/ হোম / টাঙ্গাইল
সখীপুরে ছাত্র মিছিলে হামলার ঘটনায় সাবেক এমপিসহ ১৬৭ জনের নামে মামলা - Ekotar Kantho

সখীপুরে ছাত্র মিছিলে হামলার ঘটনায় সাবেক এমপিসহ ১৬৭ জনের নামে মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার ঘটনায় থানায় মারধরের মামলা করা হয়েছে। সোমবার (২৬ আগস্ট) রাতে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোর্শেদুল ইসলাম অন্তর বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় টাঙ্গাইল-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনুপম শাহজাহান জয় ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সাঈদ আজাদসহ ১৬৭ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের দাবিতে পৌর শহরের সৌখিন মোড় থেকে একটি মিছিল বের হয়। দুপুর ১২টার দিকে মিছিলটি শহরের তালতলা চত্বরে পৌঁছায়। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে এজাহারে উল্লেখিত আসামিরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মিছিলে হামলা করে।

হামলায় আন্দোলনরত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার ২৩ দিন পর সখীপুর থানায় মামলা হয়। মামলায় সাবেক এমপি-উপজেলা চেয়ারম্যান ছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত শিকদার, সাবেক পৌর মেয়র মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদসহ উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানদেরও আসামি করা হয়েছে।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান জানান, মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২৪ ০২:৩৬:এএম ২ বছর আগে
বন্যার্তদের জন্য ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলো এসএসএস - Ekotar Kantho

বন্যার্তদের জন্য ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলো এসএসএস

একতার কণ্ঠঃ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে টাঙ্গাইলের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সোসাইটি ফর সোসাল সার্ভিস (এসএসএস)।

প্রাথমিকভাবে বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য সংস্থাটি ৬ কোটি টাকার প্রাথমিক তহবিল নিয়ে বন্যার্তদের সহায়তার জন্য কাজ শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১ দিনের বেতন ১ কোটি টাকার চেক অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসএসএস’র কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের ময়মনসিংহ রোডে অবস্থিত এসএসএস’র ফাউন্ডেশন অফিসে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির সিনিয়র পরিচালক (ঋণ) সন্তোষ চন্দ্র পাল এই সব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বন্যার কবলে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বিশেষ করে ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর ও আশপাশের জেলার বেশিরভাগ এলাকা এখন বন্যার পানির নিচে। এসব এলাকার এসএসএসের ১৫৩ টি শাখার ১০৭ টি শাখার প্রায় দেড় লক্ষাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত। পাশাপাশি সংস্থার উদ্বৃত্ত তহবিল থেকে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত টাকার মধ্যে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে বন্যার্তদের ত্রাণ সহায়তার জন্য চাল, ডাল, চিড়া, আলু, তেল, খেজুর, লবণ, চিনি, গ্যাস লাইট, মোমবাতি, ওরস্যালাইন, গুঁড়া দুধ, বিস্কুটের প্রাথমিকভাবে ১লক্ষ প্যাকেট বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ হিসেবে প্রদানের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া বন্যা কবলিত এলাকায় জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংস্থায় কর্মরত মেডিকেল অ্যাসিস্টেন্টদের মাধ্যমে ২০টি মেডিক্যাল ক্যাম্প আয়োজন ও বিনামূল্যে ওষুধ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসন স্থানীয়ভাবে ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য সদর উপজেলায় এসএসএস-কে দায়িত্ব প্রদান করেছে।

তিনি আরও জানান, ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি বন্যাদুর্গত এলাকায় সংস্থার সমিতিভুক্ত সদস্যদের চাহিদা অনুযায়ী পুনর্বাসনের কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, ঘর মেরামত, ওয়াটার, স্যানিটেশন প্রভৃতি বিষয়ের জন্য সংস্থা সাড়ে তিন কোটি টাকা অনুদান প্রদানের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছে। এছাড়া চলমান ক্ষুদ্র অর্থায়ন ঋণের পাশাপাশি দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত সহজশর্তে ৩০ কোটি টাকা দুর্যোগকালীন/সাহস ঋণ প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এসএসএসের যুগ্ম পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম খান, উপ পরিচালক এসএম ইয়াহিয়া, সহকারি পরিচালক শামছুল আরেফীন ও ফয়সাল আহমেদ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সহ-সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা প্রমুখ।

পরে সংবাদ সম্মেলন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের তাদের প্রাণ কার্যক্রম ঘুরিয়ে দেখানো হয়। এসময় সরেজমিন দেখা যায়, এসএসএস ভবনের কর্মকর্তার-কর্মচারীগণ শুকনা খাবারসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য প্যাকেটজাত কাজে নিয়োজিত রয়েছে। এরমধ্যে পাঁচ কেজি চাল, তিন কেজি আলু, এক কেজি ডাল, এক লিটার তেল, চিনি, চিড়া, লবন, বিষ্কুট, খেজুর, শিশুদের জন্য গুড়া দুধ, খাবার স্যালাইন, মোমবাতি ও লাইটার রয়েছে। পরে তা বিতরণের জন্য ট্রাকে তুলে বন্যা উপদ্রুত জেলা গুলোর উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২৪ ০১:২৪:এএম ২ বছর আগে
শেখ হাসিনার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে হবে-সালাহ উদ্দিন - Ekotar Kantho

শেখ হাসিনার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে হবে-সালাহ উদ্দিন

একতার কন্ঠঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলছেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়ে দিল্লিতে বসে ষড়যন্ত্র করছে। সে বাংলাদেশে আসার স্বপ্ন দেখছে, তার স্বপ্ন দেখতে হবে না। শেখ হাসিনা পৃথিবীর যেই প্রান্তেই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, তার বিচার বাংলাদেশের আদালতে হবে। নয়তো আন্তর্জাতিক আদালতে হবে। তাকে বিচারের সম্মুখিন করতেই হবে, করব ইনশাআল্লাহ।

সোমবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিতে নিহত শহীদ ফিরোজ তালুকদার পলাশের পরিবারের খোঁজ-খবর ও কবর জিয়ারত করতে এসে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বললেন।

সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের বিচার বিভাগকে ঢেলে সাজাতে হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শহীদদের দাবি ছিল- বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ ও অসম্প্রদায়িক স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র। যেখানে আইনের সুশাসন থাকবে সমান, অধিকার সমন্বত থাকবে। আমরা আইনের সুশান প্রতিষ্ঠাতা করব। যে বিচারক বাংলাদেশের প্রকৃত বিচারক হবে, দক্ষ, সৎ, আইনের সুশাসন কায়েম করবে এবং ন্যায় বিচারক হবে।

তিনি বলেন, যদি তা না হয়-আমি বলব কুলাঙ্গার খায়রুল ও কালো মানিকের মতো অবস্থা হবে, যদি আইনের সুশাসন ব্যবস্থা না করেন। যদি দলের বিচারক হন, যা হবার তাই হবে। প্রধান বিচারপতি পদত্যাগ করার সময় পাননি। সেই অবস্থা হবে এবং আমরা তাদেরকে আইনের আওতায় আনব। যারা বিচার বিভাগকে ধ্বংস করেছেন, তারা শুনে রাখুন, কেউ বিচারের আওতা থেকে বাদ যাবেন না।

সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিম্ন আদালতে পাঁচ বছরের সাজা দিয়ে হাইকোর্টে বর্ধিত করে দশ বছরের সাজা দিয়েছেন। আজকে সারাদেশের মানুষ এবং এই অন্তবর্তী সরকার চিঠি লেখার সময় পায়নি। খালেদা জিয়া মুক্ত। এই রকম বিপ্লব সাধণের মধ্যে দিয়ে আমরা জনগণের বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আন্দোলনে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। যাতে কেউ যেন দেশকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে।

টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক উপমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর মুক্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি আমার সহকর্মী। বাংলাদেশের একজন উপমন্ত্রী ছিলেন। সে নির্যাতিত, দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে কারাভোগ করছে। আমি ভূঞাপুরের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথে শ্লোগানে দাবি উঠে সালাম পিন্টুর মুক্তি চাই, সালাম পিন্টুর মুক্তি চাইতে হবে না। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি মুক্ত হবে।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও যুবদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুরর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট ওবায়দুল হক নাছির, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক ছানু, উপজেলা বিএনপি সভাপতি এডভোকেট গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২৪ ০৫:০২:এএম ২ বছর আগে
শিক্ষার্থীদের ওপর আনসারদের হামলা: টাঙ্গাইলে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

শিক্ষার্থীদের ওপর আনসারদের হামলা: টাঙ্গাইলে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠঃ ঢাকায় আনসারদের আন্দোলনের কর্মসূচিতে সচিবালয় ঘেরাও ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলা শাখার সদস্যরা।

সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

এসময় তারা বলেন, একটি কুচক্রী মহল দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। রবিবার (২৫ আগস্ট) রাতে আনসার সদস্য কর্তৃক ঢাকায় সচিবালয় ও ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় আগামীতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে আনসার ক্যাম্পের সামনে যায়। পরে সেখান থেকে মিছিলটি লৌহজং নদী দখল পরিদর্শন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২৪ ০২:৫০:এএম ২ বছর আগে
বন্যার্তদের পাশে ‘মানুষের কল্যাণে মানুষ ফাউন্ডেশন’ - Ekotar Kantho

বন্যার্তদের পাশে ‘মানুষের কল্যাণে মানুষ ফাউন্ডেশন’

একতার কণ্ঠঃ ফেনী-নোয়াখালী ও কুমিল্লাসহ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি জেলায় চলমান ভয়াবহ বন্যায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে টাঙ্গাইলের ‘মানুষের কল্যাণে মানুষ ফাউন্ডেশন’।

সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক নাফিসা তাবাসসুম খানের নেতৃত্বে ৬ জনের একটি টিম রবিবার (২৫ আগস্ট) বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়েছেন। বন্যার্তদের মাঝে তারা ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছেন।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পারুল মাহবুব খান জানান, দেশের যেকোনো দুর্যোগ মুহূর্তে ‘মানুষের কল্যাণে মানুষ ফাউন্ডেশন’ মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এর আগেও বিভিন্নও সময় বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে সংস্থাটি দুর্গতদের নানাভাবে সহযোগিতা করেছে। আমরা আমাদের সাধ্য মতো কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরও জানান, বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসে তাহলে আরও সুন্দরভাবে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২৪ ০১:২১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে ট্রাক চাপায় এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জোকারচর এলাকার ১৮নম্বর ব্রিজের উপর এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ মরদেহ ও দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেলটি ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিলে যান-চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

নিহত ওই মোটরসাইকেল চালকের নাম সাজেদুল ইসলাম (৪৫)। সে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার শাহাপুর এলাকার আতাতুল্লাহ ফকিরের ছেলে। তিনি গাজীপুরের ভাওয়াল গড়ে চাকরি করতেন।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, সোমবার সকালে সাজেদুল মোটরসাইকেল যোগে গাজীপুর থেকে ঈশ্বরদী যাচ্ছিলেন। এসময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিলে মোটরসাইকেলটি ব্রিজের উপর পরে যায়। পরে পেছনে থাকা একটি ট্রাক মোটরসাইকেলটির উপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাজেদুলের মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে মরদেহ ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় নিয়ে রাখা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ-ঘটনায় বাস ও ট্রাকটিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অগাস্ট ২০২৪ ০৯:০১:পিএম ২ বছর আগে
ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী নয়, আমরা এখন ক্ষুদ্র অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান: জাকির হোসেন - Ekotar Kantho

ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী নয়, আমরা এখন ক্ষুদ্র অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান: জাকির হোসেন

একতার কণ্ঠঃ দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে ক্ষুদ্রঋণের ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমানে দেশে সাত শতর বেশি প্রতিষ্ঠান এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। ক্ষুদ্রঋণের অগ্রযাত্রা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিশেষ আয়োজন। এ বিষয়ে বুরো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ও চেয়ার, এনজিও ফেডারেশন জাকির হোসেনের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন প্রথম আলোর প্রতীক বর্ধন।

প্রথম আলো: ক্ষুদ্রঋণ বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে বড় ভূমিকা পালন করেছে। গত ৫৩ বছরে এনজিওগুলোর ভূমিকা কীভাবে দেখছেন?

জাকির হোসেন: ৫৩ বছরে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ১৯৭০ সালে দেশে মাথাপিছু আয় ছিল ১০০ মার্কিন ডলার আর বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার। উপার্জন বরাবরই উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত আর এই উৎপাদন ও উপার্জনপ্রক্রিয়ার বিকাশে শুধু সরকার নয়, সরকারের অংশীদার হিসেবে এনজিও-এমএফআই (ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান) খাত নিভৃতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এ খাত স্বাধীনতা-পরবর্তী দরিদ্র ও হতদরিদ্র-অধ্যুষিত বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে দারিদ্র্য নিরসন ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে বেশি নজর দিয়েছে। পরবর্তীকালে দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যায়ে ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য নিশ্চিত করেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও এনিজওগুলোর ভূমিকা পালন করছে। আমাদের এই খাতের মাধ্যমে সাড়ে তিন কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় পৌনে তিন লাখ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

প্রথম আলো: কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে এনজিওগুলোর কী ভূমিকা রাখতে পারে?

জাকির হোসেন: বিগত দশকগুলোয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক যে উন্নয়ন ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, ২০৩৩ সাল নাগাদ আমরা বিশ্বের ২৪তম বৃহত্তম অর্থনীতির স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হব। তবে এ দুই সময়ের মধ্যবর্তী ভূরাজনৈতিক ও প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর প্রভাবের কথাও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। এ ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষ কিংবা দুর্যোগ গভীরভাবে দেশীয় অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার পাশাপাশি এগুলোও দায়ী। তবে আমাদের দেশীয় অব্যবস্থাপনা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

প্রথম আলো: কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে এনজিওগুলোর কী ভূমিকা রাখতে পারে?

জাকির হোসেন: বিগত দশকগুলোয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক যে উন্নয়ন ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, ২০৩৩ সাল নাগাদ আমরা বিশ্বের ২৪তম বৃহত্তম অর্থনীতির স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হব। তবে এ দুই সময়ের মধ্যবর্তী ভূরাজনৈতিক ও প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর প্রভাবের কথাও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। এ ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষ কিংবা দুর্যোগ গভীরভাবে দেশীয় অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার পাশাপাশি এগুলোও দায়ী। তবে আমাদের দেশীয় অব্যবস্থাপনা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

প্রথম আলো: শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের টেকসই উন্নয়নে এনজিওগুলো অনেক দিন ধরে কাজ করছে। এ খাতে নতুন আর কী কী করার আছে বলে মনে করেন।

জাকির হোসেন: আপনি ঠিকই বলেছেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিন ধরেই এনজিও-এমএফআইগুলো কাজ করে যাচ্ছে। তবে এ দুই খাতে আমাদের কাজগুলো প্রাথমিক ও মাঠপর্যায়ের। সম্প্রতি দু-একটি এনজিও বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ হাসপাতাল স্থাপন করে সাধারণ মানুষকে সেবা দিচ্ছে, যদিও এর ব্যাপকতা তেমন একটা নয়। সরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যে মান ধরে রাখতে পারেনি, আমরা তা পেরেছি। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে এনজিও-এমএফআই খাতের অনেকেই মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস—এগুলোর সবারই কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজ আছে।

প্রথম আলো: ক্ষুদ্রঋণের সেবা ডিজিটালাইজেশনের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছেন কি?

জাকির হোসেন: বুরো বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি এনজিও-এমএফআই এ ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে। আরও অনেক প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল যাত্রায় সংযুক্ত হওয়ার জন্য কাজ করছে। বুরো বাংলাদেশসহ দেশের শীর্ষ কয়েকটি উন্নয়ন সংস্থা শাখাগুলোয় শতভাগ অটোমেশন সম্পন্ন করে পরিপূর্ণ ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বুরো বাংলাদেশ গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণ ও সঞ্চয় সেবা দেওয়া শুরু করে ২০১৯ সালে।

প্রথম আলো: আপনাদের প্রতিষ্ঠান এ পর্যন্ত কী পরিমাণ ক্ষুদ্রঋণ দিয়েছে? এর কী প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন?

জাকির হোসেন: আমরা গ্রাহকদের এ পর্যন্ত ৯৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছি। এই ঋণের অর্থে অনেক মানুষ, যাঁদের অধিকাংশই নারী, নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন, কেউ উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছেন, কেউ তাঁর সন্তানকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন, কেউ কেউ বংশানুক্রমিক পেশা সচল রেখেছেন, কেউবা ছোট ব্যবসা বড় করেছেন। পরিবারে সচ্ছলতা এসেছে। তাঁরা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন এবং অনেক মানুষকে উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস জুগিয়েছেন। সমাজে এর প্রভাব বিপুল। ক্ষুদ্র ও মাঝারি পরিসরে তাঁরা অর্থনীতিতে যে অবদান রাখছেন, তার উৎসে আছে বুরো বাংলাদেশের ঋণসহায়তা।
জাকির হোসেন

প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, বুরো বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অগাস্ট ২০২৪ ০৪:৪১:এএম ২ বছর আগে
কালিহাতী উপজেলা পরিষদে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

কালিহাতী উপজেলা পরিষদে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হুসেইনের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে উপজেলা পরিষদে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২৫ আগস্ট) সকালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের দৈনন্দিন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

জানা গেছে, কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইনের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা রবিবার সকালে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের কোন কর্মকর্তা কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি। এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে।

এ সময় কালিহাতীর ইউএনও শাহাদাত হুসেইনের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থী রাসেল, আল আমিন, সাব্বির, রাশেদুল, রিফাত, আশরাফুল, কবির, হৃদয়, শাওন, হাবিব, সাজিদ প্রমুখ হ্যান্ড মাইকে নানাবিধ স্লোগান দেন ও বক্তব্য রাখেন।

তারা দাবি করেন, কালিহাতীর ইউএনও একজন কর্মমুখি-শিক্ষাবান্ধব ও ন্যায়-নীতিবান ভালো মানুষ। তার বদলির আদেশ তারা মানেন না। তার বদলির আদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

কালিহাতী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শহিদুজ্জামান মাহমুদ, কৃষি অফিসার ফারহানা মামুন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিল্পী দে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সেহাব উদ্দিন, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. লিয়াকত হোসেন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। শিক্ষার্থীরা উপজেলা প্রশাসনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় তারা স্ব স্ব কার্যালয়ে ঢুকতে পারছেন না। এতে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিফাত বিন সাদেক জানান, ভাগ্যক্রমে তাঁর কার্যালয়টি উপজেলা কমপ্লেক্সের বাইরে থাকায় তিনি তালাবদ্ধের আওতায় পড়েননি। তবে উপজেলা প্রশাসনের মূল ফটকে তালা দেওয়ায় প্রতিদিনের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, ইউএনও’র বদলির বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। তিনি সার্বক্ষণিক কালিহাতীর উদ্ভুত পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তা যথাযথভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইনের বদলির আদেশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে শিক্ষার্থীরা মশাল মিছিল নিয়ে বিক্ষোভ করতে করতে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরদিন শুক্রবার (২৩ আগস্ট) একই দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এদিন শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনও’র বদলির আদেশ প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারী দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের সিনিয়র সচিব সাগুফতা হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলি করে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অগাস্ট ২০২৪ ০২:৪৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আঁখ ক্ষেতে শিয়ালের ফাঁদে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আঁখ ক্ষেতে শিয়ালের ফাঁদে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আঁখ খেতে পেতে রাখা শিয়াল মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের হামকুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সজল খান।

নিহতরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের হামকুড়া (আমতলা) গ্রামের মৃত নঈম উদ্দিনের ছেলে কৃষক মো. আরশেদ আলী (৬৫) ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম (৫২)।

রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাহবুবুল হক মাসুদ জানান, কৃষক আরশেদ তার বাড়ির পাশেই আঁখ চাষ করতেন। খেত থেকে যেন কেউ আঁখ চুরি ও শিয়াল এসে আঁখ নষ্ট করতে না পারে সেজন্য তিনি খেতের চারপাশে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখেন। ঘটনার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ না করেই অসাবধানতাবশত খেতে গেলে প্রথমে রহিমা বেগম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এসময় স্বামী আরশেদ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে পুলিশ এসে লাশ দুটি উদ্ধার করে।

ঘাটাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সজল খান বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রী মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অগাস্ট ২০২৪ ০১:৫৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গোসলে নেমে শিশু নিখোঁজ, ১৮ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গোসলে নেমে শিশু নিখোঁজ, ১৮ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজের ১৮ ঘণ্টা পর মোস্তাকিম (১০) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।

মোস্তাকিম ভূঞাপুর পৌর শহরের বামনহাটা পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকাল ৩ টার দিকে বাড়ির পাশের লৌহজং নদীতে গোসলে নামে মোস্তাকিম। শিশুটি সাঁতার না জানায় পানিতে ডুবে যায়। পরে স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। শনিবার সকালে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, শুক্রবার বিকালে ভূঞাপুরের লৌহজং নদীতে গোসলে নেমে এক শিশু নিখোঁজ হয়। পরে শনিবার সকালে খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অগাস্ট ২০২৪ ০৩:২০:এএম ২ বছর আগে
কলেজ ছাত্র ইমন হত্যাকাণ্ড: টাঙ্গাইলের সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫৭ জনের নামে মামলা - Ekotar Kantho

কলেজ ছাত্র ইমন হত্যাকাণ্ড: টাঙ্গাইলের সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫৭ জনের নামে মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে কলেজছাত্র ইমনের (১৮) মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগষ্ট) দুপুরে নিহত ইমনের ভাই মো. সুমন বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

নিহত ইমন জেলার গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের নলিন উত্তরপাড়ার মৃত জুলহাস মিয়ার ছেলে।

মামলার আসামিদের মধ্যে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, হাসান ইমাম খান, ছানোয়ার হোসেন, জোয়াহেরুল ইসলাম, আমানুর রহমান খান ওরফে রানা, অনুপম শাজাহান জয় আছেন।

অন্যান্য আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান সোহেল, মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর শরীফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক তাহরীম হোসেন, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভর ব্যক্তিগত সহকারী মীর আসিফ অনিক, জেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক মঈন হোসেন রাজীব, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সেতাব মাহমুদ প্রমুখ।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাহ উদ্দিন জানান, ইমনের ভাই সুমন বাদী হয়ে ১৫৭ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া কলেজ ছাত্র ইমন ৪ আগস্ট বিকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সোহাগপাড়া এলাকায় গোড়াই হাইওয়ে থানা পুলিশের গুলিতে আহত হন । ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ১৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার ১৮ আগষ্ট তার মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৪ ০২:২২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভারতীয় আগ্রাসানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভারতীয় আগ্রাসানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠঃ ভারতীয় আগ্রাসানের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলে আন্দোলনকারীরা মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। এতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবি যুবায়ের ও মোসাদ্দেক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী কামরুল ইসলাম, আল আমিন, মনিরুল ইসলাম, আল আমিন সিয়াম প্রমুখ।

আন্দোলনকারীরা জানান, সম্প্রতি কোন রকম নোটিশ ছাড়াই ভারত সরকার কর্তৃক গম্বুর ও গজলডোবা বাঁধ খুলে দেওয়ায় বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। ইতিমধ্যেই নোয়াখালী, ফেনী, সিলেট, চট্টগ্রামসহ ১২ জেলার বিভিন্ন অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। ভারতের এমন আগ্রাসন মেনে নেয়ার মতো নয়। ভারত যদি তাদের নীতি থেকে সরে না আসে ভারতীয় পণ্য বয়কটসহ তাদের সেভেন সিস্টার্সকে শান্তিতে থাকতে না দেওয়ার হুশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৪ ০২:৩৪:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।