একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৯০ বছরের এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগে পলাশ (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ এপ্রিল) ভোরের দিকে উপজেলার এলেঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত পলাশ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কদিমহামজানী গ্রামের শরিফ উদ্দিনের ছেলে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পলাশকে আসামি করে ভুক্তভোগীর ছেলে বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় মামলা করেন।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন বৃদ্ধা। তার তিন ছেলে আলাদা আলাদা ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন। বৃদ্ধার গোঙানির শব্দ পেয়ে পাশের ঘর থেকে ছেলের বউ এসে দেখেন দরজা বাইরে থেকে আটকানো। তখন ছেলের বউ চোর এসেছে বলে চিৎকার করেন। এরপর পরিবারের লোকজন ঘরে ঢুকে বৃদ্ধাকে খাটের নিচে পড়ে থাকতে দেখেন। ধর্ষণে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে কিল ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধের একটি দাঁত ভেঙে ফেলে অভিযুক্ত। পরে ভুক্তভোগী বৃদ্ধাকে গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত পলাশকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের গাইনী বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. সালমা জাহান জানান, ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামে ৯০ বছরের এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার শারীরিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের গাইনি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. সালমা জাহান।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের এক বৃদ্ধা স্বামীর মৃত্যুর পর বাড়ির একটি টিনসেড ঘরে একাই ঘুমাতেন। তার তিন ছেলে পৃথক ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন।
সোমবার(২৪ এপ্রিল) গভীর রাতে চুরির উদ্দেশ্যে ওই বৃদ্ধার ঘরে ঢুকে। পরে জোরপূর্বক ওই বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করে। বৃদ্ধার চিৎকারে পাশের ঘরে থাকা বৃদ্ধার পুত্রবধু এগিয়ে আসলে ওই যুবক পালিয়ে যায়।
অভিযুক্ত পলাশ (২৫) উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কদিম হামজানী গ্রামের শরিফ উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, ওই যুবক মাদকাসক্ত। সে মাদকের টাকা জোগাড় করতে প্রায়ই চুরি- ছিনতাই করে থাকে। তাদের ধারণা মাদকের টাকার জন্য ওই যুবক বৃদ্ধার ঘরে ঢুকে। পরে বৃদ্ধাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। এসময় বৃদ্ধার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।
ধর্ষণের শিকার ওই বৃদ্ধার পুত্রবধূ জানান, শ্বাশুড়ির ডাক চিৎকার শুনতে পেয়ে ঘরে গিয়ে শ্বাশুড়িকে বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। পরে লক্ষ্য করি তার গোপনাঙ্গ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে । প্রতিবেশীদের সহায়তায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি।
তিনি আরো জানান, পলাশ নামের ওই যুবককে পালিয়ে যেতে দেখি।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. সালমা জাহান জানান, ওই নারীকে ডাক্তারী পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তার গোপনাঙ্গে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। বর্তমানে ওই নারী হাসপাতালের ৩নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দশকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ মালেক ভূঁইয়া জানান, ঘটনাটি অত্যান্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তিনি ওই যুবকের শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বেলাল হোসেন নামের এক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
সোমবার(২৪ এপ্রিল) পৌনে সাতটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তারা টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ধনবাড়ী উপজেলার ছাতারকান্দি এলাকায় গাছের গুড়ি ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ কার্যকর করে। এ সময় আন্দোলনকারিরা দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বানিয়াজানের ব্যবসায়ি রনি হাসানের সাথে বানিয়াজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এই দ্বন্দ্বের জের ধরে হামলা মামলার ঘটনাও ঘটেছে। গত রোববার (২৩ এপ্রিল) রনি হোসেনের সাথে বেলাল হোসেনে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এই ঘটনার জের ধরে রনি হোসেন ধনবাড়ী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার বিকেলে বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে ধনবাড়ী থানা পুলিশ। বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে তার কর্মী সমর্থকরা বিকেলেই ধনবাড়ী থানা চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভ করে। সন্ধ্যা পর্যন্তও তাকে ছেড়ে না দেওয়ায় তারা টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ধনবাড়ী উপজেলার ছাতারকান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কাঠের গুড়ি ফেলে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। সন্ধ্যা পৌনে সাতটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ চলাকালে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে।
স্থানীয় যুবলীগের কর্মী তমাল হোসেন জানান, গত ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় ব্যবসায়ি রনি হাসান তার সহযোগিদের নিয়ে বেলাল হোসেনের ওপর আক্রমন করে। এতে বেলাল হোসেন গুরুত্বর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এই ঘটনায় বেলাল হোসেনের দায়ের করা মামলায় রনি হোসেন সম্প্রতি জামিন নিয়ে আসেন। সোমবার রনি হোসেন দায়ের করা মামলায় বেলাল হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন।
এ ব্যাপারে ধনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, নেতাদের ভুল বুঝাবুঝি থেকে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। বেলাল হোসেনকে থানায় আনার পর তার কর্মী সমর্থকরা সড়ক অবরোধ করেছিল। বিষয়টি বসে মীমাংসার আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারিরা সড়ক অবরোধ তুলে নেন।
একতার কণ্ঠঃ কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, সম্প্রতি ঢাকায় কয়েকটি ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এটা খুব দুঃখ জনক ও বেদনা দায়ক। এটি নিয়ে মানুষের মনে শঙ্কাও সৃষ্টি হয়েছে।
অনেকেই বলছেন, এ বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রনোদিত। এ বিষয়টি আমাদের মনে হয় পরীক্ষা করতে হবে। এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে, তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি যাই বলুক। নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানকে পরিবর্তন করতে পারবে না। এ সংবিধান পরির্তন না করা পর্যন্ত যে সরকার দায়িত্বে ক্ষমতায় রযেছে একটি নির্বাচিত সরকার। তারাই সরকার পরিচালনা করবে। সরকারে থাকবে তারাই। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। কাজেই যে নির্বাচন কমিশন করা হয়েছে,তা আইন অনুযায়ী করা হয়েছে।
এ নির্বাচন কমিশন দেশে একটি সুন্দর সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিবে। এটাই দেশবাসীর কাম্য।
সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইলের মধুপুরে রানী ভবানী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৪ বছরের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন কৃষি মন্ত্রী।
আলোচনা সভায় পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির আহবায়ক শেখ আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন, মধুপুর পৌরসভার মেয়র ছিদ্দিক হোসেন খান, রানী ভবানী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাছেদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু হাদী নূর আলী খান, শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ বজলুর রশীদ খান চুন্নু, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
“শৈশব ফিরুক সবার প্রাণে স্কুলের বাঁধন জাগুক মনে” এ শ্লোগান নিয়ে সকাল থেকে বিদ্যালয়ের নানা বয়সী সতীর্থরা তাদের প্রাণের বিদ্যাপিঠে পুনর্মিলনীতে যোগ দেয়। আলোচনা সভা, স্মৃতি চারণ, সাংস্কৃতিক উৎসবসহ নানা আয়োজনে প্রাণের সেতু বন্ধন তৈরি হয়। শৈশবের সতীর্থদের স্মৃতি চারণে মেতে উঠে সবাই। বর্নীল আয়োজনে সাজানো হয়েছে বিদ্যালয় ক্যাম্পাস কে।
নিজের আজকে শৈশবে ফিরা যাওয়া কে ধরে রাখতে মুঠো ফোনে সেলফি তোলে রাখছেন অনেকে।
রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবে কন্ঠ শিল্পী কোনাল। পুরো বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস জুড়ে প্রাণের উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে অটোরিকসা চালক কিশোরকে খুন করে অটো ছিনতাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারনা করা হচ্ছে,চালকের মরদেহ ফেলে রেখে ছিনতাইকারী অটোরিক্সা নিয়ে পালিয়েছে।
নিহতের নাম মো. মনি (১৪) সে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার পুগলদীঘিয়া গ্রামের মো. রফিক মিয়ার ছেলে।
মধুপুর পৌরসভার কাইদকাইত এলাকার টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের ব্রীজের পাশে ২০-২৫ ফুট নিচে বেগুন ক্ষেত থেকে এ মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারনা,শনিবার ( ২২ এপ্রিল) ঈদুল ফিতরের দিন সন্ধ্যায় কোন এক সময়ে হত্যাকান্ডটি সংগঠিত হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয়রা শনিবার সন্ধ্যায় বেগুন ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীদের জানালে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নিহতের বড় ভাই রবিন জানান, সে শনিবার ঈদের দিন বিকেল ৩ টার দিকে অটোবাইক নিয়ে বের হয়। বাড়ী ফিরতে দেরি হওয়ায় ফোনে যোগাযোগ করলে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ দেখায়। পরে চারদিকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এক পর্যায়ে , রবিবার( ২৩ এপ্রিল)সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মরদেহের ছবি দেখে তারা মধুপুর চলে আসে। মধুপুর থানায় গিয়ে মরদেহ দেখে নিহতের স্বজনরা সনাক্ত করেন এটি নিখোঁজ হওয়া মনির মরদেহ ।
নিহতের স্বজনদের ধারণা অটোবাইক ছিনতাই করে তাকে খুন করা হয়েছে। উদ্ধাকৃত মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মধুপুর থানা অফির্সাস ইনচার্জ (ওসি)মাজহারুল আমিন জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জাহানারা (২৪) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার(২১ এপ্রিল) ভোরে স্বামীর বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জাহানারা উপজেলার চতলবাইদ দক্ষিণপাড়া এলাকার আনিছ মিয়ার স্ত্রী ও গজারিয়া গ্রামের জোয়াহের আলীর মেয়ে।
গৃহবধূর বাবার বাড়ির সদস্যদের দাবি, তাঁকে খুন করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে স্বামীর দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
জাহানারার পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে উপজেলার চতলবাইদ গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে আনিছের সঙ্গে জাহানারার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে আহসান হাবীব (৪) নামের একটি ছেলেও রয়েছে। কয়েক মাস ধরে আনিছ বিদেশে যাওয়ার জন্য জাহানারাকে বাবার বাড়ি থেকে দুই লাখ টাকা এনে দিতে বলছিলেন। কিন্তু এতে রাজি হয়নি জাহানারা। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে খবর আসে জাহানারা ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।
জাহানারার মা মমতা বেগম জানান, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার(২০ এপ্রিল) ৮টার দিকেও মেয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়। তখনো সব ঠিকঠাকই ছিল। রাত ১টার দিকে খবর পাই মেয়ে মারা গেছে। কয়েক দিন ধরে মেয়েকে টাকার জন্য নানাভাবে চাপ দিচ্ছিল জামাই।’
চাচাতো ভাই শাওন আহমেদ জানান, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ওই বাড়িতে যাই। গিয়ে দেখি ঘরের বাইরে বোনের মরদেহ। আমাদের ধারণা, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান,এ নিয়ে থানায় হত্যা বা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি।’
স্বামী আনিছ মিয়া জানান, ‘তুচ্ছ ঘটনায় আমার মা-বাবার সঙ্গে রাগ করে আমার স্ত্রী নিজ ঘরেই ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।’
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল করিম জানান, ‘আপাতত একটি অপমৃত্যুর মামলা নেওয়া হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ উনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন একটি দোকানে হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর (ভিজিডি) চাল গোপনে বিক্রি করে পালিয়ে গেছেন ইউপি সচিব শেখ ফরিদ।
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদে এই ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়রা জানায়, অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর (ভিজিডি)চাল গত ১৩ এবং ১৪ তারিখে বিতরণ করা হয়। অনিয়ম করে বিতরণ করায় গোডাউনে থেকে যায় অনেক চালের বস্তা। যা বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে বিক্রি করার সময় তাদের নজরে আসে।
তারা আরও জানায়, অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শেখ ফরিদ সুশীল নামের এক গ্রাম পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় কালোবাজারি আজাদের ভ্যানে ভর্তি করে চালের বস্তা বের করে নেন। পরে তা পরিষদ সংলগ্ন এক ওষুধের দোকানে নিয়ে সরকারি পাটের বস্তা থেকে
প্লাস্টিকের বস্তায় পরিবর্তন করেন। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। তবে প্রশাসনের লোকজন আসার আগেই সচিব ও কালোবাজারি আজাদ পালিয়ে যায়। এরপর অভিযান চালিয়ে প্রশাসনের লোকজন বিক্রি করা চাল জব্দ করেন।
গ্রাম পুলিশ সুশীল জানান, আমি বাড়িতে ছিলাম।সচিব ফোন করে পরিষদে আসতে বলেন এবং খালি বস্তা গুনতে বলেন। পরিষদে গিয়ে দেখি আজাদ ভ্যান গাড়িতে চাল তুলছেন। পরে আর কিছু জানিনা। আজাদ মাঝে মধ্যেই পরিষদ থেকে এভাবে চাল নেয়।
এ বিষয়ে অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শেখ ফরিদের বক্তব্যের জন্য মোবাইল ফোনে বারবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, কয়েকদিন আগে ভিজিডির চাল বিতরণ করা হয়। এসময় কয়েকজন কার্ড নিয়ে না আসায় চালগুলো গোডাউনে রাখা হয়। সকালে খবর পেয়ে পরিষদের গুদামের তালা ভেঙে দেখি চালের বস্তাগুলো নেই।
তিনি আরো জানান, এছাড়া সচিবকেও পরিষদে পাওয়া যায়নি। পরে ইউএনও’র উপস্থিতিতে আজাদ মিয়ার দোকান থেকে ১০ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন জানান, চাল উদ্ধারের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ উঠা ওই সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত জানানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দুই’শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মাইধারচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল মাঠে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়ার কমান্ডার মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী স্থানীয় লোকজনদের হাতে দুই’শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর দপ্তরের ৩০৯ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুল কাদের, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াৎ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
এছাড়াও সেনাবাহিনীর নিজস্ব তহবিল হতে ঘাটাইল এরিয়ার আওতাধীন জামালপুর জেলায় ২৫০, শেরপুর জেলায় ২০০, ময়মনসিংহ জেলায় ১০০ প্যাকেট, নেত্রকোনা জেলায় ২০০, কিশোরগঞ্জ জেলায় ২৫০ প্যাকেট এবং টাঙ্গাইল জেলায় ২০০ প্যাকেটসহ সর্বমোট ১৪০০ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ ঈদ উপলক্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শন করলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, যানযট মুক্ত থাকবে মহাসড়ক। পুলিশ যেভাবে তৎপর রয়েছে আশা করছি কোন প্রকার সমস্যা হবে না। মানুষ ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি ফিরবেন।
বুধবার (১৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ৫ টার দিকে মহাসড়কের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গাতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি মাশরুকুর রহমান খালেদ, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( অপরাধ) শরফুদ্দীন প্রমূখ ।
ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম আরো বলেন,মহাসড়কে যাতে করে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে পারে সেজন্য পুলিশ সব সময় মহাসড়কে থাকবে।এই সময় যেন মহাসড়কে ডাকাতি, এক্সিডেন্ট ও যানযট না হয় সেজন্য সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা রেঞ্জ পুলিশ।
পরে তিনি মহাসড়ক পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্য রওনা হন।
এদিকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মহাসড়কের এই অংশে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট। মহাসড়কে স্বাভাবিকভাবেই যান চলাচল করছে। মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন।
একতার কণ্ঠঃ ঈদে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে ঘর মুখো মানুষ । এতে উত্তরবঙ্গগামী মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হচ্ছে মোটরসাইকেল যোগে। বুধবার (১৯ এপ্রিল) ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব এলাকায় আলাদা টোল বুথে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
সরেজমিনে বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে গিয়ে দেখা গেছে, শত শত মোটরসাইকেল বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব টোলপ্লাজার পাশেই স্থাপিত আলাদা বুথে অপেক্ষা করছে সেতু পার হওয়ার সময়। এসময় সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজন অপেক্ষারত মোটরসাইকেল আরোহীদের নির্ধারিত মোটরসাইকেলের টোলের টাকা হাতে রাখার জন্য মাইকিং করছে।
এদিকে মহাসড়কে যাত্রীবাহি বাসের চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি বেশি দেখা গেছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি।
নারায়নগঞ্জ থেকে উত্তরবঙ্গে রওনা হওয়া মোবারক হোসেন জানান, ভোররাতে নারায়নগঞ্জ থেকে রওনা হয়েছি মোটরসাইকেলযোগে ঈদে বাড়ি যাওয়ার জন্য। মহাসড়ক ফাঁকা ছিল বিধায় তারাতাড়ি আসতে পেরেছি।
স্ত্রী নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছেন গ্রামীন ব্যাংকে কর্মরত আবুল কালাম। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছি। সেতু পার হলেই বাড়ি। তাই স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছি। আমার মত শত শত মোটরসাইকেলের আরোহীরা অপেক্ষা করছে সেতু পার হতে।
মোটরসাইকেল আরোহীরা জানান, ছুটির প্রথম দিনে মহাসড়ক ফাঁকা ছিল। ঝামেলা ছাড়াই মোটরসাইকেলে বাড়ি যাওয়া সহজ।
বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, ভোররাত থেকেই সেতুতে মোটরসাইকেল পারাপারে দীর্ঘ সারি ছিল।মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য আলাদা বুথ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বলেছেন, জেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের চিহ্নিত হত্যাকারী ও তাদের মদদদাতারা আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। তারা টাঙ্গাইলের শান্ত পরিবেশকে আবার অশান্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। প্রপাগান্ডা চালিয়ে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছে। তাদের ষড়যন্ত্র সততার কাছে পরাজিত হবেই।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটিরিয়ামে আয়োজিত জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত দিনে টাঙ্গাইল শহর সন্ত্রাসীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। তথাকথিত একটি পরিবারের কাছে টাঙ্গাইল শহর জিম্মি হয়ে পড়েছিল। সে সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদসহ আওয়ামী লীগের ৩০জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল।
সেই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যার প্রতিবাদ করায় আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়েছিল। সেদিনের টাঙ্গাইল আর আজকের টাঙ্গাইল শহরের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন। আজ মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে। কোন রাজনৈতিক হানাহানি, খুন, রাহাজানী নেই।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনিকে একটি সাজানো মামলা দিয়ে মানহানীর অপচেষ্টা করছে তথাকথিত সেই পরিবার। তারা টাঙ্গাইলের রাজনীতিকে আবার অস্থিতিশীল করতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আমার নির্বাচনী এলাকা গোপালপুর-ভূঞাপুর আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কয়েক নেতা। তাদের সাথে আরও সুর মিলাচ্ছে দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা দু-চারজন রাজনৈতিক নেতা।
১৯৭৫ সালে খন্দকার মোস্তাক যেমন আওয়ামী লীগের মধ্যে থেকে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছিল। তেমনই ওই ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের প্রিয় টাঙ্গাইলকে অশান্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা ইতোপূর্বেও একাধিকবার আমাদের নিয়ে ষড়য়ন্ত্রের ঘৃণ্য খেলায় লিপ্ত হয়েছে। কিন্ত বার বারই সততার কাছে- শেখ হাসিনার উন্নয়নের কাছে পরাজিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক বিষয়ে মাননীয় প্রধামন্ত্রী সব খবর রাখেন। তিনি সবই অবগত। আজকে যারা আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে নানা সুবিধা নিয়েছেন বা নিচ্ছেন তারা একবার ভাবুন কাদের ত্যাগের জন্য এ সুবিধা পাচ্ছেন।
এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা যে মেয়েকে দিয়ে আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিয়েছেন। সেই মামলার পর শহরে আমার ভাইয়ের শাস্তির দাবিতে মিছিল করিয়েছে কে আপনারা সবই জানেন। সত্যকে কখনও ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায়না। সত্য একদিন আপন গতিতে পরিস্ফুটিত হবে।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্র লীগের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সত্য প্রকাশে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তারেক মাহমুদ পলু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও গণসঙ্গীত শিল্পী এলেন মল্লিক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ রউফ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিঞা, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামীলীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তিন শতাধিক নেতাকর্মী ও জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে গত ৫ এপ্রিল এক কিশোরী টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ডাক্তারী পরীক্ষায় যৌন নিগ্রহের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। মামলার পক্ষে-বিপক্ষে শহরে প্রায়ই মিছিল পাল্টা মিছিল করা হচ্ছে। এ নিয়ে শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর, বাসাইল ও ধনবাড়ী উপজেলার ৩টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নবনির্মিত এসব মডেল মসজিদের উদ্বোধন করেন তিনি।
টাঙ্গাইল অংশে জেলা সদর মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার আলম, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।