একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন। এছাড়া তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হলে তার ঘনিষ্ট স্বজন আউট সোর্সিং হিসেবে প্রসেস সার্ভার পদে চাকরিরত এক ছেলেকে গলা কেটে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে সব বিচারকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বিচারক খালেদা ইয়াসমিনসহ তার পরিবারের লোকজন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) খাকি রংয়ের খামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনের নামে একটি চিঠি আসে। সেখানে প্রেরকের স্থানে জুবায়ের রহমান লেখা রয়েছে।
চিঠির লেখাটি হুবুহু তুলে ধরা হলো: ম্যাডাম- আপনাকে উদ্দেশ্য করে চিঠি দিলাম। বিস্তারিত পড়ে দেখুন।
আমরা জঙ্গি সংগঠনের লোক। তাই জীবনে চলার পথে অনেক অন্যায় কাজ করেছি। এমনকি এখনো করি। আমরা যখন যাকে ট্রার্গেট করি তখন তাকে ছলে বলে কৌশলে হত্যা করি। এটাই আমাদের পেশা। এবার আপনাকে হত্যা করার পালা। কারণ আপনি নারী ও শিশু কোর্টে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেকটি বড় ধরনের মামলার রায় দিয়েছেন। তাতে আমাদের লোকজনের খুব বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তাই আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি যদি নিজের জীবনের প্রতি মায়া থাকে তাহলে টাঙ্গাইল থেকে বদলি হয়ে চলে যান। যদি কথা না শোনেন তাহলে আমরা আপনাকে হত্যা করতে বাধ্য হবো। আর আমাদের যারা সহযোগিতা করতেছে তারা কয়েকজন আইনজীবী এমনকি জজ কোর্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের স্টাফদের সমন্বয়ে।
আপনাকে যেভাবে হত্যা করা হবে তার ২টি নমুনা:
টার্গেট-১। অফিস থেকে বাসা এর মধ্যে আসা যাওয়ার পথে আপনার গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করা হবে।
টার্গেট-২। অফিস চলাকালীন সময়ে লোকজনের ভিড়ের মধ্যে গিয়ে আপনার এজলাশ বা খাসকামড়ার মধ্যে বোমা নিক্ষেপ করা হবে।
তবে একটা কথা মনে রাখবেন আপনাকে পুলিশ যতই নিরাপত্তার মধ্যে রাখুক না কেন আপনাকে আমাদের বোমার হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না। তাই প্রাণ বাঁচাতে চাইলে টাঙ্গাইল থেকে তাড়াতাড়ি বদলি হয়ে চলে যান।
যদি আপনাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হই। তাহলে আমাদের হিংস্রতার টার্গেট রয়েছে আরেকটি। সেটা হলো-আপনার নারী ও শিশু কোর্টে ‘আউট সোর্সিং’ হিসেবে প্রসেস সার্ভার পদে যে ছেলেটি চাকরি করে সে নাকি আপনার খুব ঘনিষ্ট আত্মীয়। তাই আমাদের লক্ষ্য ছেলেটাকে অফিসে আসা যাওয়ার পথে বা কোর্ট থেকে বাহিরে যাওয়া মাত্রই আমরা তাকে অপহরণ করবো। পরে গহীন জায়গায় নিয়ে আটকে রেখে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করবো। আর যদি টাকা না দিতে পারেন তাহলে ছেলেটাকে জবাই করে হত্যা করা হবে। পরে লাশ যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়া হবে। কথাটা মনে রাখবেন।
ইতি
জঙ্গি সংগঠন।
এদিকে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন জানান, চিঠিটি পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। এছাড়া তিনি ও তার পরিবারের লোকজন বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সেইসঙ্গে বিচারক খালেদা ইয়াসমিন ও তার পরিবারের লোকজনদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল র্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, র্যাবের সব টিম বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
একতার কণ্ঠঃ উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে টাঙ্গাইলের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার(২৬ আগস্ট) সকালে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার ধলেশ্বরীতে ৪ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৩ সেণ্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ৯ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) জানায়, গত দুই দিন যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকার পর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের করণে জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। ফলে জেলার চরাঞ্চল, নিম্নাঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদী তীরবর্তী এলাকার ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, কালিহাতী, বাসাইল, ভূঞাপুর, মির্জাপুর, বাসাইল ও নাগরপুর উপজেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। কোথাও কোথাও নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।
টাঙ্গাইল পাউবো ও কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়লেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পানি বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীসহ জেলার সব নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নদীর পানি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করছে।
একতার কণ্ঠঃ দ্বিতীয় স্ত্রী সৈয়দা আমেনা পিংকিকে হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনার দ্রুত তদন্ত শেষ করে পৌর কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিচারের দাবি উঠেছে। বুধবার( ২৫ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দা আমেনার বাবা সৈয়দ শরিফ উদ্দিন এ দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ শরিফ উদ্দিন বলেন, টাঙ্গাইলে থাকার সময় ২০১২ সালের জুন মাসে তার মেয়ে সৈয়দা আমেনাকে মোর্শেদের লোকজন অপহরণ করে। পরে মোর্শেদ আমেনাকে জোরপূর্বক বিয়ে করেন। এরপর মোর্শেদ আমেনাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে ঘর সংসার করতে থাকে। মোর্শেদের দুই স্ত্রী থাকায় পরিবারে মাঝে মাঝে ঝগড়া হয়। তাদের সংসারে এক কন্যা সন্তান মায়শা জন্মগ্রহন করে, যার বয়স এখন ছয় বছর। আমেনার সংসারে এক মুহুর্তের জন্য শান্তি দেয়নি সন্ত্রাসী মোর্শেদ ও তার প্রথম স্ত্রী। তাকে প্রচুর মারধর করত। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি রাতে মোর্শেদ তার এক সহযোগির বাসায় দাওয়াতের কথা বলে আমেনাকে নিয়ে যান। সেখানে নিয়েই মোর্শেদ কয়েকজনের সহায়তায় আমেনাকে হত্যা করে লাশ গুম করে।
সৈয়দ শরিফ উদ্দিন জানান, এতো দিন মোর্শেদের ভয়ে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নিতে সাহস পাননি। সম্প্রীতি মোর্শেদ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত মঙ্গলবার টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ শরিফ উদ্দিন মোর্শেদের দ্রুত বিচার দাবি করেন।
সৈয়দ শরিফ উদ্দিন নীলফামারী শহরের হাড়োয়া আদর্শপাড়ার বাসিন্দা। তিনি এক সময় টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় মোর্শেদের বাড়ির পাশে ভাড়া থাকতেন।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদকে গত ১৯ আগস্ট গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে। পরে তার বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে দু’টি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগজিন উদ্ধার করে পুলিশ।
আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতা হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের এক ডজন মামলা হয়েছে। মোর্শেদ টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। পরে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দলীয় পদ না থাকলেও শহর আওয়ামী লীগের দলীয় বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নিতেন। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার চাঞ্চল্যকর ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি সুজন হত্যা মামলার নিরপেক্ষ পুনঃতদন্ত ও আসামি পক্ষের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(২৪ আগষ্ট) সকালে মধুপুর প্রেসক্লাবে নিহত সুজনের পরিবার ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদসম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন মামলার বাদী ধলপুর গ্রামের মো. জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, তার ভাই সুজন মিয়া একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। একই গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে মহির উদ্দিনের সাথে বিদুৎতের মিটার সংযোগ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। ওই কথা কাটাকাটির জের ধরে গত ৩ জানুয়ারি একই গ্রামের রেজাউল করিম (৩৫), মো. উজ্জল মিয়া (৩২), মো. শামীম(৩০), মো. ইউসুব আলী(৫০), মো. ইয়ামিন(২৮), মহির উদ্দিন(৫০), বাদশা মিয়া (৫৫), মো. রাসেল(২২), মো. সেলিম মিয়া(৩০), রুহুল আমিন(২৬), জয়নাল আবেদীন(৪৬), রেজিয়া বেগম(৪৫)ও বোয়ালী গ্রামের আ. জলিলসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করে। এ বিষয়ে মধুপুর থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
তিনি বলেন, মামলার আসামিদের মধ্যে বর্তমানে পাঁচজন জেল-হাজতে রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মধুপুর থানার এসআই আল আমিন (বর্তমানে কালিহাতী থানায় কর্মরত) তদন্ত শেষে ৭ জনকে বাদ দিয়ে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। চার্জশীটে বাদির অভিযোগ যথাযথভাবে উপস্থাপন না হওয়ায় তিনি আদালতে নারাজী আবেদন দাখিল করেন। আদালত নারাজী গ্রহন করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেয়।
বাদি আরও বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে সঠিকভাবে তদন্ত না করে এজাহারভুক্ত আসামীদের বাদ দিয়ে চার্জসীট দাখিল করেছেন। বর্তমানে বাদ পড়া আসামিরা নানাভাবে হুমকি- ধমকি দিচ্ছে। আসামিরা সুজন হত্যা মামলার বাদি পক্ষকে চারটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত সুজনের বাবা নজর আলী, মাতা ফাতেমা, বোন চায়না বেগম, ভাই দুলাল, আয়নাল হকসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার(২৪ আগস্ট) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সহিদুর সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ভাই ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ আতাউর রহমান খানের ছেলে। আট মাস ধরে তিনি কারাগারে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত বুধবার (১৮ আগস্ট) বুকে ব্যথা অনুভব করায় সহিদুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর পরীক্ষা–নিরীক্ষায় হৃদ্যন্ত্রে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে থাইরয়েড ও কিডনিতে কিছু সমস্যা পাওয়া যায়। তাঁর চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী গতকাল সোমবার করোনা পরীক্ষার জন্য তাঁর নমুনা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ হন তিনি।
টাঙ্গাইল আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, চিকিৎসার জন্য সহিদুরের আইনজীবীরা বৃহস্পতিবার ও গতকাল সোমবার দুই দফা টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অন্তর্বর্তী জামিন আবেদন করেন। তাঁরা সহিদুরের চিকিৎসার জন্য যেকোনো শর্তে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ দুই দিনই তাঁর আবেদন নামঞ্জুর করেন।
প্রকাশ, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত বছরের ২ ডিসেম্বর সহিদুর টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। তার পর থেকেই তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে। এ পর্যন্ত ১৩ বার আদালতে জামিন আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ অস্ত্র মামলায় রিমান্ড শেষে টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান ওরফে মোর্শেদকে সোমবার( ২৩ আগস্ট) বিকেলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শামীম হোসেন তাঁকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। পরে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সামসুল আলম তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদকে গত বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পৌরসভার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁর বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি বিদেশি পিস্তল, ছয়টি গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোর্শেদকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতাকে হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের এক ডজন মামলা হয়েছে
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, রিমান্ড জিজ্ঞাসাবাদে মোর্শেদ তাঁর ওই অস্ত্র এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল সদর থানা সূত্র জানায়, আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতাকে হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের এক ডজন মামলা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মোর্শেদ টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। পরে জেলা যুবলীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দলীয় পদ না থাকলেও শহর আওয়ামী লীগের দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ঘরের দরজা ভেঙ্গে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (২৩ আগস্ট) দিনগত রাত একটার দিকে পৌর এলাকার শান্তিনগর থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়।তার নাম সাইফুর রহমান বিপ্লব (৪৫)। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। গ্রামের বাড়ী ঘাটাইল ইউনিয়নের বীরহামপুর গ্রামে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিপ্লব দীর্ঘদিন প্রবাসী ছিলেন। কিছুদিন পূর্বে দেশে ফিরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিনে নিজেই চালাচ্ছিলেন।কয়েকদিন আগে বিপ্লব সম্ভবত গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। সোমবার রাতে তালাবদ্ধ ওই ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। ঘাটাইল থানা পুলিশের সদস্যরা স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ঘরের তালা ভেঙ্গে বিপ্লবের অর্ধগলিত ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ।
সাইফুর রহমান বিপ্লবের স্ত্রী জানান, তাকে কয়েকদিন আগে বিপ্লব তার বাবার বাড়ী পাঠিয়ে দেয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার সময় তার সাথে মোবাইল ফোনে কথা হয়। তারপরে তার সাথে আর কোন কথা হয়নি এবং মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পারিবারিক কোন দাম্পত্য কলহ বা কারও সাথে তার তেমন কোন শত্রুতা ছিল না বলে জানিয়ে বিপ্লবের স্ত্রী আরও বলেন, টেনশন থেকে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা হচ্ছে।
ঘাটাইল থানা অফিসার-ইন-চার্জ আজহারুল ইসলাম সরকার (বিপিএম) জানান, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি একটি আত্মহত্যার ঘটনা। বিপ্লব তার স্ত্রীকে বাবার বাড়ী পাঠিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত তার সাথে স্ত্রীর যোগাযোগ ছিল। আত্মহত্যার ঘটনাটি কয়েকদিন আগে সম্পন্ন হওয়ায় নিহতের শরীর অনেকটা বিকৃত হয়ে যায়। এলাকাবাসী খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইলে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে তিনি আরো জানান।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর নামক স্থানে সোমবার(২৩ আগস্ট) সকালে কাভার্ডভ্যান ও বুলডোজারের সংঘর্ষে কাভার্ডভ্যানের চালক নিহত হয়েছেন। কাভার্ডভ্যানের চালকের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট সৌরভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সার্জেন্ট সৌরভ জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একটি কাভার্ডভ্যান ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কাভার্ড ভ্যানটি দাঁড়িয়ে থাকা একটি বুলডোজারের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কাভার্ডভ্যানের চালকের মৃত্যু হয়। লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ স্ত্রী ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করলেন আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন অমিত রাজ নামে এক আওয়ামী যুবলীগ নেতা। দাম্পত্য কলহের জের ধরে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। ডিভোর্সের পর যুবলীগ নেতার দাদী মোনোয়ারা বেগম অমিত রাজকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে দেন। স্ত্রীকে ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করার ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের পাশাপাশি নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার(২১ আগস্ট) টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামে। অমিত রাজ ওই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।
অমিত রাজ মুঠোফোনে জানান, তার স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে তিন মাস আগে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি(জিডি) করেছিলেন। কিছুদিন পর তার পালিয়ে যাওয়া স্ত্রী ফিরে এসে তার পরিবারের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করেন। শনিবার(২১ আগস্ট) ডিবি কার্যালয়ে বসে দেনমোহরের ৩ লাখ টাকার পরিশোধের বিনিময়ে তাদের ডিভোর্স হয়। এরপর তিনি তিন বছরের ছেলেকে বুঝে নিয়ে বাড়ি ফিরে এসে দুধ দিয়ে গোসল করেন।
তিনি আরও জানান, প্রেম করার পর প্রেমিকাকে বিয়ে করেও সুখী হতে না পারার ব্যর্থতায় তিনি ডিভোর্স করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘাটাইল উপজেলার পোড়াবাড়ী নামকস্থানে রোববার(২২ আগস্ট) সকালে বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে শামীম(৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। ঘাটাইল থানার এসআই রাজিব হোসেন তালুকদার এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শামীম ভূঞাপুর উপজেলার সিরাজকান্দি গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে ও ওই অটোরিকশার চালক।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘাটাইলের পোড়াবাড়ী নামকস্থানে ধনবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা বিনিময় পরিবহনের একটি বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশা চালক শামীম ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় অটোরিকশার এক যাত্রী আনারস ব্যবসায়ী আহত হন। আহত ওই আনারস ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) রাজিব হোসেন তালুকদার জানান, নিহত অটোরিকশা চালক শামীমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ অস্ত্র মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সাবেক যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমান মোর্শেদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।শুক্রবার (২০ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা হাসানাত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) একটি চাঁদাবাজির মামলায় আতিকুর রহমানকে জেলা সদর রোডে অবস্থিত পৌর ভবনের সামনে থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি কালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার শয়ন কক্ষ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি ও দু’টি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়। এদিন রাতে টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদ-ইবনে-রাজীব বাদী হয়ে আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন।
শুক্রবার(২০ আগস্ট) বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামীম হোসেন মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, কাউন্সিলর আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতা হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের এক ডজন মামলা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আতিকুর রহমান টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। পরে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দলীয় পদ না থাকলেও শহর আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন।
মোর্শেদের বিরুদ্ধে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে শহরের বেশ কয়েকটি এলাকা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা মামলা ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাছ এলাসিন গ্রামে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) রাত দেড়টায় ওই তিন যুবকের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হচ্ছেন উপজেলার পাছ এলাসিন গ্রামের জুলহাস মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নাসির মিয়া (২২), বাবুল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ পারভেজ মিয়া (৩৪) ও কাশেম মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আক্কাস মিয়া (২৩)।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে, তিন বন্ধু মিলে তাদের এক বন্ধু, নাসিরের মনোহারি দোকানে বসে মদপান করেন। এসময় মদের বিষক্রিয়ায় তিনজনই অচেতন হয়ে গেলে স্থানীয়রা পরিবারকে খবর দেয়। পরে পরিবার তাদের টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাসির এবং পারভেজকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর চিকিৎসারত অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে আক্কাসও মারা যায়।
এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, রাতে তিন বন্ধু মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। বিস্তারিত জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।