একতার কণ্ঠঃ ঈদে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধৃ সেতু মহাসড়কে বেড়ে যায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীরা। এই ভোগান্তিরোধে প্রতি ঈদে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়। যারফলে কয়েক বছর ধরে স্বস্তি পাচ্ছেন ঘরমুখো মানুষগুলো।
এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে এবারও ঘরমুখো যাত্রীদের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে শনিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীর এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পর্যন্ত মহাসড়ক পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।
এ সময় জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব বিবিএ, ফোরলেন উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান, বাস-মিনিবাস ও ট্রাক মালিক-শ্রমিক সমিতি প্রতিনিধিদের নিয়ে যানজট নিরসনকল্পে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনকালে পথ-আলোচনা সভা করে জেলা পুলিশ সুপার।
পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, আসন্ন ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে যানজট নিরসনে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট বসানো হবে এবং মহাসড়ক এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোন ধরণের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, ছিনতাইয়ের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় পরিদর্শনকালে বঙ্গবন্ধু সেতু (বিবিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুল কবীর পাভেল, জেলা সহকারী পুলিশ সুপার শরফুদ্দিন আহমেদ, কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান প্রমুখসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে উদ্বোধন হয়ে গেলো দেশের বৃহত্তম লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের ২৮তম আউটলেট। অত্যাধুনিক নির্মাণশৈলীর ১৪ হাজার ৯৮ বর্গফুটের তিনতলা বিশিষ্ট শহরের বড় কালীবাড়ি রোডের সিটি সেন্টারে এই আউটলেটে নারী-পুরুষ ও শিশুদের পোশাক, বাড়ির সাজসজ্জা, গহনাসহ আড়ংয়ের সাব-ব্র্যান্ড তাগা, তাগা ম্যান, এবং আড়ং আর্থ এর পণ্যগুলো পাওয়া যাবে।
শনিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে আউটলেটটির উদ্বোধন করেন আড়ংয়ের চিফ অপারেটিং অফিসার মোহাম্মদ আশরাফুল আলম। এছাড়াও এসময় ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আশরাফুল আলম বলেন, ক্রেতাদের ঈদ উদযাপনকে মাথায় রেখে ঈদ শপিংয়ের একদম উপযুক্ত এই সময়ে সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং নানা কারুশিল্পে সমৃদ্ধ টাঙ্গাইলে আড়ংয়ের এই আউটলেটটি খুলতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা আশা করি, নতুন আউটলেটটি এই প্রাণবন্ত শহরের বাসিন্দাদের কেনাকাটার জন্য অন্যতম প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠবে এবং একইসঙ্গে টাঙ্গাইলবাসীর ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ভিত্তিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।
এছাড়াও গ্রাহকরা সীমিত সময়ের জন্য ৫০০০ টাকা বা তার বেশি কেনাকাটা করে আড়ংয়ের কাস্টমার লয়্যালটি প্রোগ্রাম ‘মাই আড়ং রিওয়ার্ডস কার্ড’-এর সদস্য হতে পারবেন এবং বছরব্যাপী বিশেষ সুযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। তাছাড়া ‘মাই আড়ং রিওয়ার্ডস কার্ড’-এর অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা আড়ং টাঙ্গাইল আউটলেটে প্রতিটি কেনাকাটায় দ্বিগুণ পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন। এই অফারটি ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।
আড়ং বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক এর একটি সামাজিক উদ্যোগ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ছোট মনিরের বড় ভাই টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরকে দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ভূঞাপুর সচেতন নারী সমাজ। মিছিলে প্রায় ৪ শতাধিক নারী অংশ নেয়।
শনিবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১১ টার দিকে সচেতন নারী সমাজের উদ্যোগে ভূঞাপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বর ঘুরে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির নামে নানা ধরণের স্লোগানসহ ফাঁসি দাবি জানান তারা। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে নেতৃত্ব দেন রেখা খাতুন ও সূচি বেগম।
বিক্ষোভ ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে অন্ত:সত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে। তাকে দ্রুত গ্রেফতার ও তদন্ত করে তার ফাঁসি দাবি করছি। যদি তাদের ফাঁসি না দেওয়া হয় তাহলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে ।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে গত বুধবার ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন অন্তঃসত্ত্বা এক কিশোরী। বৃহস্পতিবার ৬ এপ্রিল বিকালে ওই কিশোরী আদালতে দন্ডবিধির ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। টাঙ্গাইলের প্রভাবশালী এমপি’র বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হওয়ায় জেলার রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে অটো ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা ঈমান আলী (৩৮) নামে এক অটোচালককে গলা কেটে হত্যা করেছে।
শুক্রবার(৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলার পোড়াবাড়ি আঞ্চলিক সড়কে খাগড়াটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত ঈমান আলী উপজেলার দড়িচৈথট্র গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। সে পেশায় একজন অটোচালক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা)।
সে শুক্রবার রাতে উপজেলার গারোবাজার থেকে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। ফেরার পথে রাত অনুমান ১০টার সময় অটোরিকশা নিয়ে পোড়াবাড়ি-গারোবাজার সড়কের খাগড়াটা এলাকায় পৌঁছলে ছিনতাইকারীরা সড়ক অবরোধ করে তার অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
এ সময় অটোচালক ঈমান আলী বাধা দেয়। তখন ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমান আলীর গলায় আঘাত করলে তার শ্বাসনালি কেটে যায়। সে আহত অবস্থায়ই অটোরিকশা চালিয়ে লোকালয়ে চলে আসে ও চিৎকার দেয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে গেলে ছিনতাইকারীদল পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঈমান আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, লাশের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনির ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে টাঙ্গাইলের সচেতন নারী সমাজ।
শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সকালে প্রথমেই শহরের ভাসানী হলের সামনে থেকে সচেতন নারী সমাজের ব্যানারে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়। পরে শহিদ মিনারের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করে তারা।
এ সময় মানব বন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনি ও তার ভাই ছোট মনির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার সত্যতা নিশ্চিত করে ফাঁসির দাবি জানান। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, বুধবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০ টার দিকে টাঙ্গাইল সদর থানায় শহর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। তরুণী দাবি করেন, ধর্ষণের ফলে তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং ডাক্তারী পরীক্ষাতেও এর প্রমাণ মিলেছে। তারপর থেকে শহরে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।
গোলাম কিবরিয়া বড়মনি টাঙ্গাইল-২ গোপালপুর ভূঞাপুর আসনের সাংসদ তানভীর হাসান ছোট মনির বড় ভাই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কারাগারে লাল মিয়া (৩৮) নামে এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। টাঙ্গাইলের জেল সুপার মকলেছুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লাল মিয়া বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে।
জেল সুপার জানান, লাল মিয়া অ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৭ টায় তার মৃত্যু হয়। আইনী পক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ জুন বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামের বাসিন্দা মনিরুজ্জামান নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে তার ভায়রাকে আমৃত্যু কারাদন্ড এবং শ্যালিকাসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদন্ডের কথা রায়ে বলা হয়েছে।
এরআগে ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাসাইলের কাউলজানী গ্রামের আবু বক্কর ভূঁইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া নিখোঁজ হন। তিনদিন পর পাশের মহেশখালী গ্রামের জমির আইল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভূঁইয়া বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে এ হত্যার সঙ্গে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ইসলাম, শ্যালিকা আলো বেগমসহ আরো কয়েকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ৮ জুন এই রায় দেন বিচারক।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মো. শামছু মিয়ার ছেলে রেজাউল ইসলাম রেজাকে আমৃত্যু দন্ড এবং রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া, যশিহাটি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি দিলেন স্ত্রী লাভলী বেগম।
বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) ভারতের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হাসপাতালে তার কিডনি প্রতিস্থাপন করেন ডা. প্রতীক দাস।
জানা যায়, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোন্নাফ আলীর দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জনিত সমস্যা নিয়ে ভারতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডাক্তার তার কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিলে স্বামীর জীবন রক্ষায় স্ত্রী তার একটি কিডনি প্রদান করেন।
ভূঞাপুরের সাবেক পৌর মেয়র ও ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সফলভাবে অস্ত্রপাচারের পর মোন্নাফ ও তার স্ত্রী লাভলী বেগম সুস্থ রয়েছেন। তার পরিবার সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় অবৈধভাবে বালু-মাটি উত্তোলনের দায়ে পৃথক পৃথক স্থানে টাঙ্গাইল জেলা ও কালিহাতী উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ৫টি ভেকু, ১টি ড্রেজার মেশিন ও ১ হাজার ফুট পাইপ লাইন বিনষ্টসহ দুইজনকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পৌলী নদীতে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দীপ ভৌমিক ও সিনথিয়া হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় ভ্রাম্যমান আদালত পৌলী নদীর পশ্চিম পাশে অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ৩টি ভেকু বিনষ্ট করে। পরে দুইজনকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জরিমানা প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌর এলাকার বিশ্বাস বেতকার সিদ্দিকুর রহমান রানাকে ১ লাখ ও কালিহাতী উপজেলার পৌলী গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলামকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে একই সময়ে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার চরভাবলা হাকিমপুর এলাকায় একটি ভেকু ও বাঁশি এলাকায় একটি ভেকু এবং একটি ড্রেজার মেশিনসহ এক হাজার ফুট পাইপ লাইন বিনষ্ট করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাহিদ হোসেন জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মাটি কাটা বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন এক কিশোরী।
ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার (৫ এপ্রিল) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়েছে।
গোলাম কিবরিয়া টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই এবং টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমানকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, গাইনি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট লুৎফুন্নাহারকে প্রধান করে তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড করা হয়েছে। এ বোর্ড ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা করবে।
ওই কিশোরী নিজে বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করেছেন, বড় মনি তাদের আত্মীয় এবং পূর্ব পরিচিত। হোয়াটসঅ্যাপে তাদের কথা হতো। ওই কিশোরীর ভাইয়ের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ হয়। ওই কথা বড় মনিকে জানানোর পর তিনি সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে গত ১৭ ডিসেম্বর শহরের আদালতপাড়ায় বড় মনির নিজের বাড়ির পাশে একটি ১০ তলা ভবনের চতুর্থ তলা ফ্ল্যাটে যেতে বলেন।
সেখানে যাওয়ার পর শারীরিক সম্পর্ক করার প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর কক্ষে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে কারো কাছে এ ঘটনা প্রকাশ করতে নিষেধ করেন। প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেন।
তার পর প্রতিনিয়ত তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং প্রথমবার ধর্ষণের সময় তোলা ছবি দেখিয়ে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করতেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, এই ধর্ষণের ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ কথা বড় মনিকে জানালে তাকে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ ও হুমকি দিতে থাকেন। কিন্তু সন্তান নষ্ট করতে রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ রাত ৮টার দিকে বড় মনি তার শ্বশুরবাড়ি আদালতপাড়ায় তুলে নিয়ে যান। সেখানে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
রাজি না হওয়ায় ওই বাসায় এক কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরে তাকে সেখানে আবার ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর বড় মনির স্ত্রী তাকে মারপিট করেন। এতে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ৩টার দিকে বাসায় পৌঁছে দেন। তার পর থেকে তাকে নানা হুমকি দেওয়া হতো। শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ থাকার জন্য মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন।

মামলা প্রসঙ্গে গোলাম কিবরিয়া বড় মনি অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও সাভারের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার তাঁর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার দলপুর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে মো. রতন (২১), মাইজবাড়ী গ্রামের জহু মিয়ার ছেলে আরিফ হোসেন (২৬), ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৫) ও রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার খেরুয়া আলম গ্রামের আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে সুজন মিয়া (২২)।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান,ডাকাতি ঘটনার পর ওই বাসের যাত্রী আরিফুর রহমান বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি মামলা করেন।ঘটনার পর থেকে মধুপুর থানা এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) সমন্বয়ে একটি দল তদন্তে নামে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়। বুধবার সকাল সাতটার দিকে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মোনতলা গ্রাম থেকে প্রথমে রতনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে চোরাই মুঠোফোন ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়।
পরে রতনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুজন মিয়া ও আরিফ হোসেনকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর উড়ালসড়ক এলাকা থেকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সর্বশেষ বেলা একটার দিকে আশুলিয়ার ফ্যান্টাসি কিংডমের সামনে থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানান,, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই চারজন ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ওই দিন তাঁরা আটজন ডাকাতিতে অংশ নেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। ওই বাস থেকে তাঁরা ১৩টি মুঠোফোন, একটি স্বর্ণের চেইনসহ প্রায় তিন লাখ টাকার মালামাল লুট করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে নিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত ১০টার দিকে ঢাকার মহাখালী থেকে ইমন পরিবহনের একটি বাস ৩০ জন যাত্রী নিয়ে জামালপুরের মাদারগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে বাইপাইল কাউন্টার থেকে আরও কয়েকজন ওই বাসে ওঠেন। ওই যাত্রীদের মধ্যে সাত–আটজন ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন। বাসটি ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে ডাকাত দলের সদস্যরা চালককে মারধর করে দেশি অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেন। পরে তাঁরা চলন্ত বাসে যাত্রীর কাছ থেকে মুঠোফোন, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করেন। এ সময় কয়েক যাত্রী বাধা দিতে গেলে ডাকাত দলের সদস্যরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের আঘাত করেন। পরে মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া পেট্রলপাম্পের কাছে বাস থামিয়ে ডাকাত দল পালিয়ে যায়।
একতার কণ্ঠঃ: আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় আবারো বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম।
এবার ২৬ তম দুবাই আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে প্রথম হলেন তাকরিম।
প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়েছেন ইথিওপিয়ার আব্বাস হাদি ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন সৌদি আরবের খালিদ সুলাইমান।
মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল)বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় প্রথম স্থান অধিকারী হিসেবে তাকরিমের নাম ঘোষণা করা হয়।
হাফেজ তাকরিমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন দুবাইয়ের শেখ পরিবারের সদস্য শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ মুহাম্মদ আল মাকতুম। উপস্থিত ছিলেন কুরআন প্রতিযোগিতার ভাইস প্রেসিডেন্ট সায়েদ হারেব-যাযাদি
তাকরিমের প্রথম স্থান অর্জন করার বিষয়টি ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন মারকাযু ফয়জিল কুরআনের শিক্ষক হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন।
হাফেজ তাকরিম মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী ঢাকা-এর কিতাব বিভাগের ছাত্র ও টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা গ্রামের হাফেজ আব্দুর রহমানের ছেলে।
এ বছরের ১২ জানুয়ারি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক নির্বাচনী পরীক্ষায় একদল বিজ্ঞ বিচারক মণ্ডলির রায়ে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি নির্বাচিত হয় তাকরিম।
এবারের প্রতিযোগিতায় শুধু তাকরিম-ই দেশের নাম উজ্জ্বল করেনি। দুবাইয়ের এই প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে ছিলেন শায়খ শোয়াইব মোহাম্মদ আলআজহারি নামে এক বাংলাদেশী আলেম।
প্রতিযোগিতার মূল পর্বে নিয়ম অনুযায়ী, তিলাওয়াতের সময় একাধারে পাঁচটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর দেন হাফেজ তাকরিম। কোনো প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রে ভুল হয়নি তার। মিষ্টি মধুর কন্ঠে তার তিলাওয়াত শুনে বিচারকেরা মুগ্ধ হয়ে পড়েন।
এর আগে বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমেদ তাকরিম সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।
এছাড়াও গত মার্চে ইরান আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় হাফেজ সালেহ আহমেদ তাকরিম প্রথম, মে মাসে লিবিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় সপ্তম স্থান অর্জন করেন। ২০২০ সালে পবিত্র রমজান মাসে বাংলাভিশন টেলিভিশন আয়োজিত হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হোন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের প্রথম ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল করার লক্ষে টাঙ্গাইলে মত বিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার(৪ এপ্রিল) বিকেলে শহরের হাবিবুর রহমান প্লাজা হল রুমে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখা ও জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যৌথ উদ্যোগে এ মত বিনিময় ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
ওলামা লীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মাও: আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ওলামা লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাও: মোহাম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী, যুগ্ম আহবায়ক মাও: আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় ওলামা লীগের জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মাও: ড. আব্দুল মোমেন সিরাজী, সদস্য সচিব মাও: দেলোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক মাও: আব্দুল কাইয়ুম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাও: আব্দুর রাজ্জাক শরিফ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আগামী ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের প্রথম ত্রি-বাষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।