একতার কণ্ঠঃ ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার টাকা ও সাজা কমানোর আশ্বাসে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ২ এর গাড়ী চালক সাদ্দাম এর বিরুদ্ধে।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের ইলেকট্রিক মিস্ত্রি মানিকের দোকান ও আবাসিক বসত বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণে বেসপ্লেটহীন মিটার ও মিটারের যন্ত্রাংশ পায় বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ (বিউবো)এর সংযোগ বিচ্ছিন্নকারী দলের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ অপরাধে বিবাদীর বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ আইনে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিসাধনের মামলা দায়েরসহ সমন জারি করা হয়।
মামলা নিষ্পত্তির আশ্বাসে বিবাদীর কাছ থেকে অগ্রীম তিন লাখ টাকা ঘুষ নেন গাড়ী চালক সাদ্দাম বলে জানিয়েছেন বিবাদী মানিক মানিয়ার ওরফে হোসেন।
৩২(১)/৩৩/৩৮ ধারায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ও আব্দুল আজিজের ছেলে মানিক ওরফে মানিয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের দায়েরকৃত মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিবাদীর দোকান ও আবাসিক বসত বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণে বেসপ্লেটহীন মিটার ও মিটারের যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়। এ সময় তার বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং এর বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। টেম্পারিং ও পার্শ্ব সংযোগ ব্যবহার করে বিউবোর আনুমানিক ৪ লাখ টাকা ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।
ওইদিন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ বিদ্যুৎ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রেজোয়ানা রশীদ সাক্ষরিত আসামীর প্রতি জারীকৃত সমনে আগামী ২০ মার্চ বিবাদী অথবা উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবাদী মানিক ওরফে মানিয়ার হোসেন বলেন, আমার বৈদ্যুতিক দোকান আর বাড়ির সংযোগ একটি। এছাড়াও স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় বৈদ্যুতিক সমস্যায় পরে আমার স্মরণাপন্ন হন। সমস্যাগুলোর বেশির ভাগই হয় মিটারে। তবে বিকল হওয়া মিটার মেরামত করা সম্ভব নয় বলে আমি নতুন মিটার লাগিয়ে সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করি। বিকল হওয়া তিন/চারটি মিটার আমার বাড়ি ও দোকানে পান পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অপরাধে আদালতের বিচারক মামলা দায়ের করাসহ একটি সমন দেন। তার কাছে মিটার রাখা অপরাধ হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আমি ভীত থাকার সুযোগ নিয়ে অভিযানে থাকা বিদ্যুৎ অফিসের গাড়ী চালক সাদ্দাম আমাকে দেড় বছরের জেল আর ১৭ লাখ টাকা জরিমানার ভয় দেখান। এ জরিমানা আর জেল থেকে বাঁচতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফোন দিলেও এ সাজা মওকুফ হবে না বলে তার ব্যক্তিগত নম্বরটি আমাকে দিয়ে যান। ওই দিন বিকেলে গাড়ী চালক সাদ্দামের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোনে কথা না বলে দ্রুত সাক্ষাত করতে বলেন। আমি বেবীস্ট্যান্ড এলাকায় গাড়ী চালক সাদ্দামের সাথে সাক্ষাৎ করি। তিনি আমাকে মামলা থেকে মুক্ত করাসহ সাজা মওকুফ করার জন্য নয় লাখ টাকা দাবি করেন। আমি বাধ্য হয়ে ওই দিন বিকেলেই একাধিক স্বাক্ষী নিয়ে তিন লাখ টাকা গাড়ী চালক সাদ্দামকে দিই। এরপর আমি আদালত থেকে মামলার নকল তুলে দেখতে পাই সেখানে চার লাখ টাকা ক্ষতিসাধনের মামলা করা হয়েছে।
দায়েরকৃত মামলার জরিমানার বিষয়টি গাড়ী চালক সাদ্দাম ও উপ-সহকারি প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ্ জিহাদকে জানাই। এ সময় তারা বলেন. এত টাকা আমি পরিশোধ করতে পারবোনা বলে তারা অনুরোধ করে মামলার ক্ষতিসাধন চার লাখ টাকা হয়েছে সেটি নির্ধারণ করতে সহায়তা করেছেন।
টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত গাড়ী চালক আসাদুজ্জামান সাদ্দাম। তিনি বলেন, আমি একজন গাড়ী চালক, আমার পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা বা জরিমানা মিমাংসার ক্ষমতা আছে কি ? তাহলে কেন আমি টাকা নিব আর টাকা নেওয়ার কোন প্রমাণ আছে কিনা সে বিষয়টিও জানতে চান তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই তার শ্বশুর আমিনুর সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে সংবাদ প্রচার নিয়ে সতর্ক করাসহ এক সংবাদকর্মীকে চাঁদাবাজ বলে উল্লেখ করেছেন।
টাঙ্গাইল বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ২ (বিউবো) এর সহকারি প্রকৌশলী মো. আব্দুল আল আজমাইন বলেন, আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনাকালে আলোকদিয়ার ইলেকট্রিক মিস্ত্রি মানিকের দোকান ও আবাসিক বসত বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণে বেসপ্লেটহীন মিটার ও মিটারের যন্ত্রাংশ পাই। একই সময় তার বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। টেম্পারিং ও পার্শ্ব সংযোগ ব্যবহার করে বিউবোর আনুমানিক ৪ লাখ টাকা ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। এ কারণে পরিচালিত অভিযানে আমি বাদী হয়ে মানিকের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ আইনে মামলা করি। এ ব্যাপারে ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইন ৩২(১)৩৩/৩৮ ধারায় মামলা নং ১০৯/২৩ দায়ের করাসহ সমন জারি করেছেন আদালতের বিচারক।
তিনি আরও জানান, জরিমানার টাকা নগদ গ্রহণের কোন সুযোগ নেই। নির্দেশনা অনুযায়ি ব্যাংকের মাধ্যমে জরিমানা টাকা আদায় করাসহ বিদ্যুৎ বিভাগ পরিশোধের একটি প্রত্যায়ন দেয়ার বিধান রয়েছে। পরিচালিত ওই অভিযানে থাকা গাড়ী চালক সাদ্দাম বিবাদীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন কিনা বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
টাঙ্গাইল বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ২ (বিউবো) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহগির হোসেন জানান, হাতে টাকা নেয়ার কোন সুযোগ নেই। যদি বিদ্যুৎ অফিসের গাড়ী চালক এ ধরণের প্রতারণা করে থাকেন, তাহলে ভুক্তভোগী গ্রাহককে ওই চালকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
টাকা পরিশোধের নিয়ম সম্পর্কে তিনি জানান, বিদ্যুৎ অফিস থেকে গ্রাহককে একটি বিল করে দেওয়া হবে। গ্রাহক সেই বিল অনুপাতে টাকা ব্যাংকে পরিশোধ করবেন। গ্রাহক ব্যাংকের ওই পরিশোধের স্লিপ আদালতে জমা দিবেন। পরবর্তীতে বিদ্যুৎ বিভাগ গ্রাহককে একটি প্রত্যায়ন দেবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের অকুর টাকুর পাড়ায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত নাহিদ চৌধুরীকে উদ্ধার ও ৮ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে অপহরণকারীদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান(২৮), গাজীপুর জেলার মৌচাক চা বাগান গ্রামের(বর্তমানে টাঙ্গাইল শহরের পারদিঘুলিয়ায় বসবাসরত) মো. শহীনের ছেলে রাকিব(১৯), টাঙ্গাইল শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়ার রমজান মন্ডলের ছেলে মহম্মদ মন্ডল(৪০), সঞ্জু মন্ডলের ছেলে নাউম মন্ডল(২০), আনোয়ার হোসেনের ছেলে রনি(১৯), আরজু মিয়ার ছেলে আলম মিয়া(১৯), জমের মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা(১৯) ও পারদিঘুলিয়ার মৃত মজিবর মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া(৪০)।
জানা যায়, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের আ. কাইয়ুম রুবেল চৌধুরীর ছেলে মো. নাহিদ চৌধুরীকে(২৫) একই গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান ১২-১৩ জন মিলে কুমিল্লা জেলা সদরের কোতওয়ারী থানা এলাকা থেকে কৌশলে অপহরণ করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর মুসলিমপাড়া একটি বাসায় আটকে রেখে তার মা মোছা. নাছিমা আক্তার শিমার কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে।
এক পর্যায়ে নাহিদ চৌধুরীর মা মোছা. নাছিমা আক্তার শিমা বিকাশের মাধ্যমে ৪ হাজার টাকা অপহরণকারীদের কাছে পাঠায়। এতে অপহরণকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে নাহিদ চৌধুরীর উপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরে মোছা. নাছিমা আক্তার শিমা কুমিল্লা কোতওয়ালী থানায় বিষয়টি অবগত করলে তারা টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়।
টাঙ্গাইল থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে অপহরণকারীদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে শহরের আকুর টাকুর মুসলিমপাড়ার একটি বাসায় অভিযান চালায়। অভিযানে অপহৃত নাহিদ চৌধুরীকে উদ্ধার ও উল্লেখিত ৮ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া জানান, অপহৃত নাহিদ চৌধুরীর মা নাছিমা আক্তার শিমা বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অপহৃতকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তারকৃত ৮ অপহরণকারীর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সদরের আদালত চত্বর এলাকায় ভুয়া কাজির ছড়াছড়ি হওয়ায় অবাধে চলছে বাল্যবিবাহ। অধিক লাভের আশায় এসব ভুয়া কাজিদের পরোক্ষ মদদ দিচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র। তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে প্রকাশ্যে বাল্য বিয়ে পড়াতে সমর্থ হচ্ছে এসব কাজিরা।
টাঙ্গাইল জেলা রেজিষ্ট্রার মো. মাহফুজুর রহমান খান জানান, এ বিষয়ে লিখিতসহ একাধিক মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মহাদয়ের পরামর্শক্রমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এই এলাকার জন্য নির্ধারিত নিবন্ধন প্রাপ্ত কাজির ডিআর বই ব্যবহার না করে অন্য এলাকার কাজির ডিআর বই নিয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিয়ে পড়ানো হচ্ছে হরহামেশাই। তাদের দৌরাত্ব্যে বঞ্চিত হচ্ছে অত্র এলাকার জন্য নিবন্ধন প্রাপ্ত কাজি।
এ বিষয়ে তদারকির জন্য জেলা রেজিস্ট্রারের উপর দায়িত্ব থাকলেও অজ্ঞাত কারণে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যকরী পদক্ষেপ নেয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সখিপুর উপজেলার নলুয়া বাছেদ খান উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীর বিয়ে পড়াচ্ছেন মো. শাহীন মিয়া নামের এক কাজি। তিনি দীর্ঘ পনের বছর যাবত কোন রকম বৈধ কাজির সনদ ও কাগজপত্র ছাড়াই কোর্ট চত্বরে বিয়ে পড়িয়ে আসছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের আব্দুল হাই কাজির ডি আর বইসহ মধুপুর, মির্জাপুর ও সখিপুরের ডিআর বই ব্যবহার করে অধিক টাকার বিনিময়ে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ পড়াচ্ছেন। এসব বাল্যবিয়ে পড়িয়ে টাঙ্গাইল শহরের একটি ক্লিনিকের অংশীদারসহ কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন তিনি।
তার ছত্রছায়ায় একাধিক কাজি কোর্ট চত্বরে দেদারছে চালাচ্ছে বিবাহ রেজিস্ট্রি ও তালাক নিবন্ধন। অধিক মুনাফার আশায় আদালত চত্বরে কর্মরত বেশ কিছু আইনজীবী তাদের সেরেস্তা ব্যবহার করতে দিচ্ছেন এই সব ভুয়া কাজিদের। ফলে আইনজীবীদের সেরেস্তা ব্যবহার করেই এসব বাল্যবিবাহ পড়ানো হচ্ছে।
কোর্ট চত্বর এলাকা ব্যবহার করে অবাধে চলছে ভুয়া জন্মসনদ, নকল কাবিননামা আর জাল সিল-স্বাক্ষরে বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি।
জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে আসা অপ্রাপ্ত বয়স্কদের নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেফিট করে প্রাপ্তবয়স্ক বানিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
গ্রাম অঞ্চলে এক শ্রেনীর দালালদের মাধ্যমে গুঞ্জণ আছে কোর্ট চত্বরে গেলে অভিভাক ছাড়াই বিয়ে পড়ানো যায়। এর সুযোগ নিচ্ছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর-কিশোরী ও ঘর পালানো প্রেমিক-প্রেমিকারা।
এসব কাজি তাদের প্রয়োজনে নকল কাবিননামা, তালাকনামা ও বয়স প্রমানের এফিডেফিটের ঘোষণাও দিচ্ছেন। এতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেমন আতঙ্কে রয়েছেন তেমনি পরকীয়ার বলি হচ্ছে রেমিটেন্স যোদ্ধা (প্রবাসীদের) সংসার।
অভিযোগ প্রসঙ্গে মো. শাহিন মিয়া জানান, তার কোন বৈধ কাজির কিম্বা বিবাহ পড়ানোর অনুমোদন নেই। তিনি সাব-কাজি হিসেবে কাজ করেন। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ পড়ান তিনি,তবে বয়স প্রমানের কাগজপত্র জমা না দিলে কাবিনের সার্টিফাইড কপি দেন না তিনি।

তিনি আরো জানান, আমি ছাড়াও আরো অনেকেই কোর্ট চত্বরে বিয়ে পড়াচ্ছে, তারা হচ্ছে-মো. জয়নাল আবেদিন, মো. হামিদুল ইসলাম,আকরাম হোসেন ও কায়সার আহম্মেদ সহ আরো অনেকেই।
টাঙ্গাইল জেলা সদরের ১নং ওয়ার্ড ও কোর্ট চত্বর এলাকার ভারপ্রাপ্ত কাজি আব্দুল সামাদ জানান, এ বিষয়ে জেলা রেজিষ্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। তিনি আশা করেন, জেলা রেজিষ্ট্রার যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিবেন।
টাঙ্গাইল জেলা রেজিষ্ট্রার মো. মাহফুজুর রহমান খান জানান, এ বিষয়ে লিখিতসহ একাধিক মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মহাদয়ের পরামর্শক্রমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
“একতার কণ্ঠ-এক্সক্লুসিভ”
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বন্ধুদের সাথে টিকটক করার সময় পৌলী নদীতে ডুবে অপু (২২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে পৌলী নদীর সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের নওগাঁ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই যুবক সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের হাতিলা থেকে ৫-৬ জন যুবক নওগাঁ এলাকার নদীর পারে টিকটক করতে যান। এ সময় টিকটক করার জন্য সবাই এক সাথে নদীতে ডুব দেয়। অন্যরা উঠলেও অপু নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ইদ্রিস মিয়া জানান, স্থানীয়রা হটলাইনে কল করলে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ২০ মিনিট উদ্ধার কাজ চালিয়ে মরদেহ উদ্ধারে সক্ষম হই। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বিনম্ব শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্যদিয়ে টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহিদ দিবস পালিত হয়েছে।
একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের পুষ্পস্তবকের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।
এসময় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পক্ষে সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা পরিষদ, পিবিআই, নৌ পুলিশ, পৌরসভা, সদর উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা জনতা শহিদদের স্মরণে শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর আগে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে দেশাত্ববোধক গানের অনুষ্ঠান।
এছাড়া জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে দিনব্যাপী চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা এডভোকেট বার সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সর্মথিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ গুরত্বপুর্ণ ৫টি পদে জয়লাভ করেছে।
সোমবার (২০ ফ্রেব্রুয়ারি) রাতে ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামী লীগ সর্মথিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ৯টি পদে জয় লাভ করে।
ঘোষিত ফলাফলে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত মো. মইদুল ইসলাম শিশির ৩৫৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী পন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের একেএম শামীমুল আক্তার পেয়েছেন ৩৪৫ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল কাশেম মো. মুনসুর আহম্মেদ খান বিপন ৩৬৭ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহানশাহ সিদ্দিকী মিন্টু পেয়েছেন ৩২৫ ভোট।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মো. জামিউল হক সুমন, নির্বাহী সদস্য পদে আতোয়ার রহমান মল্লিক ও তোফাজ্জল হোসেন (আলম) নির্বাচিত হয়েছেন।
অপরদিকে আওয়ামী লীগ সর্মথিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সহ-সভাপতি ইমরুল কায়েস বুলবুল, জোয়াহেরুল ইসলাম,সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদ শামস, লাইব্রেরী সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক অনুপম দে অপু, নির্বাহী সদস্য মো. শাহীনুজ্জামান শাহীন, মো. আল আমিন, সৈয়দ মুহাম্মদ শাহানুর আল আজাদ ও শামসুন্নাহার স্বপ্না নির্বাচিত হয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল জেলা আইনজীবী সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আতোয়ার রহমান আলো বলেন, শান্তিপুর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে বিএনপি সর্মথিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৫টি পদ ও যুুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে আওয়ামী লীগ সর্মথিত সম্মলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ জয় লাভ করেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তরকৃত ছয় ডাকাতের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার(২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর থানা আমলী আদালতের বিচারক মনিরা সুলতানা এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ছয় ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পরিদর্শক তানবীর আহমেদ।
তিনি জানান, টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয় ডাকাতকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠায়। আদালত শুনানী শেষে প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার ক্ষিদ্র মাটিয়া গ্রামের মোতালেবের ছেলে ইউসুব আলী (৪২), পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার ধানুয়াঘাটা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে নুরুল ইসলাম(৩৬), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের কাঠুয়া যুগনী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে মো. জুয়েল (৩১), একই গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. ইদুল মিয়া (২০) ও মো. সুরুত আলীর ছেলে সহিদুল ইসলাম (৩০) এবং একই উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের মো. জহর আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৩০)।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় একদল লোক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত ছয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর ৪-৫ ব্যক্তি দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি সুইস গিয়ার ছুঁরি, একটি শাবল ও গাড়ি থামানোর জন্য রশিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত হলুদ ও নীল রংয়ের একটি মিনিট্রাকও (ঢাকা মেট্রো-ড-১২-৩৩৮৩) জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সকল পদের প্রার্থীরাই বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
কোন পদেই একাধিক প্রার্থী না থাকায় নির্বাচন কমিশন রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বেসরকারি ভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
নব নির্বাচিত সভাপতি হচ্ছেন, মো. বালা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক মাহতাব।
অন্যান্য পদে বিজয়ী হচ্ছেন, কার্যকরী সভাপতি আমিনুর রহমান, সহ-সভাপতি ফরহাদ আলী ও ইকবাল হোসেন, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, সহসাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন ও শহিদুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মাহবুব আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রউফ, প্রচার সম্পাদক ছিদ্দিক ভূইয়া, দপ্তর সম্পাদক শাহীন মিয়া, সড়ক সম্পাদক আব্দুল মজিদ, সহসড়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে রেল স্টেশনের ঘারিন্দায় ট্রেনের নিচে ঝাপ দিয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। তার নাম সীমান্ত সরকার পরিমল (৪৭)। তার বাবার নাম মৃত পলান সরকার। তার বাড়ি টাঙ্গাইল পৌর শহরের প্যারাডাইস পাড়ায়। শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার ঘারিন্দা রেল স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহত পরিমলের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত পরিমল টাঙ্গাইল শহরের ছয়আনি বাজারে ‘সীমান্ত সুইটস’ নামের একটি দোকানের মালিক ছিলেন। অপর একটি নারীর সাথে পরিমলের পরকিয়া প্রেম চলছিল। এ কারণে তার স্ত্রীর সাথে দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। দুই সন্তানকে নিয়ে তিন বছর আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যান। আত্মহত্যার আগে পরিমল তার ফেসবুক প্রোফাইলে তার মৃত্যুর জন্য এক নারী ও এক পুরুষকে দায়ি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এছাড়াও ব্যবসার কারণে তিনি ঋণগ্রস্থ হন। অর্থনৈতিকভাবে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে দু’চিন্তায় ছিলেন। কয়েকজন পাওনাদার তাকে টাকার জন্য চাপ দিয়ে ছিলেন। দাম্পত্য কলহ, পরকিয়া ও ব্যবসায়ীক ক্ষতির কারণে ঋণ গ্রস্থসহ নানা দু’চিন্তার কারণে আত্মহত্যা করেছেন বলে তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছেন।
টাঙ্গাইলের ঘারিন্দার রেল স্টেশনের সহকারী রেল মাষ্টার আব্দুল আলিম জানান, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিত্রা এক্সেপেস ট্রেনটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে ঘারিন্দা স্টেশনে এসে পৌঁছায়। ৫ মিনিটি অপেক্ষা করার পর। ট্রেনটি যখন ঢাকা অভিমুখে যাচ্ছিল। তখন স্টেশন থেকে ১০০ গজ দূরে গিয়ে সীমান্ত সরকার পরিমল ট্রেনের নিচে ঝাপ দেয়। ট্রেনের নিচে কাটা পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
একতার কণ্ঠঃ চলতি বছরের জুন মাসের আগেই আরিচা-(বরঙ্গাইল)-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়ক নির্মানে জন্য অধিগ্রহণ করা হবে সড়কের দুপাশের জমি।
এ খবর পেয়েই অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আশায় এই আঞ্চলিক সড়কের দু’পাশে রাতারাতি গড়ে উঠছে অসংখ্য স্থাপনা। কয়েকটি দালালচক্র অনুমোদনহীনভাবে নিম্নমানের কাঁচামাল এবং ব্যবহার অযোগ্য পুরান ও চিকন রড ব্যবহার করে নির্মাণ করছে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা।
এতে করে ভূমি অধিগ্রহণের মুল্য বৃদ্ধি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এসব ঘটনায় ভূমি অধিগ্রহনের জন্য প্রস্তাবিত সড়কে নতুন নির্মানাধীন দালান ও অবকাঠামো নির্মানে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে অনুরোধ করেছেন টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।

তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস করে ঢাকার কতিপয় দালালচক্র জমির মালিকদের টাকা দিয়ে বিপুল পরিমান ক্ষতিপুরণের আশায় এসব স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মান করছে।
টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক) অনুমোদন দিয়েছে আরিচা (বরঙ্গাইল) ঘিওর- দৌলতপুর -নাগরপুর -টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প। ৫৮ দশমিক ৫শ কিলোমিটরা দীর্ঘ ও ৩৩ ফুট প্রশস্ত সড়ক উন্নীতকরণের এই প্রকল্পের টাঙ্গাইল অংশে রয়েছে ৪০ কিলোমিটার এলাকা এবং মানিকগঞ্জ অংশে রয়েছে ১৮ দশমিক ৫শ কিলোমিটার ।
নির্মান ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ছয়শ ৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। এর মধ্যে শুধু ভূমি অধিগ্রহনেই ধরা হয়েছে ছয়শ ৯৩ কোটি ৮ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এই মহাসড়কে দুইটি আরসিসি গার্ডার, ১৫টি পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও ১৯টি নতুন কালভার্ট ও সাতটি কালভার্ট সম্প্রসারণ করা হবে।
২০২২ সালের ১ জানুয়ারী কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্ত এক বছর অতিক্রান্ত হলেও প্রকল্পটির নির্মাণ কাজই শুরু হয়নি। চলতি বছর থেকেই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এই মহাসড়ক উন্নীতকরনের কাজ।
মহাসড়ক আইন অনুযায়ী সড়কের দুপাশের অন্তত ১০ মিটার দূরত্বে স্থাপনা নির্মাণের নিয়ম রয়েছে। কিন্ত কেউ নিয়মের তোয়াক্কাই করছে না।
টাঙ্গাইল-আরিচা প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের সময় সরকার থেকে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ লাভের আশায় মহাসড়কের দুপাশে স্থাপনা নির্মানের হিড়িক পড়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে বাড়ি-ঘর, মার্কেট। মহাসড়ক হওয়ার খবর শুনেই গত দুই থেকে তিনমাস যাবৎ চলছে এসব স্থাপনা তৈরির কাজ। এছাড়াও ভূমি উচ্চ মুল্যে ক্রয় বিক্রয় করে ওই মৌজার গড়মুল্য বৃদ্ধি করছে। ফলে ভূমির অধিগ্রহণ মুল্যে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অধিগ্রহণের মুল্যে বৃদ্ধি পেলে অনুমোদিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় বৃদ্ধি এবং ভূমি অধিগ্রহণ খাতে অতিরিক্ত টাকার প্রয়োজন হবে। এতে করে সময়মত প্রকল্প বাস্তবায়ন আটকে যেতে পারে।
এঘটনায় টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আবুল হাসেম গত ১৯ জানুয়ারী আঞ্চলিক সড়কের পাশে নতুন দালান ও অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার পরও প্রায় শতাধিক স্থাপনার নির্মাণ কাজ চলছে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী মহল এসকল স্থাপনা নির্মাণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
এছাড়াও ঢাকা থেকে একটি দালালচক্র এসে মহাসড়কের পাশে যাদের বাড়ি রয়েছে তাদের বুজিয়ে ক্ষতিপুরণের অর্ধেক টাকা দেওয়ার শর্তে স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মাণ করছে। নিম্নমানের কাঁচামাল দিয়ে রাতারাতি গড়ে উঠা এসব স্থাপনার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। কোন প্রকার নিয়মের তোয়াক্কা না করেই এসব স্থাপনা নির্মাণের ফলে অধিগ্রহণের সময় আর্থিকভাবে সরকার ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি হওয়ার আশংকা রয়েছে।
মহাড়কের প্রায় ৩০ কিলোমিটার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কের আটিয়া ইউনিয়নের সিলিমিপুর থেকে শুরু হয়েছে অবৈধ স্থাপনা নির্মান। সিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ডে মজনু মিয়া, কেজি স্কুলের পাশে বালু ও ইট ব্যবসায়ী লালচান মিয়া, আজগর আলী, লিটন মিয়া গত দুই মাসে পাকা দালান নির্মান করেছেন।
এছাড়াও সিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ড থেকে একটু এগিয়ে গেলেই চোখে পড়বে বিশাল দোতলা দালান। ওই দালানের মালিক এনজিও কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান। এলাসিন মওলানা ভাসানী ডিগ্রি কলেজের একটু আগে ঠাকইজোড়া এলাকায় রাস্তা ঘেষেই নির্মান করা হয়েছে দোতলা ও একতলা দুটি দালান। ক্ষতিপুরণের টাকার অর্ধেক দেওয়ার শর্তে জয়নাল শিকদারকে ওই দালান নির্মান করে দিয়েছেন নাটিয়াপাড়ার একজন দালাল। তার নাম মৃনাল। ওই বাড়ির এক গৃহিনী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তার শ্বশুরকে দালালচক্রটি নানাভাবে বুজিয়ে দালান করে দিয়েেেছ।
তারা বলেছে, আপনিও লাভবান হবেন আমরাও লাভবান হব। জমিতো সরকার নিয়ে যাবে। পরে তো কিছু পাবেন না। ওই দালালচক্রটি আলামিন, আনোয়ার, মিলন, বুদ্দু, লিয়াকত হাতেম, সাইফুল, মহব্বত , মজিবুর, এশাদ, নজরুল দানেজ ও আলী হোসেনের জমিতে টাকা দিয়ে পাকা দালান করে দিয়েছে।
এলাসিন ঘাটপার এলাকায় যুগল নামের এক ব্যক্তি গত কয়েকদিনে একতলা দালান উঠিয়েছেন। ছানু নামের অপর ব্যক্তি দিয়েছেন বিশাল লম্বা দেয়ালের টিনশেড ঘর। নাগরপুরে সড়কের পাশে খোরশেদ মার্কেট ও ডাঙ্গা এলাকায় আবিদ ইটভাটার মালিক শহিদ মিয়া ও কয়েকজনে মিলে অন্তত ১০ থেকে ১২টি দোতলা ও একতলা দালান নির্মাণ করেছেন।
সহবত ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ইব্রাহিম মিয়া এমপি রোডের মাথায় রাস্তার সাথে অবৈধভাবে একতলা ভবন নির্মাণ করেছেন।
নির্মাণাধীন ওই ভবনের শ্রমিক জানান, এক মাস আগে ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। এই ভবন নির্মানের টাকা মেম্বারকে ঢাকার এক ব্যক্তি দিয়েছেন। শুনেছি ক্ষতি পুরনের টাকা পেলে তিনি অর্ধেক নিবেন।
ঠাকইজোড়া গ্রামের ওবায়দুল্লাহ মিয়া বলেন, রাস্তার পাশেই আমার ২০ শতাংশ জমিতে বাড়ি। ঢাকা থেকে কয়েক ব্যক্তি প্রাইভেটকার নিয়ে এসে আমাকে তাগাদা দিচ্ছে। বলছে চাচা আপনার বাড়িতে দোতলা একটি দালান করে দেই। আপনার কোন টাকা লাগবে না। অধিগ্রহনের টাকা পেলে আপনি পাবেন অর্ধেক আর আমরা অর্ধেক। আমি তাতে রাজি হয়নি।
আটিয়া ই্উনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিক বলেন, মহাসড়কের জমি অধিগ্রহণের অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের আশায় কিছুদিন ধরে রাতারাতি একতলা থেকে ৪ তলাবিশিষ্ট এসব ভবন নির্মিত হচ্ছে । এতে এই সড়কের জমি অধিগ্রহণের সময় সরকারের বাড়তি অর্থ ব্যয় হবে। প্রকৃত জমির মালিকরা একটা নির্দিষ্ট কমিশন পেলেও সরকারের মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেবে জড়িত এসব দালাল চক্রের সদস্যরা। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস রয়েছে ঢাকার কতিপয় এসব দালালচক্রের। কারণ উচ্চ পর্যায় থেকে ক্ষতিপুরণের আশা না পেলে তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে টাকা বিনিয়োগ করতেন না।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আবুল হাসেম বলেন, ভূমি অধিগ্রহনভুক্ত জমিতে নতুন করে কেউ যাতে অবকাঠামো নির্মাণ করতে না পারে তার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। এছাড়াও ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুরো মহাসড়কের ভিডিও রেকর্ডিং রয়েছে। নতুন করে যারা স্থাপনা করেছেন সেগুলোর ভিডিও করা হবে। যারা অধিক টাকার আশায় ভবন নির্মাণ করছেন তারা কেউ ক্ষতিপুরণ পাবেন না।
টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহঃ আলিউল হোসেন জানান, প্রকল্প প্রস্তাবের সময় সড়কের পাশের আগের অবস্থা ভিডিও রেকর্ডিং করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। নতুন করে সড়কের পাশে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলেই সে ক্ষতি পুরণ পাবে না। চলমান এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জেলা ভূমি বরাদ্ধ কমিটির সভায় সিদ্ধান্তের পরই ভূমি অধিগ্রহন শুরু হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সোসাইটি ফর হিউম্যান ইউনিটি অ্যান্ড রিসোর্সেস ইউটিলাইজেশন (শুরু) নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন গ্রাহকেরা। তাদের অভিযোগ, প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন এনজিওটির নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাকা ফেরত পেতে সদর উপজেলার গালা গ্রামে ওই এনজিও কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন গ্রাহকেরা। মানববন্ধন চলাচলে বক্তব্য দেন ওই এনজিও-র ভুক্তভোগী সদস্য তারেক হাসান, আলী আহম্মদ, জয়নু বেগম, অঞ্জনা বেগমসহ অনেকেরা।
তাদের দাবি, গ্রাহকেরা কেউ বাড়ি বিক্রির টাকা, আবার কেউ প্রবাসী মৃত সন্তানের টাকা, দিন মজুরদের জমানো টাকাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ একটু লাভের আশায় এ এনজিওতে টাকা রেখেছিলেন। কয়েক বছর লাভ পেলেও বছর দুয়েক আগে থেকে সেই লাভ দেওয়া বন্ধ করে দেয় এনজিও কর্তৃপক্ষ।
এমনকি গত ছয় মাস ধরে গ্রাহকদের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা।
গ্রাহকেরা জানান, ১২ বছর আগে গালা গ্রামের মাজেদুর রহমান, আবু সাইদ, আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন মিলে শুরু নামের এনজিওটি প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে গ্রামের মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিরীহ কৃষক ও দিন মজুররাও টাকা রাখেন। এমনকি অনেক প্রবাসীরাও টাকা রেখেছেন। তিন শতাধিক গ্রাহকের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে এনজিও নির্বাহী পরিচালক মাজেদুর রহমান উধাও হয়েছেন।
ফলে প্রতারণার স্বীকার হয়ে কষ্টে অর্জিত টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গ্রাহকেরা।
প্রতারণার শিকার বৃদ্ধ আলী আহম্মদ বলেন, আমার চার মেয়ে ও এক ছেলে। ১০ বছর আগে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় আমার ছেলে মারা যায়। সেখান থেকে পাওয়া দুই লাখ টাকা শুরু এনজিওতে রেখেছিলাম। সেই দুই লাখ টাকা নিয়ে মালিক পালিয়েছে। আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।
শারিরীক প্রতিবন্ধী শাহজাহান মিয়া বলেন, আমি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারি না। তাই বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ভিক্ষা করে জীবন যাপন করি। সেই টাকা থেকে জমিয়ে এক লাখ টাকা ১২ বছর আগে জমা করেছিলাম। সেখান থেকে আমি কোনো লাভ নেই নি। সেই টাকা নিয়েও মালিক পালিয়েছে।
৬০ বছরের বৃদ্ধা জয়নু বেগম বলেন, আমার বাড়ি বিক্রি করা চার লাখ টাকা এ এনজিওতে রেখেছিলাম। আমার টাকা নিয়ে মালিক পালিয়ে যাওয়ায় আমি এখন নিঃস্ব।
প্রতারণার অভিযোগে শুরু এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক মাজেদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, একটি প্রতারক চক্র মিলে এনজিওটি করেছিল। আমরা তাদের কোনো অনুমতি দেই নি। তবে আমরা ওই কমিটি বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করব।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে প্রথম বারের মতো ‘অফিসার্স ডে’ উদযাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স ক্লাবের সামনে বেলুন উড়িয়ে ও কেক কেটে অফিসার্স ডের উদ্বোধন করা হয়।
একদিন নয় হাসিবি তোরা, একদিন নয় বিষাদ ভুলিয়া, সকলে মিলিয়া গাহিবো মোরা-স্লোগানকে সামনে রেখে দিনব্যাপী অফিসার্স ডেতে গল্প, নৃত্য, সংগীত, যাদু, কৌতুক, কবিতা আবৃত্তি, গীতি কাব্যের আয়োজন করা হয়। এরপর র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুল ইসলাম মজনু। সঞ্চালনা করেন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আজাদ সোবহানী আল ভাসানী ও সৈয়দ সাইফুল্লাহ।
পরে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী লিজু বাওলা সংগীত পরিবেশন করেন।