একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের পুংলী নদীর অংশে দিন-রাত অবাধে চলছে বালু উত্তোলন।জেলা প্রশাসনের কোন প্রকার বৈধ অনুমোদন না থাকলেও প্রকাশ্যে একটি ভেকু ও ১৪টি ড্রাম ট্রাকের সাহায্য দিন-রাত চলছে ওই অবৈধ বালু উত্তোলন। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ, স্থানীয় বসতভিটা ,ফসলি জমিসহ সরকারি রাস্তা।অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাগণ কোন ধরনের প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের পৌলি দক্ষিন পাড়ার পুংলী নদীর অংশ থেকে একটি ভেকুর মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলনকৃত বালু ১৪টি ড্রাম ট্রাকের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন জায়গায় রশীদের মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত বোঝাইকৃত বালু ভর্তি ড্রাম ট্রাক চলাচলের ফলে পৌলি দক্ষিন পাড়া থেকে বঙ্গবন্ধুসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে যাওয়ার ওই এলাকাবাসীর যাতায়াতের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি বিভিন্ন জায়গায় দেবে গেছে।এ ছাড়া ট্রাক চলাচলের সময় উড়া ধুলা-বালিতে স্থানীয়দের বাড়ী-ঘর ধুলায় ঢেকে গেছে। এই রাস্তাটি টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধের অংশ হওয়ায়, হুমকির মুখে পড়েছে ওই বাঁধ।
স্থানীয়বাসিন্দা জহের আলী, আলেয়া বেগম, শহিদুল্যা সহ বেশ কয়েকজন বলেন, নদী থেকে দিন-রাত বালু উত্তোলনের ফলে তাদের বসতভিটা নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়েছে। এ ছাড়া বালু বোঝাই ট্রাক চলাচলের ফলে এলাকাটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
এলেঙ্গা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুকুমার ঘোষ প্রথমে বালু উত্তোলনের বৈধতার কথা বুঝানোর চেষ্টা করলেও পরে আইনগত দিক সর্ম্পকে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি যতদুর জানি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার মো. নজরুল ইসলামের প্রয়োজনে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধে বালু ফেলার জন্য ওই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, স্থানীয় কিছু বাসিন্দা বাঁধে সরবরাহ করার জন্য ওই বালু নদী থেকে তুলছে। বালু উত্তোলনের কোন বৈধ কাগজ পত্র আছে কিনা তা তিনি জানেন না।
এ বিষয়ে,কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোবাশ্বের আলী জানান, কালিহাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত চলমান রয়েছে। পুংলি নদীর ওই অংশ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা ও রাঙামাটির পর আরও ১০ জেলাকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ (রেড জোন) জেলা হিসেবে ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বুধবার (১৯ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা ড্যাশবোর্ড বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা যায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের হার ২৮ দশমিক ১১ এবং রাঙামাটিতে করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ। মধ্যম ঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলোর সংক্রমণ ৫-১০ শতাংশের মধ্যে। আর কম ঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলোর করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলো হলো- ঢাকা, গাজীপুর, রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, বগুড়া, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, লালমনিরহাট, খাগড়াছড়ি, পঞ্চগড় ও রাঙ্গামাটি।
এছাড়াও ৩২ জেলা হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব জেলার শনাক্তের হার ৫-১০ শতাংশের মধ্যে।
জেলাগুলো হচ্ছে- সিলেট, ফেনী, নোয়াখালী, কক্সবাজার, মৌলভীবাজার, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, জামালপুর, নওগাঁ, ঝিনাইদাহ, নাটোর, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বাগেরহাট, মাগুরা, নড়াইল, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, রংপুর, শেরপুর, ঝালকাঠি এবং ঠাকুরগাঁও।
গ্রিন বা সবুজ জোনে রয়েছে ১৬টি জেলা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউনিয়নের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন খান তোফাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সর্বহারা বাংলা ভাই কর্তৃক পরিচালিত আক্রমন করার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (২০ ডিসেম্বর)সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে হুগড়া ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন হুগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন খান।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল সদর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিরুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী, হুগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম হোসেন গোলাপ, সাধারণ সম্পাদক জাফর আহম্মেদ প্রমুখ।
মানববন্ধনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফা বলেন, নৌকার প্রতীক দিয়ে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগকালে অপর চেয়ারম্যান প্রতিদ্বন্দ্বি তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমন করে এবং আমার সাথে থাকা কর্মীদের উপর হামলা করে। তাদের হামলায় তিনজন কর্মী আহত হয়। তিনি এবিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করছেন। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় দিন যাপন করছেন।
এরপর তিনি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। এসময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ হুগড়া ইউনিয়নের সমর্থীতরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। আজ শুক্রবার(২৬ নভেম্বর) ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন মিয়ানমারের চিন রাজ্যের রাজধানী হাখা শহরের ২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠের ৪২ কিলোমিটার গভীরে এ কম্পনের সৃষ্টি হয়।দেশের কোথাও ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।
সূত্রঃ প্রথম আলো নিউজ
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল থেকে ২০ শতাংশ বেশি ভাড়া দিয়ে ঢাকায় যাচ্ছে মানুষ। জ্বালানী তেলের দাম বাড়ানোর আগে নিরালা সুপার বাসে ১৬০ টাকা দিয়ে মহাখালী যাওয়া গেলেও এখন ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ২০০ টাকা। এতে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।এছাড়া এ রুটে চলাচলকারী বিলাস বহুল সকাল সন্ধ্যা ও সোনিয়া গাড়িতেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে বাসস্টান্ড এলাকায় সরেজমিন ঘুরে এসব তথ্য জানা যায়।
বাস চালকরা জানান, ডিজেলের দাম হঠাৎ করে লিটার প্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তারপর থেকে পরিবহন ধর্মঘটে নামে বাস ও ট্রাক চালকরা। বাস ভাড়া সমন্বয় করার পর মঙ্গলবার সকাল থেকে টাঙ্গাইল থেকে মহাখালী পর্যন্ত ধলেশ্বরী বাসে ১৩০ টাকার পরিবর্তে ১৬০ টাকা, নিরালা সুপার ১৬০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও এসি বাসে টাঙ্গাইল থেকে কল্যাণপুর পর্যন্ত সোনিয়া ও সকাল সন্ধ্যা বসে ৩০০ টাকা পরিবর্তে ৩৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকামুখী তোরাব আলী বলেন, এক সপ্তাহ আগে টাঙ্গাইল থেকে মহাখালীর ভাড়া ছিলো ১৬০ টাকা। আজকে ২০০ টাকা দিয়ে টিকিট কাটলাম। যা কিছুর দামই বৃদ্ধি পায়, সব কিছু জনগনের উপর দিয়ে যায়। আমাদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
অপর যাত্রী রাজ্জাক আলী বলেন, সরকার ডিজেল চালিত বাসের ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। তবে কোন বাসটি ডিজেল ও কোন বাসটি গ্যাসে চলে সেটা আমরা শনাক্ত করতে পারছি না। যে কারণে গ্যাসের বাস গুলোও আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।
শওকত আলী বলেন, জ্বালানী তেলের দাম বাড়ায় বাস মালিক ও চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। কিন্তু যাত্রীদের কোন বেতন ভাড়া বাড়েনি এটা দুঃখ জনক।
নিরালা সুপারের টিকেট মাস্টার শরিফ মিয়া বলেন, মালিক সমিতির নির্দেশ অনুযায়ী অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। তবে খুব বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে না। মাত্র ৪০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
সোনিয়া কাউন্টারের টিকিট মাস্টার সুধীপন সাহা ও সকাল সন্ধ্যা কাউন্টারের টিকেট মাস্টার রিয়াদ মিয়া বলেন, টাঙ্গাইল থেকে কল্যাণপুরের ভাড়া ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৩৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে। ৫০ টাকা করে বেশি আদায় করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন, সরকার ৫২ সিটের বাস ভাড়া যে হারে বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সেই হারেই আদায় করা হচ্ছে। তবে গেট লক ৪০ সিটের বাসের ভাড়া কিছু বেশি নেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার যমুনায় জেলের জালে ধরা পড়ল ২৫ কেজি ওজনের একটি বাগাড়। মাছটি এক হাজার টাকা কেজিতে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাতে উপজেলার গাবসারার কালীপুরের মেঘনায় ইব্রাহীম মিয়ার জালে ওই মাছটি ধরা পড়ে।
রবিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে গোবিন্দাসী মাছ বাজারের আড়তদার ইসমাইল হোসেন বাগাড়টি ২৩ হাজার টাকা দরে ক্রয় করেন। পরে গোবিন্দাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল লতিফ তালুকদারের নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে মাছটি আড়তদারের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করে বণ্টন করে নেন।
আব্দুল লতিফ তালুকদার জানান, অনেক দিন পর যমুনায় এত বড় বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। তাই লোভ সামলাতে না পেরে কিনে সবাই ভাগ করে নিলাম।
একতার কণ্ঠঃ বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর দায়ে টাঙ্গাইলে এক বাসচালকের চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ( ২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম রাশেদুল ইসলাম। সে জামালপুর সদর উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে। একই অপরাধে তাঁকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৯ মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সরকারি কৌসুঁলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১ আগস্ট বিকেলে রাশেদুল তাঁর বাস চালিয়ে জামালপুরের তারাকান্দি থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এলাকায় একটি যাত্রীবাহি মাইক্রোবাসের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে একজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।
পরে বাসাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুস সাত্তার বাদী হয়ে রাশেদুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। তদন্ত শেষে আবদুস সাত্তার ২০০৯ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে চালকের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটানো এবং গুরুতর জখম ও গাড়ির ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়।
পিপি এস আকবর খান জানান, মৃত্যু ঘটানোর দায়ে আদালত বাসচালককে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এ ছাড়া গাড়ির ক্ষতিসাধনের অভিযোগে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। এই রায়ের সাজা পর্যায়ক্রমে কার্যকর করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, রায় ঘোষণার সময় বাসচালক রাশেদুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাঁকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে নাগরপুরের বিভিন্ন ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় প্রকল্প গ্রহনে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব কবির-বিন-আনোয়ার। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিনভর তিনি স্পিডবোর্ড যোগে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের জাতীয় সাংসদ আহসানুল ইসলাম টিটুকে সাথে নিয়ে যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।
দুপুরে তিনি উপজেলার খাষঘুনিপাড়া এলাকার ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলেন। এসময় ভাঙনরোধে পাউবোর চলমান প্রকল্পেরও খোজ খবর নেন। এদিকে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব পরিদর্শনে এসেছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে নদী পাড়ের হাজারো অসহায় পরিবার সেখানে উপস্থিত হয়। তারা ভাঙন কবলিত এলাকায় তীর সংরক্ষন বাঁধ নির্মানে ব্যবস্থা গ্রহনে জোর দাবি জানায় ।
পরে সাংবাদিকদের সিনিয়র সচিব কবির-বিন-আনোয়ার জানান, যমুনার পশ্চিম পাড় মোটামুটি বাঁধের আওতায় আসলেও পূর্ব পাড়ের বেশিরভাগ অঞ্চল এখনও অরক্ষিত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ১০০ বছরের ডেল্টা প্লান হাতে নিয়েছেন, তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে নদীর এ পাড়ও বাঁধের আওতায় আসবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ সার্কেলের তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহজাহান সিরাজ, টাঙ্গাইল পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমদাদুল হক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, সোলাইমান ভূইয়া, আবু ইউসুফ, নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত-ই-জাহান প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে বাসাইল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের গণভোজ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার নাইকানীবাড়ি ঈশ্বরগঞ্জ বাজারে এ গণভোজ ও আলোচনা সভা করা হয়েছে।
বাসাইল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম (সোহেল) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বাসাইল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মতিয়ার রহমান গাউস এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক মশিউর রহমান খান বিদ্যুৎ।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিঃ সহ সভাপতি একে আজাদ খানশুর, সহ- সভাপতি সাত্তার জমাদার, রতন মিয়া, কাউলজানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান চৌধুরি হবি, আওয়ামীলীগ নেতা ইয়াসিন খান,বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি জাজিদুর রহমান খান রোনু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শিবলু আহমেদ, সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক নুরুল ইসলাম সরকার প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের হামলাকারীরা এক ও অভিন্ন শক্তি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দিন জন ও উপসর্গ নিয়ে এক জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এদিন জেলায় নতুন ৩৮৫টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১১ দশমিক ১৬ শতাংশ। শনিবার(১৪ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ হাজার ৫১৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ২১৮ জন। এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ২৩৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৯ জন, নাগরপুরে এক জন, দেলদুয়ারে এক জন, মির্জাপুরে ১৮ জন এবং মধুপুর উপজেলায় ১৪ জন রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নে ডাকাত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় রোববার(১ আগস্ট) দিনগত রাত নির্ঘুম কাটায় এলাকাবাসী।
স্থানীয় বাড়ীগ্রামে ডাকাত পড়েছে বলে এক ইউপি সদস্য প্রথমে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে এলাকাবাসীকে সতর্ক করেন। এ খবরটি মুহুর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সেল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার মসজিদে মসজিদে সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়। এতে জনমনে ডাকাত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ডাকাত আতঙ্কে জান-মাল রক্ষায় এলাকাবাসী রাত জেগে পাহারা দেয়। রাতে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় জনগণের সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। খবর পেয়ে নাগরপুর থানা পুলিশ বাড়ীগ্রাম সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল জোরদার করে।
মামুদনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন জানান, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ থেকে ৫-৬ জন অপরিচিত লোক বাড়ীগ্রামের ত্রি-রাস্তার মোড়ে আসেন। সেখানে তারা চা পানের ফাঁকে ফোনে কথা বলতে থাকেন। তাদের ফোনালাপ ও গতিবিধি স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহের সৃষ্টি করে। পরে তাদেরকে সেখানে আর দেখতে না পেয়ে তিনি মসজিদে মাইকিংয়ের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে সতর্ক করেন।
মামুদনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন জানান, তার ইউনিয়নের বাড়ীগ্রামে ডাকাত পড়েছে এ খবরটি ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রথমে মসজিদের মাইকে ঘোষণা করেন। পর্যায়ক্রমে কলমাইদ, শুনসী, বেলতৈল, মেঘনা, চারাবাগ, পংবাইজোড়া ও বেটুয়াজানী গ্রামের মানুষকে সতর্ক করার জন্য মসজিদে মসজিদে মাইকিং করা হয়। এরপর নাগরপুর সদর সহ পুরো উপজেলা জুড়ে ডাকাতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমনটা প্রচারে মাইকিং করা হয়।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ডাকাতের খবরটি নিছক গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়। রোববার রাতে খবর পেয়ে ৪-৫টি টিম ভোর ৫টা পর্যন্ত টহলে ছিল। কোথাও কোন ডাতাতির ঘটনা ঘটেনি। এক শ্রেণির মানুষ গুজবটি মাইকিং করে জনগণের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
একতার কন্ঠঃ প্রমত্ত্বা যমুনা বর্ষার শুরুতেই টাঙ্গাইলের চার উপজেলায় হানা দিয়ে শতাধিক বাড়িঘর, রাস্তা, হাট, তাঁত ফ্যাক্টরি, স’মিল ও ফসলি জমি গিলে ফেলেছে।ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরিভাবে ফেলা জিওব্যাগও যমুনার করাল থাবা থামাতে ব্যর্থ হচ্ছে। যমুনার প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিতে এক রাতেই শতাধিক স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে।
জানাগেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, কালিহাতী, নাগরপুর ও ভূঞাপুর উপজেলায় বর্ষার শুরুতেই যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছে। যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত এক সপ্তাহ ধরে ভাঙন শুরু হলেও গত বুধবার(৭ জুলাই) থেকে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার(৮ জুলাই) এক রাতে শুধুমাত্র সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের শতাধিক বাড়িঘর, তাঁত ফ্যাক্টরি, স’মিল ও হাট যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।এ সময় তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের সাথে বঙ্গবন্ধুসেতুর যোগাযোগের সংযোগের অসমাপ্ত শেখ হাসিনা সড়কের একাংশ যমুনার পেটে চলে গেছে।মাহমুদ নগর ইউনিয়নের মাকরকোল, কেশবমাইঝাইল, তিতুলিয়া, নয়াপাড়া, কুকুরিয়া, বারবাড়িয়া; কাতুলী ইউনিয়নের দেওরগাছা, রশিদপুর, ইছাপাশা, খোশালিয়া, চানপাশা ও নন্দপাশা; হুগড়া ইউনিয়নের মসপুর, বারবেলা, চকগোপাল ও কচুয়া।
কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের আলীপুর, ভৈরববাড়ী। নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের পাইকশা মাইঝাইল, খাস ঘুণি পাড়া, খাস তেবাড়িয়া,চর সলিমাবাদ, ভূতের মোড়; ভারড়া ইউনিয়নের শাহজানি, ভারড়া, পাঁচতারা, আগদিঘলীয়া। ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভালকুটিয়া এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বেশি।
সরেজমিনে সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের উত্তর চরপৌলী, দশখাদা, হাটখোলা, পানিকোড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চরপৌলী হাটখোলা সম্পূর্ণ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড হাটখোলাটি রক্ষার জন্য জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে ৩০০মিটার এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে।জিওব্যাগগুলোও যমুনার তীব্র ঘূর্ণাবর্ত স্রোতে তলিয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বার বার জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলার সীমান্ত এলাকা উত্তর চরপৌলী ও আলীপুর গ্রামের অংশে অসমাপ্ত শেখ হাসিনা সড়ক(নর্দান প্রজেক্ট) রক্ষার জন্য ১০০মিটার এলাকায় ফেলা জিওব্যাগ তলিয়ে গিয়ে ভাঙনে সড়কটির ৫০০-৬০০মিটার নদীগর্ভে চলে গেছে।
কাকুয়া ইউনিয়নের উত্তর চরপৌলীর নুরুল ইসলামের দেড় একর জায়গায় স্থাপিত তাঁত ফ্যাক্টরি, ঠান্ডু মিস্ত্রির স’মিল, একই এলাকার আ. জলিল, আ. বাতেন, আব্দুস সামাদ, মো. ইসমাইল, মোতালেব হোসেন, আব্দুল খালেক প্রামাণিক, আব্দুল আলিম, আব্দুর রহিম,বাবুল মোল্লা, নুর আলম মোল্লা, আব্দুল্লাহ, আবু বকর, আব্দুল মান্নান, লালচান মিয়া, মেকাম্মেল হক, শামসুল আলম, শাহ আলম, নজরুল ইসলাম; দশখাদা ও হাটখোলা এলাকার নুরুন্নাহার বেগম, মিনা আক্তার, সোনা খা, শিবলু তালুকদার, আলেয়া বেগম;পানকোড়া ও কবরস্থানপাড়ার মন্টু শেখ, মো. রোশনাই মিয়া, আব্দুস ছবুর, আনছের মন্ডল, গোলাপ খা, আব্দুল গফুর মন্ডল ও আজিজ মন্ডল সহ শতাধিক বাড়িঘর ও ফসলি জমি ভাঙনের শিকার হয়ে যমুনা গর্ভে চলে গেছে।
উত্তর চরপৌলী গ্রামের নুরুল ইসলাম জানান, দেড় একর জায়গায় তার তাঁত ফ্যাক্টরি ছিল। ফ্যাক্টরিতে ৫০টি পাওয়ারলোম চালু অবস্থায় ছিল।বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) রাতে যমুনার ভাঙনের কবলে পড়ে। তিনি শ্রমিকদের নিয়ে ফ্যাক্টরির তাঁতগুলো কোন রকমে সরিয়ে নিতে পারলেও ঘরটি নদীর পেটে চলে গেছে।
হাটখোলা এলাকার গৃহবধূ মিনা আক্তার জানান, তাদের ৬০ শতাংশের বসতবাড়ি ছিল। সাম্প্রতিক ভাঙনের শিকার হয়ে এখন ১২-১৩ শতাংশ ভূমির উপর মাত্র একটি ঘর টিকে আছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে সেটাও নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।তারা বর্তমানে চরপৌলী খামার পাড়া এলাকায় সরকারি খাস জমিতে বসবাসের জন্য ঘর নির্মাণ করছেন।
কবরস্থান পাড়ার আব্দুল গফুর মন্ডল ও আজিজ মন্ডল জানান, বুধবার(৭ জুলাই) বিকালে হঠাৎ যমুনা বিক্ষুব্ধ হয়ে প্রলয়ঙ্করী তান্ডব চালিয়ে মাত্র ৩০মিনিটের মধ্যে ৬০ শতাংশের বাড়িঘর নদীর পেটে চলে গেছে।তারা পাশের হাটে বাজার সদাই করাবস্থায় চিৎকার-চেচাঁমেচি শুনে দৌঁড়ে এসে দেখেন তাদের বাড়িঘর নেই। মুহুর্তের মধ্যে যমুনা গ্রাস করে নিয়েছে।
কাকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, ভাঙনের শিকার হয়ে তার ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত ৩-৪দিনের ভাঙনে ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় গ্রাম চরপৌলীর বহু স্থাপনা ও বাড়িঘর যমুনার যমুনা গিলে খেয়েছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ফেললেও তা কোন কাজে আসছে না। তারা সদর উপজেলার মাহমুদ নগর ইউনিয়নের গোলচত্তর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইলের চরাঞ্চলের বিশাল এলাকা প্রতিবছরই যমুনার ভাঙনের শিকার হয়। এ ভাঙনরোধে তিন বছর আগে একটি স্থায়ী বাঁধের প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।দীর্ঘ তিন বছরেও প্রকল্পটি অনুমোদন না হওয়ায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছেনা। জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।