/ হোম / সদর
টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

সাহান হাসানঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও শহর শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এডভোকেট শামীম আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে উদ্দেশ্যে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তার প্রতিটি উদ্দেশ্যই স্বেচ্ছাসেবক দল সফলভাবে পূরণ করেছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিগত বৈশ্বিক মহামারী করোনা কালে দুঃস্থ-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।

তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে স্বেচ্ছাসেবক দল। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ২৬ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। আশাকরি অতীতের মতোই ভবিষ্যতেও স্বেচ্ছাসেবক দল তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তরিকুল ইসলাম খান ঝলক, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. আমানুল্লাহ আমান প্রমুখ।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২৫ ০২:৫৯:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ৪৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৪৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৩

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল থেকে ৪৯ কেজি গাঁজাসহ একটি তুলা বহনকারী ট্রাক ও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সোমবার (১৮ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, ট্রাক চালক আমিনুল, হেলপার বাবু ও মোজাহিদ।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার মেজর কাওসার বাঁধন র‌্যাব-১৪ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এ তথ্য জানিয়েছেন।

কমান্ডার মেজর কাওসার বাঁধন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন হবিগঞ্জ থেকে তুলা বোঝাই একটি ট্রাক মাদক দ্রব্য নিয়ে যমুনা সেতুর দিকে আসছে। পরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা এলাকায় ট্রাকটি জব্দ করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে ট্রাকের তুলার ভেতর লুকানো অবস্থায় ৪৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান,ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২৫ ০৪:৪২:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জিপির কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জিপির কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সদ্য নিয়োগ পাওয়া আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা (জিপি) বজলুর রহমান মিয়াকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে তার কার্যালয়ে তালা দিয়েছেন আইনজীবীরা।

বজলুর রহমান জিপি পদে নিয়োগ পাওয়ায় সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সেই ক্ষোভ থেকে মূলত তার কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকালে পিপির দুটো কক্ষে তারা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে আইন সচিবের মাধ্যমে আইন উপদেষ্টা বরাবর আইনজীবী বজলুর রহমানের নিয়োগ বাতিল করে অন্য কাউকে নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়।

অতিরিক্ত আইন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত জিপি) মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন, ‘‘মঙ্গলবার সকালে কক্ষে তালা দেয়ার বিষয়টি জানতে পারি। পরে প্রশাসনকে অবগত করেছি। তালাবদ্ধ থাকায় আমি আমার কক্ষে প্রবেশ করতে পারিনি।’’

গত ৫ মার্চ আদালতের আইন কর্মকর্তা আব্দুল বাকী মিয়ার মৃত্যুর পর অতিরিক্ত আইন কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১০ আগস্ট অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান মিয়াকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিবাদ স্বরূপ জিপির কক্ষে তালা দেয় বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা।

বিক্ষুব্ধ কয়েকজন আইনজীবী বলেন, ‘‘বজলুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগের দোসর। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক পোস্ট দিয়েছেন।

আইনজীবীরা আরও অভিযোগ করেন, বজলুর রহমান ইতোপূর্বে দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করেননি।’’ আদালতের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অন্য যে কোনো যোগ্য আইনজীবীকে নিয়োগ দেয়ার দাবি করেন তারা।

জেলা বার সমিতির সভাপতি জহুর আজহার খান বলেন, ‘‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বজলুর রহমানকে দুই দিন অফিস না করার জন্য মৌখিকভাবে বলা হয়েছিল। তিনি না মেনে উল্টো বার সমিতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। বজলুর রহমান বলেছেন, লোকজন নিয়ে জিপির কক্ষে প্রবেশ করবেন।’’

সদ্য নিয়োগ পাওয়া আইন কর্মকর্তা (জিপি) বজলুর রহমান মিয়া বলেন, ‘‘আমি কোনো দলের দোসর ছিলাম না। সদ্য জিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর আমি ফ্যাসিস্টদের দোসর হয়েছি।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘আমার নামে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি জিপি নিয়োগ পাওয়ায় একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২৫ ০৫:৫৪:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সংবাদ সম্মেলন করে ষড়যন্ত্রকারীর বিচার দাবি করলেন বিএনপি সভাপতি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সংবাদ সম্মেলন করে ষড়যন্ত্রকারীর বিচার দাবি করলেন বিএনপি সভাপতি

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সংবাদ সম্মেলন করে ষড়যন্ত্রকারীর বিচার দাবি করলেন সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ কালে তিনি এ দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্য আজগর আলী বলেন, আমি বাংলাদেশ জাতীয় কাবাডি দলের সাবেক অধিনায়ক এবং আন্তজার্তিক কাবাডি রেফারি, সৌখিন মৎস্য শিকারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক, আনাহলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি, গয়রা গাছা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি, দুলবাড়ী রাশেদ হাসান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি, টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। আমি রাজনৈতিক ভাবেও মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি।

এছাড়াও আমি অত্যান্ত সুনামের সহিত হুগড়া ইউনিয়নের দীর্ঘদিন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। আমি দীর্ঘদিন যাবত টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। বিগত হাসিনা বিরোদী আন্দোলনে সম্মুখ ভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। যাহার ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ তিন মাসেরও অধিক সময় কারাবরণ করেছি।

তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার রাতে আমি টাঙ্গাইলের শতাব্দী ক্লাবের সদস্য হওয়ার সুবাদে ক্লাবের পিয়ন বকেয়া চাঁদার জন্য আমাকে ফোন করলে আমি ক্লাবের বকেয়া চাঁদা পরিশোধের জন্য সেখানে উপস্থিত হইলে যৌথবাহিনীর কিছু সদস্য শতাব্দী ক্লাবের ভিতর ডুকে পড়ে আমাকে কোন কারণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করেন। যা আমার ব্যাক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। যাহার কারণে আমার অর্জিত সুনাম প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। আমি ঘটনায় ষড়যন্ত্রের শিকার। আমি এই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে বিচার প্রার্থণা করছি।

এসময় জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোমিনুল হক খান নিক্সন, সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম, সদর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাদল, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ওমর ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক সোলায়মান হায়দার টুটুল, ঘারিন্দা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি সৈয়দ শাহীন, পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আমিনুল সরকার, বাঘিল ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি গোলাম সরোয়ার, সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হক, দাইন্যা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, কাতুলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আবুল হোসেন, মাহমুদনগর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান, হুগড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কামরুল মোল্লাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এ দিকে যৌথবাহিনীর অভিযানের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে শহরের শতাব্দী ক্লাব, নর্থ সাউথ ক্লাব, ভিক্টোরিয়া ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নর্থ সাউথ ক্লাবের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। তিনি বলেন, শহরের আরও বিভিন্ন ক্লাব রয়েছে। সেখানে অভিযান না করে এই তিনটি ক্লাবে যৌথ বাহিনী যে অভিযান চালিয়েছে, ষড়যন্ত্রমূলক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শতাব্দী ক্লাবের সভাপতি অমল ব্যানার্জী, সাধারণ সম্পাদক আকিবুর রহমান ইকবাল, ভিক্টোরিয়া ফ্রেন্ডস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সায়েম রেজা বাবু, কার্যকরি সদস্য ও জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদসহ অন্যান্য সদস্যরা।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) রাতে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত শতাব্দী ক্লাবে জুয়া খেলার সময় আজগর আলীসহ ৩৪ জনকে আটক করে যৌথবাহিনী। এসময় তাদের কাছ থেকে নগদ এক লাখ ৪৯ হাজার ৪১০ টাকা, জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জমান ও দুইটি খালি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাদল কুমার চন্দ তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২৫ ০২:১৭:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে জুয়ার আসরে যৌথবাহিনীর অভিযান: বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জুয়ার আসরে যৌথবাহিনীর অভিযান: বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩৪

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। অভিযানে নগদ ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা, জুয়া খেলার সরঞ্জাম, দু’টি খালি মদের বোতলসহ ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলীও রয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাতে টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত ফুলের মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় শতাব্দী ক্লাবসহ বেশ কয়েকটি ক্লাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী (৫০), কালিবাড়ি এলাকার বিধুণ ভুষনের ছেলে রক্ষিত বিশ্বজিৎ (৫৫), সবুর খান বীর বিক্রমের ছেলে মো. শাহ আলম খান মিঠু (৫৫), দিঘুলিয়ার জসিম উদ্দিন (৫৭), বাঘিলের গোলাম মাওলা (৪৮), থানাপাড়ার শাহিন আহমেদ (৫০), আবু জাফর খান (৪৪), বিশ্বাস বেতকার মো. আব্দুর রশিদ (৫৫), আকুর টাকুর পাড়ার মঈন খান (৬০), করটিয়ার ইসমাইলের ছেলে মোস্তফা কামাল (৫৮), সাবালিয়ার বিশ্বনাথ ঘোষ (৫৪), একে এম মাসুদ (৫৫), বেতকার শিপন (৫৮), আকুর টাকুর পাড়ার দেওয়ান শফিকুল ইসলাম (৬০), বেপারী পাড়ার এস এম ফরিদ আমিন (৫৫), কবির হোসেন (৫০), আদালত পাড়ার মোশারফ উদ্দিন (৫০), ঘারিন্দা এলাকার হাবিল উদ্দিন (৪০), বেতকার মহব্বত আলী (৫৫), আকুর টাকুর পাড়ার জাহিদ (৪৪), থানা পাড়ার প্রিন্স খান (৬৫), সৈয়দ শামসুদ্দোহা (৪৫), আদালত পাড়ার রফিকুল (৫৫), বিশ্বজিৎ (৪৫), পাড় দিঘুলিয়ার সাদেকুর, কাজিপুরের সেলিম (৪৫), আদালত পাড়ার হাসান আলী (৫০), বিশ্বাস বেতকার রফিক, আদালত পাড়ার শাহ আলম (৫৫), সিরাজুল (৪৫), বিশ্বাস বেতকার আশিকুর রহমান (৪৬), আদি টাঙ্গাইলের শফিক (৫২), বিশ্বাস বেতকার আখতারুজ্জামান (৪৩), আশেকপুর এলাকার আরমান (৪৩) ও শহরের ছয়আনি পুকুরপাড় এলাকার শামসুল হক (৫৬)।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত ফুলের মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় শতাব্দী ক্লাবসহ বেশ কয়েকটি ক্লাবে যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় নগদ ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা, জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও ২’দুটি খালি মদের বোতলসহ ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান, বুধবার (১৩ আগস্ট) সকালে আটককৃতদের টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৫ ০৭:০৬:পিএম ৮ মাস আগে
মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা: খালাসপ্রাপ্ত ১০ আসামিকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ - Ekotar Kantho

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা: খালাসপ্রাপ্ত ১০ আসামিকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাসহ খালাসপ্রাপ্ত ১০ আসামিকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

খালাসপ্রাপ্ত ১০ আসামির মধ্যে আমানুরের তিন ভাই, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান (মুক্তি), ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান (কাঁকন) ও ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান (বাপ্পা) রয়েছেন।

হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত ২৩ জুলাই এ আদেশ দেন। আদালত ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার নথিও তলবের আদেশ দিয়েছেন।

হাইকোর্টের এ আদেশ রবিবার (১০ আগস্ট) ডাকযোগে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এবং চিফ জুডিশিয়াল আদালতে পৌঁছায়। তবে মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিষয়টি জানা যায়। উভয় আদালতের সংশ্লিষ্ট বিভাগ হাইকোর্টের আদেশের কপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল হাসান গত ২ ফেব্রুয়ারি বহুল আলোচিত ফারুক হত্যা মামলার রায় দেন। আদালত মোহাম্মদ আলী ও কবির হোসেন নামের দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। মোহাম্মদ আলী ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফারুক হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁর জবানবন্দিতে এই হত্যার সঙ্গে আমানুর রহমান ও তাঁর ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তিনি পলাতক। অপর দণ্ডিত কবির হোসেন ২০১৪ সাল থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন।

বেকসুর খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে আমানুররা চার ভাই ছাড়া অন্যরা হলেন সানোয়ার হোসেন, নাসির উদ্দিন, বাবু, ফরিদ হোসেন, মাসুদুর রহমান, আলমগীর হোসেন। মামলা চলাকালে দুই আসামি আনিসুল ইসলাম রাজা ও মো. সমীর কারাগারে মারা যান।

নিহত ফারুক আহমেদের ছেলে আহমেদ সুমন মজিদ মঙ্গলবার বিকেলে মুঠোফোনে জানান, এ আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিলের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তাই আমি নিজে উচ্চ আদালতে আপিলের উদ্যোগ নিই। আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটরি অনুবিভাগ আমাকে গত ২৬ জুন নিজ দায়িত্বে ও নিজ খরচে ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়েরের অনুমতি দেয়। অনুমোদন পাওয়ার পর হাইকোর্টে আপিল দায়ের করি।

আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৩ জুলাই বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আহমেদ সুমন মজিদের আপিল আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ জুলফিকার আলম শিমুল এবং বাদীপক্ষে ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ শুনানিতে অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মাহফীজুর রহমান ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আমানুরদের চার ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৫ ০৩:০০:এএম ৮ মাস আগে
বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক সারোয়ার হোসেনকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

শনিবার (৯ আগষ্ট ) রাতে সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বানিয়াবাড়ি গ্রামের ‘মাদ্রাসা ক্বাসিমুল উলূম’ প্রতিষ্ঠানের অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক সারোয়ার হোসেন সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বানিয়াবাড়ি গ্রামের ‘মাদ্রাসা ক্বাসিমুল উলূম’ নামক প্রতিষ্ঠানের হেফজ বিভাগের এক ছাত্রকে (১৩) জোরপূর্বক বলাৎকার করেছেন। বৃহস্পতিবার( ৭ আগষ্ট) রাত আনুমানিক ১০ টায় এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শুক্রবার (৮ আগষ্ট) সকালে পরিবারকে বিষয়টি জানালে শনিবার রাতে তারা অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক সানোয়ার হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে ড্রাগন ফল খাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে মাদ্রাসার ভিতর ডেকে নেয় ও তার সাথে রাত্রিযাপন করতে বলে। রুমের বাতি বন্ধ করে তার হাত পা টিপে দিতে বলে। এক পর্যায়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে বলৎকার করে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক সানোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষক অপরাধ স্বীকার করেছেন। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। এ বিষয়ে শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত আইনে মামলা রজ্জু করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৫ ১১:২৮:পিএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

আরমান কবীরঃ খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকসহ সমাজের অশুভ কাজ থেকে বেড়িয়ে আসা সম্ভব বলে মনে করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শনিবার (৯ আগস্ট) সকালে নাটোর শহরের কানাইখালী মিনি স্টেডিয়ামসহ দেশের ১৪টি মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

নবনির্মিত স্টেডিয়ামগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ক্রীড়া উপদেস্টা বলেন, মাঠগুলোতে ক্রীড়াবিদরা যেনো নিয়মিত খেলাধুলা করতে পারেন। উপজেলা পর্যায়ে মাঠগুলো ব্যবহার হলে জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক মানের খেলোয়ার পাওয়া সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ে যেসব মাঠ নির্মাণাধীন রয়েছে, সেগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ হবে। পাশাপাশি দেশের যেসব উপজেলায় স্টেডিয়াম নেই, সেই উপজেলা গুলোতে স্টেডিয়াম তৈরী করা হবে।

জুমের মাধ্যমে টাঙ্গাইল সদর প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল্যাহ আল মামুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা আক্তার , সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মকবুল হোসেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ, দাইন্যা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ, এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৫ ০১:২২:এএম ৮ মাস আগে
গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের মানববন্ধন - Ekotar Kantho

গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

আরমান কবীরঃ গাজীপুরে ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) বিকেলে বিরুপ আবহাওয়া উপেক্ষা করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এতে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, সাংবাদিক কাজী তাজউদ্দিন রিপন, মামুনুর রহমান মামুন, শামিম আল মামুন মিয়া প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক তুহিনকে যেভাবে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা একটি স্বাধীন দেশে কল্পনাও করা যায় না। দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় সারা দেশে সাংবাদিক সমাজ আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় মানববন্ধন থেকে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৫ ০২:১২:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যৌথবাহিনীর অভিযানে দালাল চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যৌথবাহিনীর অভিযানে দালাল চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যৌথবাহিনীর অভিযানে দালাল চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় তাদের ১৬ হাজার ৫’শত টাকা অর্থদণ্ড ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চৌধুরী মালঞ্চ গ্রামের মো. আজিজুল হকের ছেলে মো. মাসুদ রানা (২৭), টাঙ্গাইল পৌরসভার ভালুককান্দি এলাকার সোনাউল্লার ছেলে মো. খোকোন হোসেন (২৫), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের গালা গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২২), কালিহাতী উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের সল্লা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মো. জাহিদ হোসেন (২৩), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সারটিয়া গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার ছেলে মো. আনিস মিয়া (২২)।

সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ জানান, দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে দালাল চক্রের সদস্যরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছিল। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরো জানান, এসময় দালাল চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করে ১৬ হাজার ৫’শত টাকা অর্থদণ্ড ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড অন্য প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪-ইবি ব্যাটেলিয়নের ওয়ারেন্ট অফিসার মো. ফারুকের নেতৃত্বে একটি টহল দলসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অগাস্ট ২০২৫ ০৩:৫৭:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে মাদ্রাসার দুই শিক্ষক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে মাদ্রাসার দুই শিক্ষক গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের এনায়েতপুরস্থ হযরত ফাতেমা (রা.) মাদ্রাসার হিফজ শাখার এক শিশু শিক্ষার্থীকে (১০) যৌন নিগ্রহের অভিযোগে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ (২৫) ও তার বড় ভাই ওই মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের এনায়েতপুর (বৈল্যা) থেকে ওই মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহকে ও বুধবার (৬ আগস্ট) বিকেলে অভিযুক্ত শিক্ষক ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, শহরের এনায়েতপুর (বৈল্যা) পালপাড়ার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদুল্লাহ ধুলেরচর মাদ্রাসার পাশে হযরত ফাতেমা (রা.) মহিলা মাদ্রাসা নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে পরিচালক হিসেবে চালাচ্ছিল। পরে তার ছোট ভাই ওবায়দুল্লাহকে ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিনি নানা অজুহাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়া, অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া ইত্যাদি অপকর্ম করে আসছিলেন।

গত ২৭ জুলাই আবাসিকে থেকে মাদ্রাসার হিফজ শ্রেণির এক ছাত্রীকে নির্জন কক্ষে ডেকে নিয়ে ‘জিনের’ ভয় দেখিয়ে চোখ বেঁধে পড়নের কাপড় খুলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ সহ যৌন নিগ্রহের চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে ওই শিশু শিক্ষার্থী পালিয়ে কক্ষ থেকে দৌঁড়ে বেড়িয়ে গিয়ে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করে। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে তার মাকে ঘটনা খুলে বলে। তার মা স্থানীয় মাতব্বরদের সঙ্গে পরামর্শ করে মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লার কাছে বিচার চান। পরিচালক মাদ্রাসার ওই শিক্ষক তার ভাই হওয়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ায় স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) মাদ্রাসার পরিচালকের কাছে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানতে চায়।

এ সময় পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহ তার ভাই ওবায়দুল্লাহকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়ে বলেন, শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ পালিয়ে গেছে, সে যদি অপরাধী হয়ে থাকে আইন তাকে শাস্তি দিবে- আপনারা থানায় যান।

এ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মোহাম্মদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই শিশুশিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-৮, তাং-৬/৮/২০২৫ইং) দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর বুধবার বিকালে পুলিশ মাদ্রাসার শিক্ষক ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।

এলাকাবাসী জানায়, হযরত ফাতেমা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ মাদ্রাসার ওয়াশরুমে ক্যামেরা লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ‘জিনের’ ভয় দেখিয়ে অনৈতিক অপকর্ম করে। ইতোপূর্বে ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থীকে তিনি শিকার বানিয়েছেন। মাদ্রাসার পরিচালকের কাছে অভিযোগ করা হলে মোহাম্মদুল্লাহ সব ক্ষেত্রেই ঘটনা ধামাচাপা দেন। হিফজ শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঘটনাটিও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। শিক্ষার্থীর বুদ্ধিমত্তা ও অভিভাকদের সচেতনতায় এবার তিনি সফল হতে পারেনি। এলাকাবাসী শিক্ষা প্রতিষ্ঠনটির পরিচালক ও তার লম্পট ভাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

যৌন নিগ্রহের শিকার শিশু শিক্ষার্থীর মা ও মামলার বাদী জানান, লম্পট শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ ইতোপূর্বেও এ ধরণের কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়েছে। কোনটিরই বিচার হয়নি। শাস্তি না হওয়ায় সাহসী হয়ে তার শিশুকন্যাকে তার লালসার শিকার বানিয়েছে। তিনি অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ জানান, মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিগ্রহ করার চেষ্টার অভিযোগে তার মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহ ও তার ভাই ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অগাস্ট ২০২৫ ০২:০৪:এএম ৯ মাস আগে
জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদ আবার সুযোগ নিবে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু - Ekotar Kantho

জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদ আবার সুযোগ নিবে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

আরমান কবীরঃ বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদ আবার সুযোগ নিবে। গত বর্ধিত সভায় তারেক রহমান বলেছিলেন, সুদৃঢ় ঐক্যই রুখে দিতে পারে সকল ষড়যন্ত্র। আজকে নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের কারণে ১৪, ১৮ ও ২৪ সালে দেশের জনগণ ভোট দিতে পারেনি। কারণ তারা ভোটকে ভয় পাইতো, জনগণের শক্তিকে ভয় পাইতো। এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন চায়। নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শহর ও থানা বিএনপি’র উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ছাত্র জনতার বিজয়ের বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের বিপক্ষে যখন যে গেছে, তার পরিস্থিতি ভাল হয়নি। এরশাদ জনগণের ভোটকে লুণ্ঠন করেছিল, এরশাদ টিকতে পারেনি। খুনি শেখ হাসিনা জনগণের ভোট কেড়ে নিয়েছিল। ফ্যাসিবাদ উপাধি পেয়ে জনগণ থেকে ধিকৃত হয়ে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে।

টুকু আরও বলেন, যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে চাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে জনগণ আবার গর্জে উঠবে। আর তালবাহানা না করে জনগণের সেন্টিমেন্ট অনুযায়ী দ্রুত নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন , জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

পরে শহিদ মিনার থেকে একটি বিজয় মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অগাস্ট ২০২৫ ০২:১৪:এএম ৯ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।