/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে ছাত্রদলের মতবিনিময় সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে ছাত্রদলের মতবিনিময় সভা

সাহান হাসানঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে ছাত্রদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের আনুহলা উচ্চ বিদ্যালয়ে সদর উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব সোহেল রানার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছেন, মানুষের পাশে থেকেছেন। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের জনগণ তার কর্ম, সততা ও ত্যাগে মুগ্ধ।

বক্তারা আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ধানের শীষের প্রকৃত সৈনিক হিসেবে টুকু ভাই জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন। ছাত্রদলের প্রতিটি কর্মী তার পাশে আছে, থাকবে — ইনশাআল্লাহ। টাঙ্গাইল সদরে এবারের নির্বাচনে মানুষের ভোটে বিজয়ের ধ্বনি উঠবে ধানের শীষের পক্ষে, টুকু ভাইয়ের নেতৃত্বে হবে গণতন্ত্রের পুনরুত্থান!

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক শাকিলুর রহমান শাওন , মীর নাইম, সদস্য সোহানুর রহমান সোহান, সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ-আহ্বায়ক নয়ন ইসলাম, মো. রাজু, ইয়ালিদ নাঈম প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অক্টোবর ২০২৫ ০৭:০৮:পিএম ৭ মাস আগে
বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং: স্বপ্ন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথচলা - Ekotar Kantho

বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং: স্বপ্ন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথচলা

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং শেখার আগ্রহ গত এক দশকে অনেক বেড়েছে। তরুণ প্রজন্ম বুঝতে শুরু করেছে যে ভবিষ্যতের দুনিয়ায় টিকে থাকার অন্যতম শর্ত হচ্ছে প্রযুক্তি দক্ষতা। মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা সাইবার সিকিউরিটি প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রোগ্রামিং অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে, আগ্রহ বাড়লেও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এখনো কাটেনি। শহরের কিছু শিক্ষার্থী সুযোগ পেলেও গ্রামের অধিকাংশ তরুণ এই প্রতিযোগিতা থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।

বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায়, উন্নত দেশগুলো প্রাথমিক স্তর থেকেই শিশুদের কোডিং শেখাচ্ছে। এস্তোনিয়া প্রথম শ্রেণি থেকেই প্রোগ্রামিং শিক্ষা চালু করেছে। চীন শিক্ষার্থীদের জন্য রোবোটিক্স ও এআই ভিত্তিক কারিকুলাম তৈরি করেছে। ভারত সরকার কোটি কোটি শিক্ষার্থীকে কোডিং শেখানোর জাতীয় পরিকল্পনা নিয়েছে। অথচ বাংলাদেশে স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তকে এখনো প্রোগ্রামিংকে একটি মৌলিক দক্ষতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে তরুণরা আগ্রহী হলেও সঠিক পথ খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে।

শহর ও গ্রামের মধ্যে সুযোগের বৈষম্যও এখানে বড় বাধা। ঢাকাসহ বড় শহরে কিছু আইটি ট্রেনিং সেন্টার, বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ল্যাব কিংবা কো-ওয়ার্কিং স্পেস আছে। কিন্তু গ্রামের শিক্ষার্থীরা পুরনো কম্পিউটার, ধীরগতির ইন্টারনেট এবং সীমিত শিক্ষকের উপর নির্ভর করছে। অনেকে ইউটিউব বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে শিখতে চেষ্টা করে, কিন্তু ইংরেজি দুর্বলতা ও লজিক্যাল চিন্তার অভাবে বেশিরভাগই মাঝপথে থেমে যায়। এর ফলে শেখার আগ্রহ থাকলেও সেটি পূর্ণতা পায় না।

অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুতগতির ইন্টারনেট এখনও সবার কাছে পৌঁছেনি। অনেক শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত কম্পিউটার নেই, আর যারা আছে তাদের ডিভাইসগুলো বেশিরভাগ সময় পুরনো এবং ধীরগতির। ফলে সফটওয়্যার ইন্সটল করা, কোড রান করা বা অনলাইন ক্লাসে অংশ নেওয়ার মতো মৌলিক কাজগুলো করতে গিয়েই তারা সমস্যায় পড়ে। একদিকে শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকতার অভাব, অন্যদিকে প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের স্বল্পতা এই দ্বৈত সংকটে মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের বিশাল একটি অংশ।

বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং শেখার পেছনে প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। তরুণরা বিশ্বাস করে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত আয় করা সম্ভব, তাই তারা এই দিকেই ঝুঁকছে। নিঃসন্দেহে এতে আর্থিক উপার্জন হচ্ছে, অনেকেই বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। কিন্তু এর বাইরে গবেষণা, উদ্ভাবন কিংবা নতুন প্রযুক্তি তৈরি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে আছে। যখন ভারত, চীন কিংবা ভিয়েতনাম নিজেদের সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা করছে, তখন আমরা আউটসোর্সিংয়ের কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে আছি।

তবে সম্ভাবনা কম নয়। বাংলাদেশ যদি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়, তবে তরুণদের এই আগ্রহকে জাতীয় শক্তিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে প্রোগ্রামিংকে আধুনিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ইংরেজি দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাতৃভাষায় মানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজে বুঝতে পারে। গ্রাম পর্যন্ত দ্রুত ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে হবে এবং সাশ্রয়ী দামে কম্পিউটার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে গবেষণা, স্টার্টআপ কালচার এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগকে উৎসাহ দিতে হবে।

সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং শেখার আগ্রহ যেমন বাড়ছে, বাস্তবতার চ্যালেঞ্জও তেমনি বড়। যদি আমরা সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারি, তবে বাংলাদেশ শুধু ফ্রিল্যান্সিংয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে। এটাই হতে পারে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী বড় অর্জন।

লেখক – সামির তালুকদার
বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অক্টোবর ২০২৫ ১২:০৮:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে ছাত্রদলের মতবিনিময় সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে ছাত্রদলের মতবিনিময় সভা

সাহান হাসানঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে ছাত্রদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের পোড়াবাড়ী বাজারে সদর উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক নয়ন ইসলামের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব সোহেল রানার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক শাকিলুর রহমান শাওন।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছেন, মানুষের পাশে থেকেছেন। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের জনগণ তার কর্ম, সততা ও ত্যাগে মুগ্ধ।

বক্তার আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ধানের শীষের প্রকৃত সৈনিক হিসেবে টুকু ভাই জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন। ছাত্রদলের প্রতিটি কর্মী তার পাশে আছে, থাকবে — ইনশাআল্লাহ। টাঙ্গাইল সদরে এবারের নির্বাচনে মানুষের ভোটে বিজয়ের ধ্বনি উঠবে ধানের শীষের পক্ষে, টুকু ভাইয়ের নেতৃত্বে হবে গণতন্ত্রের পুনরুত্থান!

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক ইশতিয়াক আহমেদ ইমন, মীর নাইম, সদস্য সোহানুর রহমান সোহান, সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ-আহ্বায়ক আব্দুল আলীম, মো. রাজু, ইয়ালিদ নাঈম প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. অক্টোবর ২০২৫ ০৭:০২:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বলাৎকারের দায়ে  মাদ্রাসা শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বলাৎকারের দায়ে মাদ্রাসা শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে শিশু ছাত্রকে বলাৎকার করার দায়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে পাঁচ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার(১৫ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ কামরুজ্জামান এই রায় দেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম মোঃ হাফিজুল ইসলাম(৩৬)। তিনি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বেলটিয়া গ্রামের ময়দান আলীর ছেলে। সে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক ছিলেন।

মামলার রায়ে তাঁকে কারাদন্ড ছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশে দেওয়া হয়েছে।

এই মামলার রাষ্ট পক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি খন্দকার মোঃ রোকনুজ্জামান জানান, দন্ডিত মোঃ হাফিজুল ইসলাম ২০১৯ সালের ২৩ মে থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত তাঁর মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেনীর এক আবাসিক ছাত্রকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলাৎকার করেন। এক পর্যায়ে ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাসায় চলে যায়। পরে বাবা মায়ের কাছে বলাৎকারের কথা খুলে বলেন। পরে ওই ছাত্রের বাবা বাদি হয়ে ২০১৯ সালের ২০ আগস্ট টাঙ্গাইল সদর থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ওই বছর ৩০ সেপ্টেম্বর সদর থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ মনির আহমেদ হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার আট জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন শেষে বুধবার আদালত রায় দেন।

তিনি আরও জানান,রায় ঘোষনার সময় হাফিজুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, মামলা দায়েরের পরেই হাফিজুল ইসলামকে পুলিশ গ্রপ্তার করেছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। মামালা দায়েরের পরেই তাকে মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. অক্টোবর ২০২৫ ০১:৪৭:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩

আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১২ জন।

বুধবার(১৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে জেলার বাসাইল উপজেলার বাঐখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

হতাহতরা সবাই বাসযাত্রী। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জালাল উদ্দিন দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জামালপুরের তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ নামের যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। সেটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাঐখোলা এলাকায় পৌছালে ঢাকাগামী একটি ট্রাককে অতিক্রম করার চেষ্টা করে। এ সময় ঢাকাগামী রড ভর্তি অন্য একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে বাসের এক নারী যাত্রী নিহত হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ১৪ জনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও ২ জনকে মৃত ঘোষণা করে।

এ বিষয়ে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জালাল উদ্দিন বলেন, ‘নিহত ওই তিন বাসযাত্রীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২৫ ১১:৫৮:পিএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলকে ময়মনসিংহ বিভাগে প্রস্তাবনার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলকে ময়মনসিংহ বিভাগে প্রস্তাবনার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলকে ময়মনসিংহ বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবনার প্রতিবাদে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের পূর্ব গোলচত্বর এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।

এতে মহাসড়কের উভয় পাশে অন্তত ছয় কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে এই সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা মহাসড়কের যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর অংশে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ শুরু করে।

তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টাঙ্গাইলকে ময়মনসিংহ বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এ সিদ্ধান্ত তারা মেনে নেবেন না।

আন্দোলনকারীরা বলেন, টাঙ্গাইল নিয়ে টানাহেঁচড়া চলবে না। টাঙ্গাইল যদি ঢাকা বিভাগে না থাকে, তাহলে একে স্বাধীন বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন তারা।

অবরোধের কারণে ঢাকাগামী ও উত্তরবঙ্গগামী শত শত যানবাহন ঘণ্টাব্যাপী আটকে পড়ে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আলোচনা শেষে দেড় ঘণ্টা পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইল জেলাকে ময়মনসিংহ বিভাগে প্রস্তাবনার বিষয়টি আমরা লিখিত কোনো চিঠি বা এধরনের কোন তথ্য আমরা সরকারিভাবে পাইনি। আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবি গুলো লিখিতভাবে জমার আহ্বান করা হয়েছে। তাদের লিখিত দাবি গুলোর বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহকে দেশের অষ্টম বিভাগ হিসেবে ঘোষণার সময়ই টাঙ্গাইলকে ওই বিভাগে যুক্ত করার প্রস্তাব ছিল। সে সময়ও টাঙ্গাইলের মানুষ গণস্বাক্ষর, মানববন্ধন ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এর প্রতিবাদ করেন।

বর্তমানে প্রস্তাবের বিষয়টি আবার আলোচনায় আসায় জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং টাঙ্গাইলের প্রশাসনিক অবস্থান অপরিবর্তিত রাখার দাবি জানাচ্ছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২৫ ০১:৪৩:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বাস্তুহারা কল্যাণ সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস্তুহারা কল্যাণ সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে জেলা সদর বাস্তুহারা কল্যাণ সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় জেলা সদর বাস্তুহারা কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় জেলা সদর বাস্তুহারা কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা মমিনুল হক খান নিকছনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী, জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২৫ ০১:৫৪:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ফরহাদ ইকবালের সমর্থনে বাইসাইকেল শোভাযাত্রা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফরহাদ ইকবালের সমর্থনে বাইসাইকেল শোভাযাত্রা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ও জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবালের সমর্থনে এক ব্যতিক্রমী বাইসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল পৌর শহরের কাগমারী সরকারি এম এম আলী কলেজের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এতে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীমসহ জেলা ও শহর বিএনপি’র বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এ সময় ফরহাদ ইকবাল বলেন, টাঙ্গাইলের চরবাসীর পক্ষ থেকে এই বাইসাইকেল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। বিগত ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে আমি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছি। চরাঞ্চলের মানুষের ভালোবাসাই আমার প্রেরণা।

আশা করছি, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, আর সে নির্বাচনে বিএনপি জনগণের বিশ্বাস অর্জন করবে।

এই বাইসাইকেল শোভা যাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২৫ ০৭:৫৩:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সাত্তার শপিংমলে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাত্তার শপিংমলে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের অভিজাত শপিং মল ‘সাত্তার শপিংমলে’ ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে জেলা সদর রোডের টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত সাত্তার শপিংমলে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ ছাড়া বুধবার রাতে শহরের রাবনা বাইপাস এলাকায় অবস্থিত তাহের পেট্রোল পাম্পে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পাম্পের এলপিজি গ্যাস বাসা বাড়ির সিলিন্ডারে দেওয়ার অভিযোগে তাদের এই জরিমানা করা হয়।

অভিযান দুটি পরিচালনা করেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল ।

অভিযানে সাত্তার শপিংমলে ভেজাল কসমেটিকস, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও মূল্যতালিকা না রাখায় ১ লাখ টাকা ও তাহের পেট্রোল পাম্পকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, সাত্তার শপিংমলকে সতর্ক করা হয়েছে এবং ভেজাল পণ্য জব্দ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুনরায় এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে তাহের ফিলিং স্টেশনকে এ ধরনের নিয়ম বহির্ভূত কাজ না করতে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়।

সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল বলেন, আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষ যেন প্রতারিত না হয়, তাই শপিংমলের মালিকদের সচেতন থাকতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও জানান,জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরবর্তী সময়ে উপজেলার বাজারগুলোতেও একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে সেনাবাহিনী ও পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৫ ০৯:৪৬:পিএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ব্রিজের সংযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন, লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্রিজের সংযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন, লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলায় চারাবাড়ি এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর উপর নির্মিত ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধসে গিয়ে পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ব্রিজের পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার চরাঞ্চলের কাতুলী, হুগড়া, কাকুয়া, মাহমুদ নগর ও নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ সড়কে ধলেশ্বরী নদীর ওপর চারাবাড়িঘাটে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিগত ২০০৬ সালে ১৭০.৬৪২ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রিজটি নির্মাণ করে। নির্মাণের পর থেকেই কয়েকবার পূর্ব ও পশ্চিম তীরের অ্যাপ্রোচ সড়ক ধসে যায়। সর্বশেষ গত বছরের ১০ জুলাইও ব্রিজের পশ্চিম পাশে অ্যাপ্রোচ ভেঙে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, গুরুত্বপূর্ণ এ ব্রিজ দিয়ে চরাঞ্চলের পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। এছাড়া মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন অফিস আদালতে যাতায়াতেও ব্যাঘাত ঘটছে।

এদিকে চরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, তাঁত শিল্পের কাঁচামাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য আনা-নেওয়া করতে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক, অটোভ্যান, অটোরিকশা, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল করে থাকে এই ব্রিজের উপর দিয়ে।

সিএনজি চালিত অটো রিকশার চালক আব্দুল হাই ও খোরশেদ আলম বলেন, মঙ্গলবার ভোরে যাত্রী নিয়ে এসে দেখলাম ভেঙে গেছে। পরে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ভাঙনের দৃশ্য দেখতেছি। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা না নিলে আমরা গাড়ি চালাতে পারব না।

কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান বলেন, নদীর পানির চাপ বেড়ে পশ্চিম পাশের অ্যাপ্রোচসহ সংযোগ সড়ক ও কয়েকটি বাড়িতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ব্রিজ ভেঙে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে।

সদর উপজেলার এলজিইডি কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি, সদর উপজেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আজকের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধসে পড়ায় বৃহত্তর চরাঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষ সাময়িক ভোগান্তির শিকার হলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান করে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সবাইকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। যে কোন ভাবেই হোক অ্যাপ্রোচের মাটি দ্রুত ভরাট করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চরাঞ্চল বাসীর দুর্ভোগ সমাধান করে দেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অক্টোবর ২০২৫ ০৮:০৮:পিএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে দুই নির্মাণশ্রমিক নিহত, আহত ১০ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে দুই নির্মাণশ্রমিক নিহত, আহত ১০

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কুড়া বোঝাই ট্রাক ও ঢালাইয়ের মিক্সার মেশিন বহনকারী পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই নির্মাণশ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার বাংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, কালিহাতী উপজেলার কোনাবাড়ী এলাকার জহের আলী (৪৫) ও বানিয়াফৈর এলাকার মুক্তার আলী (৪২)।

প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিক কালাম মিয়া জানান, আমরা ঘুনি সালেংকা এলাকায় ঢালাইয়ের কাজ শেষ করে পিকআপ ভ্যানে করে এলেঙ্গার দিকে ফিরছিলাম। হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কুড়া বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপের ডানপাশে থাকা শ্রমিকরা ছিটকে সড়কে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন মৃত্যুবরণ করেন। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এএসআই আলমগীর হোসেন বলেন, নিহত দুই শ্রমিকের মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অক্টোবর ২০২৫ ০১:০৬:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে এলংজানি নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এলংজানি নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের এলংজানি নদী থেকে রবি দাস(৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের খারজানা গ্রামের নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সন্তোষ কাগমারী ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক। তিনি জানান, প্রাথমিক সুরতহালে রবিদাসের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

নিহত যুবকের নাম জীবন রবি দাস। সে জেলার ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের মৃত রংলাল রবি দাসের ছেলে। সে পেশায় মুচি ছিল বলে জানা গেছে।

পোড়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহাদাত হোসেন জানান, সোমবার রাতে পোড়াবাড়ী খেয়া ঘাটের সামনে দিয়ে মরদেহটি ভেসে যেতে দেখে স্থানীয়রা তাকে খবর দেয়। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পৌঁছাতে মরদেহটি ভেসে পাশের সিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা ব্রিজের কাছে চলে যায়। পরে মরদেহটি ইউনিয়নের খারজানা গ্রামের কাছে আনা হয়।

তিনি আরও জানান, পরে সন্তোষ কাগমারী ফাঁড়ির পুলিশকে খবর দিলে তাঁরা এসে মরদেহটি নদী থেকে উদ্ধার করে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, স্থানীয় ভাবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে তার নাম পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।

তিনি আরও জানান, থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অক্টোবর ২০২৫ ১১:০৬:পিএম ৭ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।