/ হোম / দেশের খবর
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় তাসফিন আহমেদ (১৬) নামের দশম শ্রেণির এক ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে ।

নিহত তাসফিন নলুয়া আড়ালিয়া পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম খানের ছেলে এবং স্থানীয় ইউরেকা শিক্ষা পরিবারের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

জানা গেছে,রবিবার(১৩ জুন) বিকেলে সখিপুর-নলুয়া-টাঙ্গাইল সড়কের বেড়বাড়ী কলাবাগান এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রীজের রেলিংএর সাথে ধাক্কা লাগলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।

তার এ অকাল মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন শিক্ষক ও সহপাঠীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুন ২০২২ ১১:৪৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র ও সম্পাদক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র ও সম্পাদক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

একতার কন্ঠ:“টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র ও সম্পাদক” নামক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুন) সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে দৈনিক যুগধারা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সরকার হাবিব সম্পাদিত “টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র ও সম্পাদক” নামক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচিত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন একুশে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক মজলুমের কন্ঠের সম্পাদক এডভোকেট জাফর আহমেদ, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, যুগ্ম-সম্পাদক আনোয়ার মোল্যা, টাঙ্গাইল জজকোর্টের পিপি এস আকবর খান, প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক কামনাশীষ শেখর, এনটিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মহব্বত হোসেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নাগরপুর উপজেলা কমান্ড মোঃ সুজায়েত হোসেন প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই এর পরিচালক আবু নাসের। আব্দুর রৌফ রিপনের অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ,গ্রন্থে বাংলাদেশের পত্রিকা ও সম্পাদকের নানা বিষয় বিশ্লেষণধর্মী লেখা স্থান পেয়েছে। বইটি সম্পাদক ও সংবাদপত্রের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জুন ২০২২ ০৩:৩৭:এএম ৪ বছর আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৪১ জনের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৪১ জনের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় ৪১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৮ জন ফায়ার সার্ভিস কর্মী।

ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আনিসুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করছেন।

তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের ২৮ জন হতাহত হয়েছে। এর মধ্যে ৮জন মৃত্যুবরণ করেছেন। নিহতদের মধ্যে ৩ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া আহত ১৫ জনকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনও ৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

শনিবার (৪ জুন) রাতের এই ঘটনায় চার শতাধিক দগ্ধ ও আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শ্রমিক, পুলিশ সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা রয়েছেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অনেককে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ওই ডিপোতে ৫০ হাজারের বেশি কনটেইনার রয়েছে। কেমিক্যাল কনটেইনার থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন লাগার পর কনটেইনারগুলো একের পর এক বিস্ফোরিত হতে থাকে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে তিন-চার কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। আশপাশের বাড়ি-ঘরের জানালার কাচ ভেঙে পড়ে।

অগ্নিদগ্ধদের জরুরি চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের সব চিকিৎসকের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। বেসরকারি হাসপাতালসহ সব হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে আহতদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শামীম আহসান বলেন, ছুটিতে থাকা সব চিকিৎসক-নার্সকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এতসংখ্যক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত ওষুধেরও সংকট রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ওষুধ, স্যালাইন, পেইন কিলার প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল মো. রেজাউল করিম, পিএসসিকে এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. আনিসুর রহমানকে।

অন্যান্যরা হলেন – শামস আরমান (প্রশিক্ষক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, টিসি, মিরপুর), জহিরুল ইসলাম (সিনিয়র স্টেশন অফিসার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, ইপিজেড, সাভার), মো. ওমর ফারুক ভূঁইয়া, ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম)

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জুন ২০২২ ০৯:২১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টিতে ৪০ জনের যোগদান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টিতে ৪০ জনের যোগদান

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে ৪০ জন জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেছেন। শুক্রবার (২৭ মে) সকালে শহরের মেইন রোডে দলীয় জেলা কার্যালয়ে ওই যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা শাখার আহ্বায়ক আবুল কাশেম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খন্দকার নাজিম উদ্দিন ও জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস ছালাম চাকলাদার প্রমূখ।

যোগদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু তাহের।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক ফকির শাহ আলম, অ্যাডভোকেট শামসুল আলম লাল, আবুল হোসেন, আবু তায়েব ও আ. কাদের তুলা, জাতীয় পার্টির নেতা মীর ওয়ারেজ আলী লিউ, জেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আ. রাজ্জাক প্রমুখ।
এ সময় জেলা জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টিকে এগিয়ে নিতে যোগদানরত নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন বক্তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মে ২০২২ ১০:২৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মঙ্গলবার (১৭ মে) নানা কর্মসুচীর মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গন হতে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।

এ সময় টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ( গোপালপুর -ভূয়াপুর-০৩) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র আলমগীর হোসেন, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ, টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের সভাপতি রেজাউর রহমান চঞ্চল, বিল্পবী সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মানিক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক, রেজাউল করিম সাগর, শহর যুবলীগের আহবায়ক মেহেদী হাসান ইমু, যুগ্ম-আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সিকদার মানিক, সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রাজীব, সোহেল রানা বাবু সহ জেলা যুবলীগ নেতা রবিন তালুকদার, আতিকুর রহমান আতিকসহ, জেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এতে অংশ নেন।

এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মে ২০২২ ০৯:১৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধানকাটা শ্রমিকের কোপে হাত বিচ্ছিন্ন অপর শ্রমিকের - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধানকাটা শ্রমিকের কোপে হাত বিচ্ছিন্ন অপর শ্রমিকের

‍একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বিড়ি চাওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিকের ধারালো কাচির কোপে ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়েছে সেলিম নামের অপর শ্রমিকের। বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকালে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি গ্রামে ঘটেছে ঘটনাটি।

জানা যায়, বর্ণি গ্রামের শফিকুল ইসলাম নামের কৃষক তার জমির ধান কাটতে বিভিন্ন অঞ্চলের ৯জন শ্রমিক নিয়োগ করেন। সকালে তারা জমিতে ধান কাটতে যায়। ধান কাটা অবস্থায় অপর জমিতে কাজ করতে আসা বর্ণি গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে সেলিম নামের শ্রমিক শফিকুলের নিয়োগকৃত শ্রমিকদের নিকট বিড়ি চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে মাসুদ রানা ও আবদুল লতিফ নামের শ্রমিক সেলিমের ডান হাত কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। খবরটি বর্ণি গ্রামে পৌছলে গ্রামের লোকজন শ্রমিকদের ঘেড়াও করে মারধর শুরু করে। স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ৬ শ্রমিককে আটক করেন। এ সময় জনরোষে পড়ে এক পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ ৬ শ্রমিককে আটক করলেও বাকি ৩ শ্রমিক পালিয়ে যায়।

আটককৃত শ্রমিকরা হলেন , সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালি থানার আবদুল আজিজ মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা (৩৭),  একই জেলার বেলকুচি এলাকার মো. মজিদ সরকারের ছেলে আবদুল লতিফ (৩০),  টাঙ্গাইল সদর থানার ভবানিপুর গ্রামের মোঃ আছান মিয়ার ছেলে মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩০),  সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি এলাকার মোঃ ময়নাল মিয়ার ছেলে মোঃ সাহাব উদ্দিন (২৭),  গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের মোজাম্মেল মিয়ার ছেলে নুরুজ্জামান (২৫) ও  সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী এলাকার আবদুল আওয়াল মিয়ার ছেলে নূর আলম (২২)।

দেলদুয়ার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, বিড়ি চাওয়া নিয়ে বাকবিতন্ডায় বর্ণি গ্রামের সেলিম নামের এক শ্রমিকের উপর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কাজ করতে আসা শ্রমিকরা হামলা চালায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে ৬ শ্রমিককে আটক করা হয় বাকি ৩ শ্রমিক পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সেলিম নামের শ্রমিকের ডান হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ভিকটিমের বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন বাদি হয়ে  দেলদুয়ার থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২২ ০৩:১৯:এএম ৪ বছর আগে
সেন্টমার্টিনে ধরা পড়লো ১৭০ কেজির বোল মাছ - Ekotar Kantho

সেন্টমার্টিনে ধরা পড়লো ১৭০ কেজির বোল মাছ

একতার কণ্ঠঃ কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিন দ্বীপে আবদুর রশিদ নামের এক জেলের জালে ১৭০ কেজি ওজনের একটি বোল মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি সেন্টমার্টিন থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় কিনে নেন একক্রেতা। পরে সেটি টেকনাফ শহরে নিয়ে দুই লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।

শনিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে সেন্টমার্টিনের ডেইলপাড়া ঠোঁড়ার মাথা এলাকায় মাছটি ধরা পড়ে।সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হাবিব খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হাবিব খান জানান, রশিদ মাঝি ভাগ্যবান। তিনি পরিশ্রমী জেলে। সাগরে সমসময় জাল নিয়ে মাছ ধরেন তিনি। আল্লাহ তাকে কখনো খালি হাতে ফেরায় না। তার জালে বোল মাছটি ধরা পড়ার পর প্রথমে ১ লাখ ২০ টাকা থেকে দাম শুরু হয়। ইসমাইল নামের এক সওদাগর মাছটি দেড় লাখ টাকায় কিনে নেন।

স্থানীয় জেলে আজিম উল্লাহ বলেন, ‘এখানকার ইসমাইল মাছটি কিনেন। মাছটি কিনতে তার সর্বমোট খরচ হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এরপর সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ শহরে নিয়ে ২ লাখ ১০ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করে ইসমাইল। সেখান থেকে ১০ হাজার টাকা বাদ দিয়ে তাকে ২ লাখ টাকা দেন তৃতীয় পক্ষের ব্যবসায়ীরা।’

টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সেন্টমার্টিন অঞ্চলে মাঝে মাঝে বড় প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। এরমধ্যে লাল পোয়া, কোরাল ও বোল মাছ উল্লেখযোগ্য। শনিবার সকালে আবদুর রশিদ নামের এক জেলের জালে বড় আকারে বোল মাছ ধরা পড়ার বিষয়টি জেনেছি। সাধারণত সাগরের পরিস্থিতি ভেদে বড় মাছগুলো উপকূলের দিকে চলে আসছে। যার কারণে জেলেদের জালে আটকা পড়ছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. এপ্রিল ২০২২ ০৮:২৫:পিএম ৪ বছর আগে
মধুপুর বনের ১৫ হাজার ৩৮০ একর বনভূমি প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে - Ekotar Kantho

মধুপুর বনের ১৫ হাজার ৩৮০ একর বনভূমি প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে

 একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনে প্রভাবশালীদের কালোথাবা পড়েছে।রাজনৈতিক অঙ্গণে বিভিন্ন দলের মধ্যে হানাহানি থাকলেও বন দখলে সবাই একে অপরের ভাই ভাই। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ব্যবসায়ী, আইনজীবী, দলিল লেখক, এনজিও, সমাজকর্মি গৃহিনীসহ দখলে বাদ যায়নি কেউ। বেশিরভাগ সরকারি দলের লোকজন অবৈধভাবে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জবরদখল করে কলা, আনারস ড্রাগন ,লেবু চাষ করে করে লাভবান হচ্ছে।

এছাড়াও কোথাও কোথাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, করাতকল, বাজার ও বাড়িঘর তুলে দিব্য বসবাস করছে। বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবহেলা, উদাসীনতা এবং অনৈতিক সুবিধা নিয়ে জবরদখল কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ারও অনেক অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া বনের গাছ চুরি অব্যাহত থাকায় পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য পড়েছে হুমকির মুখে। বনে শাল-গজারী না থাকায় দেখা দিয়েছে বন্যপ্রাণীদের খাদ্য সঙ্কট, ঐতিহ্য হারাচ্ছে মধুপুর গড়ের শালবন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবকের কারাদণ্ড

টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, জেলার পাঁচটি উপজেলা মধুপুর, মির্জাপুর, সখিপুর, ঘাটাইল ও কালিহাতী উপজেলায় মোট বনভুমি রয়েছে প্রায় এক লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ একর। এর মধ্যে ৫৮ হাজার ২০৬ দশমিক ২৮ একর জমি অবৈধ দখলদারদের দখলে চলে গেছে। গত কয়েক বছরে ২০ হাজার ১০৮ একর জমি উদ্ধার করলেও ৩৮ হাজার ছয়শ ৬৬ দশমিক ১৯ একর জমি এখনও উদ্ধার করতে পারেনি বনবিভাগ। প্রায় ২২ হাজার একশ জন লোক এই বনভুমি দখল করে আছে। এদিকে শুধু মধুপুরে বনভুমির পরিমান ৪৫ হাজার ৫৬৫ দশমিক ১৮ একর। এর মধ্যে সংরক্ষিত ১১ হাজার ৬৭১ দশমিক ২১ একর ও সংরক্ষিতের বাইরে বন বিভাগের জমির পরিমান ৩৩ হাজার ৮৯৩ দশমিক ৯৭ একর। যার মধ্যে অবৈধ দখলে রয়েছে ১৫ হাজার ৩৭৯ দশমিক ১৪ একর জমি। এর বেশিরভাগ জমি সরকারি দলের প্রভাবশালী নেতা ও নৃতাত্বিক গোষ্টির নেতারা দখল করে রেখেছেন।

একতার কণ্ঠ

বনের জায়গায় গড়ে ওঠা স’মিল

এছাড়াও বনের কর্মকর্তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে জেলার সংঘবদ্ধ গাছ চোররা প্রতিনিয়ত বন থেকে গাছ চুরি করছে। ফলে বঞ্চিত হচ্ছে সামজিক বনায়নের অংশিদাররা। সরকার বঞ্চিত হচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে।

অনুসন্ধান এবং বনবিভাগের বনভুমি জবরদখল ও উদ্ধার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের তথ্য ঘেটে জানা গেছে, সংরক্ষিত বনের মধুপুরের জামগাছার গ্রামের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা আইজউদ্দিন মন্ডল দোখলা রেঞ্জের চাদপুর বিটের ফুলবাগচালা মৌজার তিনশ একর জমি জবরদখল করে রেখেছেন। হাগড়াকুড়ি গ্রামের বিএনপি নেতা সাদেক আলী দোখলা রেঞ্জের চাঁদপুর বিটের জোরামগাছা মৌজার ২০ একর, থানারবাইদের স্থানীয় নৃগোষ্ঠির নেতা রাগেন্দ্র নকরেক দোখলা বিটের পীরগাছা মৌজার দুইশ ৫০ একর, বাঘাডোবার আওয়ামী লীগ নেতা নস্কর মেম্বার ফুলবাগচালা মৌজার দুইশ একর, জামাল উদ্দিন একশ একর, চুনিয়ার বাবুল মৃ অরনখোলা মৌজার ৭০ একর, চুনিয়ার টমাস নকরেক অরনখোলা মৌজার ৫৫ একর, বাঘাডোবার আওয়ামী লীগ নেতা ময়নাল মেম্বার ফুলবাগচালা মৌজার ৫৩ একর, সুরেনটালের আওয়ামী লীগ নেতা রেফাজ উদ্দিন ফুলবাগচালা মৌজার ৫২ একর, সুরেনটালের আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিদ ফুলবাগচালা মৌজার ৪০ একর, সুরেনটাল গ্রামের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ ফুলবাগচালা মৌজার ৩৫ একর, শোলাকুড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং বন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ইয়াকুব আলী অরণখোলা মৌজার ৩৫ একর, কাইল্যা কুড়ি গ্রামের নৃ গোষ্টির নেতা প্রীতিনাশ নকরেক অরনখোলা মৌজার ৩০ একর, টাঙ্গাইল জেলা কৃষকদলের সহ-সভাপতি আমলীতলা গ্রামের লস্কর মেম্বার জাউস রেঞ্জের গাছাবাড়ি বিটের ১৬ একর, হাগড়াকুড়ি গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ওহাব সরকার জোরামগাছা মৌজার ১৫ একর, হাগড়াকুড়ির আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হামিদ ২০ একর, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল করিম ২০ একর, অরণখোলার জাউস রেঞ্জের গাছাবাড়ি বিটের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা হযরত আলী ৮১ একর, গাছাবাড়ির চানমাহমুদ ছানা ৫১ একর, টেলকি শাখার ট্রাক ড্রাইভার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাধুপাড়ার প্রশান্ত মানকিন লহরিয়া বিটের প্রায় ৫০ একর , মধুপুরের কলাচাষি সংগঠনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা গেছুয়াগ্রামের আব্দুর রহিম বেরিবাদ বিটের ৩৪ দশমিক ৫০ একর, মাগন্তিনগরের বিজিত টিটো ৩০ দশমিক ১০ একর, অরণখোলা ইউনিয়নের মেম্বার ও ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গাছাবাড়ির মজিবর রহমান ২৯ দশমিক ৫০ একর জমি দখল করে রেখেছেন। তিনি মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবুর আত্মীয় পরিচয় দিয়ে জমি দখলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও চুনিয়ার মোতালেব হোসেন ৯ দশমিক ৭৫ একর জমি জবরদখল করে রেখেছেন। অরণখোলা সদরবিটের প্রায় ৫ একর জমি দখল করে রেখেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস ছালাম, নুরু মিয়া, আব্দুল খালেক, কাদের, মুক্তার হোসেন ফকির, আক্তার হোসেন ফকির, আছকের আলী, আজিজুল হক শহিদ ও আব্দুর রহিম মিয়া।

অপরদিকে, সংরক্ষিত বনভুমির বাইরেও অন্যান্য শ্রেনিভুক্ত মধুপুর রেঞ্জের চাড়ালজানি বিটের চুনিয়া মৌজায় বেসরকারি সংস্থা বুরে‌্যা বাংলাদেশ ৬ দশমিক ৮৫ একর, কাকরাইদের ইয়রুন নেছা ৩০ একর, প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার ভাগ্নে গাছাবাড়ির সরাফত আলী ২ দশমিক ৩০ একর, সোহরাব আলী ২ দশমিক ৩০ একর, কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের মিয়া ৩ একর, দিগলবাইদের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম ২ দশমিক ৯ একর, জাঙ্গালিয়ার ব্যবসায়ী আজিজ খাঁ প্রায় ৯ একর, দলিল লেখক নুরু মিয়ার প্রায় ১২ একর মাগন্তিনগরের বাদশা মিয়া প্রায় ২০ একর, নয়াপাড়া গ্রামের আফতাবউদ্দিন প্রায় ৫ একর জমি জবর দখল করে রেখেছেন।

সরেজমিন ঘুরে, বনবিভাগ ও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মোটের বাজারের ছামান আলী নামে এক ব্যক্তি বন বিভাগের জমি কার্টিজ মুলে ক্রয় করে মাটি ভরাট করে জমি দখল করেছেন। শুধু ছামান আলী নয় প্রভাবশালী অনেকেই বন বিভাগের জমি এভাবে দখল করে নিচ্ছে। কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বসতি নির্মাণ করে বনের জমিকে নিজের বলে দাবি করে থাকে। দখলদারদের কেউ কেউ বন বিভাগের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করেন। বন বিভাগের জায়গা দখল করে ভুয়া দলিল ও কাগজপত্র তৈরি করে অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে । আবার দখলদাররা আইনি ঝামেলা এড়াতে কৌশলে জমি খোলা স্ট্যাম্পে বিক্রি করে দেন। বনবিভাগও জমি উদ্ধার করতে হাজার হাজার মামলা করেছেন। কিন্ত কাজের কোন কাজ কিছুই হয়নি । এছাড়া উচ্ছেদ অভিযানও করতে পারেনি। তবে কয়েকজন দখলদার দাবি করেন, সংরক্ষিত বনের বাইরে ৪ ও ৬ ধারার জমি সিএস পর্চামূলে তারাই মালিক। এসএ ও আরএসে মালিক বনবিভাগ। যখন সরকার রায় পাবে তখন তারা বন বিভাগের জমি ছেড়ে দিবে।

মহিষমারা হামের বাজারের মহর আলী জানান, তার সামাজিক বনায়নের প্লট থেকে সম্প্রতি গাছ চুরি হয়। স্থানীয় সিএফডব্লিউ শামছুল হক এ গাছ কেটে নিয়েছে। শামছুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, গাছগুলো সামাজিক বনায়নের নয়। সদ্য বিদায়ী মহিষমারা বিট কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন জানান, মোটের বাজার এলাকার গাছ চুরির ঘটনায় ওমর ফারুকের নামে মামলা হয়েছে। এখন সিএফডব্লিউওরা তাদেরকে সহযোগিতা করে। কিভাবে জমি ও বন উদ্ধার হবে এ প্রশ্ন তারও।

শোলাকুড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং স্থানীয় বন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ইয়াকুব আলী বলেন, ওই জমির মধ্যে কিছু জমি তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। তবে বেশ কিছু জমি বনবিভাগ সামাজিক বনায়ন করেছে। সব জমি সামাজিক বনায়ন করলে তাদের কোন আপত্তি থাকবে না।

অরণখোলা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান বলেন, বনবিভাগ ওই জমি ১০ বছরের জন্য তাকে প্লট করে দিয়েছেন। তার সেই দলিলও রয়েছে।

এদিকে বনভূমি জবরদখল ও সামাজিক বনায়নের গাছ চুরি অব্যাহত রয়েছে। বন এলাকার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে স’মিল স্থাপনের বিধান না থাকলেও বন বিভাগের গুটিকয়েক কর্মকর্তাদের অনৈতিক সুবিধা দিয়ে অনুমোদনহীনভাবে চলছে স’মিল। এসব মিলে দিনরাত চলছে বনের কাঠ চিরাই। চুরি হচ্ছে বনের গাছ। বন বিভাগের নজরদারির অভাবে বিভিন্ন প্লটের গাছ কেটে নেয়া হচ্ছে।

হাজীপাড়া এলাকার খোরশেদ আলম জানান, ওমর ফারুক মহিষমারা বিটের বনায়ন ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক। সামাজিক বনায়ন ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বে থেকেও অবাধে গাছ কেটে সামাজিক বনায়ন উজার করছেন। মহিষমারা বিটের বনায়ন ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অংশীদারি খোরশেদ আলম আসবাবপত্র বানানোর জন্য তার কাছে গাছ চেয়েছিল বিধায় গাছ কাটা হয়েছে। গাছ চাইলেই আপনি সরকারী গাছ কাটতে পারেন কিনা? এমন প্রশ্নের কোন জবাব দেননি। ফারুক আওয়ামীলীগের নেতা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা মুখ খুলতে সাহস পায় না। তার বিরুদ্ধে একাধিক বন মামলাও রয়েছে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামান জানান, জবরদখল মুক্ত করতে কর্মকর্তাদের সদিচ্ছার অভাব নেই ।ইতোমধ্যে বনের জবরদখলকৃত জমির তালিকা মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকারে সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
জেলা প্রশাসক ড. মোঃ আতাউল গনি সম্প্রতি মধুপুরে সামাজিক বনায়ন কর্মসুচি উদ্বোধন করতে গিয়ে বনের জবরদখলকৃত এক ব্যক্তির লেবু বাগান দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বনের জমি এভাবে দখল থাকতে পারে না। দখলকারী যতবড় প্রভাবশালী লোকই হোক না কেন তাদের উচ্ছেদ করে বনের জীব বৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষা করা হবে। ইতিমধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি থেকে জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেখানে অবৈধ দখলে থাকা বনভুমি উদ্ধারে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ,বাজার ও ব্যক্তি পর্যায়ে জমি উদ্ধারে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাই জবরদখলকারীদের দ্রুত উচ্ছেদ করা হবে।

প্রতিবেদকঃ মো. আরমান কবীর সৈকত

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. এপ্রিল ২০২২ ১১:১০:পিএম ৪ বছর আগে
আমি প্রতিবাদই করি, লুটপাট তো আর করি না : টাঙ্গাইলে ব্যারিস্টার সুমন - Ekotar Kantho

আমি প্রতিবাদই করি, লুটপাট তো আর করি না : টাঙ্গাইলে ব্যারিস্টার সুমন

একতার কণ্ঠঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, বাংলাদেশে এমন কোনো মানুষ নেই যে চাপে নেই। দেশের সবাই চাপে আছে। সরকারি দলের চাপ আছে বিরোধী দলের কাছে, আবার বিরোধী দলের চাপ আছে সরকারি দলের কাছে। আমি প্রতিবাদই করি, লুটপাট তো আর করি না। প্রতিবাদ করি দেশের জন্য, ব্যক্তি স্বার্থে না।মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ‘ডুবাইল ক্রিকেট লীগ’ ম্যাচ চলাকালীন তিনি এসব কথা বলেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা

তি‌নি আরো  বলেন, বঙ্গবন্ধুর যে সোনার বাংলার কথা বলা হয়, সেই সোনার বাংলার জন্য একজন সোনার মানুষ হতে চাই। তরুণদের বলতে চাই, সোনার মানুষ ছাড়া কোনো দিন সোনার বাংলা বানানো সম্ভব না। দলেও যদি সোনার মানুষ না থাকে তাহলে দলটিও ভালো চলবে না।তিনি আ‌রও বলেন, এলাকায় একটি মাঠ না থাকলে এলাকাটি বেশি দিন বাঁচতে পারে না। তরুণ সমাজ মাদকে আসক্ত হওয়ার কারণ হচ্ছে এলাকায় খেলাধুলার মাঠ না থাকা। মাঠের মধ্যে বাণিজ্য মেলা, গরু-ছাগলের হাট-বাজার বসানো হচ্ছে। এতে তরুণরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং মাদকে আসক্ত হচ্ছে।ব্যারিস্টার সুমন বলেন, মনের মধ্যে যদি থাকে আপনি কবে এমপি হবেন, মন্ত্রী হবেন, এই মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে সোনার বাংলা বানানো সম্ভব না। সোনার বাংলা গড়তে হলে বাংলাদেশকে মনের মধ্যে ধারণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসান মারুফ, ডুবাইল জাগরণী সমাজ কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি মোন্তাজ আলী, ব্যবসায়ী মো. ফয়সাল, ব্যারিস্টার মনির হোসেন প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২২ ০৪:২৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দেড় লাখের বেশি পরিবার পাচ্ছেন টিসিবি পণ্য - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দেড় লাখের বেশি পরিবার পাচ্ছেন টিসিবি পণ্য

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭১১টি নিম্ন আয়ের পরিবারকে প্রথম দফায় ভর্তুকিতে কম মূল্যে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর মাধ্যমে পণ্য বিতরণ শুরু হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

রবিবার (২০ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের এমপি মো. ছানোয়ার হোসেন।এ সময় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ শাহজাহান আনছারী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রানুয়ারা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭১১টি নিম্ন আয়ের পরিবার ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪২২ লিটার তেল, ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪২২ কেজি চিনি এবং ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪২২ কেজি মশুর ডাল পাবেন।

প্রথম দফায় একজন ক্রেতা ৫৫ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ ২ কেজি চিনি, ৬৫ টাকা কেজি দরে ২ কেজি মসুর ডাল, ১১০ টাকা দরে ২ লিটার ভোজ্যতেল তেল পাচ্ছেন। ৩ টি আইটেম ৪৬০ টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন। তারমধ্যে ৪৩০ টাকা ডিলার সরকারের কাছে জমা দিবে। আর ৩০টাকা ডিলারের লাভ থাকবে।

এসব পণ্য সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১২টি উপজেলায় ফ্যামেলি কার্ডের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে নির্দিষ্টস্থানে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। স্বল্পমূল্যে রোজার আগে তেল, চিনি ও ডাল কিনতে পেরে নিম্ন-আয়ের লোকজনও খুশি।

এদিকে, জেলায় ১২টি উপজেলায় টিসিবি’র পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার অথোরাইজড অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। এ লক্ষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে মনিরটিং টিম গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় ট্যাগ অফিসার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি ডিলারের পণ্য বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন ও মনিটরিং করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মার্চ ২০২২ ০১:১৪:এএম ৪ বছর আগে
নাপা সিরাপ নয়, মায়ের পরকীয়ায় প্রাণ যায় সেই দুই শিশুর - Ekotar Kantho

নাপা সিরাপ নয়, মায়ের পরকীয়ায় প্রাণ যায় সেই দুই শিশুর

একতার কণ্ঠঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা নাটকীয় মোড় নিয়েছে। আপন মা তার পরকীয়া প্রেমিককে নিয়ে তাদের হত্যা করে বলে পুলিশ জানায়। মিষ্টির সঙ্গে বিষ খাইয়ে মারা হয় দুই শিশুকে। পরে তাদের নাপা সিরাপ খাওয়ানো হয় ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে।

এ ঘটনায় বুধবার (১৬ মার্চ) রাতে নিহত ২ শিশুর পিতা ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে স্ত্রী, তার পরকীয়া প্রেমিকসহ ৪ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এরপর মা লিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরকীয়া প্রেমিক সফিউল্লাহসহ ৩ জন পলাতক রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত লিমাকে আদালতে প্রেরণ করা হয় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য।

বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন জানান, লিমা আশুগঞ্জের একটি চাল-কলে কাজ করেন। আর তার স্বামী কাজ করেন ইটভাটায়। চাল-কলে কাজ করার সুবাদে আরেক শ্রমিক সফিউল্লার সঙ্গে লিমার পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তারা বিয়ে করারও সিদ্ধান্ত নেয়।

তিনি আরও জানান, পূর্বপরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিষ্টির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দুই শিশু ইয়াছিন ও মোরসালিনকে খাইয়ে হত্যা করে মা লিমা বেগম। মৃত্যুর ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য নাপা সিরাপের রিঅ্যাকশন হয়েছে বলে প্রচার করে। কিন্তু লিমার আচরণে প্রথমেই পুলিশের সন্দেহ হয়। অধিকতর জিজ্ঞাসায় সে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় লিমার প্রেমিক সফিউল্লাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে গত ১৩ মার্চ ওই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দেশের সব পাইকারি ও খুচরা ফার্মেসি পরিদর্শন করে ওই ওষুধ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে পরীক্ষার প্রতিবেদন ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর জন্যও বলা হয়েছে।

সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১২ মার্চ দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে জানা যায় যে, দেশের অন্যতম প্রধান ফার্মাসিউটিক্যালস-এর উৎপাদিত নাপা সিরাপ (প্যারাসিটামল ১২০মিগ্রা./৫ মি.লি.) ব্যাচ নং- ৩২১১৩১২১, উৎপাদন তারিখ: ১২/২০২১, মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ: ১১/২০২৩ নামীয় ওষুধটি সেবন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে একই পরিবারের ২ শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।

এমতাবস্থায় ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সব বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তাকে স্ব-স্ব নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অবস্থিত পাইকারি ও খুচরা ফার্মেসি পরিদর্শন করে ওই পদের নমুনা পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হলো। পরবর্তীতে নাপা সিরাপ পরীক্ষা করে তার মধ্যে কোনো ক্ষতিকর উপাদান পায়নি ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের ইসমাঈল হোসেনের দুই ছেলে ইয়াছিন ও মোরসালিন নাপা সিরাপ খেয়ে মারা যায় বলে অভিযোগ তোলেন স্বজনরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২২ ০৩:৫১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবসে লিফলেট বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবসে লিফলেট বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ ২০১৮ সাল থেকে দেশে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত হয়ে আসছে। এবারের নিরাপদ খাদ্য দিবসের মূল প্রতিপাদ্য – ‘সুস্বাস্থ্যের মূলনীতি, নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিধি’। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন কর্তৃক টাঙ্গাইলেও নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত হচ্ছে।

জনতা ব্যাংক লিমিটেডের একজন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম চাকরির পাশাপাশি অবসর সময়ে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন, লৌহজং নদী দখল ও দূষণমুক্ত আন্দোলন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ঢাকা-টাঙ্গাইল ট্রেন আন্দোলন, অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার লক্ষে তিনি এবছর গঠন করেছেন “জাহাঙ্গীর আলম লিটল থিঙ্কিংস” নামক একটি ছোট্ট সংগঠন।

এবারের জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবসে খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে “জাহাঙ্গীর আলম লিটল থিঙ্কিংস” নামক প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে লিফলেট বিতরণ করা হয়। জাহাঙ্গীর আলম ও তার বন্ধু আরেক সমাজসেবক সাইদুল ইসলাম মিন্টু লিফলেট বিতরণে নেতৃত্বে দান করেন। এধরণের কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষের ব্যপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়।

আগামীদিনে টাঙ্গাইলবাসীর নানান সমস্যা ও সম্ভাবনা সামনে রেখে জনসচেতনতায় কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৫:৫৭:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।