আরমান কবীরঃ গোপালগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা এনসিপি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেল, জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের সদস্য সচিব আবু আহমেদ শেরশাহ, জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান শাওন, সদস্য ইসরাত জাহান রুমি, ধনবাড়ীর মুখ্য সমন্বয়কারী সাইফুল ইসলাম আপন, মধুপুরের মুখ্য সমন্বয়কারী সবুজ মিয়া, ঘাটাইলের মুখ্য সমন্বয়কারী সাইফুল ইসলাম রাজন, মির্জাপুরের মুখ্য সমন্বয়কারী মাসুদ পারভেজ প্রমুখ।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে আওয়ামী লীগের বিচার ও শহিদদের হত্যার বিচারের দাবির পাশাপাশি গোপালগঞ্জে হামলার তীব্র নিন্দা জানান আন্দোলনকারীরা।
এ সময় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এনসিপির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ গোপালগঞ্জে এনসিপি নেতাদের উপর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুপুরে জেলা আমীর আহসান হাবীব মাসুদের নেতৃত্বে শহরের পুরাতন কোর্ট মসজিদের সামনে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আমীর বলেন, ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা গোপালগঞ্জ থেকে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠার ষড়যন্ত্র করছে। এনসিপির প্রোগ্রামে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা স্বাভাবিক কোন ঘটনা নয়। এটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। সুতরাং জুলাই আন্দোলনের সহকর্মীদের বিভেদ ভুলে আবারও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলার আহবান জানান তিনি ।
তিনি সকলকে ১৯ তারিখের ঢাকার সমাবেশে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহবান জানান।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা সেক্রেটারী মাওলানা হুমায়ুন কবির, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সেক্রেটারী মো. আব্দুর রাজ্জাক, শহর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন বাদল।
মিছিলে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়াসহ দিল্লির গোলামীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
আরমান কবীরঃ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও ‘ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা’র প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ করেছে জেলা যুবদল।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুপুরে জেলা শহরের শহীদ মিনার এলাকায় বিভিন্ন পাড়া ও মহল্লা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমবেত হন।
পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আশরাফ পাহেলী, আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন মালা, সৈয়দ হাবিবুল আলম সাথিল, একে এম আব্দুল্লাহ, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কবিরুজ্জামান কবিরসহ শহর যুবদলের আহ্বায়ক রাশেদ খান সোহাগ প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পেছনে যাদের হাত রয়েছে, তাদের সতর্ক করা হচ্ছে। ষড়যন্ত্র করে বিএনপির ওপর দোষ চাপিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ড এবং সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নাম জড়িয়ে ‘অপপ্রচার’ চালানোর প্রতিবাদ জানান বক্তারা। তারা এসব ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তসহ বিচারের দাবি করেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে জেলা ও উপজেলা যুবদল ছাড়াও বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে পুরাতন রেট সিউিল বাতিল পূর্বক ৮০ শতাংশ রেট সিডিউল বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন ও স্বারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড মিনি ঠিকাদার কল্যাণ সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড মিনি ঠিকাদার কল্যাণ সমিতি জেলা শাখার সভাপতি মো. মাছুদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আসিফ খান শেলী, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নূল আবেদীন, দপ্তর সম্পাদক সজিব চন্দ্র দে, কোষাধ্যক্ষ মো. আমিরুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তব্যরা বলেন, প্রতি বছরই কর, ভ্যাট বৃদ্ধি পাচ্ছে, কাজের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে না। এছাড়া শ্রমিকের মুজুরীও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই পুরাতন রেট সিডিউল বাতিল পূর্বক ৮০ শতাংশ রেট সিডিউল বৃদ্ধির দাবি জানানো হয় মানববন্ধন থেকে।
মানববন্ধন শেষে টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ ছানোয়ার হোসেনের বারবার একটি স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।
মানববন্ধন ও স্বারক লিপি প্রদান কর্মসূচিতে সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) টাঙ্গাইল জেলা শাখা।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এসে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম ঝলক প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভকারীরা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ও দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি কলেজ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
ড্যাব টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ডা. আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, ডা. রফিকুল ইসলাম, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হাবিবুল আলম শাতিল, জাহিদ হোসেন মালা ও জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চলমান আন্দোলনের এই সময় বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে কুৎসা রটানো হচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, বরং দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ।
সমাবেশ থেকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে ড্যাব ও ছাত্রদলের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
আরমান কবীরঃ কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গোপন তৎপরতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট করা ও সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল।
সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূণরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা মেনে নিতে না পেরে একটি চিহ্নিত মহল তাকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তারা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির উত্তরসূরি। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তারেক রহমান ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য বরদাশত করা হবে না।
এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ‘দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার’ স্বৈরাচার আর রাজাকার, মিলেমিশে একাকার’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেবো রক্ত’ সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দূর্জয় হোড় শুভ, সদস্য সচিব এম এ বাতেন, যুগ্ম-আহবায়ক রাকিবুল ইসলামসহ ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা।
আরমান কবীরঃ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।
জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমাদেরকে বিনির্মাণ করতে হবে একটি গণতান্ত্রিক সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার পূর্ব শর্ত হচ্ছে জনগণের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক ঘোষিত হয়েছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ। তাই জাতীয়তাবাদী দলকে বিজয়ী করতে আমাদেরকে দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে জনগণের ভালোবাসা অর্জন ও মনকে জয় করে দলকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নিজেদেরকে নিবেদিত করতে হবে।
এসময় তিনি নিজেকে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল শহর বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি শামসুজ্জামান খান রন্টু, জেলা ছাত্র দলের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান খান, জেলা ছাত্র দলের সাবেক নেতা এনামুল হক স্বাধীন, শ্রমিকদল নেতা বাবুল সরকার, জাকসুর সাবেক এজিএস মোকলেছুর রহমান বাদল, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আতিকুজ্জামান টুটুলসহ বিভিন্ন পযার্য়ের নেতাকর্মীগণ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি সংস্থা সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সংসদের (এসডিএস) তিন শতাধিক গ্রাহককে প্রায় দুই যুগ পর টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে জেলা সদরে অবস্থিত টাঙ্গাইল শিশু একাডেমির মিলনায়তনে নাজমুল এগ্রোফিসারিজ অ্যান্ড ডেইরী ফার্মের উদ্যোগে গ্রাহকদের প্রায় এক কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়। ঈদের আগেও অর্ধশতাধিক গ্রাহকের মাঝে ৩০ লক্ষাধিক টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।
টাকা ফেরত পাওয়া মো. ওবায়দুল্ল্যাহ বলেন, ৫০ হাজার টাকা খুব কষ্ট করে জমিয়েছিলাম। টাকা গুলো ফেরত পেয়ে খুবই উপকার হলো। টাকা দিয়ে মেয়ের পড়াশোনার কাজে ব্যয় করতে পারবো।
মনোয়ারা বেগম বলেন, এই কষ্টের টাকা ফেরত পাবো তা কল্পনাও করিনি। প্রায় ২৫ বছর পর টাকা গুলো ফেরত পেয়ে খুব ভাল লাগছে।
এসডিএস গ্রাহক কমিটির সভাপতি সালাম চাকলাদার বলেন, গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে আমরা দীর্ঘদিন আইনী লড়াই করেছি। যাদের ডকুমেন্ট আছে, তাদেরই টাকা দেওয়া হচ্ছে।
এসডিএসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হুদা বলেন, গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। যাদের কাছে ডকুমেন্ট আছে, তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে তাদেরই নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রম সারাদেশেই ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ) ইয়াসির আরাফাত, সরকারি কৌশলী শফিকুল ইসলাম রিপন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ, এসডিএসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হুদা , কাতুলি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান সম্মুখ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে টাকা লুটের অভিযোগে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের আরও এক কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৯জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল হোসেন।
বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা হলো, সহকারী উপ-পরিদর্শক শামীম আল আজাদ।
বরখাস্তকৃত এই ৪জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত ১৮ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তারা ভূঞাপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সালেহা বেগমের বাড়িতে অভিযানে গিয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা লুট করেছেন তারা।
উপ-পরিচালক আবুল হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। দোষী প্রমাণ হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সালেহা বেগম তার অভিযোগে বলেছেন, কর্মকর্তারা তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কোনো মাদকদ্রব্য না পেয়ে গাড়ির জ্বালানি খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি তাদের ১০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। পরে তারা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করে। সে সময় তারা ঘরে থাকা প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গলবার (৮ জুলাই) তিন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তারা হলেন, পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।
টাঙ্গাইলে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে টাকা লুটের অভিযোগ, ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইল মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) হোস্টেলে এক ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ।
বুধবার (৯ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে অবস্থিত ম্যাটসের হোস্টেল থেকে এই ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। এসময় মরদেহের পাশ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়।
নিহত ছাত্রীর নাম নিশাদ সাদিয়া তুন্না (২১)। সে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলকুমার গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের মেয়ে। নিশাত টাঙ্গাইল ম্যাটসের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল ম্যাটসের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. সানজিদা আক্তার জানান, নিশাত ও তার এক সহপাঠী হোস্টেলের একটি রুমে থাকতেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি অন্য রুমে একা থাকার জন্য চলে যান। বুধবার সকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেই। পরে পুলিশ এসে নিশাতের মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সে ম্যাটসের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নিশাতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি নিজের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এসময় মরদেহের পাশ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
আরমান কবীরঃ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট ফরহাদ ইকবালের সার্বিক সহযোগিতায় সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা গাছ বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দিনব্যাপী সদর উপজেলার খাদিজা আবু বক্কর উচ্চ বিদ্যালয় ও সুবর্ণতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন রোধে বেশি বেশি গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দিতে হলে আমাদের সবাইকে এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত হতে হবে।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, ছিলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে টাকা লুটের অভিযোগে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের তিন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্ত কর্মকর্তারা হলেন, পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল হোসেন মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত ১৮ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তারা সাবেক কাউন্সিলর সালেহা বেগমের বাড়িতে অভিযানে গিয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা লুট করেছেন।
উপ-পরিচালক আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। দোষী প্রমাণ হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সালেহা বেগম তার অভিযোগে বলেছেন, কর্মকর্তারা তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কোনো মাদকদ্রব্য না পেয়ে গাড়ির জ্বালানি খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি তাদের ১০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। পরে তারা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করে। সে সময় তারা ঘরে থাকা প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।