমা মোহাম্মদ, রাজেশ ঘোষ ও ড. মাহফুজুর রহমান। এটিএন বাংলার স্টুডিও এবং দেশের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে গানগুলো চিত্রায়ণ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি দর্শকের একঘেয়েমি কাটাতে মাহফুজুর রহমানের অনুষ্ঠানটি ভিন্ন মাত্রার আনন্দ যোগ করবে বলে এটিএন বাংলা কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশা করছে।

২০১৬ সালের পবিত্র ঈদুল আজহায় নিজের টেলিভিশন চ্যানেলে একক সংগীতানুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে আলোচনায় আসেন ড. মাহফুজুর রহমান।
এর পর থেকে প্রত্যেক ঈদে তিনি নিয়মিত গাইছেন। প্রতিবার ঈদ আয়োজনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের তালিকায় থাকে তাঁর একক সংগীতানুষ্ঠান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. মে ২০২১ ০৪:২১:এএম ৫ বছর আগে
চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনয়শিল্পী আলমগীর করোনা পজিটিভ - Ekotar Kantho

চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনয়শিল্পী আলমগীর করোনা পজিটিভ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ দেশের চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনয়শিল্পী, পরিচালক ও প্রযোজক আলমগীর কোভিড-১৯ পজিটিভ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর স্ত্রী উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তা জানান। তিনি জানান, ঢাকার একটি স্থানীয় হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

রুনা লায়লা বলেন,

“অসাধারণ কয়েকজন দক্ষ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের সেবিকা ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক খেয়াল রাখছেন। বেশ যত্ন করছেন। আলমগীর সাহেবও এখন মানসিকভাবে শক্ত আছেন এবং ভালো অনুভব করছেন। সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। আমাদের সবার শুভকামনা এবং দোয়া তাঁকে দ্রুত নিরাময় করবে।”

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে কোভিড ভ্যাকসিনের ২য় ও চূড়ান্ত ধাপ সম্পন্ন করেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের কিংবদন্তি দম্পতি আলমগীর ও রুনা লায়লা। গত শনিবার সকালে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে তাঁরা করোনার দ্বিতীয় টিকা গ্রহণ করেন। তাঁদের সঙ্গে একই দিনে টিকা গ্রহণ করেন আলমগীরের তিন সন্তান মেহরুবা আহমেদ, আঁখি আলমগীর ও তাসবির আহমেদ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২১ ০৫:৩৪:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।