একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাথার ওপর গাছ পড়ে শাওন আহমেদ (২১) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া কানু মার্কেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শাওন উপজেলার চতলবাইদ পশ্চিম পাড়া গ্রামের রুবেল মিয়ার ছেলে। সে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও মৃত শাওনের স্বজনেরা জানান, ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করার পর কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পেরে রোজগারের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন শাওন। এর মধ্যে তিনি গাছ কাটার শ্রমিক হিসেবেও কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে শাওন আহমেদ নলুয়া কানু কার্কেট এলাকায় আকাশমণির বাগানে গাছ কাটতে যান। কুড়াল দিয়ে গাছ কাটার সময় আকস্মিক ভাবে গাছটি শাওনের মাথার ওপর ভেঙে পড়ে।
স্থানীয়রা গাছের নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ প্রতারণার অভিযোগে রাবেয়া আক্তার কলির বিরুদ্ধে নারায়নগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করেছে এক ভুক্তভোগী। প্রতারণা মামলায় রাবেয়া আক্তার কলিকে ২নং আসামি করা হয়।
অভিযুক্ত রায়েবা আক্তার কলি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মানিকারহাট বাজার সংলগ্ন পেটমানিকা গ্রামের হানিফ মিয়ার মেয়ে। বর্তমানে কলি ঢাকা মহানগরের ডেমরা থানার মুসলিম নগর এস. এম. সি. স্পেশাল প্রাইভেট হাসপাতাল সংলগ্ল জুলেখার বাড়ীর ২য় তলায় দক্ষিণ পাশের ফ্ল্যাটের সাবলেট ভাড়টিয়া হিসেবে বসবাস করছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার পাঁচ বিবি গ্রামের ওয়াজিউদ্দিন আহম্মেদের ছেলে মেরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে নারায়নগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। যাহার ধারাঃ- ৪০৬/৪২০/৫০৬ (ii)দঃ বিঃ।
মামলার অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, রাবেয়া আক্তার কলি ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে গত ২০২৩ সনের ২ মে রেজিস্ট্রিকৃত ভাবে বিবাহ হয় মামলার বাদীর সাথে। বিবাহের পর থেকেই বাদীর কাছ থেকে ব্লাকমেইলের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করার নেশা ছিল রাবেয়া আক্তার কলির। তাদের বনিবনা না হওয়ায় গত ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট মাসে দেনমোহর পাওনা বাবদ ৬ লক্ষ টাকা পরিশোধ করার মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তাদের। বিবাহ বিচ্ছেদের চুক্তি নামায় কারো বিরুদ্ধে কোন পক্ষই কোন মামলা অথবা প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারবেনা বলে অঙ্গীকার নামা লেখা হয়। মামলার বাদীর কাছ থেকে চুক্তি অনুযায়ী ধার নেওয়া ২০ লক্ষ টাকা অভিযুক্ত রাবেয়া আক্তার কলি ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও অঙ্গীকারনামা অনুযায়ী বাদীর পাওনা ২০ লক্ষ টাকা যড়যন্ত্র মুলক মামলার ২নং আসামি রায়েয়া আক্তার কলিসহ সকল আসামীরা ওই টাকা আত্মসাৎকরেন। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, কলি দাঙ্গাবাজ, চাঁদা আদায়কারী ও টাকা আত্মসাতকারী বটে।
মামলার বাদী মেরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, মামলার ২নং আসামি রাবেয়া আক্তার কলির একাধিক বিবাহ হয়। কলি তার প্রথম স্বামী রুবেল নামক যুবকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়। কাবিনের সিরিয়াল অনুযায়ী তিনি ৩নং স্বামী ছিলেন। বর্তমানে আবুল কালাম আজাদ নামক যুবককে স্বামী দাবী করে কলি। আবুল কালাম তার ৪নং স্বামী। রাবেয়া আক্তার কলির বর্তমান দাবীকরা স্বামীও প্রতারনা মামলার আসামি।
তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, তার কাছ থেকে নেওয়া ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করতে বর্তমান পরিচয়দানকারী রাবেয়া আক্তার কলির স্বামী আবুল কালামসহ সকল আসামিরা ষড়যন্ত্রমূলক সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন তার বিরুদ্ধে।
কলির গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলার মানিকারহাট বাজার এলাকার স্থানীয়রা জানান, ট্রাক চালকের মেয়ে কলি বর্তমানে ঢাকায় থাকেন। প্রাইভেটকার যোগে আসতেন ঢাকা থেকে তার গ্রামের বাড়িতে। হঠাৎ আনুমানিক ২৩ বছরের কলি এত টাকা কোথায় পেলেন এমন প্রশ্ন তাদের। তবে রাবেয়া আক্তার কলি ঢাকায় কি কাজ করছেন? এমন প্রশ্ন করে বাংলাদেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করলে অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে জানান তারা।
অভিযোগ প্রসঙ্গে রাবেয়া আক্তার কলির কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবী করেন।
তিনি আরও বলেন, মিরাজ নামক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান।
একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, সমাজটাকে বদলাতে হবে। অল্প ক’দিনের মধ্যে একটি বিরাট পরিবর্তন হয়েছে, এটাকে মহাবিপ্লব বলা চলে। গত ১৬ থেকে ১৭ বছর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটা ভালো চলে নাই। অনেকে মনে করেন আওয়ামী লীগের সরকার, আমি বলবো না। আওয়ামী লীগের সরকারও ছিল না, মানুষের সরকারও ছিল না। শেখ হাসিনা সরকার ছিল এবং যতকিছু অন্যায় করেছে তার ৯০ ভাগ শেখ হাসিনা, বাকি বাধ্য হয়ে হয়তো ২ থেকে ৪ জন করেছে। এর পরিবর্তন দরকার। এই বিপ্লব যদি ব্যর্থ হয় তাহলে ভবিষ্যত বাংলাদেশের জন্য অন্ধকার। সেজন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের সফলতা ধরে রাখতে হবে। সেইখানে আমাদের সন্তানদের জীবনদান আল্লাহ গ্রহণ করুক এই শেষ ব্যক্তি হোক। যার দ্বারা আমাদের আইনশৃঙ্খলা ফিরে আসুক।
কক্সবাজারে ডাকাতদের হামলায় নিহত লেফট্যানেন্ট তানজিম সারোয়ার নির্জনের বাসায় মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) দুপুরে গিয়ে স্বজনদের সমবেদনা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করের বেতকা গ্রামে নিহত লেফট্যানেন্ট তানজিমের পৈতিক বাড়ির উঠানে সাংবাদিকদের আরও বলেন, দেশটা কেমন জানি হয়ে গেছে। মানবিক মূল্যবোধ একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে। একটা সেনাবাহানীর গায়ে ডাকাত, লস্কর চোর আঘাতহানতে পারে তাহলে বুঝতে হবে সমাজে আইন-কানুন বলতে কিছু নাই। আমি এটাকে কোন গুরুত্ব দিতাম না। যদি একটা সাধারণ মানুষ হতো তার পিছনে ছোরা মারছে, চাকু মারছে বা দা দিয়ে আঘাত করেছে। কিন্তু সেনাবাহিনীর পোশাক পড়া একজন মানুষের গায়ে দুস্কৃতিকারীরা যখন আঘাত হানতে পারে বা সাহস পায় তখন বুঝতে হবে আইনশৃঙ্খলা বলে অথবা দেশের শাসন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের যে একটা শ্রদ্ধা ভালোবাসা, দুষ্ট লোকের যে ভয় থাকে তা কিছু নেই। আমি এসেছি মৃত্যু মানুষের জন্মের পরে অবধারিত সত্য, সে মৃত্যু হয়েছে। বাবা বেঁচে আছেন, বোন আছে তাদের বুক কেমন করছে। টাঙ্গাইলের মানুষ আমি দেখতে এসেছিলাম দেখে গেলাম।
এক প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি রাজনীতিকে ইবাদতের মতো মনে করে রাজনীতি করি। এজন্য আমি প্রচুর সম্মান পেয়েছি। প্রচুর অসম্মানও পেয়েছি। গলাগালিও শুনেছি। এতো দিন বেঁচে না থাকলে আমি গালাগালি শুনতাম না। আমি যদি ‘৭১ এর যুদ্ধ করতে না পারতাম যারা গালাগালি করেন তাদের অধিকাংশদের জন্ম হয়তো পাকিস্থানের জারস হিসেবে হতে পারতো। আমি আজকে একজন কাতর বাবা মা-বোন তাদের পাশে শুধু আল্লাহর কাছে দোয়া করবার জন্য এসেছি। অন্য কোন দিন আপনারা আমাকে ধরবেন তত্ত্ববাধয়ক সরকার কত দিন থাকবে, কতদিন থাকা দরকার, মানুষের চাহিদা কি আমি অকপটে বলবো আমি কোন কথা দ্বিধা করে বলার চেষ্টা করি না।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নাজমুল হাসান (২০) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমুল হাসান উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামের গোলাম মোস্তফা ফকিরের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির পাশে ডিজিটাল স্কেল মেশিনের ঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হন নাজমুল। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় গারোবাজার নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি) পরিক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে।
নিহত নাজমুলের বন্ধু আল আমিন জানান, মধুপুর শহীদ স্মৃতি স্কুল থেকে ২০২১ সালে এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয় সে। পরে বিএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে অনার্সে এডমিশন নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো নাজমুল। এমতাবস্থায় তার বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নাজমুল ইসলাম জামাল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সন্ধ্যার পরে ওদের নিজস্ব ডিজিটাল স্কেল মেশিনের ঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত হন নাজমুল। নাজমুলের অকাল মৃত্যুতে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তিনি।
ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে তার ভাতিজা রুবেল মিয়া পলাতক রয়েছেন।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের আজগানা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিয়াজ হোসেন (৫০) একই এলাকার বাসিন্দা।
অভিযুক্ত ভাতিজা রুবেল একই গ্রামের সরোয়ার হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, রবিবার সকালে চাচা রিয়াজের কাছে রাস্তা বড় করার জন্য জমি ছেড়ে দিতে বলেন ভাতিজা রুবেল। কিন্তু রিয়াজ জমি ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে রুবেল চাচাকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে রুবেল পালিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এড. মোতালিব হোসেনের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মগড়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন কুইজবাড়ি আঞ্চলিক সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে মগড়া ইউনিয়ন বিএনপি।
সভা আহ্বান ছাড়া বাজেট, বৈষম্যহীন ট্যাক্স, বিভিন্ন উন্নয়ন তহবিলের টাকা ও প্রকল্পের নামে টাকা আত্মসাত, পরিষদে গড় হাজিরার মত দূর্নীতিতে সম্পৃক্তসহ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মুতালিব হোসেনের অপসারণের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মগড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান উত্তম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ, ৬ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হারুন মিয়া প্রমুখ।
এ সময় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক খোদা বক্স, সদস্য সচিব রাসেল রানা, স্বেছাসেবক দলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিনসহ ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গসহযোগী সংগঠণের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন টাঙ্গাইল জেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ছাইদুল হক ছাদুকে সভাপতি ও রেজাউল করিম রেজাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয়ে ডা. আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় সকল সদস্যের সম্মতিক্রমে গঠিত কমিটিকে উপদেষ্টা জাফর আহমেদ অনুমোদন দেন।
এ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন, কার্যকরী সভাপতি ডা. এ কে এম আব্দুল হামিদ, সহ-সভাপতি বাহালুল হক নিপু, আজমল হোসেন খান, যুগ্ম-সম্পাদক ফজলুল হক, অর্থ সম্পাদক জয়নুল আবেদীন জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক জগলুল হায়দার সোহেল, দপ্তর সম্পাদক আবু কায়ছার, সমাজ কল্যান সম্পাদক ওয়াহেদ রাশেদ রিটু, প্রচার সম্পাদক কামাল হোসেন, কার্যকরি সদস্য সাইফুজ্জামান কল্লোল, ওয়ারেছ সিকদার, সাজ্জাদ ইসলাম স্বপন, খ. মুবাসসিরুল হক মোবিন, খুররম খান ইউসুফী, আনোয়ার হোসেন, জসিম উদ্দিন, সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ তৌহিদ, আবু ইশা মনির, ফরহাদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, বেল্লাল হোসাইন, মোফাজ্জল হোসেন রিপন ও ইদ্রিস মিয়া।
একতার কণ্ঠঃ ভারতের মহারাষ্ট্রে বিজেপি নেতা নিতেশ রানে ও ধর্মগুরু রামগিরি মহারাজ কর্তৃক মুসলমানদের হত্যার হুমকি ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তি এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে টাঙ্গাইলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদরের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভটি মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে মিছিলটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মোঃ কামরুল ইসলাম, আল-আমিন, মনিরুল ইসলাম, আকরাম, সিয়াম, মুফতি আব্দুর রহমান, মাওলানা ইসমাঈল, মুফতি মুকাব্বির প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, মহানবীকে নিয়ে যারা কটুক্তি করছে অবিলম্বে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় মহানবীর সম্মানে মার্চ টু মুম্বাই কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এই সময় বক্তারা ভারতীয় পন্য বর্জনের আহ্বান করেন সমাবেশ থেকে।
পরে মোনাজাতের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত সমাবেশটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। মোনাজাত করেন মুফতি আব্দুর রহমান।
একতার কণ্ঠঃ সমাপ্ত স্টেপ প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে প্রক্রিয়াধীন টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ১৪ জন শিক্ষকের দীর্ঘ ৫০ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান ও দ্রুত রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে ওই কলেজে কর্মরত রাজস্বখাতে প্রক্রিয়াধীন শিক্ষকবৃন্দদের আয়োজনে এ মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মাহাবুল আলম, মেকানিক্যাল বিভাগের ইন্সট্রাক্টর আব্দুর রহমান, টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের ইন্সট্রাক্টর সুমন খান, সিভিল বিভাগের ইন্সট্রাক্টর আব্দুল্লাহ মাহমুদ, ইলেকট্রনিক্স বিভাগের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর দূর্গা রানী, কনস্ট্রাকশন বিভাগের জুনিয়র ইন্সপেক্টর সুুজন সরকার প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ৫০ মাস যাবৎ ১৪ জন শিক্ষকের বেতন বকেয়া রয়েছে। বেতন বকেয়া ও বন্ধ থাকার কারণে তারা ক্লাস করাতে পারছে না। এভাবে বেতন বন্ধ থাকলে তাদের সংসার কিভাবে চলবে। তাই তাদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করে ক্লাস যেন নিতে পারে সেজন্য মানববন্ধন থেকে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে তারা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থায়ী জামিন পেয়েছেন।
এর আগে গত ২৮ আগস্ট তিনি অস্থায়ী জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অস্থায়ী জামিন পাওয়া সহিদুর রহমান ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি রবিবার আ্যম্বুলেন্সযোগে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসেন। সহিদুরের স্থায়ী জামিন চান আইনজীবীরা। পরে ওই আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল হাসান শুনানি শেষে সহিদুরের স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান।
সহিদুর রহমানের বাবা আতাউর রহমান খান ও ভাই আমানুর রহমান খান রানা টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য। ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সহিদুরের অপর তিন ভাইও আসামি।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি বের হয়ে আসে। তারপর সহিদুর আত্মগোপন করেন। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠান। পরে ২০২২ সালে ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি জামিন পেয়েছিলেন। পরে আদালত জামিন বাতিল করার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি আবার কারাগারে যান। এরপর ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে ২২ নভেম্বর কারাগার থেকে মুক্ত হন। পরে আদালত তাঁর জামিন বাতিল করলে পরদিনই আদালতে আত্মসমর্পণের পর কারাগারে যান। গত ২৮ আগস্ট অস্থায়ী জামিন পান সহিদুর।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পঁর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ এ হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে এ দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা এবং তাঁর তিন ভাই সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা জড়িত বলে বের হয়ে আসে।
২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এতে সহিদুররা চার ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, মামলাটির শুধু তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। অন্য সব সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে টাঙ্গাইলে গুলিতে নিহত ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ মিয়া (১৪) হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তানভীর হাসান ফেরদৌস নোমানকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে র্যাব দুপুরে নোমানকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৪ এর স্কোয়াড কমান্ডার (এএসপি) মো. আব্দুল বাসেত।
গ্রেপ্তারকৃত তানভীর হাসান ফেরদৌস নোমান টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি এ হত্যা মামলার ১৬ নাম্বার আসামী।
রবিবার দুপুরে নোমানকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ আদালতে প্রেরণ করেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, র্যাব গ্রেপ্তারের পর কাউন্সিলর নোমানকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। পরে নোমানকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এখনো রিমান্ড শুনানি হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট নিহত মারুফের মা মোর্শেদা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক ও বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুসহ ৫৬ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় অজ্ঞাত ১৫০ জন থেকে ২০০ জনকে আসামী করা হয়েছে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) এক হিসাবরক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ওই সংস্থাটির পাঁচ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার(২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে টাঙ্গাইল শহরের সদর সড়কের বেসরকারি সংস্থা ‘সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট থ্রু ইউনিটি’র (সেতু) প্রধান কার্যালয়ের পাশ থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
তাঁর নাম হাসান আলী (২৩)। তিনি সিরাজগঞ্জ উপজেলার উল্লাপাড়া থানার পুঠিয়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে। হাসান ওই এনজিওর জামালপুরের পিয়ারপুর শাখার সহকারী হিসাবরক্ষক ছিলেন।
গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক মির্জা সাহাদত হোসেনের ছেলে ও সংস্থাটির উপ-পরিচালক (মানবসম্পদ) মির্জা সাকিব হোসেন, উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. শরিফুল ইসলাম, কর্মসূচি ব্যবস্থাপক খায়রুল হাসান ও সহায়ককর্মী রাশেদুল ইসলাম।
সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংস্থাটির পিয়ারপুর শাখার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক, ব্যবস্থাপক ও সহকারী হিসাবরক্ষক তিনজন যোগসাজশ করে প্রায় ৪৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় ১৬ সেপ্টেম্বর তিনজনকে প্রধান কার্যালয় টাঙ্গাইলে আনা হয়। অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপককে ছেড়ে দেওয়া হলেও ব্যবস্থাপক ও হিসাব রক্ষক হাসান আলীকে সপ্তম তলার একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর হাসানের মা-বাবাকে কার্যালয়ে ডেকে এনে বিষয়টি জানানো হয়।
শুক্রবার গভীর রাতে টাঙ্গাইল শহরের সদর সড়কে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় সেতু টাওয়ারের পশ্চিম পাশ থেকে হাসানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনদের অভিযোগ, হাসানকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে।
তবে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের দাবি, শুক্রবার রাতে সাততলা থেকে লাফ দিয়ে হাসান ‘আত্মহত্যা’ করেন। ঘটনার পরপরই রাতে সংস্থাটির পাঁচ কর্মকর্তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
নিহত হাসানের বাবা আবদুল লতিফ বলেন, ‘আমার ছেলেকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। পরে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করছে। আমাকে শুক্রবার রাতে সেতু অফিস থেকে ফোন করে বলা হয়, আপনার ছেলে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছে। আপনি আসেন। পরে থানা থেকে ফোন করে হাসানের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।’
শনিবার সন্ধ্যায় নিহত হাসান আলীর মা সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় আটক পাঁচজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ পাঁচজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায়।
সেতুর উপ-পরিচালক (প্রশাসন) বিমল চক্রবর্তী বলেন, পিয়ারপুর শাখার ম্যানেজার ও সহকারী হিসাবরক্ষককে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শাখায় সংযুক্ত করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেন। অফিসের সাততলায় তাঁদের থাকার জন্য একটি রুম দেওয়া হয়। সেখান থেকে লাফ দিয়ে হাসান গতকাল রাতে আত্মহত্যা করেন।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, হাসানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন আছে। ময়নাতদন্ত করে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।