একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ ২৪ বছর পর সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং তার ছোট ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী একই মঞ্চে একত্রিত হয়েছেন। একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের এক মঞ্চে হাজির হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।
এর আগে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে কালিহাতীর আউলিয়াবাদে একটি অনুষ্ঠানে দুই ভাই একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এরপর নানা কারণে দুই ভাইকে আর এক মঞ্চে দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী একই মঞ্চে উঠে বক্তব্য দেন।
কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর উদযাপন কমিটির সভাপতি এ এম এনায়েত করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। এ সময় কাদেরিয়া বাহিনীর বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন, কবি বুলবুল খান মাহবুব, কবি আল মুজাহিদী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সহধর্মিণী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী প্রমুখ।
এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা একত্রিত হওয়ায় মিলনমেলায় পরিণত হয় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ। জাতির বীর সন্তানরা একে অপরকে কাছে পেয়ে আবেগ আপ্লুত হন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, দীর্ঘ বছর পর একই মঞ্চে দুই ভাই উপস্থিত হয়েছি। অনুষ্ঠানে সরকার থেকে আওয়ামী লীগের মৃনাল কান্তি রায়কে পাঠানো হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে তার বাসভবনে গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী আমাকে ভাই হিসেবে ডেকে ছিলেন। তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি পরিবার নিয়ে। বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে আমাদের।
একতার কণ্ঠঃ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদ ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো .আব্দুল্লাহ আল মামুন।
বুধবার(১৮ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের পিছনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আব্দুল্লাহ আল মামুন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে জানান,, বুধবার বেলা সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক তাঁতে বাধা প্রদান করেন।
আব্দুল্লাহ আল মামুন আরো জানান,সমিতির গঠনতন্ত্রের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তার সদস্য পদসহ সাধারণ সম্পাদকের পদ বাতিল করা হয়েছে।২০১৯ সালের ২০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হলের কেয়ারটেকার হিসেবে যোগদান করেন তিনি। ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
গত বছরের ১১ ডিসেম্বর নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশক্রমে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ‘উচ্চমান সহকারীর বিপরীতে অস্থায়ীভাবে নিম্নমান সহকারী’ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। তার প্রতিদ্বন্দি মো. জাহিদুল ইসলামের অভিযোগে গত ৭ জানুয়ারি কার্যকরি পরিষদের ৪১ তম সাধারণ সভায় তার সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদ বাতিল করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো অভিযোগ করে জানান, সমিতির গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ৫ এর ক ধারায় নিয়োগপত্রে ‘অস্থায়ীভাবে’ উল্লেখ থাকলে সদস্যপদ বাতিল হবে এমন ব্যাখ্যা নেই। তার নিয়োগপত্র বৈধ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ বাছাই বোর্ডের সুপারিশক্রমে দেয়া হয়েছে অথচ এডহক (সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে) বা অবেক্ষাধীন (অস্থায়ী) হিসেবে চাকুরীতে কর্মরত আছে তাদের সমিতিতে সদস্য পদ বাতিল হচ্ছে না। গঠনতন্ত্রের সঠিক ও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ব্যতীত সাধারন সভা ছাড়াই কোন সদস্যের সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কার্যকরী পরিষদের নেই। বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার, শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতিকে সমস্যা সমাধানের জন্য লিখিতভাবে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান জানান, যা করা হয়েছে, সবই সমিতির গঠণতন্ত্র মোতাবেক করা হয়েছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে ওই পদে নির্বাচন দেয়া হবে। তিনি যদি সাধারণ সম্পাদক পদ ব্যবহার না করে জবাবের চিঠি দিতো তাহলে তার চিঠি গ্রহণ করা হতো। তার চিঠিতে সাধারণ সম্পাদক উল্লেখ থাকায় তার চিঠি গ্রহণ করা হয়নি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্যাদারিং বা সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রক্টরের অনুমতি লাগবে।
তিনি আরো জানান, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখিত কোন অনুমতি না নেওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।
১০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপির নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতাকর্মীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান স্মৃতি, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সহ আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯ টা ১০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলামকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধু ম্যূরালে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিকাল ৪ টায় বঙ্গবন্ধু ম্যূরাল চত্ত্বরে ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং ঐ দিনের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচারের আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র নির্বাহী কামিটির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহ্জাহান বলেন, বিএনপি ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা ক্ষমাতায় আশার জন্য আন্দোলন করছি না। আমরা আন্দোলন করছি ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য। এ দেশে দিনের ভোট রাতে হয়। রাতের ভোটের সরকার কি করতে পারে।
তিনি আরো বলেন,তারা পারে বিএনপি’র নেতা কর্মীদের গ্রেপ্তার করা ও গুম খুন করা। দলের মাহাসচিবকে গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছে। তাতেই বোঝা যায় আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপি’র আন্দোলন দেখে ভয় পায়।
রবিবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের পৌর এলাকায় অবস্থিত সিলমি কমিউনিটি সেন্টারে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপি ঘোষিত আন্দোলনের ১০দফা এবং রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রুপরেখা বিষয়ে ব্যাখা ও বিশ্লেষন ধর্মী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ সব কথা বলেন।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসনুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ওবায়দুল হক নাসির প্রমুখ।
আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
একতার কণ্ঠঃ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার জেলা সদর রোডে অবস্থিত ঢাকা ক্লিনিকের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও রায়ের প্রতিবাদে আয়োজিত এই বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাজ্জাদ কবির সুমন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ রাকিব হোসেন, রানা আহমেদ, কায়সার রহমান লিমন সহ থানা ও শহর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
প্রকাশ,বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেন।
একতার কণ্ঠঃ মাত্র ৭১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ডিমসহ মোরগ পোলাও। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বাজারে এমন উদ্যোগ অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটিই সত্য। প্রায় তিন মাস ধরে ভ্রাম্যমাণ হোটেলটি পরিচালিত হচ্ছে টাঙ্গাইল পাসপোর্ট ও নির্বাচন অফিস চত্বরে।
‘রাযীয বিরিয়ানি’ নামে ভ্রাম্যমাণ ওই হোটেলটি গড়ে তুলেছেন স্থানীয় তিন যুবক। কমমূল্যে সুস্বাদু মোরগ পোলাও বিক্রির এই মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রেতাসহ স্থানীয়রা।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের আত্মাহুতি আর ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ এর মূল্য ৭১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। ৭১ টাকায় ডিমসহ মোরগ পোলাও বিক্রির ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে ৭০ টাকা রেখে বাকি ১ টাকা জমা করে হতদরিদ্রদের মাঝে খাবার সরবরাহ করছেন উদ্যোক্তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইল পাসপোর্ট ও নির্বাচন অফিস চত্বরে খোলা জায়গায় বসেছে ভ্রাম্যমাণ রাযীয বিরিয়ানি নামের হোটেলটি। ১০-১২টি প্লাস্টিকের টুল রাখা হয়েছে ক্রেতাদের জন্য। এর কয়েকটিতে বসে ক্রেতারা খাচ্ছেন। খাওয়া শেষে প্লাস্টিক জারে পানির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে কোনো বাবুর্চি বা শ্রমিক নেই হোটেলটিতে।
শহর ঘুরে দেখা গেছে, হাজী বিরিয়ানি হাউজে ডিমসহ মোরগ পোলাও হাফ প্লেট ১৫০ আর ফুল প্লেট ৩০০ টাকা, নান্না বিরিয়ানিতে শাহী মোরগ পোলাও হাফ প্লেট ১৫০ আর ফুল প্লেট ২৮০ টাকা, নবাব বিরিয়ানি হাউজে মোরগ পোলাও হাফ প্লেট ১৪০ টাকা আর স্পেশাল শাহী বিরিয়ানি হাউজে মোরগ পোলাও বিক্রি হচ্ছে হাফ প্লেট ১৪০ আর ফুল প্লেট ২৮০ টাকায়।
এদিকে রাযীয বিরিয়ানির উদ্যোক্তা কালিহাতীর এলেঙ্গা শামসুল হক মহাবিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র আব্দুল্লাহ জানান, টাঙ্গাইল পৌর শহরের ৩নং ওয়ার্ডের হাউজিং এলাকার বাসিন্দা বড় ভাই রাজীব হোসেন, সাদিক আর আমি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছি। তবে কারও চাকরি ভালো লাগেনি। এ কারণে আমরা বাড়িতে ফিরে আসি। আমাদের উপার্জনসহ সমাজের জন্য কিছু করার কথা মাথায় আসে। ভাবনা থেকেই হোটেল করা আর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের আত্মাহুতি ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ আমাদের ভ্রাম্যমাণ হোটেলে মোরগ পোলাওয়ের দাম নির্ধারণ হয়েছে ৭১ টাকা। এর মধ্যে ১ টাকা অবহেলিত ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রতিদিনই খেতে না পারা ওই ব্যক্তিদের দেওয়া হচ্ছে জনপ্রতি জমা হওয়া ১ টাকা থেকে খাবার।
তিনি আরও জানান, সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার ব্যতীত পাঁচদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে এই হোটেল। হোটেলে গড়ে প্রতিদিন তাদের ১০-১২ কেজি চালের মোরগ পোলাও বিক্রি হচ্ছে। এই পরিমাণ চালে ১০০-১২০ প্লেট মোরগ পোলাও হয়।
স্পেশাল শাহী দম বিরিয়ানি নামের মোরগ পোলাও তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে চিনিগুড়া চাল, ব্রয়লার মুরগি ও সরিষার তেল। এক প্লেট মোরগ পোলাওয়ে দেওয়া হচ্ছে পোলাওসহ এক টুকরো মুরগির মাংস, হাফ ডিম, লেবু আর শসা। নিজেরাই রান্না করাসহ সব কার্যক্রম পরিচালনা করায় এত কম টাকায় বিক্রির পরও তাদের লাভ হচ্ছে প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ বলেও জানান এ উদ্যোক্তা।
টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের গ্রাহক ও হোটেলের ক্রেতা গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল গ্রামের সুমী বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য ৭১ টাকায় বিরিয়ানি মানে অনেক কিছু। এই বিরিয়ানি যদি আমরা হোটেল বা রেস্তোরাঁয় খেতে যাই তাহলে সর্বনিম্ন বিল হবে ১৪০-১৮০ টাকা। পরিবেশসহ খাবারের মানও ভালো। সরিষার তেল দিয়ে খাবারটি রান্না করায় এটি খুবই স্বাস্থ্যসম্মত।
পাসপোর্ট অফিসে আসা আরেক গ্রাহক ও হোটেলের ক্রেতা এম রতন মিয়া বলেন, টাঙ্গাইল ফুডিস নামের একটি গ্রুপে এই হোটেলটির খোঁজ পাই। বেশ কয়েকবার এই হোটেলের মোরগ পোলাও খেয়েছি। খুবই মানসম্মত। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) পাসপোর্ট অফিসে কয়েকজন বন্ধু মিলে এসেছি। এই সুযোগে পাঁচ প্যাকেট নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, অনেকেই ভাবতে পারেন এই মোরগ পোলাওয়ের দাম কম তাই মান ভালো হবে না। তাদের বলছি, এমনটা নয়। এই হোটেলের মোরগ পোলাও খুবই মানসম্মত ও সুস্বাদু। রিকশা, ভ্যানচালকসহ সব শ্রেণির মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা হয়েছে এই মোরগ পোলাওয়ের দাম।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ এই হোটেলের মালিক রাজীব হোসেন জানান, মানুষকে কম দামে ভালো খাবার দেওয়ার জন্য আমরা এটি প্রাথমিকভাবে শুরু করি। শুরুর পর থেকেই আমরা ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাই। এরই মধ্যে ক্রেতারা এর মান ভালো বলে জানিয়েছেন।
তিনি আরো জানান, প্রকৃত বাবুর্চি না হওয়ায় প্রথম দিকে রান্নায় কিছুটা সমস্যা হলেও আড়াই মাসের বেশি সময় হওয়ায় এখন আমরা মানসম্মত রান্না করতে পারছি। এ খাবার প্রতিদিন দুপুরে আমরাও খাই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে খ্রিষ্টীয় বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪২৭টি নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা সদর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দীন হায়দার অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আব্দুর রহিম সুজন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার আলম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ। পরে অতিথিরা টাঙ্গাইল কালেক্টেরট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় পাঁচ লাখ ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৯ লাখ ৭ হাজার ১১৮টি এবং চার লাখ ৪০ হাজার মাধ্যমিক শিক্ষার্থীর মাঝে ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩০৯ টি বই বিতরণ করা হচ্ছে।
এছাড়াও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের মিন্টু মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (১লা জানুয়ারী) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন বই বিতরণ করে টাঙ্গাইল সদর থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শেখ ফরিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পর্ষদের সভাপতি মো. আব্দুর রহিম বাদশা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক ইউপি সদস্য মো. আফজাল হোসেন খান, ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দুলাল সরকারসহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকবৃন্দ।
বিতরণ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনীর শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নাশকতার অভিযোগে পুলিশের করা একটি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বিএনপির ১৭ নেতাকর্মীকে মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) আটকের পর পৃথক দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় প্রত্যেকের ৭ দিন করে রিমান্ড চায় পুলিশ।
আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ জানান, টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুপন কুমার দাসের আদালত আগামী ২৮ ডিসেম্বর আসামিদের রিমান্ড আবেদনের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন এবং ৯ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এই ৯ নেতাকর্মী হলেন-টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আশরাফুল আলম, জহিরুল ইসলাম ইরান, গোলাম সরোয়ার, বেলায়েত হোসেন খান, আশরাফ আলী, লুৎফর রহমান, রাশেদুল ইসলাম, ওমর আলী ও মারুফ সরোয়ার।
তবে মারুফ সরোয়ারের রিমান্ড আবেদনের শুনানির তারিখ বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) নির্ধারণ করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, অপর ৯ বিএনপি নেতাকর্মীকে ভবঘুরে হিসেবে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
তিনি আরো জানান, বিএনপির ২৪ ডিসেম্বরের গণমিছিল কর্মসূচিকে বানচাল করতে অবৈধ সরকারের আজ্ঞাবহ পুলিশ আহেতুক কর্মীদের আটক করে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে এবং কারাগারে পাঠিয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রয়াত বিএনপি নেতা ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুকের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভা শেষে ফেরার পথে ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) দুুপুরে পৌর শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় অবস্থিত সিলমী কমিউনিটি সেন্টারের সামনের রাস্তা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সদর থানার ওসি(তদন্ত) হাবিবুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মারুফ সারোয়ার, ২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আলমগীর হোসেন , জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রাকিব হাসানসহ ১৭ নেতাকর্মী।
গ্রেপ্তারের বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, সরকার পতনের আন্দোলন বন্ধ করতে সরকারের মদদে এই গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। এ কারণে একজন শহীদের শান্তিপূর্ণ মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওই নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি খুবই নেক্কার জনক ঘটনা আমি এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিএনপি’র প্রয়াত নেতা ফারুকের স্মরণসভা থেকে ফেরার পথে ১৭ জন নেতাকর্মী গ্রেপ্তারের বিষয়ে নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই । এ অগণতান্ত্রিক সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। তিনি অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।
এ বিষয়ে সদর থানার ওসি(তদন্ত) হাবিবুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা না বলে তথ্য দেওয়া যাবেনা, পরে প্রেস ব্রিফিং করে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুকের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে পৌর এলাকার সিলমী পার্টি সেন্টারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এড.আহমেদ আযম খান ।
সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন,সাধারণ সম্পাদক এড.ফরহাদ ইকবাল, নিহত রফিকুল ইসলাম ফারুকের ছোট ভাই দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম লাবু প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে নিহতের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে গণভোজের আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান এড.আহমেদ আযম খান বলেন,একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে, শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের গড়া গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে এই কর্তৃত্ববাদী শাসক দূর্বিষহ করে তুলেছে। সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম কে পঙ্গু করে ফেলেছে এই সরকার। তিনি হত্যাকারীদের দ্রুত শাস্তি দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ২০ ডিসেম্বর ভোরে টাঙ্গাইল শহরের বটতলা কাঁচাবাজারে কাছে রফিকুল ইসলাম ফারুককে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
একতার কণ্ঠঃ হাসপাতালে ভর্তি অসুস্থ বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনসার আলীর চিকিৎসার খোঁজখবর জানতে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা ইউনিট’এর সভাপতি হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের একটি প্রতিনিধি দল সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে উপস্থিত হন।
উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের নেতৃবৃন্দ বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনসার আলীর সুচিকিৎসার বিষয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেন।কর্তব্যরত চিকিৎসক উনার চলমান শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ’-এর কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মিজান, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি সোহেল সোহরাওয়ার্দী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ আমিনুর রহমান মিল্টন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনসার আলী সাহেবের কনিষ্ঠপুত্র ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল শহর শাখার যুগ্মআহ্বায়ক ইমদাদুল হক এবং জৈষ্ঠপুত্র টাঙ্গাইল জেলা শাখার সদস্য নাসির উদ্দিন।