/ হোম / জাতীয়
চব্বিশের আন্দোলনকারীদের ব্যবহারে দেশবাসী অতিষ্ঠ: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

চব্বিশের আন্দোলনকারীদের ব্যবহারে দেশবাসী অতিষ্ঠ: কাদের সিদ্দিকী

আরমান কবীরঃ বর্তমানে চব্বিশের আন্দোলনকারীদের ব্যবহারে দেশবাসী অতিষ্ঠ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলে জেলা সদর রোডে অবস্থিত নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি দেশবাসী ও আন্তর্জাতিকভাবে বলতে চাই, ২৪শের আন্দোলন আমি দেশ স্বাধীন হওয়ার কাছাকাছি মনে করি। তাদের সমর্থন করি আমি, কিন্তু বর্তমানে চব্বিশের আন্দোলনকারীদের ব্যবহারে দেশবাসী অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। আমি তো ভেবেছিলাম তাদের এই বিজয় হাজার বছর চিরস্থায়ী হবে কিন্তু এক বছরে তাদের এই বিজয় ধ্বংসের দিকে চলে যাবে এইটা আমরা আশা করি নাই, আর যদি বলা যায় আওয়ামী দোসর থেকে বর্তমান সরকারের দোসররা তো বড় স্বৈরাচার।

এ সময় বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যেমন নাহলে দেশ স্বাধীন হতো না, তেমনিভাবে লতিফ সিদ্দিকীর জন্ম না হলে টাঙ্গাইল হতো না, আমরা রাজনীতি করতে পারতাম না। বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের অবস্থা তৈরি করা দরকার, নিরাপত্তা অবস্থা জোরদার করা দরকার।’

লতিফ সিদ্দিকীর ইস্যুতে কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেন, ‘সকালে ৭১ মঞ্চের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে যাওয়া হলে মব সৃষ্টি করে লতিফ সিদ্দিকীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই সম্মানের সঙ্গে তাকে ছেড়ে দেওয়া হোক। যদি তার নামে কোনো মামলা থাকে তাহলে আমরা আইনিভাবে লড়বো।’

সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২৫ ০২:৪৪:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

সাহান হাসানঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও শহর শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এডভোকেট শামীম আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে উদ্দেশ্যে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তার প্রতিটি উদ্দেশ্যই স্বেচ্ছাসেবক দল সফলভাবে পূরণ করেছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিগত বৈশ্বিক মহামারী করোনা কালে দুঃস্থ-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।

তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে স্বেচ্ছাসেবক দল। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ২৬ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। আশাকরি অতীতের মতোই ভবিষ্যতেও স্বেচ্ছাসেবক দল তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তরিকুল ইসলাম খান ঝলক, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. আমানুল্লাহ আমান প্রমুখ।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২৫ ০২:৫৯:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জিপির কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জিপির কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সদ্য নিয়োগ পাওয়া আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা (জিপি) বজলুর রহমান মিয়াকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে তার কার্যালয়ে তালা দিয়েছেন আইনজীবীরা।

বজলুর রহমান জিপি পদে নিয়োগ পাওয়ায় সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সেই ক্ষোভ থেকে মূলত তার কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকালে পিপির দুটো কক্ষে তারা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে আইন সচিবের মাধ্যমে আইন উপদেষ্টা বরাবর আইনজীবী বজলুর রহমানের নিয়োগ বাতিল করে অন্য কাউকে নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়।

অতিরিক্ত আইন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত জিপি) মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন, ‘‘মঙ্গলবার সকালে কক্ষে তালা দেয়ার বিষয়টি জানতে পারি। পরে প্রশাসনকে অবগত করেছি। তালাবদ্ধ থাকায় আমি আমার কক্ষে প্রবেশ করতে পারিনি।’’

গত ৫ মার্চ আদালতের আইন কর্মকর্তা আব্দুল বাকী মিয়ার মৃত্যুর পর অতিরিক্ত আইন কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১০ আগস্ট অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান মিয়াকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিবাদ স্বরূপ জিপির কক্ষে তালা দেয় বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা।

বিক্ষুব্ধ কয়েকজন আইনজীবী বলেন, ‘‘বজলুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগের দোসর। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক পোস্ট দিয়েছেন।

আইনজীবীরা আরও অভিযোগ করেন, বজলুর রহমান ইতোপূর্বে দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করেননি।’’ আদালতের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অন্য যে কোনো যোগ্য আইনজীবীকে নিয়োগ দেয়ার দাবি করেন তারা।

জেলা বার সমিতির সভাপতি জহুর আজহার খান বলেন, ‘‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বজলুর রহমানকে দুই দিন অফিস না করার জন্য মৌখিকভাবে বলা হয়েছিল। তিনি না মেনে উল্টো বার সমিতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। বজলুর রহমান বলেছেন, লোকজন নিয়ে জিপির কক্ষে প্রবেশ করবেন।’’

সদ্য নিয়োগ পাওয়া আইন কর্মকর্তা (জিপি) বজলুর রহমান মিয়া বলেন, ‘‘আমি কোনো দলের দোসর ছিলাম না। সদ্য জিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর আমি ফ্যাসিস্টদের দোসর হয়েছি।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘আমার নামে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি জিপি নিয়োগ পাওয়ায় একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২৫ ০৫:৫৪:এএম ৮ মাস আগে
মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা: খালাসপ্রাপ্ত ১০ আসামিকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ - Ekotar Kantho

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা: খালাসপ্রাপ্ত ১০ আসামিকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাসহ খালাসপ্রাপ্ত ১০ আসামিকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

খালাসপ্রাপ্ত ১০ আসামির মধ্যে আমানুরের তিন ভাই, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান (মুক্তি), ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান (কাঁকন) ও ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান (বাপ্পা) রয়েছেন।

হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত ২৩ জুলাই এ আদেশ দেন। আদালত ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার নথিও তলবের আদেশ দিয়েছেন।

হাইকোর্টের এ আদেশ রবিবার (১০ আগস্ট) ডাকযোগে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এবং চিফ জুডিশিয়াল আদালতে পৌঁছায়। তবে মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিষয়টি জানা যায়। উভয় আদালতের সংশ্লিষ্ট বিভাগ হাইকোর্টের আদেশের কপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল হাসান গত ২ ফেব্রুয়ারি বহুল আলোচিত ফারুক হত্যা মামলার রায় দেন। আদালত মোহাম্মদ আলী ও কবির হোসেন নামের দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। মোহাম্মদ আলী ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফারুক হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁর জবানবন্দিতে এই হত্যার সঙ্গে আমানুর রহমান ও তাঁর ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তিনি পলাতক। অপর দণ্ডিত কবির হোসেন ২০১৪ সাল থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন।

বেকসুর খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে আমানুররা চার ভাই ছাড়া অন্যরা হলেন সানোয়ার হোসেন, নাসির উদ্দিন, বাবু, ফরিদ হোসেন, মাসুদুর রহমান, আলমগীর হোসেন। মামলা চলাকালে দুই আসামি আনিসুল ইসলাম রাজা ও মো. সমীর কারাগারে মারা যান।

নিহত ফারুক আহমেদের ছেলে আহমেদ সুমন মজিদ মঙ্গলবার বিকেলে মুঠোফোনে জানান, এ আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিলের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তাই আমি নিজে উচ্চ আদালতে আপিলের উদ্যোগ নিই। আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটরি অনুবিভাগ আমাকে গত ২৬ জুন নিজ দায়িত্বে ও নিজ খরচে ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়েরের অনুমতি দেয়। অনুমোদন পাওয়ার পর হাইকোর্টে আপিল দায়ের করি।

আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৩ জুলাই বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আহমেদ সুমন মজিদের আপিল আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ জুলফিকার আলম শিমুল এবং বাদীপক্ষে ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ শুনানিতে অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মাহফীজুর রহমান ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আমানুরদের চার ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৫ ০৩:০০:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

আরমান কবীরঃ খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকসহ সমাজের অশুভ কাজ থেকে বেড়িয়ে আসা সম্ভব বলে মনে করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শনিবার (৯ আগস্ট) সকালে নাটোর শহরের কানাইখালী মিনি স্টেডিয়ামসহ দেশের ১৪টি মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

নবনির্মিত স্টেডিয়ামগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ক্রীড়া উপদেস্টা বলেন, মাঠগুলোতে ক্রীড়াবিদরা যেনো নিয়মিত খেলাধুলা করতে পারেন। উপজেলা পর্যায়ে মাঠগুলো ব্যবহার হলে জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক মানের খেলোয়ার পাওয়া সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ে যেসব মাঠ নির্মাণাধীন রয়েছে, সেগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ হবে। পাশাপাশি দেশের যেসব উপজেলায় স্টেডিয়াম নেই, সেই উপজেলা গুলোতে স্টেডিয়াম তৈরী করা হবে।

জুমের মাধ্যমে টাঙ্গাইল সদর প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল্যাহ আল মামুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা আক্তার , সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মকবুল হোসেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ, দাইন্যা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ, এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৫ ০১:২২:এএম ৮ মাস আগে
গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের মানববন্ধন - Ekotar Kantho

গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

আরমান কবীরঃ গাজীপুরে ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) বিকেলে বিরুপ আবহাওয়া উপেক্ষা করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এতে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, সাংবাদিক কাজী তাজউদ্দিন রিপন, মামুনুর রহমান মামুন, শামিম আল মামুন মিয়া প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক তুহিনকে যেভাবে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা একটি স্বাধীন দেশে কল্পনাও করা যায় না। দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় সারা দেশে সাংবাদিক সমাজ আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় মানববন্ধন থেকে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৫ ০২:১২:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে মাদ্রাসার দুই শিক্ষক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে মাদ্রাসার দুই শিক্ষক গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের এনায়েতপুরস্থ হযরত ফাতেমা (রা.) মাদ্রাসার হিফজ শাখার এক শিশু শিক্ষার্থীকে (১০) যৌন নিগ্রহের অভিযোগে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ (২৫) ও তার বড় ভাই ওই মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের এনায়েতপুর (বৈল্যা) থেকে ওই মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহকে ও বুধবার (৬ আগস্ট) বিকেলে অভিযুক্ত শিক্ষক ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, শহরের এনায়েতপুর (বৈল্যা) পালপাড়ার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদুল্লাহ ধুলেরচর মাদ্রাসার পাশে হযরত ফাতেমা (রা.) মহিলা মাদ্রাসা নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে পরিচালক হিসেবে চালাচ্ছিল। পরে তার ছোট ভাই ওবায়দুল্লাহকে ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিনি নানা অজুহাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়া, অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া ইত্যাদি অপকর্ম করে আসছিলেন।

গত ২৭ জুলাই আবাসিকে থেকে মাদ্রাসার হিফজ শ্রেণির এক ছাত্রীকে নির্জন কক্ষে ডেকে নিয়ে ‘জিনের’ ভয় দেখিয়ে চোখ বেঁধে পড়নের কাপড় খুলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ সহ যৌন নিগ্রহের চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে ওই শিশু শিক্ষার্থী পালিয়ে কক্ষ থেকে দৌঁড়ে বেড়িয়ে গিয়ে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করে। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে তার মাকে ঘটনা খুলে বলে। তার মা স্থানীয় মাতব্বরদের সঙ্গে পরামর্শ করে মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লার কাছে বিচার চান। পরিচালক মাদ্রাসার ওই শিক্ষক তার ভাই হওয়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ায় স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) মাদ্রাসার পরিচালকের কাছে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানতে চায়।

এ সময় পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহ তার ভাই ওবায়দুল্লাহকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়ে বলেন, শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ পালিয়ে গেছে, সে যদি অপরাধী হয়ে থাকে আইন তাকে শাস্তি দিবে- আপনারা থানায় যান।

এ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মোহাম্মদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই শিশুশিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-৮, তাং-৬/৮/২০২৫ইং) দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর বুধবার বিকালে পুলিশ মাদ্রাসার শিক্ষক ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।

এলাকাবাসী জানায়, হযরত ফাতেমা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ মাদ্রাসার ওয়াশরুমে ক্যামেরা লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ‘জিনের’ ভয় দেখিয়ে অনৈতিক অপকর্ম করে। ইতোপূর্বে ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থীকে তিনি শিকার বানিয়েছেন। মাদ্রাসার পরিচালকের কাছে অভিযোগ করা হলে মোহাম্মদুল্লাহ সব ক্ষেত্রেই ঘটনা ধামাচাপা দেন। হিফজ শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঘটনাটিও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। শিক্ষার্থীর বুদ্ধিমত্তা ও অভিভাকদের সচেতনতায় এবার তিনি সফল হতে পারেনি। এলাকাবাসী শিক্ষা প্রতিষ্ঠনটির পরিচালক ও তার লম্পট ভাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

যৌন নিগ্রহের শিকার শিশু শিক্ষার্থীর মা ও মামলার বাদী জানান, লম্পট শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ ইতোপূর্বেও এ ধরণের কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়েছে। কোনটিরই বিচার হয়নি। শাস্তি না হওয়ায় সাহসী হয়ে তার শিশুকন্যাকে তার লালসার শিকার বানিয়েছে। তিনি অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ জানান, মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিগ্রহ করার চেষ্টার অভিযোগে তার মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহ ও তার ভাই ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অগাস্ট ২০২৫ ০২:০৪:এএম ৯ মাস আগে
জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদ আবার সুযোগ নিবে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু - Ekotar Kantho

জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদ আবার সুযোগ নিবে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

আরমান কবীরঃ বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদ আবার সুযোগ নিবে। গত বর্ধিত সভায় তারেক রহমান বলেছিলেন, সুদৃঢ় ঐক্যই রুখে দিতে পারে সকল ষড়যন্ত্র। আজকে নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের কারণে ১৪, ১৮ ও ২৪ সালে দেশের জনগণ ভোট দিতে পারেনি। কারণ তারা ভোটকে ভয় পাইতো, জনগণের শক্তিকে ভয় পাইতো। এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন চায়। নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শহর ও থানা বিএনপি’র উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ছাত্র জনতার বিজয়ের বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের বিপক্ষে যখন যে গেছে, তার পরিস্থিতি ভাল হয়নি। এরশাদ জনগণের ভোটকে লুণ্ঠন করেছিল, এরশাদ টিকতে পারেনি। খুনি শেখ হাসিনা জনগণের ভোট কেড়ে নিয়েছিল। ফ্যাসিবাদ উপাধি পেয়ে জনগণ থেকে ধিকৃত হয়ে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে।

টুকু আরও বলেন, যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে চাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে জনগণ আবার গর্জে উঠবে। আর তালবাহানা না করে জনগণের সেন্টিমেন্ট অনুযায়ী দ্রুত নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন , জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

পরে শহিদ মিনার থেকে একটি বিজয় মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অগাস্ট ২০২৫ ০২:১৪:এএম ৯ মাস আগে
টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে সম্মিলনের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে ওই সম্মিলনে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক আল-আমিন, সদস্য সচিব আবু আহমেদ শেরশাহ, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথি সহ আহত ও শহীদদের পরিবারের সদস্যরা।

আলোচনার এক পর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জুলাই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এসময় জেলার জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারা এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও শহর বিএনপি’র আয়োজনে বিজয় র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজামিল শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. আজগর আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রউফ।

এরআগে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে জেলা-উপজেলা ও শহর বিএনপি’র বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নেতাকর্মী অংশ নেয়।

দিনটি উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ।

এদিন ‎ সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মঙ্গলবার দুপুর দেড় টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বিকাল সাড়ে ৫টায় মুক্তমঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংগীত, কবিতা ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে গণআন্দোলনের চেতনা তুলে ধরেন।

‎‎কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অগাস্ট ২০২৫ ০১:০৮:এএম ৯ মাস আগে
মাওলানা ভাসানীরা না থাকলে শেখ মুজিব কখনো তৈরি হতো না : নাহিদ - Ekotar Kantho

মাওলানা ভাসানীরা না থাকলে শেখ মুজিব কখনো তৈরি হতো না : নাহিদ

আরমান কবীরঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা মওলানা ভাসানীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই। কারণ তাকে ইতিহাসে স্মরণ করা হয় না। ভাসানীর মতো মহান রাজনৈতিক পুরুষ, বাংলাদেশের স্থপতি থাকা সত্ত্বেও শুধু একজনকে জাতির পিতা ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৫৪ বছরে একজন ব্যক্তিকে পূজা করা হয়েছে। কিন্ত ভাসানীরা না থাকলে শেখ মুজিব কখনো তৈরি হতে পারতেন না।

মঙ্গলবার(২৯ জুলাই )দুপুর দেড়টায় টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে এনসিপি আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “এই টাঙ্গাইলের প্রতিটি ইঞ্চি সংগ্রামের সাক্ষী। কৃষকের ঘামে গড়া এই টাঙ্গাইলেই মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে বহু ঐতিহাসিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “ভাসানী শুধু বাংলাদেশের নয়, উপমহাদেশের অনন্য এক রাজনৈতিক পুরুষ। আসামের বাঙালি মুসলমান কৃষকদের জমির অধিকার আদায়ে তাঁর সংগ্রাম আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা, তৃণমূল রাজনীতির পথিকৃৎ।”

সমাবেশে তিনি আরও বলেন, “ভাসানীই প্রথম বুঝেছিলেন পাকিস্তানের সঙ্গে এক ছাদের নিচে বাঙালির টিকে থাকা অসম্ভব। কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বিদায়ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।”

ভাসানীর অবদান স্মরণ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “তাঁকে ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। শেরে বাংলা ফজলুল হক এবং মওলানা ভাসানীর মতো নেতাদের বাদ দিয়ে ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে। অথচ শেখ মুজিবুর রহমানও ভাসানীর রাজনৈতিক ধারার উত্তরসূরি।”

তিনি বলেন, “১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেপথ্য কারিগর ছিলেন মওলানা ভাসানী। আমরা তাঁর আদর্শ বুকে ধারণ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে দেশের সামনে একটি বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড় করাতে চাই।”

তিনি বলেন, এই টাঙ্গাইলের প্রতিটি ইঞ্চি সংগ্রামের সাক্ষী দেয়। কৃষকের ঘামে গড়া এই টাঙ্গাইল আমাদের বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। টাঙ্গাইল আসলেই প্রথম যার কথাটি বলতে হয় তিনি হলেন মেহনতি ও গণমানুষের নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো উপমহাদেশের একজন অনন্য রাজনৈতিক পুরুষ ছিলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী,

উত্তরাঞ্চলের যুগ্ম মূখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আজাদ খান ভাসানী, টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

এই পথ সভা শেষে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গাজীপুর জেলার উদ্দেশ্য টাঙ্গাইল ত্যাগ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জুলাই ২০২৫ ০১:৩১:এএম ৯ মাস আগে
মাওলানা ভাসানীর আদর্শেই বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চাই: নাহিদ ইসলাম - Ekotar Kantho

মাওলানা ভাসানীর আদর্শেই বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চাই: নাহিদ ইসলাম

আরমান কবীরঃ মাওলানা ভাসানীর পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী যে মেহনতি মানুষের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, এনসিপি সেই উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

সোমবার (২৮ জুলাই) রাতে জুলাই পদযাত্রায় টাঙ্গাইলে এসে সন্তোষে মাওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী ছিলেন কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যিনি একইসঙ্গে পিণ্ডি ও দিল্লীর আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।’

মাওলানা ভাসানী ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের কারিগর ছিলেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী যে মেহনতি মানুষের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, এনসিপি সেই উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই দায়িত্বের রাজনীতি নিয়েই মাওলানা ভাসানীর পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’

এ সময় দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আজাদ খান ভাসানী, টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পদযাত্রাকে সফল করতে এরমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা নাগরিক পার্টির নেতারা। মাজার জিয়ারত শেষে তারা রাতে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের অগ্রনায়কদের পদচারণায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা সদরের শামসুল হক তোরণ থেকে পদযাত্রাটি শুরু হবে। পরে সেটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিরালামোড়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জুলাই ২০২৫ ০১:৩৯:এএম ৯ মাস আগে
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: টাঙ্গাইলের দুই শিক্ষার্থীর কবরে বিমানবাহিনীর শ্রদ্ধা - Ekotar Kantho

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: টাঙ্গাইলের দুই শিক্ষার্থীর কবরে বিমানবাহিনীর শ্রদ্ধা

আরমান কবীরঃ ঢাকার উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত টাঙ্গাইলের সখীপুরের মেহনাজ আফরিন হুমায়রা ও মির্জাপুরের নয়াপাড়া গ্রামের তানভীর আহমেদের কবরে বিমানবাহিনীর প্রধানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার হতেয়া কেরানিপাড়া এলাকায় হুমায়রার কবরে বিমানবাহিনীর প্রধানের পক্ষে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান বীর উত্তম সুলতান মাহমুদ বিমানঘাটির উইং কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় হুমায়রার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

পরে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন উইং কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন। পরিবারের সদস্যরা সখীপুরের বীর উত্তম সুলতান মাহমুদ বিমানবাহিনীর ঘাঁটিটি হুমায়রার নামে করার দাবি জানান।

এরপর মির্জাপুরের নয়াপাড়া গ্রামের তানভীর আহমেদের কবরে বিমানবাহিনীর প্রধানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

উইং কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিমানবাহিনী সব সময় দেশ ও জনগণের পাশে রয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, আহতদের সব ধরনের সহযোগিতার জন্য ২৪ ঘণ্টা কাজ করে যাচ্ছে। নিহত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

হুমায়রার পরিবারের পক্ষে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘হুমায়রা অনেক মেধাবী ছিল। বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগে দুঃস্বপ্নে পরিণত হলো। সখীপুরের বিমান ঘাটিটি হুমায়রার নামে করার দাবি করছি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জুলাই ২০২৫ ০২:১০:এএম ৯ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।