একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ‘আয়নাবাজি’ খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা মা হতে যাচ্ছেন। স্বামী জোবাইদুল হককে সঙ্গে নিয়ে ফেসবুকে বেবি বাম্পের একটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করেছেন এই তারকা।
নাবিলা বলছেন, ‘এপ্রিলটা আমার জন্য বিশেষ মাস। এই এপ্রিলেই সবাইকে জানাতে চাই, আমাদের ঘরে আসছে নতুন অতিথি। আর সে আসবে জুলাইয়ে। সবাই নিরাপদ ও দূরত্ব মেনে চলুন।’
‘আয়নাবাজি’ খ্যাত এই তারকা বলেন, ‘ছেলে না মেয়ে হবে- এ বিষয়টি আমরা এখনো পরীক্ষা করাইনি। আমার স্বামী চাচ্ছেন, এটি আমাদের জন্য সারপ্রাইজ হিসেবে আসুক। চিকিৎসক বলেছেন, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে সন্তান পৃথিবীর আলো দেখবে। তবে জুনের শেষ সপ্তাহেও হয়তো সুখবর দিতে পারি।’
বাংলাভিশনের ‘এবং ক্লাসের বাইরে’ অনুষ্ঠান দিয়ে শোবিজে নাবিলার যাত্রা শুরু। উপস্থাপনায় পরিচিতি পেলেও নাবিলাকে আলোচনায় এনে দেয় ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আয়নাবাজি’ ছবিটি।
নাবিলার দাদাবাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় হলেও তার বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। জন্ম সেখানেই। বাবার চাকরিসূত্রে তার কৈশোরের দিনগুলো কেটেছে জেদ্দা শহরে। ২০১৮ সালে জোবাইদুল হকের সঙ্গে পরিণয়ে আবদ্ধ হন নাবিলা।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ আর একাকিত্ব নয়। মনের মতো সঙ্গী পেলে বিয়ের পিড়িতে বসবেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। অতীতের সব বিস্মৃতি মাটিচাপা দিয়ে নতুন করে সংসার করতে চান বাংলা সিনেমার এ নায়ক।
বিয়ের জন্য পাত্রী খোজা শুরু করেছেন শাকিব। এবার আর ভুল করবেন না। তাই যাচাই করে জেনেবুঝে এমন একজনকে জীবনসঙ্গী করবেন যিনি তাকে সুখের সংসার দিতে পারবে।
বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে শাকিবের জীবনে বহু ঝড় বয়ে গেছে। অপুর সঙ্গে বিয়ের খবর জানাজানি হওয়ার পর বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়। এরপর থিতু হতে কিছুটা সময় নিয়েছেন এই জনপ্রিয় নায়ক।
অনেক তো একা থাকা হলো। এবার আবার জীবনটাকে সাজাতে চাচ্ছেন। সঙ্গীও খোজা শুরু করেছেন শাকিব। বিয়ের জন্য ভালো পাত্রী চাই তার।
সম্প্রতি তার ৪২তম জন্মদিন গেছে। জন্মদিনটা পাবনায় কাটিয়েছেন। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই শুরু হয়েছে ‘অন্তরাত্মা’ সিনেমার প্রডাকশন।সেখানেই শুটিংয়ের মধ্য দিয়ে কাটছে নায়কের জন্মদিনটি ।
শাকিব জানালেন কাজের মধ্যে থাকতেই তিনি ভালবাসেন। তাই শুটিং স্পটে দারুণ উপভোগ করছেন তিনি।
৪০ পেরোনো শাকিবের বিয়ে নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। নিজের বিয়ে নিয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মেয়ে খুঁজছি। ভালো একটা মেয়ে বিয়ে করতে রাজি হলেই আমি খুশি।’
তাহলে কেমন মেয়ে চাই শাকিবের, প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, ‘লক্ষ্মী একটা মেয়ে। যে আমাকে, আমার সংসারকে আগলে রাখবে। বাকী জীবনটা সুখে কাটাতে তাকেই পাশে চাই।’
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ আবারও কলকাতার ‘জয় ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস’- এর সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।
বুধবার (৩১ মার্চ) রাতে জমকালো আয়োজনে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় তারকাদের কাঙ্ক্ষিত ব্ল্যাক লেডির মূর্তি।
‘রবিবার’ ও ‘বিজয়া’ ছবিতে অন্যতম অভিনয়ের জন্য সমালোচকদের বিচারে এই পুরস্কার পান জয়া।
ফিল্মফেয়ারের ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা আসে।
আর ‘গুমনামি’ সিনেমা দিয়ে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি।
প্রসঙ্গত, ‘রবিবার’ সিনেমাটিতে জয়া অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জির বিপরীতে। এই সিনেমার পরিচালক অতনু ঘোষ।
‘বিজয়া’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন কৌশিক গাঙ্গুলী। এতে জয়ার বিপরীতে আছেন আবীর চ্যাটার্জি। এটি ‘বিসর্জন’ সিনেমার সিক্যুয়েল।
গত বছর ‘রবিবার’ ছবির জন্য স্পেনের চলচ্চিত্র উৎসব একাধিক আসরে পুরস্কার জেতেন জয়া।
এর আগে ‘বিসর্জন’ ছবির জন্য ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস গ্রহণ করেন জয়া। একই ছবির জন্য পান জি সিনে অ্যাওয়ার্ডসও। এবারের ‘বিজয়া’ সেই ছবির সিক্যুয়েল।
এ ছাড়া কলকাতায় অভিষেক সিনেমা ‘আবর্ত’-র জন্য নবীন অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার জেতেন জয়া। সব মিলিয়ে তার পুরস্কার তাকে উঠল তিনটি ব্ল্যাক লেডির মূর্তি।
জয়ার ঝুলিতে চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশি-বিদেশি অসংখ্য স্বীকৃতি রয়েছে।
সম্প্রতি ঢাকায় মুক্তি পেয়েছে জয়ার নতুন ছবি ‘অলাতচক্র’। এ ছাড়া ঢাকা-কলকাতায় মুক্তির অপেক্ষায় আছে একাধিক ছবি।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তীতে উপলক্ষে টাঙ্গাইলে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে এ প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড.মোঃ আতাউল গণি। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. জাফর আহমদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শফিকুল ইসলাম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ শাহানা আক্তার প্রমুখ।
চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা ‘ক’ এবং ‘খ’ ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এ প্রতিযোগিতায় প্রায় ২ শতাধিক প্রতিযোগিরা অংশ গ্রহণ করেন।
একাতার কন্ঠ বিনোদন ডেস্কঃ পত্রিকায় প্রকাশিত কোন কোন দুঃসংবাদ পড়ে ক্ষুব্ধ শিল্পী বসে পড়তেন ক্যানভাসে। রংতুলিতে ফুটিয়ে তুলতেন নিজের রাগ, ক্ষোভ আর বেদনাবোধ। দেয়ালের শোভা বাড়ানোর জন্য নয় এই সব চিত্রকর্মের বিষয়বস্তু ছিল পীড়াদায়ক। যে কারণে ছবিগুলো ঘর থেকে তিনি বের করতেন কম। বর্তমানে সময় হয়েছে সেগুলোকে একত্র করার । তাতে যদি কিছু নতুন বার্তা দেওয়া যায় এই প্রজন্মকে।
শুক্রবার(১৯ ফেব্রয়ারী) সন্ধ্যায় ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে আরম্ভ হয়েছে শিল্পী নিসার হোসেনের একক রেট্রোস্পেকটিভ শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘ষাট বছরের খতিয়ান।’ স্থান পেয়েছে গত ৪৪ বছরে আঁকা শিল্পীর ৮০টির বেশি চিত্রকর্ম। শিল্পীর তৃতীয় একক প্রদর্শনী এটি।
তবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া এটাই প্রথম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মানুষের সংগ্রহে থাকা নিজের কিছু ছবি চেয়ে এনেছেন তিনি। নিজের সব কটি কাজ একত্র করে দেখার ইচ্ছা, যা কখনোই করা হয়নি। তিনি বলেন,প্রদর্শনীটি আমাকে বুঝতেও সাহায্য করবে চিত্র রসিকদের।’
প্রদর্শনীটি প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। বরেণ্য চিত্রকর রফিকুন নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংসদ শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, প্রকৌশলী ময়নুল আবেদিন ও শিল্পানুরাগী কাজী আনিসুল মুকিত।
সভাপতির বক্তব্যে রফিকুন নবী বলেন, ‘এই প্রদর্শনীটি, আদি থেকে নিসারের সব ধরনের কাজ আছে। ছবিগুলোতে নিসারকেই খুঁজে পাওয়া যায়। নিসার কম কাজ করে। এ ক্ষেত্রে তাঁকে তুলনা করা যায় বড় শিল্পীদের সঙ্গে।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন গ্যালারি চিত্রকের নির্বাহী পরিচালক শিল্পী মো. মনিরুজ্জামান। তিনি জানান, বহু বছর পর গ্যালারি চিত্রক ফিরেছে তাঁর পুরোনো ঠিকানা ধানমন্ডির ৪ নম্বর সড়কের ২১/এ বাড়িতে। নবনির্মিত সেই ভবনের দোতলায় শিল্পী সফিউদ্দিন আহমেদের সংগ্রহশালা, তৃতীয় তলায় গ্যালারি চিত্রক, যা নবযাত্রা শুরু করল নিসার হোসেনের চিত্রকর্ম প্রদর্শনীটির মাধ্যমে।