/ হোম / জাতীয়
টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আযহা’র প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আযহা’র প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

আরমান কবীরঃ যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আযহা’র জেলার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭জুন)সকাল আটটায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মুফতি সোলাইমান, নামাজ শেষে দেশ-জাতির কল্যান কামনা ও বিশ্বের মুসলিম উম্মার জন্য দোয়া করা হয়।

ঈদ জামাত শেষে একে অপরের সাথে কোলা-কুলি ও কুশল বিনিময় করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার টাঙ্গাইলের উপপরিচালক ও টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক মো: শিহাব রায়হান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: আব্দুল্যাহ আল মামুন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাহবুব হাসান, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

এ ছাড়াও জেলার এই প্রধান ঈদ জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নানা শ্রেণী পেশার সহস্রাধিক মানুষ এতে অংশ নেয়।

প্রসঙ্গত,টাঙ্গাইল জেলার এবার ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৫৩২টি ঈদগাঁ মাঠে শনিবার (৭ জুন) সকালে পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে কালিহাতী উপজেলায় সর্বোচ্চ ৩৪২টি এবং ধনবাড়ী উপজেলায় সর্বনিম্ন ১৬টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এ হিসাবের বাইরেও গ্রাম-পাড়া-মহল্লার অনেক স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুন ২০২৫ ০৯:৩০:পিএম ১২ মাস আগে
২৪ ঘন্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকার টোল আদায় - Ekotar Kantho

২৪ ঘন্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকার টোল আদায়

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের যমুনা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৫৬৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯০০ টাকা।

বুধবার (৪ জুন) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৫৬৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। তার মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৭ হাজার ৫৬৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৪ লাখ ৮২ হাজার ৮৫০ টাকা।
অপরদিকে, ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৯০৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৮১ হাজার ৫০ টাকা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জুন ২০২৫ ০২:৪৬:এএম ১২ মাস আগে
টাঙ্গাইলের ইউপি চেয়ারম্যান বিমান বন্দরে আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ইউপি চেয়ারম্যান বিমান বন্দরে আটক

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেলাল দেওয়ানকে আটক করেছে হযরত শাহজাহাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ জুন ) সকালে থাইল্যান্ড যাওয়ার পথে ইমিগ্রেশন পুলিশ বিমানবন্দরে তাকে আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত হেলাল দেওয়ান বাঁশতৈল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গত ৪ আগষ্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচী চলছিল। ওই সময়ে দুস্কৃতিকারীরা হাইওয়ে থানায় হামলা করে। এসময় পুলিশের গুলিতে গোড়াই লালবাড়ি এলাকার কিশোর হিমেলের দুচোখ অন্ধ হয়ে যায় । ওই ঘটনায় হিমেলের মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় উপজেলার বাঁশতৈল ইউপি চেয়ারম্যান হেলাল দেওয়ান তালিকাভুক্ত আসামী। ওই মামলার আসামী হিসেবে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম ইউপি চেয়ারম্যান হেলাল দেওয়ানকে ইমিগ্রেশন পুলিশ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হিমেলের মায়ের করা মামলার তিনি তালিকাভুক্ত আসামী। তাকে বিমান বন্দর থেকে আনতে মির্জাপুর থানা পুলিশ রওনা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুন ২০২৫ ০৩:০৮:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির একাংশের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির একাংশের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির (কাদের) চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) সকালে শহরের ছয়আনী বাজার রোডস্থ পার্টি কার্যালয়ে জেলা জাতীয় পার্টির আয়োজনে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টি জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান যুবরাজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ুন কবির, জাতীয় মহিলা পার্টি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মনোয়ারা খন্দকার প্রমুখ।

সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সলিমুল্লাহ খান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার ঘটনাটি কাপুরুষিত ঘটনা। অবিলম্বে এই ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।অন্যথায় এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে যে সিদ্ধান্ত দেবে টাঙ্গাইল জেলা কমিটির উদ্যোগে সেটা কঠোরভাবে পালন করা হবে বলে হুঁশিয়ার উচ্চারণ করা হয় প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে।

বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় পার্টি শুরু থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন করেছে। এই আন্দোলনে দলের নেতাকর্মীরা সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করে। তারপরও জাতীয় পার্টিকে ফ্যাসিবাদের দোসর বলাটা অত্যন্ত দুঃখজনক।

প্রতিবাদ সমাবেশে জাতীয় পার্টির টাঙ্গাইল জেলা শাখা ও উপজেলা কমিটির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুন ২০২৫ ০৩:১৯:এএম ১ বছর আগে
শিক্ষক নাদিরাকে টাঙ্গাইলে বদলির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

শিক্ষক নাদিরাকে টাঙ্গাইলে বদলির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আরমান কবীরঃ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ওএসডি হওয়া শিক্ষক নাদিরা ইয়াসমিনকে টাঙ্গাইলের সরকারি সা’দত কলেজে বদলির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে।

সোমবার (২ জুন) সকালে কলেজের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে শিক্ষার্থীরা ওই বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। এসময় শিক্ষার্থীরা নাদিরা ইয়াসমিনকে যোগদান করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেন। একইসঙ্গে তাকে চাকরিচ্যূত করার দাবি জানান।

কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন, কলেজের শিক্ষার্থী ফাহাদ, জিয়াদ মিয়া, শাহরিয়ার, তরিকুল ইসলাম টুটুল প্রমুখ।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, নাদিরা ইয়াসমিন ইসলাম ধর্ম, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন। এছাড়া কুরআনের উত্তরাধিকার আইন নিয়েও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন। ফলে তার উপস্থিতি কলেজের ধর্মীয় পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আমরা কোনোভাবেই এমন বিতর্কিত শিক্ষককে কলেজে স্থান দেবো না।

পরে কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মিয়ার কাছে দুই দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করে শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, রবিবার (১ জুন) ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পর ওএসডি হওয়া ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে সংযুক্ত থাকা সহকারী অধ্যাপক নাদিরা ইয়াসমিনকে টাঙ্গাইলের সা’দত সরকারি কলেজে সংযুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিষয়টি জানাজানি হলে সন্ধ্যার পর থেকে সরকারি সা’দত সরকারি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে রবিবার রাত ৯টার দিকে কলেজের ওয়াজেদ আলী খান পন্নী হলের সামনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচি থেকে নাদিরা ইয়াসমিনের সরকারি সা’দত কলেজে যোগদানের প্রজ্ঞাপন ৪ জুনের আগেই বাতিলের দাবি জানান তারা।

সরকারি সা’দত কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ তালুকদার বলেন, বিষয়টি আসলে বিব্রতকর। যদি নাদিরা ইয়াসমিনকে যোগদানকে কেন্দ্র করে কোনো বাঁধা আসে, তাহলে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। প্রয়োজনে যোগদান না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাবো হবে।

এরআগে, ২৫ মে ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পর শিক্ষক নাদিরা ইয়াসমিনকে নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগেই আবার নতুন আদেশে তাকে বদলি করা হয়।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ‘হিস্যা’ নামে একটি ম্যাগাজিনে ‘বিতর্কিত লেখা’ ছাপানোর অভিযোগ তুলে তাকে অপসারণ ও শাস্তির দাবি জানায় হেফাজতে ইসলাম। হেফাজতে ইসলামের ‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের’ আলটিমেটাম দেওয়ার পর নরসিংদী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাদিরা ইয়াসমিনকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে বদলি করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জুন ২০২৫ ০৩:৪২:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপি অফিসে আড্ডা দেন আ.লীগ কর্মী, টেবিলে পা তুলে ধূমপান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি অফিসে আড্ডা দেন আ.লীগ কর্মী, টেবিলে পা তুলে ধূমপান

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপি অফিসে চেয়ারে বসে টেবিলে পা তুলে সিগারেট খাচ্ছেন হারুন আর রশিদ নামে আওয়ামী লীগের এক কর্মী।

রবিবার (২৫ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ ছবি ভাইরাল হয়। ওই আ.লীগ কর্মী রাত-দিন অফিসে আড্ডা দেন।

‘জিয়ার সৈনিক’ নামে ফেসবুক আইডি থেকে হারুন অর রশিদের টেবিলে পা তোলা ও হাতে জ্বলন্ত সিগারেটের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে ‘বাহ্! আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি কুখ্যাত ভূমিদস্যু একাব্বর চেয়ারম্যানের ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী হারুন বলে কথা ‘

বিএনপির অফিসে হাতে সিগারেট আর টেবিলে পা তুলে বসে থাকা সাধারণ জনগণকে মোটেও অবাক করেনি। কারণ এই এলাকায় স্বজনপ্রীতি রাজনৈতিক হালচাল। কিন্তু প্রশ্ন হলো আওয়ামী লীগের সময় এ স্বজনগুলো কোথায় ছিল?

জানা গেছে, ওই অফিসে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা বসেন। তবে এটি ২নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস। অফিসটি উপজেলার গারোবাজরে অবস্থিত।

আর হারুন ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী। তার বাড়ি সিংহচালা গ্রামে। তার বাবা একাব্বর আলী ছিলেন বৃহত্তর রসুলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে লক্ষিন্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও ওই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর হারুন পালিয়ে ভারতে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ঢাকা থেকে ফেরত আসেন। পরবর্তীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় প্রকাশ্যে আসেন হারুন। বিএনপির নেতাদের সঙ্গে গড়ে তোলেন সখ্যতা। এর ফলেই তিনি পৌঁছে যান বিএনপির অফিস পর্যন্ত। ওই অফিসে দিন-রাত আড্ডা দেন তিনি।’

স্থানীয়রা জানান, তিন মাস আগে বিএনপির এই অফিস উদ্বোধন করা হয়। ১৫ দিন না যেতেই হারুন ওই অফিসে যাতায়াত শুরু করেন। সঙ্গে নিয়ে যান আওয়ামী লীগের আরও অনেক নেতাকর্মী। রাত-দিন অফিসে আড্ডা দেন।

উপজেলা বিএনপির সদস্য ও লক্ষিন্দর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী আকন্দ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতার দোষ কম। আমাদের নেতৃত্বে যারা আছেন, তারা এই অফিস পরিচালনা করেন। অর্থাৎ সিনিয়ররা আওয়ামী লীগদের সঙ্গে নিয়ে অফিসে বসেন। বিএনপির সিনিয়ররা আওয়ামী লীগ ছাড়া চলতে পারেন না। জুলাই বিপ্লবের পর দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন হারুন। কিন্তু আমাদের কিছু লোক অভয় দিয়ে এলাকায় রাখার ব্যবস্থা করেছে হারুনকে। মনে হয় অফিসটা আমাদের না, আওয়ামী লীগের অফিস।’

এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয় হারুন আর রশিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এটা আসলে বিএনপির অফিস না। এটা খেলাঘর। কারণে-অকারণে ওই ঘরে যাওয়া হয়। ওই ঘরটি উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ইকবাল তালুকদারের ভাই খোরশেদ তালুকদারের। সম্পর্কে ইকবাল তালুকদার আমার মামা। ছবিটি যে রাতে তোলা হয়েছে সেই রাতে ওই ঘরে আড্ডায় আমার সঙ্গে ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ও শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।’

লক্ষিন্দর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসিম চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। গারোবাজারের ওই অফিসটা ইউনিয়ন বিএনপির না, ওইটা ২নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস। ওইখানে বসেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইকবাল তালুকদার।’

ইকবাল তালুকদার বলেন, ‘লক্ষিন্দর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা এ অফিসে বসেন। হারুন আমার বোনের দেবরের ছেলে। সম্পর্কে ভাগনে। কখন সে এই অফিসে এসে এ কাজ করেছে আমি জানি না।’

এ ব্যাপারে ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে যদি কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মে ২০২৫ ০৪:১৬:এএম ১ বছর আগে
মির্জা ফখরুলের নামে ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা, টাঙ্গাইলে যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

মির্জা ফখরুলের নামে ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা, টাঙ্গাইলে যুবক গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ও ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে টাঙ্গাইল থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরগাঁও থানা পুলিশ।

রবিবার (২৫ মে) রাতে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম হায়দার রহমান জয় (২১)। সে টাঙ্গাইল পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সারুটিয়া এলাকার মো. নাহিদা মিয়ার ছেলে। জয় করটিয়া সাদা’ত কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র। বর্তমানে তার পরিবার টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার ছাতা মসজিদ সংলগ্ন মো. শিকদার মিয়ার বাসায় ভাড়া থাকেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানায় লিখিত অভিযোগটি করেন বিএনপি’র মহাসচিবের পক্ষে তার চাচাতো ভাই নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তানভীর আহাম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, রবিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশের একটি দল হায়দার রহমান জয়কে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত জয়ের পাঁচ দিনের রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত মোবাইল ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় ল্যাবে পাঠানো হবে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের চাচাতো ভাই নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন উল্লেখ করেছেন, গত ১৭ মে ২০২৫ রাত আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি জানতে পারেন যে, ‘জয় খান’ (হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর : ০১৭০৪-৫৫৩০৫৫) নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এবং শাকিল আহমেদ নামে এক ব্যক্তি (পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি তৈরি করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এই ভুয়া আইডি ব্যবহার করে প্রতারকচক্র নিজেদের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ এবং সংসদ সদস্যের মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চাঁদা দাবি করছিল। অভিযুক্তরা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে সাইবার স্পেসে এই প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রূপ ধারণ করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে তদবিরের কথা বলে অর্থ দাবি করছিলেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। ভবিষ্যতে তার নাম ভাঙিয়ে বড় ধরনের ক্ষতি সাধিত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল।

নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন জানান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই তাকে এ প্রতারণার বিষয়টি জানান। সে ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি৷

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরোয়ারে আলম খান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে হায়দার রহমান জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। সে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মে ২০২৫ ০২:১৮:এএম ১ বছর আগে
মধুপুর শালবনে আবারও শাল গাছ ফেরত আনা হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা - Ekotar Kantho

মধুপুর শালবনে আবারও শাল গাছ ফেরত আনা হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ বনবাসীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১২৯ টি মামলা প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া মধুপুর গড়ের শালবনে আবারও শাল গাছ রোপণের ঘোষণা দেন তিনি।

রবিবার (২৫ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল বন বিভাগের আওতাধীন মধুপুরের টেলকি এলাকায় শাল চারা রোপণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শালবনে আবার শাল গাছ ফেরত আনা হবে। তাই আসন্ন বর্ষায় বেশি বেশি শাল গাছ রোপণ করতে হবে। এখানে যারা বনবাসী আছেন তাদের এই বন রক্ষায় ভূমিকা পালন করতে হবে। এসব কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। বনে যে জায়গা বেদখল আছে সে গুলো চিহ্নিত করতে সীমানা পিলার দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শালবনে বাণিজ্যিকভাবে ইউক্যালিপটাস ও আকাশিয়া গাছ রোপণ করা হয়। সেগুলো ক্রমান্নয়নে বন্ধ করা হবে।

এছাড়া মধুপুর বনাঞ্চলের রাজাবাড়ী এলাকায় সীমানা চিহ্নিতকরণের কাজ পরিদর্শন ও সীমানা পিলার স্থাপনের মাধ্যমে ‘স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে মধুপুর শালবন পুনঃপ্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের কার্যক্রমও উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রখ্যাত বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী প্রমূখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মে ২০২৫ ০১:২৭:এএম ১ বছর আগে
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার সভাপতি তানজিল ৫ দিনের রিমান্ডে - Ekotar Kantho

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার সভাপতি তানজিল ৫ দিনের রিমান্ডে

আরমান কবীরঃ নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার সভাপতি মীর ওয়াছেদুল হক তানজিলকে (২৬) মারুফ হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে টাঙ্গাইল সদর থানা আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম মাহবুব খান এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল আদালতের পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান। তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত মারুফ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াছেদুল হক তানজিলের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। বিজ্ঞ আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর পূর্বে বুধবার (২১ মে) রাতে রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত তানজিল টাঙ্গাইল পৌরসভার থানাপাড়া এলাকার মৃত মীর নুরুল হক কামালের ছেলে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহাম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বুধবার রাত ৯ টার দিকে টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াছেদুল হক তানজিলকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত তানজিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দায়ের করা ৬টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এর মধ্যে দুটি হত্যা মামলাও রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়েরকৃত মারুফ হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে টাঙ্গাইল সদর থানা আমলি আদালতে তাকে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে তানজিলকে টাঙ্গাইল কোর্টে হাজির করার পূর্বেই কোর্ট চত্বর এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এরপরেও তানজিলকে কোর্টে হাজির করার সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার হামলার শিকার হন তিনি। এছাড়া তাকে দেখতে আসা তার মামাতো ভাই শাহেদ আল শাফি ব্যাপক মারধরের শিকার হন। একপর্যায়ে শাফি নিজের জীবন বাঁচাতে কোর্ট চত্বরের গারদ খানায় আশ্রয় নেয়। এসময় কোর্ট চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনার তৈরি হয়।

এছাড়া বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা তানজিলের ফাঁসির দাবিতে সকাল থেকে বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে কোর্ট চত্বর মুখরিত করে রাখে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৫ ০৯:৩৭:পিএম ১ বছর আগে
নিরাপত্তাহীনতার কারণে টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার - Ekotar Kantho

নিরাপত্তাহীনতার কারণে টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ডামি নির্বাচন ও ভোট চুরির অভিযোগে করা মামলাটি বাদি নিজেই প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে প্রত্যাহার বিষয়ে পরবর্তী তারিখে আদেশ দিবেন আদালত।

বুধবার (২১ মে) নানামুখী চাপ ও নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে মামলা করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে তা প্রত্যাহারের আবেদন করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদি কামরুল হাসান (৫৫) টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ভারই গ্রামের মরহুম মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদের ছেলে। তিনি ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।

বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু রায়হান খান বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মোট ১৯৩ জনের বিরুদ্ধে গত সোমবার এ মামলা করা হয়। বিজ্ঞ আদালত ভূঞাপুর থানার ওসিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এ অবস্থায় বুধবার বাদি আদালতে এসে মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক রুমেলিয়া সিরাজাম বাদির জবানবন্দি নিয়ে রেখেছেন। আগামী ১৩ আগস্ট মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখে প্রত্যাহার বিষয়ে আদেশ দিবেন আদালত।

মামলায় উল্লেখিত বাদি কামরুল হাসানের ফোন নাম্বারে বারবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে বাদির বরাত দিয়ে অ্যাডভোকেট আবু রায়হান খান নয়া বলেন, ‘মামলার পর বাদি কামরুল হাসান পারিবারিক চাপসহ নানামুখী চাপে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এছাড়া তিনি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এজন্য মামলা পরিচালনা করতে অপারগতা জানিয়ে তিনি তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।’

গত সোমবার মামলা দায়েরের পর সর্বত্র ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তবে মামলার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাদি কেন তা প্রত্যাহার করে নিলেন। এ নিয়েও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, মামলার পর ঢাকার উত্তরায় বিএনপির এক নেতার বাসায় মঙ্গলবার কয়েক দফা বৈঠক হয়। সেখানেই মামলাটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালে ৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচনের আয়োজন এবং ভোট চুরির অভিযোগে কামরুল হাসান গত সোমবার এ মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী আব্দুল আওয়ালসহ ১৯৩ জনকে আসামি করা হয়।

এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয় আরো ২০০ জনকে। মামলায় পাঁচজন সাংবাদিক ও একজন আইনজীবীর নামও রয়েছে তালিকায়। এছাড়া পুলিশ ও প্রিজাইডিং অফিসার, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৫ ০২:৪৮:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা, পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা, পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ

আরমান কবীরঃ পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালে ডামি নির্বাচনের আয়োজন এবং ভোট চুরির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে এমপি নির্বাচিত করার অভিযোগে টাঙ্গাইলে সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ মে) টাঙ্গাইলের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভূঞাপুর থানা আমলী আদালতে কামরুল হাসান নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রুমেলিয়া সিরাজাম মামলাটি আমলে নিয়ে ভূঞাপুর থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদি কামরুল হাসান (৫৫) টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ভারই গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদের ছেলে।

মামলায় আসামির তালিকায় শেখ হাসিনাসহ ১৯৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরো ১৫০ থেকে ২০০ জনকে।

শেখ হাসিনা ছাড়াও উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী আব্দুল আওয়াল, তৎকালীন আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও টাঙ্গাইলের সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া পুলিশ ও প্রিজাইডিং অফিসারসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে।

বাদি মামলায় উল্লেখ করেন, ‘আমাদের শত্রু রাষ্ট্র ভারতের নির্দেশক্রমে শেখ হাসিনা অন্য আসামিদের সাথে যোগসাজশ করে বিগত ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি একটি ডামি নির্বাচনের আয়োজন করেন। বাদি কামরুল হাসান ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়নের ভারই উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার ছিলেন। তিনি অন্য ভোটারদের সাথে ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। আসামিরা তাকে মারপিট করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। নির্বাচনে পুলিশ ও প্রিসাইডিং অফিসারের সহায়তায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র দখল করে জোরপূর্বক নৌকা মার্কায় সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে। এভাবে অন্যের ভোট চুরি করে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনিরকে এমপি পদে নির্বাচিত করা হয়। এতে দেশ ও জনগণের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।’

বাদিপক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইল বার সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু রায়হান খান বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মোট ১৯৩ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা রুজু করা হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে ভূঞাপুর থানার ওসিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। সেইসাথে আগামী ১৩ আগস্ট মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন আদালত। আশা করি আদালতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২৫ ০২:১০:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল, সাবেক এমপি ছোট মনিরের শ্যালকসহ গ্রেপ্তার ১১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল, সাবেক এমপি ছোট মনিরের শ্যালকসহ গ্রেপ্তার ১১

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৭ মে) রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের শ্যালক আহসানুজ্জামান খান ইমরানকে রবিবার (১৮ মে) দুপুরে ৫ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এ নিয়ে এই ঘটনায় মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ।

রবিবার বিকেলে জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলার ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাগর আলী, দেলদুয়ার থানা যুব লীগের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, টাঙ্গাইল সদর থানা যুবলীগের সদস্য আহসানুজ্জামান খান ইমরান, টাঙ্গাইল নির্মাণ শ্রমিক প্রকৌশলের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম খন্দকার বাবু, মেহেদী হাসান মহসিন, সজিব সরকার, নবী নূর মিয়া, সোহেল রানা টিটু ও মজিবর রহমান।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মেদ বলেন, জেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ২০ জনকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রবিবার দুপুরে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের শ্যালক আহসানুজ্জামান খান ইমরানকে ৫ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মে ২০২৫ ০৩:০০:এএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।