/ হোম / আমাদের
টাঙ্গাইলে একদিনে সর্বোচ্চ ৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে একদিনে সর্বোচ্চ ৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দিন দিন বেড়েই চলছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৫৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে জেলায় একদিনে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলো।

বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত জেলায় মোট ৮৪৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলো। আক্রান্তরা জেলা শহরের হাসপাতাল ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদিকে ডেঙ্গু জেলা শহরের বাইরে গ্রাম অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এর আগে জেলায় গত ১ আগস্ট সর্বোচ্চ ৫৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলো। জেলায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪৮ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৬৯৮ জন। হাসপাতালে একজন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৫০ জন রোগী। জেলা শহরের বাইরে উপজেলা পর্যায়ে সবার্ধিক ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে নাগরপুর উপজেলায়।

নতুন আক্রান্তদের মধ্যে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ১, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ২৪ জন, মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে ২ জন, সদরে ১ জন, নাগরপুরে ৯ জন, ঘাটাইলে ৩ জন, মধুপুরে ৭ জন, গোপালপুরে ৬ জন এবং ধনবাড়ী উপজেলায় ৪ জন রয়েছেন।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদেকুর রহমান জানান, বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি মানুষের ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন রাখতে হবে। জমানো পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। যাতে করে ডেঙ্গু বিস্তার করতে না পারে। আক্রান্ত রোগীদের জন্য মশারি টাঙিয়ে আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৪৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাল দলিল করে জমি ক্রয়-বিক্রয়, ৪ চিকিৎসকসহ ১০জন কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাল দলিল করে জমি ক্রয়-বিক্রয়, ৪ চিকিৎসকসহ ১০জন কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের পৌর এলাকার সাবালিয়ায় জাল কাগজপত্র তৈরি করে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অভিযোগে চার চিকিৎসকসহ ১০জনকে জেলহাজাতে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৯ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল মোহসীন এ আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া চার চিকিৎসক হলেন- টাঙ্গাইল জেলা বিএমএ-এর সাধারণ সম্পাদক সিলেট মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মো. শহিদুল্লাহ কায়সার, তার স্ত্রী ডা. আসমা আক্তার, টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার আজিজুল হক, গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার তাপস চন্দ্র সাহা।

এছাড়া অন্যরা হলেন- ডা. তাপস চন্দ্র সাহার স্ত্রী মুক্তা রানী প্রামাণিক, মো. ওয়ারেস, আতোয়ার রহমান, মামুনুর রহমান, আব্দুল্লা আল মিলন ও সুলতানা ইয়াসমিন।

আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, শহরের সাবালিয়া এলাকার সাজ্জাত হোসেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগ করেন, বিবাদিরা টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮নং ওয়ার্ডের সাবালিয়া এলাকায় তাদের ১০ শতাংশ জমি জাল পর্চা তৈরি করে ক্রয় বিক্রয় করেছেন।

তিনি আরও জানান, বুধবার মামলার তারিখে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৩ ০৪:৫২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-এলেঙ্গা আঞ্চলিক সড়কে সিএনজিতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মো. আসাদ (১৪) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্র নিহত হয়েছে।

বুধবার (৯ আগস্ট) দুপুরে ভূঞাপুর-এলেঙ্গা আঞ্চলিক সড়কের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান।

নিহত আসাদ মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্সি গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। সে ভূঞাপুর উপজেলার আসাদুজ্জামান খান হাফিজিয়া মাদরাসার ছাত্র ছিল।

নিহতের পিতা জাহাঙ্গীরের বন্ধু ওয়াহেদুজ্জামান পলাশ স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, নিহতের ফুফু ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জাঙ্গাঙ্গীর বুধবার দুপুরে ভূঞাপুর থেকে তার ছোট মেয়ে ও ছেলে আসাদকে সঙ্গে নিয়ে সিএনজি যোগে তার অসুস্থ বোনকে দেখার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার পথে আঞ্চলিক সড়কের পালিমা নামক স্থানে পৌঁছালে একটি পিকআপ ভ্যান পেছন থেকে তাদের বহনকারী সিএনজিকে ধাক্কা দিলে তারা সিএনজি থেকে ছিটকে পড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আসাদকে মৃত ঘোষণা করে। তার বড় বোন আকসা গুরুতর আহত হয়ে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন সুস্থ্য রয়েছেন।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, আসাদের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, ঘাতক পিকআপ ভ্যানটি আটক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৩ ০২:১১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রত্যয়নপত্র চাওয়ায় মাদরাসা শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রত্যয়নপত্র চাওয়ায় মাদরাসা শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রত্যয়নপত্র (অভিজ্ঞতার সনদ) চাওয়ায় লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করেছে আনোয়ার হোসেন নামে ভুক্তভোগি এক মাদরাসার শিক্ষক। তিনি উপজেলার সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) হিসেবে কর্মরত।

এমন অভিযোগ উঠেছে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার, অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডল ও মনিরের বিরুদ্ধে। এছাড়াও ওই মাদরাসায় ১০ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করলেও সহকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছে না মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

ভুক্তভোগি সহাকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, সম্প্রতি মাদরাসার পার্শ্ববর্তী সিংগুরিয়া লোকের পাড়া স্যার আব্দুল হালিম গজনবী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহাকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেক্ষেত্রে অন্য প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার জন্য কর্মরত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়। বিষয়টি মাদরাসার সুপার ও সভাপতিকে অবহিত করলে গত ২৬ জুলাই মাদরাসায় মিটিং আহবান করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মিটিংয়ে প্রত্যায়ন প্রদানের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনার একপর্যায়ে কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার, অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডল ও মনির সঙ্গে তর্কবিতর্ক ঘটলে লাঞ্ছিত করে। কমরর্ত এ প্রতিষ্ঠানে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে চাকরি করলেও নানা অজুহাতে আমাকে প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছে না। ফলে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারছি না।

এ বিষয়ে মাদরাসার বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার ও অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডলকে একাধিবার মোবাইল ফোন কল করলেও রিসিভ করেননি।

মাদরাসার প্রধান (সুপার) মো. আবুবকর সিদ্দিক বলেন, ইংরেজি শিক্ষক সংকট
থাকায় প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে তাকে প্রত্যায়ন বা অভিজ্ঞতার সনদ দেওয়া হয়নি। তাছাড়া সভাপতির অনুমতি লাগবে।

এ ব্যাপারে মাদরাসার সভাপতি আলহাজ লায়ন মো. ইমদাদুল হক বলেন, মাদরাসার
স্বার্থে তাকে প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি পরে দেখা হবে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রত্যয়নপত্র আটকিয়ে রাখার কোনো বিধান নেই। বিষয়টি জানলাম। এনিয়ে সুপারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৯ আগস্ট) ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সজল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ইউপি সদস্য শহীদুল ও তার সহযোগী কাজলের বিরুদ্ধে ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।

ভুক্তভোগীর মা জানান, আমার মেয়ের চাকরির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির জন্য আমার মেয়ে ইউপি সদস্য শহিদুলের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদে যায়। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ বন্ধ থাকায় শহিদুল আমার মেয়েকে মিথ্যা কথা বলে, তার এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

ভুক্তভোগী জানান, শহিদুল মেম্বারের সঙ্গে আমি আমার জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখি, ইউনিয়ন পরিষদ তালা বদ্ধ। পরে শহিদুল মেম্বার আমাকে বলে তার বন্ধু জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কাজ করে। এ সময় আমাকে নিয়ে সেই বাড়িতে যায়। এ সময় ঘরের ভেতর প্রবেশ করার পর সে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং আমাকে ধর্ষণ করে। পরে আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। আমি একজন অসহায় মেয়ে। আমার পরিবারে মা ছাড়া আর কেউ নেই। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য শহিদুলের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঘাটাইল অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সজল খান জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ১১:১৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় লিটন মিয়া (২০) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার(৯ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লিটন মিয়া জেলার মধুপুর উপজেলার পরীগাছা গরম বাজার গ্রামের ছোয়াদ আলীর ছেলে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আলী আহমদ জানান, দণ্ডিত আসামী লিটন মিয়ার সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সুবাদে তার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর বিকেলে ভিকটিমের মা বাড়ির বাইরে থাকায় দণ্ডিত আসামী ভিকটিমের বাড়িতে এসে তার ঘরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ভিকটিম ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে। পরে বিয়ের কথা বললে, ভিকটিমকে বিয়ে না করে হুমকি প্রদর্শণ করে। পরে ভিকটিমের মা বাদি হয়ে মধুপুর থানায় ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে মধুপুর থানার এস আই ছানোয়ার হোসেন ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান,ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুটির ভরণ পোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করবে।

উল্লেখ্য,বাদি পক্ষের মামলা দায়ের থেকে মামলার রায় ঘোষণা পর্যন্ত এই মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করেন মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ ও বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে এডভোকেট জিনিয়া বখ্শ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ১০:১৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল সদরে ৬৭ টি গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদরে ৬৭ টি গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে আরো ৬৭ট ঘর ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার(৯ আগষ্ট ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপহারের নতুন ঘর হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এর পর সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ৬৭ টি পরিবারের মাঝে ঘরের দলিল হস্তান্তর করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান বিন আলী, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অতনু বড়ুয়া, বাঘিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. এসএম মতিউর রহমান মন্টু, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান মজনু চৌধুরী দাইন্না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আফজাল হোসেন প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ১০:৫৬:পিএম ৩ বছর আগে
নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পেলেন টাঙ্গাইলের ফুটবলার কৃষ্ণা রাণী - Ekotar Kantho

নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পেলেন টাঙ্গাইলের ফুটবলার কৃষ্ণা রাণী

একতার কণ্ঠঃ নারীদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেলেন টাঙ্গাইলের গর্ব, বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় নারী ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড়কে এ পুরস্কার তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদক পাওয়ার পর কৃষ্ণা রাণী সরকার বলেন, নারীদের জন্য সর্বোচ্চ পদক বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেয়ে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদকের পাশাপাশি জাতীয় দলের সকল খেলোয়াড়কে ১ লাখ টাকা করে প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা নমিতা রানী জানান, আমার মেয়ে নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পাওয়ায় আমি গর্বিত।

পদক পাওয়ার সংবাদে উচ্ছ্বসিত কৃষ্ণা রাণী সরকারের বাবা বাসুদেব সরকার জানান, আমার মেয়ে আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে পুরস্কার পেয়েছে। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক মেয়ের সেরা প্রাপ্তি। কৃষ্ণা বারবার দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবে, এটাই সবসময় আশির্বাদ করি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ০৪:৪০:এএম ৩ বছর আগে
নাগরপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর হস্তান্তর উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

নাগরপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর হস্তান্তর উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৪র্থ পর্যায়ে (২য় ধাপ) ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ জমি সহ বরাদ্দকৃত ঘর সমূহ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন ও হস্তান্তর উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদুজ্জামান জানায়, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় বুধবার (৯ আগস্ট) নাগরপুরে তিনটি ইউনিয়নে মোট ৩৮ টি ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এসব উপকার ভোগীদের মাঝে জমির দলিলসহ বাড়ির চাবিও হস্তান্তর করা হবে। ইতোমধ্যে সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়ন শেষে তাদের অনুকূলে দলিলের নাম খারিজের কাজ শেষ হয়েছে।

উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, নাগরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন, প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু বক্কর, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল হক বাবু, নাগরপুর প্রেসক্লাবের সদস্য খালেদ মাহমুদ সুজন, ইউসুফ হোসেন লেনিন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশরাফুল হক বাবু, প্রচার সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রিপন কুমার সাহা সহ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ০২:০১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ, আলোচনা সভা, সেলাই মেশিন বিতরণ, মোনাজাত ও দোয়া মাহফিল ইত্যাদি।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের জনসেবা চত্ত্বরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শামীম আরা রিনি, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।

পরে দুস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

এদিকে, জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে তাঁর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ০২:২০:এএম ৩ বছর আগে
৯ মাস পর টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন - Ekotar Kantho

৯ মাস পর টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

একতার কণ্ঠঃ সম্মেলনের দীর্ঘ ৯ মাস পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। সোমবার (৭ আগস্ট) দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে এই কমিটির অনুমোদনপত্রে সই করেছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

অনুমোদনপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। সহ-সভাপতিরা হলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমান আনিস, ছানোয়ার হোসেন, ডা. কামরুল হাসান খান, নাহার আহমদ, শাহজাহান আনসারী, কুদরত-ই-এলাহি খান, বাপ্পু সিদ্দিকী, তারেক শামস খান হিমু, ইনসাফ আলী ওসমানী।

এছাড়া সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের। কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন সুভাষ চন্দ্র সাহা, তানভীর হাসান ছোট মনির ও মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু।

আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস. আকবর খান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাজমুল হুদা নবীন, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মিয়া (চান মিয়া), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান ফারুক।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউর রহমান চঞ্চল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আনোয়ার হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এহসানুল ইসলাম আজাদ (সর্দার আজাদ), শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মহসীন শিকদার, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু। শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওয়াজির হাসান খান শরীফ হাজারী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম বজলুর রহিম রিপন।

সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান খান সোহেল, খান আহমেদ শুভ।
উপ-দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, কোষাধ্যক্ষ বাহারুল ইসলাম মিন্টু।

কমিটির সদস্যরা হলেন আতাউর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, সোহরাব আলী খান আরজু, মনোয়ারা বেগম, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, মাহবুব আলম মল্লিক, আবু হানিফ আজাদ, সিরাজুল হক আলমগীর, অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, খন্দকার মসিউজ্জামান রুমেল, আকরাম হোসেন কিসলু, অ্যাডভোকেট শামীমুল আক্তার, আমিরুল ইসলাম খান, আব্দুল গফুর মন্টু, কুতুব উদ্দিন, মাহমুদুল হাসান মারুফ, হারুনার রশীদ হীরা, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা, আনিসুল মান্নান শাহেদ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, খালিদ হোসেন খান পাপ্পু, ড. মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) খন্দকার আব্দুল হাফিজ, মাহমুদুর রহমান তালুকদার আজাদ, সাখাওয়াত হোসেন, ইয়াকুব আলী, জেবুন্নেছা চায়না, ডা. জাকিয়া ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (মঈন সিদ্দিকী), সুজয় দেব, অ্যাডভোকেট মাসুদুল হাসান, রাফিউর রহমান ইউছুফ জাই, আমিনুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ০২:১১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার ৫ আসামি রিমান্ডে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার ৫ আসামি রিমান্ডে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামের গজারি বনে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ আসামির তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাদল কুমার চন্দ রবিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে এ আদেশ দেন।

জানা যায়, আসামিদের সবার বাড়ি উপজেলার কচুয়া গ্রামের দক্ষিণপাড়া এলাকায়। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হচ্ছে- বুলবুল আহমেদ (২৪), লাবু মিয়া (২৬), মোহাম্মদ বাবুল (৩০), আসিফ হোসেন (২৩) ও শফিক আহমেদ (২৫)। এছাড়া, গ্রেপ্তারকৃত অপর আসামী মোজাম্মেল হক (৩০) গত শুক্রবার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) বিকেলে সখীপুর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের কচুয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় চাঁদেরহাট নামক বিনোদনকেন্দ্রে বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে আসামিরা এক দম্পতিকে আটক করে গজারি বনে নিয়ে যান। এ সময় তারা স্বামীকে প্রহার ও বেঁধে রেখে দলবদ্ধভাবে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। ওই দিন রাত ১টার দিকে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ওই গৃহবধূ সখীপুর থানায় মামলা করেন। পুলিশ ওই রাতেই ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সালাউদ্দিন জানান, শুক্রবার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করলে রবিবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন। আদালত শুনানি শেষে পাঁচ আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, চাঁদের হাটের এলাকার বাইরে কচুয়ার বনে সংগঠিত এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ৬ আসামী স্থানীয় কিছু বখাটে যুবক। এরা বেড়াতে আসা লোকজনকে, বিশেষ করে অপরিচিত যুগলকে টার্গেট করে আটক করে পাশের জঙ্গলে নিয়ে নির্যাতন করে। টাকা-পয়সা, মুঠোফোন ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম ঘটায়। ইতিপূর্বে যারা ধরা পড়েছেন, তারা সবাই সরকারি দলের ছত্রচ্ছায়ায় ছিঁচকে সন্ত্রাসী। তাদের কেউ কেউ মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত, নেশাগ্রস্ত সন্ত্রাসী চক্র বলে জানা গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:০৪:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।